বৃহস্পতিবার, ২০ই আগস্ট, ২০২৬ ইং
০৯:২৯ পি.এম
কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরীর কাচারী পয়রাডাঙ্গা বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ে পরিবেশবাদী সংগঠন অরণ্য-এর উদ্যোগে ‘সবুজ উৎসব-২০২৬’ দিনব্যাপী অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) সকালে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়, যেখানে ফিতা কেটে উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শুরু হয়।
উদ্বোধনের পাশাপাশি, কর্মসূচির অংশ হিসেবে সেখানে বিভিন্ন প্রজাতির ৫০টি গাছের চারা রোপণ করা হয়। এর পাশাপাশি, বিদ্যালয়ের ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের মধ্যে চার শতাধিক ফলজ ও ভেষজ গাছের চারা বিতরণ করা হয়।
অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে কুইজ প্রতিযোগিতা, সচেতনতামূলক পরিবেশ রক্ষা ক্যাম্পেইন, বৃক্ষ প্রদর্শনী ও বিশেষ অতিথিদের আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। পরে শিক্ষক ও অতিথিরা বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে বৃক্ষরোপণের কাজে অংশগ্রহণ করেন।
বক্তারা বলেন, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা, জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলা এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটা বাসযোগ্য পরিবেশ নিশ্চিত করতে বৃক্ষরোপণের বিকল্প নেই। একটি গাছ শুধু পরিবেশকে সবুজ করে না, বরং এটি জীববৈচিত্র্য রক্ষা, মাটি সংরক্ষণ ও বায়ুমণ্ডলের ভারসাম্য বজায় রাখতে সাহায্য করে। শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে বৃক্ষ রোপণের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে আলোচনা করা হয়।
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জনাব মোঃ আজিজুল ইসলাম মন্ডল উল্লেখ করেন, “একটি গাছ কেটে ফেললে তার পরিবর্তে অন্তত তিনটি গাছ রোপণ করতে হবে। তবেই পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা সম্ভব হবে এবং জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব থেকে মুক্ত থাকার সুযোগ থাকবে।”
গাছ পেয়ে শিক্ষার্থীরা আনন্দ প্রকাশ করে। তারা জানান, বিদ্যালয়ে এমন কর্মসূচির মাধ্যমে গাছের গুরুত্ব সম্পর্কে তাদের সচেতনতা বাড়ছে। পাশাপাশি নিজেদের বাড়ি ও আশপাশের এলাকায় গাছ লাগানো ও পরিচর্যা করার প্রতি আগ্রহও তৈরি হচ্ছে।
প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জনাব শ্রী নিখিল চন্দ্র বর্মন, একজন একাডেমিক সুপারভাইজার। বিশেষ অতিথি ছিলেন জনাব মোঃ তরিকুল ইসলাম, প্রভাষক, মধ্য কুমোরপুর গার্লস স্কুল এন্ড কলেজ, স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ফুলের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি জনাব মুহাম্মদ আব্দুল কাদের, অরণ্যের উপদেষ্টা জনাব মোঃ নুর আমিন, প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি জনাব মোঃ আব্দুস ছোবহান জুয়েল ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।
অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন আবু জোবায়েদ সাগর এবং সভাপতিত্ব করেন জনাব নুর মোহাম্মদ আল আমিন, অত্র বিদ্যালয়ের সভাপতি। আয়োজকেরা জানান, পরিবেশ রক্ষায় জনসচেতনতা সৃষ্টি এবং শিক্ষার্থীদের বৃক্ষরোপণে উৎসাহিত করাই এ আয়োজনের মূল লক্ষ্য। শিক্ষার্থীদের সম্পৃক্ত করে আয়োজিত এ কর্মসূচি এলাকায় পরিবেশবান্ধব উদ্যোগের একটি অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রংপুরে অবৈধভাবে লাভবান হওয়ার উদ্দেশ্যে কালোবাজারির মাধ্যমে টিসিবির পণ্য মজুদ রাখার মামলায় মো. আলী হাসান মুন্না (৩৫) নামে এক ব্যবসায়ীকে ১৪ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। একই সাথে তাকে দশ হাজার টাকা অর্থদণ্ডও গুণতে হবে। এটি না দেয়ায় তাকে আরও চার মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে।
বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট ২০২৬) রংপুর মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. মশিউর রহমান খান এ রায় ঘোষণা করেন। দণ্ডপ্রাপ্ত মো. আলী হাসান মুন্না রংপুর মহানগরীর কোতয়ালী থানার আলমনগর কলোনির বাসিন্দা। তিনি মরহুম এখলাক হাজীর পুত্র।
আদালত সূত্রে জানানো হয়, কোতয়ালী থানার মামলা নম্বর-৬৩, তারিখ ২৫ ডিসেম্বর ২০২০ এবং জিআর নম্বর-৭২৩/২০ (কোতয়ালী) মামলাটি পরবর্তীতে বিশেষ ট্রাইব্যুনাল মামলা নম্বর-১০৩/২৫ হিসেবে বিচারাধীন ছিল। মামলায় ১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইনের ২৫(১) ধারায় আলী হাসান মুন্নার বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়।
এ মামলার অভিযোগে বলা হয়, কালোবাজারির মাধ্যমে টিসিবির পণ্য মজুদ করার অপরাধে আলী হাসান মুন্নার কাছ থেকে ৪০০ কেজি চিনি, ৫৪ লিটার সয়াবিন তেল এবং ২৮৮ কেজি পেঁয়াজ উদ্ধার করা হয়। এর বিরুদ্ধে কোতয়ালী থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছিল।
মামলার দীর্ঘ বিচারিক কার্যক্রম শেষে রাষ্ট্রপক্ষের প্রসিকিউশনের আইনজীবী মো. আব্দুল হাদী বেলালের উপস্থাপিত সাক্ষ্য-প্রমাণ পর্যালোচনা করে আদালত সিদ্ধান্ত নেয় যে, আসামির বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়েছে।
এরপর আদালত আলী হাসান মুন্নাকে ১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইনের ২৫(১) ধারার অধীনে দোষী সাব্যস্ত করে ১৪ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ঘোষণা করে এবং ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেয়। অর্থদণ্ডের ক্ষেত্রে অনাদায়ে তাকে আরও চার মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে বলে রায়ে উল্লেখ করা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বিরলে জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের ৪৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালন করা হয়েছে। এই বিশেষ উপলক্ষে বৃক্ষরোপণ এবং পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়।
বৃহস্পতিবার বিকালে বিরল কেন্দ্রীয় শহিদ মিনার চত্বরে উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দল এবং পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের যৌথ আয়োজনে কর্মসূচিটি অনুষ্ঠিত হয়। কর্মসূচিতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সভাপতি বাবুল হোসেন, পৌর বিএনপির সভাপতি (ভারপ্রাপ্ত) আসাদুল হক হীরা, সাধারণ সম্পাদক নুজ্জামাল হোসেন সোনাহার, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের (আহবায়ক) ভারপ্রাপ্ত আসাদুল ইসলাম, পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক মমিনুল ইসলাম, সদস্য সচিব আবুল কালাম আজাদ, যুগ্ম আহ্বায়ক শাহিনুর ইসলামসহ দলের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
নেতৃবৃন্দ কেন্দ্রীয় শহিদ মিনার পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতার কাজ শেষে শহিদ মিনার চত্বরে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর নিজেদের দলের নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের মোট ভোটের চেয়ে ১১টি ভোট বেশি পেয়েছেন। বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে তিনি মোট ২৫৫ ভোট পেয়েছেন। বিএনপির নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের মধ্যে ২০৮ জন মির্জা ফখরুলকে ভোট দিয়েছেন। দলটির সংরক্ষিত নারী সংসদ সদস্যদের মধ্যে ভোট দিয়েছেন ৩৬ জন। এ হিসাবে বিএনপির নিজস্ব ভোট পড়েছে ২৪৪টি। এর বাইরে জোটসঙ্গীদের কাছ থেকে মির্জা ফখরুল পেয়েছেন তিনটি ভোট। স্বতন্ত্র সংসদ সদস্যদের কাছ থেকে পেয়েছেন সাতটি ভোট। এছাড়া ‘হাতপাখা’ প্রতীকে নির্বাচিত একজন সংসদ সদস্যও তাকে ভোট দিয়েছেন। অর্থাৎ বিএনপির নিজস্ব ২৪৪ ভোটের সঙ্গে জোটসঙ্গীদের তিন, স্বতন্ত্র সংসদ সদস্যদের সাত এবং হাতপাখা প্রতীকে নির্বাচিত একজনের এক ভোট যোগ হয়ে মির্জা ফখরুলের মোট ভোট দাঁড়িয়েছে ২৫৫টিতে। অন্যদিকে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে মির্জা ফখরুলের প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী কর্নেল (অব.) অলি আহমদ বীর বিক্রম পেয়েছেন ৮৮ ভোট।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জামালপুরে আলোচিত চাচা-ভাতিজা জোড়া খুন মামলায় সাত জনকে মৃত্যুদণ্ড এবং সাত জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে, একই সাথে অর্থদণ্ডও দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) দুপুরে জামালপুর অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালত-১ এর বিচারক মোহাম্মদ নেজাম উদ্দীন এই রায় ঘোষণা করেন। এই জনাকীর্ণ হত্যা মামলার রায় দশ বছর পর ঘোষণা হওয়ায় বাদীপক্ষ সন্তোষ প্রকাশ করেছে।
রায়ে মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্তদের মধ্যে রয়েছেন মাদারগঞ্জ উপজেলার আদারভিটা ইউনিয়নের গজারিয়া এলাকার মৃত আব্দুল মজিদের ছেলে সাখাওয়াত (৩২), তহিজলের ছেলে মো: সোহেল (৩০), আছর শেখের ছেলে আল আমিন (৩০), মৃত ভোলা শেখের ছেলে সাদ্দাম (৩০), কামালের ছেলে উজ্জল (৩০), সোজা মিয়ার ছেলে অন্তর (৩০) এবং শহিদুলের ছেলে ফয়জুর (৩২)। অপরদিকে যাবজ্জীবন প্রাপ্ত আসামীরা হলেন মাদারগঞ্জ উপজেলার একই এলাকার মৃত গিয়াস উদ্দিনের ছেলে চাঁন মিয়া (৫০), আছর শেখের ছেলে মো: জিয়ার (৪৫), ভোলার ছেলে শাহ আলম (৪১), রফিকুল ইসলামের ছেলে কাওসার (২৯), তারা মিয়ার ছেলে রিফাত (৩১), আব্বাস আলীর ছেলে সুমন (৩১) এবং মৃত নাটু শেখের ছেলে মোস্তফা (৪৯)।
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী দিদারুল ইসলাম দিদার জানিয়েছেন, ২০১৬ সালে মাদারগঞ্জ উপজেলার আদারভিটা ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগ সমর্থিত চেয়ারম্যান প্রার্থী আলতাফুর রহমান আতা ও বিদ্রোহী প্রার্থী ইছাহাকের সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ ঘটে। ওই সংঘর্ষের ঘটনায় দায়ের করা মামলায় ইছাহাকের সমর্থক মোস্তফাকে গ্রেপ্তার করতে পুলিশ ১০ এপ্রিল গজারিয়া গ্রামে যায়। জানা যায়, মোস্তফার বাড়ি চিনতে না পেরে পুলিশ প্রতিবেশী মহর আলী ও তার ভাতিজা স্বপন মিয়ার কাছ থেকে তথ্য সংগ্রহ করে। তাদের দেখানো তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ মোস্তফাকে গ্রেপ্তার করে। পরে জামিনে মুক্ত হয়ে প্রতিশোধ নিতে মোহর আলী ও স্বপন মিয়াকে হত্যার পরিকল্পনা করে। ২০১৬ সালের ১৬ মে রাতে গান-বাজনার কথা বলে মোস্তফার সহযোগী সাখাওয়াত ও সোহেল মহর আলী ও স্বপন মিয়াকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যায়। এরপর আরেক সহযোগী সাদ্দামের কথিত প্রেমিকাকে তুলে আনার নামে তাদের জোড়খালী ইউনিয়নের কুকুরমারী এলাকার ভানু ফকিরের পাটখেতে নিয়ে যায়। সেখানে মোস্তফার লোকজন ধারালো অস্ত্র দিয়ে মহর আলী ও স্বপন মিয়াকে হত্যা করে। ঘটনার তিন দিন পর পুলিশ পাটখেত থেকে দুজনের ক্ষতবিক্ষত মরদেহ উদ্ধার করে। নিহত মহর আলী (১৯) গজারিয়া এলাকার আব্দুস সালাম দফদারের ছেলে এবং স্থানীয় মির্জা আজম কলেজের দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল। ভাতিজা স্বপন মিয়া (১৬) একই এলাকার জাহাঙ্গীর আলমের ছেলে এবং সানাইবান্দা ইসলামিয়া দাখিল মাদরাসার দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল।
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী দিদারুল ইসলাম দিদার আরও জানিয়েছেন, এই ঘটনায় স্বপনের বাবা জাহাঙ্গীর আলম বাদী হয়ে ২২ জনকে আসামী করে মাদারগঞ্জ মডেল থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। তদন্ত শেষে পুলিশ ১৪ জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে। ঘটনার সাথে সংশ্লিষ্টতা না পাওয়ায় বাকী আসামীদের অব্যাহতি দেওয়ার সুপারিশ করা হয়। মামলায় ৪২ জনের মধ্যে ১৮ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ করে আদালত। বিচার প্রক্রিয়া শেষে দীর্ঘ দশ বছর পর আজ রায় ঘোষণা করেন অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালত-১ এর বিচারক মোহাম্মদ নেজাম উদ্দীন। রায়ে সাত জন আসামীকে মৃত্যুদণ্ড ও প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়েছে। অপর সাত আসামীকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও প্রত্যেককে ২০ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়েছে। রায়ে বাদীপক্ষ সন্তোষ প্রকাশ করেছে।
মামলার বাদী জাহাঙ্গীর আলম বলেছেন, আদালত যে রায় দিয়েছে তাতে আমি খুশি। আমি সরকারের কাছে আবেদন জানাচ্ছি যেন সরকার দ্রত এই রায় কার্যকর করে।
মামলায় আসামী পক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট আমান উল্লাহ আকাশ, নওয়াব আলী ও নজরুল ইসলাম। চাঞ্চল্যকর এই মামলার রায় ঘোষণার তারিখ দুইবার পিছানো হয়েছিল। রায় ঘোষণাকে কেন্দ্র করে আদালতে বাড়তি নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেয়া হয়েছিল।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ