বৃহস্পতিবার, ২৪শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৭:৩৬ পি.এম
ময়মনসিংহ, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : উৎসবমূখর পরিবেশে ময়মনসিংহ মহাবিদ্যালয়ে একাদশ সাধারণ ও ব্যবসা শিক্ষা শাখায় ভর্তি হওয়া নবাগত শিক্ষার্থীদের জন্য ওয়রিয়েন্টশন অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়েছে।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ময়মনসিংহ সদর আসনের সংসদ সদস্য (এমপি) আবু ওয়াহাব আকন্দ ওয়াহিদ, যিনি ৪ শতাধিক শিক্ষার্থীর জন্য ৫শ’ টাকা করে আর্থিক সহযোগিতার ঘোষণা দেন।
আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে কলেজ ক্যাম্পাসের সম্মেলন কক্ষে নবাগত শিক্ষার্থীদের ওয়রিয়েন্টশন অনুষ্ঠানটি বর্ণাঢ্য আয়োজনের মাধ্যমে অনুষ্ঠিত হয়।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে এমপি আবু ওয়াহাব আকন্দ ওয়াহিদ উল্লেখ করেন, "আমি কৃষকের সন্তান। মহান আল্লাহ রাব্বুল আলআমিনের দয়ায় জনগণের সমর্থনে এমপি হয়েছি। কিন্তু একটি কৃষক পরিবারের সকল কাজ এবং পরিবেশের সঙ্গে আমার শৈশব, কৈশোর ও যৌবনের অনেক স্মৃতি জড়িয়ে আছে। আমি জানি একটি কৃষক পরিবারের সন্তান কত কষ্ট করে লেখাপড়া করে, সন্তানকে সুশিক্ষায় শিক্ষিত করতে মা-বাবা কী কষ্ট করে।"
তিনি আরও বলেন, "বর্তমান সরকারের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশের প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অবকাঠামোগত উন্নয়নের মাধ্যমে শিক্ষাবান্ধব পরিবেশ গড়ে তুলতে কাজ করছেন। এরই ধারাবাহিকতায় অচিরইে ঐতিহ্যবাহী ময়মনসিংহ মহাবিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের আবাসন সুবিধার স্বার্থে একটি বহুতল ভবন বরাদ্দের ব্যবস্থা করা হবে।"
এ সময় এমপি শিক্ষার্থীদের খেলাধূলা চর্চার জন্য ফুটবল, ভবিবলসহ ক্রিকেট সরঞ্জামাদি দেওয়ারও আশ্বাস দেন।
অনুষ্ঠানের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন ময়মনসিংহ মহাবিদ্যালয়ে অধ্যক্ষ (ভারপ্রাপ্ত) মুহাম্মদ সোহেল রহমান।
এ সময় প্রতিষ্ঠানের গভনিং বডির সভাপতি আব্দুর রব আকন্দের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন অভিভাবক সদস্য সৈয়দ সাইদুজ্জামান।
প্রতিষ্ঠানের সহকারী অধ্যাপক মাসুদুর রহমানের সঞ্চালনায় শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন সহকারী অধ্যাপক সুমন্ত কুমার সাহা রায়।
এতে কলেজের শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
শরতের নীল আকাশের নিচে, সাদা মেঘের ভেলা এবং মৃদু বাতাসে দুলতে থাকা শুভ্র কাশফুল বর্তমানে রংপুরের মানুষের মধ্যে মুগ্ধতা ছড়াচ্ছে। সবুজের মাঝে ফুটে থাকা সাদা কাশ যেন দূর থেকে শুভ্রতার চাদর বিছিয়ে দিয়েছে। এই মনোমুগ্ধকর দৃশ্য উপভোগের জন্য সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত রংপুর-পাগলাপীর রোডের পাশে প্রকৃতিপ্রেমী ও দর্শনার্থীদের ভিড় দেখা যাচ্ছে।
রংপুর সদর উপজেলার পাগলা পীর এলাকায় একটি পরিত্যক্ত জমি এখন কাশফুলের রাজ্যে পরিণত হয়েছে। বিস্তীর্ণ এলাকায় ফুটে থাকা কাশফুল বাতাসের সঙ্গে দুলে দৃষ্টিনন্দন একটি প্রাকৃতিক দৃশ্য তৈরি করছে। শরতের এই সৌন্দর্য দেখতে বিভিন্ন বয়সের মানুষ ছুটে আসছেন।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, সকালের কোমল রোদে কাশফুলগুলো যেন আরও ঝলমল করছে। হালকা বাতাসে সারি সারি কাশফুল একসঙ্গে দুলছে। প্রকৃতির এই শুভ্র আয়োজন দেখে দর্শনার্থীরা মুগ্ধ হচ্ছেন। কেউ পরিবার নিয়ে, কেউ বন্ধুদের সঙ্গে আবার কেউ প্রিয়জনকে সঙ্গে নিয়ে এখানে আসছেন।
কাশবনের শুভ্রতার সঙ্গে নির্মল বাতাস উপভোগ করার পাশাপাশি দর্শনার্থীদের অনেকেই মুঠোফোনের ক্যামেরায় মনোরম দৃশ্য ধারণ করছেন। কাশফুলের মাঝে ছবি তুলতে ব্যস্ত তরুণ-তরুণী, শিশু ও পরিবারের সদস্যদের দেখা যায়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শেয়ার করার জন্যও অনেকে ছবি ও ভিডিও ধারণ করছেন।
সকালের সৌন্দর্যের পাশাপাশি বিকেলেও কাশবনের রূপ পরিবর্তিত হয়। বিকেলের নরম রোদে সাদা কাশফুলের ওপর পড়ে সোনালি আভা। সূর্যাস্তের সময় দিগন্তজোড়া কাশবন হয়ে ওঠে আরও মোহনীয়। তখন প্রকৃতির এই সৌন্দর্য উপভোগ করতে দর্শনার্থীদের ভিড় বাড়তে থাকে।
স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, প্রতি বছর শরৎ মৌসুমে এই এলাকায় কাশফুল ফুটলে দূর-দূরান্ত থেকে মানুষ বেড়াতে আসেন। বিশেষ করে বিকেল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত দর্শনার্থীদের উপস্থিতি বেশি থাকে। পরিবারগুলো শিশুদের নিয়ে যেমন আনন্দ করছে, তেমনি তরুণ-তরুণীরাও বন্ধুদের সঙ্গে সময় কাটাতে আসছেন।
দর্শনার্থীদের একজন বলেন, "শহরের ব্যস্ততা ও কোলাহলের মধ্যে এমন প্রাকৃতিক পরিবেশ সত্যিই প্রশান্তি দেয়। কাশফুলের শুভ্রতা আর খোলা বাতাসে কিছু সময় কাটালে মন ভালো হয়ে যায়।"
প্রকৃতির এই নির্মল আয়োজন মানুষের ব্যস্ত জীবনে স্বস্তির পরশ এনে দেয়। যান্ত্রিক জীবনের একঘেয়েমি ভুলে কিছুটা সময় প্রকৃতির কাছে ফিরে যাওয়ার সুযোগ করে দিয়েছে পাগলা পীরের এই কাশবন।
শরতের কাশফুল শুধু প্রকৃতির সৌন্দর্যের প্রতীক নয়, বরং এর সঙ্গে মিশে আছে বাংলার ঋতুবৈচিত্র্য, শৈশবের স্মৃতি ও মাটির প্রতি মানুষের গভীর টান। তাই সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত মানুষের পদচারণায় মুখর কাশবন যেন প্রকৃতির ভাষায় বলে চলেছে—শরৎ এসেছে, বাংলার প্রকৃতি সেজেছে তার চিরচেনা শুভ্র সাজে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কক্সবাজারের মহেশখালী অঞ্চলে দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার কারণে আমদানিকৃত তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) এর কার্গো থেকে ভাসমান টার্মিনালে স্থানান্তর (ট্রান্সফার) ব্যাহত হচ্ছে। এই পরিস্থিতির ফলে দেশের মোট গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিকের তুলনায় কমে গেছে।
আজ বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় বাংলাদেশ তেল, গ্যাস ও খনিজ সম্পদ করপোরেশন (পেট্রোবাংলা) এর পক্ষ থেকে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
আজ সন্ধ্যা ৬টার সময় দেশে মোট গ্যাস সরবরাহ হয়েছে ২৩০১ মিলিয়ন ঘনফুট (এমএমসিএফডি)। এর মধ্যে দেশীয় উৎস থেকে সরবরাহ হয়েছে ১ হাজার ৬১৫ মিলিয়ন ঘনফুট এবং এলএনজি থেকে পাওয়া গেছে মাত্র ৬৮৬ মিলিয়ন ঘনফুট।
বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, মহেশখালী এলাকায় দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার কারণে আমদানিকৃত এলএনজি কার্গো থেকে ভাসমান টার্মিনালে এলএনজি ট্রান্সফার ব্যাহত হচ্ছে। এর ফলে স্বাভাবিকের চেয়ে সামগ্রিক গ্যাস সরবরাহ হ্রাস পেয়েছে। পেট্রোবাংলা জানিয়েছে, আবহাওয়ার উন্নতির সঙ্গে সঙ্গে গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক হয়ে যাবে। সাময়িক এই অসুবিধার জন্য সংস্থাটি দুঃখ প্রকাশ করেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ ব্যাংক দেশে প্রাথমিকভাবে চারটি প্রতিষ্ঠানকে ডিজিটাল ব্যাংক প্রতিষ্ঠার অনুমোদন প্রদান করেছে। এ ব্যাংকগুলোর জন্য লেটার অব ইনটেন্ট (এলওআই) দেওয়ার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের সভায় এ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। সভাটির সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মোস্তাকুর রহমান।
অনুমোদন পাওয়া ডিজিটাল ব্যাংকগুলো হলো— বিকাশ ডিজিটাল ব্যাংক, বুস্ট-রবি ডিজিটাল ব্যাংক, ডিজিটাল ব্যাংকিং অব ভুটান-ডিকে এবং নোভা ডিজিটাল ব্যাংক-বাংলালিংক অ্যান্ড স্কয়ার।
বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে জানা যায়, ডিজিটাল ব্যাংক প্রতিষ্ঠার জন্য মোট ১২টি প্রতিষ্ঠান আবেদন করেছিল। এসব আবেদনের মধ্যে থেকে প্রাথমিকভাবে চারটি প্রতিষ্ঠানকে এলওআই দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
আবেদনকারী ১২টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে রয়েছে— ব্রিটিশ বাংলা ডিজিটাল ব্যাংক পিএলসি, ডিজিটাল ব্যাংকিং অব ভুটান-ডিকে, আমার ডিজিটাল ব্যাংক-২২ এমএফআই, ৩৬ ডিজিটাল ব্যাংক পিএলসি, বুস্ট-রবি, আমার ব্যাংক, অ্যাপ ব্যাংক-ফার্মারস, নোভা ডিজিটাল ব্যাংক-বাংলালিংক অ্যান্ড স্কয়ার, মৈত্রী ডিজিটাল ব্যাংক পিএলসি, উপকারী ডিজিটাল ব্যাংক, মুনাফা ইসলামী ডিজিটাল ব্যাংক-আকিজ এবং বিকাশ ডিজিটাল ব্যাংক।
ডিজিটাল ব্যাংকের মাধ্যমে প্রযুক্তিনির্ভর আর্থিক সেবা প্রদানের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যা শাখাভিত্তিক প্রচলিত ব্যাংকিংয়ের বাইরে। এর আওতায় গ্রাহকের হিসাব খোলা, লেনদেনসহ বিভিন্ন ব্যাংকিং সেবা ডিজিটাল মাধ্যমে প্রদান করা হবে।
এর আগে, ২০২৩ সালের অক্টোবরে আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে নগদ ডিজিটাল ব্যাংক পিএলসি ও কড়ি ডিজিটাল ব্যাংক পিএলসি নামে দুটি ডিজিটাল ব্যাংক প্রতিষ্ঠার অনুমোদন দেওয়া হয়েছিল। তবে পরবর্তী সময়ে সরকার পরিবর্তনের পর বাংলাদেশ ব্যাংক উক্ত দুটি প্রতিষ্ঠানের ডিজিটাল ব্যাংক লাইসেন্স স্থগিত করে।
নতুন করে চারটি প্রতিষ্ঠানকে এলওআই দেওয়ার সিদ্ধান্তের মাধ্যমে দেশে ডিজিটাল ব্যাংকিং কার্যক্রম চালুর প্রক্রিয়া আবার শুরু হলো।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ