ঢাকা শনিবার, ৩১শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৫ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ২০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শনিবার, ৩১শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১৫ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ইরানের পরমাণু কেন্দ্র পরিদর্শনের সুযোগ না পাওয়ায় জাতিসংঘের উদ্বেগ


ইরানের পরমাণু কেন্দ্র পরিদর্শনের সুযোগ না পাওয়ায় জাতিসংঘের উদ্বেগ

ইরানে পারমাণবিক কর্মসূচি যাচাই বা পরিদর্শনের সুযোগ না থাকার কারণে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে জাতিসংঘের আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থা (আইএইএ)। সংস্থাটি উল্লেখ করেছে যে, দীর্ঘ সময় ধরে এই পরিদর্শনের সুযোগ পাওয়া যাচ্ছেনা, যা আন্তর্জাতিকভাবে অস্ত্র বিস্তরণের ঝুঁকি বৃদ্ধি করছে।

বৃহস্পতিবার (৪ জুন) এএফপি-র হাতে আসা আইএইএ-র একটি গোপনীয় প্রতিবেদনে উক্ত তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। একই সময়ে, সংস্থাটি ইরানকে তাদের সাথে ইতিবাচকভাবে কাজ করার জন্য আহ্বান জানিয়েছে।

২০২৫ সালের জুন মাসে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের আকস্মিক হামলার পরে মধ্যপ্রাচ্যে চরম উত্তেজনা বিরাজমান। বিশেষত, ২৮শে ফেব্রুয়ারি শুরু হওয়া ১২ দিনব্যাপী রক্তক্ষয়ী সংঘাতের সময় ইরানের একাধিক পারমাণবিক স্থাপনায় হামলা চালানো হয়েছিল।

আরও পড়ুন: পার্বত্য চট্টগ্রামে নিরাপত্তা হুমকির মুখে, শান্তি সুদূরপরাহত

এই সামরিক হামলার পর থেকেই আইএইএ-র পরিদর্শকরা গুরুত্বপূর্ণ পরমাণু কেন্দ্রগুলোতে প্রবেশ করতে পারছেন না তেহরানের কারণে।

আইএইএ তাদের প্রতিবেদনে স্বীকার করেছে যে, সামরিক হামলার ফলে সেখানে একটি নজিরবিহীন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। তবে বিশ্বের নিরাপত্তার স্বার্থে অবিলম্বে পরমাণু কেন্দ্রগুলো পরীক্ষা করা অত্যন্ত জরুরি। গত বছরের জুন মাসের আগে আইএইএ-র হিসাব অনুযায়ী, ইরানের কাছে ৬০ শতাংশ সমৃদ্ধ প্রায় ৪৪০ কেজি ইউরেনিয়াম মজুদ ছিল।

পারমাণবিক বোমা তৈরির জন্য ৯০ শতাংশ সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম প্রয়োজন হয়। এর ফলে ইরান বোমা তৈরির দিক থেকে খুব কাছাকাছি চলে এসেছে, যা ২০১৫ সালের আন্তর্জাতিক চুক্তির সীমার চেয়ে অনেক বেশি। হামলায় বিধ্বস্ত কেন্দ্রগুলোতে পরিদর্শকদের প্রবেশ করতে না পারার কারণে সাম্প্রতিক এক বছরের মধ্যে এই বিশাল ইউরেনিয়াম মজুতের বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে চরম অনিশ্চয়তা সৃষ্টি হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল দীর্ঘ দিন ধরেই দাবি করে আসছে যে, ইরান গোপনে পরমাণু অস্ত্র তৈরি করছে। ট্রাম্প স্পষ্ট করেছেন, ইরানকে অবশ্যই পরমাণু অস্ত্র তৈরির পথ ত্যাগ করতে হবে এবং তাদের ইউরেনিয়াম ধ্বংস করতে হবে।

আরও পড়ুন: ‘ফ্রম রাশিয়া উইথ লাভ’

অন্যদিকে, ইরান সর্বদা পরমাণু অস্ত্র তৈরির অভিযোগ অস্বীকার করে এসেছে। তেহরানের দাবি, তারা পুরোপুরি বেসামরিক ও শান্তিপূর্ণ উদ্দেশ্যে এই পারমাণবিক প্রযুক্তি ব্যবহার করছে।

সূত্র : আরব নিউজ

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ফ্রান্সসহ ইউরোপে অবস্থানরত বাংলাদেশিদের জন্য সতর্কবার্তা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ৫ই জুন, ২০২৬ ইং

১১:২৯ এম


ফ্রান্সসহ ইউরোপে অবস্থানরত বাংলাদেশিদের জন্য সতর্কবার্তা

 

অবৈধ অভিবাসীদের বহিষ্কার প্রক্রিয়া অধিক দৃঢ় এবং দ্রুত করার নতুন নীতিতে একমত হয়েছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ)। ফরাসি বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে যে, নতুন ব্যবস্থায় আশ্রয় আবেদন প্রত্যাখ্যাত বা বৈধ কাগজপত্রবিহীন অভিবাসীদের ইউরোপ থেকে সরাসরি তাদের নিজ দেশে অথবা তৃতীয় দেশে স্থাপিত বিশেষ প্রত্যাবাসন কেন্দ্রে পাঠানোর সুযোগ থাকবে।

গত ১ জুন প্রকাশিত রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, ইউরোপে যেসব বিদেশিকে দেশে ফেরার নির্দেশ দেওয়া হয়, তাদের একটি বড় অংশ বাস্তবে নিজেদের দেশে ফিরে যায় না। এই পরিস্থিতিতে বহিষ্কার প্রক্রিয়া কার্যকর করা নিশ্চিত করার জন্য ইউরোপীয় কমিশন, ইউরোপীয় পার্লামেন্ট এবং সদস্য রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে নতুন নীতিতে একমত হয়েছে।

নতুন প্রস্তাব অনুসারে, যদি কোনো ব্যক্তির আশ্রয় আবেদন চূড়ান্তভাবে প্রত্যাখ্যাত হয় অথবা ইউরোপে থাকার বৈধ অনুমতি না থাকে, তাহলে সংশ্লিষ্ট দেশ ওই ব্যক্তিকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নিতে পারবে। প্রয়োজনে, তাদের নিজ দেশে না পাঠিয়ে ইউরোপের বাইরে অবস্থিত কোনো তৃতীয় দেশে স্থাপিত 'রিটার্ন হাব' বা প্রত্যাবাসন কেন্দ্রে পাঠানো হবে।

অবশ্য নতুন ব্যবস্থায় সদস্য দেশগুলোর মধ্যে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত পারস্পরিকভাবে স্বীকৃত হবে। ফলে এক দেশ থেকে অন্য দেশে গিয়ে বহিষ্কার এড়ানোর সুযোগ অনেকটাই সীমিত হয়ে আসবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

অভিবাসন নীতির এই পরিবর্তনটি ইউরোপের সাম্প্রতিক বছরের অন্যতম কঠোর পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। ইতালি, ফ্রান্স, জার্মানি ও নেদারল্যান্ডসে অভিবাসন বিষয়ক রাজনৈতিক চাপ বাড়তে থাকায় ইউরোপীয় নেতারা আরও কঠোর অবস্থানে গেছেন।

ফ্রান্সসহ ইউরোপের বিভিন্ন দেশে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক বাংলাদেশি বসবাস করছেন। তাদের মধ্যে অনেকেই বৈধভাবে কর্মসংস্থান, ব্যবসা অথবা শিক্ষার সঙ্গে যুক্ত আছেন কিন্তু একটি অংশ এখনও কাগজপত্র সংক্রান্ত জটিলতা কিংবা আশ্রয় আবেদন প্রক্রিয়ার মধ্যে রয়েছেন।

অভিবাসন বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন নীতিমালা কার্যকর হলে যাদের আশ্রয় আবেদন প্রত্যাখ্যাত হয়েছে বা যাদের বৈধ বসবাসের অনুমতি নেই, তারা আগের তুলনায় দ্রুত প্রশাসনিক নজরদারি ও প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়ার আওতায় আসতে পারেন। তবে এতে ফ্রান্সসহ ইউরোপে অনিয়মিতভাবে অবস্থানকারীদের জন্য ঝুঁকি আরও বৃদ্ধি পাবে।

এদিকে মানবাধিকার সংগঠনগুলো নতুন ব্যবস্থার সমালোচনা করে বলেছে, তৃতীয় দেশে প্রত্যাবাসন কেন্দ্র স্থাপনের পরিকল্পনা অভিবাসীদের অধিকার ক্ষুণ্ন করতে পারে।

তবে ইউরোপীয় কমিশনের দাবি, যাদের ইউরোপে থাকার আইনগত ভিত্তি নেই তাদের ফেরত পাঠানোর ব্যবস্থা কার্যকর করার জন্যই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, নতুন নীতিমালা কার্যকর হলে ইউরোপে অভিবাসন ব্যবস্থায় বড় ধরনের পরিবর্তন আসবে। বিশেষ করে অনিয়মিত অভিবাসীদের ওপর প্রশাসনিক চাপ ও প্রত্যাবাসন কার্যক্রম আরও জোরদার হবে।

ফ্রান্সে বসবাসরত বাংলাদেশিদের জন্য এই বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বসহকারে সতর্কবার্তা হিসেবে ধরা হচ্ছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যাদের কাগজপত্র বা বৈধতার বিষয়ে অনিশ্চয়তা রয়েছে, তাদের দ্রুত আইনি সহায়তা নেয়া এবং অবস্থান নিয়মিত করার উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কুড়িগ্রামে ৫০ দোকান পুড়ে ছাই, কয়েক কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ৫ই জুন, ২০২৬ ইং

১১:৩৪ এম


কুড়িগ্রামে ৫০ দোকান পুড়ে ছাই, কয়েক কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি

কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারী বাজারে একটি ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। এই ঘটনায় অন্তত ৫০টি দোকান পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। যদিও ক্ষয়ক্ষতির সঠিক পরিমাণ তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি, তবে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা দাবি করেছেন যে কয়েক কোটি টাকার মালামাল পুড়ে গেছে।

শুক্রবার (৫ জুন) সকাল সোয়া ৬টার দিকে এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা শুরু হয়।

স্থানীয় ব্যবসায়ীরা জানান, ভূরুঙ্গামারী উপজেলায় কোনো নিজস্ব ফায়ার সার্ভিস স্টেশন না থাকার কারণে, খবর পেয়ে পাশের নাগেশ্বরী উপজেলা থেকে ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে এসে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।

ব্যবসায়ীদের ধারণা, বিদ্যুতের শর্টসার্কিট থেকে এই আগুনের সূত্রপাত হতে পারে। পুড়ে যাওয়া দোকানগুলোতে কাপড়, কসমেটিকস এবং ফলের দোকানসহ বিভিন্ন নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দোকান ছিল। এ অগ্নিকাণ্ডের ফলে ব্যবসায়ীদের সর্বস্ব পুড়ে গিয়ে ব্যাপক আর্থিক ক্ষতি হয়েছে।

এই বিষয়ে ভূরুঙ্গামারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) অমৃত দেব নাথ জানিয়েছেন, ‘কীভাবে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে তা আমরা খতিয়ে দেখছি এবং কী পরিমাণ ক্ষতি হয়েছে, তা নির্ণয়ের কাজ চলছে।’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

লেবাননে অবিলম্বে ইসরাইলি হামলা বন্ধের আহ্বান আইআরজিসির

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শুক্রবার, ৫ই জুন, ২০২৬ ইং

১১:৪৩ এম


লেবাননে অবিলম্বে ইসরাইলি হামলা বন্ধের আহ্বান আইআরজিসির

ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ডস কোর (আইআরজিসি) লেবাননের ওপর ইসরাইলি হামলা অবিলম্বে বন্ধ করার আহ্বান জানিয়েছে। তারা যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় হিজবুল্লাহকে বাদ দিয়ে ইসরাইল ও লেবাননের যুদ্ধবিরতি প্রত্যাখ্যান করেছে।

আইআরজিসি তাদের এক বিবৃতিতে উল্লেখ করেছে, ইসরাইলকে অবিলম্বে লেবাননের জনগণের ওপর হামলা বন্ধ করতে হবে। একই সঙ্গে লেবাননের আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সীমানার ভেতরে দখল করা সব এলাকা থেকে সেনা প্রত্যাহার করতে হবে।

বৃহস্পতিবার (৪ জুন) জারি করা ওই বিবৃতিতে লেবাননকে সম্মান ও মর্যাদার দেশ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। তারা বলেছে, দেশটি এখনও দখলদার ইসরাইলি বাহিনীর নির্মম হামলার মুখে রয়েছে। আরও বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র ‘শান্তি প্রতিষ্ঠা’র নামে যে হস্তক্ষেপ করছে, তা আসলে আরও বেশি সহিংসতা ও অপরাধ বৃদ্ধি করছে।

বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘অক্ষম ও ভীত’ ইসরাইলি বাহিনী যুদ্ধক্ষেত্রে ব্যর্থ হয়ে এখন সাধারণ মানুষকে লক্ষ্য করে এবং ঘরবাড়ি, হাসপাতাল ও স্কুল ধ্বংস করছে। সেই সঙ্গে বলা হয়েছে, দখলকৃত অঞ্চলের কোনো গ্রামও ইসরাইলি কর্তৃপক্ষের ওপর আস্থা রাখে না এবং তাদের ইতিহাস মূলত ধ্বংস ও ক্ষতির ওপর দাঁড়িয়ে আছে।

আইআরজিসি আরও জানায়, এই অঞ্চলের জনগণ লেবাননকে একা ছেড়ে দেবে না এবং লেবাননের মানুষ যুদ্ধের মাধ্যমে যা হয়নি, তা ইসরাইলকে অর্জন করতে দেবে না। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, যুদ্ধবিরতি মেনে নেওয়ার ক্ষেত্রে ইরানের মূল শর্ত ছিল সব ফ্রন্টে, বিশেষ করে লেবাননে, পূর্ণ যুদ্ধবিরতি নিশ্চিত করা।

আইআরজিসি জানায়, লেবাননের জনগণ ইসলামি বিশ্বের গর্ব এবং তারা সব ধরনের উপায়ে তাদের সমর্থন অব্যাহত রাখবে। একই সঙ্গে বলা হয়েছে, দখলকৃত লেবাননি এলাকা থেকে সরে না গেলে এই অঞ্চলে স্থায়ী শান্তি আসবে না।

যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় গত বুধবার (৩ জুন) ওয়াশিংটনে ত্রিপক্ষীয় এক বৈঠকে যুদ্ধবিরতির শর্তে সম্মত হয় ইসরাইল ও লেবানন। চুক্তি অনুযায়ী, যুদ্ধবিরতি পুরোপুরি কার্যকর হওয়ার জন্য ইরান-সমর্থিত গোষ্ঠী হিজবুল্লাহর হামলা সম্পূর্ণভাবে বন্ধ হওয়ার ওপর নির্ভর করছে।

বিবৃতিতে বলা হয়েছে, যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার শর্ত হলো, হিজবুল্লাহকে পুরোপুরি হামলা বন্ধ করতে হবে। সেই সঙ্গে দক্ষিণ লেবানন থেকে গোষ্ঠীটির সদস্যদের সরিয়ে নিতে হবে। এছাড়া দুই দেশ কিছু ‘পাইলট জোন’ প্রতিষ্ঠার ব্যাপারে একমত হয়েছে। এসব এলাকা লেবানিজ সশস্ত্র বাহিনীর নিয়ন্ত্রণে থাকবে এবং সেখানে কোনো অরাষ্ট্রীয় পক্ষ বা সশস্ত্র গোষ্ঠী থাকতে পারবে না।

তবে হিজবুল্লাহ এই যুদ্ধবিরতি চুক্তি প্রত্যাখ্যান করেছে। হিজবুল্লাহ বহুবার বলেছে যে, তারা ইসরাইল-লেবানন যুদ্ধবিরতি আলোচনা আকৃতিকে স্বীকৃতি দেয় না এবং তা মেনে চলবে না। বিশ্লেষকরা বলছেন, খুব সম্ভবত, ইরান-মার্কিন আলোচনার অংশ হিসেবে লেবাননে একটি শর্তহীন যুদ্ধবিরতি না হওয়া পর্যন্ত হিজবুল্লাহ লড়াই চালিয়ে যাবে।

ইসরাইলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইজরায়েল কাৎজ এই চুক্তিকে ‘বাস্তবিক ও কূটনৈতিক উভয় স্তরেই একটি বিরাট সাফল্য’ বলে অভিহিত করেছেন। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, যুদ্ধবিরতি হলেও হিজবুল্লাহ যদি ইসরাইলি জনপদে হামলা করে, তাহলে ইসরাইলি সেনাবাহিনী লেবাননের রাজধানী বৈরুতে আঘাত হানবে।

পাল্টা হুঁশিয়ারি দেয় ইরান। গত বুধবার (৩ জুন) লেবাননভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-মায়াদিনকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি বলেন, লেবাননের বৈরুতের ওপর হামলার মুখে তারা ‘চুপ থাকবে না’। তার ভাষ্য অনুযায়ী, বৈরুতের ওপর যেকোনো হামলা পুরো অঞ্চলে নতুন করে সংঘাত উসকে দিতে পারে এবং ফের ‘সর্বাত্মক যুদ্ধ’ শুরু হতে পারে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বোনকে বাঁচাতে গিয়ে নদীতে ভেসে গেলেন আরেক বোন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ৫ই জুন, ২০২৬ ইং

১১:৪৫ এম


বোনকে বাঁচাতে গিয়ে নদীতে ভেসে গেলেন আরেক বোন

চাঁদপুরের মতলবে ধনাগোদা নদীতে গোসল করতে গিয়ে স্রোতের তোড়ের কারণে এক বোনের মৃত্যু হয়েছে। বর্তমানে নিখোঁজ রয়েছেন বাকপ্রতিবন্ধী ছোট বোন।

ঘটনাটি ঘটেছে বৃহস্পতিবার (৪ জুন) দুপুরের দিকে। মৃত বোনের নাম স্বপ্না রানী (৪০) এবং নিখোঁজের নাম রনী রানী (৩০)। তাদের পরিবারের বাসস্থান চাঁদপুর সদর উপজেলার মনোহরখাদী গ্রামে এবং বাবার নাম পরেশ সরকার।

মৃতের পরিবারের সদস্য রাজীব সরকার জানান, বৃহস্পতিবার দুপুরে বাড়ির নিকটবর্তী ধনাগোদা নদীতে ওই দুই বোন গোসল করতে যান। ঠিক সেই সময় স্রোতের মুখে পড়ে যান বাকপ্রতিবন্ধী রনী রানী। তাকে উদ্ধারের উদ্দেশ্যে পানিতে ঝাঁপিয়ে পড়েন বড় বোন স্বপ্না রানী। একপর্যায়ে স্রোতের তোড়ে দুইজনই পানিতে ভেসে যান।

পরে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় স্বপ্না রানীর মরদেহ উদ্ধার করা গেলেও নিখোঁজ রনী রানীর কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি। শুক্রবার (৫ জুন) সকাল ১০টা পর্যন্ত ছোট বোন নিখোঁজ রয়েছেন বলে জানা গেছে।

যেখানে নদী থেকে উদ্ধার করার পরে স্বপ্না রানী জীবিত আছেন মনে করে স্বজনরা তাকে দ্রুত চাঁদপুর জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে জরুরি বিভাগের চিকিৎসক সফিকুর রহমান তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, মৃত স্বপ্না রানী এক সন্তানের জননী ছিলেন। তার স্বামী শম্ভু সরকার পেশায় একজন পাথর ব্যবসায়ী। অপরদিকে, নিখোঁজ রনী রানী অবিবাহিত ছিলেন।

চাঁদপুর জেনারেল হাসপাতালে কর্মরত পুলিশ কর্মকর্তা সফিকুল ইসলাম জানান, মৃত স্বপ্না রানীর মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৭
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৪
মাগরিব ০৫:২০
ইশা ০৬:৩২
সূর্যোদয় : ০৬:০৪ সূর্যাস্ত : ০৫:২০
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%