ঢাকা মঙ্গলবার, ২৭শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১১ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২৭শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১১ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

২৭ বছর বয়সে মুক্তিযুদ্ধ করেছি, প্রয়োজনে ৮২ বছরেও আরেকটি যুদ্ধ করব: রাষ্ট্রপতি


২৭ বছর বয়সে মুক্তিযুদ্ধ করেছি, প্রয়োজনে ৮২ বছরেও আরেকটি যুদ্ধ করব: রাষ্ট্রপতি

ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হাফিজ উদ্দিন আহমেদ আওয়ামী লীগের সমালোচনা করেছেন। তিনি বলেছেন, “এত অন্যায়, অবিচার, খুন, গুম, মানি লন্ডারিং, নির্যাতন, আয়নাঘরের মতো ঘটনা ঘটানোর পরও তাদের কোনো অনুশোচনা নেই। আবার তারা বলে, ডিসেম্বর মাসে দেশে আসবে। আসুক দেশে, রাজপথে দেখা হবে ইনশাআল্লাহ।”

নিজের রাজনৈতিক জীবনের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, “২৭ বছর বয়সে মুক্তিযুদ্ধ করেছি। এখন ৮২ বছর বয়সে প্রয়োজন হলে বাংলাদেশের জন্য আরেকটি যুদ্ধও করব। বাংলাদেশের জনগণের শাসন ও গণতন্ত্রকে চিরস্থায়ী করে যাব। ১৯৭১ সালে যুদ্ধ করে আহত হয়েছিলাম, এই ধরনের বাংলাদেশ দেখার জন্য নয়।”

বুধবার দুপুরে রাজধানীর চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস’ উপলক্ষে আয়োজিত এক সংবর্ধনা ও আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

আরও পড়ুন: ২২ বছরে ‘ক্রসফায়ার’ ও ‘কথিত বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত ২৯৫৭

তিনি বলেন, “জুলাইয়ের ইতিহাস গৌরবের ইতিহাস। পৃথিবীতে এমন সাহসী জাতি খুব কম আছে, যারা সঙ্গীনের সামনে আবু সাঈদের মতো বুক চিতিয়ে দাঁড়াতে পারে। আমরা সেই জাতি, এ নিয়ে আমরা গর্ব করি।”

জুলাই যোদ্ধাদের উদ্দেশে রাষ্ট্রপতি বলেন, “মন খারাপ করবেন না। ১৯৭১ সালের শহীদরাও অনেক কিছু পাননি। আপনারাও হয়তো সবকিছু পাবেন না। কিন্তু এই সরকারের কাছ থেকে সম্মান অবশ্যই পাবেন।”

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমেদ, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ারসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতা, কূটনৈতিক প্রতিনিধি এবং জুলাই আন্দোলনের শহীদ পরিবারের সদস্যরা।

আরও পড়ুন: জাপানের প্রধানমন্ত্রী তাকাইচির উষ্ণ অভ্যর্থনা পেলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রাজবাড়ীতে বিএন‌পির জুলাই গণঅভূত্থান দিবস পালন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

জাকির হোসেন পাটোয়ারী রাজবাড়ী প্রতিনিধি

বুধবার, ৫ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১১:৪১ পি.এম


রাজবাড়ীতে বিএন‌পির জুলাই গণঅভূত্থান দিবস পালন

রাজবাড়ীতে জেলা বিএনপির উদ্যোগে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস পালন করা হয়েছে।

এ উপলক্ষে বুধবার বিকালে জেলা বিএনপির দলীয় কার্যালয়ে আলোচনা সভা ও দোয়া মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদদের স্মরণ করা হয়।

আলোচনা সভায় জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসের বিষয়বস্তু তুলে ধরা হয়। এতে উপস্থিত ছিলেন রাজবাড়ী জেলা পরিষদ প্রশাসক আব্দুস সালাম মিয়া, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক এড. লিয়াকত আলী বাবু, যুগ্ম আহ্বায়ক রেজাউল করিম শিকদার পিন্টু, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান লিখন, সভাপতি আব্দুল মালেক, জেলা যুবদলের সদস্য সচিব আমিনুর রহমান ঝন্টু, পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এমএ খালেদ পাভেল, জেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক আরিফুল ইসলাম রোমান, সদস্য সচিব শাহিনুর রহমান শাহিন প্রমুখ।

আলোচনা শেষে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদদের রুহের মাগফিরাত এবং আহতদের সুস্থ্যতা কামনায় এক দোয়া মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

৪০৪ শিক্ষকের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রবিরোধী তৎপরতার অভিযোগ, ইবি জিয়া পরিষদের প্রতিবাদ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ৫ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১১:৪৩ পি.এম


৪০৪ শিক্ষকের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রবিরোধী তৎপরতার অভিযোগ, ইবি জিয়া পরিষদের প্রতিবাদ

সম্প্রতি গণমাধ্যমে প্রকাশিত পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের কতিপয় শিক্ষকের কথিত রাষ্ট্রবিরোধী এবং ফ্যাসিবাদী তৎপরতা এবং বিভিন্ন গোষ্ঠীর সন্ত্রাসী কার্যকলাপের বিরুদ্ধে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি) জিয়া পরিষদ তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে।

বুধবার (৫ আগস্ট) বিশ্ববিদ্যালয় শাখা জিয়া পরিষদের সভাপতি অধ্যাপক ড. মো. ফারুকুজ্জামান খান এবং সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. রফিকুল ইসলামের যৌথ স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ প্রতিবাদ প্রকাশ করা হয়েছে।

শিক্ষক সংগঠনটির নেতারা জানিয়েছেন, সম্প্রতি দেশের বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বাংলাদেশের ২২টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪০৪ জন শিক্ষকের বিরুদ্ধে জনস্বার্থপরিপন্থী এবং কার্যক্রম নিষিদ্ধ একটি দলের আদর্শিক তৎপরতায় সম্পৃক্ত থাকার অভিযোগ প্রকাশিত হয়েছে। জুলাই গণআন্দোলনের পর প্রতিষ্ঠিত জাতীয় মূল্যবোধের অংশীদার হিসেবে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় জিয়া পরিষদ এ ধরনের ষড়যন্ত্রমূলক কর্মকাণ্ডের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছে।

প্রতিবাদলিপিতে বলা হয়েছে, কার্যক্রম নিষিদ্ধ দলটির আদর্শিক অবস্থান সমর্থন করে একটি শিক্ষক সংগঠনের বিভিন্ন তৎপরতা ইতোমধ্যে অনলাইনসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে। এই অবস্থায় ফ্যাসিবাদ পুনঃপ্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে পরিচালিত যেকোনো ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে। একই সাথে গত কয়েক দিন ধরে দেশজুড়ে পরিচালিত সন্ত্রাস ও বিশৃঙ্খলার মাধ্যমে দেশকে অস্থিতিশীল করার চক্রান্তের বিরুদ্ধে সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছে সংগঠনটি।

এদিকে, অভিযোগে উল্লিখিত ৪০৪ জন শিক্ষকের মধ্যে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪৪ জন শিক্ষক রয়েছেন। বিষয়টি প্রশাসনের নজরে এলে অভিযোগ তদন্তে পাঁচ সদস্যবিশিষ্ট একটি কমিটি গঠন করে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর স্মৃতিচারণ

আপনি কেন দেশে এসেছেন, উত্তরে যা বলেছিলেন মীর কাশেম আলী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ৫ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১১:৪৮ পি.এম


আপনি কেন দেশে এসেছেন, উত্তরে যা বলেছিলেন মীর কাশেম আলী

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ উল্লেখ করেছেন, "আমি মীর কাশেম আলীকে জিজ্ঞেস করেছিলাম, আপনি কেন ফেরত আসলেন?" তিনি এই প্রশ্নের উত্তরে মীর কাশেম আলী বলেছিলেন, "আমি ফিরে না আসলে, আমার ছেলেটাকে ধরে নিয়ে যাবে।" মীর কাশেম আলী আমার বন্ধু ছিলেন। আমরা একসাথে কাশেমপুর কারাগারে জেল খেটেছি। বুধবার দুপুরে অনুষ্ঠিত এক অনুষ্ঠানে, রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে জুলাই শহীদ পরিবার ও জুলাই যোদ্ধাদের সংবর্ধনা ও আলোচনা অনুষ্ঠান চলাকালে তিনি এ কথা বলেন।

সালাহউদ্দিন আহমদ তাঁর বক্তব্যে বলেন, "অনুষ্ঠানে প্রতিবাদ জানানো ব্যক্তিদের বক্তব্যও আমি মনোযোগ দিয়ে শুনেছি।" তিনি উল্লেখ করেছেন, "জুলাই আন্দোলনে যারা সমন্বয় করেছেন, তাদের অবদানও স্মরণ করি।" এছাড়াও, তিনি জানান, "যদি প্রধানমন্ত্রী দীর্ঘদিন নির্বাসনে না থাকতেন, তাহলে হয়তো আরও সুসংগঠিতভাবে আন্দোলন পরিচালনা করা সম্ভব হতো।" এ সময় তিনি বলেন, "মাঠের অধিকাংশ নেতৃত্ব কারাগারে, গুম বা আত্মগোপনে ছিলেন। তবে জনগণের ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধের মাধ্যমে ইতিহাসের অন্যতম ভয়াবহ স্বৈরাচারের পতন ঘটে।"

নিজের বন্দিজীবনের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে, সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, "আয়নাঘরে ৬১ দিন থাকার অভিজ্ঞতা আমার রয়েছে। সেখানে একজন মানুষ ২৪ ঘণ্টাও থাকতে পারবে না।" তিনি মীর কাশেম আলীর পরিবারের প্রসঙ্গ তুলে ধরে বলেন, "স্বৈরাচার কেবল ব্যক্তিকে নয়, পরিবারকেও ধ্বংস করেছে।" এই ভয়াবহ অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে, তিনি সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে আহ্বান জানান এবং বলেন, "যদি আমরা বলতে শুরু করি— জুলাই কার, তাহলে জুলাই কারও থাকবে না।"

সালাহউদ্দিন আহমদ আরও বলেন, "পৃথিবীর বহু জাতি শত বছর সংগ্রাম করেও স্বাধীনতা অর্জন করতে পারেনি। বাংলাদেশে দীর্ঘদিনের আন্দোলন-সংগ্রাম, ত্যাগ ও রক্তের বিনিময়ে জুলাই গণঅভ্যুত্থান সফল হয়েছে।" তিনি এই অভ্যুত্থানকে নিউটনের আপেলের মতো হঠাৎ পড়ে যাওয়া কোনো ঘটনা নয় হিসেবে অভিহিত করেন এবং জানান, "দীর্ঘ প্রস্তুতি, ত্যাগ ও সংগ্রামের ফসল এটি। তাই এ অর্জনকে কখনো দলীয়করণ করা যাবে না।"

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গণভোটের রায়ের আলোকে জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন করতে হবে : খেলাফত মজলিস

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ৫ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১১:৪৯ পি.এম


গণভোটের রায়ের আলোকে জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন করতে হবে : খেলাফত মজলিস

২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থান বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের রক্ষাকবচ এবং বৈষম্যমুক্ত বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ছাত্র-জনতার অপ্রতিরোধ্য জাগরণ ছিল, এই মর্মে মন্তব্য করেছেন খেলাফত মজলিসের আমীর মাওলানা আব্দুল বাছিত আজাদ।

তিনি আরো বলেন, “ঐতিহাসিক সেই জাগরণে সকল শহীদের মাগফিরাত কামনা করছি। আহত ও পঙ্গুত্ববরণকারীদের প্রতি সমবেদনা জানাচ্ছি।”

বুধবার, রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত গণমিছিল-পূর্ব সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব বিষয় তুলে ধরেন।

খেলাফত মজলিসের আমীর আরও উল্লেখ করেন, “সরকার অভ্যুত্থানের সবচেয়ে বড় উপকারভোগী হওয়া সত্ত্বেও গণভোটের রায়ের আলোকে জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নে অনীহা প্রকাশ করছে। সংবিধানের মৌলিক কাঠামো সংস্কারের পক্ষে গণভোটে সংখ্যাগরিষ্ঠ জনগণের রায়কে উপেক্ষা করা হচ্ছে।”

তিনি বলেন, “স্বাক্ষর দেওয়ার পরও জুলাই জাতীয় সনদের পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়নে অনীহা দেখানো এই সনদের প্রতি বিশ্বাসঘাতকতা। আমরা অবিলম্বে গণভোটের রায়ের আলোকে জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন দেখতে চাই। ফ্যাসিবাদী অপশক্তির বিচার এবং পলাতক দণ্ডিতদের রায় দ্রুত কার্যকর করতে হবে।”

খেলাফত মজলিস ঢাকা মহানগরী শাখার উদ্যোগে আয়োজিত সমাবেশে প্রধান বক্তার বক্তব্যে দলটির মহাসচিব ড. আহমদ আবদুল কাদের বলেন, “শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজি বন্ধ করুন। শিক্ষার পরিবেশ ব্যাহত হলে মেধার সুস্থ বিকাশ বাধাগ্রস্ত হবে। ক্যাম্পাসে দলীয় আধিপত্যবাদী আচরণ বন্ধ করতে হবে।”

তিনি আরো বলেন, “সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজি বন্ধে কার্যকর উদ্যোগ নিতে হবে। বিরোধী দল ও মতের বিরুদ্ধে বিগত ফ্যাসিস্ট ও স্বৈরাচারের পদাঙ্ক অনুসরণের চেষ্টা করবেন না। বাংলাদেশের আপসহীন ছাত্র-জনতা নতুন করে কোনো ফ্যাসিবাদ প্রতিষ্ঠিত হতে দেবে না।”

তিনি জোর দিয়ে বলেন, “জুলাই সনদের পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়নের দাবিতে সব স্তরের আন্দোলন আরও বেগবান করতে হবে।”

গণভোটের রায়ের আলোকে জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন এবং পলাতক ফ্যাসিবাদীদের গুম, খুন, নির্যাতন, গণহত্যা ও দুর্নীতির বিচারের দাবিতে আয়োজিত এই সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন খেলাফত মজলিস ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সভাপতি অধ্যাপক মাওলানা আজিজুল হক।

এছাড়া, ঢাকা মহানগর উত্তর সভাপতি অধ্যাপক মাওলানা সাইফুদ্দিন আহমদ খন্দকারের পরিচালনায় সমাবেশে বক্তব্য দেন দলের সিনিয়র নায়েবে আমীর মাওলানা সাখাওয়াত হোসাইন, সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট জাহাঙ্গীর হোসাইন, যুগ্ম মহাসচিব অধ্যাপক আবদুল জলিল, কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক অধ্যাপক কাজী মিনহাজুল আলম, মুহাদ্দিস শেখ সালাহউদ্দিন, কেন্দ্রীয় যুব বিষয়ক সম্পাদক ও ইসলামী যুব মজলিসের কেন্দ্রীয় সভাপতি তাওহীদুল ইসলাম তুহিন, কেন্দ্রীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মুফতি আবদুল হক আমিনীসহ দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা।

এ ছাড়া, বক্তব্য দেন কেন্দ্রীয় নির্বাহী সদস্য হাজী নুর হোসেন, মাওলানা নুরুল হক, মাওলানা নজরুল ইসলাম মাজহারী, আবুল হোসেন, প্রিন্সিপাল মাওলানা আজিজুল হক, বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্র মজলিসের কেন্দ্রীয় সভাপতি মুহাম্মদ রায়হান আলী, শ্রমিক মজলিসের সাধারণ সম্পাদক এইচ এম এরশাদসহ অনেকে।

সমাবেশ শেষে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে থেকে একটি গণমিছিল বের করা হয়। মিছিলটি পল্টন মোড় ঘুরে বিজয়নগর পানির ট্যাংকি এলাকায় গিয়ে শেষ হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৫
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২৩
ইশা ০৬:৩৫
সূর্যোদয় : ০৬:০১ সূর্যাস্ত : ০৫:২৩
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%