ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

মেসিদের হারানোর পরিকল্পনা জানালেন সুইজারল্যান্ডের কোচ


মেসিদের হারানোর পরিকল্পনা জানালেন সুইজারল্যান্ডের কোচ

মেসিদের হারানোর পরিকল্পনার কথা জানালেন সুইজারল্যান্ডের কোচ।

৭২ বছর পর বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠা সুইজারল্যান্ড এবার আরও কঠিন পরীক্ষার সম্মুখীন। শেষ আটে তাদের প্রতিপক্ষ বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা। তবে প্রতিপক্ষের শক্তিমত্তাকে স্বীকার করার পরেও আর্জেন্টিনাকে তারা অপরাজেয় মনে করছেন না সুইস কোচ মুরাত ইয়াকিন।

কলম্বিয়াকে টাইব্রেকারে ৪-৩ গোলে হারানোর পর কোয়ার্টার ফাইনাল নিশ্চিত করার সময় সংবাদ সম্মেলনে ইয়াকিন বলেন, 'বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের বিপক্ষে খেলাটা বিশেষ সুযোগ। তবে আর্জেন্টিনাকে হারানো অসম্ভব নয়।'

আরও পড়ুন: কক্সবাজারে নলকূপ খননের স্থান থেকে গ্যাসের আগুন, বাপেক্সের বিশেষজ্ঞ দল ঘটনাস্থলে

তিনি বলেন, 'আর্জেন্টিনা অবশ্যই দুর্দান্ত দল। কিন্তু তারা অপরাজেয় নয়। আমরা তাদের হারানোর জন্য চেষ্টা করব। দক্ষিণ আমেরিকার দলগুলোর মানসিকতা সম্পর্কে আমাদের ভালো ধারণা আছে।'

অন্যদিকে, সুইজারল্যান্ডের অভিজ্ঞ রক্ষণভাগের খেলোয়াড় রিকার্ডো রদ্রিগেজ প্রতিপক্ষকে নিয়ে অত্যন্ত সতর্ক। তিনি বলেন, 'আর্জেন্টিনার দলে অনেক মানসম্পন্ন খেলোয়াড় রয়েছে। পাশাপাশি তাদের একজন ভালো কোচ আছেন এবং বিশ্বের সেরা ফুটবলার লিওনেল মেসিও আছেন।'

এদিকে, কোয়ার্টার ফাইনালের আগে চোট নিয়ে দুশ্চিন্তায় রয়েছে সুইজারল্যান্ড। দলের হয়ে চলতি বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ তিন গোল করা ইয়োহান মানজাম্বি অনুশীলনে হাঁটুতে চোট পাওয়ায় কলম্বিয়ার বিপক্ষে খেলতে পারেননি। তাকে নিয়ে এখনো নিশ্চিত নন কোচ ইয়াকিন।

তিনি আরও বলেন, 'এ ধরনের চোট এত দ্রুত সেরে ওঠে না। কী ধরনের চোট, সেটিও এখনো নিশ্চিত নই। যদি সে খেলার মতো অবস্থায় থাকে, অবশ্যই তাকে খেলাব। তবে কোনো ঝুঁকি নিতে চাই না।'

আরও পড়ুন: কুমিল্লায় রাজস্ব কর্মকর্তা বুলেট বৈরাগী হত্যা মামলায় পাঁচজনের বিরুদ্ধে চার্জশিট

এ ছাড়া চোটের কারণে মিশেল এবিশার ও লুকা ইয়াকেজও বর্তমানে দলের বাইরে রয়েছেন। আগামী রোববার বাংলাদেশ সময় সকাল ৭টায় কানসাস সিটি স্টেডিয়ামে সেমিফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে মুখোমুখি হবে আর্জেন্টিনা এবং সুইজারল্যান্ড।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গৃহযুদ্ধবিধ্বস্ত সুদানে গত ছয় মাসে অন্তত ৩০০ শিশু হতাহত: ইউনিসেফ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ৮ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০২:১৩ পি.এম


গৃহযুদ্ধবিধ্বস্ত সুদানে গত ছয় মাসে অন্তত ৩০০ শিশু হতাহত: ইউনিসেফ

গৃহযুদ্ধবিধ্বস্ত সুদানে গত ছয় মাসে অন্তত ৩০০ শিশু নিহত বা আহত হয়েছে। জাতিসংঘের শিশু তহবিল (ইউনিসেফ) জানিয়েছে, এসব হতাহতের বেশিরভাগই ড্রোন হামলার শিকার। পরিস্থিতিকে অত্যন্ত উদ্বেগজনক বলে উল্লেখ করে শিশুদের সুরক্ষা নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছে সংস্থাটি।

ইউনিসেফের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩ সালের এপ্রিল থেকে সুদানের সেনাবাহিনী ও আধাসামরিক বাহিনী র্যাপিড সাপোর্ট ফোর্সেস (আরএসএফ)-এর মধ্যে চলমান সংঘাতে এ পর্যন্ত অন্তত ৫৯ হাজার মানুষ নিহত হয়েছেন। বাস্তুচ্যুত হয়েছেন প্রায় এক কোটি ৩০ লাখ মানুষ এবং ৩ কোটির বেশি মানুষ জরুরি মানবিক সহায়তার ওপর নির্ভরশীল।

বর্তমানে উত্তর ও দক্ষিণ করদোফান, দারফুর এবং ব্লু নাইল অঞ্চলে সংঘর্ষ সবচেয়ে তীব্র। সাম্প্রতিক সময়ে হতাহতদের প্রায় ৬০ শতাংশই ড্রোন হামলা কারণে হয়েছে বলে জানাইছে ইউনিসেফ। হামলায় স্কুল, বাজার, জ্বালানি ডিপো ও পানি সরবরাহ কেন্দ্রসহ বিভিন্ন বেসামরিক স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এতে অন্তত পাঁচ লাখ মানুষের জীবন ঝুঁকির মুখে পড়েছে।

জাতিসংঘ, যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্যসহ কয়েকটি দেশ উত্তর করদোফানের কৌশলগত শহর এল-ওবেইদকে ঘিরে সম্ভাব্য মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। পাশাপাশি জাতিসংঘ-সমর্থিত মানবাধিকার পরিষদ আরএসএফ ও তাদের মিত্রদের সহিংসতার নিন্দা জানিয়ে একটি প্রস্তাব অনুমোদন করেছে। এই প্রস্তাবে শরণার্থীদের আশ্রয় দেওয়া দেশগুলোকে আরও সহায়তা এবং সংঘাতে সব ধরনের বিদেশি হস্তক্ষেপ বন্ধের আহ্বান জানানো হয়েছে।

ইউনিসেফের সুদান প্রতিনিধি শেলডন ইয়েট বলেন, শিশুরা অব্যাহত সহিংসতা, বাস্তুচ্যুতি ও বঞ্চনার ভয়াবহ চক্রে আটকে পড়েছে। তিনি সংঘাতরত সব পক্ষের প্রতি বেসামরিক মানুষ ও অবকাঠামো রক্ষা এবং বাধাহীন মানবিক সহায়তা পৌঁছানোর আহ্বান জানান।

এদিকে পৃথক একটি ঘটনায়, সুদানের মিসর সীমান্তবর্তী ওয়াদি হালফা এলাকায় পরিত্যক্ত একটি স্বর্ণখনির অংশ ধসে অন্তত ১৫ অনানুষ্ঠানিক খনি শ্রমিক নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও একজন। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নিরাপত্তাজনিত কারণে খনিটি বন্ধ থাকলেও শ্রমিকরা সেখানে পুনরায় খননকাজ শুরু করেছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

তুরস্ককে এফ-৩৫ দিতে চান ট্রাম্প, বড় বিপদের আশঙ্কায় নেতানিয়াহুর কড়া বিরোধিতা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ৮ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০২:১৬ পি.এম


তুরস্ককে এফ-৩৫ দিতে চান ট্রাম্প, বড় বিপদের আশঙ্কায় নেতানিয়াহুর কড়া বিরোধিতা

তুরস্ককে যুক্তরাষ্ট্রের অত্যাধুনিক এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান বিক্রির সম্ভাবনা নিয়ে কড়া বিরোধিতা করেছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। তিনি বলেছেন, আঙ্কারার হাতে এ ধরনের যুদ্ধবিমান যাওয়ার ফলে মধ্যপ্রাচ্যের সামরিক ভারসাম্যে নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তা ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে।

 

অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তুরস্কের সঙ্গে সম্পর্ক আরও জোরদারের কথা বলছেন। তিনি রাশিয়ার তৈরি এস-৪০০ ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা কেনার কারণে আঙ্কারার ওপর আরোপিত মার্কিন নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের উদ্যোগের কথাও জানিয়েছেন।

 

সিএনএনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে নেতানিয়াহু জানান, তিনি প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে ব্যক্তিগতভাবে অনুরোধ করেছেন, যেন তুরস্কের কাছে যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে উন্নত এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান বিক্রির অনুমোদন না দেওয়া হয়। তিনি মন্তব্য করেন, শুধু এফ-৩৫ সরবরাহ করলেই তুরস্ক যুক্তরাষ্ট্রের ঘনিষ্ঠ মিত্রে পরিণত হবে না।

 

নেতানিয়াহুর ভাষ্য অনুযায়ী, বর্তমানে তুরস্ক এমন একটি সরকারের অধীনে রয়েছে, যার সঙ্গে মুসলিম ব্রাদারহুডের প্রভাবের সম্পর্ক রয়েছে। তিনি দাবি করেন, এটি যুক্তরাষ্ট্রবিরোধী একটি সংগঠন। তিনি অভিযোগ করেন, বর্তমান তুর্কি নেতৃত্ব মার্কিন আদর্শ মিত্র নয় এবং প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান ইসরায়েলকে ধ্বংস করার হুমকিও দিয়েছেন।

 

তিনি আরও মন্তব্য করেন, তুরস্কের হাতে এফ-৩৫ তুলে দিলে এর প্রভাব কেবল দুই দেশের সম্পর্কের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে না; এটি পুরো মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা পরিস্থিতিতেও প্রতিফলিত হবে। নেতানিয়াহুর মতে, এমন সক্ষমতা একটি দেশের হাতে তুলে দিলে আগ্রাসনের ঝুঁকি সৃষ্টি হতে পারে।

 

এ বক্তব্যের প্রেক্ষাপট হচ্ছে ন্যাটো সম্মেলনে অংশ নিতে ট্রাম্পের তুরস্ক সফর। ওই সফরে তিনি ঘোষণা করেন, রাশিয়ার তৈরি এস-৪০০ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা কেনার কারণে যুক্তরাষ্ট্র যে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছিল, তা প্রত্যাহার করা হবে। এর আগে, যুক্তরাষ্ট্রের আইন মতে, এস-৪০০ কেনার কারণে তুরস্ককে এফ-৩৫ কর্মসূচি থেকে বাদ দেওয়া হয়েছিল।

 

প্রেসিডেন্ট এরদোয়ানের সঙ্গে বৈঠকের আগে সাংবাদিকদের সঙ্গে ট্রাম্প বলেন, বন্ধুপ্রতিম দেশগুলোর ওপর নিষেধাজ্ঞা বহাল রাখা যুক্তরাষ্ট্রের উদ্দেশ্য নয়। তিনি উল্লেখ করেন, ‘আমরা নিষেধাজ্ঞা তুলে নিচ্ছি। এখন সময় এসেছে।

 

তুরস্কের কাছে এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান বিক্রির বিষয়ে ইতিবাচক মনোভাব প্রকাশ করেন ট্রাম্প। তার মতে, বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্র ও তুরস্কের সম্পর্ক অতীতের যেকোনো সময়ের তুলনায় ভালো। এস-৪০ ব্যবস্থা এখনও তুরস্কের কাছে থাকা নিয়ে উদ্বেগের বিষয়ে তিনি মন্তব্য করেন, এ মুহূর্তে বিষয়টি নিয়ে তার বড় কোনো চিন্তা নেই।

 

এরদোয়ানের প্রশংসা করে ট্রাম্প বলেন, তুর্কি প্রেসিডেন্টের সঙ্গে তার ভালো বোঝাপড়া রয়েছে। তিনি তুরস্ককে যুক্তরাষ্ট্রের ‘অসাধারণ মিত্র’ বলেও উল্লেখ করেন। একই সঙ্গে জানান, তুরস্ককে পুনরায় এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান কর্মসূচিতে অন্তর্ভুক্ত করার বিষয়টি বিবেচনা করা হবে। তার দাবি, অনেক ক্ষেত্রেই তুরস্ক এমন কিছু দেশের চেয়েও বেশি বিশ্বস্ত, যাদের যুক্তরাষ্ট্র ঘনিষ্ঠ মিত্র হিসেবে বিবেচনা করে। এ সময় তিনি এফ-৩৫-কে বিশ্বের অন্যতম সেরা যুদ্ধবিমান বলেও উল্লেখ করেন।

 

এদিকে, প্রেসিডেন্ট এরদোয়ান জানিয়েছেন, এ বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আগেই আলোচনা হয়েছে এবং তুরস্ক ইতিবাচক সিদ্ধান্তের প্রত্যাশা করছে। তিনি উল্লেখ করেন, অতীতে তুরস্ককে পাঁচটি যুদ্ধবিমান দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল এবং ট্রাম্প সেই প্রতিশ্রুতি রক্ষা করেছেন।

 

তুরস্ককে এফ-৩৫ বিক্রির বিরোধিতা করলেও ট্রাম্পের সঙ্গে তার সম্পর্কের অবনতি হয়েছে—এমন ধারণা নাকচ করে দিয়েছেন নেতানিয়াহু। তিনি বলেন, ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থ দেখেন, আর তিনি ইসরায়েলের স্বার্থ দেখেন। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই দুই দেশের স্বার্থ একই জায়গায় মিলে যায়। তিনি মন্তব্য করেন, দুই নেতা এখনো ঘনিষ্ঠভাবে একসঙ্গে কাজ করছেন।

 

সূত্র : সিএনএন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রেফারিং বিতর্কের ম্যাচে ‘এক্স’ সংকেত দেখিয়ে আলোচনায় মিশরের কোচ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

বুধবার, ৮ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০২:২০ পি.এম


রেফারিং বিতর্কের ম্যাচে ‘এক্স’ সংকেত দেখিয়ে আলোচনায় মিশরের কোচ

রেফারিং বিতর্কে উত্তাল একটি ম্যাচে জয় পেয়েছে আর্জেন্টিনা। তবে ম্যাচের ফলের চেয়ে বেশি আলোচনায় উঠে এসেছে মিশর শিবিরের ক্ষোভ, বিতর্কিত রেফারিং এবং কোচ হোসাম হাসানের জন্য একটি ব্যতিক্রমী ‘এক্স’ সংকেত।

ম্যাচে মিশরের একটি গোল বাতিল করে দেওয়া হয়, পেনাল্টির আবেদন নাকচ হয় এবং রেফারির একাধিক সিদ্ধান্ত নিয়ে দলটি ক্ষুব্ধ ছিল। ম্যাচ শেষে মিশরের পক্ষ থেকে ‘ম্যাচ পাতানোর’ অভিযোগও তোলা হয়েছে।

এই উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতির মধ্যে, ডাগআউট থেকে দুই হাত বুকের সামনে ক্রস করে ‘এক্স’ আকৃতির সংকেত দেন মিশরের কোচ হোসাম হাসান। পরে তিনি মাথার ওপর হাত তুলে একই সংকেত রেফারিদের উদ্দেশে প্রদর্শন করেন। এর কিছুক্ষণের মধ্যেই, ম্যাচের রেফারি তাকে হলুদ কার্ড দেখান।

ফিফার বর্ণবাদবিরোধী নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী, খেলোয়াড়, কোচ বা ম্যাচ কর্মকর্তারা মাঠে বর্ণবাদী আচরণের অভিযোগ জানাতে দুই হাত ক্রস করে ‘এক্স’ আকৃতির সংকেত ব্যবহার করতে পারেন। এই সংকেত প্রদর্শনের পর রেফারি পরিস্থিতি মূল্যায়ন করার পর-match সাময়িক বন্ধ রাখতে পারেন। যদি বর্ণবাদী আচরণ অব্যাহত থাকে, তাহলে ম্যাচ স্থগিত বা চরম পরিস্থিতিতে পরিত্যক্ত ঘোষণার ক্ষমতা রেফারির রয়েছে।

তবে ফিফার নির্দেশিকায় এই সংকেত প্রদর্শনের জন্য সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি হলুদ কার্ড পাবেন তা বলা হয়নি। এর ফলে প্রশ্ন উঠছে হোসাম হাসানকে কেন সতর্ক করা হলো এবং তাকে হলুদ কার্ড কেন দেখানো হলো।

এদিকে হোসাম হাসান ঠিক কোন ঘটনার প্রতিবাদে ‘এক্স’ সংকেত প্রদর্শন করেছিলেন বা রেফারি কেন তাকে হলুদ কার্ড দেখিয়েছেন, এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত ফিফা বা ম্যাচ কর্তৃপক্ষ কোন আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা দেয়নি।

ফলে, রেফারিং বিতর্কের পাশাপাশি হোসাম হাসানের ‘এক্স’ সংকেত এবং তাকে প্রদর্শন করা হলুদ কার্ড নিয়ে ফুটবল অঙ্গনে আলোচনা এবং রহস্য আরও ঘনীভূত হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভেবেছিলাম আমিই দলকে ডুবিয়ে দিলাম: ম্যাচ শেষে মেসি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

বুধবার, ৮ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০২:২৫ পি.এম


ভেবেছিলাম আমিই দলকে ডুবিয়ে দিলাম: ম্যাচ শেষে মেসি

ম্যাচের শুরুতেই ধাক্কা খায় আর্জেন্টিনা। ১৯তম মিনিটে সমতায় ফেরার সুবর্ণ সুযোগ পেয়েও তা কাজে লাগাতে পারেননি লিওনেল মেসি। তাঁর নেওয়া পেনাল্টি দুর্দান্ত দক্ষতায় রুখে দেন মিসরের গোলরক্ষক মোস্তফা শোবের। সেই মুহূর্তের পর মেসির মনে হয়েছিল, তাঁর পেনাল্টি মিসই হয়তো আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপ অভিযান শেষ করে দেবে।

তবে শেষ পর্যন্ত ম্যাচের গল্পটা ছিল একেবারেই ভিন্ন। ৭৯ মিনিট পর্যন্ত ২-০ গোলে পিছিয়ে থাকা আর্জেন্টিনা অবিশ্বাস্যভাবে ঘুরে দাঁড়িয়ে ৩-২ ব্যবধানে জয় তুলে নেয়। দলের তিন গোলের একটির স্কোরার ছিলেন মেসি, আরেকটি গোলে ছিল তাঁর অ্যাসিস্ট।

তবুও ম্যাচ শেষে নিজের পেনাল্টি মিসের আক্ষেপ তিনি লুকাতে পারেননি আর্জেন্টাইন অধিনায়ক। সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ‘পেনাল্টি মিস করার পর আমি নিজের ওপর ভীষণ রেগে গিয়েছিলাম। যেভাবে শটটি নিয়েছিলাম, তাতে মনে হচ্ছিল আমি পুরো দলকে ডুবিয়ে দিলাম।’

কোয়ার্টার ফাইনাল নিশ্চিত করার পর মেসি বলেন, ‘২-০ গোলে পিছিয়ে পড়ার পর ফিরে আসা কখনোই সহজ নয়। পরের রাউন্ডে উঠতে পেরে আমি খুব খুশি। বিশেষ করে যেভাবে আমরা ম্যাচে ফিরেছি, সেটি ছিল দারুণ রোমাঞ্চকর।’

এই ম্যাচে ইতিহাসও গড়েছে আর্জেন্টিনা। বিশ্বকাপের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো দুই বা তার বেশি গোলে পিছিয়ে থেকেও জয় তুলে নিয়েছে দলটি।

দলের মানসিক দৃঢ়তার প্রশংসা করে মেসি বলেন, ‘এই দলটি আবারও প্রমাণ করেছে, যা আমি বহুবার বলেছি। আমি জানি এই খেলোয়াড়রা কীভাবে কাজ করে। তারা লড়াই করতে জানে, বিশ্বাস ধরে রাখতে জানে। তাদের সঙ্গে থাকতে পারাটা আমার জন্য গর্বের। আমরা যেকোনো প্রতিপক্ষের বিপক্ষেই লড়াই করতে প্রস্তুত।’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%