ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

দুই নদীর পানি বেড়ে প্লাবিত ঝালকাঠির নিম্নাঞ্চল 


দুই নদীর পানি বেড়ে প্লাবিত ঝালকাঠির নিম্নাঞ্চল 

সাগরে সৃষ্ট নিম্নচাপের প্রভাব এখনও কাটেনি। এই কারণে ঝালকাঠির সুগন্ধা, বিষখালী এবং জেলার অন্যান্য নদ-নদীর পানি বর্তমানে বিপদসীমার উপরে প্রবাহিত হচ্ছে। বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট নিম্নচাপের জন্য ১ নম্বর সতর্কসংকেত বহাল রয়েছে, যার ফলস্বরূপ জোয়ারের পানি বৃদ্ধি পাওয়ার কারণে জেলার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়ে গেছে।

জোয়ারের পানি ঢুকছে এবং এতে রোপা আমনের বীজতলাসহ অন্যান্য ফসল পানির নিচে তলিয়ে যাচ্ছে। টানা বৃষ্টি এবং জোয়ারে কৃষিজমি প্লাবিত হওয়ায় কৃষকদের ব্যাপক ক্ষতির সম্মুখীন হতে হচ্ছে। গত রাত এবং সকালে দুই দফা জোয়ারে জেলার চার উপজেলার অন্তত ২০টি গ্রাম প্লাবিত হয়ে পড়েছে।

যদি জমিতে পানি দীর্ঘ সময় ধরে জমে থাকে, তাহলে রোপা আমন এবং আমনের বীজতলা পচে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। বাড়িঘরের উঠানে পানি সৃষ্টি হয়েছে। গ্রামের কাঁচা রাস্তা জলমগ্ন হয়ে যাওয়ায় সাধারণ মানুষ চরম দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন।

আরও পড়ুন: ‘মায়ের কোলে শিশুরা যেমন নিরাপদ, তেমনি এ সরকারের আমলে সব ধর্মের মানুষ নিরাপদ’ প্রতিমন্ত্রী আহাম্মেদ সোহেল মঞ্জুর এমপি

সুগন্ধা নদীর তীরে অবস্থিত শহর রক্ষাবাঁধের অভাবের কারণে কুতুবকাঠী, নতুন চর এবং কলাবাগার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়ে গেছে। বন্যার আতঙ্কে নদীতীরবর্তী বাসিন্দারা দিন কাটাচ্ছেন।

কৃষক দেনছের আলী জানাচ্ছেন, জোয়ারের পানিতে রোপা আমন, আমনের বীজতলা এবং বিভিন্ন লতাজাতীয় ফসল নিমজ্জিত হয়েছে। বারবার পানিতে তলিয়ে যাওয়ার ফলে আমনের বীজতলায় বহু ক্ষতি হয়েছে। পানি যদি দীর্ঘস্থায়ী হয় তাহলে কৃষকরা আরও বড় ক্ষতির আশঙ্কা করছেন।

কৃষি বিভাগের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সুগন্ধা এবং বিষখালী নদীর পানি স্বাভাবিকের তুলনায় কিছুটা বেড়ে গেছে। এতে জেলার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। তবে কৃষি বিভাগের দাবি, পানি নেমে গেলে কৃষিতে স্থায়ী ক্ষতি হওয়া সম্ভব নয়।

আরও পড়ুন: সিলেটের কানাইঘাটে যুবক শাহাব উদ্দিনকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাংলাদেশের উন্নয়ন অগ্রযাত্রায় জাপানের সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে: উনো ইয়োশিমাসা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২৮শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৭:১০ পি.এম


বাংলাদেশের উন্নয়ন অগ্রযাত্রায় জাপানের সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে: উনো ইয়োশিমাসা

আজ জাপানের প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ উপদেষ্টা মি. উনো ইয়োশিমাসা সাক্ষাৎকালে সড়ক পরিবহন ও সেতু, নৌপরিবহন, রেলপথমন্ত্রী শেখ রবিউল আলমের সঙ্গে বলেছেন, বাংলাদেশের উন্নয়ন অগ্রযাত্রায় জাপানের সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে।

সচিবালয়ের সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত এই সাক্ষাৎকালে বাংলাদেশ এবং জাপান অবকাঠামো উন্নয়ন, যোগাযোগ ব্যবস্থার আধুনিকায়ন এবং মেট্রোরেলসহ গণপরিবহন খাতে সহযোগিতা আরও জোরদার করতে সম্মত হয়েছে।

এইসময় দুই দেশের পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়, বিশেষ করে অবকাঠামো উন্নয়ন, সড়ক, রেল ও গণপরিবহন খাতে বিদ্যমান সহযোগিতা আরও সম্প্রসারণের বিষয় নিয়ে মতবিনিময় করা হয়।

মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম বাংলাদেশের অবকাঠামো উন্নয়ন ও যোগাযোগ খাতে জাপানের দীর্ঘদিনের সহযোগিতার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, "বাংলাদেশের উন্নয়ন সহযোগী হিসেবে জাপানের অব্যাহত সহযোগিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।" বিশেষ করে মেট্রোরেলসহ আধুনিক, নিরাপদ, টেকসই ও পরিবেশবান্ধব গণপরিবহন ব্যবস্থা গড়ে তোলার জন্য জাপানের অভিজ্ঞতা, প্রযুক্তিগত জ্ঞান ও কারিগরি সহযোগিতা বাংলাদেশের জন্য অত্যন্ত মূল্যবান।

তিনি উল্লেখ করেন, সরকার দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার মাধ্যমে দেশের যোগাযোগ অবকাঠামো ও গণপরিবহন ব্যবস্থার আধুনিকায়নে কাজ করছে। সমন্বিত, নিরাপদ, জনবান্ধব ও পরিবেশবান্ধব যোগাযোগ ব্যবস্থা গড়ে তুলতে জাপানের মতো উন্নয়ন অংশীদারের অভিজ্ঞতা ও সহযোগিতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, ভবিষ্যতে বাংলাদেশ ও জাপানের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় হবে এবং পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতার পরিধি সম্প্রসারিত হবে।

জাপানের প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ উপদেষ্টা উনো ইয়োশিমাসা বলেন, "বাংলাদেশের দ্রুত নগরায়ন ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে আধুনিক ও টেকসই গণপরিবহন অবকাঠামো গড়ে তোলা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।" এ ক্ষেত্রে জাপানের অভিজ্ঞতা, উন্নত প্রযুক্তি ও কারিগরি দক্ষতা বাংলাদেশের উন্নয়ন কার্যক্রমে আরও কার্যকরভাবে কাজে লাগানো সম্ভব হবে।

তিনি বলেন, পারস্পরিক আস্থা ও সহযোগিতার ভিত্তিতে ভবিষ্যতে অবকাঠামো উন্নয়ন, মেট্রোরেল, রেল যোগাযোগ, সড়ক পরিবহনসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ খাতে বাংলাদেশ ও জাপান আরও ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করতে পারবে। একই সঙ্গে বাংলাদেশের উন্নয়ন অগ্রযাত্রায় জাপানের সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে বলেও তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

সাক্ষাৎকালে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব ড. মোহাম্মদ জিয়াউল হক এবং ঢাকা ম্যাস র‌্যাপিড ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেডের (ডিএমটিসিএল) ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শাওগাতুল আলম উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভৈরবে বাজারের নামকরণকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষের পর লুটপাট-অগ্নিসংযোগ, ৫০-৬০টি বাড়িঘর ক্ষতিগ্রস্ত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শাহিন আলম, ভৈরব (কিশোরগঞ্জ)

মঙ্গলবার, ২৮শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৭:১২ পি.এম


ভৈরবে বাজারের নামকরণকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষের পর লুটপাট-অগ্নিসংযোগ, ৫০-৬০টি বাড়িঘর ক্ষতিগ্রস্ত

কিশোরগঞ্জের ভৈরব উপজেলার কালিকাপ্রসাদ ইউনিয়নের আকবরনগর ও মিরারচর গ্রামের মধ্যে বাজারের নামকরণকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে দুইজন নিহত হওয়ার একদিন পর আকবরনগর গ্রামে বাড়িঘরে লুটপাট ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার সকালে শুরু থেকেই সকালে গ্রামের প্রায় ৫০ থেকে ৬০টি বাড়িতে লুটপাট ও অগ্নিসংযোগ করা হয়েছে, এ ব্যাপারে স্থানীয়রা অভিযোগ করেছেন।

স্থানীয়দের দাবি, সংঘর্ষের ঘটনায় মামলা ও গ্রেপ্তারের আশঙ্কায় সোমবারই আকবরনগর গ্রামের অধিকাংশ বাসিন্দা বাড়িঘর ছেড়ে নিরাপদ স্থানে চলে যান। এ সুযোগে জনশূন্য বাড়িগুলোতে হামলা চালিয়ে লুটপাট ও অগ্নিসংযোগ করা হয়।

ভৈরব থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) লিমন বোস জানান, সংঘর্ষে ক্ষতিগ্রস্ত কয়েকটি বাড়ির ধ্বংসস্তূপে অতিউৎসাহী কিছু ব্যক্তি আগুন দিচ্ছে—এমন খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

তবে দুইজন নিহতের ঘটনায় মামলা হয়েছে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে ওসি জানান, এখনো কোনো মামলা হয়নি। ময়নাতদন্ত শেষে নিহতদের মরদেহ এলাকায় নিয়ে আসা হয়েছে। বাদ আসর অনুষ্ঠিত জানাজা শেষে স্বজনরা আইনি প্রক্রিয়ায় যেতে পারেন।

এর আগে সোমবার সকাল থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত আকবরনগর ও মিরারচর গ্রামের শত শত মানুষ দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। এতে মিরারচর গ্রামের মাসুদ মিয়া ও হিরণ মিয়া নিহত হন। আহত হন অর্ধশতাধিক ব্যক্তি।

সংঘর্ষের খবর পেয়ে পুলিশ ও র‌্যাব ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করলেও শুরুতে ব্যর্থ হয়। পরে জেলা পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান শেলীর নেতৃত্বে রিজার্ভ পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছায় এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

সংঘর্ষের কারণে কয়েক ঘণ্টা ভৈরব–কিশোরগঞ্জ ও ভৈরব–ময়মনসিংহ আঞ্চলিক সড়কে যান চলাচল এবং ভৈরব–কিশোরগঞ্জ–ময়মনসিংহ রেলপথে ট্রেন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। এতে হাজারো যাত্রী দুর্ভোগে পড়েন এবং মহাসড়কে কয়েক কিলোমিটার দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কালিকাপ্রসাদ ইউনিয়নের আকবরনগর ও মিরারচর গ্রামের মাঝামাঝি অবস্থিত বাসস্ট্যান্ড বাজারটির নাম ‘আকবরনগর’ নাকি ‘মিরারচর’ হবে—এ নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে দুই গ্রামের মধ্যে বিরোধ চলে আসছে।

সর্বশেষ উত্তেজনা নিরসনে রোববার স্থানীয় সংসদ সদস্য ও পাট ও বস্ত্র প্রতিমন্ত্রী শরীফুল আলমের উপস্থিতিতে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে দুই পক্ষকে নিয়ে বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে তিন দিনের মধ্যে সমাধানের লক্ষ্যে ১০ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হলেও, পরদিন সোমবার সকালে সেই সিদ্ধান্ত উপেক্ষা করে উভয় পক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এতে দুইজন নিহত, অর্ধশতাধিক আহত এবং পরদিন লুটপাট ও অগ্নিসংযোগের নতুন ঘটনা পরিস্থিতিকে আরও উদ্বেগজনক করে তোলে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

স্বচ্ছ ও কার্যকর কার্বন মার্কেট গড়ে তুলতে সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন: পরিবেশমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২৮শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৭:১৪ পি.এম


স্বচ্ছ ও কার্যকর কার্বন মার্কেট গড়ে তুলতে সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন: পরিবেশমন্ত্রী

 পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু বলেছেন, দেশের জাতীয় স্বার্থ রক্ষা করে একটি স্বচ্ছ, জবাবদিহিমূলক ও কার্যকর কার্বন মার্কেট গড়ে তুলতে সংশ্লিষ্ট সকল মন্ত্রণালয়, বিভাগ এবং অন্যান্য অংশীজনকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।

আজ বাংলাদেশ সচিবালয়ে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে ‘বাংলাদেশ কার্বন মার্কেট ফ্রেমওয়ার্ক’-এর ওপর আয়োজিত আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায় তিনি এ কথা বলেন। সভায় সভাপতিত্ব করেন মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. ফাহমিদা খানম।

পরিবেশমন্ত্রী আরও বলেন, আন্তর্জাতিক কার্বন মার্কেট বাংলাদেশের জন্য জলবায়ু অর্থায়ন, প্রযুক্তি হস্তান্তর এবং পরিবেশবান্ধব বিনিয়োগের নতুন সুযোগ সৃষ্টি করতে পারে। তবে, এ মার্কেটের কার্যক্রমে পরিবেশগত অখণ্ডতা, স্বচ্ছতা এবং জবাবদিহি নিশ্চিত করার পাশাপাশি স্থানীয় জনগোষ্ঠীসহ সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের ন্যায্য সুবিধাপ্রাপ্তি নিশ্চিত করা অপরিহার্য।

তিনি উল্লেখ করেন, বাংলাদেশের জাতীয়ভাবে নির্ধারিত অবদান বা ন্যাশনাললি ডিটারমাইন্ড কন্ট্রিবিউশনস (এনডিসিএস) বাস্তবায়নে কার্বন মার্কেট একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। এজন্য গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণ হ্রাস ও অপসারণ কার্যক্রমের সঠিক হিসাব, যাচাই এবং আন্তর্জাতিক মান অনুসরণ করা অত্যন্ত জরুরি।

প্যারিস চুক্তির আওতায় আর্টিকেল সিক্স-এর ডেজিগনেটেড ন্যাশনাল অথরিবিটি হিসেবে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের সার্বিক তত্ত্বাবধানে এবং বিশ্বব্যাংকের পার্টনারশিপ ফর মার্কেট ইমপ্লিমেন্টাশন (পিএমআই) কর্মসূচির সহযোগিতায় ‘বাংলাদেশ কার্বন মার্কেট ফ্রেমওয়ার্ক’ খসড়া প্রণয়ন করা হয়েছে।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম বলেন, বেসরকারিভাবে বাংলাদেশ কার্বন ট্রেডিং সীমিত পর্যায়ে শুরু হলেও সরকারিভাবে আমরা এখনও শুরু করতে পারিনি। প্রধানমন্ত্রী নির্দেশনা দিয়েছেন যত দ্রুত সম্ভব এটা শুরু করতে।

তিনি আরও জানান, আগামী ডিসেম্বর-জানুয়ারি মাসে উপকূলীয় এলাকায় ২ কোটি বৃক্ষরোপণ করার পরিকল্পনা রয়েছে। এ সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে আমরা কাজ করছি, যাতে বাংলাদেশ কার্বন ক্রেডিট পেতে পারে।

প্রধানমন্ত্রীর পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক বিশেষ সহকারী ড. মো. সাইমুম পারভেজ বলেন, আমরা কার্বন মার্কেটে প্রবেশ করতে পারিনি। দ্রুততম সময়ে কীভাবে কার্বন মার্কেটে প্রবেশ করা যায়, সে বিষয়ে কাজ করতে সংশ্লিষ্ট সবাইকে পরামর্শ দেন।

সভায় পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম-সচিব ধরিত্রী কুমার সরকার ‘বাংলাদেশ কার্বন মার্কেট ফ্রেমওয়ার্ক’ এর খসড়ার ওপর উপস্থাপনা তুলে ধরেন।

অন্যান্যের মধ্যে সভায় পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মোহাম্মদ নাভিদ শফিউল্লাহসহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভৈরবে পুকুরে গোসল করতে গিয়ে পানিতে ডুবে দুই সহোদর একজনের মৃত্যু, অপরজন জীবিত উদ্ধার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শাহিন আলম, ভৈরব (কিশোরগঞ্জ)

মঙ্গলবার, ২৮শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৭:১৭ পি.এম


ভৈরবে পুকুরে গোসল করতে গিয়ে পানিতে ডুবে দুই সহোদর একজনের মৃত্যু, অপরজন জীবিত উদ্ধার

কিশোরগঞ্জের ভৈরব উপজেলার শিমুলকান্দি ইউনিয়নের রাজনগর গ্রামে, পুকুরে গোসল করতে গিয়ে এক শিশুর পানিতে ডুবে মৃত্যু হয়েছে। একই ঘটনায় তার বড় ভাইকে স্থানীয়রা জীবিত উদ্ধার করেছেন। মঙ্গলবার (২৮ জুলাই), দুপুর ১২টার সময় এই মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটে।

মৃত শিশু মুহাম্মদ আলভি সাইদ (৮) এবং জীবিত উদ্ধার হওয়া মুহাম্মদ আজমীর (১০) উভয়েই রাজনগর গ্রামের বাসিন্দা সবুজ মিয়ার ছেলে। তারা শিমুলকান্দি ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান বাচ্চু মিয়ার নাতি এবং স্থানীয় একটি মাদ্রাসার শিক্ষার্থী।

স্থানীয় ও পারিবারিক সূত্রে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, দুপুরের সময় দুই ভাই বাড়ির পাশের একটি পুকুরে গোসল করতে যায়। এ সময় একটি বল আনতে গিয়ে তারা দুইজনই পানিতে তলিয়ে যায়। বিষয়টি দেখতে পেয়ে স্থানীয়রা দ্রুত উদ্ধার অভিযান শুরু করেন। একপর্যায়ে আজমীরকে জীবিত উদ্ধার করা সক্ষম হলেও আলভি খুঁজে পাওয়া যায়নি। পরে, পুকুরে জাল ফেলে প্রায় দুই ঘণ্টা অনুসন্ধানের পর স্থানীয়দের সহায়তায় আলভিকে উদ্ধার করা হয় এবং ভৈরব উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

এই ঘটনার পর নিহত শিশুর পরিবারের আহাজারিতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে। স্থানীয় জনপ্রতিনিধি এবং এলাকাবাসী শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছেন। একই সঙ্গে, শিশুদের জলাশয়ের আশপাশে একা যেতে না দেওয়া এবং গোসল বা খেলাধুলার সময়ে অভিভাবকদের আরও সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫১
মাগরিব ০৫:২৮
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৮ সূর্যাস্ত : ০৫:২৮
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%