১২:০৬ এম
সুনামগঞ্জের গুচ্ছগ্রামে, সেপটিক ট্যাংকে নিখোঁজ থাকা ১১ মাসের একটি শিশুর মরদেহ উদ্ধারের ঘটনা ঘটার মাত্র ৫ দিন পর আবারও একই গ্রামে আরেক শিশুর রহস্যজনক মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে।
রোববার (২ আগস্ট) সন্ধ্যা সময় সদর উপজেলার গৌরারং ইউনিয়নের লালপুর গুচ্ছগ্রামের নিজ বাড়ির পার্শ্ববর্তী ডোবা থেকে উদ্ধার করা হয় ওই শিশুকে। শিশুটিকে উদ্ধার করে সদর হাসপাতালে নেওয়ার পথে মৃত্যু ঘটে।
নিহত শিশুর পরিচয় জানা গেছে, শিশুটির নাম সাইমন (৮ মাস), সে গুচ্ছগ্রামের খোকন মিয়ার ছেলে।
আরও পড়ুন: ‘বসন্তের কোকিল’ হিসেবে পরিচিত কাজী জাহিদ অভি? পূজামণ্ডপে অনুদান, ক্যানসার আক্রান্ত হাফেজকে সহায়তা নিয়ে প্রশ্ন
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, শিশুর মা তরকারি গরম করতে রান্নাঘরে গিয়েছিলেন, তখন সাইমনকে বিছানায় রেখে যান। কিছুক্ষণ পর যখন তিনি ঘরে ফিরে আসেন, তখন দেখেন তার ছেলে বিছানায় নেই। এরপর খোঁজাখোঁজির এক পর্যায়ে বাড়ির পেছনে ডোবার পানিতে শিশুটিকে পাওয়া যায়। পরিবারের লোকজন সাইমনকে সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে জরুরি বিভাগের চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
সুনামগঞ্জ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রতন শেখ জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে শিশুটি হামাগুড়ি দিয়ে পানিতে পড়ে গিয়েছিল। এ ঘটনার পর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছে। তবে পরিবারের লোকজন শিশুটির লাশ বাড়িতে নিয়ে গেছে। ময়নাতদন্ত করার জন্য পরিবারকে বলা হয়েছে শিশুর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানতে। যদি পরিবার রাজি হয়, তবে ময়নাতদন্ত করা হবে।
এছাড়া উল্লেখযোগ্য, গত ২৭ জুলাই লালপুর গ্রামে সেপটিক ট্যাংকের ভেতর থেকে নিখোঁজ থাকা ১১ মাসের অপর শিশুর মরদেহ উদ্ধারের ঘটনাও ঘটে। নিহত শিশুটির নাম আমির হামজা, সে লালপুর গুচ্ছগ্রামের সাব্বির হোসেনের ছেলে।
এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে পুলিশ আব্দুল জব্বারের ছেলে জাহাঙ্গীর আলম (৩৭), জাহাঙ্গীর আলমের স্ত্রী আফিয়া বেগম (৩৫), মৃত নুর মিয়ার ছেলে মণির হোসেন (৩০) এবং মণির হোসেনের মা রাবেয়া বেগম (৫৫)কে গ্রেপ্তার করেছে। তাদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশের পক্ষ থেকে আদালতে রিমান্ডের আবেদন করা হয়েছে।
আরও পড়ুন: স্বাধীনতার পরও পাকা হয়নি সড়ক, দুর্ভোগে পাঁচ গ্রামের মানুষ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন