ঢাকা সোমবার, ২৬শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১০ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৫ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
সোমবার, ২৬শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১০ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

বাংলাদেশ সিরিজের দল ঘোষণা, কামিন্সকে পেয়ে আরও শক্তিশালী অস্ট্রেলিয়া


বাংলাদেশ সিরিজের দল ঘোষণা, কামিন্সকে পেয়ে আরও শক্তিশালী অস্ট্রেলিয়া

বাংলাদেশের বিপক্ষে আইসিসি বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ সিরিজের জন্য অস্ট্রেলিয়া ১৩ সদস্যের দল ঘোষণা করেছে।

এই সিরিজটি ঘরের মাঠে অনুষ্ঠিত হবে। অধিনায়ক প্যাট কামিন্স গত বছরের ডিসেম্বরের পরে প্রথমবার টেস্ট খেলতে প্রস্তুত হচ্ছেন। ডারউইনে ১৩ আগস্ট থেকে শুরু হতে যাওয়া এই দুই ম্যাচের সিরিজের জন্য কামিন্সকে দলে রাখা হয়েছে। একইসঙ্গে ১৭ সদস্যের দলে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে পেসার মিচেল স্টার্ক এবং জশ হ্যাজেলউডকেও।

স্পিনার নাথান লায়নও দলে ফিরে এসেছেন। তিনি হ্যামস্ট্রিং ইনজুরির কারণে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে অ্যাশেজ সিরিজের বেশিরভাগ ম্যাচ মিস করেছিলেন। তার সাথে ব্যাকআপ পেসার হিসেবে স্কট বোল্যান্ডও দলে রয়েছে। অলরাউন্ডার হিসেবে দলে সুযোগ পেয়েছেন বো ওয়েবস্টার এবং ক্যামেরন গ্রিন।

আরও পড়ুন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিনের সঙ্গে উইনরক ইন্টারন্যাশনালের প্রেসিডেন্টের সাক্ষাৎ

উসমান খাজার অবসরের পর তার পরিবর্তে কে দলে আসবে, সেটিও একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। টপ সিক্সে ব্যাটিং অপশন হিসেবে দলে রয়েছেন ট্র্যাভিস হেড, জশ ইংলিস, স্টিভ স্মিথ, মার্নাস লাবুশেন এবং জেক ওয়েদারল্ড। অস্ট্রেলিয়া বর্তমানে বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে রয়েছে।

ইংল্যান্ডের বিপক্ষে শুরু হওয়া বছরের প্রথম টেস্ট সিরিজের দল থেকে বাদ পড়েছেন মাইকেল নেসার, টড মার্ফি এবং ব্রেন্ডন ডগেট। নির্বাচক প্রধান জর্জ বেইলি জানিয়েছেন, অ্যাশেজ সিরিজে দলের অধিকাংশ প্রথম পছন্দের বোলার চোটের কারণে খেলতে পারেননি, তাই তিনি পুরো বোলিং লাইনআপ একসাথে পাওয়ার অপেক্ষায় ছিলেন।

বাংলাদেশ বর্তমানে বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের পয়েন্ট টেবিলে চার নম্বরে রয়েছে। তাদের বিপক্ষে সিরিজের প্রথম টেস্ট ১৩ আগস্ট ডারউইনে শুরু হবে। দ্বিতীয় টেস্টটি ২২ আগস্ট শুরু হতে যাচ্ছে ম্যাকেতে।

অস্ট্রেলিয়া দলের সদস্যরা হলেন: প্যাট কামিন্স (অধিনায়ক), স্কট বোল্যান্ড, অ্যালেক্স কেয়ারি, ক্যামেরন গ্রিন, জশ হ্যাজেলউড, ট্র্যাভিস হেড, জশ ইংলিস, মার্নাস লাবুশেন, নাথান লায়ন, স্টিভ স্মিথ, মিচেল স্টার্ক, জ্যাক ওয়েদারল্ড, বো ওয়েবস্টার।

আরও পড়ুন: হাসপাতালে সাংবাদিক এনাম সরকারের শারীরিক অবস্থার খোঁজ নিলেন রিজভী

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দুই সপ্তাহে প্রায় ১০০ মার্কিন সেনা আহত, ইরান যুদ্ধ নিয়ে চাপে পেন্টাগন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২১শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৮:৫০ এম


দুই সপ্তাহে প্রায় ১০০ মার্কিন সেনা আহত, ইরান যুদ্ধ নিয়ে চাপে পেন্টাগন

ইরানের সঙ্গে সাম্প্রতিক সংঘাতের জেরে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা দপ্তর (পেন্টাগন) জানিয়েছে, প্রায় ১০০ জন মার্কিন সেনাসদস্য আহত হয়েছেন। ৭ জুলাই ২০২৬ তারিখ থেকে চলমান এই যুদ্ধে মার্কিন এসব সেনা আহত অভিজ্ঞতা লাভ করেছে। এছাড়াও, যুদ্ধের ফলে নিহত হয়েছেন আরও তিন মার্কিন সেনা।

পেন্টাগনের মুখপাত্র শন পারনেল সামাজিক মাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) দেওয়া পোস্টে জানান, মোট আহত সেনাদের মধ্যে ৯৬ শতাংশ ইতোমধ্যে পুনরায় দায়িত্বে ফিরে গেছেন। তিনি বলেছেন, আহতদের বেশিরভাগই মৃদু কনকাশন (মস্তিষ্কে হালকা আঘাত)-এ আক্রান্ত হয়েছিলেন এবং তারা দ্রুত সুস্থ হয়ে আবারও দায়িত্ব পালন করছেন।

পারনেলের এই বক্তব্য দ্য নিউইয়র্ক টাইমসের এক প্রতিবেদনের পর এসেছে। প্রতিবেদনে অভিযোগ করা হয়, ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ চলাকালে আহত হওয়া মার্কিন সেনাদের প্রকৃত সংখ্যা প্রকাশে বিলম্ব করেছে পেন্টাগন এবং কয়েক ডজন আহতের তথ্য জনসমক্ষে আনা হয়নি।

এদিকে, সিএনএন সোমবার প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলেছে, সেনাদল আহত হওয়ার তথ্য প্রকাশে সামরিক বাহিনী ধীরগতিতে এগিয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়, সেনাসদস্যদের নিরাপত্তা ও সুরক্ষার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে তথ্য প্রকাশে বিলম্ব করা হয়েছিল বলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা দাবী করেছেন।

তবে আহত সেনাদের সংখ্যা প্রকাশে বিলম্ব এবং তথ্য গোপনের অভিযোগ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে একটি নতুন বিতর্ক তৈরি হয়েছে। এ ঘটনার পর পেন্টাগনের ব্যাখ্যা এবং সংবাদমাধ্যমগুলো কর্তৃক অনুসন্ধানী প্রতিবেদনের মাধ্যমে দেশটির সামরিক তথ্য প্রকাশের স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন ওঠেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

এক বছরেও কাটেনি মাইলস্টোন ট্র্যাজেডির দুঃসহ স্মৃতি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২১শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৮:৫৩ এম


এক বছরেও কাটেনি মাইলস্টোন ট্র্যাজেডির দুঃসহ স্মৃতি

রাজধানীর উত্তরার দিয়াবাড়িতে অবস্থিত মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে বিধ্বস্ত হওয়া যুদ্ধবিমানটির ঘটনা, যা ৩৬ জনের প্রাণহানির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছিল, সেই ঘটনার এক বছর পূর্তিতে মঙ্গলবার (২১ জুলাই) বিশেষ দিন হাজির হচ্ছে। বিভীষিকাময় দিনের সেই ভয়ংকর স্মৃতিগুলি এখনও বেঁচে থাকা শিক্ষার্থী এবং তাদের পরিবারকে তাড়া করে ফেরে। আকাশে যখন বিমানগুলোর শব্দ শোনা যায় অথবা আগুন দেখা যায়, তারা তখন আতঙ্কিত হয়ে পড়ে।

যা ঘটেছিল সেদিন ২০২৫ সালের ২১ জুলাই, দিনটি ছিল সোমবার। দুপুরে সোয়া ১টার দিকে, বাংলাদেশের বিমানবাহিনীর এফ-৭ বিজিআই মডেলের যুদ্ধবিমানটি স্কুলের হায়দার আলী ভবনে বিধ্বস্ত হয়। মুহূর্তের মধ্যে সেখানে ঘটে যায় এক মর্মান্তিক দৃশ্য।

দাউদাউ আগুনের মধ্যে ছোট শিশুদের কোমল শরীর পুড়ে যায়। এ ঘটনায় শিক্ষার্থী, শিক্ষক, এবং অভিভাবকসহ অন্তত ৩৬ জন নিহত হয়। আহত হন শত শত মানুষ। আহত এবং নিহতদের অধিকাংশই শিশু ছিল। সেদিন পাইলট ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট তৌকির ইসলামও মারা যান।

শোক কাটেনি, ক্ষুব্ধ অভিভাবকরা মাইলস্টোন ট্র্যাজেডিতে যারা তাদের সন্তান হারিয়েছেন, এমন পরিবারগুলো এক বছর পরেও শোক কাটিয়ে উঠতে পারেনি। তাদের মধ্যে শোকের পাশাপাশি ক্ষোভও রয়েছে। বিশেষ করে দুর্ঘটনার তদন্ত প্রতিবেদন এখনো প্রকাশ না হওয়ায় তারা হতাশাগ্রস্ত।

বিমান বিধ্বস্তে নিহত শিক্ষার্থী তানভীর আহমেদের বাবা রুবেল মিয়া বলেন, সকালবেলা যে সন্তানকে আমি নিজ হাতে স্কুলে দিয়ে এসেছিলাম, দুপুরে তাকে ফিরে পেয়েছি মৃত অবস্থায়। তিনি আরও জানান, ‘আমার দুই ছেলে ছিল। আগে আমি দুই ছেলেকে প্রতিদিন সকালবেলা স্কুলে নিয়ে আসতাম। এখন শুধুমাত্র ছোট ছেলেকে নিয়ে আসি। স্কুলে আসলে, শত শত ছাত্রছাত্রীর মাঝে আমি আমার তানভীরকে খোঁজার চেষ্টা করি, কিন্তু কোথাও পাই না। শুধু তার শেষ দিনের হাসিমুখ এবং স্মৃতিগুলি মনে পড়ে যা মনে আরেকটি ধাক্কা দেয়। আজকে একটি বছর পার হয়ে গেছে, বড় ছেলের সেই হাসি এখনও আমার চোখের সামনে ভেসে ওঠে।’

দুর্ঘটনায় নিহত সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী মাহতাব রহমানের বাবা মিনহাজ রহমান জানিয়েছেন, ‘ছেলেটার পড়ার টেবিলটা এক বছর ধরে একইভাবে পড়ে আছে। বই সরানো হয়নি, খাতা সরানো হয়নি। প্রতিদিন ওর মা বইগুলো মুছে দেয় এবং সেগুলি গুছিয়ে রাখে। মাহতাবকে ছাড়া আমরা কেউ ভালো নেই। আমাদের বাসাটি আগে প্রাণবন্ত ছিল, হাসি-খুশিতে ভরপুর ছিল। এখন এ বাসাটি কবরস্থানের মতো।’

নিহত তাসনিম আফরোজ আয়মানের মা আয়েশা আক্তার মন্তব্য করেছেন, ‘সরকার ২০ লাখ টাকার ক্ষতিপূরণ দিতে চেয়েছিল। আমরা একটি টাকাও পাইনি। টাকা দিয়ে আমি কী করব? সারা দুনিয়া এনে দিলেও কি আমার আয়মান ফিরে আসবে? আমি তো বলেছিলাম, আমি উল্টো টাকা দেই, আমার আয়মানকে এক সেকেন্ডের জন্য আমার বুকের কাছে এনে জড়িয়ে ধরতে দেন।’

‘সরকারের কাছে আমার আর কোনো চাওয়া নেই, শুধুমাত্র একটাই চাওয়া- স্কুলটিকে এখান থেকে সরিয়ে নেওয়া হোক। এখনো স্কুলের উপর দিয়ে বিমান উড়ছে। রানওয়ে আগে হয়েছে, স্কুল পরে। এটা এখনো ঝুঁকিপূর্ণ। আমার আয়মান চলে গেছে, কিন্তু ওর মতো শত শত আয়মান এখনও ওই স্কুলে পড়ছে। আমি চাই না আর কোনো মায়ের বুক এভাবে খালি হোক,’ তিনি যোগ করেন।

উড্ডয়ন বন্ধ হয়নি, বিমান উড়লেই বাড়ে আতঙ্ক এদিকে, ঝুঁকিপূর্ণ আবাসিক এলাকায় বিমান উড্ডয়ন বজায় রাখতে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন অভিভাবক এবং স্বজনরা। তাদের অভিযোগ, এত বড় দুর্ঘটনার পরও এ এলাকায় বিমান উড্ডয়ন বন্ধ হয়নি।

তানভীরের বাবা রুবেল মিয়া বলেছেন, ‘প্রশিক্ষণ বিমান এখনো তাদের শিডিউল অনুযায়ী প্রশিক্ষণ নিচ্ছে। এখন আগের থেকে বেশি বিমান প্রশিক্ষণের মহড়া চলছে। আমরা সবসময় আতঙ্কে আছি, সবসময় ভয় পাচ্ছি, না জানি আবার একটি ঘটনা ঘটে যায়।’

যদিও কলেজ কর্তৃপক্ষ দাবি করেছে, দুর্ঘটনার পর ক্যাম্পাসের নিরাপত্তা জোরদারে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। ভবনের ঝুঁকিপূর্ণ অংশ সংস্কার এবং প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণের কাজও অগ্রসর হচ্ছে। পাশাপাশি, ভবিষ্যতে জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের প্রস্তুত রাখতে নিয়মিত মহড়া আয়োজনের পরিকল্পনার কথাও রয়েছে।

এদিকে, ট্রাজেডির এক বছর উপলক্ষে কলেজ কর্তৃপক্ষ দুই দিনের একটি কর্মসূচির আয়োজন করেছে। এর মধ্যে রয়েছে স্মরণ অনুষ্ঠান, দোয়া মাহফিল, কোরআনখানি এবং নিহতদের আত্মার মাগফিরাত কামনায় বিশেষ মোনাজাত।

কর্মসূচির অংশ হিসেবে দুর্ঘটনাস্থলটি মঙ্গলবার সবার জন্য উন্মুক্ত থাকবে, বলে জানিয়েছেন কলেজের অধ্যক্ষ জাহাঙ্গীর আলম খান। তিনি জানান, দুর্ঘটনাস্থলে স্কাউট ও রোভার সদস্যরা গার্ড অব অনার দেবেন। নিহত ব্যক্তিদের প্রতি ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানানো হবে। এক মিনিট নীরবতা পালন করা হবে এবং পরে দোয়া অনুষ্ঠিত হবে।

এছাড়া, স্মৃতিচারণার আয়োজন থাকবে এবং নিহত ব্যক্তিদের ছবি, বন্ধুদের লেখা স্মৃতিকথা ও বিভিন্ন বার্তা প্রদর্শন করা হবে। এ আয়োজনে অভিভাবকরাও উপস্থিত থাকবেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মুখ ঢেকে কথা বলেও কেন লাল কার্ড দেখেননি কুকুরেলা?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২১শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৮:৫৭ এম


মুখ ঢেকে কথা বলেও কেন লাল কার্ড দেখেননি কুকুরেলা?

বিশ্বকাপ ফাইনালে আর্জেন্টিনার বিপক্ষে স্পেনের জয়ের ম্যাচে এক পর্যায়ে দেখা যায় স্প্যানিশ ডিফেন্ডার মার্ক কুকুরেলাকে মুখ ঢেকে কথা বলতে। এ নিয়ে আপত্তি করেন আর্জেন্টিনার অধিনায়ক লিওনেল মেসি। কিন্তু ম্যাচ কর্মকর্তারা শেষ পর্যন্ত কুকুরেলার বিরুদ্ধে কোনো শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করেননি।

ম্যাচের দ্বিতীয়ার্ধে যখন আর্জেন্টিনার মিডফিল্ডার এনজো ফার্নান্দেজ দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখে মাঠ ছাড়েন, তখন টেলিভিশন ক্যামেরায় দেখা যায় মেসি রেফারির দৃষ্টি আকর্ষণ করছেন এবং কুকুরেলার দিকে ইঙ্গিত করছেন। তার অভিযোগ হল, স্প্যানিশ এই ডিফেন্ডার মুখ ঢেকে কথা বলছেন, যা নতুন নিয়ম অনুযায়ী শাস্তিযোগ্য হতে পারে।

সম্প্রতি আন্তর্জাতিক ফুটবলে একটি নতুন নির্দেশনা চালু করেছে ফিফা। এই নির্দেশনার পেছনে রয়েছে গত মৌসুমে বেনফিকার তরুণ ফুটবলার জানলুকা প্রেস্তিয়ানির বিরুদ্ধে রিয়াল মাদ্রিদের ফরোয়ার্ড ভিনিসিয়ুস জুনিয়রকে উদ্দেশ্য করে বর্ণবাদী মন্তব্য করার অভিযোগ। ওই ঘটনায় প্রেস্তিয়ানির মুখ ঢেকে কথা বলার কারণে কী বলা হয়েছিল, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। এরপর থেকেই উত্তপ্ত পরিস্থিতিতে মুখ ঢেকে কথা বলার বিষয়টি শক্তভাবে দেখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থার পক্ষ থেকে।

এই বিশ্বকাপেই এই নিয়মের আওতায় শাস্তি পেয়েছেন প্যারাগুয়ের মিগুয়েল আলমিরন ও ইকুয়েডরের পিয়েরো হিনক্যাপি। তাদের দুজনকেই উত্তপ্ত পরিস্থিতিতে মুখ ঢেকে কথা বলার জন্য লাল কার্ড দেখানো হয়েছে।

কিন্তু ফিফার নির্দেশনায় স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে, শুধু মুখে হাত দিয়ে কথা বলাই অপরাধ নয়। কোনো সংঘর্ষ, তর্ক-বিতর্ক বা উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতিতে ইচ্ছাকৃতভাবে মুখ ঢেকে প্রতিপক্ষ, রেফারি বা অন্য কারও সঙ্গে কথা বললে সেটি অসদাচরণ হিসেবে বিবেচিত হতে পারে এবং রেফারি সরাসরি লাল কার্ড দেখাতে পারেন।

ফাইনালের ওই ঘটনার পর ম্যাচ কর্মকর্তারা বিষয়টি পর্যালোচনা করেন। সম্প্রচারিত ফুটেজে দেখা যায়, কুকুরেলা মেসির দিকে এগিয়ে গিয়ে কথা বলার সময় অল্প সময়ের জন্য তাঁর মুখ স্পর্শ করেছিলেন। তবে ভিডিওতে এমন কোনো আচরণ দেখা যায়নি, যা শত্রুভাবাপন্ন, অপমানজনক বা উত্তপ্ত বাক্যবিনিময়ের প্রমাণ হিসেবে গন্য হতে পারে।

এই কারণে পর্যাপ্ত প্রমাণের অভাবে কুকুরেলার বিরুদ্ধে কোনো শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। ম্যাচ কর্মকর্তারা তাকে 'বেনিফিট অব দ্য ডাউট' বা দ্বন্দ্বের সুবিধা দেন।

অতএব, মুখ ঢেকে কথা বলার অভিযোগ ওঠার পরও স্পেনের এই ডিফেন্ডার লাল কার্ড থেকে মুক্তি পান। ফিফার বর্তমান নির্দেশনা অনুযায়ী, মুখ ঢেকে কথা বলার বেশি গুরুত্বপূর্ণ হল সেটি কী পরিস্থিতিতে এবং কোন উদ্দেশ্যে করা হয়েছে, এই বিষয়গুলো শাস্তির সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিবেচ্য বিষয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিশ্বজয়ের পর দেশে ফিরল আর্জেন্টিনা, লাল গালিচায় বরণ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২১শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৯:০০ এম


বিশ্বজয়ের পর দেশে ফিরল আর্জেন্টিনা, লাল গালিচায় বরণ

বিশ্বকাপের ফাইনালে স্পেনের কাছে পরাজিত হয়ে শিরোপা ধরে রাখার স্বপ্নভঙ্গ ঘটলেও দেশে ফিরে উষ্ণ অভ্যর্থনা পেয়েছে আর্জেন্টিনা জাতীয় ফুটবল দল। রাজধানী বুয়েনস আইরেসের এজেইজা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে লাল গালিচা, অর্কেস্ট্রার সুর এবং হাজারো সমর্থকের ভালোবাসায় তাদের বরণ করা হয়েছে।

সোমবার (২০ জুলাই) সন্ধ্যায় দলের চার্টার্ড বিমান এজেইজা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। বিমান থেকে নামলেন আর্জেন্টিনা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের (এএফএ) সভাপতি ক্লদিও তাপিয়া, প্রধান কোচ লিওনেল স্কালোনি, কোচিং স্টাফ এবং ১৯ জন ফুটবলার। কিন্তু অধিনায়ক লিওনেল মেসি ও কয়েকজন ফুটবলার নিজ নিজ গন্তব্যে যাওয়ায় দেশে ফেরেননি।

দলকে স্বাগত জানাতে এএফএ বিশেষ আয়োজন করেছিল। খেলোয়াড়দের জন্য বিছানো হয়েছিল লাল গালিচা, এবং গ্রানাদেরোস অর্কেস্ট্রা সমর্থকদের জনপ্রিয় গান ‘মুচাচো’ পরিবেশন করেছিল। বিশ্বকাপ ট্রফি নিজেদের কাছে না থাকলেও পুরো পরিবেশজুড়ে ছিল জাতীয় দলের প্রতি সমর্থকদের অকৃত্রিম ভালোবাসার প্রকাশ।

প্রতিরোধক আবহাওয়া ও বৃষ্টি উপেক্ষা করে বিমানবন্দরের বাইরে হাজারো সমর্থক জড়ো হয়েছিল। তারা জাতীয় পতাকা, জার্সি এবং ব্যানার হাতে নিয়ে প্রিয় দলকে স্বাগত জানান। হতাশার চিহ্ন থাকলেও সেটি ছাপিয়ে যায় দলের প্রতি কৃতজ্ঞতা ও ভালোবাসা।

বিশ্বকাপ জিততে না পারার কারণে এবার কোনও বিজয় উৎসবের আয়োজন হয়নি। তবুও বিমানবন্দর থেকে ছাদখোলা বাসে শহরের দিকে যাত্রা করলেন স্কালোনির শিষ্যরা। রাস্তার দুইপাশে দাঁড়িয়ে সমর্থকেরা স্লোগান ও হাত নেড়ে ফুটবলারদের অভিনন্দন জানান। খেলোয়াড়রাও হাত নেড়ে সেই ভালোবাসার জবাব দেন।

আর্জেন্টিনা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন সমর্থকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছে। এক বিবৃতিতে সংস্থাটি জানিয়েছে, পুরো টুর্নামেন্টজুড়ে দর্শকদের সমর্থন ছিল অসাধারণ। টানা দ্বিতীয়বার বিশ্বকাপ জয়ের লক্ষ্যে পূরণ না হলেও দলের ঐক্য ও পারস্পরিক বন্ধন অটুট থাকবে বলেও উল্লেখ করা হয়েছে।

দেশে না ফিরলেও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সমর্থকদের উদ্দেশে আবেগঘন বার্তা দিয়েছেন লিওনেল মেসি। তিনি লিখেছেন, ফাইনালের হার কাটিয়ে উঠতে সময় লাগবে। তবে এই বিশ্বকাপের অসংখ্য স্মৃতি তিনি আজীবন মনে রাখবেন। শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত দলের পাশে থাকার জন্য সমর্থকদের ধন্যবাদ দিয়েছেন এবং নতুন বিশ্বচ্যাম্পিয়ন স্পেনকে অভিনন্দন জানিয়েছেন আর্জেন্টাইন অধিনায়ক।

এদিকে, বিশ্বকাপ শেষে আর্জেন্টিনা দলের ভবিষ্যৎ নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। ফাইনালের পর প্রধান কোচ লিওনেল স্কালোনি দায়িত্ব ছাড়ার ইঙ্গিত দিয়েছেন। অন্যদিকে, জাতীয় দলে নিজের ভবিষ্যৎ নিয়ে এখনও আনুষ্ঠানিক কোনো সিদ্ধান্ত জানাননি মেসি। ফলে তার আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ার নিয়ে অনিশ্চয়তা থেকেই যাচ্ছে।

শিরোপা জয়ের স্বপ্ন অপূর্ণ থাকলেও দেশে ফেরার দিন আবারও প্রমাণিত হয়েছে, আর্জেন্টিনার ফুটবলপ্রেমীদের কাছে এই দল এখনো গর্ব ও আবেগের প্রতীক। বিশ্বকাপ ট্রফি ফিরিয়ে আনতে না পারলেও সমর্থকদের অফুরন্ত ভালোবাসা নিয়েই দেশে ফিরেছে আলবিসেলেস্তেরা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৫ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৫
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৭
মাগরিব ০৫:২৪
ইশা ০৬:৩৫
সূর্যোদয় : ০৬:০১ সূর্যাস্ত : ০৫:২৪
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%