ঢাকা সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

দখলদারদের হামলায় এলোপাথাড়ি কোপের শিকার ৫ বনকর্মী


দখলদারদের হামলায় এলোপাথাড়ি কোপের শিকার ৫ বনকর্মী

কক্সবাজারের রামু উপজেলার পানেরছড়া রেঞ্জের সংরক্ষিত বনভূমিতে অবৈধভাবে গড়ে তোলা পানের বরজ উচ্ছেদে পরিচালিত অভিযানে সংঘবদ্ধ সন্ত্রাসী হামলার ঘটনার ফলে পাঁচজন বনকর্মী গুরুতর জখম হয়েছেন। এই ঘটনার জন্য গভীর উদ্বেগ ও তীব্র নিন্দা প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ ফরেস্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিএফএ)।

সোমবার (২৭ জুলাই) সকালে কক্সবাজার দক্ষিণ বন বিভাগের পানেরছড়া রেঞ্জে উচ্ছেদ অভিযান চলাকালীন এই হামলা ঘটে।

আহতদের মধ্যে রয়েছেন— পানেরছড়া রেঞ্জের ফরেস্ট রেঞ্জার ও রেঞ্জ কর্মকর্তা শরিফুল আলম, ফরেস্ট গার্ড হুমায়ুন কবির, বাগান মালি সাইদুল ইসলাম, মো. সাজিদ এবং ইআরটি সদস্য মিজানুর রহমান।

আরও পড়ুন: প্রধানমন্ত্রী রংপুর, রাজশাহী ও চট্টগ্রামে পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে যাচ্ছেন

বিএফএ জানায়, আহতদের মধ্যে তিনজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক রয়েছে। সংগঠনটি আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করেছে এবং তাদের ও পরিবারের প্রতি আন্তরিক সমবেদনা জানিয়েছে।

একটি বিবৃতিতে বাংলাদেশ ফরেস্টার্স অ্যাসোসিয়েশন উল্লেখ করেছে, বনভূমি রক্ষা এবং বন আইন বাস্তবায়নের দায়িত্ব পালনকালে সরকারি দায়িত্বে নিয়োজিত বনকর্মীদের ওপর এ ধরনের হামলা রাষ্ট্রের আইনের শাসনের ওপর সরাসরি আঘাত হয়ে দাঁড়িয়েছে। বন রক্ষায় নিয়োজিত কর্মকর্তাদের ওপর এ ধরনের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।

বিবৃতিতে সংগঠনটি অবিলম্বে হামলার সঙ্গে জড়িত সব দোষী ব্যক্তিকে শনাক্ত করে দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি জানায়। এছাড়া, দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত এবং দায়িত্ব পালনরত বনকর্মীদের নিরাপত্তা জোরদারে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি জোর দাবি জানিয়েছে।

আরও পড়ুন: রাজবাড়ী জেলা কারাগারে হাজতি নারায়ণ চন্দ্র দাসের মৃত্যু

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসের সমাপনী অনুষ্ঠানে মাঠে উপস্থিত প্রধানমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ২৭শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৪:৫৬ পি.এম


নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসের সমাপনী অনুষ্ঠানে মাঠে উপস্থিত প্রধানমন্ত্রী

‘ক্রীড়া হলে পেশা, পরিবার পাবে ভরসা’ এই প্রতিপাদ্যে কিশোর-কিশোরীদের জন্য বৃহৎ খেলার আয়োজন ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস-২০২৫-২৬’-এর সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান উপস্থিত হয়েছেন।

আজ বিকেল ৪টায় বাংলাদেশ আর্মি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর আগমন বার্তা ঘোষণার পরপরই স্টেডিয়ামের গ্যালারিতে বসا হাজার হাজার শিশু-কিশোর মুহুর্মুহু করতালির মাধ্যমে তাদের আনন্দ প্রকাশ করে।

বিকেল ৪টায় প্রধানমন্ত্রী আর্মি স্টেডিয়াম মাঠে প্রবেশ করে শিশু-কিশোরদের হাতে নেড়ে শুভেচ্ছা জানান। প্রথমেই তিনি সরাসরি খেলোয়াড়দের কাছে চলে যান। পরে পুরো মাঠ ঘুরে হাসিমুখে গ্যালারিতে বসা ক্ষুদে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন এবং খেলার বিষয়ে উৎসাহ দেয়। এমন সময় মাঠে উপস্থিত ৮ হাজারেরও বেশি শিক্ষার্থী আনন্দ ও উচ্ছ্বাসের সঙ্গে হইহই করতে থাকে।

এ সময় প্রধানমন্ত্রী তার সাথে ছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক।

যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সার্বিক তত্ত্বাবধানের আওতায় সারাদেশে তৃণমূল পর্যায়ের ১২-১৪ বছর বয়সের কিশোর-কিশোরীদের সুপ্ত প্রতিভা অন্বেষণ এবং নিয়মিত খেলাধুলার প্রতি আগ্রহী করতে গত ২ মে থেকে নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস শুরু হয়েছে। সেদিন সিলেট জেলা স্টেডিয়ামে এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

আয়োজকরা জানায়, নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসের আঞ্চলিক পর্বে সারাদেশের জেলা-উপজেলা পর্যায়ের প্রায় ১ লাখ ৭০ হাজার ক্ষুদে ক্রীড়াবিদ (যাদের বয়সসীমা ১২ বছর থেকে ১৪ বছর) আটটি ডিসিপ্লিনে ধারাবাহিক প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়েছে।

এরপর জাতীয় পর্যায়ের খেলাগুলো রাজধানীর বিভিন্ন ভেন্যুতে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস-এর এবারের আয়োজনে ফুটবল, ক্রিকেট, কাবাডি, অ্যাথলেটিক্স, ব্যাডমিন্টন, দাবা, সাঁতার এবং মার্শাল আর্ট— মোট আটটি ক্রীড়া ইভেন্ট অন্তর্ভুক্ত ছিল। বিভিন্ন ধাপ পেরিয়ে সেরা প্রতিযোগীরা জাতীয় পর্বে অংশ নিয়েছে।

সমাপনী অনুষ্ঠানমালায় : বাংলাদেশ আর্মি স্টেডিয়ামে নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস-২০২৫-২৬ এ ফুটবল ইভেন্টে বালক এবং বালিকাদের দু’টি ফাইনাল এবং বালক ও বালিকাদের ১০০ মিটার স্প্রিন্টের দৌড় প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বিকেল ৩টায় বালকদের ফুটবল ফাইনাল খেলাটি সিলেট অঞ্চল ও ময়মনসিংহ অঞ্চলের মধ্যে অনুষ্ঠিত হয়। এতে সিলেট অঞ্চল ২-০ গোলে বিজয়ী হয়। পরে শুরু হয় বালিকাদের ফুটবল ফাইনাল।

বিকেল ৫টায় নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসের পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে বিজয়ীদের মধ্যে ট্রফি ও পুরস্কার তুলে দেবেন প্রধানমন্ত্রী।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চট্টগ্রামে চীনা অর্থনৈতিক অঞ্চলের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন, বিনিয়োগ হবে বিলিয়ন ডলার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ২৭শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৪:৫৬ পি.এম


চট্টগ্রামে চীনা অর্থনৈতিক অঞ্চলের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন, বিনিয়োগ হবে বিলিয়ন ডলার

চট্টগ্রামের আনোয়ারায় চীনা অর্থনৈতিক ও শিল্পাঞ্চল প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী স্থাপন করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, এই প্রকল্পে বিনিয়োগ হবে এক বিলিয়ন মার্কিন ডলারের বেশি।

সোমবার (২৭ জুলাই) দুপুরে চট্টগ্রামের আনোয়ারায় প্রকল্পটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য প্রদানকালে অর্থমন্ত্রী বলেন, এই বিনিয়োগ ২০৩৪ সালের মধ্যে একটি ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি গড়ে তোলার লক্ষ্য অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ একটি পদক্ষেপ হিসেবে কাজ করবে। এই উদ্যোগ আমাদের সেই যাত্রাকে আরও এক ধাপ এগিয়ে নেয়ার সুযোগ করছে।

অর্থমন্ত্রী জানান, এই প্রকল্প শুধু আনোয়ারা উপজেলা নয়, দক্ষিণ চট্টগ্রামের পুরো অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে। অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপের সময় আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, বিগত দিনগুলোতে অর্থনৈতিক অবস্থা ছিল ভয়াবহ বিপর্যস্ত। অর্থনীতিকে বিপর্যস্ত অবস্থায় পেতে দেখা গেছে। টাকা ছাপানোর মাধ্যমে অর্থনীতিকে উন্নয়ন করার চেষ্টা করা হয়েছিল।

তিনি আরও বলেন, আমাদের মূল উদ্দেশ্য হলো অর্থনীতিকে বিনিয়োগ নির্ভর অর্থনীতিতে রূপান্তর করা। বিনিয়োগের ভিত্তিতে বাংলাদেশে কর্মসংস্থান বৃদ্ধি করতে চাই। আমরা যে ট্রিলিয়ন ডলার ইকোনমিকের সাক্ষাৎকার করছি, ২০৩৪ সালের মধ্যে তার জন্য বিনিয়োগ অপরিহার্য। বিশেষ করে বেসরকারি এবং বিনিয়োগের মাধ্যমে দেশের উন্নয়ন সম্ভব।

অর্থমন্ত্রী বলেন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি হলে সম্পদ বাড়বে এবং রাজস্ব আহরণের মাধ্যমে সরকারের উন্নয়ন কার্যক্রমের বৃদ্ধি ঘটবে। তিনি এ সম্পর্কিত আরও বলেন, ‘গার্মেন্টসের ওপর নির্ভরশীল হলে অর্থনীতি চলবে না।’

ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমদ বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। তিনি বলেন, দেশি ও বিদেশি সকল বিনিয়োগকারীদের জন্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন না হলে বিনিয়োগ সম্ভব নয়।

সালাহউদ্দিন আহমদ আরও বলেন, কর্ণফুলী নদীর পূর্ব তীরে আনোয়ারায় আজ শুধুই একটি প্রকল্পের নির্মাণকাজের শুরু হচ্ছে না, বরং এতে বাংলাদেশে শিল্প রূপান্তরের নতুন ইতিহাস রচিত হচ্ছে। দীর্ঘ পরিকল্পনা, দুই দেশের উচ্চপর্যায়ের রাজনৈতিক অঙ্গীকার এবং বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভের (বিআরআই) আওতায় উদ্যোগের বাস্তব প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে প্রকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমে।

বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ (বেজা) ও বাংলাদেশ সিইআইজেড কোম্পানি লিমিটেড যৌথভাবে অনুষ্ঠানটির আয়োজন করে। এতে আরও ছিলেন ভূমি ও পার্বত্য বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মীর হেলাল উদ্দিন, বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন, বেজার নির্বাহী চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী, বাংলাদেশ সিইআইজেড কোম্পানি লিমিটেডের চেয়ারম্যান ওয়াং বেনচিয়ান এবং চট্টগ্রাম-১৩ আসনের সংসদ সদস্য সরওয়ার জামাল।

বেজাসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, অর্থায়ন-সংক্রান্ত নানা বাধা পার করে প্রায় ৮০০ একর জায়গায় এই শিল্পাঞ্চলের যাত্রা শুরু হয়েছে। প্রকল্পটির যাত্রা শুরু হয়েছিল বাংলাদেশ ও চীনের সরকার-টু-সরকার (জিটুজি) উদ্যোগের মাধ্যমে। ২০১৬ সালে চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিংয়ের ঢাকা সফরের সময় চীনা অর্থনৈতিক অঞ্চল স্থাপনের বিষয়টি আলোচনায় আসে। ২০১৬ সালে দুই দেশের মধ্যে এই বিষয়ে সমঝোতা স্বাক্ষর হওয়ার পর নানা জটিলতায় উদ্যোগটি থমকে যায়। এরপর অর্থনৈতিক অঞ্চলের কাজের জন্য চীনা ঠিকাদারের সঙ্গে আলোচনা হলেও চূড়ান্তভাবে ঠিকাদার নিয়োগ হয়নি। পরবর্তী সময়ে ২০২২ সালে চীন সরকারের পক্ষ থেকে চায়না রোড অ্যান্ড ব্রিজ করপোরেশনকে (সিআরবিসি) নতুন ডেভেলপার হিসেবে মনোনীত করা হয়। তবে সরকারি ক্রয়নীতি অনুযায়ী একই প্রতিষ্ঠান সম্ভাব্যতা যাচাই এবং ডেভেলপার—দুই ভূমিকায় যেন কাজ না করতে পারে, সে কারণে বিষয়টি নিয়ে জটিলতা তৈরি হয়। গত জুনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের চীন সফরের সময় বেজা ও সিআরবিসির মধ্যে ডেভেলপার চুক্তি বিনিময়ের মাধ্যমে প্রকল্পের উন্নয়ন নতুন গতির সঞ্চার ঘটিয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মাজারে ফেলে যাওয়া ৭ মাসের শিশু হাসপাতালে ছটফট করছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ২৭শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৪:৫৭ পি.এম


মাজারে ফেলে যাওয়া ৭ মাসের শিশু হাসপাতালে ছটফট করছে

যারা ছোট্ট একটি শিশুকে হারিয়ে ফেলতে দেখে, তাদের জন্য এটি এক হৃদয়বিদারক অবস্থা। সাত মাসের এক শিশু, যে বয়সে শিশুরা সাধারণত মা’য়ের সান্নিধ্য এবং নিরাপত্তায় থাকে, সেই বয়সে অসহায়ের মতো হাসপাতালের একটি শয্যায় একা পড়ে আছে। দুই হাতে ছোট ছোট ঘুষি মেরে ও কান্নাভেজা চোখে যেন সে এখনও খুঁজে ফিরছে তার মাকে। কিন্তু যাকে খুঁজছে, সেই মায়ের কাছে সে পৌঁছাতে পারেনি এবং অভিযোগ উঠেছে যে তার মাকে ফেলে চলে যেতে হয়েছে। এটি একটি হতাশাজনক এবং ভারী অবস্থা, যা এলাকায় সবাইকে চিন্তিত করে তুলেছে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার আখাউড়া উপজেলা এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটেছে, যেখানে খরমপুর কেল্লা বাবা (রহ.) মাজার প্রাঙ্গণে শিশুটি পাওয়া যায়। ২৩ জুলাই, স্থানীয় লোকজন শিশুটিকে একটি অসহায় অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন এবং সেখান থেকে সঠিক পদক্ষেপ নেওয়া হয়। উপজেলা প্রশাসন ও সমাজসেবা বিভাগের কর্তাদের অবহিত করার পর, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) তাপসী রাবেয়া ও সমাজসেবা কর্মকর্তা নরুল ইসলাম চৌধুরী ঘটনাস্থলে গিয়ে শিশুটির দায়িত্ব গ্রহণ করে।

তারপর, শিশুটিকে আখাউড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে, যেখানে চিকিৎসক ও নার্সদের তত্ত্বাবধানে চলেছে শিশুটির চিকিৎসা। শিশুটির শারীরিক অবস্থার পাশাপাশি মনোরঞ্জন করার জন্য মনোযোগ দেওয়া হচ্ছে।

এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে, কারণ একটি নিষ্পাপ শিশুকে এভাবে ফেলে যাওয়ায় স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ এবং বেদনা দেখা দিয়েছে। অনেকেই শিশুটির ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করছেন।

অন্যদিকে, এই নির্মম ঘটনার সময়ে মানবতার মানসিকতায় উদাহরণ স্থাপন করেছেন উপজেলা প্রশাসন, সমাজসেবা বিভাগ এবং হাসপাতালের চিকিৎসক-নার্সরা। তারা শিশুটির নিরাপদ আশ্রয় ও চিকিৎসার ব্যবস্থা করে মানবিক কর্তব্যের পরিচয় দিয়েছেন।

শিশুটিকে দত্তক নিতে আগ্রহী এক মহিলা, কুমিল্লার হোমনা উপজেলার বাসিন্দা ফাতেমা বেগম বলেন, "খবর পাওয়ার পরই হাসপাতালে চলে এসেছি। আমার একটি ছেলে আছে, আমি এই শিশুটিকে দত্তক নিতে চাই। দুই দিন ধরে হাসপাতাল এসে ওর খোঁজখবর নিচ্ছি এবং ওর সাথে সময় কাটাচ্ছি।"

আখাউড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সিনিয়র স্টাফ নার্স সানজিদা মাহমুদ জানিয়েছেন, শিশুটি এখন আমাদের তত্ত্বাবধানে রয়েছে। নিয়মিত চিকিৎসা ও প্রয়োজনীয় সেবা দেওয়া হচ্ছে। তার শারীরিক অবস্থা পর্যবেক্ষণের মধ্যে রয়েছে। তিনি আরো জানান, অনেকেই শিশুটিকে দত্তক নেওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করছেন, তবে দত্তক গ্রহণের প্রক্রিয়া সরকার নির্ধারিত আইন অনুযায়ী সম্পন্ন করতে হবে।

আখাউড়া উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা নরুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, "সংবাদ পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে আমি ঘটনাস্থলে গিয়ে শিশুটির দায়িত্ব গ্রহণ করি। তারপর তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। বর্তমানে সমাজসেবা বিভাগের নজরদারিতে শিশুটির সার্বিক বিষয় দেখা হচ্ছে। আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।"

এদিকে, ইউএনও তাপসী রাবেয়া জানান, "খবর পাওয়ার পরপরই শিশুটিকে উদ্ধার করে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেছি। বর্তমানে চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধানে তার চিকিৎসা চলছে। আমরা হাসপাতাল গিয়ে শিশুটির খোঁজখবর নিয়েছি এবং তার সার্বিক বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।"

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভারতজুড়ে এখন একটিই স্লোগান ‘এবার মোদির পালা’

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সোমবার, ২৭শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৪:৫৯ পি.এম


ভারতজুড়ে এখন একটিই স্লোগান ‘এবার মোদির পালা’

ভারতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির টানা ১২ বছরের শাসনামলে মন্ত্রিসভার সদস্যদের পদত্যাগের ঘটনা অত্যন্ত বিরল হিসেবে বিবেচিত। এর পূর্বে কেবল একজন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী যৌন অসদাচরণের অভিযোগে পদ ছাড়তে বাধ্য হন।

এমন পরিস্থিতিতে গত শনিবার কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগকে শুধুমাত্র একটি প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত হিসেবে দেখা হচ্ছে না, বরং ভারতের তরুণ প্রজন্মের জন্য এটি একটি প্রতীকী রাজনৈতিক বিজয়ে পরিণত হয়েছে।

দেশজুড়ে চলা ছাত্র-যুব আন্দোলনের চাপের কারণে তার পদত্যাগকে একটি বড় সাফল্য হিসেবে অনেকেই মনে করেন।

দিল্লির ২২ বছর বয়সী শিক্ষার্থী ও আন্দোলনকর্মী সাখি মনে করছেন, “এই প্রথম মনে হলো, প্রতিবাদের মাধ্যমে আমরা সত্যিই কিছু পরিবর্তন আনতে পারি।”

ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়ে যায় মোদি সরকারের এক জ্যেষ্ঠ মন্ত্রীর পুরোনো একটি বক্তব্য। সেটিতে তিনি বলেছিলেন, “আমাদের সরকারে কেউ পদত্যাগ করে না।”

এই ভিডিওটি নতুন করে আলোচনায় আসে এবং আন্দোলনকারীরা এটিকে সরকারের আত্মবিশ্বাসের প্রতীক হিসেবে তুলে ধরেছেন, যা শেষ পর্যন্ত জনচাপের মুখে ভেঙে পড়েছে।

সাখির বক্তব্যে উঠে আসে যে, তারা ছোটবেলা থেকে পাঠ্যবইয়ে গণতন্ত্রে ভিন্নমত প্রকাশের গুরুত্ব সম্পর্কে পড়েছেন, কিন্তু মোদি সরকারের সময়ে বাস্তবে সেই পরিবেশের অভাব অনুভব করেছেন।

আন্দোলনের সময় তিনি ইনস্টাগ্রামে পুলিশের লাঠিচার্জ, আটক ও নির্যাতনের ভিডিও পোস্ট করেন। সেইসঙ্গে পুলিশকে ব্যঙ্গ করে তৈরি বিভিন্ন রিলও প্রকাশ করেন। এসব ভিডিও কয়েক মিলিয়ন মানুষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে।

তার মতে, সরকার আন্দোলনের প্রকৃত শক্তি বুঝতে পারেনি। কারণ, তারা মূলধারার গণমাধ্যম, ফেসবুক ও হোয়াটসঅ্যাপকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারলেও নতুন প্রজন্মের সবচেয়ে প্রভাবশালী প্ল্যাটফর্ম ইনস্টাগ্রামের গুরুত্ব উপলব্ধি করতে ব্যর্থ হয়েছে।

কীভাবে শুরু হয় আন্দোলন? গত মে মাসে ভারতের সবচেয়ে বড় মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষা এনইইটি’র প্রশ্নপত্র ফাঁস হওয়ার কারণে পরীক্ষা বাতিল হয়। এই ঘটনায় প্রায় ২০ লাখ শিক্ষার্থীকে পুনরায় পরীক্ষায় বসতে হয়।

এই ঘটনার ফলে মানসিক চাপের কারণে অন্তত ২০ জন শিক্ষার্থী আত্মহত্যা করেন বলে অভিযোগ করেছেন তাদের স্বজনরা।

এই ক্ষোভকে সংগঠিত করে ব্যঙ্গধর্মী অনলাইন প্ল্যাটফর্ম তেলাপোকা জনতা পার্টি (সিজেপি)। ভারতের প্রধান বিচারপতি এক মন্তব্যে ভুয়া ডিগ্রিধারী বেকারদের ‘তেলাপোকা’ হিসেবে তুলনা করার পর এই প্রচারণা শুরু হয়।

সংগঠনটি দিল্লিতে অবস্থান কর্মসূচি পালন করে শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ, শিক্ষা ব্যবস্থার সংস্কার এবং আত্মহত্যাকারী শিক্ষার্থীদের পরিবারের জন্য ক্ষতিপূরণের দাবি জানায়।

প্রথমদিকে আন্দোলনটি খুব বেশি সাড়া পায়নি তবে ১৮ জুলাই পরিস্থিতি নাটকীয়ভাবে বদলে যায়।

সেদিন অনশনরত শিক্ষাবিদ সোনম ওয়াংচুককে জোরপূর্বক সরিয়ে হাসপাতালে নেওয়ার ঘটনায় ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়।

এর দুদিন পর সিজেপির আহ্বানে কয়েক হাজার মানুষ সংসদ ভবনের দিকে পদযাত্রা করলে পুলিশ তাদের ওপর লাঠিচার্জ, কাঁদানে গ্যাস ও পেলেট গান ব্যবহার করে আন্দোলন দমনের চেষ্টা করে। কিন্তু দমন-পীড়নের ভিডিও দ্রুত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে এবং উল্টো আন্দোলনে আরও বেশি মানুষ যোগ দেয়।

দিল্লি থেকে আন্দোলনটি দেশজুড়ে ছড়িয়ে পড়ে। মুম্বাইয়ের আন্দোলনকর্মী সোমায়া কর্দে জনগণকে অনলাইনে আন্দোলনে যোগ দেওয়ার আহ্বান জানানোর জন্য পুলিশ তাকে আটক করেছিল। তবে পরবর্তী কয়েক দিনে তিনি একাধিক বিক্ষোভে অংশগ্রহণ করেন।

২৬ বছর বয়সী এই আইনজীবী তাঁর বক্তব্যে বলেন, “ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ শেষ নয়, এটি কেবল শুরু।”

তিনি উল্লেখ করেন, বর্তমান প্রজন্মের অনেকের জন্য এটিই প্রথম বড় রাজনৈতিক আন্দোলনে অংশগ্রহণ। তথাপি শিক্ষা, কর্মসংস্থান ও সামাজিক বৈষম্যসহ আরও বহু গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু সামনে রয়েছে।

সোমায়া কর্দে এমন একটি সম্প্রদায় থেকে উঠে এসেছেন, যাদের ভারত সরকার সামাজিক ও অর্থনৈতিকভাবে পিছিয়ে থাকা জনগোষ্ঠী হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে।

তাঁর বিশ্বাস ছিল, উচ্চশিক্ষাই জীবনের মোড় ঘুরিয়ে দিতে পারে। তবে প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় সেই বিশ্বাস ভেঙে যায়।

তিনি মন্তব্য করেন, “বিদ্যালয় ও কলেজ বেসরকারিকরণ হচ্ছে, বারবার প্রশ্নপত্র ফাঁস হচ্ছে, পড়াশোনা শেষ করলেও পর্যাপ্ত চাকরি নেই। গণতন্ত্রে এসব বিষয়ে সরকারের জবাবদিহি থাকা উচিত।”

ভারতে বিশ্বের সবচেয়ে বড় যুব জনগোষ্ঠী থাকলেও সরকারি তথ্যানুযায়ী, ১৫ থেকে ২৯ বছর বয়সীদের মধ্যে বেকারত্বের হার ১৩ দশমিক ৮ শতাংশ থেকে বেড়ে চলতি জুনে ১৬ দশমিক ২ শতাংশে পৌঁছেছে।

এমনকি উচ্চশিক্ষিত তরুণদেরও অবস্থা উদ্বেগজনক। ২০২৬ সালে আজিম প্রেমজি বিশ্ববিদ্যালয়ের এক গবেষণায় দেখা যায়, চাকরি খোঁজা স্নাতকদের মধ্যে এক বছরের মধ্যে স্থায়ী বেতনের চাকরি পান ৭ শতাংশেরও কম। আর সাদা-কলার বা অফিসভিত্তিক চাকরি পান ৪ শতাংশেরও কম।

১৮ বছর বয়সী হর্ষবর্ধন কদম বাবার মৃত্যুর পর মাকে সহায়তা করার জন্য স্কুল শেষ করেই খণ্ডকালীন ল্যাপটপ বিক্রির কাজ শুরু করেন।

২৩ জুলাই মুম্বাইয়ের এক বিক্ষোভে পুলিশ তাকে আটক করার সময় ধারণ করা একটি ভিডিও ইনস্টাগ্রামে ভাইরাল হয়।

ভিডিওতে দেখা যায়, পুলিশ সদস্য তাকে মিথ্যা মাদক মামলায় ফাঁসানোর হুমকি দিচ্ছেন। পরে ওই কনস্টেবলকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়।

তবে কদম জানান, “আমি চাইনি ওই পুলিশ সদস্য বরখাস্ত হোক। আমি শুধুমাত্র দেখাতে চেয়েছিলাম, শান্তিপূর্ণ আন্দোলনে অংশ নেওয়ার কারণে পুলিশ আমাদের সঙ্গে কী আচরণ করছে।”

ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ সম্পর্কে তিনি বলেন, “এটি কেবল শুরু। এবার সরকার বুঝেছে, মানুষ একসঙ্গে কণ্ঠ তুললে তাদেরও ভয় পেতে হয়।”

গুয়াহাটির ২৯ বছর বয়সী চিত্রনাট্যকার স্বরাজ প্রিয় মনে করেন, দীর্ঘদিন আন্দোলন করেও কোনও পরিবর্তন না হওয়ায় তিনি হতাশ হয়ে পড়েছিলেন। কিন্তু সাম্প্রতিক এই আন্দোলন তাঁকে নতুন আশাবাদী করেছে।

তার ভাষায়, “এই আন্দোলন প্রশ্ন করার এবং ভিন্নমত প্রকাশের জায়গা আবার ফিরিয়ে এনেছে।”

দেশজুড়ে আন্দোলনের বিভিন্ন স্থানে এখন প্রকাশ্য একটি স্লোগান দেখা যাচ্ছে- “ধর্মেন্দ্র প্রধান কেবল উদাহরণ, এবার মোদির পালা।”

কিন্তু আশাবাদের পাশাপাশি আন্দোলনকারীদের মধ্যে উদ্বেগও বিদ্যমান। পাটনার ৩০ বছর বয়সী গবেষক ও ছাত্রনেত্রী বরুণী পূর্বা বিশ্বাস করেন, ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ প্রমাণ করে যে, জনআন্দোলনের মাধ্যমে মোদি সরকারকেও নতি স্বীকার করতে বাধ্য করা সম্ভব।

তবে তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেন, সরকার আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে প্রতিশোধমূলক ব্যবস্থা নিতে পারে। ইতোমধ্যে সম্ভাব্য গ্রেফতার এড়াতে তিনি আগাম জামিনের আবেদন করেছেন। পুলিশের দাবি, শতাধিক আন্দোলনকারীর বিরুদ্ধে হত্যাচেষ্টাসহ বিভিন্ন অজুহাতে মামলা দায়ের হয়েছে এবং ৪০ জনের বেশি ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস ওয়াচ অভিযোগ করেছে, মোদি সরকারের সময়ে ভারতে শান্তিপূর্ণ আন্দোলনকারী, মানবাধিকারকর্মী ও সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে নিয়মিতভাবে সন্ত্রাসবাদবিরোধী আইন ও ঘৃণাত্মক বক্তব্য-সংক্রান্ত আইনের অপব্যবহার হয়েছে।

তবুও বরুণী পূর্বার বিশ্বাস, এই আন্দোলন ভারতের তরুণদের মধ্যে নতুন আত্মবিশ্বাস সৃষ্টি করেছে।

তিনি বলেন, “তরুণদের ক্ষোভের মূল কারণগুলো এখনও রয়ে গেছে। তাই সরকারের পক্ষে আগের মতো স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে যাওয়া সহজ হবে না।”

দিল্লির একটি আন্দোলনস্থলের দেয়ালে লেখা একটি স্লোগান যেন এই প্রজন্মের মনোভাবই তুলে ধরে- “আমাদের চাকরি নেই। এই লেখা মুছে ফেললেও আমরা আগামীকাল আবার ফিরে আসব।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%