ঢাকা রবিবার, ২৫শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৯ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৪ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
রবিবার, ২৫শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৯ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ঢাবিতে ১৯ আগস্ট শুরু হচ্ছে ১৩তম ছায়া জাতিসংঘ সম্মেলন


ঢাবিতে ১৯ আগস্ট শুরু হচ্ছে ১৩তম ছায়া জাতিসংঘ সম্মেলন

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে (ঢাবি) আগামী ১৯ আগস্ট শুরু হচ্ছে দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম বৃহৎ ছায়া জাতিসংঘ সম্মেলন ‘ঢাকা ইউনিভার্সিটি ন্যাশনাল মডেল ইউনাইটেড নেশন্স’ (ডানমুন)। এই সম্মেলন চার দিনব্যাপী অনুষ্ঠিত হবে যা বিশ্ববিদ্যালয়ের নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে।

সম্প্রতি আয়োজক সংস্থা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় মডেল ইউনাইটেড নেশন্স অ্যাসোসিয়েশন (ডুমুনা) এক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে ডানমুনের সেক্রেটারিয়েট বোর্ড এসব তথ্য জানায়। আয়োজকরা বলেছেন, এবারের ১৩তম আসরে দেশের পাশাপাশি বিদেশ থেকেও পাঁচ শতাধিক তরুণ কূটনীতিক অংশগ্রহণ করবেন।

কনফারেন্সের মূল প্রতিপাদ্য বিষয় নির্ধারণ করা হয়েছে— ‘পরিবর্তনশীল বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে বৈচিত্র্যের মধ্যে ঐক্য বজায় রেখে কার্যকর বহুপাক্ষিকতা সুসংহত করা’ (Consolidating Effective Multilateralism by Upholding Unity in Diversity in an Evolving Global Landscape)। আয়োজকরা আশা করেন, বৈশ্বিক পরিবর্তনের প্রেক্ষাপটে বিভাজন ভুলে বিভিন্ন জাতি যেন পারস্পরিক দৃঢ় সহযোগিতা গড়ে তুলতে পারে, সেই লক্ষ্যেই এই প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: মার্কিন নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও আন্তর্জাতিক আদালত এগিয়ে যাচ্ছে: ডেপুটি প্রসিকিউটর

এবারের সম্মেলনে মোট ১২টি কমিটি থাকবে। এর মধ্যে নতুন সংযোজন হিসেবে বাংলাদেশের কোনো ছায়া জাতিসংঘ সম্মেলনে প্রথমবারের মতো যুক্ত করা হয়েছে ‘ক্যাবিনেট বনাম শ্যাডো ক্যাবিনেট অব জাতীয় সংসদ’। এছাড়া ‘ফার্স্ট এক্সট্রাঅর্ডিনারি সামিট অন পেট্রোলিয়াম’ (ইএসপি) এবং সম্পূর্ণ নতুন ফরম্যাটের ‘দ্য ঢাকা ডায়ালগ’ নামক কমিটিগুলোও এবারের আসরের বিশেষ আকর্ষণ হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে।

সেক্রেটারিয়েট বোর্ড জানিয়েছে, বাংলাদেশের বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে ‘শ্যাডো ক্যাবিনেট’ সিমুলেশনটি সরকার ও বিরোধীদের মধ্যে গণতান্ত্রিক সম্পর্ক ও গতিশীলতা পর্যালোচনায় বিশেষ প্রাসঙ্গিক হতে পারে।

ডুমুনা নেতৃত্ব জানায়, ডানমুন ২০২৬ এমন একটি প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করবে, যেখানে বিভিন্ন মত ও পটভূমি থেকে আসা প্রতিনিধিগণ এক ছাদের নিচে সংলাপে যুক্ত হতে সক্ষম হবেন। আয়োজকরা কূটনীতি ও পারস্পরিক সহযোগিতা এখনও সম্ভব, সেটিই এই সম্মেলনের মাধ্যমে তুলে ধরতে চান।

আরও পড়ুন: ঢাকা সৌদির কাছে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নের জবাব চেয়েছে

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর
এনডিটিভির প্রতিবেদন

সৌদি-তুরস্ক-পাকিস্তান প্রতিরক্ষা চুক্তি কেন ভারতের জন্য নতুন মাথাব্যথার কারণ?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১১ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৬:০২ পি.এম


সৌদি-তুরস্ক-পাকিস্তান প্রতিরক্ষা চুক্তি কেন ভারতের জন্য নতুন মাথাব্যথার কারণ?

ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে ‘অপারেশন সিঁদুর’ ঘিরে সংঘাত শেষ হওয়ার দুই মাসেরও কম সময় পরে, ২০২৫ সালের ৪ জুলাই ভারতীয় সেনাবাহিনীর উপপ্রধান লেফটেন্যান্ট জেনারেল রাহুল আর সিং বলেন, ভারতকে এক সীমান্তে তিন প্রতিপক্ষের মোকাবিলা করতে হয়েছে।

তিনি বলেন, পাকিস্তান সরাসরি সম্মুখযুদ্ধে ভারতদের প্রতিপক্ষ, যখন চীন রিয়েল-টাইম স্যাটেলাইট গোয়েন্দা তথ্য সরবরাহ করেছে এবং পাকিস্তানের ঘনিষ্ঠ মিত্র তুরস্ক ভারতবিরোধী অভিযানে ব্যবহারের জন্য কৌশলগত ও কামিকাজে ড্রোন সরবরাহ করেছে।

এখন যদি পাকিস্তান, তুরস্ক ও সৌদি আরবের মধ্যে ৭ আগস্ট স্বাক্ষরিত মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি বাস্তবায়িত হয়, তাহলে ভারতের জন্য পরিস্থিতি আরও জটিল হতে পারে। কারণ, এই চুক্তির আওতায় যদি উপমহাদেশে ভারত-পাকিস্তান সশস্ত্র সংঘাত শুরু হয়, তাহলে সৌদি আরবও পাকিস্তানের পাশে দাঁড়াতে বাধ্য হতে পারে।

চুক্তি স্বাক্ষরের পর প্রকাশিত যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়েছে, তিন দেশের যেকোনও একটির বিরুদ্ধে সশস্ত্র হামলা তিনটি দেশে হামলা হিসেবে বিবেচিত হবে। অর্থাৎ, পাকিস্তানের সঙ্গে ভারতের ভবিষ্যৎ সামরিক সংঘাতে রিয়াদ সরাসরি জড়িয়ে পড়ার সম্ভাবনার কাঠামো তৈরী হলো। তবে বাস্তবায়নে কতটা কার্যকর হবে, তা চুক্তির কাজের ওপর নির্ভর করে।

এটি কি ভারতের জন্য কূটনৈতিক বার্তা? পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দার এই চুক্তিকে ‘পুরোপুরি প্রতিরক্ষামূলক’ বলছেন। কিন্তু সৌদি আরবের এই চুক্তিতে যুক্ত হওয়া ভারতের জন্য স্বস্তির বিষয় নয়।

এর অন্যতম কারণ হল ভারত ও সৌদি আরবের মধ্যকার সাম্প্রতিক ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক। দুই দেশের সম্পর্ক ‘কৌশলগত অংশীদারত্ব’ হিসেবে বর্ণিত হয়। একটি যৌথ পরিষদের মাধ্যমে দুই দেশের সম্পর্ক তেল, নিরাপত্তা, বিনিয়োগ, বাণিজ্য ও সংস্কৃতি-সব ক্ষেত্রেই বিস্তৃত হয়েছে।

ভারত-সৌদি আরবের দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য প্রায় ৪৩ বিলিয়ন ডলার। ভারতের অপরিশোধিত তেলের মোট আমদানি প্রায় ১৪ শতাংশও সৌদি আরব থেকে আসে।

ফলে নয়াদিল্লির দৃষ্টিতে সৌদি আরবকে পাকিস্তান-তুরস্কের সঙ্গে একটি যৌথ প্রতিরক্ষা কাঠামোয় দেখা উদ্বেগের কারণ হতে পারে। তবে এটিকে সরাসরি ভারতের বিরুদ্ধে সৌদির অবস্থান বলাটা অতিরঞ্জিত হবে, কারণ ভারতের সঙ্গে সৌদি আরবের অর্থনৈতিক ও কৌশলগত সম্পর্ক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বরং চুক্তিটি ভবিষ্যতে ভারত-পাকিস্তান সংঘাতে কীভাবে প্রয়োগ হবে, সেটিই হচ্ছে মূল প্রশ্ন।

পাকিস্তানের জন্য সৌদি আরব কেন এত গুরুত্বপূর্ণ? পাকিস্তান ও সৌদি আরবের সম্পর্ক নতুন কিছু নয়। বেশ কয়েক দশক ধরে সৌদি আরব পাকিস্তানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ আর্থিক সহায়তাকারী। বিশেষ করে যখন পাকিস্তান বৈদেশিক মুদ্রার সংকট ও ব্যালান্স অব পেমেন্টসের সমস্যায় পড়ে, তখন রিয়াদ ইসলামাবাদকে আর্থিক সহায়তা দিয়েছে।

২০১৮ সাল থেকে সৌদি আরব পাকিস্তানকে কয়েকবার বিলিয়ন ডলারের আমানত ও তেল আমদানির অর্থ পরিশোধে বিলম্বের সুবিধা দিয়েছে। ২০১৮ সালে প্রায় ৬ বিলিয়ন ডলার, ২০২১ সালে ৪ দশমিক ২ বিলিয়ন ডলার এবং ২০২২ সালে প্রায় ৮ বিলিয়ন ডলারের সহযোগিতা ও আর্থিক সুবিধার কথা উল্লেখ আছে। পরবর্তীতে সৌদি আমানতের মেয়াদও বাড়ানো হয়েছে, যার সঙ্গে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের সহায়তা কর্মসূচির শর্তগুলোর সম্পর্ক ছিল।

অর্থাৎ, পাকিস্তানের অর্থনীতির জন্য সৌদি আরব এক ধরনের আর্থিক লাইফলাইন হিসেবে কাজ করে আসছে।

সামরিক ক্ষেত্রে দুই দেশের সহযোগিতা দীর্ঘদিনের। ১৯৬০-এর দশক থেকে সৌদি আরবের সামরিক বাহিনীতে পাকিস্তানি সেনাদের ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ রয়েছে।

সعودি আরবের সামরিক বাহিনীতে পাকিস্তানি সেনাদের সম্পৃক্ততার ইতিহাস শুরু হয় বাদশাহ ফয়সাল ও পাকিস্তানের তৎকালীন প্রেসিডেন্ট আইয়ুব খানের সময়। ১৯৬৭ সালে দুই দেশের মধ্যে আনুষ্ঠানিক সহযোগিতার চুক্তি হয়। পরবর্তীতে পাকিস্তানি পাইলটরা সৌদি যুদ্ধবিমান পরিচালনা করেছেন। ১৯৬৯ সালে ইয়েমেনের একটি সামরিক অনুপ্রবেশে পাকিস্তানি পাইলটদের অংশগ্রহণের কথাও বিভিন্ন প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।

১৯৭০ ও ১৯৮০-এর দশকে বিভিন্ন সময়ে সৌদি আরবে ১৫ হাজার পর্যন্ত পাকিস্তানি সেনা মোতায়েন ছিল। তাদের কেউ সীমান্ত প্রতিরক্ষার দায়িত্বে ছিলেন। ১৯৮২ সালের একটি প্রটোকল চুক্তির মাধ্যমে এই ধরনের সেনা মোতায়েনের কাঠামো আরও আনুষ্ঠানিক রূপ নেয়।

১৯৯১ সালের উপসাগরীয় যুদ্ধের সময়ও প্রায় ১৩ হাজার পাকিস্তানি সামরিক সদস্য সৌদি আরবে মোতায়েন হয়েছিল।

দশকের পর দশক ধরে পাকিস্তান আনুমানিক ৮ থেকে ১০ হাজার সৌদি সামরিক সদস্যকে প্রশিক্ষণ দিয়েছে। ২০১৭ সালে পাকিস্তানের সাবেক সেনাপ্রধান জেনারেল রাহিল শরিফ সৌদি নেতৃত্বাধীন ইসলামিক মিলিটারি কাউন্টার টেররিজম কোয়ালিশনের কমান্ড গ্রহণ করেন।

এরপর দুই দেশের সেনা, নৌ ও বিমানবাহিনীর যৌথ মহড়া নিয়মিত সামরিক সহযোগিতার অংশ হয়ে উঠেছে।

পাকিস্তান ও তুরস্কের সামরিক সম্পর্কের ভিত্তি হলো অস্ত্র ও প্রতিরক্ষা প্রযুক্তি। ইসলামাবাদ তুরস্কের কাছ থেকে বায়রাকতার টিবি-২ ড্রোন, মিলজেম শ্রেণির করভেট যুদ্ধজাহাজ এবং এফ-১৬ যুদ্ধবিমানের আধুনিকায়ন সহায়তা পেয়েছে।

পাকিস্তান নৌবাহিনী তুরস্কের নকশায় তৈরি চারটি মিলজেম শ্রেণির করভেট সংগ্রহ করেছে। এগুলো পাকিস্তানের নৌবাহিনীর আধুনিক সারফেস প্ল্যাটফর্মগুলোর মধ্যে অন্যতম। সর্বশেষ যুদ্ধজাহাজ ‘পিএনএস তারিক’ ২০২৩ সালের আগস্টে পাকিস্তানের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

তুরস্ক পাকিস্তানের ফরাসি নকশার আগোস্টা ৯০বি শ্রেণির সাবমেরিন আধুনিকায়নেও সহযোগিতা করেছে। ড্রোন প্রযুক্তিতেও দুই দেশের সম্পর্ক দ্রুত এগিয়েছে। পাকিস্তান ২০২৩ সালে তুরস্কের বায়রাকতার আকিঞ্চি উচ্চ-উচ্চতা সক্ষম যুদ্ধ ড্রোনের প্রথম চালান পেয়েছে। এর আগে দেশটি টিবি-২ ড্রোনও সংগ্রহ করেছিল। পরবর্তীতে স্থানীয়ভাবে এসব প্রযুক্তি উৎপাদনের সম্ভাবনা নিয়েও আলোচনা হয়েছে।

তুরস্কের কেএএএন স্টেলথ যুদ্ধবিমানও পাকিস্তানের সম্ভাব্য আগ্রহের একটি ক্ষেত্র। ২০২৪ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি বিমানটির প্রথম পরীক্ষামূলক উড্ডয়ন হয়। ২০২৮ থেকে ২০৩০ সালের মধ্যে তুরস্ক নিজস্ব বাহিনীর জন্য বিমানটির সরবরাহ শুরু করতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। পাকিস্তান এই যুদ্ধবিমানের সম্ভাব্য ক্রেতা হিসাবে আলোচনা করছে। তবে এখনও কোনও চুক্তি স্বাক্ষর হয়নি। বরং পাকিস্তান চীনের জে-৩৫এ স্টেলথ যুদ্ধবিমান সংগ্রহের দিকে তুলনামূলকভাবে বেশি এগিয়েছে বলে মনে হচ্ছে।

এদিকে, ২০২৫ সালের মে মাসে ভারত-পাকিস্তানের মধ্যে ৮৮ ঘণ্টার সংঘাতের সময় পাকিস্তান তুরস্কের তৈরি ড্রোন ব্যবহার করেছিল বলে ভারতীয় পক্ষের অভিযোগ ছিল। এরপর ভারত তুরস্কের ‘চেলেবি এভিয়েশন’-এর নিরাপত্তা ছাড়পত্র বাতিল করে। ভারতের ই-কমার্স প্ল্যাটফর্ম আজিও ও মিন্ত্রা তুরস্কের বিভিন্ন ব্র্যান্ডকে সরিয়ে দেয় বা তাদের প্রচার কমিয়ে দেয়।

তুরস্কে ভারতীয় পর্যটনেও এর প্রভাব পড়ে। বিভিন্ন ট্রাভেল প্ল্যাটফর্ম তুরস্কের পর্যটন প্রচারণা কমিয়ে দেয় এবং গ্রীষ্মকালীন মৌসুমে ভারতীয় পর্যটকদের আগমন ৩৮ শতাংশ পর্যন্ত কমে যায় বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে। অর্থাৎ, সামরিক সহযোগিতা এরই মধ্যে ভারত-তুরস্ক সম্পর্ককে অর্থনৈতিক ও জনপর্যায়ের প্রতিক্রিয়ার মুখে ফেলেছে।

চুক্তিটি কি সত্যিই ‘ন্যাটোর মতো’? এই চুক্তির সবচেয়ে উদ্বেগজনক দিকগুলোর একটি হলো তুর্কি পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদানের বক্তব্য। তিনি মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তিকে ন্যাটোর ৫ নম্বর অনুচ্ছেদের সঙ্গে তুলনা করেছেন। ন্যাটোর ৫ নম্বর অনুচ্ছেদে একটি সদস্যের ওপর সশস্ত্র হামলাকে পুরো জোটের ওপর হামলা হিসেবে বিবেচনা করা হয়। ফলে তুরস্কের এই তুলনা ভারতের জন্য স্বাভাবিকভাবে কৌশলগত উদ্বেগ তৈরি করতে পারে।

তবে বাস্তবিক চিত্র এতটা সরল নয়। মক্কা চুক্তিতে এখনও ন্যাটোর মতো কোনও যৌথ সামরিক কমান্ডের কাঠামো নেই। যৌথ প্রতিরক্ষা কার্যকর করার নির্দিষ্ট প্রক্রিয়া বা কোন পরিস্থিতিতে কোন দেশ কী ধরনের সামরিক পদক্ষেপ নেবে, তার বিস্তারিত কাঠামো স্পষ্ট নয়।

ফলে চুক্তিটি এখনই ন্যাটোর সমতুল্য একটি সামরিক জোটে পরিণত হয়েছে- এমন দাবি করা কঠিন।

যুক্তরাষ্ট্রের ভূমিকা কমার প্রেক্ষাপটে নতুন নিরাপত্তা কাঠামো? চুক্তিটির আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো মধ্যপ্রাচ্যের পরিবর্তিত নিরাপত্তা বাস্তবতা। যুক্তরাষ্ট্র দীর্ঘদিন ধরে সৌদি আরব ও উপসাগরীয় অঞ্চলের প্রধান নিরাপত্তা অংশীদার হিসেবে কাজ করেছে। কিন্তু ওয়াশিংটনের নিরাপত্তা প্রতিশ্রুতি নিয়ে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর মধ্যে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

এই প্রেক্ষাপটে সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তানের মতো তিনটি গুরুত্বপূর্ণ মুসলিম দেশের মধ্যে প্রতিরক্ষা সহযোগিতা আঞ্চলিক নিরাপত্তার বিকল্প কাঠামো তৈরির একটি প্রচেষ্টা হিসেবেও দেখা যেতে পারে।

অর্থাৎ, চুক্তিটি কেবল ভারতকে লক্ষ্য করে করা হয়েছে- এমনটা বলা যেমন কঠিন, তেমনি এর সম্ভাব্য ভারতীয় প্রভাবও উপেক্ষা করার সুযোগ নেই। বরং এটি মধ্যপ্রাচ্য ও দক্ষিণ এশিয়ায় যুক্তরাষ্ট্রকেন্দ্রিক নিরাপত্তা ব্যবস্থার বাইরে নতুন কৌশলগত ভারসাম্য তৈরির একটি রাজনৈতিক বার্তা হতে পারে।

ভারতের সামনে এখন বড় প্রশ্ন হলো, পাকিস্তান ও ভারতের মধ্যে ভবিষ্যতে কোনও সামরিক সংঘাত হলে সৌদি আরব ও তুরস্ক বাস্তবিকভাবে কী ধরনের ভূমিকা নেবে। যদি চুক্তির ‘এক দেশের ওপর হামলা মানেই সবার ওপর হামলা’ নীতি বাস্তবে প্রয়োগ করা হয়, তাহলে পাকিস্তানের সঙ্গে সংঘাতের ক্ষেত্রে ভারতকে শুধু ইসলামাবাদ নয়, আরও দুই শক্তিশালী রাষ্ট্রের প্রতিক্রিয়া বিবেচনায় নিতে হবে।

বিশেষ করে তুরস্কের সঙ্গে পাকিস্তানের ঘনিষ্ঠ সামরিক সম্পর্ক এবং সৌদি আরবের সঙ্গে পাকিস্তানের দীর্ঘদিনের নিরাপত্তা সহযোগিতা এই সমীকরণকে আরও জটিল করে তুলতে পারে।

তবে আপাতত নয়াদিল্লির জন্য কিছুটা স্বস্তির জায়গা আছে। কারণ, চুক্তিটির কোনো যৌথ কমান্ড নেই, সম্মিলিত সামরিক পদক্ষেপের সুনির্দিষ্ট ট্রিগার নির্ধারিত নয় এবং ন্যাটোর মতো প্রাতিষ্ঠানিক সামরিক কাঠামোও গড়ে ওঠেনি।

তাহলে কাগজে-কলমে এটি একটি প্রতিরক্ষা চুক্তি হলেও বাস্তবে এটি কতটা কার্যকর সামরিক জোটে পরিণত হবে, সেটিই এখন দেখার বিষয়।

দীর্ঘমেয়াদে ভারতের জন্য সতর্কবার্তা রয়েছে। এরপরও ভারতের জন্য চুক্তিটিকে হালকাভাবে দেখার সুযোগ নেই। যদি পাকিস্তান ভবিষ্যতে ভারতের সঙ্গে সামরিক সংঘাতে জড়িয়ে পড়ে এবং চুক্তির যৌথ প্রতিরক্ষা ধারাকে সক্রিয় করার চেষ্টা করে, তাহলে তুরস্ক ও সৌদি আরবের অবস্থান গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।

বিশেষ করে পাকিস্তান যদি এটিকে ভারতের বিরুদ্ধে কৌশলগত প্রতিরোধ তৈরির হাতিয়ার হিসাবে ব্যবহার করে, তাহলে দক্ষিণ এশিয়ার নিরাপত্তা সমীকরণে নতুন মাত্রা যোগ হবে।

ফলে মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তি এখনই ন্যাটোর মতো শক্তিশালী সামরিক জোট না হলেও, এটি ভারতের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত সতর্কসংকেত। ভবিষ্যতে চুক্তিটি কীভাবে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ নেয়, যৌথ সামরিক সক্ষমতা কতটা বেড়ে যায় এবং ভারত-পাকিস্তান সংঘাতের ক্ষেত্রে সৌদি আরব ও তুরস্ক বাস্তবে কী অবস্থান নেয়—এসব বিষয়গুলোই নির্ধারণ করবে এই নতুন জোট ভারতের জন্য কতটা বড় ‘মাথাব্যথা’ হয়ে উঠবে।

সবচেয়ে বড় কথা, দক্ষিণ এশিয়া ও মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা রাজনীতিতে একাধিক নতুন অংশীদারত্ব দ্রুত গড়ে উঠছে। সেই পরিবর্তিত বাস্তবতায় ভারতকে শুধু পাকিস্তানের সামরিক সক্ষমতা নয়, ইসলামাবাদের সঙ্গে ক্রমবর্ধমান তুরস্ক-সৌদি নিরাপত্তা সম্পর্ককেও হিসাবের মধ্যে রাখতে হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সময় ৩ ঘণ্টা, যেভাবে সংসদ সদস্যরা ভোট দেবেন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১১ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৬:০৪ পি.এম


সময় ৩ ঘণ্টা, যেভাবে সংসদ সদস্যরা ভোট দেবেন

জাতীয় সংসদ ভবনের অধিবেশন কক্ষে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে ২০ আগস্ট, দুপুর ২টা থেকে শুরু হয়ে বিকেল ৫টা পর্যন্ত। এই ভোটের কার্যক্রমের সরাসরি সম্প্রচার (লাইভ টেলিকাস্ট) করার সুবিধাটা থাকবে।

আজ মঙ্গলবার নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ নির্বাচনের প্রক্রিয়া সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করেছেন। তিনি আজ সংসদের ভারপ্রাপ্ত স্পিকারের সঙ্গে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের প্রস্তুতিমূলক সভায়ও অংশ নেন।

ইসি সচিব জানিয়েছিলেন, ‘২০ আগস্ট বিকেল ৫টা পর্যন্ত রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ভোটগ্রহণের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। যদি অনির্ধারিত কারণে কোন সংসদ সদস্য পৌঁছাতে দেরি করেন, সেই সম্ভাবনা মাথায় রেখেই এই সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে।’

সদস্যদের ভোট দেওয়ার সুবিধার্থে অধিবেশন কক্ষে তারা নিজ নিজ আসনে থাকবেন। নির্বাচন কমিশনের নিযুক্ত কর্মকর্তারা তাদের কাছে ব্যালট পেপার পৌঁছে দেবেন। প্রতিটি ব্যালট পেপারে মুড়ি অংশ এবং মূল ব্যালট থাকবে। মুড়ি অংশে প্রার্থীর ক্রমিক নম্বর, ভোটারের নাম, বিভক্তি নম্বর ও স্বাক্ষরের ঘর থাকবে।

মূল ব্যালটে প্রার্থীদের নাম থাকবে এবং ভোটার সংসদ সদস্য সেখানে পছন্দের প্রার্থীর নামের পাশে পূর্ণ নাম লিখে স্বাক্ষর করবেন। ভোটারদের সুবিধা চিন্তা করে কক্ষে তিনটি স্বচ্ছ ব্যালট বাক্স রাখা হবে, যাতে তারা যেকোনো একটিতে ভোট দিতে পারবেন, বলেন ইসি সচিব।

আখতার আহমেদ আবারো বলেন, ‘বিকেল ৫টায় ভোটগ্রহণ শেষে অধিবেশন কক্ষে ব্যালট বাক্সগুলোর সামনে সরাসরি ভোট গণনা শুরু হবে। প্রাথমিকভাবে চার বা পাঁচজনের গঠিত একটি ব্যালট গণক দল ব্যালট পেপার শর্ট আউট করে গণনা কার্যক্রম সম্পন্ন করবে। মোট ৩৪৯টি ব্যালটের মধ্যে কতটি বৈধ বা বাতিল হয়েছে এবং কোন প্রার্থী কত ভোট পেয়েছে, তা প্রধান নির্বাচন কমিশনার অধিবেশন কক্ষে সরাসরি সবার সামনে ঘোষণা করবেন।

পরবর্তীতে কমিশন সচিবালয়ে এসে চূড়ান্ত ফলাফলের গেজেট প্রকাশ করা হবে।’

আঁখতার আহমেদ উল্লেখ করেন, অধিবেশন কক্ষে ভোটের কার্যক্রমের সরাসরি সম্প্রচার (লাইভ টেলিকাস্ট) করার সুবিধা থাকবে এবং সাংবাদিকদের জন্য নির্ধারিত স্থান রাখা হবে। তিনি জানান, কমিশনের পক্ষ থেকে ২০ জন কর্মকর্তাকে বিশেষ আইডি কার্ড ইস্যু করা হবে।

এদিকে জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনি জানিয়েছেন, রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ কার্যকর হবে। ৭০ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, দলের সিদ্ধান্তের বাইরে তারা কোনো সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে পারবেন না। যদি করেন তবে সদস্য পদ বাতিল হবে।

ইসির তফসিল অনুযায়ী, আগামী ২০ আগস্ট দেশে ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোট থেকেও রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে প্রার্থী ঘোষণা করা হয়েছে, ফলে এবারের সংসদ নির্বাচনে ভোট হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মুক্তিযুদ্ধের গৌরব খাটো করার চেষ্টা সফল হবে না: রিজভী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১১ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৬:০৮ পি.এম


মুক্তিযুদ্ধের গৌরব খাটো করার চেষ্টা সফল হবে না: রিজভী

ঢাকা, ১১ আগস্ট, ২০২৬ : প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা ও বিএনপি সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের গৌরব ও স্বাধীনতার চেতনাকে খাটো করার কোনো চেষ্টা সফল হবে না। তিনি উল্লেখ করেন, এই দেশের মানুষ স্বাধীনতা অর্জন করেছে এবং তারা স্বাধীনতা রক্ষায়ও সমানভাবে প্রস্তুত।

আজ মঙ্গলবার নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা দল আয়োজিত একটি সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য প্রদানকালে তিনি এ কথা বলেন। এর আগে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) শফিকুল কবির মিলনায়তনে ‘মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতাকারী জামায়াতে ইসলামীর ঔদ্ধত্যপূর্ণ বক্তব্য ও কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে বাংলাদেশকে অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্রের’ প্রতিবাদে একটি সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

সংবাদ সম্মেলনের পরে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়। মিছিলটি রিপোর্টার্স ইউনিটি থেকে শুরু होकर নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে গিয়ে শেষ হয়।

রিজভী বলেন, আজ বাংলাদেশের মানুষ যে স্বাধীনতা ভোগ করছে, তা সরাসরি মুক্তিযুদ্ধের অর্জন। তিনি আরও বলেছিলেন, যারা ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতার বিরোধিতা করেছিল এবং মুক্তিযোদ্ধাদের অবস্থান সম্পর্কে তথ্য দিয়ে দখলদার বাহিনীকে সহযোগিতা করেছিল, তারাই বর্তমানে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসকে খাটো করার চেষ্টা করছে। এদের বীরত্বের কোনো ইতিহাস নেই; তাদের রয়েছে শুধু দালালির ইতিহাস।

বিএনপির এই সিনিয়র নেতা যোগ করেছেন, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা মানুষের হৃদয়ে গভীরভাবে প্রোথিত ছিল এবং এই চেতনাই তরুণ প্রজন্মকে জুলাই অভ্যুত্থানের সময় রাজপথে নামতে অনুপ্রাণিত করেছে। রিজভী বলেন, ‘যারা ফ্যাসিস্টদের তুষ্ট করার চেষ্টা করছে, তাদেরও মানুষ চেনে। একাত্তরকে খাটো করার কোনো চেষ্টা সফল হবে না। বর্তমান প্রজন্ম দেশের সংগ্রাম ও ইতিহাসের উত্তরাধিকারী। ১৯৭১ ও জুলাই অভ্যুত্থানের মধ্যে কোনটি বড় বা ছোট—এ ধরনের বিভাজন তৈরির চেষ্টা জাতির কোনো উপকারে আসবে না।

তিনি উল্লেখ করেন, ‘এই দেশের মানুষ স্বাধীনতা অর্জন করেছে এবং তারা জানে কীভাবে স্বাধীনতা রক্ষা করতে হয়। এই দেশের ২০ কোটি মানুষ সবসময় তাদের স্বাধীনতা রক্ষায় প্রস্তুত।’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নারায়ণগঞ্জে একটি কেমিক্যাল গোডাউনে আগুন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১১ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৬:১০ পি.এম


নারায়ণগঞ্জে একটি কেমিক্যাল গোডাউনে আগুন

 

নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জের সানারপাড় এলাকায় একটি কেমিক্যাল গোডাউনে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। খবর পাওয়ার পর ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে গিয়ে প্রায় আধা ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।

এ ঘটনায় কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।

মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে গোডাউনটিতে আগুনের উৎপত্তি ঘটে। পরে মুহূর্তের মধ্যে আগুন গোডাউনের ভেতর ছড়িয়ে পড়ে। এতে সেখানে থাকা বিভিন্ন ধরনের কেমিক্যাল ও অন্য মালামাল পুড়ে যায়।

স্থানীয়রা জানায়, হঠাৎ গোডাউন থেকে ধোঁয়া এবং আগুনের শিখা বের হতে দেখা যায়। অল্প সময়ের মধ্যেই আগুন পুরো গোডাউনে ছড়িয়ে পড়ে। আগুনের তীব্রতায় আশপাশের এলাকার মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি হয়।

খবর পাওয়ার পর কাঁচপুর মডার্ন ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নেভানোর কাজ শুরু করে।

পরে প্রায় আধা ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।

ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের উপপরিচালক আব্দুল্লাহ আল আরিফিন বলেন, ‘ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করেছে। বর্তমানে আগুন অনেকটা নিয়ন্ত্রণে এসেছে। প্রাথমিকভাবে আগুনের সূত্রপাত সম্পর্কে কিছু বলা যাচ্ছে না। তদন্ত শেষে আগুন লাগার কারণ ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ সম্পর্কে বিস্তারিত জানানো হবে।’

তিনি আরো জানান, আগুন লাগার প্রকৃত কারণ এবং ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারণে তদন্ত চলছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৪ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৪
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৪৮
মাগরিব ০৫:২৪
ইশা ০৬:৩৬
সূর্যোদয় : ০৬:০০ সূর্যাস্ত : ০৫:২৪
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%