০৯:৪৬ এম
ইরান ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার চলমান সামরিক সংঘাতে মার্কিন বাহিনীর ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ বেড়েছে। চলতি মাসের জুলাইয়ের শুরুতে আরব সাগরে ঘটে যাওয়া এক হেলিকপ্টার দুর্ঘটনায় নৌবাহিনীর এক পাইলটের মৃত্যু হওয়ায় এই সংঘাতে মার্কিন মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৪ জনে।
এ ছাড়া সংঘাতের শুরু থেকে এ পর্যন্ত আহত মার্কিন সেনার সংখ্যা ৪০০ ছাড়িয়ে গেছে।
মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ডের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গত ১ জুলাই আরব সাগরে একটি হেলিকপ্টার দুর্ঘটনার শিকার হয়। নৌবাহিনী প্রাথমিকভাবে এটিকে একটি জরুরি অবতরণ হিসেবে উল্লেখ করেছে। পেন্টাগন জানিয়েছে, এই দুর্ঘটনার পেছনে শত্রুপক্ষের কোনো হামলা বা কার্যকলাপের ইঙ্গিত পাওয়া যায়নি।
আরও পড়ুন: সাদেক হোসেন খোকার সপ্তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ, স্মরণে নানা আয়োজন
দুর্ঘটনার পরপরই হেলিকপ্টারে থাকা অপর তিন ক্রু সদস্যকে জীবিত উদ্ধার করা সম্ভব হলেও নৌবাহিনীর ওই পাইলট প্রাণ হারান। এ ছাড়া চলতি বছরের মার্চে যুদ্ধের শুরুতে পৃথক কয়েকটি হামলায় ১৩ জন মার্কিন সেনা নিহত হয়েছিলেন। এর আগে তিনটি পৃথক ঘটনায় ১৩ মার্কিন সেনার মৃত্যু হয়েছিল।
কুয়েতের একটি মার্কিন কমান্ড সেন্টারে ইরানের ড্রোন হামলায় ছয়জন সৈন্য নিহত হন।
ইরানের বিরুদ্ধে মার্কিন সামরিক অভিযানে সহায়তাকারী একটি কেসি-১৩৫ ফুয়েল ট্যাংকার (জ্বালানি সরবরাহকারী) ইরাকে বিধ্বস্ত হয়ে আরো ছয় সেনা সদস্য নিহত হন। সোমবার (১৩ জুলাই) পর্যন্ত এই সংঘাতের কারণে মোট আহত মার্কিন সেনার সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৪১৪ জনে। মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ডের মুখপাত্র ক্যাপ্টেন টিম হকিন্স জানিয়েছেন, আহতদের একটি বড় অংশই মাথায় বা মস্তিষ্কে গুরুতর আঘাত পেয়েছেন।
স্কেপণাস্ত্র হামলা ও শক্তিশালী বিস্ফোরণের কারণে সৈন্যরা দীর্ঘমেয়াদী ব্রেইন ইনজুরির শিকার হচ্ছেন, যা মার্কিন বাহিনীর ভেতর একটি বড় উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। তবে সেন্ট্রাল কমান্ডের অপর মুখপাত্র মেজর এমা থম্পসন জানিয়েছেন, আহত সৈন্যদের প্রায় সকলেই চিকিৎসা শেষে পুনরায় কাজে ফিরেছেন।
আরও পড়ুন: বাংলাদেশি পর্যটকদের আগমনে কলকাতার হাসপাতাল ও পর্যটন ব্যবসায় ধস
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন