ঢাকা মঙ্গলবার, ২৭শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১১ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২৭শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১১ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

বিকেএসপিতে সুযোগ না পাওয়া প্রতিভাবান খেলোয়াড়দের জন্য বিশেষ ব্যবস্থার আশ্বাস


বিকেএসপিতে সুযোগ না পাওয়া প্রতিভাবান খেলোয়াড়দের জন্য বিশেষ ব্যবস্থার আশ্বাস

নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসের প্রথম পর্বের প্রশিক্ষণ ক্যাম্পে চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত ৪০ জনের বাইরে থাকা বাকি প্রতিভাবান খেলোয়াড়দের হতাশ হওয়ার কোনো কারণ নেই, এমনটাই জানিয়েছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক।

সোমবার (২৬ অক্টোবর) বিকালে বিকেএসপিতে প্রশিক্ষণ ক্যাম্পের সমাপনী অনুষ্ঠানে তিনি উল্লেখ করেন, প্রথম আসরে ১ লক্ষ ৬৮ হাজার অনলাইন রেজিস্ট্রেশনের মধ্যে থেকে ৩০৬ জন খেলোয়াড়কে নিয়ে ৪০ দিনব্যাপী ক্যাম্প পরিচালনা করা হয়েছে। তবে বিভিন্ন কারণে অনেক খেলোয়াড় শেষ পর্যন্ত বিকেএসপিতে পৌঁছাতে পারেননি বা সুযোগ পাননি। এ পরিস্থিতিতে তাদের মেধা ও পারফরম্যান্সকে টিকিয়ে রাখার জন্য সরকার বিশেষ পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে।

প্রতিমন্ত্রী আরও জানান, ১০ থেকে ১৪ বছর বয়সী শিশুদের পাশাপাশি ১৫, ১৬ বা ১৭ বছর বয়সী যেসব খেলোয়াড় বয়স বা অন্যান্য কারণে এই দফায় সুযোগ পাননি, তাদেরকে জেলা ক্রীড়া সংস্থার মাধ্যমে বিভিন্ন লিগে খেলানোর ব্যবস্থা করা হবে। এছাড়া ৫ নভেম্বর থেকে শুরু হতে যাওয়া দ্বিতীয় আসরে তারা ইউনিয়ন, উপজেলা, জেলা ও বিভাগীয় পর্যায় পেরিয়ে জাতীয় পর্যায়ে নিজেদের পারফরম্যান্স প্রদর্শন করে বিকেএসপিতে সুযোগ পাওয়ার এবং নিজেদের প্রতিভা প্রমাণ করার পূর্ণ সুযোগ পাবেন।

আরও পড়ুন: ২৪ নারী হকি গোলরক্ষক নিয়ে শুরু হলো দীর্ঘমেয়াদী অনুশীলন

আমিনুল হক বলেন, সুনির্দিষ্ট গাইডলাইন ও পরিকল্পনা অনুযায়ী প্রথম আসরে ১০ থেকে ১৪ বছর বয়সী শিশুদের নিয়ে কাজ করা হলেও ১৫ বা ১৬ বছর বয়সি খেলোয়াড়দের ধরে রাখার পরিকল্পনাও সরকারের রয়েছে। এই লক্ষ্যে ‘নতুন কুঁড়ি’র দ্বিতীয় আসরে প্রায় ১৬ লক্ষ ২৩ হাজার ক্রীড়াবিদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা হয়েছে, যার মধ্যে প্রায় ১৪ লক্ষ ক্রীড়াবিদ ৪৫৯৯টি ইউনিয়নে দল গঠন করে পারফর্ম করবে।

তিনি আরও জানান, ১৫, ১৬ বা ১৭ বছর বয়সী এসব খেলোয়াড়কে সারা দেশের প্রতিটি জেলা ক্রীড়া সংস্থার মাধ্যমে বিভিন্ন লিগে খেলানোর মাধ্যমে ধরে রাখা হবে। সরকারের এই বহুমুখী পরিকল্পনার মাধ্যমে দেশের আনাচে-কানাচে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা সব প্রতিভাবান খেলোয়াড়কে তুলে আনা সম্ভব হবে, এমন আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

আগামী ৫ নভেম্বর খুলনা জেলা স্টেডিয়াম থেকে বাংলাদেশের ৫০৩টি উপজেলায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান একযোগে দ্বিতীয় আসরের উদ্বোধন করবেন বলেও উল্লেখ করেন ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল। তিনি জানান, এই আসরে খেলোয়াড়েরা ইউনিয়ন পর্যায় থেকে শুরু করে উপজেলা, জেলা ও বিভাগীয় পর্যায় পেরিয়ে জাতীয় পর্যায়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে। জাতীয় পর্যায়ে নির্বাচিত খেলোয়াড়দের পুনরায় বিকেএসপিতে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে এবং সেখান থেকে চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত প্রতিভাবান খেলোয়াড়দের স্থায়ীভাবে বিকেএসপিতে ভর্তি করিয়ে তাদের পড়াশোনা ও খেলাধুলার সম্পূর্ণ দায়িত্ব সরকার বহন করবে।

উল্লেখ্য, প্রথম আসরে ১ লক্ষ ৬৮ হাজার অনলাইন রেজিস্ট্রেশনের মাধ্যমে ৩০৬ জন প্রতিভাবান খেলোয়াড় পাওয়া গেলেও বিভিন্ন কারণে অনেকেই বিকেএসপিতে পৌঁছাতে পারেননি। এ ধরনের খেলোয়াড়দের পরবর্তী আসরে তাদের পারফরম্যান্স প্রদর্শনের মাধ্যমে জাতীয় পর্যায়ে আবারও অংশগ্রহণের সুযোগ নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

আরও পড়ুন: লোকবল ও বাজেট সংকটে ভেঙে পড়ছে মৌলভীবাজারের এম সাইফুর রহমান স্টেডিয়াম

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইথিওপিয়ায় ৬০-এর বেশি খ্রিস্টান নিহত, গির্জা বলল ‘গণহত্যা’

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২৭শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১২:১২ পি.এম


ইথিওপিয়ায় ৬০-এর বেশি খ্রিস্টান নিহত, গির্জা বলল ‘গণহত্যা’

ইথিওপিয়ার ওরোমিয়া অঞ্চলে ধারাবাহিক হামলার ফলে ৬০ জনেরও বেশি খ্রিস্টান নিহত হয়েছেন। দেশটির অর্থোডক্স চার্চের তথ্য অনুযায়ী, এই ঘটনা সাম্প্রতিক বছরগুলোর মধ্যে ওই অঞ্চলে ঘটে যাওয়া সবচেয়ে মারাত্মক সহিংসতা। গির্জার একজন কর্মকর্তা এটিকে ‘গণহত্যা’ বলে অভিহিত করেছেন এবং অভিযোগ করেছেন যে, নিরাপত্তা বাহিনী ঘটনাস্থলে উপস্থিত হলেও হামলা থামাতে সক্ষম হয়নি।

বিবিসির প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০ অক্টোবর ও ২৪ অক্টোবর দুই দফার হামলায় ৬০ জনের বেশি মানুষ নিহত হন। নিহতদের মধ্যে পাঁচজন শিশু রয়েছে। হামলার ফলে প্রায় ২০টি বাড়ি পুড়ে গেছে। জীবন বাঁচাতে অনেক স্থানীয় বাসিন্দা ইতিমধ্যে এলাকা ছেড়ে পালিয়ে গেছেন।

হামলার শিকার একজন স্থানীয় বাসিন্দা জানান, ৭৫ বছর বয়সী বাবাকে হারানোর ঘটনায় হামলাটি সম্পূর্ণ অপ্রত্যাশিত ছিল। হামলাকারীরা তাদের চারপাশ থেকে ঘিরে ফেলেছিল এবং তারা সম্পূর্ণ অপ্রস্তুত ছিলেন।

এ নৃশংসতার জন্য একজন স্থানীয় কর্মকর্তা ‘অ্যালায়েন্স ফর সারভাইভাল’ নামের একটি নবগঠিত বিদ্রোহী জোটকে দায়ী করেছেন, যা ওরোমো লিবারেশন আর্মি (ওএলএ) এর সাথে যুক্ত। তবে ওএলএ এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে।

ইথিওপিয়ান অর্থোডক্স তেওয়াহেদো চার্চের পবিত্র সিনডের প্রকাশিত বিবৃতিতে নির্দিষ্টভাবে কারো নাম উল্লেখ করা হয়নি, কিন্তু সরকার অতীতে এসব হামলার জন্য ওএলএ কে দায়ী করে আসছে। প্রধানমন্ত্রী আবি আহমেদ পূর্বে মন্তব্য করেছিলেন যে, বেসামরিক নাগরিক ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলোতে হামলা চালিয়ে দেশকে অস্থিতিশীল করার একটি পরিকল্পনা চলছে।

অর্থোডক্স চার্চ সহিংসতার তীব্র নিন্দা জানিয়ে বলেছে, খ্রিস্টানদের ওপর হামলা ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে, যা দেশের শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের মূল্যবোধকে ক্ষুণ্ণ করছে। চার্চের পক্ষ থেকে সরকারের বিভিন্ন স্তরে নিরাপত্তাহীনতার বিষয়টি জানানো হলেও কোনো সমাধান মেলেনি বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

এদিকে, বেসরকারি সংস্থা ‘ইথিওপিয়ান হিউম্যান রাইটস কাউন্সিল’-এর ২০২৬ সালের জুলাইয়ের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, গত চার বছরে ওই এলাকায় বিভিন্ন হামলায় ৪৫৮ জন নিহত হয়েছেন। সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলো বিশেষ করে অর্থোডক্স চার্চের অনুসারীদের লক্ষ্যবস্তু করে হামলা চালানোয় এগুলোকে ধর্মীয় উদ্দেশ্যপ্রণোদিত হামলা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

পূর্ববর্তী প্রতিবেদনে এই অঞ্চলে মুসলিমদের ওপর হামলার ঘটনাও নথিভুক্ত হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দারা এই চলমান সহিংসতাকে জাতিগত ও ধর্মীয়—উভয় প্রকৃতির বলেই বর্ণনা করেছেন। বর্তমান পরিস্থিতিতে আঞ্চলিক সরকার দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিলেও, বারবার ঘটে চলা এই রক্তক্ষয়ী সংঘাত ইথিওপিয়ার অভ্যন্তরীণ স্থিতিশীলতাকে চরম হুমকির মুখে ফেলছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

২২ বছরে ‘ক্রসফায়ার’ ও ‘কথিত বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত ২৯৫৭

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২৭শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১২:১২ পি.এম


২২ বছরে ‘ক্রসফায়ার’ ও ‘কথিত বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত ২৯৫৭

২০০৪ সাল থেকে ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত দেশের আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে ‘ক্রসফায়ার’ ও ‘কথিত বন্দুকযুদ্ধে’ মোট ২ হাজার ৯৫৭ জন নিহত হয়েছে। পুলিশের অভিযানে সবচেয়ে বেশি প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে। এই সময়ে পুলিশের হাতে নিহত হয়েছেন ১ হাজার ৩৭১ জন, যা মোট মৃত্যুর প্রায় ৪৬ শতাংশ। র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র‍্যাব) অভিযানে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে।

মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক) এক পরিসংখ্যানে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। আসকের পরিসংখ্যান বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, আলোচ্য সময়ে র‍্যাবের হাতে ‘ক্রসফায়ার’ ও ‘কথিত বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত হয়েছেন ১ হাজার ২০০ জন। এছাড়া পুলিশ ও র‍্যাবের যৌথ অভিযানে একই ধরনের ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন আরো ৬৯ জন। সব মিলিয়ে পুলিশ, র‍্যাব এবং তাদের যৌথ অভিযানে নিহতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২ হাজার ৬৪০ জন।

দীর্ঘ সময় ধরে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযানে এসব মৃত্যুর ঘটনা মানবাধিকার ও বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড নিয়ে নানা প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। ‘ক্রসফায়ার’ ও ‘বন্দুকযুদ্ধ’ হিসেবে বর্ণিত এসব ঘটনার ক্ষেত্রে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর বক্তব্য এবং ঘটনার প্রকৃত পরিস্থিতি নিয়ে বিভিন্ন সময়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। তবে আসকের পরিসংখ্যান মূলত বিভিন্ন সময়ে নথিভুক্ত মৃত্যুর সংখ্যা তুলে ধরে, প্রতিটি ঘটনার পরিস্থিতি বা দায় নির্ধারণের জন্য পৃথক তদন্ত ও বিচারিক প্রক্রিয়া প্রয়োজন।

আসকের বার্ষিক প্রতিবেদনভিত্তিক তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালের পর থেকে পুলিশ কিংবা র‍্যাবের হাতে ‘ক্রসফায়ার’ ও ‘কথিত বন্দুকযুদ্ধে’ কোনো ব্যক্তির নিহত হওয়ার তথ্য নথিভুক্ত হয়নি। দীর্ঘ সময় ধরে এসব বাহিনীর অভিযানে মৃত্যুর ঘটনা নথিভুক্ত হওয়ার পর সাম্প্রতিক বছরগুলোতে তাদের ক্ষেত্রে এমন তথ্য না থাকার বিষয়টি পরিসংখ্যানে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন হিসেবে উঠে এসেছে।

তবে এর অর্থ এই নয় যে ২০২৪ সালের পর আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর অন্য কোনো অভিযানে এ ধরনের প্রাণহানির ঘটনা ঘটেনি। আসকের তথ্য বলছে, এ সময়েও অন্যান্য বাহিনীর অভিযানে ‘কথিত বন্দুকযুদ্ধে’ মৃত্যুর ঘটনা নথিভুক্ত হয়েছে।

পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০২৪ সালে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) অভিযানে একজন নিহত হন। ২০২৫ সালে কোস্ট গার্ডের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে একজনের মৃত্যুর তথ্য পাওয়া যায়। আর ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের অভিযানে একজন নিহত হয়েছেন। অর্থাৎ পুলিশ ও র‍্যাবের হাতে এমন মৃত্যুর তথ্য নথিভুক্ত না হলেও অন্যান্য বাহিনীর ক্ষেত্রে প্রাণহানির ঘটনা পুরোপুরি বন্ধ হয়নি।

আসকের তথ্য অনুযায়ী, ২০০৪ থেকে ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত পুলিশ, র‍্যাব, তাদের যৌথ অভিযান এবং অন্যান্য আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযানে ‘ক্রসফায়ার’ বা ‘কথিত বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত হয়েছেন মোট ২ হাজার ৯৫৭ জন। এর মধ্যে পুলিশের অভিযানে নিহতের সংখ্যা সর্বোচ্চ। র‍্যাবের অভিযান রয়েছে দ্বিতীয় অবস্থানে। পাশাপাশি যৌথ অভিযান এবং অন্যান্য বাহিনীর অভিযানে মৃত্যুর ঘটনাও এই দীর্ঘ সময়ের পরিসংখ্যানে স্থান পেয়েছে।

প্রসঙ্গত, র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন বর্তমানে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি) নামে পরিচিত। দীর্ঘ ২২ বছরের এই পরিসংখ্যান দেশের আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযানসংক্রান্ত প্রাণহানির একটি সামগ্রিক চিত্র তুলে ধরে। একই সঙ্গে এসব ঘটনার স্বচ্ছ তদন্ত, জবাবদিহি এবং আইনের যথাযথ প্রয়োগ নিশ্চিত করার গুরুত্বও সামনে নিয়ে আসে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সাগর-রুনি হত্যা মামলায় আজ টাস্কফোর্স নিয়ে আদেশ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২৭শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১২:১৩ পি.এম


সাগর-রুনি হত্যা মামলায় আজ টাস্কফোর্স নিয়ে আদেশ

সাংবাদিক দম্পতি সাগর সারওয়ার ও মেহেরুন রুনি হত্যা মামলার তদন্তের জন্য টাস্কফোর্স নিয়ে আজ মঙ্গলবার আদেশ দেওয়ার দিন ধার্য করা হয়েছে। মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) বিচারপতি শিকদার মাহমুদুর রাজী এবং বিচারপতি ফাতেমা আনোয়ারের হাইকোর্ট বেঞ্চে রিট মামলাটি কার্যতালিকার প্রথম স্থানে রয়েছে।

এই হত্যা মামলায় বাদীপক্ষে উপস্থিত থাকবেন সিনিয়র আইনজীবী শিশির মনির। অপরদিকে, রিটকারীর পক্ষে আইনজীবী মনজিল মোরসেদ দায়িত্ব পালন করবেন।

এর আগে ২০২৪ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর তদন্ত থেকে র‍্যাবকে সরিয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীনে একটি উচ্চ পর্যায়ের টাস্কফোর্স গঠনের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল হাইকোর্টের পক্ষ থেকে। পাশাপাশি, ২০২৫ সালের ৬ এপ্রিলের মধ্যে একটি প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশও দেওয়া হয়েছিল। এরপর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় টাস্কফোর্স গঠন করে।

তবে ৬ এপ্রিল উচ্চ আদালতে অবকাশকালীন ছুটি থাকায় এ বিষয়ে কোনো অগ্রগতি হয়নি। পরবর্তীতে ২২ এপ্রিল, ২৩ অক্টোবর এবং চলতি বছরের ২৬ এপ্রিল রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনে তিন দফায় আরো ছয় মাস সময় বৃদ্ধি করা হয়। এই ধারাবাহিকতায় রিট আবেদনটি আবার কার্যতালিকায় উঠেছে।

২০১২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি রাতে ঢাকার পশ্চিম রাজাবাজারে সাংবাদিক দম্পতি মাছরাঙা টেলিভিশনের বার্তা সম্পাদক সাগর সারওয়ার এবং এটিএন বাংলার সিনিয়র প্রতিবেদক মেহেরুন রুনি তাদের ভাড়া বাসায় নির্মমভাবে খুন হন। পরদিন ভোরে তাদের ক্ষতবিক্ষত লাশ উদ্ধার করা হয়।

ওই বছরের ১২ ফেব্রুয়ারি রুনির ভাই নওশের আলী রোমান শেরেবাংলানগর থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। প্রথমে মামলাটির তদন্ত করেন শেরেবাংলানগর থানার একজন কর্মকর্তা।

১৬ ফেব্রুয়ারি মামলাটির তদন্তের দায়িত্ব গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) উত্তরের পুলিশ পরিদর্শক মো. রবিউল আলমের ওপর ন্যস্ত হয়। দুই মাস পর হাইকোর্টের আদেশে মামলাটির তদন্তের দায়িত্ব র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নকে (র‍্যাব) দেওয়া হয়। সেই থেকে আজ পর্যন্ত তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করতে পারেনি সংস্থাটি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির তৃতীয় ধাপ আজ শেষ হচ্ছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২৭শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১২:১৪ পি.এম


একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির তৃতীয় ধাপ আজ শেষ হচ্ছে

২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষের একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির জন্য শিক্ষার্থীদের আবেদনের তৃতীয় ধাপ বা সর্বশেষ সুযোগ আজ শেষ হচ্ছে। গতকাল সোমবার অনলাইনে তৃতীয় ধাপের আবেদন শুরু হয়েছে এবং এটি মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) রাত ৮টায় শেষ হবে।

এই ধাপে নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের ফল প্রকাশ হবে শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) রাত ৮টায়। যারা আগে আবেদন করেননি, কোনো কলেজে নির্বাচিত হননি অথবা নির্ধারিত সময়ে ভর্তি নিশ্চয়ন করতে পারেননি, তারা এই ধাপে আবেদনের সুযোগ পাবেন।

গত ১৭ অক্টোবর বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি ও ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক সৈয়দ আখতারুজ্জামানের স্বাক্ষরিত এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে এই সময়সূচি জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির ক্ষেত্রে তৃতীয় ধাপই সর্বশেষ ধাপ হিসেবে গণ্য হবে। এই কারণে শিক্ষার্থীদের কলেজ পছন্দক্রম নির্ধারণে সতর্কতা অবলম্বন করা এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ভর্তি কার্যক্রম সম্পন্ন করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, যারা আগে আবেদন করেনি বা আবেদন করেও কোনো কলেজে নির্বাচিত হয়নি, তারা এই ধাপে আবেদন করতে পারবে। এছাড়া, যারা চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত হয়ে ভর্তি নিশ্চয়ন করতে পারেনি বা নির্ধারিত সময়ে কলেজে ভর্তি হতে পারেনি, তাদের জন্যও আবেদন করার সুযোগ রয়েছে। ভুল কোটা নির্ধারণের কারণে নির্বাচিত কলেজে ভর্তি হতে না পারা শিক্ষার্থীদের জন্যও আবেদনের সুযোগ রাখা হয়েছে।

তৃতীয় ধাপে আবেদন করতে শিক্ষার্থীদের নির্ধারিত ভর্তি ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে নির্দেশিকা অনুসরণ করতে হবে। আবেদনের সময় কলেজের বিদ্যমান আসনসংখ্যা বিবেচনায় সর্বনিম্ন পাঁচটি এবং সর্বোচ্চ ১০টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পছন্দক্রমে রাখতে হবে।

দ্বিতীয় ধাপে আবেদন করেও কোনো কলেজে নির্বাচিত না হওয়া শিক্ষার্থীদের তৃতীয় ধাপে আবেদনের জন্য ২২০ টাকা অনলাইন আবেদন ফি দিতে হবে না। তাদের ভর্তি ওয়েবসাইটে লগইন করে কলেজ নির্বাচন বা পছন্দক্রম সম্পাদন করতে হবে।

সময়সূচি অনুযায়ী, নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের ফল প্রকাশের পর ৩১ অক্টোবর রাত ৮টা পর্যন্ত ভর্তি নিশ্চয়ন করা যাবে। মাইগ্রেশনের ফল প্রকাশ হবে ১ নভেম্বর রাত ৮টায়। নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের কলেজে ভর্তি কার্যক্রম চলবে ২ ও ৩ নভেম্বর।

বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়েছে, আগে নির্বাচন নিশ্চয়ন করা কোনো শিক্ষার্থী তৃতীয় ধাপে আবেদন করতে চাইলে ২৭ অক্টোবর বিকেল ৪টার মধ্যে সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বোর্ডে উপস্থিত হয়ে আগের নিশ্চয়ন বাতিল করতে হবে। এ ক্ষেত্রে সরকারি ছুটির দিন কার্যকর হবে না।

কোটায় আবেদনকারীদের নিজ নিজ যোগ্যতা অনুযায়ী সঠিক কোটা নির্বাচন করতে হবে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নির্বাচন নিশ্চয়ন না করলে সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থীর নির্বাচন ও আবেদন বাতিল হয়ে যাবে। একই সঙ্গে ভুলভাবে আবেদন করা বা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রয়োজনীয় কার্যক্রম সম্পন্ন করতে ব্যর্থ হলে পরবর্তী জটিলতার দায় বোর্ড কর্তৃপক্ষ নেবে না বলেও বিজ্ঞপ্তিতে সতর্ক করা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৫
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২৩
ইশা ০৬:৩৫
সূর্যোদয় : ০৬:০১ সূর্যাস্ত : ০৫:২৩
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%