(পটুয়াখালী) রাঙ্গাবালী প্রতিনিধি:“মোঃআসাদ মিয়া
০২:৩২ পি.এম
"তালগাছ লাগাই, বজ্রপাত থেকে রক্ষা পাই"—এই স্লোগানকে সামনে রেখে পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালীর ৫৮ নং নয়াভাঙ্গনী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে তালের বিচি রোপণের কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নাজমুন্নাহার আনসারীর উদ্যোগে আয়োজিত কর্মসূচিতে শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ স্থানীয় অভিভাবকরাও অংশ নেন। এ সময় শিক্ষার্থীদের মধ্যে বজ্রপাতের ঝুঁকি, পরিবেশ সংরক্ষণ এবং বেশি বেশি গাছ ও তালের বিচি লাগানোর গুরুত্ব সম্পর্কে সচেতনতামূলক আলোচনা করা হয়।
প্রধান শিক্ষক নাজমুন্নাহার আনসারী বলেন, "তালগাছ শুধু পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করে না, বরং বজ্রপাতের ঝুঁকি কমাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। ছোটবেলা থেকেই শিক্ষার্থীদের পরিবেশ সচেতন করে তুলতে এবং বৃক্ষরোপণে উৎসাহিত করতেই আমাদের এই উদ্যোগ।"
শিক্ষার্থীরা উৎসাহের সঙ্গে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে এবং ফাঁকা রাস্তার পাশে তালগাছের চারা রোপণ করে, এছাড়াও ভবিষ্যতে আরও গাছ লাগানোর অঙ্গীকার ব্যক্ত করে।
স্থানীয়রা বিদ্যালয়ের এ ধরনের ব্যতিক্রমী উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, পরিবেশ রক্ষা ও দুর্যোগ সচেতনতা বৃদ্ধিতে এ ধরনের কার্যক্রম অন্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্যও অনুকরণীয় হতে পারে।
পরিবেশবান্ধব বাংলাদেশ গড়তে এবং বজ্রপাতের ঝুঁকি মোকাবিলায় তালগাছ রোপণের মতো উদ্যোগ সমাজে ইতিবাচক বার্তা ছড়িয়ে দেবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলায় ঘটে যাওয়া একটি বিস্ফোরণের ঘটনায় নারী ও শিশুসহ তিনজন গুরুতর দগ্ধ হয়েছেন। সোমবার (৩ আগস্ট) সকাল ছয়টার দিকে উপজেলার ভরপাশা ইউনিয়নের দুধলমৌ গ্রামে এই ঘটনা ঘটেছে।
আহতদের মধ্যে রয়েছেন শাহ আলম হাওলাদারের স্ত্রী হনুফা বেগম, তাদের মেয়ে ইতি ও নাতি ফাহিম। প্রথমে তাদেরকে বাকেরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়। পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাঁদের বরিশাল শের-ই–বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
পুলিশ এবং স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শাহ আলম হাওলাদারের বাড়ির পাশে রাখা বালুভর্তি একটি বস্তার কাছে হঠাৎ বিকট শব্দে বিস্ফোরণ ঘটে।
বিস্ফোরণের ফলে কাছাকাছি থাকা তিনজন দগ্ধ হন। এ ঘটনার পর এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে আলামত সংগ্রহ করে এবং ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।
শাহ আলম হাওলাদারের ছেলে জামাল বলেন, বালুভর্তি বস্তার মধ্যে থাকা একটি বোমা বিস্ফোরিত হলে তার মা, বোন এবং ভাগ্নের শরীরে আগুন লেগে যায়। তারা নিজেদের প্রাণ বাঁচাতে বাড়ির সামনে থাকা তুলাতলা নদীতে ঝাঁপ দেন। পরে স্থানীয় লোকজন তাঁদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যান। তবে তিনি উল্লেখ করেন, বোমাটি সেখানে কীভাবে এল, সে বিষয়ে তাদের পরিবারের কোনো ধারণা নেই।
বাকেরগঞ্জ থানার ওসি আদিল হোসেন বলেন, ‘ঘটনাটি গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করা হচ্ছে। কী ধরনের বিস্ফোরক ব্যবহৃত হয়েছে এবং এর সঙ্গে কারা জড়িত, তা তদন্ত শেষে নিশ্চিত হওয়া যাবে। বিস্ফোরণের কারণ এবং এর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের শনাক্তে তদন্ত চলছে।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) ভবনটির বিভিন্ন স্থানে পলেস্তরা খসে পড়ছে এবং বৃষ্টি হলেই ছাদের পানি ভেতরে পড়ছে। ময়মনসিংহের হালুয়াঘাট উপজেলার ধারা ইউপির এই ভবনটির শৌচাগারগুলোর অবস্থাও খুব খারাপ। পানির কলগুলো ঠিকমতো কাজও করছে না।
প্রশাসনিক কর্মকর্তা সিরাজুল ইসলাম এ বিষয়ে বলেন, ভবনটি সংস্কার করা খুব জরুরি। শোনা যাচ্ছে সংস্কারের জন্য ১০ লাখ টাকা বরাদ্দ ছিল। তবে জুন মাস চলে গেলেও সংস্কার হয়নি।
অন্য দিকে, উপজেলার ধুরাইল ইউনিয়ন পরিষদ ভবনের অবস্থাও একই। রং জ্বলে গেছে এবং শৌচাগার ব্যবহারযোগ্য নয়। এই ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তাও একই কথা বলেন। উল্লেখ্য, তিনি জানান, ‘আমাদের ভবনটি সংস্কার করা খুব প্রয়োজন ছিল। শুনেছি সংস্কারের জন্য ২০২৫-২০২৬ অর্থ বছরে ১০ লাখ টাকার বরাদ্দ ছিল। কিন্তু সংস্কার হয়নি।’
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ধারা এবং ধুরাইলসহ হালুয়াঘাটের মোট ছয় ইউনিয়ন পরিষদ ভবন সংস্কারের জন্য ২০২৫-২০২৬ অর্থ বছরে ১০ লাখ টাকা করে মোট ৬০ লাখ টাকা বরাদ্দ দেয় স্থানীয় সরকার প্রকৌশল এবং পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়।
নিয়ম অনুযায়ী, জুন মাসের মধ্যে এ বরাদ্দের টাকায় সংস্কার কাজ করা কথা ছিল। কিন্তু জুন মাসের মধ্যে সংস্কার হয়নি এবং টাকা সরকারি কোষাগারে ফেরত পাঠানোর নিয়ম। এ দৃষ্টিকোণ থেকে দেখা গেলে, হালুয়াঘাটে সংস্কার কাজ হয়নি তবে টাকাও ফেরত দেওয়া হয়নি। তাহলে এই ৬০ লাখ টাকা গেল কোথায়, সেটাই এখন একটি প্রশ্ন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন কর্মকর্তার অভিযোগ, ২০২৫-২০২৬ অর্থ বছরে বরাদ্দ ৬০ লাখ টাকা আত্মসাৎ করেছেন হালুয়াঘাটের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এবং অন্যান্য কর্মকর্তা। দাবি করা হচ্ছে যে স্থানীয় প্রভাবশালী কিছু ব্যক্তিও এই ঘটনায় জড়িত থাকতে পারেন।
রবিবার (২ আগস্ট) অভিযোগের অনুসন্ধানে যাওয়া হয় সংস্কারের তালিকায় থাকা ছয় ইউনিয়নের মধ্যে গৃহীত ধারা, ধুরাইল, কৈচাপুর, এবং গাজিরভিটাতে।
সরেজমিন গিয়ে দেখা যায়, এই চারটি ইউপি ভবনের কোনওটিতেই সংস্কার হয়নি। এমনকি সংস্কারের জন্য বরাদ্দের খবরও জানেন না ইউপি সদস্য, প্রশাসনিক কর্মকর্তা এবং স্থানীয় বাসিন্দারা।
ধুরাইল ইউপির প্রশাসনিক কর্মকর্তা মিনহাজ উদ্দিন আহমদ বলেন, ‘সংস্কারের জন্য ১০ লাখ টাকা বরাদ্দ হয়েছে বলে শুনেছি। কিন্তু অর্থ বছরের সময়সীমা পার হয়ে গেলেও কোনও সংস্কার হয়নি। আমাদের ইউপি ভবনে বহু সংস্কারের প্রয়োজন।’
একই ইউনিয়ন পরিষদের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য এবং প্যানেল চেয়ারম্যান আবুল হাসেম বলেন, ‘সংস্কারের জন্য কোনও বরাদ্দ রয়েছে কিনা, সে বিষয়ে আমি কিছুই জানি না। তবে কোন সংস্কার কাজ হতে দেখিনি।’
আবুল হাসেম, সংস্কারের জন্য বরাদ্দের টাকা তুলে নেওয়া হয়েছে- এমন অভিযোগের ব্যাপারে বলেন, ‘এ অভিযোগ সত্য হলে, এটি একটি খুব অন্যায় কাজ হবে। আমার দাবি, আত্মসাৎ করা টাকা ফিরিয়ে এনে সংস্কার করা হোক।’
কৈচাপুর এবং গাজিরভিটা ইউপি ভবনেও সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়, সেখানে কোন সংস্কার কাজ হয়নি। কৈচাপুর ইউপির চেয়ারম্যান এবং সব সদস্যকে অপসারণ করা হয়েছে। বর্তমানে হালুয়াঘাট উপজেলার পল্লী সঞ্চয় ব্যাংকের ব্যবস্থাপক মোহাম্মদ শাহজাহান প্রশাসকের দায়িত্ব পালন করছেন। তবে তাকে কার্যালয়ে পাওয়া যায়নি। তবে এ ইউপির হিসাব সহকারী শফিকুর রহমান জানান, কিছুরই সংস্কার কাজ হয়নি। একই দিন বিকেলে গাজিরভিটা ইউনিয়ন পরিষদে গেলে সেখানকার প্রশাসনিক কর্মকর্তা সুব্রত দেবনাথ জানান, সম্প্রতি শেষ হওয়া অর্থ বছরে কোনো সংস্কার হয়নি।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, সংস্কারের তালিকায় থাকা স্বদেশি এবং জুগলী ইউপি ভবনেও কোন সংস্কার কাজ হয়নি।
সংস্কার না করে ৬০ লাখ টাকা তুলে নেওয়ার বিষয়ে জানতে রবিবার দুপুরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফয়সাল আহমেদের কার্যালয়ে যাওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে প্রথমে জানতে চাইলে তিনি কথা বলতে রাজি হননি। পরে তিনি উপজেলা প্রশাসনের অন্যান্য কয়েকজন কর্মকর্তাকে তার কক্ষে ডেকে আনেন।
কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে ইউএনও বলেন, ‘গত অর্থ বছরের ৩০ মে এ ছয়টি ইউপি ভবন সংস্কারের জন্য ৬০ লাখ টাকা বরাদ্দ হয়। সংস্কারের মধ্যে উল্লেখযোগ্য ছিল ভবনগুলোকে নতুন করে রং করা। কিন্তু বর্ষাকাল থাকায় রং করা হলে তা উঠে যেতে পারে, সেজন্য সংস্কার করা হয়নি।’
এসময় সরকারের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের অনুমতি নিয়ে ৬০ লাখ টাকা পে ওয়ার্ডার করে রাখা আছে, বলে দাবি করেন ইউএনও।
ইউএনও যখন এ বিষয়ে কথা বলতে থাকেন, তখন পাশ থেকে হালুয়াঘাটের উপসহকারী প্রকৌশলী মো. ইসমাইল হোসেন ইউএনওকে পরামর্শ দিয়ে বলেন, ‘স্যার বলেন, সংস্কার কাজ চলমান রয়েছে।’ এরপর ইউএনও বলেন, ‘সংস্কার কাজ চলমান রয়েছে। ছয়টি ভবনের সংস্কারের জন্য ঠিকাদারও নিয়োগ করা হয়েছে।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পিরোজপুরের কাউখালী উপজেলার ১৪ নং মধ্য সোনাকুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের এক সহকারী শিক্ষকের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ অনুযায়ী, তিনি একই বিদ্যালয়ের এক নারী শিক্ষককে অশালীন আচরণ, মানসিক হয়রানি ও নিরাপত্তাহীনতায় রাখার অভিযোগ করেছেন। ভুক্তভোগী সহকারী শিক্ষক ফেরদৌস আক্তার জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। উল্লেখ্য, অভিযোগের অনুলিপি প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, বরিশাল বিভাগীয় উপ-পরিচালক (প্রাথমিক শিক্ষা) এবং কাউখালী উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কাছে পাঠানো হয়েছে। লিখিত অভিযোগে ফেরদৌস আক্তার জানান, তিনি ২০১২ সালের ২১ এপ্রিল থেকে বিদ্যালয়টিতে কর্মরত রয়েছেন। অভিযোগ তাঁর দাবি, সহকারী শিক্ষক মিলন কৃষ্ণ পাল দীর্ঘদিন ধরে তাঁকে অশালীন মন্তব্য ও অসৌজন্যমূলক আচরণ করে আসছেন। বিদ্যালয়ে একমাত্র নারী শিক্ষক হিসেবে প্রতিনিয়ত আতঙ্ক এবং নিরাপত্তাহীনতার মধ্যে দায়িত্ব পালন করতে হচ্ছে বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়। অভিযোগে বলা হয়েছে, বিদ্যালয় চলাকালে অভিযুক্ত শিক্ষক উচ্চস্বরে মোবাইলে ভিডিও চালান। এছাড়া, যখন তিনি কমনরুমে নামাজ আদায় করতে যান, তখন সেখানে অবস্থান করেন, যা তাকে বিব্রতকর পরিস্থিতিতে ফেলে। এমন আচরণের কারণে বিদ্যালয়ের পূর্ববর্তী কয়েকজন নারী শিক্ষকও অন্যত্র বদলি নিতে বাধ্য হয়েছেন বলে অভিযোগের দাবি করা হয়েছে। তবে অভিযোগ অস্বীকার করে সহকারী শিক্ষক মিলন কৃষ্ণ পাল জানান, “আমি সম্পূর্ণ নির্দোষ। আমার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। সুষ্ঠু তদন্ত হলে প্রকৃত সত্য বেরিয়ে আসবে।” বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক শ্যামল চন্দ্র মন্তব্য করেন, “সহকারী শিক্ষক ফেরদৌস আক্তার বিষয়টি আমাকে একাধিকবার জানিয়েছেন। আমি শিক্ষক মিলন কৃষ্ণ পালকে কয়েকবার সতর্ক ও সংশোধনের জন্য বলেছি। এখন বিষয়টি আমার নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেছে।” কাউখালী উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোঃ অহিদুর রহমান জানান, “অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি তদন্ত করে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা সাপেক্ষে বিধি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।” জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোল্লা বখতিয়ার রহমান বলেন, “লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত করে অভিযোগের সত্যাতা পাওয়া গেলে বিধি মোতাবেক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলা ছাতিয়াইন ইউনিয়নের রতনপুর এলাকায় গ্লোরী এগ্রো প্রোডাক্টস লিমিটেডের পরিবেশ দূষণ ও তীব্র দুর্গন্ধ নিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে। বিশেষ করে তালাশ বিডি, দৈনিক দেশ রূপান্তরসহ একাধিক জাতীয় পত্রিকায় এ নিয়ে লেখা হয়েছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে প্রশাসন অভিযান চালিয়েছে।
অভিযানে পরিবেশ দূষণের অভিযোগে দুটি শিল্পপ্রতিষ্ঠানকে মিলিয়ে মোট ১ লাখ ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। এর মধ্যে বিএইচএল পেপার মিলস-এর বিরুদ্ধে বয়লারের গরম পানি কন্ডেন্সার ছাড়াই সরাসরি নিষ্কাশনের অভিযোগে মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং প্রতিষ্ঠানটিকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
অভিযানের শেষে উভয় প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে জরিমানার অর্থ আদায় করা হয়েছে। মাধবপুর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আনিসুল ইসলাম এ বিষয়ে বলেন, "পরিবেশ দূষণ রোধে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে। পরিবেশ আইন লঙ্ঘনকারীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।"
এর আগে, গ্লোরী এগ্রো প্রোডাক্টসের বিরুদ্ধে স্থানীয়রা অভিযোগ করেছেন যে, কারখানা থেকে নির্গত তীব্র দুর্গন্ধে পথচারীরা নাক-মুখ চেপে চলাচল করতে বাধ্য হচ্ছেন। অনেকেই শ্বাসকষ্ট, মাথাব্যথা ও বমিভাবসহ বিভিন্ন শারীরিক সমস্যায় ভুগছেন। এছাড়া কৃষিজমি, জলাশয় ও পরিবেশ দূষণের অভিযোগও ওঠে। এসব অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতেই প্রশাসনের এই অভিযানকে স্থানীয়রা ইতিবাচক পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ