ঢাকা সোমবার, ২৬শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১০ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৫ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
সোমবার, ২৬শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১০ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

মাদরাসা শিক্ষার্থী ধর্ষণের ঘটনায় ময়মনসিংহে শিক্ষক আটক


মাদরাসা শিক্ষার্থী ধর্ষণের ঘটনায় ময়মনসিংহে শিক্ষক আটক

ময়মনসিংহের তারাকান্দায় এক মাদরাসা শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের অভিযোগে আবু রাহাত (২২) নামে এক শিক্ষককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

সোমবার (১ জুন) সকালে শিক্ষার্থীর মা বাদী হয়ে আবু রাহাতকে আসামি করে তারাকান্দা থানায় মামলা করেন।

মামলার পর দুপুরে আদালতে আসামিকে পাঠানো হয়েছে। এর আগে রবিবার দিবাগত রাতে অভিযান চালিয়ে আবু রাহাতকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

আরও পড়ুন: রাজবাড়ীতে টাপেন্টাডলসহ আটক ৩, বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড

গ্রেপ্তার আবু রাহাত জেলার ফুলপুর উপজেলার অর্জুনখিলা গ্রামের আবুল হাশিমের ছেলে। তিনি তারাকান্দা ইউনিয়নের ধলীরকান্দা মাঠখলা এলাকায় অবস্থিত রওজাতুল আতফাল নূরানিয়া হাফেজিয়া মাদরাসা ও জান্নাতুল মোবাশ্বিরা মহিলা মাদরাসার শিক্ষক হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

পুলিশ এবং স্থানীয় সূত্র অনুযায়ী, ঈদের আগে সব শিক্ষার্থীকে ছুটি দিয়ে মাদরাসা বন্ধ করে দিলেও, ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীকে বাড়িতে যেতে দেননি শিক্ষক আবু রাহাত। পরে আবু রাহাত ওই শিক্ষার্থীকে মাদরাসায় রেখে জোরপূর্বক ধর্ষণ করেন। এরপর ঘটনাটি কাউকে না জানানোর জন্য ভুক্তভোগীকে ভয়ভীতি দেখিয়ে বাড়িতে পাঠিয়ে দেন। ছুটি শেষে বাড়িতে যাওয়ার পর শিশুটি অসুস্থ হয়ে পড়ে।

গতকাল রবিবার সকালে তার পায়ুপথে অস্বাভাবিক রক্তক্ষরণ শুরু হলে সন্তান পরিবারে সদস্যদের কাছে ঘটনার বর্ণনা দেয়।

এদিকে, ঘটনাটি এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয় গ্রামবাসী মাদরাসার পরিচালক মাওলানা আব্দুল গফুরকে আটক করে রাখেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে এবং পরে অভিযান চালিয়ে আবু রাহাতকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

আরও পড়ুন: বিএনপি সরকারকে নিয়ে কটূক্তির অভিযোগে ভালুকায় বিউটি পার্লার মালিক সাথী আক্তার আটক

তারাকান্দা থানার তদন্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মোবারক হোসেন জানান, আসামিকে আদালতে পাঠানো হয়েছে। মামলার তদন্ত কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

‘দুটি দুর্বল ব্যাংক মিলিয়ে একটি সুস্থ ব্যাংক তৈরি করা সম্ভব নয়’

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ১ই জুন, ২০২৬ ইং

০৫:৩২ পি.এম


‘দুটি দুর্বল ব্যাংক মিলিয়ে একটি সুস্থ ব্যাংক তৈরি করা সম্ভব নয়’

বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (বিআইডিএস) মহাপরিচালক ড. এ কে এনামুল হক বলেছেন, ‘দুটি দুর্বল ব্যাংক মিলিয়ে একটি সুস্থ ব্যাংক তৈরি করা সম্ভব নয়।’ তিনি উল্লেখ করেছেন যে, জোরপূর্বক একীভূতকরণের মাধ্যমে দুর্বল ব্যাংক স্বয়ংক্রিয়ভাবে শক্তিশালী হয়ে যাবে না।

তিনি আসন্ন ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জাতীয় বাজেটের বিভিন্ন দিক নিয়ে গণমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এই কথা বলেন।

ড. এনামুল বলেন, জনগণের আস্থা ফিরিয়ে আনাই এখন বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার হওয়া উচিত। তিনি সতর্কতা প্রকাশ করেন যে, মানুষ যদি ব্যাংকের ওপর আস্থা হারিয়ে ফেলে, তাহলে তারা আর্থিক ব্যবস্থায় টাকা জমা রাখবে না।

এই গবেষক দুর্বল ব্যাংকগুলোকে একীভূতকরণের পরিবর্তে কঠোর জবাবদিহিতা ব্যবস্থা চালু করার পরামর্শ দিয়েছেন। তিনি বলেন, নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে উন্নতি করতে ব্যর্থ হলে ব্যাংকগুলোকে তার পরিণতি ভোগ করতে দেওয়া উচিত।

আর্থিক খাতের সুশাসনের বিষয়েও ড. এনামুল মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, আইনের শাসন শক্তিশালী না হলে জনগণের আস্থা ফিরবে না বলে তিনি সতর্ক করেন।

তিনি আরও জানান, মানুষকে এই নিশ্চয়তা দিতে হবে যে তাদের আমানত নিরাপদ রয়েছে এবং অন্যায়কারীদের যথাযথ শাস্তি নিশ্চিত করা হবে।

সাক্ষাৎকারের শেষে ড. এনামুল হক বলেন, ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে প্রধানত টেকসই ও দীর্ঘমেয়াদি প্রবৃদ্ধির ভিত্তি আরও শক্তিশালী করার বিষয়ে মনোযোগ দেওয়া উচিত।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দলের দুই বিধায়ককে বহিষ্কার করল তৃণমূল কংগ্রেস

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সোমবার, ১ই জুন, ২০২৬ ইং

০৫:৩৭ পি.এম


দলের দুই বিধায়ককে বহিষ্কার করল তৃণমূল কংগ্রেস

ভারতের পশ্চিমবঙ্গে দলের বিরুদ্ধে কর্মকাণ্ডের অভিযোগে দুই বিধায়ক—ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় এবং সন্দীপন সাহাকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে। দলের সহসভাপতি চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য স্বাক্ষরিত একটি চিঠিতে তাদের প্রাথমিক সদস্যপদ বাতিলের বিষয়টি জানানো হয়েছে।

তৃণমূলের সূত্রমতে, ই-মেইল ও হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে ওই সিদ্ধান্ত দুই বিধায়কের কাছে জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার স্পিকার রথীন্দ্র বসুকে বিষয়টি অবহিত করা হয়েছে।

সোমবার পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার একটি বিতর্কিত স্বাক্ষর জালিয়াতির অভিযোগ নিয়ে রাজ্য সরকারের সদর দপ্তর নবান্নে সংবাদ সম্মেলন করেছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সেখানে তিনি জানিয়েছেন, বিধানসভার স্পিকারের কাছে লিখিত অভিযোগ করেছিলেন তৃণমূলের এই দুই বিধায়ক। এই অভিযোগের ভিত্তিতে বিধানসভার সচিবালয় থানায় মামলা করা হয়েছে। এরপর বিষয়টির তদন্তে রাজ্যের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) যুক্ত করা হয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনের ১৫ মিনিটের মধ্যে উলুবেড়িয়া পূর্বের বিধায়ক ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় এবং এন্টালির বিধায়ক সন্দীপন সাহাকে তৃণমূল থেকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বহিষ্কারের পর প্রতিক্রিয়ায় সন্দীপন সাহা বলেন, "যারা অনৈতিক কাজ করে দল তাদের সমর্থন দেয়, আর যারা নৈতিক অবস্থান নেয় তাদের বহিষ্কার করা হয়।" তিনি দাবি করেন, একটি হাজিরা খাতার স্বাক্ষরকে প্রস্তাব অনুমোদনের স্বাক্ষর হিসেবে দেখানো হয়েছে, যা তারা জানতেন না।

নিয়ম অনুযায়ী, বহিষ্কারের পর দুই বিধায়ক এখন ‘স্বতন্ত্র’ বা দলহীন সদস্য হিসেবে বিধানসভায় থাকবেন। ফলে রাজ্যসভা নির্বাচনসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে তারা দলের হুইপ বা নির্দেশ মানতে বাধ্য থাকবেন না। বলতেই হবে, ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের রাজনৈতিক জীবনে এটি প্রথম বহিষ্কারের ঘটনা নয়। ২০১৪ সালে সিপিএমের হিসেবে রাজ্যসভার সদস্য নির্বাচিত হন তিনি। কিন্তু ২০১৭ সালে বিভিন্ন অভিযোগের কারণে তাকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছিল। পরবর্তীতে তিনি দীর্ঘ সময় দলহীন সাংসদ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এরপর তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দিয়ে প্রথমে রাজ্যসভায় এবং পরে বিধানসভায় নির্বাচিত হন।

দুই বিধায়কের বহিষ্কারের পর দলের মুখপাত্র ও বেলেঘাটার বিধায়ক কুণাল ঘোষ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একটি দীর্ঘ পোস্ট দেন। সেখানে তিনি নাম উল্লেখ না করেই দলবিরোধী অবস্থান নেওয়ার সমালোচনা করেন। পরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ঋতব্রত ও সন্দীপনের নাম উল্লেখ করে প্রশ্ন তোলেন, "দলের প্রতীক ও নেত্রীর জনপ্রিয়তা ব্যবহার করে নির্বাচিত হওয়ার পর এত দ্রুত দলের বিরুদ্ধে অভিযোগ কেন তোলা হলো?"

কী এই স্বাক্ষর বিতর্ক? গত ৪ মে পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের ফল ঘোষণার পর ৬ মে দলীয় সভায় নির্বাচিত বিধায়কদের নিয়ে বৈঠক করেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ওই বৈঠকে পরিষদীয় দলের নেতা, উপনেতা ও মুখ্যসচেতক নির্বাচনের দায়িত্ব তার ওপর ছেড়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।

এরপর শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়কে বিরোধী দলনেতা, নয়না বন্দ্যোপাধ্যায় ও অসীমা পাত্রকে উপদলনেতা এবং ফিরহাদ হাকিমকে মুখ্যসচেতক হিসেবে মনোনীত করা হয়। এ বিষয়ে দলের সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় স্বাক্ষরিত একটি চিঠি বিধানসভায় পাঠানো হলেও তা গ্রহণ করা হয়নি। বিধানসভার নিয়ম অনুযায়ী, এসব পদে নির্বাচন পরিষদীয় দলের আনুষ্ঠানিক বৈঠকেই সম্পন্ন হতে হয়। পরে ১৯ মে আরেকটি বৈঠকে বিধায়কদের দিয়ে একটি নথিতে স্বাক্ষর নেওয়া হয়। অভিযোগ উঠেছে, ওই স্বাক্ষর ১৯ মে নেওয়া হলেও তা ৬ মের বৈঠকের কার্যবিবরণী হিসেবে দেখানো হয়েছে। এই অভিযোগ থেকেই বর্তমান বিতর্কের সূচনা হয়েছে।

ঘটনার তদন্তে সিআইডি কিছু বিধায়কের বাড়িতে যায়। তাদের মধ্যে রয়েছেন নয়না বন্দ্যোপাধ্যায়, কুণাল ঘোষ, তাপস মাইতি এবং বাহারুল ইসলাম। বিশেষ করে বাহারুল ইসলামের স্বাক্ষর নিয়ে বিতর্ক দেখা দিয়েছে। তিনি দাবি করেন, ৬ মে অনুষ্ঠিত বৈঠকে তিনি উপস্থিত ছিলেন না। তদন্তকারীদেরও তিনি একই তথ্য জানিয়েছেন। তার ভাষ্য হলো, ভোট-পরবর্তী সহিংসতার কারণে সেদিন তিনি নিজ এলাকায় অবস্থান করছিলেন।

এদিকে শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় বলেন, কাউকে জোর করে স্বাক্ষর করানো হয়নি। তবে বাহারুল ইসলাম একটি স্বাক্ষর দেখে সেটি তার নয় বলে দাবি করেছেন। স্বাক্ষর জালিয়াতির অভিযোগের তদন্তের অংশ হিসেবে সোমবার অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তলব করেছিল সিআইডি। কিন্তু অসুস্থতার কারণে তিনি হাজির হননি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

হঠাৎ নেতাকে ‘ফ্লাইং কিস’ দিলেন এই নারী, ঘটনা কী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১ই জুন, ২০২৬ ইং

০৫:৩৮ পি.এম


হঠাৎ নেতাকে ‘ফ্লাইং কিস’ দিলেন এই নারী, ঘটনা কী

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া উপজেলায় জমি সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একাধিক ভিডিও ঘিরে এলাকায় তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে।

বাউশিয়া ইউনিয়নের মনাইরকান্দি গ্রামে ঘটে যাওয়া এসব ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে বিভ্রান্তি ও উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।

ভাইরাল হওয়া ভিডিওগুলোতে দেখা যায়, বিরোধে জড়িত উভয়পক্ষের সদস্যরা বিভিন্ন নাটকীয় কর্মকাণ্ডে লিপ্ত হয়েছেন। একটি ভিডিওতে এক নারীকে প্রতিপক্ষের দিকে ঢিল নিক্ষেপ করতে ও উত্তেজিত আচরণ করতে দেখা যায়। অপর আরেকটি ভিডিওতে অন্য পক্ষের এক নারীকে নিজের বসতঘরের অংশবিশেষ ভাঙচুর করতে দেখা যায়। এই ঘটনার পর প্রতিপক্ষের ওপর দোষ চাপানোর অভিযোগ উঠেছে।

সবচেয়ে বেশি আলোচনার জন্ম দিয়েছে আরেকটি ভিডিও, যেখানে এক নারী তার ঘর ভাঙার প্রতিবাদে প্রতিপক্ষের এক বিএনপি নেতার দিকে ‘ফ্লাইং কিস’ দিতে দেখা যায়।

ব্যতিক্রমী প্রতিবাদের এই ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর তা নিয়ে শুরু হয়েছে ব্যাপক সমালোচনা এবং নানা প্রতিক্রিয়া।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে চলমান জমিসংক্রান্ত বিরোধ এখন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পাল্টাপাল্টি প্রচারণায় রূপ নিয়েছে। উভয় পক্ষই নিজেদের অবস্থান শক্ত করতে নানা কৌশল অবলম্বন করায় প্রকৃত ঘটনা নির্ধারণ করা কঠিন হয়ে পড়েছে।

এলাকাবাসীর দাবি, এ ধরনের উসকানিমূলক কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকে আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বিরোধ নিষ্পত্তি করা জরুরি। একই সঙ্গে বিষয়টি নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটনে প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন তারা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

৯ বারের এমপি ছিলেন তোফায়েল আহমেদ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১ই জুন, ২০২৬ ইং

০৫:৪০ পি.এম


৯ বারের এমপি ছিলেন তোফায়েল আহমেদ

উনসত্তরের গণ-অভ্যুত্থান ও মহান মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক, সাবেক মন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ তোফায়েল আহমেদ মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না লিল্লাহি রাজিউন)।

সোমবার (১ জুন) বিকাল পৌনে ৪টার দিকে তিনি রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।

তোফায়েল আহমেদ ১৯৭০ সালে প্রথমবারের মতো আওয়ামী লীগের মনোনয়নে জাতীয় পরিষদের নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে জয়লাভ করেন। এর পর, দেশ স্বাধীনের পর, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে নিজ জেলা ভোলা থেকে ১৯৭৩, ১৯৮৬, ১৯৯১, ১৯৯৬, ২০০৮, ২০১৪, ২০১৮ এবং ২০২৪ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয়লাভ করেন।

তিনি ১৯৯৬ সালের ২৩ জুন শেখ হাসিনা সরকারের শিল্প ও বাণিজ্যমন্ত্রীর দায়িত্বপ্রাপ্ত হন। পরবর্তী সময়ে, তিনি ২০১৩-১৮ সাল পর্যন্ত দুই মেয়াদে বাণিজ্যমন্ত্রী পদে ছিলেন।

রাজনৈতিক কারণে ১৯৭৫ সাল থেকে টানা ৩৩ মাসসহ অসংখ্যবার কারাভোগ করেন এই নেতা। তিনি কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের উপদেষ্টামন্ডলীর সদস্য ছিলেন।

তোফায়েল আহমেদ ১৯৪৩ সালের ২২ অক্টোবর ভোলা সদর উপজেলার দক্ষিণ দিঘলদী ইউনিয়নের কোড়ালিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। ১৯৬৭ থেকে ১৯৬৯ সাল পর্যন্ত তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) ভিপি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

তিনি ৬৯-এর গণ-অভ্যুত্থানে নেতৃত্বস্থানীয় ভূমিকা রাখেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৫ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৫
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৭
মাগরিব ০৫:২৪
ইশা ০৬:৩৫
সূর্যোদয় : ০৬:০১ সূর্যাস্ত : ০৫:২৪
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%