ঢাকা মঙ্গলবার, ২৭শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১১ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২৭শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১১ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং
দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর

ঢাকা সৌদির কাছে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নের জবাব চেয়েছে


ঢাকা সৌদির কাছে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নের জবাব চেয়েছে

বাংলাদেশ মক্কায় মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়া দুই বাংলাদেশির অপরাধ, বিচার প্রক্রিয়া এবং দণ্ড কার্যকরের পদ্ধতি সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য চেয়েছে। একই সঙ্গে, তাদের মরদেহের অবস্থান এবং বিচারের সময় আইনজীবী নিয়োগ করা হয়েছিল কি না, তা জানতে চাওয়া হয়েছে ঢাকা থেকে।

গত ১৯ অক্টোবর, জেদ্দায় বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেল থেকে সৌদি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মক্কা শাখায় পাঠানো এক কূটনৈতিক চিঠিতে ছয়টি বিষয়ে তথ্য চাওয়া হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট কূটনৈতিক সূত্র জানায়, গত ১৪ অক্টোবর মক্কা অঞ্চলে বাংলাদেশি নাগরিক নজরুল ইসলাম আবদুল বাসির ও সুইটি আক্তারের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়। তাদের এ দণ্ড বিচারকের স্বেচ্ছাধীন শাস্তি হিসেবে দেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন: পিরোজপুরে লাশ দাফনে বাধা, নাহিদ ইসলামের নিন্দা ও ইনসাফের আহ্বান

সৌদি কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো চিঠিতে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে জানতে চাওয়া হয়েছে, দুই বাংলাদেশি কী অপরাধ করেছিলেন, সেই অপরাধ কখন ও কোথায় সংঘটিত হয়েছিল এবং তাদের কবে গ্রেপ্তার করা হয়। পাশাপাশি, দণ্ডাদেশের সত্যায়িত অনুলিপিও চাওয়া হয়েছে।

মৃত্যুদণ্ড কীভাবে কার্যকর করা হয়েছে, সে বিষয়ে স্পষ্ট তথ্য চেয়েছে বাংলাদেশ। প্রকাশ্যে তলোয়ারের আঘাতে শিরশ্ছেদ করা হয়েছে, নাকি অন্য কোনো পদ্ধতিতে দণ্ড কার্যকর করা হয়েছে, তা জানতে চাওয়া হয়েছে।

এ ছাড়া, দণ্ড কার্যকরের পর দুই বাংলাদেশির মরদেহ কোথায় রাখা হয়েছে এবং সেগুলো বাংলাদেশে পাঠানো হবে, নাকি সৌদি আরবেই দাফন করা হয়েছে, সে বিষয়ে জানতে চাওয়া হয়েছে ঢাকা থেকে। তদন্ত ও বিচার চলাকালে তাদের পক্ষে আইনজীবী নিয়োগ করা হয়েছিল কি না এবং তারা কেউ আইনি সহায়তা চেয়েছিলেন কি না, সে প্রশ্নও তোলা হয়েছে।

আরও পড়ুন: বিদেশি ঋণ শোধে চাপ বাড়ছে, সহায়তার অর্থছাড় কমেছে

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মার্কিন নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও আন্তর্জাতিক আদালত এগিয়ে যাচ্ছে: ডেপুটি প্রসিকিউটর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রবিবার, ২৫শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০১:২৪ এম


মার্কিন নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও আন্তর্জাতিক আদালত এগিয়ে যাচ্ছে: ডেপুটি প্রসিকিউটর

আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের (আইসিসি) কর্মীদের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নতুন নিষেধাজ্ঞার প্রভাব ইতোমধ্যে দেখা দিতে শুরু করেছে। আদালতের কিছু কর্মী ব্যাংকিং-সংক্রান্ত সমস্যার সম্মুখীন হয়েছেন। তবে, আইসিসির ডেপুটি প্রসিকিউটর নাজাত শামিম খান জানিয়েছেন, এসব নিষেধাজ্ঞার ফলে আদালতের কার্যক্রম ব্যাহত হয়নি, বরং উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে।

মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও চলতি মাসে আইসিসির ওপর নতুন নিষেধাজ্ঞা আরোপের ঘোষণা দেন। আদালতটি ট্রাম্প প্রশাসনের নিয়মিত সমালোচনার লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হওয়ায় তিনি এটিকে ‘দুষ্ট আদালত’ হিসেবে অভিহিত করেন। তিনি সতর্ক করে বলেন, ‘হয় আইসিসি তাদের হুমকি দেওয়া বন্ধ করবে, নয়তো আমরাই আইসিসির সমাপ্তি ঘটাব।’

নতুন প্রধান প্রসিকিউটর নিয়োগ না হওয়া পর্যন্ত নাজাত শামিম খান যৌথভাবে কার্যালয়ের দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি জানান, যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও আদালত তার কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছে। ২০২৪ সালের নভেম্বরে গাজায় যুদ্ধাপরাধের অভিযোগে ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এবং তৎকালীন প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইয়োভ গ্যালান্টের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির পর থেকে সংশ্লিষ্ট তদন্তে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে বলেও জানান তিনি। প্রসিকিউটরের দাখিল করা আদালতের নির্দেশে আরো কয়েকটি আবেদন গোপন রাখা হয়েছে।

নাজাত শামিম খান বলেন, গত ৯ অক্টোবর নিষেধাজ্ঞা ঘোষণার পর সেগুলো কার্যকর হতে ছয় মাস সময় নির্ধারণ করা হলেও এর মধ্যেই আইসিসির কিছু কর্মী ব্যাংকিং সমস্যায় পড়েছেন। নিষেধাজ্ঞার সুনির্দিষ্ট পরিধি নিয়ে অনিশ্চয়তার কারণে ব্যাংকগুলো প্রয়োজনের তুলনায় বেশি সতর্কতা অবলম্বন করছে।

ফিজির নাগরিক এই ডেপুটি প্রসিকিউটর ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ানকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেন, ‘নীতিগতভাবে এসব নিষেধাজ্ঞা প্রতিষ্ঠানের ওপর আরোপ করা হয়েছে। তাই ব্যক্তিগতভাবে আমাদের কর্মীদের সরাসরি আক্রান্ত হওয়ার কথা নয়। কিন্তু কর্মীদের কাছ থেকে জানতে পারছি, তাঁদের কেউ কেউ ব্যাংকিং কার্যক্রমে সমস্যার মুখে পড়ছেন।’

যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞার প্রভাব মোকাবিলায় আইসিসি বিকল্প ব্যবস্থাও গ্রহণ করছে। আদালতটি মাইক্রোসফটের পরিবর্তে ইউরোপীয় বিকল্প সফটওয়্যার ব্যবহার শুরু করেছে। পাশাপাশি ব্যাংকিং ও স্বাস্থ্যবিমা-সংক্রান্ত সেবা সচল রাখতে সংশ্লিষ্ট সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে আলোচনা চলছে।

খান বলেন, ‘বিভিন্ন পরিস্থিতি সত্ত্বেও সব ধরনের তদন্ত অব্যাহত রয়েছে। নিষেধাজ্ঞার কারণে আমাদের কাজের সক্ষমতা বা উৎপাদনশীলতা কমানোর কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি।’

তবে, নিষেধাজ্ঞাগুলো আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যকর হলে সেগুলোর পূর্ণাঙ্গ প্রভাব কী হতে পারে, তা আগাম অনুমান করা কঠিন বলেও স্বীকার করেন তিনি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সকালে যুবদল নেতা, সন্ধ্যায় ব্যবসায়ী গুলিবিদ্ধ খুলনায়

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ২৫শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০১:২৫ এম


সকালে যুবদল নেতা, সন্ধ্যায় ব্যবসায়ী গুলিবিদ্ধ খুলনায়

পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) আলী হোসেন ফকিরের খুলনা সফরের দিন নগরী ও জেলায় তিন দফা গুলির ঘটনা ঘটেছে।

শনিবার (২৪ অক্টোবর) সকালে তেরখাদায় গুলিবিদ্ধ হন যুবদল নেতা। আইজিপি খুলনা ত্যাগ করার পর সন্ধ্যা ৭টার দিকে নগরীর দক্ষিণ টুটপাড়ায় গুলিবিদ্ধ হন এক ব্যবসায়ী। এর আড়াই ঘণ্টা পর রাত সাড়ে ৯টার দিকে নগরীর বাবুখান রোডে সন্ধানী ক্লিনিকের নিচতলার রিসেপশন লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে একদল দুর্বৃত্ত। হামলার সময় ক্লিনিকের কয়েকটি কক্ষে ও ক্যাশ কাউন্টারে ভাঙচুর চালানো হয়। হামলায় ক্লিনিকের একজন কর্মী সামান্য আহত হন এবং এক কর্মীর মুঠোফোন ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগও পাওয়া গেছে।

একই দিনে ধারাবাহিক এসব গুলির ঘটনায় নগরী ও জেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে।

পুলিশ ও সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, শনিবার বেলা ১১টার দিকে তেরখাদা উপজেলার মধুপুর ইউনিয়নের পারহাজী গ্রামে দুর্বৃত্তদের গুলিতে যুবদল নেতা রামিম বিশ্বাস (৩২) আহত হন। ওই সময় খুলনায় পুলিশের আইজিপি আলী হোসেন ফকির উপস্থিত ছিলেন।

এরপর সন্ধ্যা ৭টার দিকে নগরীর দক্ষিণ টুটপাড়া ২ নম্বর ক্রস রোডের গাছতলা মন্দিরের সামনে দুর্বৃত্তদের গুলিতে আহত হন মুদি দোকানদার ধনঞ্জয় কুন্ডু ওরফে আকাশ কুন্ডু (৪৫)। তাঁকে হাসপাতালে নেওয়া হয়।

সর্বশেষ রাত সাড়ে ৯টার দিকে নগরীর বাবুখান রোডের সন্ধানী ক্লিনিকে হামলা ও গুলির ঘটনা ঘটে। ক্লিনিক সূত্রে জানা গেছে, রাত সাড়ে ৯টার দিকে ১০ থেকে ১২ জন অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তি ক্লিনিকের নিচতলায় প্রবেশ করে। এসময় তারা চিকিৎসক কুতুব উদ্দিন ও চিকিৎসক শেখ মোজাম হোসেনের কক্ষ এবং রিসেপশনের ক্যাশ কাউন্টারে ভাঙচুর চালায়। এক পর্যায়ে তারা এক রাউন্ড গুলি ছোড়ে।

হামলায় ক্লিনিকের রিসেপশনে কর্মরত বিশ্বজিৎ (২৫) সামান্য আহত হন। তাঁর বাবার নাম সুরেশ রায়। তিনি খুলনার দাকোপ উপজেলার চুনকুড়ি এলাকায় থাকেন এবং বর্তমানে খুলনা নগরীর গফফারের মোড় এলাকায় বসবাস করছেন।

এছাড়া ক্লিনিকের আরেক কর্মী ইকবাল হোসেনের (৩০) ব্যবহৃত একটি মুঠোফোন দুর্বৃত্তরা নিয়ে যায় বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। তাঁর বাড়ি পাইকগাছা উপজেলার খড়িয়া গ্রামে। তিনি নগরীর টুটপাড়া বালিরমাঠ এলাকার এপি ২ নম্বর ক্রস রোডে অবস্থান করেন।

প্রাথমিক অনুসন্ধানে ক্লিনিকের মালিকপক্ষের অভ্যন্তরীণ বিরোধের জেরে এ হামলার ঘটনা ঘটে থাকতে পারে বলে একটি সূত্র জানিয়েছে। তবে এ বিষয়ে পুলিশের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

কেএমপির খুলনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) লোকমান হোসেন ঘটনার পর ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। তিনি বলেন, দুর্বৃত্তরা রাস্তায় দাঁড়িয়ে ক্লিনিক লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। এ ঘটনায় কেউ হতাহত হননি।

তবে ক্লিনিকের ভেতরে ১০ থেকে ১২ জনের প্রবেশ, ভাঙচুর, একজনের সামান্য আহত হওয়া এবং মুঠোফোন ছিনিয়ে নেওয়ার বিষয়ে পাওয়া তথ্যের সঙ্গে পুলিশের প্রাথমিক বক্তব্যের কিছু পার্থক্য রয়েছে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে হাসপাতালের একজন কর্মী জানান, কোনো কিছু বুঝে ওঠার আগেই দুটি মোটরসাইকেলে ৬ জনের একটি দল এসে ক্লিনিকের বিভিন্ন আসবাবপত্র ভাঙচুর করে চলে যায়। তিনি হামলার কারণ জানতে পারেননি।

অন্য একজন চিকিৎসকের সহকারী বলেন, অন্য একটি ক্লিনিক থেকে রোগী দেখে তিনি সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকের সঙ্গে সন্ধানীর দিকে যাচ্ছিলেন। পথিমধ্যে হামলার খবর পেয়ে তারা আর অগ্রসর হননি। পরে উক্ত চিকিৎসকসহ অন্যান্য চিকিৎসকের জন্য আসা রোগীরাও ডাক্তার না দেখিয়ে দ্রুত ক্লিনিক ত্যাগ করেন।

এদিকে, একই দিনে তেরখাদা ও খুলনা নগরীতে তিন দফা গুলির ঘটনায় স্থানীয় বাসিন্দা ও ব্যবসায়ীদের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে চিকিৎসাপ্রতিষ্ঠানে ঢুকে ভাঙচুর ও গুলি ছোড়ার ঘটনায় নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ত্রিদেশীয় সিরিজের চ্যাম্পিয়ন আফগানিস্তান, ফাইনালে জিম্বাবুয়েকে হারালো ৭ উইকেটে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

রবিবার, ২৫শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৩:১৩ এম


ত্রিদেশীয় সিরিজের চ্যাম্পিয়ন আফগানিস্তান, ফাইনালে জিম্বাবুয়েকে হারালো ৭ উইকেটে

আফগানিস্তান ত্রিদেশীয় ওয়ানডে সিরিজের শিরোপা জিতে নিয়েছে, তাদের ব্যাটে-বলে নিয়ন্ত্রিত পারফরম্যান্সের জন্য। ফাইনালে জিম্বাবুয়েকে ৭ উইকেটে পরাজিত করেছে রশিদ খানের দল, যা সংযুক্ত আরব আমিরাতের শারজায় অনুষ্ঠিত হয়েছে। জিম্বাবুয়ের দেওয়া ১৬৯ রানের লক্ষ্য আফগানিস্তান ৩৪.৩ ওভারে অতিক্রম করে, হাতে রেখে সাত উইকেট।

জিম্বাবুয়ে টস জিতে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয়, কিন্তু শুরু থেকেই আফগান বোলারদের চাপে পড়ে। ফজলহক ফারুকি ও বিলাল সামি দুটি করে উইকেট নেন। রশিদ খান তিন উইকেট শিকার করেন এবং মোহাম্মদ নবী দুটি উইকেট নেন। দলের বিপর্যয়ের মধ্যে অধিনায়ক সিকান্দার রাজা লড়াই করেন, তার ৮৩ বলে ৬৮ রানের ইনিংস কিছুটা প্রতিরোধ গড়তে সাহায্য করে। শেষ পর্যন্ত ৪৩.৩ ওভারে জিম্বাবুয়েটি ১৬৯ রানে অলআউট হয়ে যায়।

আফগানিস্তান সহজ লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতেই আক্রমণাত্মক মেজাজ প্রদর্শন করে। রহমানউল্লাহ গুরবাজ ৩১ বলে ৩৬ রান করে দ্রুত রান তোলেন। তবে নিউম্যান নিয়ামহুরি তাকে ও সেদিকউল্লাহ আতালকে ফিরিয়ে জিম্বাবুয়েকে কিছুটা স্বস্তি দেন।

এরপর ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ গ্রহণ করেন ইব্রাহিম জাদরান ও রহমত শাহ। জাদরান ৯৬ বলে অপরাজিত ৭০ রান করেন এবং রহমত শাহ ৬৩ বলে ৪৩ রান করেন। তাদের ৮২ রানের জুটি জয় নিশ্চিত করে। রহমত আউট হলেও জাদরান ও অধিনায়ক হাশমতউল্লাহ শহিদি দলকে লক্ষ্যে পৌঁছে দেন।

ম্যাচসেরা নির্বাচিত হন ইব্রাহিম জাদরান। পুরো সিরিজে ধারাবাহিক পারফরম্যান্সের জন্য সিরিজসেরার পুরস্কার পান রশিদ খান।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রোনালদোর ৯৮২তম গোল নিয়ে বিতর্ক, গোলটি আত্মঘাতী হিসেবে নথিভুক্ত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

রবিবার, ২৫শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৩:১৩ এম


রোনালদোর ৯৮২তম গোল নিয়ে বিতর্ক, গোলটি আত্মঘাতী হিসেবে নথিভুক্ত

ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো মাঠে গোল উদযাপন করেছেন, তবে ম্যাচ শেষে গোলের মালিকানা নিয়ে বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। সৌদি প্রো লিগে আল-ফয়সালির বিরুদ্ধে আল-নাসরের ৩-১ গোলের জয়ে পর্তুগিজ তারকা ভেবেছিলেন, তিনি ক্যারিয়ারের ৯৮২তম গোলটি অর্জন করেছেন। কিন্তু গোলটি জালে প্রবেশ করার আগে প্রতিপক্ষের ডিফেন্ডার আন্দ্রেই জিরোত্তোর স্পর্শ পাওয়ার কারণে গোলটি নিয়ে মতভেদ দেখা দিয়েছে।

গতকাল ম্যাচের ৪৯ মিনিটে জোয়াও ফেলিক্সের ক্রস থেকে হেড করেন রোনালদো। বলটি জালে ঢুকলেও মাঝপথে জিরোত্তোর গায়ে লেগে দিক পরিবর্তন করে। রোনালদো গোল উদযাপনে মেতে উঠলেও পরে গোলটির কৃতিত্ব নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। গোল ডটকমের প্রতিবেদনের ভিত্তিতে, শেষ পর্যন্ত গোলটি আত্মঘাতী হিসেবে নথিভুক্ত করা হয়েছে। ফলে রোনালদোর আনুষ্ঠানিক গোলসংখ্যা আপাতত ৯৮১-তেই রয়ে গেছে।

তবে বিষয়টি নিয়ে বিভ্রান্তির কারণও রয়েছে। ইএসপিএনের ম্যাচ-পরবর্তী প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, সৌদি প্রো লিগের হিসাবে গোলটি প্রথমে রোনালদোর নামেই ছিল। কিন্তু পরিসংখ্যান সরবরাহকারী অপ্টা সেটিকে আত্মঘাতী গোল হিসেবে চিহ্নিত করেছে। অর্থাৎ, গোলের কৃতিত্ব নিয়ে বিভিন্ন হিসাবে অমিল দেখা দিয়েছে।

ম্যাচে আল-নাসরের হয়ে প্রথম গোলটি করেন আবদুল্লাহ আল-হামদান। পরে রোনালদোর হেডের ঘটনাটি ঘটে। আল-ফয়সালি থিও বংগোন্ডার গোলে ব্যবধান কমালেও শেষ দিকে অ্যাঞ্জেলো গ্যাব্রিয়েলের গোলে ৩-১ ব্যবধানে জয় নিশ্চিত করে আল-নাসর।

রোনালদোর লক্ষ্য ক্যারিয়ারের ১,০০০ গোলের মাইলফলক। সেই পথে প্রতিটি গোলই গুরুত্বপূর্ণ। তাই একটি গোলের স্বীকৃতি নিয়ে এমন বিতর্ক স্বাভাবিকভাবেই আলোচনায় এসেছে। তবে চূড়ান্ত হিসাব নির্ভর করবে সংশ্লিষ্ট প্রতিযোগিতা ও স্বীকৃত পরিসংখ্যান সংস্থার আনুষ্ঠানিক রেকর্ডের ওপর।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৫
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২৩
ইশা ০৬:৩৫
সূর্যোদয় : ০৬:০১ সূর্যাস্ত : ০৫:২৩
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%