০১:২৪ এম
বাংলাদেশ মক্কায় মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়া দুই বাংলাদেশির অপরাধ, বিচার প্রক্রিয়া এবং দণ্ড কার্যকরের পদ্ধতি সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য চেয়েছে। একই সঙ্গে, তাদের মরদেহের অবস্থান এবং বিচারের সময় আইনজীবী নিয়োগ করা হয়েছিল কি না, তা জানতে চাওয়া হয়েছে ঢাকা থেকে।
গত ১৯ অক্টোবর, জেদ্দায় বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেল থেকে সৌদি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মক্কা শাখায় পাঠানো এক কূটনৈতিক চিঠিতে ছয়টি বিষয়ে তথ্য চাওয়া হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট কূটনৈতিক সূত্র জানায়, গত ১৪ অক্টোবর মক্কা অঞ্চলে বাংলাদেশি নাগরিক নজরুল ইসলাম আবদুল বাসির ও সুইটি আক্তারের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়। তাদের এ দণ্ড বিচারকের স্বেচ্ছাধীন শাস্তি হিসেবে দেওয়া হয়েছে।
আরও পড়ুন: পিরোজপুরে লাশ দাফনে বাধা, নাহিদ ইসলামের নিন্দা ও ইনসাফের আহ্বান
সৌদি কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো চিঠিতে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে জানতে চাওয়া হয়েছে, দুই বাংলাদেশি কী অপরাধ করেছিলেন, সেই অপরাধ কখন ও কোথায় সংঘটিত হয়েছিল এবং তাদের কবে গ্রেপ্তার করা হয়। পাশাপাশি, দণ্ডাদেশের সত্যায়িত অনুলিপিও চাওয়া হয়েছে।
মৃত্যুদণ্ড কীভাবে কার্যকর করা হয়েছে, সে বিষয়ে স্পষ্ট তথ্য চেয়েছে বাংলাদেশ। প্রকাশ্যে তলোয়ারের আঘাতে শিরশ্ছেদ করা হয়েছে, নাকি অন্য কোনো পদ্ধতিতে দণ্ড কার্যকর করা হয়েছে, তা জানতে চাওয়া হয়েছে।
এ ছাড়া, দণ্ড কার্যকরের পর দুই বাংলাদেশির মরদেহ কোথায় রাখা হয়েছে এবং সেগুলো বাংলাদেশে পাঠানো হবে, নাকি সৌদি আরবেই দাফন করা হয়েছে, সে বিষয়ে জানতে চাওয়া হয়েছে ঢাকা থেকে। তদন্ত ও বিচার চলাকালে তাদের পক্ষে আইনজীবী নিয়োগ করা হয়েছিল কি না এবং তারা কেউ আইনি সহায়তা চেয়েছিলেন কি না, সে প্রশ্নও তোলা হয়েছে।
আরও পড়ুন: বিদেশি ঋণ শোধে চাপ বাড়ছে, সহায়তার অর্থছাড় কমেছে
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন