০৭:০৯ পি.এম
সাগরে সৃষ্ট নিম্নচাপের প্রভাব এখনও কাটেনি। এই কারণে ঝালকাঠির সুগন্ধা, বিষখালী এবং জেলার অন্যান্য নদ-নদীর পানি বর্তমানে বিপদসীমার উপরে প্রবাহিত হচ্ছে। বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট নিম্নচাপের জন্য ১ নম্বর সতর্কসংকেত বহাল রয়েছে, যার ফলস্বরূপ জোয়ারের পানি বৃদ্ধি পাওয়ার কারণে জেলার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়ে গেছে।
জোয়ারের পানি ঢুকছে এবং এতে রোপা আমনের বীজতলাসহ অন্যান্য ফসল পানির নিচে তলিয়ে যাচ্ছে। টানা বৃষ্টি এবং জোয়ারে কৃষিজমি প্লাবিত হওয়ায় কৃষকদের ব্যাপক ক্ষতির সম্মুখীন হতে হচ্ছে। গত রাত এবং সকালে দুই দফা জোয়ারে জেলার চার উপজেলার অন্তত ২০টি গ্রাম প্লাবিত হয়ে পড়েছে।
যদি জমিতে পানি দীর্ঘ সময় ধরে জমে থাকে, তাহলে রোপা আমন এবং আমনের বীজতলা পচে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। বাড়িঘরের উঠানে পানি সৃষ্টি হয়েছে। গ্রামের কাঁচা রাস্তা জলমগ্ন হয়ে যাওয়ায় সাধারণ মানুষ চরম দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন।
আরও পড়ুন: ‘মায়ের কোলে শিশুরা যেমন নিরাপদ, তেমনি এ সরকারের আমলে সব ধর্মের মানুষ নিরাপদ’ প্রতিমন্ত্রী আহাম্মেদ সোহেল মঞ্জুর এমপি
সুগন্ধা নদীর তীরে অবস্থিত শহর রক্ষাবাঁধের অভাবের কারণে কুতুবকাঠী, নতুন চর এবং কলাবাগার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়ে গেছে। বন্যার আতঙ্কে নদীতীরবর্তী বাসিন্দারা দিন কাটাচ্ছেন।
কৃষক দেনছের আলী জানাচ্ছেন, জোয়ারের পানিতে রোপা আমন, আমনের বীজতলা এবং বিভিন্ন লতাজাতীয় ফসল নিমজ্জিত হয়েছে। বারবার পানিতে তলিয়ে যাওয়ার ফলে আমনের বীজতলায় বহু ক্ষতি হয়েছে। পানি যদি দীর্ঘস্থায়ী হয় তাহলে কৃষকরা আরও বড় ক্ষতির আশঙ্কা করছেন।
কৃষি বিভাগের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সুগন্ধা এবং বিষখালী নদীর পানি স্বাভাবিকের তুলনায় কিছুটা বেড়ে গেছে। এতে জেলার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। তবে কৃষি বিভাগের দাবি, পানি নেমে গেলে কৃষিতে স্থায়ী ক্ষতি হওয়া সম্ভব নয়।
আরও পড়ুন: সিলেটের কানাইঘাটে যুবক শাহাব উদ্দিনকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন