মোঃ জিয়াউর রহমান ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি
০৬:২৫ পি.এম
সবুজ দেশের সুস্থ বাতাস লাগুক সবার প্রাণে, এই স্লোগানকে সামনে রেখে ইসলামি ছাত্রশিবির সারাদেশে বৃক্ষ রোপণ অভিযান পালন করে আসছে।
এরই ধারাবাহিকতায় ঠাকুরগাঁও জেলার শ্রেষ্ঠ বিদ্যাপিঠ ঠাকুরগাঁও সরকারি কলেজে, বাংলাদেশ ইসলামি ছাত্রশিবির ঠাকুরগাঁও সরকারি কলেজ শাখা বৃক্ষ রোপণ কর্মসূচি পালন করেছে।
এসময় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঠাকুরগাঁও উন্নয়ন ফোরামের চেয়ারম্যান ও ইসলামি ছাত্রশিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি জননেতা জনাব দেলওয়ার হোসেন।
এছাড়াও ইসলামি ছাত্রশিবির ঠাকুরগাঁও শহর শাখা ও কলেজ শাখার নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
এটি উল্লেখ করা প্রয়োজন যে, এসময় প্রায় শতাধিক বৃক্ষ রোপণ ও বিতরণ করা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র এবং ড্রোন হামলায় উপসাগরীয় অঞ্চলে ক্ষতিগ্রস্ত মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলোকে ইসরায়েলে সরিয়ে নেওয়ার বিষয়টি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র চিন্তাভাবনা করছে।
সম্প্রতি মার্কিন সংবাদমাধ্যম ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের একটি প্রতিবেদনে এই দাবি করা হয়েছে। প্রতিবেদনে উল্লেখিত মতে, বাহরাইনে অবস্থিত কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ মার্কিন নৌঘাঁটি সংস্কারের পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে ওয়াশিংটন। একই সাথে, কুয়েত ও সৌদি আরবে মার্কিন সামরিক উপস্থিতি কমিয়ে আনার উদ্যোগ নেওয়া হতে পারে।
ওয়াল স্ট্রিট জার্নালকে মার্কিন প্রশাসনের দুই কর্মকর্তা জানান, ওয়াশিংটন চাইলে এই অঞ্চলের কিছু সামরিক ঘাঁটি ইসরায়েলে স্থানান্তরিত করতে পারে। বিগত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র এবং ইসরায়েল যৌথ সামরিক অভিযানে নেমেছে। এরপর থেকে ইরান মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটিগুলোতে পাল্টা হামলা চালিয়েছে। এর মধ্যে বাহরাইনে অবস্থিত পঞ্চম মার্কিন নৌবহরের সদর দপ্তর বারবার হামলার শিকার হয়েছে।
ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল জানাচ্ছে, এই হামলায় মার্কিন কমান্ড সদর দপ্তরসহ অন্তত ডজনখানেক স্থাপনা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তবে, পেন্টাগন, যা মার্কিন প্রতিরক্ষা সদর দপ্তর, এ ব্যাপারে এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে ক্ষয়ক্ষতির সঠিক হিসাব প্রকাশ করেনি।
এদিকে এই যুদ্ধ নিয়ে মার্কিন নাগরিকদের মধ্যে ব্যাপক পরিবর্তন লক্ষ্য করা গেছে। সম্প্রতি ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে যুদ্ধ বন্ধের জন্য একটি চুক্তি সই হয়েছে। এই চুক্তি 'ইসলামাবাদ সমঝোতা স্মারক' (এমওইউ) নামে পরিচিত। এই সমঝোতার ভিত্তিতে যুদ্ধের শর্তাবলীর আলোচনা করার জন্য ৬০ দিন যুদ্ধবিরতি কার্যকর থাকবে।
এ সমঝোতার পর কুইনিপিয়াক বিশ্ববিদ্যালয়ের দেশব্যাপী পরিচালিত এক জনমত জরিপ বলছে, ৬০ শতাংশ মার্কিন ভোটার মনে করেন, ইরানের বিরুদ্ধে মার্কিন সামরিক পদক্ষেপ লাভজনক হয়নি। উল্লেখ্য, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ইরানে যৌথভাবে সামরিক অভিযান শুরু করে। এর মূল লক্ষ্য ছিল ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি এবং সামরিক অবকাঠামো সম্পূর্ণরূপে ধ্বংস করা।
তবে, কুইনিপিয়াকের জরিপে দেখা যাচ্ছে, চলমান যুদ্ধবিরতি চুক্তির ফলে লক্ষ্য অর্জনে যুক্তরাষ্ট্রের সক্ষমতা নিয়ে জনগণের মনে সংশয় দেখা দিয়েছে। জরিপে অংশ নেওয়া ৬১ শতাংশ মানুষ বিশ্বাস করেন, এই চুক্তির পরও ইরান পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করতে পারে। এ ইস্যুতে ডেমোক্র্যাট এবং রিপাবলিকানদের মধ্যে বড় কোনো মতভেদ নেই। উভয় দলের অধিকাংশ সমর্থক মনে করেন, ইরান এখনও পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করতে সক্ষম।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজশাহীতে আবাসন খাতে অতিরিক্ত কর ও ট্যাক্স না কমালে এই খাতের সাথে জড়িত প্রায় অর্ধলক্ষ মানুষের কর্মসংস্থান হারানোর শঙ্কা প্রকাশ করেছেন রাজশাহীর রিয়েল এস্টেট ব্যবসায়ীদের সংগঠন ‘রিয়েল এস্টেট অ্যান্ড ডেভেলপার্স অ্যাসোসিয়েশন’ (রেডা)-এর নেতারা। তারা জানিয়েছেন, সরকারের নতুন করনীতি ও ১৫ শতাংশ ক্যাপিটাল গেইন ট্যাক্স আদায়ের সিদ্ধান্ত এই খাতকে সম্পূর্ণ বিপর্যস্ত করে তুলবে।
শনিবার দুপুরে রাজশাহী নগরীর গ্র্যান্ড রিভারভিউ হোটেলে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে রেডার নেতৃবৃন্দ এসব কথা জানান। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন রিয়েল এস্টেট অ্যান্ড ডেভেলপার্স অ্যাসোসিয়েশন (রেডা)-এর সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান কাজী। তিনি লিখিত বক্তব্যে বলেছেন, জমির মালিককে সাইনিং মানি, উত্তরাধিকার সূত্রে প্রাপ্তি এবং পরবর্তীতে বিক্রির প্রতিটি ধাপে ১৫ শতাংশ ট্যাক্স দিতে হবে। এর ফলে জমির মালিকরা ডেভেলপারদের কাছে জমি দিতে অস্বীকৃতি জানাচ্ছেন।
নির্মাণ ব্যয়ের ঊর্ধ্বগতির কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, নতুন শুল্ক ও বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধির কারণে প্রতি টন রড উৎপাদনে খরচ প্রায় ১২ হাজার টাকা পর্যন্ত বৃদ্ধি পেয়েছে। এর ফলে আবাসন উদ্যোক্তাদের নির্মাণ ব্যয় প্রতি বর্গফুটে প্রায় দেড় হাজার থেকে দুই হাজার টাকা পর্যন্ত বেড়ে গেছে। বর্তমানে ব্যাংক ঋণের সুদের হার ১৪ থেকে ১৬ শতাংশ, যা সাধারণ ক্রেতা ও উদ্যোক্তাদের জন্য অত্যন্ত ব্যয়বহুল বলেও জানান তিনি। সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, আবাসন খাতের সাথে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে ২৬৯টি লিংকেজ বা সহযোগী শিল্প জড়িত। আবাসন খাত থমকে গেলে এই গোটা শিল্পখাতেই বিপর্যয়ের সৃষ্টি হবে।
নেতৃবৃন্দ আরও জানান, আবাসন খাত থেকে সরকার প্রতি বছর প্রায় ৩০ হাজার কোটি টাকার বেশি রাজস্ব পেয়ে থাকে। বর্তমানে সারা দেশে এ খাতে প্রায় ৫০ লাখ মানুষ প্রত্যক্ষভাবে জীবিকা নির্বাহ করছেন। এই খাতে স্থবিরতা দেখা দিলে বিপুল সংখ্যক মানুষ কর্মসংস্থান হারিয়ে চরম বিপাকে পড়বেন। তাই এই শিল্প ও কর্মসংস্থান বাঁচাতে অবিলম্বে অতিরিক্ত কর ও ভ্যাটের হার কমিয়ে সহনীয় পর্যায়ে আনার জোর দাবি জানান তারা।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন তৌফিকুর রহমান লাভলু সভাপতি, অ্যাডভোকেট এরশাদ আলী ঈসা, সিনিয়র সহ-সভাপতি, মোঃ কবির হোসেন-সহ-সভাপতি, মোঃ মেজবাউল বারী সওদাগর-সাংগঠনিক সম্পাদক, এম. এম. শিহাব পারভেজ-অর্থ সম্পাদক, মোঃ উজ্জ্বল কবির-পরিকল্পনা ও তথ্য সম্পাদক, মোঃ শফিকুল ইসলাম-দপ্তর সম্পাদক, মোঃ মাকসুদুল ইসলাম সুমন-সমাজকল্যাণ ও ক্রীড়া সম্পাদক, মোঃ আখতারুল হুদা রুমেল- প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক, বি. এম. আকিবুর রহমান- পরিচালনা পর্ষদের সদস্য, মোঃ শামীমুল ইসলাম মুন-সদস্য, মোঃ আব্দুস সোবহান-সদস্য প্রমুখ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
খুলনার কয়রা উপজেলার সুন্দরবনে 'দুলাভাই বাহিনী'র সঙ্গে টানা দুই দিনব্যাপী বন্দুকযুদ্ধের ঘটনায় বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড আনুষ্ঠানিকভাবে বিস্তারিত তথ্য জানিয়েছে।
বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড জানিয়েছে, অভিযানে দুলাভাই বাহিনীর প্রধান রবিউল ইসলামসহ দুই ডাকাতকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় আটক করা হয়েছে। এ সময় বাহিনীর সদস্য শওকত সরদার নিহত হয়েছেন। এছাড়া বিপুল পরিমাণ অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার করা হয়েছে।
শনিবার (২৭ জুন) দুপুরে কোস্ট গার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বর্তমান সরকারের নির্দেশনায় সুন্দরবনে সক্রিয় বনদস্যু বাহিনী নির্মূল করতে এবং বনজীবী, জেলে ও উপকূলীয় জনগোষ্ঠীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য ‘অপারেশন ম্যানগ্রোভ শিল্ড’-এর আওতায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। এর অংশ হিসেবে গত ২৫ জুন বিকেল ৫টা থেকে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড বেইস মোংলা, স্টেশন কয়রা ও স্টেশন নলিয়ান যৌথভাবে বনপাড়া সংলগ্ন সুন্দরবনের গহীনে দুই দিনব্যাপী অভিযান চালায়।
কোস্টগার্ড জানায়, অভিযানের সময় দস্যুদের বহনকারী দুটি বোট শনাক্ত করে থামার সংকেত দেওয়া হলে তারা অতর্কিত গুলি চালায়। আত্মরক্ষার্থে কোস্ট গার্ডও পাল্টা গুলি চালালে উভয় পক্ষের মধ্যে তীব্র বন্দুকযুদ্ধ শুরু হয়। একপর্যায়ে ডাকাতদের একটি বোটে আগুন ধরে যায় এবং অপরটি ডুবে যায়। অভিযানে কোস্ট গার্ড ১ রাউন্ড ব্ল্যাঙ্ক কার্টিজ ও ২১৬ রাউন্ড তাজা গুলি ছোড়ে।
বন্দুকযুদ্ধ শেষে ঘটনাস্থল তল্লাশি করে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় বাহিনীর প্রধান রবিউল ইসলাম ও শওকত সরদারকে উদ্ধার করা হয়। তাদের কয়রা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে চিকিৎসক শওকত সরদারকে মৃত ঘোষণা করেন। রবিউল ইসলামকে উন্নত চিকিৎসার জন্য খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।
এদিকে, পালিয়ে যাওয়া দস্যুদের আটকে কোস্ট গার্ড ও বাংলাদেশ পুলিশের যৌথ অভিযান অব্যাহত রয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় মঠবাড়িয়া পুলিশ ফাঁড়ি এলাকায় স্থানীয় জনগণের সহায়তায় দস্যু ইসরাফিল হাওলাদারকে হাতের আঙুলে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় আটক করা হয়। তাকেও চিকিৎসার জন্য কয়রা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।
অভিযানে আরশিবসা নদীর বেসুখাল এলাকা থেকে ৬টি একনলা বন্দুক, ৬৯ রাউন্ড তাজা কার্তুজ, ৩ রাউন্ড ফাঁকা কার্তুজ, একটি দেশীয় অস্ত্র, একটি মোবাইল ফোন এবং একটি হাতঘড়ি উদ্ধার করা হয়েছে।
কোস্ট গার্ড জানায়, আটক রবিউল ইসলাম (৫০) ও নিহত শওকত সরদার (৫৫) খুলনার কয়রা উপজেলার এবং আটক ইসরাফিল হাওলাদার (২৬) সাতক্ষীরার আশাশুনি উপজেলার বাসিন্দা। আটক দুই ডাকাত, উদ্ধার হওয়া অস্ত্র-গোলাবারুদ এবং নিহত শওকত সরদারের মরদেহ পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য কয়রা থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, সুন্দরবনকে সম্পূর্ণ দস্যুমুক্ত করতে ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। স্থানীয় জনগণের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে কোস্টগার্ডকে সহযোগিতা করতে এবং তথ্যদাতার পরিচয় গোপন রাখা হবে বলেও জানিয়েছে বাহিনী।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মৌলভীবাজার জেলায় বাংলাদেশ পুলিশের ক্যাডেট এএসআই নিয়োগ পরীক্ষা জুন-২০২৬ এর কার্যক্রম আজ শনিবার ২৭ জুন শুরু হয়েছে। সকালে ৮ ঘটিকায় মৌলভীবাজার পুলিশ লাইন্স মাঠে নিয়োগ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন নিয়োগ বোর্ডের সভাপতি ও মৌলভীবাজার জেলার পুলিশ সুপার জনাব মোঃ মনিরুল ইসলাম। প্রথম দিনে অনলাইনে আবেদনকারী প্রার্থীদের শারীরিক মাপ গ্রহণ এবং প্রয়োজনীয় কাগজপত্র যাচাই-বাছাই করা হয়।
নিয়োগ বোর্ডের সভাপতি ও মৌলভীবাজার জেলার পুলিশ সুপারের দক্ষ তত্ত্বাবধানে প্রথম দিনের কার্যক্রমটি স্বচ্ছ, সুষ্ঠু ও সুশৃঙ্খল পরিবেশে সম্পন্ন হয়। কার্যক্রম শেষে পুলিশ সুপার উত্তীর্ণ প্রার্থীদের উদ্দেশ্যে পরদিন অনুষ্ঠিতব্য মাঠ পরীক্ষার প্রস্তুতি ও করণীয় বিষয়ে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেন। আগামীকাল ২৮ জুন ২০২৬ খ্রি. সকাল ৮টা থেকে নিয়োগ প্রক্রিয়ার দ্বিতীয় দিনের কার্যক্রমে শারীরিক সক্ষমতা যাচাইয়ের পদ্ধতি অনুষ্ঠিত হবে।
এসময় উপস্থিত ছিলেন তানভীর আহমদ, এআইজি, পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স; নিয়োগ বোর্ডের সদস্য রাকিবুল হাসান রাসেল, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, সুনামগঞ্জ এবং মোঃ রাসেলুর রহমান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, সিলেট।
আরও উপস্থিত ছিলেন জনাব আসিফ মহিউদ্দীন, পিপিএম; অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ), নোবেল চাকমা, পিপিএম; অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস), আবুল খয়ের, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মোঃ ওয়াহিদুজ্জামান রাজু, সহকারী পুলিশ সুপার (শ্রীমঙ্গল সার্কেল), মৌলভীবাজার; ডা. শুভ্র তুষার সিংহ, মেডিকেল অফিসার, মৌলভীবাজারসহ বিভিন্ন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাবৃন্দ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ