সোমবার, ২১শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৬:২১ পি.এম
সাতটি মামলায় জামিন পাওয়ার পর রাজধানীর পল্টন মডেল থানার একটি হত্যাচেষ্টা মামলায় ফের গ্রেপ্তার করা হয়েছে চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাবেক উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান হেলাল উদ্দিন মিয়াজীকে। সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলাম শুনানি শেষে তাকে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন মঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
এই দিন কারাগার থেকে হেলাল উদ্দিন মিয়াজীকে আদালতে হাজির করা হয়। তার উপস্থিতিতেই গ্রেপ্তার দেখানোর বিষয়ে শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় আসামিপক্ষের আইনজীবী গাজী ফয়সাল ইসলাম তাকে এ মামলায় গ্রেপ্তার না দেখানোর আবেদন জানান।
আইনজীবী গাজী ফয়সাল ইসলাম বলেন, "হেলাল উদ্দিন ইতিমধ্যে সাতটি মামলায় জামিন পেয়েছেন।" এরপরও নতুন করে এই মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করা হয়েছে। তিনি জানান, সুনির্দিষ্ট মামলা ছাড়া যাতে তাকে গ্রেপ্তার বা হয়রানি না করা হয়, এ বিষয়ে সুপ্রিম কোর্টের রুলসহ নির্দেশনা রয়েছে। তবে আদালত এসব আইনগত বিষয় আমলে না নিয়ে তাকে গ্রেপ্তার দেখানোর আদেশ দিয়েছেন বলে দাবি করেন তিনি।
শুনানি শেষে আদালত পল্টন মডেল থানার হত্যাচেষ্টা মামলায় হেলাল উদ্দিন মিয়াজীকে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন মঞ্জুর করেন। পরে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।
এর আগে ২০২৫ সালের ২১ এপ্রিল ঢাকার একটি স্থান থেকে হেলাল উদ্দিন মিয়াজীকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরদিন পল্টন মডেল থানার একটি হত্যা মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানো হয়। এরপর থেকে তিনি কারাগারে আটক রয়েছেন।
কারাগারে থাকা অবস্থায় গত ১৪ সেপ্টেম্বর মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও পল্টন মডেল থানার উপপরিদর্শক মো. আবু সালেহ তাকে হত্যাচেষ্টার এ মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেন। আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আসামির উপস্থিতিতে শুনানির জন্য ২১ সেপ্টেম্বর দিন ধার্য করেন আদালত।
মামলার অভিযোগ
২০২৫ সালের ২৯ এপ্রিল মুশফিকুর রহমান আবির বাদী হয়ে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ৯৮ জনের বিরুদ্ধে পল্টন মডেল থানায় হত্যাচেষ্টা মামলা করেন।
মামলার বিবরণে বলা হয়, ২০২২ সালের ১০ ডিসেম্বর বিএনপির মহাসমাবেশ সফল করার লক্ষ্যে দেশব্যাপী প্রচারণা শুরু হয়। এর অংশ হিসেবে ওই বছরের ১ থেকে ৪ ডিসেম্বর ঢাকা মহানগর পূর্ব ছাত্রদলের পক্ষ থেকে কলাবাগান এলাকায় প্রচারণা চালানো হয়।
এজাহারে বাদী অভিযোগ করেন, প্রচারণা শেষে বাসায় ফেরার পথে কলাবাগান লেক সার্কাস ১ নম্বর রোডের মাথা থেকে তাকে একটি গাড়িতে তুলে নেওয়া হয়। সেখানে তাকে মারধর করে অচেতন করা হয়। পরে হাজারীবাগের একটি ট্যানারি গোডাউনে আটকে রেখে ১০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয়। বাদীর বাবার কাছ থেকে ৫ লাখ টাকা নেওয়ার পর ৫ ডিসেম্বর সকালে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয় বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।
পরে বাদী জানতে পারেন, ওই ব্যক্তিরা মেয়র তাপসের সন্ত্রাসী বাহিনীর সদস্য ছিলেন বলে মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে।
মামলার বিবরণে আরো বলা হয়, বিএনপির সমাবেশ সফল করার লক্ষ্যে ৭ ডিসেম্বর সকাল থেকেই নয়াপল্টন এলাকায় স্লোগান ও প্রচারণা চলছিল। বাদীও সেখানে যোগ দেন। সমাবেশ পণ্ড করতে ওইদিন পুলিশ, আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগ, যুবলীগ ও অন্যান্য সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা হামলা চালায় বলে এজাহারে অভিযোগ করা হয়েছে। এ সময় সমাবেশস্থলে গুলি, টিয়ারশেল নিক্ষেপ ও লাঠিচার্জের কথাও মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।
বাদী আরো অভিযোগ করেন, ওই ঘটনায় তিনি আহত হয়ে ৭ থেকে ১৩ ডিসেম্বর পর্যন্ত কাকরাইলের ইসলামী ব্যাংক সেন্ট্রাল হাসপাতালে চিকিৎসা নেন। পরে কলাবাগানের বাসায় ফেরার পরদিন স্থানীয় ছাত্রলীগ, যুবলীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগসহ আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা তার বাসায় ভাঙচুর ও লুটপাট চালায় এবং তাকে মারধর করে বলে মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে।
এজাহারে আরো বলা হয়, পরে বাদীকে কলাবাগান থানার হাজতে নেওয়া হয়। সেখানে তার বাবার সঙ্গে তৎকালীন ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ও মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা কথা বলেন এবং টাকা দাবি ও হুমকি দেওয়া হয় বলে অভিযোগ করেন বাদী। পরদিন আদালতে হাজির করে রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন করা হলেও আদালত তা নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠান। পরে ২২ দিন কারাভোগের পর তিনি জামিনে মুক্ত হন বলে মামলার বিবরণে উল্লেখ করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বরিশাল বিভাগীয় আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬) বরিশাল বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বরিশাল বিভাগের বিভাগীয় কমিশনার খলিল আহমেদ। এতে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের (বিএমপি) কমিশনার আবু রায়হান মুহাম্মদ সালেহ্-সহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তারা অংশ নেন।
সভায় বিভাগের সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি, জননিরাপত্তা ও অপরাধ নিয়ন্ত্রণসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আলোচনা করা হয়। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা নিজ নিজ দপ্তরের কার্যক্রম ও পরিস্থিতি তুলে ধরেন।
সভায় আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোর সমন্বিত কার্যক্রমের বিভিন্ন দিক নিয়ে মতবিনিময় করা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দক্ষিণ সুদানের সীমান্তের কাছে পশ্চিম ইথিওপিয়ার গাম্বেলা অঞ্চলে সংঘর্ষের ফলে অন্তত ১২ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং বহু লোক আহত হয়েছে। এই তথ্যটি আন্তর্জাতিক চিকিৎসা সহায়তা সংস্থা ডক্টরস উইদাউট বর্ডারস (এমএসএফ) প্রকাশ করেছে।
এমএসএফ জানিয়েছে, ১৮ সেপ্টেম্বর ইতাং স্পেশাল ওরেডায় সংঘর্ষের পর আহতদের চিকিৎসার জন্য গাম্বেলার কুলে অবস্থিত স্বাস্থ্যকেন্দ্রে তাদের চিকিৎসক ও কর্মীরা কাজ করছেন।
সংস্থাটি উল্লেখ করেছে, শুক্রবারের সহিংসতার পর মোট ৮৮ জন রোগীকে চিকিৎসা প্রদান করা হয়েছে। তাদের মধ্যে আটজন হাসপাতালে পৌঁছানোর আগেই মারা যান। হাসপাতালে পৌঁছানোর পরে আরো চারজনের মৃত্যু হয়। এমএসএফের ইথিওপিয়া অপারেশন্স ম্যানেজার গুল বাদশাহ সংঘর্ষে জড়িত সকল পক্ষকে সংযম প্রদর্শনের জন্য আহ্বান জানিয়েছেন।
তিনি একইসাথে বেসামরিক নাগরিকদের আরও সহিংসতা থেকে রক্ষা করার জন্যও আহ্বান জানান। তবে এই সহিংসতার জন্য দায়ী পক্ষগুলো সম্পর্কে এখনও কোনো স্পষ্ট তথ্য পাওয়া যায়নি।
গাম্বেলা অঞ্চলে প্রায়শই আন্তঃসাম্প্রদায়িক সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এই অঞ্চলে চার লাখেরও বেশি শরণার্থী বসবাস করছেন, যাদের অধিকাংশই প্রতিবেশী দক্ষিণ সুদানের নাগরিক। তারা দেশটিতে চলমান সহিংসতা থেকে পালিয়ে ইথিওপিয়ায় আশ্রয় নিয়েছেন।
২০২৫ সালের রিফ্ট ভ্যালি ইনস্টিটিউটের একটি প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, অর্থনৈতিক সম্পদ নিয়ে প্রতিযোগিতা এবং শরণার্থীদের আগমন গাম্বেলায় সংঘাত বৃদ্ধির প্রধান কারণগুলোর মধ্যে একটি। এদিকে, ইথিওপিয়ার সবচেয়ে জনবহুল দুটি অঞ্চল ওরোমিয়া ও আমহারাতেও দীর্ঘদিন ধরে সশস্ত্র সংঘাত চলছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী মোহাম্মদ নজরুল ইসলামের বিষয়ে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে, যদি স্পিকারের চিঠি পাওয়া যায়, এমনটি জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ।
আজ রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এই মন্তব্য করেন।
গাজী নজরুল ইসলাম সম্পর্কিত এক প্রশ্নের উত্তরে ইসি সচিব বলেন, জামায়াতে ইসলামী তাকে দল থেকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত ইতোমধ্যে জানিয়ে দিয়েছে। তবে স্পিকারের কাছ থেকে এখনও কোনো চিঠি আসেনি। স্পিকারের চিঠি ছাড়া নির্বাচন কমিশনের এই বিষয়ে কোনো সরাসরি দায়িত্ব নেই।
তিনি আরও জানান, সংসদ সচিবালয় থেকে চিঠি পাওয়ার একটি প্রক্রিয়া রয়েছে। চিঠি প্রাপ্তির পর সেই অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে ইসি সচিব বলেন, কমিশন সভায় আলোচনা করে এই বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। পরবর্তী কমিশন সভার তারিখ এখনও নির্ধারিত হয়নি। প্রধান নির্বাচন কমিশনার সভার দিনক্ষণ ঠিক করবেন।
এ সময় ইসি সচিবালয় ও মাঠ পর্যায়ের কর্মীদের পরিচয়পত্র (আইডি কার্ড) পরিবর্তনের বিষয়েও জানান সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ। তিনি বলেন, ‘মাঠ পর্যায়ের কর্মীদের জন্য লেমিনেটেড কার্ডের পরিবর্তে প্রধান কার্যালয়ের মতো প্লাস্টিক কার্ড দেওয়া হবে। রাজস্ব, উন্নয়ন, আউটসোর্স কিংবা দৈনিক ভিত্তিক- সব ক্যাটাগরির জন্যই এই নতুন কার্ড প্রযোজ্য হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : সাভারের আশুলিয়ার জামগড়া এলাকায় প্রীতি গ্রুপের তৈরি পোশাক কারখানায় ঘটে যাওয়া গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণ ও অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতি (বিজিএমইএ) গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছে।
এই দুর্ঘটনাটি গতকাল রোববার সন্ধ্যায় সংঘটিত হয়।
আজ বিজিএমইএ এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানায়, দুর্ঘটনায় নিহতদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেছে এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানানো হয়েছে। সংগঠনটি গুরুতর দগ্ধ ও আহতদের দ্রুত আরোগ্য কামনা করেছে।
বিজিএমইএর সভাপতি মাহমুদ হাসান খান বলেন, ‘এই সংকটের মুহূর্তে আহত ব্যক্তি ও ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পাশে দাঁড়ানো আমাদের প্রথম ও প্রধান অগ্রাধিকার।’
বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, দুর্ঘটনার খবর পাওয়ার পর বিজিএমইএর একটি বিশেষ ক্রাইসিস রেসপন্স টিম ও প্রতিনিধিদল ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে। তারা উদ্ধারকাজে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সকে সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করে।
বিজিএমইএ জানায়, দুর্ঘটনায় কোনো নিয়মিত পোশাক শ্রমিক আহত হননি।
দুর্ঘটনায় আহত ও দগ্ধ ব্যক্তিদের চিকিৎসা নিশ্চিত করতে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিট ও স্থানীয় হাসপাতালগুলোতে ভর্তি রোগীদের চিকিৎসা পরিস্থিতি তদারকিতে বিজিএমইএর একটি মেডিকেল টিম কাজ করছে। আহতদের প্রয়োজনীয় ওষুধ ও চিকিৎসা সহায়তার বিষয়ে প্রীতি গ্রুপ কর্তৃপক্ষের সঙ্গে নিবিড়ভাবে সমন্বয় করা হচ্ছে।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ অনুসন্ধান এবং ভবিষ্যতে গ্যাস সিলিন্ডার বা গ্যাস লরি খালাসের ক্ষেত্রে সম্ভাব্য নিরাপত্তা ত্রুটি চিহ্নিত করতে বিজিএমইএ একটি উচ্চপর্যায়ের তদন্ত কমিটি গঠন করছে। এ ধরনের দুর্ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও জানানো হয়েছে।
এছাড়া দেশের সব তৈরি পোশাক কারখানায় কেমিক্যাল, গ্যাস সিলিন্ডার ও দাহ্য পদার্থ খালাস, হ্যান্ডলিং এবং সংরক্ষণের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা প্রোটোকল কঠোরভাবে অনুসরণের জন্য বিজিএমইএর পক্ষ থেকে জরুরি সার্কুলার জারি করা হচ্ছে।
বিজিএমইএ বলেছে, যেকোনো শিল্প দুর্ঘটনার পর শ্রমিকদের জীবন রক্ষা এবং কর্মক্ষেত্রের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সংগঠনটির অন্যতম শীর্ষ অগ্রাধিকার।
এ সংকটাপন্ন মুহূর্তে সরকারের সংশ্লিষ্ট বিভাগ, ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স এবং স্থানীয় প্রশাসনের দ্রুত সাড়া ও উদ্ধার তৎপরতার জন্য বিজিএমইএ কৃতজ্ঞতা জানিয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ