বৃহস্পতিবার, ৫ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং
০৯:৪৮ পি.এম
কক্সবাজারের টেকনাফে মানবপাচার চক্রের বিরুদ্ধে যৌথ বাহিনীর অভিযানের সময় সন্ত্রাসীদের সঙ্গে গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে। এতে সেনাবাহিনীর একজন সদস্য গুরুতর আহত হয়েছেন। অভিযানের ফলে মানবপাচার চক্রের তিন সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং পাহাড়ি এলাকায় আটকে থাকা ৫৭ জনকে উদ্ধার করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে উপজেলার হ্নীলা ইউনিয়নের লেদা নুরালীপাড়া রোহিঙ্গা ক্যাম্পের এইচ ব্লকসংলগ্ন পাহাড়ি এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। সংশ্লিষ্ট সূত্র থেকে জানা যায়, অভিযানের অংশ হিসেবে মোচনী ক্যাম্প এলাকাতেও অভিযান পরিচালনা করা হয়।
আহত সেনাসদস্যের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে। তাকে সামরিক অ্যাম্বুলেন্সে করে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নেওয়া হয়েছে।
আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) তথ্য অনুযায়ী, সেনাবাহিনী, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ও পুলিশের সমন্বয়ে এ যৌথ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানের সময় মানবপাচার চক্রের সদস্যদের সঙ্গে গোলাগুলি হয়। এ সময় চক্রের তিন সদস্যকে গ্রেপ্তারের পাশাপাশি ৫৭ জনকে উদ্ধার করা হয়।
১৬ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের (এপিবিএন) অধিনায়ক অতিরিক্ত ডিআইজি মো. কাওসার সিকদার জানিয়েছেন, জেলা পুলিশের সঙ্গে যৌথভাবে পাহাড়ি এলাকায় অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। গোলাগুলির ঘটনায় সেনাবাহিনীর একজন সদস্য আহত হন। অভিযানের সময় অস্ত্র উদ্ধার এবং কয়েকজনকে আটক করা হয়েছে।
সূত্র জানায়, টেকনাফের বিভিন্ন পাহাড়ি এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে মালয়েশিয়ায় পাচারের উদ্দেশ্যে দুই শতাধিক মানুষকে আটকে রেখেছে পাহাড়ি সন্ত্রাসী ও মানবপাচার চক্রের সদস্যরা। তাদের উদ্ধারে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী অভিযান চালালে গোলাগুলির ঘটনা ঘটে। এ সময় কয়েকজন আহত হন বলেও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।
এদিকে, টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এস এম অনীক চৌধুরী টেকনাফের লেদার পাহাড়ি এলাকায় গোলাগুলির ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ও পঞ্চগড়-২ আসনের সংসদ সদস্য ফরহাদ হোসেন আজাদ, প্রেসিডেন্ট মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন।
এই সাক্ষাৎটি বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) বঙ্গভবনে অনুষ্ঠিত হয়। সাক্ষাতে উপস্থিত ছিলেন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদের সন্তান ফারহাম সাদিকও।
ফরহাদ হোসেন জানান, প্রেসিডেন্ট ৩১ ডিসেম্বর পঞ্চগড় সফরে আসবেন, যা দুই দিনের হবে। সাক্ষাতে উনার সফরের বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে।
এই প্রতিমন্ত্রী জানান, প্রেসিডেন্ট ফখরুল ইসলাম আলমগীরের জন্মস্থান পঞ্চগড়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মিশিগানের ডিয়ারবোর্নে ২৬ বছর বয়সী জায়নাহ জাদাল্লাহ যখন আব্দুল এল-সায়েদের পক্ষে প্রচারণা চালাতে যান, তখন তিনি জানান যে অধিকাংশ মানুষ তাকে ঘরে ডেকে আপ্যায়ন করার আগেই বলতেন যে তারা ইতিমধ্যেই তাকে ভোট দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছেন।
এল-সায়েদের তৃণমূল পর্যায়ের শক্ত প্রচারণা এবং মিশরীয় ঐতিহ্য নিয়ে তার গর্বকে এই পরিচিতির পেছনে মূল কারণ হিসেবে দেখছেন জাদাল্লাহ।
জাদাল্লাহ বলেন, "তিনি সবসময় নিজের পরিচয় নিয়ে গর্বিত ছিলেন। কখনো নিজের পরিচয় বা নাম প্রকাশে তিনি কুণ্ঠাবোধ করেননি।"
অন্যদিকে, নিউ ইয়র্ক থেকে নবনির্বাচিত মার্কিন সিনেটরের (যার সাথে কোনো পারিবারিক সম্পর্ক নেই) বিজয় উৎসব দেখতে দুই মেয়েকে নিয়ে ডেট্রয়েটে এসেছিলেন ইয়াসমিন আল-সাইয়েদ। বিজয়ী ভাষণের পর অশ্রুসজল চোখে তিনি নিজের অনুভূতি প্রকাশ করেন।
তিনি বলেন, "৯/১১-পরবর্তী বিশ্বে বেড়ে ওঠা একজন মুসলিম এবং আরব হিসেবে আমি নিজেও কখনো স্বপ্নেও ভাবিনি যে আজ আমরা যা দেখলাম, তা বাস্তব রূপ নেবে।" সূত্র: মিডল ইস্ট আই।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দৈনিক বিজনেস বাংলাদেশ এবং ডেইলি বাংলাদেশ আপডেট পত্রিকার সম্পাদক সাংবাদিক মেহেদী হাসান বাবুর পিতা নেওয়াজ আলী সর্দার ইন্তেকাল করেছেন (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।
রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বুধবার দিবাগত রাত দেড়টার সময় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।
পারিবারিক সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার বাদ আসর কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলার জরুইন গ্রামের বাড়ির ঈদগাহ মাঠে তার জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। জানাজায় স্থানীয় সংসদ সদস্য হাজী জসিম উদদীনসহ রাজনৈতিক নেতা এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
জীবদ্দশায় নেওয়াজ আলী সর্দার এলাকার স্কুল, মসজিদ, মাদ্রাসা, এতিমখানা ও অন্যান্য সেবামূলক প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।
মেহেদী হাসান বাবু তার বাবার রুহের মাগফিরাত কামনায় সকলের কাছে দোয়া চেয়েছেন। তার মৃত্যুতে সহকর্মী ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা গভীর শোক প্রকাশ করেছেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
যুক্তরাজ্যের প্রায় তিন-চতুর্থাংশ মানুষ যুক্তরাষ্ট্রকে বিশ্বশান্তির জন্য গুরুতর হুমকি হিসেবে মনে করেন। দুই বছর আগে এই হার ছিল ৩৬ শতাংশ। সম্প্রতি প্রকাশিত এক জরিপে এই তথ্য উঠে এসেছে।
ন্যাশনাল সেন্টার ফর সোশ্যাল রিসার্চের (ন্যাটসেন) পরিচালিত গবেষণায় দেখা গেছে, ৭৪ শতাংশ ব্রিটিশ নাগরিক যুক্তরাষ্ট্রকে বিশ্বশান্তির জন্য গুরুতর হুমকি হিসেবে বিবেচনা করেন। দেশটির দীর্ঘদিনের সামাজিক ও রাজনৈতিক মনোভাববিষয়ক জরিপ ‘ব্রিটিশ সোশ্যাল অ্যাটিটিউডস’-এ এ চিত্র উঠে এসেছে।
জরিপ অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রের চেয়ে চীনকে বিশ্বশান্তির জন্য বেশি উদ্বেগের কারণ মনে করেন ৬২ শতাংশ ব্রিটিশ। অন্যদিকে, রাশিয়াকে হুমকি হিসেবে মনে করেন ৮৯ শতাংশ। এছাড়া, ইসরাইলকে ৭৮ শতাংশ এবং ইরানকে ৭৫ শতাংশ হুমকি মনে করেন।
প্রতিবেদনটির লেখক সোফিয়া গ্যাস্টন মন্তব্য করেন, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ব্রিটিশদের মধ্যে মানসিকতায় উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে। ইউরোপে যুদ্ধ, মধ্যপ্রাচ্যে অস্থিতিশীলতা, চীনের সঙ্গে কৌশলগত প্রতিযোগিতা এবং যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্ব নিয়ে সংশয় এই পরিবর্তনের পেছনে কাজ করেছে। তার মতে, পররাষ্ট্রনীতি ও জাতীয় নিরাপত্তা এখন ব্রিটিশদের সামষ্টিক চিন্তাভাবনার কেন্দ্রে চলে এসেছে।
জরিপে দেখা গেছে, যুক্তরাজ্যের জাতীয় স্বার্থ রক্ষায় পশ্চিম ইউরোপের দেশগুলোর সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ককে ৪২ শতাংশ ব্রিটিশ বেশি কার্যকর মনে করেন। বিপরীতে, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্ক জোরদারের পক্ষে মাত্র ৯ শতাংশ মত দিয়েছেন।
সামরিক ও প্রতিরক্ষা স্বার্থের প্রশ্নেও ৩৭ শতাংশ পশ্চিম ইউরোপের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ককে অগ্রাধিকার দিয়েছেন। যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষে মত দিয়েছেন ১৪ শতাংশ। আর ৩৯ শতাংশ মনে করেন, উভয় পক্ষের সঙ্গে সমান ঘনিষ্ঠতা বজায় রাখা উচিত।
আগামী ২০ নভেম্বর ব্রাসেলসে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) ও যুক্তরাজ্যের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ সম্পর্ক পুনর্গঠনবিষয়ক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।
সোফিয়া গ্যাস্টন জানান, ব্রেক্সিট-পরবর্তী সময়ের তুলনায় ব্রিটিশরা এখন ইউরোপের প্রতি বেশি ইতিবাচক। সংঘাতপূর্ণ বিশ্বে ইউরোপীয় ইউনিয়নের ভূমিকা সম্পর্কে তাদের ধারণা স্পষ্ট হয়েছে এবং বাস্তবভিত্তিক সম্পর্কের গুরুত্বও বেড়েছে। তবে প্রতিরক্ষার ক্ষেত্রে ইউরোপ বনাম আমেরিকা—এমন দ্বিমুখী অবস্থানকে ব্রিটিশরা সমর্থন করেন না। বরং ভারসাম্য, সক্ষমতা ও নমনীয়তার ভিত্তিতে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে নিরাপত্তা জোট বজায় রাখার প্রয়োজনীয়তা তারা বোঝেন।
এদিকে, যুক্তরাজ্যের প্রতিরক্ষা ব্যয় বাড়ানোর পক্ষে মত দিয়েছেন জরিপে অংশ নেওয়া রেকর্ড ৫৬ শতাংশ মানুষ। ২০ বছর আগে এ হার ছিল ২৮ শতাংশ।
তবে প্রয়োজনের সময় সামরিক বাহিনীতে যোগ দেওয়ার আগ্রহকে গুরুত্বপূর্ণ মনে করেন ৩৫ বছরের কম বয়সীদের মাত্র ২২ শতাংশ। ৫৫ বছর বা তার বেশি বয়সীদের মধ্যে এ হার ৪৩ শতাংশ।
সূত্র: স্কাই নিউজ
এমএমআর
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ