বৃহস্পতিবার, ৩ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৭:০৩ পি.এম
মামলা দায়েরের পর দীর্ঘ সময় পার হলেও ধরাছোঁয়ার বাইরেই থেকে গেছে আসামিরা। উল্টো অব্যাহত হুমকি-ধামকিতে মারাত্মক নিরাপত্তাহীনতা ও চরম আতঙ্কের মধ্যে দিন কাটাচ্ছে ভুক্তভোগী পরিবার।
আজ ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ (বৃহস্পতিবার) বিকেলে চট্টগ্রামের মিরসরাই পৌরসভার বারইয়ারহাটে আয়োজিত এক জনাকীর্ণ সংবাদ সম্মেলনে এই ক্ষোভ ও তীব্র প্রতিবাদ জানান ভুক্তভোগীরা।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে ভুক্তভোগী পরিবার অভিযোগ করে জানায়, সম্প্রতি প্রতিপক্ষ বা দুষ্কৃতকারীরা তাদের ওপর অতর্কিত ও নির্মম হামলা চালায়। এতে পরিবারের বেশ কয়েকজন মারাত্মকভাবে আহত হন। ঘটনার পর থানায় লিখিত অভিযোগ ও মামলা দায়ের করা সত্ত্বেও অজ্ঞাত কারণে পুলিশ আসামিদের গ্রেপ্তার করছে না। উল্টো আসামিরা প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছে এবং মামলা তুলে নিতে নানাভাবে ভয়ভীতি ও হুমকি প্রদর্শন করছে।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ভুক্তভোগীরা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, "আমাদের ওপর হামলা চালিয়ে মারাত্মক রক্তপাত ঘটানোর পরও আসামিরা অধরা। তারা প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছে, অথচ আমরা বিচারের জন্য দ্বারে দ্বারে ঘুরছি।"
অবিলম্বে ঘটনায় জড়িত সকল আসামিকে গ্রেপ্তার, দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি এবং ভুক্তভোগী পরিবারের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ দাবি করা হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্য, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি ও বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নদী রক্ষা ও পরিবেশ সচেতনতা সৃষ্টিতে কাজ করা সামাজিক সংগঠন নোঙর বাংলাদেশ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা শাখার পক্ষ থেকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা পরিষদের প্রশাসক আলহাজ্ব সিরাজুল ইসলাম সিরাজকে ফুলেল শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানানো হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) জেলা পরিষদ প্রশাসকের কার্যালয়ে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে নোঙর বাংলাদেশের নেতৃবৃন্দ তাকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান। এ সময় সংগঠনের বিভিন্ন কার্যক্রম, বিশেষ করে নদী-নালা, খাল-বিল ও জলাশয় রক্ষা এবং পরিবেশ সংরক্ষণে সংগঠনের উদ্যোগ ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা করা হয়।
ফুলেল শুভেচ্ছা প্রদানকালে উপস্থিত ছিলেন নোঙর বাংলাদেশের ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা শাখার সভাপতি মো. মনির হোসেন, সিনিয়র সহ-সভাপতি মো. ছগির আহম্মেদ কাজল, সহ-সভাপতি মোশারফ হোসেন, সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম ভূঁইয়া, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোজাম্মেল চৌধুরী ও মোহাম্মদ ফরহাদ হোসেন সরকার।
এ ছাড়া উপস্থিত ছিলেন সাংগঠনিক সম্পাদক কামাল উদ্দিন, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মুফতি এনামুল হাসান ও জেসমিন আক্তার, সহ-আইন বিষয়ক সম্পাদক মো. রফিকুল ইসলাম, অর্থ ও তহবিল বিষয়ক সম্পাদক আশিক মান্নান হিমেল, আপ্যায়ন সম্পাদক আবু নাছের রতন, সহ-আপ্যায়ন সম্পাদক মাজহারুল আহমেদ চৌধুরী মঞ্জু, ইঞ্জিনিয়ার খলিলুর রহমান, মো. নিশাদুল ইসলাম, মো. জয়নাল আবেদীন ও খাদেমুল ইসলাম জীবন।
এ সময় নোঙর বাংলাদেশের উপদেষ্টা মণ্ডলীর সদস্য মো. মনিরুল ইসলামসহ সংগঠনের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
সাক্ষাৎকালে জেলা পরিষদ প্রশাসক আলহাজ্ব সিরাজুল ইসলাম সিরাজ নোঙর বাংলাদেশের নদী ও পরিবেশ রক্ষার কার্যক্রমের প্রশংসা করেন। একই সঙ্গে জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে এ ধরনের সামাজিক উদ্যোগ আরও জোরদার করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
নোঙর বাংলাদেশের নেতৃবৃন্দ বলেন, নদী বাঁচলে পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষা পাবে। নদী ও জলাশয় রক্ষায় জনসম্পৃক্ততা বাড়ানোই নোঙর বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য। আগামী দিনে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় নদী, খাল ও জলাশয় রক্ষায় আরও কার্যকর কর্মসূচি গ্রহণ করা হবে বলেও জানান তারা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজধানীর একটি এলাকায় স্বামীকে হত্যা করে ‘জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯’ নম্বরে ফোন করে আত্মসমর্পণ করেছেন তার স্ত্রী।
আজ বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২টায় সবুজবাগ থানার নন্দীপাড়া বড় মসজিদ এলাকা থেকে অভিযুক্ত রেহানা আক্তার ৯৯৯ নম্বরে ফোন করে আত্মসমর্পণ করেন।
নিহতের নাম মাহফুজুর রহমান, যিনি ৪০ বছর বয়সী ছিলেন। পুলিশ অভিযুক্ত স্ত্রী রেহেনা আক্তারকে গ্রেপ্তার করেছে।
পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, রেহেনা আক্তার নামের একজন কলার ‘জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯’ নম্বরে ফোন করে জানান, আগের রাতে তার স্বামীকে ঘুমের ওষুধ খাইয়ে ঘুমন্ত অবস্থায় ইট দিয়ে মাথায় আঘাত করে হত্যা করেছেন। ৯৯৯ তাৎক্ষণিকভাবে সবুজবাগ থানাকে বিষয়টি জানায় যাতে তারা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে পারে।
প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, পারিবারিক কলহ এবং স্বামীর অন্য নারীদের সঙ্গে পরকীয়ার কারণে ক্ষিপ্ত হয়ে রেহানা তার স্বামীকে হত্যা করেন। সবুজবাগ থানার পুলিশ রেহেনাকে গ্রেপ্তার করেছে এবং এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ