ঢাকা শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৭ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১২ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৭ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ইরানের সঙ্গে নতুন চুক্তি নিয়ে ধোঁয়াশায় ওবামা


ইরানের সঙ্গে নতুন চুক্তি নিয়ে ধোঁয়াশায় ওবামা

চলমান উত্তেজনার মধ্যেই ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের একটি চুক্তিতে পৌঁছানোর বিষয়ে কূটনৈতিকভাবে জোড়ালে আলোচনা চলছে। এমন পরিস্থিতিতে তেহরানের সঙ্গে নতুন চুক্তির গ্রহণযোগ্যতা এবং সম্ভাবনা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছেন সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা।

তিনি জানান, যুক্তরাষ্ট্র এবং ইরানের মধ্যে যে কোনো চুক্তি হলে তা ২০১৫ সালে তার মধ্যস্থতায় হওয়া জয়েন্ট কম্প্রিহেনসিভ প্ল্যান অফ অ্যাকশন বা জেসিপিওএ-এর চেয়ে ‘উল্লেখযোগ্যভাবে ভিন্ন বা উন্নত হবে, এমন সম্ভাবনা নেই।

ওবামা এবিসি নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেন, যে চুক্তিটি হবে, তা যে আমাদের প্রথম চুক্তির চেয়ে উল্লেখযোগ্যভাবে ভিন্ন বা উন্নত হবে, এমন সম্ভাবনা সন্দেহজনক। এই চুক্তিটি নিয়ে আমরা দীর্ঘ সময় ধরে কাজ করেছিলাম। যুক্তরাষ্ট্র তা থেকে বেরিয়ে আসার আগে পর্যন্ত এই চুক্তিটি কার্যকর ছিল।

আরও পড়ুন: জাপান বাংলাদেশে সাড়ে ৭৭ হাজার কোটি টাকা বিনিয়োগের ঘোষণা

জেসিপিওএ-এর সাধারণ রূপরেখা ছিল, ইরান তার পারমাণবিক উচ্চাকাঙ্ক্ষা সীমিত করে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণের ওপর সর্বোচ্চ সীমা নির্ধারণ করবে। একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার (আইএইএ) পরিদর্শকদের তার স্থাপনাগুলো পরিদর্শনের অনুমতি দেবে। এর বিনিময়ে ইরানের তেল সম্পদের ওপর থেকে কিছু নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া হবে এবং জব্দকৃত শত শত কোটি ডলারের সম্পদ অবমুক্ত করা হবে। এই চুক্তিটি আন্তর্জাতিক সমর্থন পেলেও, স্বাক্ষরের সময় যুক্তরাষ্ট্রে এটি বিতর্কিত ছিল।

ওবামা আরও বলেন, তিনি আশা করেন চুক্তি হলে বোমাবর্ষণ বন্ধ হবে এবং যুদ্ধের ফলে সাধারণ মানুষ আর দুর্ভোগ পোহাবে না। এরপর তিনি সমস্যার অধিকাংশ সমাধানের জন্য সামরিক পদক্ষেপের চেয়ে কূটনীতিকে একটি পছন্দের পথ হিসেবে চিহ্নিত করেন। তিনি আক্ষেপ প্রকাশ করে বলেন, আমরা কেবল জোরজবরদস্তি বা বোমাবর্ষণের মাধ্যমে সমাধানে পৌঁছতে পারি।

সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট আহ্বান জানান, কূটনীতি অন্বেষণে সময় নিতে হবে এবং এমন চুক্তিতে পৌঁছানোর সম্ভাবনাগুলো খতিয়ে দেখতে হবে, যা সমস্যার শতভাগ সমাধান না করলেও, যুদ্ধে যাওয়ার প্রয়োজনীয়তা এড়িয়ে সমস্যার ৮০ বা ৯০ শতাংশ সমাধান করবে।

ওবামা বলেন, আপনারা হয়তো ভাববেন যে আমরা এতদিনে এই শিক্ষাটা পেয়ে গেছি, তবে মনে হচ্ছে প্রায়শই আমাদের এই শিক্ষাটা আবার নতুন করে শিখতে হয়।

আরও পড়ুন: হরমুজে ৭ তেলবাহী জাহাজে হামলার দাবি ইরানের

এদিকে ইরানের ওপর নতুন নিষেধাজ্ঞা স্থগিত রাখতে সম্মত হয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। একজন ইরানি কর্মকর্তা রয়টার্সকে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে একটি খসড়া সমঝোতা স্মারকের বিস্তারিত জানিয়ে বলেন, এর অধীনে তেহরান পারমাণবিক অস্ত্র উৎপাদন বা অর্জন না করতে এবং দেশের অভ্যন্তরে থাকা উচ্চ-সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের মজুদ কমাতে সম্মত হবে। আগামী ৬০ দিনের মধ্যে এর বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া নিয়ে আলোচনা করা হবে বলেও জানিয়েছেন।

ওই কর্মকর্তার মতে, এর বিনিময়ে ওয়াশিংটন সরাসরি অর্থ হস্তান্তর এবং আর্থিক ঋণ সুবিধার মাধ্যমে ইরানের জব্দকৃত ২৫ বিলিয়ন ডলারের সম্পদ মুক্ত করতে সম্মত হয়েছে। যদিও এ বিষয়ে ইরান কিংবা যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানানো হয়নি।

সূত্র: গাল্ফ নিউজ, সিএনএন।

আরও পড়ুন: রিয়াদ বিমানবন্দরে লাগেজ হারানো যাত্রীদের জন্য বাংলাদেশ দূতাবাসের জরুরি বার্তা

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বেনজীর গ্রেফতারের পর পরীমণি ফেসবুকে কী লিখলেন?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

রবিবার, ১৪ই জুন, ২০২৬ ইং

০৯:৫৯ পি.এম


বেনজীর গ্রেফতারের পর পরীমণি ফেসবুকে কী লিখলেন?

উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে ফটোকার্ড শেয়ার করেন অভিনেত্রী।

পরীমণি ক্যাপশনে লেখেন, ‘মজা।’

তার এই সংক্ষিপ্ত মন্তব্যের পর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নানা ধরনের আলোচনা শুরু হয়। অনেকের ধারণা, ২০২১ সালে ঢাকা বোট ক্লাবে ঘটে যাওয়া ঘটনাকে কেন্দ্র করে পরীমনির জীবনে যে আইনি জটিলতা তৈরি হয়েছিল, সেই প্রসঙ্গের কারণেই তিনি এমন প্রতিক্রিয়া জানিয়ে থাকতে পারেন।

তবে এ বিষয়ে পরীমণি নিজে কোনো বিস্তারিত ব্যাখ্যা দেননি।

এদিকে অতীতে বোট ক্লাবের তৎকালীন সভাপতি নাসির মাহমুদ এক সংবাদ সম্মেলনে দাবি করেছিলেন, সাবেক আইজিপি ও ঢাকা বোট ক্লাবের সাবেক প্রেসিডেন্ট বেনজীর আহমেদের সঙ্গে পরীমণির ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিল।

একই সঙ্গে তিনি আরও দাবি করেন, বেনজীর আহমেদ বিনা ভোটে ক্লাবের সভাপতির দায়িত্ব নিয়েছিলেন। তবে এসব বক্তব্যের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর ভিন্ন অবস্থানও রয়েছে এবং সেগুলো আদালতে প্রতিষ্ঠিত তথ্য হিসেবে বিবেচিত নয়।

ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার আগেই দেশ ছাড়েন দুর্নীতির পাহাড়সম অভিযোগ থাকা সাবেক এই আইজিপি। ২০২৫ সালে দুদকের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আদালত তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন।

অবশেষে ইন্টারপোলের সহায়তায় তাকে গ্রেফতার করল দুবাই পুলিশ। তাকে গ্রেফতারের বিষয়টি রোববার (১৪ জুন) পুলিশ সদর দফতর, দুদক এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নিশ্চিত করেছেন।

নজিরবিহীন দুর্নীতির অভিযোগে দুদকের করা মামলায় ঢাকা, গাজীপুর, গোপালগঞ্জ ও নারায়ণগঞ্জসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় বেনজীর আহমেদের বিপুল স্থাবর সম্পদের খোঁজ মেলে। তার পরিবারের বিরুদ্ধে ৭৪ কোটি ১৩ লাখ টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে মামলা রয়েছে। দেশে থাকা এসব সম্পদ আদালতের নির্দেশে এরইমধ্যে জব্দ করেছে দুদক।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

লন্ডন থেকে এশিয়ার কোন দেশে গন্তব্য ছিল বেনজীর আহমেদের?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ১৪ই জুন, ২০২৬ ইং

১০:০১ পি.এম


লন্ডন থেকে এশিয়ার কোন দেশে গন্তব্য ছিল বেনজীর আহমেদের?

সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদকে ইন্টারপোলের তথ্য অনুযায়ী গ্রেফতার করেছে দুবাই পুলিশ। তিনি লন্ডন থেকে সিঙ্গাপুর অথবা থাইল্যান্ডে যেতে উড়াল দিয়েছিলেন। তবে, দুবাইয়ে ট্রানজিটের সময় বিপত্তি ঘটতে থাকে। বিমানবন্দরে এআই ক্যামেরাতে শনাক্ত হন বেনজীর আহমেদ।

বাংলাদেশ কমিউনিটি সদস্যরা জানান, সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদ লন্ডন থেকে এশিয়ার একটা দেশের উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করেছিলেন। তার পরিকল্পনা ছিল দুবাইয়ে ট্রানজিট শেষে গন্তব্যে পৌঁছানোর। কিন্তু আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স ক্যামেরায় ধরা পড়ার কারণে, দুবাই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে তার যাত্রা শেষ হয়ে যায়।

আইভিত্তিক ফেস রিকগনিশন প্রযুক্তির মাধ্যমে শনাক্ত হওয়ার পর, ইন্টারপোলের তথ্যভান্ডারের সঙ্গে মিলিয়ে গ্রেফতার করে দুবাই পুলিশ। পুলিশ সদর দফতর থেকে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

পাসপোর্ট জালিয়াতি এবং অবৈধ সম্পদ অর্জনের মামলায় জারি করা ইন্টারপোলের তথ্যে তাকে গ্রেফতার করে দুবাই পুলিশ। এ সময় তার কাছে একাধিক দেশের পাসপোর্ট এবং আমিরাতের বৈধ রেসিডেন্সি পারমিট ছিল।

দুদকের মামলায়, ইন্টারপোলের ওয়েব সাইটে সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদ দীর্ঘদিন ধরে মোস্ট ওয়ান্টেড আসামি হিসেবে রয়েছে। তাকে দেশে ফেরাতে, বাংলাদেশ ইন্টারপোলের সহায়তা চেয়েছিল। দেশের সীমাহীন দুর্নীতির প্রতীক হয়ে ওঠা বেনজীর আহমেদ দুবাইয়ে আছেন, এ নিয়ে অনেকদিন ধরেই মানুষের মধ্যে আলোচনা চলছে। অবৈধ সম্পদ অর্জন ও অর্থ পাচারের বিভিন্ন মামলায় তাকে ফেরারি হিসেবে দেখানো হয়েছে।

অবৈধ সম্পদ অর্জন ও অর্থ পাচারের অভিযোগে দুদকের করা মামলায় তাকে দেশে ফেরাতে ইন্টারপোলের সহায়তা চাওয়া হয়েছিল। কিন্তু বারবার তার অবস্থান বদল নিয়ে ধোঁয়াশা তৈরি হতে থাকে।

দুবাই পুলিশের কাছ থেকে জানা যায়, বেনজীর লন্ডন থেকে সিঙ্গাপুর বা থাইল্যান্ডের উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছিলেন। নির্ধারিত ফ্লাইটে দুবাই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ট্রানজিটে নামার পর তিনি অন্য যাত্রীর মতোই ইমিগ্রেশন এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থার আওতায় আসেন।

দুবাই বিমানবন্দরে এআই ক্যামেরায় শনাক্ত হওয়ার পর দুবাই পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে। ১২ জুন, দুবাইয়ের ন্যাশনাল সেন্ট্রাল ব্যুরো ই-মেইলের মাধ্যমে বাংলাদেশ সরকারকে বেনজীর আহমেদের গ্রেফতারের বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে জানায়।

আওয়ামী লীগ সরকারের সময় থেকে সীমাহীন দুর্নীতির প্রতীক হয়ে ওঠা সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদ দুবাইয়ে আছেন বলে অনেকের মুখে নানা আলোচনা শোনা যায়। সেখানে তিনি বিভিন্ন নামে অঢেল সম্পদ গড়ে তুলেছেন বলেও প্রচলিত নানা আলোচনা আছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নারী এমপিদের পোশাক নিয়ে মন্তব্যে সংসদে উত্তেজনা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ১৪ই জুন, ২০২৬ ইং

১০:০৬ পি.এম


নারী এমপিদের পোশাক নিয়ে মন্তব্যে সংসদে উত্তেজনা

বিরোধী দলের নারী সংসদ সদস্যদের পোশাক এবং উপনেতার স্ত্রীকে নিয়ে বিএনপির এক সদস্যের মন্তব্যের কারণে সংসদে উত্তেজনা ও হট্টগোল দেখা দিয়েছে। পরবর্তীতে ওই বক্তব্য এক্সপাঞ্জ করা হয়।

২০২৫-২৬ অর্থবছরের সম্পূরক বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনার সময়, ১৪ জুন রবিবার কুমিল্লা-৬ আসনের সংসদ সদস্য মনিরুল হকের বক্তব্যকে কেন্দ্র করে উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতি তৈরি হয়।

এমন সময়ে বাজেট আলোচনার একপর্যায়ে এমপি মনিরুল হক বলেন, ‘আমি স্বীকার করি, জামায়াত ক্যাডারভিত্তিক সংগঠন। তারা লেখাপড়া করে রাজনীতি করে। কিন্তু আপনারা যা পড়েন, তা ইতিহাসের সত্য-এই কথাটা ঠিক নয়। আর আপনাদের চেনা আরও কঠিন। আপনাদের দেখলে আজরাইলও ভয় পায়।’

এরপর মনিরুল হক ২০০১ সালের একটি ঘটনার বর্ণনা দেন। তিনি বলেন, ‘খন্দকার মোশাররফ হোসেন মন্ত্রী হওয়ার পর সংসদ সদস্যদের স্ত্রীসহ দাওয়াত দিয়েছিলেন। সেখানে আমি স্ত্রীকে নিয়ে যাইনি, তবে তাহের ভাই (বিরোধী দলীয় উপনেতা সৈয়দ আবদুল্লাহ মুহাম্মদ তাহের) বউ নিয়ে গিয়েছিলেন। ঢোকার পর দেখি কিছু একটা হাঁটছে। আমি বলি, তাহের ভাই ভাবি কই? উনি বলেন, এই যে। তখন বলি, আপনি যে বদলাইয়া আনেন নাই কীভাবে বুঝবো।’

পরে মনিরুল হক বিরোধী দলের নারী সংসদ সদস্যদের প্রসঙ্গ তুলে ধরেন এবং বলেন, ‘আমাদের হাউজে বোনেরা এমপি হয়ে এসেছেন, সবাই মেধাবী। কিন্তু বুঝলাম না তো কারা আপনারা? আপনারা এদিকে দেখতে পারেন, আমরা এদিকে দেখলে কী আছে বুঝব না, এটা ঠিক না।’

তার এই বক্তব্যের পরই বিরোধী দলের সংসদ সদস্যরা দাঁড়িয়ে প্রতিবাদ জানাতে শুরু করেন। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে ডেপুটি স্পিকার মন্তব্য করেন, ‘মাননীয় সংসদ সদস্য, ব্যক্তিগত স্বাধীনতা নিয়ে কথা বলা উচিত না।’

কিন্তু বিরোধী দলের সদস্যরা প্রতিবাদ অব্যাহত রাখলে এমপি মনিরুল হক বলেন, ‘আমি কাউকে কিছু বলিনি। অতীতের একটি ঘটনার গল্প বলেছি। আমি কাউকে ছোট করিনি। যদি ছোট হয়ে থাকেন, তাহলে ক্ষমা চাই।’

পরে ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল এমপি মনিরুল হকের বক্তব্যের একটি অংশ এক্সপাঞ্জ করেন এবং বিরোধী দলের সদস্যরা টেবিল চাপড়ে স্বাগত জানান। তবে আছরের নামাজের বিরতির পর আবার বিষয়টি সংসদে তোলেন বিরোধী দলের চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম।

তিনি বলেন, ‘আজকে উনি (মনিরুল হক) তার বক্তব্যে যা বলেছেন, তা সংসদীয় রীতিনীতি এবং আমাদের সাংবিধানিক অধিকারের সীমা অতিক্রম করেছে। আমাদের নারী সংসদ সদস্যদের পোশাক নিয়ে এবং তাদের ধর্মীয় স্বাধীনতা নিয়ে যে ধরনের কথা বলা হয়েছে, তা অমার্জনীয় অপরাধ।’ তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে ভবিষ্যতে কোনো সংসদ সদস্য যেন এ ধরনের বক্তব্য না দেন।

এদিকে হিজাব ও বোরকা নিয়ে কটাক্ষের অভিযোগে এমপি মনিরুল হক চৌধুরীকে দুঃখ প্রকাশ ও ক্ষমা চাওয়ার দাবি জানিয়েছেন সংরক্ষিত নারী আসনের বিরোধী দলীয় সদস্যরা।

সংসদ অধিবেশন শেষে গণমাধ্যমে তারা জানান, বাজেট আলোচনায় মনিরুল হক চৌধুরীর বক্তব্য অনভিপ্রেত। তার বক্তব্যে নারীদের অসম্মান করা হয়েছে। হিজাব নিয়ে হেয় করে কথা বলা সংবিধান পরিপন্থি। তিনি ব্যক্তিগতভাবে নারী এমপিদের আক্রমণ করেছেন। পোশাক নিয়ে এমন মন্তব্য গ্রহণযোগ্য নয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সত্যিই কি জোড়া লাগছে বিজয়ের ভাঙা সংসার? সমঝোতার গুঞ্জন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

রবিবার, ১৪ই জুন, ২০২৬ ইং

১০:০৭ পি.এম


সত্যিই কি জোড়া লাগছে বিজয়ের ভাঙা সংসার? সমঝোতার গুঞ্জন

ভারতের দক্ষিণী সিনেমার জনপ্রিয় অভিনেতা এবং তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী থালাপাতি বিজয় এবং তার স্ত্রী সংগীতা স্বর্ণালিঙ্গমের দাম্পত্য জীবন নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। বিবাহবিচ্ছেদের আবেদন আদালতে গড়ালেও, বিভিন্ন সূত্রের বরাতে জানা যাচ্ছে যে— দু’জনের মধ্যে সমঝোতার চেষ্টা চলছে এবং ভাঙন মেরামতের সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যমে বলা হয়েছে, দাম্পত্য সংকট সৌহার্দ্যপূর্ণভাবে সমাধানের লক্ষ্যে আলোচনা অব্যাহত রয়েছে। যদিও এ বিষয়ে বিজয় বা সংগীতা আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো বক্তব্য দেননি, তবুও সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে সম্ভাব্য সমঝোতাকে ঘিরে নানা গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়েছে।

এদিকে, কয়েকটি গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, বিজয়ের মা শোভা চন্দ্রশেখর এই বিষয়ে মধ্যস্থতার দায়িত্ব পালন করছেন। পারিবারিক মতপার্থক্য দূর করতে তিনি উভয় পক্ষের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছেন বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

এতদিন পুত্র জেসন সঞ্জয় ও কন্যা দিব্য সাশাকে নিয়ে লন্ডনে অবস্থান করছিলেন সংগীতা। সম্প্রতি তিনি চেন্নাইয়ে ফিরেছেন। একাধিক সূত্রের ভাষ্য, ভবিষ্যতে তাদের সম্পর্ক কোন দিকে এগোবে, তা নিয়ে আলোচনা এবং পরিস্থিতি পুনর্মূল্যায়নের উদ্দেশ্যে দুজনই চেষ্টা করছেন।

উল্লেখ্য, বিজয় ও সংগীতার পরিচয় হয় ১৯৯৬ সালে চেন্নাইয়ে একটি শুটিংয়ের সময়। বিজয়ের সঙ্গে দেখা করতে যুক্তরাজ্য থেকে ভারতে এসেছিলেন তার ভক্ত সংগীতা। সেই পরিচয় থেকেই তাদের মধ্যে ঘনিষ্ঠতা তৈরি হয় এবং পরে তা প্রেমের সম্পর্কে রূপ নেয়।

১৯৯৯ সালের ২৫ আগস্ট বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন বিজয় ও সংগীতা। ২০০৫ সালে তাদের ঘরে জন্ম নেয় ছেলে জেসন সঞ্জয়। পরে তাদের কন্যা দিব্য সাশার জন্ম হয়। দীর্ঘ ২৩ বছরের দাম্পত্য জীবনের পর সেই সম্পর্কের ইতি টানতে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন সংগীতা। চেন্নাইয়ের একটি পারিবারিক আদালতে দায়ের করা বিবাহবিচ্ছদের মামলার গুরুত্বপূর্ণ শুনানি আগামীকাল সোমবার অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। তার আগে বিজয়ের ভাঙা সংসার জোড়া লাগা নিয়ে জোর গুঞ্জন চাউর হলো।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১২ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৪৯
মাগরিব ০৫:২৬
ইশা ০৬:৩৭
সূর্যোদয় : ০৫:৫৯ সূর্যাস্ত : ০৫:২৬
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%