০৬:০১ পি.এম
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে (ঢাবি) আগামী ১৯ আগস্ট শুরু হচ্ছে দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম বৃহৎ ছায়া জাতিসংঘ সম্মেলন ‘ঢাকা ইউনিভার্সিটি ন্যাশনাল মডেল ইউনাইটেড নেশন্স’ (ডানমুন)। এই সম্মেলন চার দিনব্যাপী অনুষ্ঠিত হবে যা বিশ্ববিদ্যালয়ের নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে।
সম্প্রতি আয়োজক সংস্থা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় মডেল ইউনাইটেড নেশন্স অ্যাসোসিয়েশন (ডুমুনা) এক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে ডানমুনের সেক্রেটারিয়েট বোর্ড এসব তথ্য জানায়। আয়োজকরা বলেছেন, এবারের ১৩তম আসরে দেশের পাশাপাশি বিদেশ থেকেও পাঁচ শতাধিক তরুণ কূটনীতিক অংশগ্রহণ করবেন।
কনফারেন্সের মূল প্রতিপাদ্য বিষয় নির্ধারণ করা হয়েছে— ‘পরিবর্তনশীল বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে বৈচিত্র্যের মধ্যে ঐক্য বজায় রেখে কার্যকর বহুপাক্ষিকতা সুসংহত করা’ (Consolidating Effective Multilateralism by Upholding Unity in Diversity in an Evolving Global Landscape)। আয়োজকরা আশা করেন, বৈশ্বিক পরিবর্তনের প্রেক্ষাপটে বিভাজন ভুলে বিভিন্ন জাতি যেন পারস্পরিক দৃঢ় সহযোগিতা গড়ে তুলতে পারে, সেই লক্ষ্যেই এই প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
আরও পড়ুন: মার্কিন নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও আন্তর্জাতিক আদালত এগিয়ে যাচ্ছে: ডেপুটি প্রসিকিউটর
এবারের সম্মেলনে মোট ১২টি কমিটি থাকবে। এর মধ্যে নতুন সংযোজন হিসেবে বাংলাদেশের কোনো ছায়া জাতিসংঘ সম্মেলনে প্রথমবারের মতো যুক্ত করা হয়েছে ‘ক্যাবিনেট বনাম শ্যাডো ক্যাবিনেট অব জাতীয় সংসদ’। এছাড়া ‘ফার্স্ট এক্সট্রাঅর্ডিনারি সামিট অন পেট্রোলিয়াম’ (ইএসপি) এবং সম্পূর্ণ নতুন ফরম্যাটের ‘দ্য ঢাকা ডায়ালগ’ নামক কমিটিগুলোও এবারের আসরের বিশেষ আকর্ষণ হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে।
সেক্রেটারিয়েট বোর্ড জানিয়েছে, বাংলাদেশের বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে ‘শ্যাডো ক্যাবিনেট’ সিমুলেশনটি সরকার ও বিরোধীদের মধ্যে গণতান্ত্রিক সম্পর্ক ও গতিশীলতা পর্যালোচনায় বিশেষ প্রাসঙ্গিক হতে পারে।
ডুমুনা নেতৃত্ব জানায়, ডানমুন ২০২৬ এমন একটি প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করবে, যেখানে বিভিন্ন মত ও পটভূমি থেকে আসা প্রতিনিধিগণ এক ছাদের নিচে সংলাপে যুক্ত হতে সক্ষম হবেন। আয়োজকরা কূটনীতি ও পারস্পরিক সহযোগিতা এখনও সম্ভব, সেটিই এই সম্মেলনের মাধ্যমে তুলে ধরতে চান।
আরও পড়ুন: ঢাকা সৌদির কাছে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নের জবাব চেয়েছে
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন