ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

লেবাননে অবিলম্বে ইসরাইলি হামলা বন্ধের আহ্বান আইআরজিসির


লেবাননে অবিলম্বে ইসরাইলি হামলা বন্ধের আহ্বান আইআরজিসির

ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ডস কোর (আইআরজিসি) লেবাননের ওপর ইসরাইলি হামলা অবিলম্বে বন্ধ করার আহ্বান জানিয়েছে। তারা যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় হিজবুল্লাহকে বাদ দিয়ে ইসরাইল ও লেবাননের যুদ্ধবিরতি প্রত্যাখ্যান করেছে।

আইআরজিসি তাদের এক বিবৃতিতে উল্লেখ করেছে, ইসরাইলকে অবিলম্বে লেবাননের জনগণের ওপর হামলা বন্ধ করতে হবে। একই সঙ্গে লেবাননের আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সীমানার ভেতরে দখল করা সব এলাকা থেকে সেনা প্রত্যাহার করতে হবে।

বৃহস্পতিবার (৪ জুন) জারি করা ওই বিবৃতিতে লেবাননকে সম্মান ও মর্যাদার দেশ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। তারা বলেছে, দেশটি এখনও দখলদার ইসরাইলি বাহিনীর নির্মম হামলার মুখে রয়েছে। আরও বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র ‘শান্তি প্রতিষ্ঠা’র নামে যে হস্তক্ষেপ করছে, তা আসলে আরও বেশি সহিংসতা ও অপরাধ বৃদ্ধি করছে।

আরও পড়ুন: ভারতের সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে ডিজিটাল প্রতারণার শিকারদের ক্ষতিপূরণ দেবে ব্যাংক

বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘অক্ষম ও ভীত’ ইসরাইলি বাহিনী যুদ্ধক্ষেত্রে ব্যর্থ হয়ে এখন সাধারণ মানুষকে লক্ষ্য করে এবং ঘরবাড়ি, হাসপাতাল ও স্কুল ধ্বংস করছে। সেই সঙ্গে বলা হয়েছে, দখলকৃত অঞ্চলের কোনো গ্রামও ইসরাইলি কর্তৃপক্ষের ওপর আস্থা রাখে না এবং তাদের ইতিহাস মূলত ধ্বংস ও ক্ষতির ওপর দাঁড়িয়ে আছে।

আইআরজিসি আরও জানায়, এই অঞ্চলের জনগণ লেবাননকে একা ছেড়ে দেবে না এবং লেবাননের মানুষ যুদ্ধের মাধ্যমে যা হয়নি, তা ইসরাইলকে অর্জন করতে দেবে না। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, যুদ্ধবিরতি মেনে নেওয়ার ক্ষেত্রে ইরানের মূল শর্ত ছিল সব ফ্রন্টে, বিশেষ করে লেবাননে, পূর্ণ যুদ্ধবিরতি নিশ্চিত করা।

আইআরজিসি জানায়, লেবাননের জনগণ ইসলামি বিশ্বের গর্ব এবং তারা সব ধরনের উপায়ে তাদের সমর্থন অব্যাহত রাখবে। একই সঙ্গে বলা হয়েছে, দখলকৃত লেবাননি এলাকা থেকে সরে না গেলে এই অঞ্চলে স্থায়ী শান্তি আসবে না।

যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় গত বুধবার (৩ জুন) ওয়াশিংটনে ত্রিপক্ষীয় এক বৈঠকে যুদ্ধবিরতির শর্তে সম্মত হয় ইসরাইল ও লেবানন। চুক্তি অনুযায়ী, যুদ্ধবিরতি পুরোপুরি কার্যকর হওয়ার জন্য ইরান-সমর্থিত গোষ্ঠী হিজবুল্লাহর হামলা সম্পূর্ণভাবে বন্ধ হওয়ার ওপর নির্ভর করছে।

আরও পড়ুন: করাচি বন্দরে ৬ মাস ধরে আটকে ৬ ভারতীয় নাবিকের সংকটময় জীবন

বিবৃতিতে বলা হয়েছে, যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার শর্ত হলো, হিজবুল্লাহকে পুরোপুরি হামলা বন্ধ করতে হবে। সেই সঙ্গে দক্ষিণ লেবানন থেকে গোষ্ঠীটির সদস্যদের সরিয়ে নিতে হবে। এছাড়া দুই দেশ কিছু ‘পাইলট জোন’ প্রতিষ্ঠার ব্যাপারে একমত হয়েছে। এসব এলাকা লেবানিজ সশস্ত্র বাহিনীর নিয়ন্ত্রণে থাকবে এবং সেখানে কোনো অরাষ্ট্রীয় পক্ষ বা সশস্ত্র গোষ্ঠী থাকতে পারবে না।

তবে হিজবুল্লাহ এই যুদ্ধবিরতি চুক্তি প্রত্যাখ্যান করেছে। হিজবুল্লাহ বহুবার বলেছে যে, তারা ইসরাইল-লেবানন যুদ্ধবিরতি আলোচনা আকৃতিকে স্বীকৃতি দেয় না এবং তা মেনে চলবে না। বিশ্লেষকরা বলছেন, খুব সম্ভবত, ইরান-মার্কিন আলোচনার অংশ হিসেবে লেবাননে একটি শর্তহীন যুদ্ধবিরতি না হওয়া পর্যন্ত হিজবুল্লাহ লড়াই চালিয়ে যাবে।

ইসরাইলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইজরায়েল কাৎজ এই চুক্তিকে ‘বাস্তবিক ও কূটনৈতিক উভয় স্তরেই একটি বিরাট সাফল্য’ বলে অভিহিত করেছেন। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, যুদ্ধবিরতি হলেও হিজবুল্লাহ যদি ইসরাইলি জনপদে হামলা করে, তাহলে ইসরাইলি সেনাবাহিনী লেবাননের রাজধানী বৈরুতে আঘাত হানবে।

পাল্টা হুঁশিয়ারি দেয় ইরান। গত বুধবার (৩ জুন) লেবাননভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-মায়াদিনকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি বলেন, লেবাননের বৈরুতের ওপর হামলার মুখে তারা ‘চুপ থাকবে না’। তার ভাষ্য অনুযায়ী, বৈরুতের ওপর যেকোনো হামলা পুরো অঞ্চলে নতুন করে সংঘাত উসকে দিতে পারে এবং ফের ‘সর্বাত্মক যুদ্ধ’ শুরু হতে পারে।

আরও পড়ুন: ৫ বছরের মধ্যে দেশের চেহারা পাল্টে যাবে: আব্দুস সালাম

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বোনকে বাঁচাতে গিয়ে নদীতে ভেসে গেলেন আরেক বোন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ৫ই জুন, ২০২৬ ইং

১১:৪৫ এম


বোনকে বাঁচাতে গিয়ে নদীতে ভেসে গেলেন আরেক বোন

চাঁদপুরের মতলবে ধনাগোদা নদীতে গোসল করতে গিয়ে স্রোতের তোড়ের কারণে এক বোনের মৃত্যু হয়েছে। বর্তমানে নিখোঁজ রয়েছেন বাকপ্রতিবন্ধী ছোট বোন।

ঘটনাটি ঘটেছে বৃহস্পতিবার (৪ জুন) দুপুরের দিকে। মৃত বোনের নাম স্বপ্না রানী (৪০) এবং নিখোঁজের নাম রনী রানী (৩০)। তাদের পরিবারের বাসস্থান চাঁদপুর সদর উপজেলার মনোহরখাদী গ্রামে এবং বাবার নাম পরেশ সরকার।

মৃতের পরিবারের সদস্য রাজীব সরকার জানান, বৃহস্পতিবার দুপুরে বাড়ির নিকটবর্তী ধনাগোদা নদীতে ওই দুই বোন গোসল করতে যান। ঠিক সেই সময় স্রোতের মুখে পড়ে যান বাকপ্রতিবন্ধী রনী রানী। তাকে উদ্ধারের উদ্দেশ্যে পানিতে ঝাঁপিয়ে পড়েন বড় বোন স্বপ্না রানী। একপর্যায়ে স্রোতের তোড়ে দুইজনই পানিতে ভেসে যান।

পরে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় স্বপ্না রানীর মরদেহ উদ্ধার করা গেলেও নিখোঁজ রনী রানীর কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি। শুক্রবার (৫ জুন) সকাল ১০টা পর্যন্ত ছোট বোন নিখোঁজ রয়েছেন বলে জানা গেছে।

যেখানে নদী থেকে উদ্ধার করার পরে স্বপ্না রানী জীবিত আছেন মনে করে স্বজনরা তাকে দ্রুত চাঁদপুর জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে জরুরি বিভাগের চিকিৎসক সফিকুর রহমান তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, মৃত স্বপ্না রানী এক সন্তানের জননী ছিলেন। তার স্বামী শম্ভু সরকার পেশায় একজন পাথর ব্যবসায়ী। অপরদিকে, নিখোঁজ রনী রানী অবিবাহিত ছিলেন।

চাঁদপুর জেনারেল হাসপাতালে কর্মরত পুলিশ কর্মকর্তা সফিকুল ইসলাম জানান, মৃত স্বপ্না রানীর মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভাণ্ডারিয়ায় নদীতে পড়ে নিখোঁজ বৃদ্ধ, উদ্ধার অভিযান অব্যাহত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ভাণ্ডারিয়া (পিরোজপুর) প্রতিনিধি

শুক্রবার, ৫ই জুন, ২০২৬ ইং

১১:৪৭ এম


ভাণ্ডারিয়ায় নদীতে পড়ে নিখোঁজ বৃদ্ধ, উদ্ধার অভিযান অব্যাহত
পিরোজপুরের ভাণ্ডারিয়া উপজেলার ১ নম্বর ভিটাবাড়িয়া ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা জয়নাল বেপারী (৬৩) নদীতে পড়ে নিখোঁজ রয়েছেন। তিনি ওই এলাকার মৃত সফিউদ্দিন বেপারীর ছেলে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার (৪ জুন) মাগরিবের সালাত আদায়ের উদ্দেশ্যে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে বাড়ির সামনে ৯ নম্বর ভিটাবাড়িয়া বোর্ড সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সংলগ্ন পোনা নদীর ঘাটে ওজু করতে যান জয়নাল বেপারী। এ সময় অসাবধানতাবশত তিনি নদীতে পড়ে নিখোঁজ হন বলে ধারণা করা হচ্ছে।

পরিবারের সদস্যরা জানান, নির্ধারিত সময় পার হওয়ার পরও তিনি বাড়িতে ফিরে না আসায় স্বজনদের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দেয়। পরে খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে নদীর ঘাটে গিয়ে তার ব্যবহৃত পায়ের স্যান্ডেল ভাসতে দেখা যায়। এরপর বিষয়টি জানাজানি হলে স্থানীয় লোকজন ও ভাণ্ডারিয়া ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা রাতেই উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করেন। তবে দীর্ঘ সময় চেষ্টা করেও তাকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি।

পরে শুক্রবার সকালে বরিশাল থেকে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল ঘটনাস্থলে এসে পুনরায় উদ্ধার অভিযান শুরু করে। সর্বশেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত নিখোঁজ আব্দুর জয়নাল বেপারীকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি।

এ ঘটনায় এলাকায় উদ্বেগ ও শোকের ছায়া নেমে এসেছে। নিখোঁজ জয়নাল বেপারী এক ছেলে ও দুই মেয়ের জনক।

ভাণ্ডারিয়া ফায়ার সার্ভিসের সাব-স্টেশন অফিসার আব্দুস সোবাহান জানান, নিখোঁজের খবর পেয়ে বৃহস্পতিবার রাতেই স্থানীয় ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করেন। তবে রাত পর্যন্ত কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি। পরে শুক্রবার সকালে বরিশাল থেকে ফায়ার সার্ভিসের একটি ডুবুরি দল ঘটনাস্থলে এসে উদ্ধার কার্যক্রম শুরু করে। নিখোঁজ ব্যক্তিকে উদ্ধারে আমাদের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। ডুবুরি দল নদীর বিভিন্ন স্থানে তল্লাশি চালাচ্ছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দিল্লির অগ্নিকাণ্ডে কুমিল্লার যুবকের মর্মান্তিক মৃত্যু, দগ্ধ বোন ও ভগ্নিপতি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ৫ই জুন, ২০২৬ ইং

১১:৪৯ এম


দিল্লির অগ্নিকাণ্ডে কুমিল্লার যুবকের মর্মান্তিক মৃত্যু, দগ্ধ বোন ও ভগ্নিপতি

ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে একটি হোটেলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে দগ্ধ হয়ে কুমিল্লার এক যুবকের মর্মান্তিক মৃত্যু ঘটে। এ ঘটনায় তাঁর ছোট বোন ও ভগ্নিপতিও গুরুতরভাবে দগ্ধ হয়েছেন এবং বর্তমানে তারা হাসপাতালে আশঙ্কাজনক অবস্থায় চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

গত বুধবার (৩ জুন) সকালে নয়াদিল্লির হাউজ রানি ও মালভিয়া নগর এলাকায় পাঁচতলা 'বেড অ্যান্ড ব্রেকফাস্ট' হোটেলে গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণের ফলে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।

মৃত যুবকের নাম মো. নূরুল আমিন সোহাগ (৪০)। তিনি কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার চিওড়া ইউনিয়নের মধ্যম সাঙ্গীশ্বর গ্রামের আব্দুস সোবহানের ছেলে। পেশাগত কারণে তিনি দীর্ঘদিন ধরে চট্টগ্রামে বসবাস করতেন।

পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, ওই হোটেলের ভয়াবহ আগুনে সোহাগসহ বেশ কয়েকজন দগ্ধ হন। গুরুতর আহত অবস্থায় তাঁদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নেয়া হলে বৃহস্পতিবার (৪ জুন) চিকিৎসাধীন অবস্থায় সোহাগ মৃত্যু বরণ করেন।

একই ঘটনায় সোহাগের ছোট বোন ও ভগ্নিপতি মারাত্মকভাবে দগ্ধ হয়ে বর্তমানে দিল্লির ম্যাক্স হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। চিকিৎসকদের বরাত দিয়ে পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন, তাঁদের অবস্থান এখনো আশঙ্কাজনক রয়েছে।

দিল্লির হোটেলে আগুন লাগার ঘটনায়: বাথরুমে মিলল আলিঙ্গনাবদ্ধ দম্পতির লাশ।

দিল্লির হোটেলে অগ্নিকাণ্ডে এক বাংলাদেশির মৃত্যু হয়েছে।

নয়াদিল্লির বাংলাদেশ হাইকমিশন বৃহস্পতিবার রাতে তাদের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে একটি বিবৃতিতে জানিয়েছে, ওই অগ্নিকাণ্ডে আটজন বাংলাদেশি আহত হয়েছিলেন, যাঁদের মধ্যে তিনজনের অবস্থা গুরুতর ছিল। চিকিৎসাধীন অবস্থায় বৃহস্পতিবার নুরুল আমিনের মৃত্যু ঘটে। এই অগ্নিকাণ্ডে বাংলাদেশি সহ বিভিন্ন দেশের মোট ২২ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গেছে।

সোহাগের এমন অকাল মৃত্যুর কারণে তাঁর নিজ গ্রাম মধ্যম সাঙ্গীশ্বর ও ধোড়করা বাজার এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। স্থানীয় বাসিন্দারা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শোক প্রকাশ সর্বত্র উক্ত শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানাচ্ছেন।

এ বিষয়ে চৌদ্দগ্রাম উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শাহাদাৎ হোসেন বলেন, 'ঘটনার বিষয়ে আমরা অবগত রয়েছি। পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে। মরদেহ দেশে আনা কিংবা অন্য কোনো প্রয়োজনীয় সহযোগিতা চাইলে প্রশাসনের পক্ষ থেকে সর্বাত্মক সহায়তা প্রদান করা হবে।'

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাড়ল চালের দাম

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ৫ই জুন, ২০২৬ ইং

১১:৫২ এম


বাড়ল চালের দাম

রাজধানীর বাজারে চালের দাম ঊর্ধ্বমুখী রয়েছে। সপ্তাহের ব্যবধানে মিনিকেট, নাজিরশাইলসহ প্রায় সব ধরনের চালের দাম বেড়েছে। এর মধ্যে মিনিকেট চালের ৫০ কেজির বস্তার দাম ১০০ থেকে ২০০ টাকা বেড়ে গেছে।

শুক্রবার (৫ জুন) রাজধানীর কারওয়ান বাজারসহ আশেপাশের বিভিন্ন বাজারে ঘুরে এ অবস্থার চিত্র দেখা গেছে।

দেশের মধ্যে যখন তেল, গ্যাস ও বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধি পাচ্ছে, তখন চালের দামে নতুন করে চাপ তৈরির প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। প্রতিকেজি আটাশ চাল ৫০ থেকে ৫২ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, যা আগে ছিল ৪৮ থেকে ৫০ টাকা। মিনিকেট চাল বিক্রি হচ্ছে ৬৮ থেকে ৭২ টাকায়, আগে ছিল ৬৬ থেকে ৬৭ টাকা। নাজিরশাইল চালের দাম বিক্রি হচ্ছে ৭২ থেকে ৮০ টাকায়, যা আগের দামে ছিল ৬৫ থেকে ৭৮ টাকা।

মিনিকেট চালের ৫০ কেজির বস্তায় ১০০ থেকে ২০০ টাকা বেড়েছে। বিক্রেতারা বলছেন যে, এলসি বন্ধ থাকায় ভারতীয় চালের আমদানি কমে গেছে, যার প্রভাব স্থানীয় বাজারে পড়েছে।

চাল ব্যবসায়ী জাকির হোসেন বলেন যে, ভারতীয় চাল আসা কমে গেছে এবং এলসির পরিস্থিতি বন্ধ রয়েছে। ফলে বাজারে সরবরাহ কমে গেছে। এই কারণেই দাম বাড়ছে।

ক্রেতা শারমিন আক্তার বলেন, "এক মাস আগে যে চাল কিনেছি, এখন একই চালের জন্য বেশি টাকা দিতে হচ্ছে। আমাদের আয় তো বাড়েনি। বাজারে কোনো জিনিসের দাম কমলেই মনে হয় একটু স্বস্তি পাব, কিন্তু চালের দাম বাড়লে সব হিসাব আবার এলোমেলো হয়ে যায়।"

চালের বাজারে এমন অস্থিরতার মধ্যেই কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে মুরগি ও ডিমের বাজারে। ব্রয়লার মুরগির দাম কেজিতে ১০ থেকে ২০ টাকা কমে বর্তমানে ১৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। সোনালি মুরগির দাম ৬০ থেকে ৮০ টাকা কমে ৩০০ থেকে ৩২০ টাকায় নেমে এসেছে।

মুরগি বিক্রেতা রাশেদুল ইসলাম বলেন, "খামার থেকে সরবরাহ বেড়েছে। চাহিদার তুলনায় পণ্য বেশি আসায় দাম কমেছে। আমরা এখন আগের তুলনায় কম দামে বিক্রি করছি।"

ডিমের বাজারেও কিছুটা স্বস্তি দেখা দিয়েছে। বর্তমানে প্রতি ডজন লাল ডিম ১২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, যা আগের তুলনায় প্রায় ১০ টাকা কম। ডিম বিক্রেতা সোলায়মান বলেন যে, "সরবরাহ স্বাভাবিক হয়েছে। তাই দাম কিছুটা কমেছে। পাইকারি বাজারেও এখন তেমন চাপ নেই।"

অন্যদিকে সবজির বাজার তুলনামূলক স্থিতিশীল রয়েছে। বেশিরভাগ সবজি এখন ৫০ থেকে ৬০ টাকার মধ্যে বিক্রি হচ্ছে। প্রতি কেজি পটোল ৪০ থেকে ৫০ টাকা, বেগুন ৬০ টাকা, শসা ৬০ টাকা, কাঁকরোল ৪০ থেকে ৫০ টাকা, পেঁপে ৪০ টাকা এবং মিষ্টি কুমড়া ৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

বাজার করতে আসা আবদুল হালিম বলেন, "সবজির দাম আগের তুলনায় কিছুটা কমেছে, ডিম-মুরগির দামও কমেছে। কিন্তু চালের দাম বেড়ে সেই স্বস্তি নষ্ট করে দিয়েছে। কারণ চাল তো প্রতিদিনই ব্যবহার হয়। কয়েক টাকা করে বাড়লেও মাস শেষে খরচ অনেক বেড়ে যায়।"

আরেক ক্রেতা মো. রুবেল বলেন, "চাল এমন একটা পণ্য, যেটা ছাড়া কোনো পরিবার চলতে পারে না। ডিম-মুরগির দাম কমেছে, সেটা ভালো খবর। কিন্তু চালের দাম বাড়ায় সেই সুবিধাটা আমরা পাচ্ছি না। সরকারের উচিত চালের বাজারের দিকে এখনই নজর দেয়া।"

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৫
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%