ঢাকা মঙ্গলবার, ২৭শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১১ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২৭শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১১ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যেও যাত্রী পরিবহনে রেকর্ড শাহ আমানত বিমানবন্দরের


যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যেও যাত্রী পরিবহনে রেকর্ড শাহ আমানত বিমানবন্দরের

মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন গন্তব্যে অস্থিরতা ও নানা জটিলতা সত্ত্বেও, চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর আন্তর্জাতিক ও অভ্যন্তরীণ রুটে যাত্রী পরিবহনে নতুন একটি রেকর্ড স্থাপন করেছে। চলতি অর্থবছরের প্রথম পাঁচ মাসে ৭ হাজার ৮০০ ফ্লাইটে মোট ৭ লাখ ৬০ হাজার যাত্রী পরিবহন করেছে বিমানবন্দরটি। কিন্তু যুদ্ধের কারণে মধ্যপ্রাচ্যে ২৩৮টি ফ্লাইট বাতিল হওয়ায় কর্তৃপক্ষ সম্ভাব্য রাজস্ব হিসেবে প্রায় ৩০ কোটি টাকা হারিয়েছে।

চট্টগ্রাম শাহ আমানত বিমানবন্দর থেকে বর্তমানে আন্তর্জাতিক ফ্লাইট পরিচালিত হচ্ছে ওমানের মাস্কট, সৌদি আরবের জেদ্দা ও মদিনা এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাই, শারজাহ ও আবুধাবীর উদ্দেশ্যে। চলতি বছরের মার্চ মাসের শুরু থেকে ইরান, ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সংঘাতের কারণে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন বিমানবন্দর ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ঝুঁকিতে পড়ায় বিমান চলাচলে বড় ধরনের বিঘ্ন ঘটে। এর প্রভাব চট্টগ্রাম থেকে পরিচালিত ফ্লাইটগুলোর ওপরও পড়েছে। যুদ্ধের দেড় মাসে মধ্যপ্রাচ্যগামী ২৩৮টি ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে।

এয়ার গ্যালেক্সির স্টেশন ইনচার্জ মো. আসিফ চৌধুরী বলেন, ফ্লাইট বাতিল করার কারণে যাত্রীদের ভোগান্তি লাঘবে অতিরিক্ত ফ্লাইট এবং অনেক ক্ষেত্রে চার্টার্ড ফ্লাইটের ব্যবস্থা করে তাদের মধ্যপ্রাচ্যে পাঠানো হয়েছে।

আরও পড়ুন: ময়মনসিংহে নির্মাণসামগ্রী লুটের ঘটনায় ৮ ডাকাত গ্রেফতার, উদ্ধার ট্রাক

এসব সংকটের মাঝে মে মাসের মাঝামাঝি পর্যন্ত শাহ আমানত বিমানবন্দর থেকে ৩ হাজার ২৪৫টি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট পরিচালনা করা হয়েছে। এসব ফ্লাইটে ৩ লাখ ৭২ হাজার ২৩৭ জন যাত্রী যাতায়াত করেছেন। একই সময় ৪ হাজার ৫৪৮টি অভ্যন্তরীণ ফ্লাইটে আরও ৩ লাখ ৮৬ হাজার ৭০০ জন যাত্রী পরিবহন করা হয়েছে। নানা সংকটের মধ্যেও এই বিপুল যাত্রীচাপ সামাল দেওয়া সত্যিই একটি বড় চ্যালেঞ্জ ছিল।

চট্টগ্রাম শাহ আমানত বিমানবন্দরের পরিচালক গ্রুপ ক্যাপ্টেন শেখ আবদুল্লাহ আলমগীর বলেন, পরিস্থিতি মোকাবিলায় এয়ারলাইন্সগুলোর সঙ্গে সমন্বয় সাধনের মাধ্যমে এবং সিভিল এভিয়েশন সদর দফতর ও মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী যাত্রীদের বিদেশে পাঠানোর ব্যবস্থা করা হয়েছে।

চলতি বছরের জানুয়ারিতে ৬০৭টি এবং ফেব্রুয়ারিতে ৬৩০টি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট পরিচালনা করা হয়। যুদ্ধকালীন সময় হিসেবে চিহ্নিত মার্চে সংখ্যা ছিল ৬৭১টি, এপ্রিলে ৬৮৫টি এবং মে মাসে ৬৫২টি আন্তর্জাতিক ফ্লাইটের। প্রতি মাসে গড়ে ৭৩ থেকে ৭৪ হাজার যাত্রী আন্তর্জাতিক রুটে যাতায়াত করেছেন।

যুদ্ধের কারণে আটকে পড়া যাত্রীদের সুবিধার্থে এয়ারলাইন্সগুলো বিশেষ ছাড় দিয়েছে, সাথে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোও ভিসা বাতিল না করে মেয়াদ বাড়িয়ে সহযোগিতা করেছে। এভিয়েশন বিশেষজ্ঞ আনোয়ার এইচ সিদ্দিকী জানান, বিশেষ করে রেমিট্যান্সযোদ্ধা বা প্রবাসী শ্রমিকদের জন্য দেশগুলো উদার ভিসা নীতি গ্রহণ করে। ফলে ক্ষতিগ্রস্তদের ভিসা বাতিল হয়নি এবং বরং গ্রেস পিরিয়ড প্রদান করা হয়েছে। যাদের ভিসার মেয়াদ বা চাকরিতে যোগদানের সময় ঘনিয়ে এসেছিল, তাদের সময়সীমাও বৃদ্ধি করা হয়েছে। পরে টিকিট পুনরায় ইস্যু হওয়ার পর তারা সংশ্লিষ্ট দেশে যেতে সক্ষম হয়েছেন।

আরও পড়ুন: কম্বোডিয়ায় দুই বাংলাদেশিকে ৫ হাজার ডলারে বিক্রি করেছে মানবপাচারকারীরা

২০২৫ সালে পুরো বছরে শাহ আমানত বিমানবন্দর থেকে ৮ হাজার ১২৪টি আন্তর্জাতিক ফ্লাইটে ৯ লাখ ৯৯ হাজার ৭৩৩ জন এবং ১১ হাজার ৩৯টি অভ্যন্তরীণ ফ্লাইটে ৬ লাখ ৬৮ হাজার ২৮৮ জন যাত্রী পরিবহন করা হয়েছিল। এতে বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের রাজস্ব আয় ২০০ কোটিরও বেশি টাকা হয়েছে। প্রতি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট থেকে গড়ে ৫ থেকে ৬ লাখ টাকা রাজস্ব আয় হয়। তবে যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে ফ্লাইট বাতিল নেওয়ার ফলে বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ ৩০ কোটি টাকার সম্ভাব্য অতিরিক্ত রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হয়েছে।

চট্টগ্রাম শাহ আমানত বিমানবন্দরের মুখপাত্র প্রকৌশলী ইব্রাহিম খলিল জানান, যাত্রীরা বিমানবন্দরে এসে যাতে হয়রানির শিকার না হন, এজন্য এয়ারলাইন্স প্রতিনিধিদের নিয়ে একটি সমন্বয় সেল গঠন করা হয়েছিল। এছাড়া বার্তা ও সরাসরি যোগাযোগের মাধ্যমে যাত্রীদের ফ্লাইটের সর্বশেষ তথ্য জানানো হয়েছে।

২০০০ সালে আন্তর্জাতিক মর্যাদা পাওয়ার পর ২৬ বছর এবং আধুনিকায়নের ছয় বছর পার করেছে চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর। নানা সীমাবদ্ধতার মধ্যেও প্রতি বছর ১৫ লাখের বেশি যাত্রী পরিবহন করে আছড়ে পড়ছে। চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের মে মাস পর্যন্ত ১১ মাসে চট্টগ্রাম শাহ আমানত বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ ২৪৬ কোটি টাকা রাজস্ব আদায় করেছে।

আরও পড়ুন: প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব: এনএসইজেডের সমস্যা ৩ মাসে সমাধান হবে

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মধ্যাহ্ন বিরতিতে ১০৯ রানে এগিয়ে জিম্বাবুয়ে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

সোমবার, ২৯শে জুন, ২০২৬ ইং

০৪:৪৩ পি.এম


মধ্যাহ্ন বিরতিতে ১০৯ রানে এগিয়ে জিম্বাবুয়ে

 ঘরের মাঠে বাংলাদেশের বিপক্ষে চলমান একমাত্র টেস্টের প্রথম ইনিংসে ৮ উইকেট হাতে নিয়ে ১০৯ রানে এগিয়ে মধ্যাহ্ন বিরতিতে গিয়েছে জিম্বাবুয়ে। বাংলাদেশ প্রথম ইনিংসে ১৪০ রানের জবাবে জিম্বাবুয়ে ২ উইকেটে ২৪৯ রান সংগ্রহ করেছে। ওপেনার ইনোসেন্ট কাইয়া অবিচলিত ১২৭ রান করে।

হারারে স্পোর্টস ক্লাব মাঠে অনুষ্ঠিত টেস্টের প্রথম দিনেই বাংলাদেশ দল অলআউট হয়ে যায়। দিন শেষে ব্যাট করতে নেমে জিম্বাবুয়ে ১ উইকেটে ১৩৬ রান করে। কাইয়া ৭৬ রানে এবং ব্রেন্ডন টেইলর ১৭ রানে অপরাজিত থাকেন।

দ্বিতীয় দিনের খেলার শুরুতে মাত্র ১৭ রানে বাংলাদেশ পেসার খালেদ আহমেদের বলে আউট হন টেইলর।

দলীয় ১৪৩ রানের মাথায় টেইলর ফিরে যাওয়ার পর ক্রিজে আসেন ব্রায়ান বেনেট। তৃতীয় উইকেটে কাইয়ার সাথে ১০৭ রান যোগ করে দিনের প্রথম সেশন শেষ করেন বেনেট।

এই জুটিতে কাইয়া টেস্ট ক্যারিয়ারের প্রথম সেঞ্চুরির স্বাদ গ্রহণ করেন। মধ্যাহ্ন বিরতি পর্যন্ত কাইয়া ১২৭ ও বেনেট ৫৯ রানে অবিচলিত রয়েছেন।

বাংলাদেশের খালেদ ৪৯ রানে ২ উইকেট নিতে সক্ষম হয়েছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

এনবিআরের নতুন চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন আহসান হাবিব

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ২৯শে জুন, ২০২৬ ইং

০৪:৪৪ পি.এম


এনবিআরের নতুন চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন আহসান হাবিব

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) নতুন চেয়ারম্যান হিসেবে আহসান হাবিবকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

বর্তমানে চেয়ারম্যান মো. আবদুর রহমান খানের স্থলাভিষিক্ত হবে আহসান হাবিব।

সোমবার (২৯ জুন) এই বিষয়ে একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।

এর আগে আহসান হাবিব এনবিআরের সদস্য হিসেবেও দায়িত্বরত ছিলেন। পাশাপাশি তিনি কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সেলের (সিআইসি) মহাপরিচালক হিসেবেও কাজ করেছেন। আহসান হাবিব ১৫তম বিসিএস (ট্যাক্সেশন) ক্যাডারের একজন কর্মকর্তা। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূতত্ত্ব বিভাগ থেকে প্রথম শ্রেণিতে প্রথম স্থান অর্জন করেন। এছাড়াও, বিসিএস পরীক্ষায় তার ব্যাচে প্রথম স্থান অধিকার করেন।

কর অঞ্চল-১৫-এর কমিশনার হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন আহসান হাবিব। সিআইসির মহাপরিচালক থাকাকালে তিনি কর ফাঁকি ও আর্থিক অনিয়মসংক্রান্ত বেশ কয়েকটি আলোচিত অনুসন্ধান কার্যক্রম পরিচালনা করেন। তিনি অনলাইন জুয়ার প্ল্যাটফর্ম ‘উল্কাগেমস’ থেকে বকেয়া কর আদায়ের উদ্যোগেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাউবিতে একাডেমিক লেখালেখি, কপিরাইট ও চৌর্যবৃত্তি বিষয়ে প্রশিক্ষণ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ২৯শে জুন, ২০২৬ ইং

০৪:৪৪ পি.এম


বাউবিতে একাডেমিক লেখালেখি, কপিরাইট ও চৌর্যবৃত্তি বিষয়ে প্রশিক্ষণ

বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাউবি) ইনস্টিটিউশনাল কোয়ালিটি অ্যাস্যুরেন্স সেল (আইকিউএসি) আয়োজন করেছে ‘একাডেমিক লেখালেখি: কপিরাইট, উন্মুক্ত শিক্ষাসামগ্রী (OER) ও চৌর্যবৃত্তি’ শীর্ষক একটি দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালা।

আজ সোমবার সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক কনফারেন্স হলে অনুষ্ঠিত এই কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে ছিলেন বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মো. সিরাজুল ইসলাম।

তিনি তাঁর বক্তব্যে বলেন, বর্তমান জ্ঞানভিত্তিক বিশ্বে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকদের শুধু পাঠদানেই সীমাবদ্ধ থাকতে হবে না; সৃজনশীলতা, গবেষণা, একাডেমিক সততা এবং মৌলিক চিন্তার বিকাশের মাধ্যমে জ্ঞান সৃষ্টি করতে হবে। একাডেমিক স্বাধীনতা নিশ্চিত করার পাশাপাশি গবেষণা ও লেখালেখিতে নৈতিকতা, কপিরাইট এবং মেধাস্বত্ব সংরক্ষণের বিষয়ে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে।

তিনি আরও বলেন, প্লেজিয়ারিজম এবং কপিরাইট লঙ্ঘন একজন শিক্ষকের ব্যক্তিগত মর্যাদা, পেশাগত সুনাম এবং প্রতিষ্ঠানের ভাবমূর্তিতে ক্ষতি করতে পারে। তাই প্রতিটি শিক্ষকের গবেষণা ও প্রকাশনার ক্ষেত্রে সর্বাধিক সতর্কতা, সততা এবং দায়িত্বশীলতা прояв করতে হবে।

আইকিউএসি-এর পরিচালক অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ জহির রায়হান অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন। প্রশিক্ষণে প্রধান রিসোর্স পারসন হিসেবে Islamik University of Technology (আইইউটি)-এর বিজনেস অ্যান্ড টেকনোলজি ম্যানেজমেন্ট বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. আবুল কালাম আজাদ মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন। তিনি ২০২৬ সালের প্যারাডাইম শিফট (আদর্শিক পরিবর্তন): অ্যাকাডেমিক ক্যারিয়ারের ভবিষ্যৎ, খাঁটি মূল্যায়ন এবং “কপি-পেস্ট” সংস্কৃতি প্রতিরোধ, এআই-সমৃদ্ধ গবেষণা এবং বুদ্ধিবৃত্তিক সম্পদের ফাঁদ এড়ানো, উন্মুক্ত শিক্ষণপদ্ধতি (ওপেন পেডাগোজি): ওইআর (OER)-এর মাধ্যমে সম্পদের ঘাটতি কাটিয়ে ওঠা ও রক্ষণাত্মক প্রকাশনা: শিকারী জার্নাল (প্রেডেটরি জার্নাল) পরিহার এবং বৈশ্বিক সাইটেশন বৃদ্ধি সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করেন।

আইকিউএসির অতিরিক্ত পরিচালক ড. মো. জাকির হোসেনের সঞ্চালনায় এই প্রশিক্ষণে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন স্কুলের ৩৩ জন শিক্ষক অংশগ্রহণ করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সিসি ক্যামেরার নজরদারিতে চলছিল মাদক ব্যবসা, শেষ পর্যন্ত গ্রেপ্তার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ২৯শে জুন, ২০২৬ ইং

০৪:৪৫ পি.এম


সিসি ক্যামেরার নজরদারিতে চলছিল মাদক ব্যবসা, শেষ পর্যন্ত গ্রেপ্তার

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ার সীমান্তের কাছে একটি বাড়ি, যেটিকে মাদক কারবারের নিরাপদ ঘাঁটিতে পরিণত করা হয়েছিল, চারপাশে অন্তত ১২টি ক্লোজড সার্কিট (সিসি) ক্যামেরা বসানো হয়েছিল। অভিযোগ রয়েছে, এসব সিসি ক্যামেরার সাহায্যে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর গতিবিধি পর্যবেক্ষণ করা হত এবং তা নির্বিঘ্নে ইয়াবা, ফেনসিডিল, গাঁজা ও মদসহ বিভিন্ন ধরনের মাদক বিক্রি করা হত।

রোববার (২৮ জুন) বিকেলে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আখাউড়া থানা পুলিশ ওই বাড়িতে অভিযান চালায় এবং সেখানে ইদন (২৫) নামে এক মাদককারবারিকে গ্রেপ্তার করে। অভিযানে বাড়ি থেকে বিপুল পরিমাণ চোরাই মোবাইল ফোন, একটি ল্যাপটপ, মাদক সেবনের সরঞ্জাম, ১২টি সিসি ক্যামেরা এবং একাধিক ছুরি, চাপাতি, চাইনিজ কুড়াল, রামদাসহ বিভিন্ন দেশীয় ধারালো অস্ত্র জব্দ করা হয়।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সীমান্তঘেঁষা সেনারবাদী গ্রামের বাসিন্দা আবু জাহের মিয়ার ছেলে কালু এবং তার ভাই ইদন সিসি ক্যামেরা স্থাপন করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর গতিবিধির ওপর নজর রাখতেন। এর পরবর্তী সময়ে, পরিস্থিতি অনুকূলে থাকলে তারা মাদকের বেচাকেনা চালাতেন।

স্থানীয়দের অভিযোগ মতে, কালু ও ইদনের পরিবারের একাধিক সদস্য দীর্ঘদিন ধরে মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত রয়েছেন। এর আগে, মাদকসহ কালু ও তার পরিবারের বেশ 몇জন সদস্য একাধিকবার গ্রেপ্তার হয়ে কারাভোগও করেছেন।

থানা সূত্রে জানা যায়, গত বছরের জুন মাসেও তৎকালীন আখাউড়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ফয়সাল উদ্দিনের নেতৃত্বে আখাউড়া থানা পুলিশ এবং জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের (ডিএনসি) যৌথ টাস্কফোর্স একই বাড়িতে অভিযান চালায়। সেবার ১০টি সিসি ক্যামেরা, বিপুল পরিমাণ মাদক, মাদক বিক্রির নগদ অর্থ এবং অর্ধশতাধিক চোরাই মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়েছিল। ওই অভিযানে দুই নারীসহ পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল।

অভিযোগ রয়েছে, জামিনে মুক্ত হওয়ার পর তারা আবারও নতুন করে সিসি ক্যামেরা বসিয়ে মাদক কারবার শুরু করে।

আখাউড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাবেদ উল ইসলাম বলেন, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে কালু ও ইদনের বাড়িতে অভিযান চালানো হয়। অভিযানের সময় বিপুল পরিমাণ চোরাই মোবাইল ফোন, একটি ল্যাপটপ, সিসি ক্যামেরা এবং বিভিন্ন ধরনের দেশীয় ধারালো অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। এই অভিযানে ইদনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং তার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৫
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২৩
ইশা ০৬:৩৫
সূর্যোদয় : ০৬:০১ সূর্যাস্ত : ০৫:২৩
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%