ঢাকা রবিবার, ২৫শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৯ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৪ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
রবিবার, ২৫শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৯ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

অফিসারদের মনোভাব পরিবর্তন করতে হবে: সমাজকল্যাণ মন্ত্রী


অফিসারদের মনোভাব পরিবর্তন করতে হবে: সমাজকল্যাণ মন্ত্রী

সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী অধ্যাপক ডাঃ এজেডএম জাহিদ হোসেন বলেছেন, সমাজসেবা অফিসারদের এগিয়ে আসার মনোভাব পরিবর্তন করতে হবে।

তিনি রাজধানীর আগারগাঁও সমাজসেবা অধিদপ্তরে জাতীয় সমাজসেবা একাডেমি আয়োজিত সমাজসেবা অফিসারদের দুমাস ব্যাপী ৫৭ তম বুনিয়াদী প্রশিক্ষণ কোর্সের সমাপনী ও সনদপত্র বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যের সময় এ মন্তব্য করেন।

মন্ত্রী বলেন, সমাজের কোন দুর্যোগ বা দুর্ঘটনা কিংবা গ্রামের কোথাও কোনো অন্যায় ঘটলে সেখানকার পরিস্থিতির দিকে সমাজসেবা অফিসারদের এগিয়ে যেতে হবে। সমাজসেবা অফিসারদের অ্যাটিটিউড এবং অ্যাপ্রোচের মধ্যে পরিবর্তন আনতে হবে। বিপদের সময় মানুষের সহায়তার জন্য সমাজকর্মীদের অবশ্যই এগিয়ে আসতে হবে।

আরও পড়ুন: মার্কিন নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও আন্তর্জাতিক আদালত এগিয়ে যাচ্ছে: ডেপুটি প্রসিকিউটর

তিনি আরও বলেন, শেখার কোনো শেষ নেই এবং প্রশিক্ষণের কোন বিকল্পও নেই। সমাজকল্যাণ মন্ত্রী উল্লেখ করেন, সমাজের পিছিয়ে পড়া মানুষের জীবনমান উন্নয়নে সমাজসেবা অফিসারদের সহানুভূতির সাথে মাঠ পর্যায়ে প্রশিক্ষণ গ্রহণকৃত জ্ঞান কাজে লাগাতে হবে। আপনাদের পেশাগত দক্ষতাগুলো দেশের জনগণের কল্যাণে কাজে লাগাতে হবে।

মন্ত্রী জনগণের কাছে সমাজকল্যাণ সবার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলেও জানান। তিনি বলেন, ১৮০ কোটি মানুষের জন্য সমাজকল্যাণ প্রয়োজন। তাই সমাজসেবা অফিসারদের সমাজ কর্মীদের মানুষের কল্যাণে কাজ করতে হবে। বর্তমান সরকার কোন অন্যায়কে প্রশ্রয় দিবেনা বলে তিনি উল্লেখ করেন।

তিনি আরো বলেন, আগামী অর্থবছর থেকে প্রতিটি উপজেলায় ইউনিভার্সাল ফ্যামিলি কার্ড প্রদানে বাড়িতে বাড়িতে গিয়ে আপনাদের আইডেন্টিফাই করতে হবে এবং দেশের কোন উপজেলা বাদ থাকবে না। ৪০ লাখ ২০ হাজার পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ড প্রদান করা হবে।

ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন বলেন, আমরা নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করতে অঙ্গীকারাবদ্ধ। দেশের পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর প্রতিটি ফ্যামিলির পাঁচজনের একজনকে স্বাবলম্বী করতে সরকার ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি বাস্তবায়ন করবে। সরকারি প্রোগ্রাম কর্মসূচি বাস্তবায়নে আপনাদের সহযোগিতা চাই। পরে তিনি বুনিয়াদি প্রশিক্ষণের ৩২ জন প্রশিক্ষণার্থীদের মাঝে সনদ ও মেডেল প্রদান করেন।

আরও পড়ুন: ঢাকা সৌদির কাছে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নের জবাব চেয়েছে

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাবা কারাগারে, মা দূরে: কিশোরের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ৮ই জুন, ২০২৬ ইং

০৯:৩১ পি.এম


বাবা কারাগারে, মা দূরে: কিশোরের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

মায়ের করা মামলায় বাবা এখন কারাগারে রয়েছেন, এবং মা নানা বাড়িতে অবস্থান করছিলেন। ১৬ বছরের কিশোর তুহিন হাওলাদার একা ছিলেন। আজ দুপুরে তার ঘর থেকে ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

সোমবার (৮ জুন) পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলার চরমোন্তাজ ইউনিয়নের পুরাতন বাজার সংলগ্ন এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যাচ্ছে, তুহিনের বাবা মনির হাওলাদার ও মা শেফালী বেগমের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে পারিবারিক বিরোধ চলে আসছিল। ২০২৫ সালের শেষের দিকে শেফালী বেগম নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করতে গেলে মনির হাওলাদার কারাগারে যেতে বাধ্য হন। ওই মামলায় তিনি এর আগে প্রায় দেড় মাস কারাভোগ করেছিলেন। সর্বশেষ কোরবানির ঈদের এক সপ্তাহ আগে তিনি আবারও কারাগারে যান। বর্তমানে তিনি কারাগারেই আছেন।

অন্যদিকে, তুহিনের মা দক্ষিণ চরমোন্তাজে তার বাবার বাড়িতে অবস্থান করছিলেন। ফলে তুহিন একাকী বাড়িতে থাকতেন। পরিবারটির তিন সন্তানের মধ্যে তুহিন ছিল বড়; তার দুই ছোট বোনও মায়ের সঙ্গে নানা বাড়িতে ছিল।

প্রতিবেশীরা জানাচ্ছেন, সোমবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে দীর্ঘ সময় কোনো সাড়া-শব্দ না পেয়ে তাদের সন্দেহ হয়। পরে খোঁজ নিতে গিয়ে ঘরের ভিতরে গলায় গামছা পেঁচানো অবস্থায় তুহিনের ঝুলন্ত মরদেহ দেখতে পান। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে। তবে ঘটনাস্থলে গিয়ে কেউ দরজা খোলা দেখেছেন, আবার কেউ বলছেন দরজা বন্ধ ছিল।

তুহিনের মা শেফালী বেগম বলেছেন, "আমার ছেলে আমাকে কিছুই বলেনি। তার সঙ্গে কোনো কথাও হয়নি। মোবাইল ফোনও বন্ধ ছিল। আমার মেয়ে আমাকে বলছিল, ভাইয়ের মোবাইল বন্ধ। কে জানি তার গাড়ি আটকেছিল। এর সপ্তাহখানেক আগে বাজারের এক ঘরে রাতে ঢুকেছিল। মেম্বারে (ইউপি সদস্য) সালিশিও করছে।"

কিন্তু কিশোরটির মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে পুলিশ এখনও নিশ্চিত হতে পারেনি।

চরমোন্তাজ পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ বেলাল হোসেন জানান, সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পটুয়াখালী মর্গে পাঠানো হয়েছে। এই ঘটনায় একটি অপমৃত্যু মামলা হবে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যাবে।

তিনি আরও বলেন, "তুহিনের বাবা ও মায়ের মধ্যে সম্পর্ক ভাল ছিল না। মায়ের মামলায় বাবা কারাগারে আছে।"

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জার্মানি ছাড়া আরও যাদের কাছে ‘সেভেন আপ’ খেয়েছে ব্রাজিল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

সোমবার, ৮ই জুন, ২০২৬ ইং

০৯:৩৪ পি.এম


জার্মানি ছাড়া আরও যাদের কাছে ‘সেভেন আপ’ খেয়েছে ব্রাজিল

আর মাত্র তিন দিন বাদে মাঠে গড়াতে চলেছে ফিফা বিশ্বকাপ ফুটবল। বিশ্বের সবচেয়ে উত্তেজনাপূর্ণ এই টুর্নামেন্টের সফলতম দল নিঃসন্দেহে ব্রাজিল। তবে, বড় বেশ কিছু ট্রাজেডি ও অঘটনের শিকারও হয়েছে এই সেলেসাওরা।

উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, ২০০২ বিশ্বকাপের পর থেকে প্রতিটি বিশ্বকাপের আসর ব্রাজিল ফ্যানদের জন্য হেক্সা মিশন হয়ে এসেছে; আবার ২০১৪ বিশ্বকাপের পর থেকে নিন্দুকদের কাছে ব্রাজিল মানেই ‘সেভেন আপ’ খাওয়া দল।

২০১৪ সালের ৮ জুলাই। ঘরের মাঠে ‘হট ফেভারিট’ হিসেবে ব্রাজিল মাঠে নেমেছিল। গ্যালারিতে ৬২ হাজার সমর্থক আর বিশ্বজুড়ে কোটি চোখ ছিল ব্রাজিলের খেলা দেখার অপেক্ষায়। কিন্তু, সেদিন নেইমার ও থিয়াগো সিলভার অভাবের কারণে ব্রাজিলকে নিয়ে জার্মানি রীতিমতো ছেলেখেলায় মেতে ওঠে। একে একে সেলেসাওদের জালে তারা ৭ গোল দেয়। ম্যাচের শেষ দিকে অস্কারের একটি সান্ত্বনাসূচক গোলে ম্যাচের ফলাফল ৭-১ হয়।

এবার, সেভেন আপের লজ্জায় সেবারই প্রথম ডোবার অভিজ্ঞতা নেয় ব্রাজিল। ইতিহাস খুঁটিয়ে দেখলে দেখা যায়, সেলেসাওদের এই লজ্জা অবশ্য এমনটি প্রথম নয়। জার্মানির এই অঘটনের প্রায় ৮০ বছর আগে ঘটেছিল প্রথম অঘটনটি।

১৯৩৪ সালের ৩ জুন বেলগ্রেডে অনুষ্ঠিত একটি প্রীতি ম্যাচে ব্রাজিলকে ৮-৪ গোলে পরাজিত করে তৎকালীন যুগোস্লাভিয়া। সেলেসাওদের ইউরোপ সফরের অংশ ছিল এই ম্যাচ। সেবার একটি ম্যাচে ৭ বা এর বেশি গোল খাওয়ার অসম্ভব অভিজ্ঞতা হয়েছিল ব্রাজিলের।

ম্যাচের অষ্টম মিনিটেই ব্রাজিল এগিয়ে গেলেও পরে যুগোস্লাভিয়ার আক্রমণের সামনে তাদের রক্ষণ ধসে পড়ে। শেষমেষ ৮-৪ ব্যবধানের বড় পরাজয় নিয়ে মাঠ ছাড়তে হয় ব্রাজিলের সফরকারীদের।

যুগোস্লাভিয়ার পর দীর্ঘ ৮০ বছর এপ্রিল আর কোনো দল ব্রাজিলের জালে ৭ গোল দিতে সক্ষম হয়নি। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে ব্রাজিল আরও শক্তিশালী হয়ে উঠেছে, তারা ৫ বিশ্বকাপ জিতেছে এবং অসংখ্য তারকা ফুটবলার তৈরি করেছে। ফলে আবার এমন রেকর্ড দেখা যাবে, তা অনেকের কাছে ছিল অবিশ্বাস্য।

কিন্তু, ২০১৪ সালে সেই অসম্ভবকে সম্ভব করে জার্মানি। নিজেদের দেশে আয়োজিত বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে বেলো হরিজন্তের মিনেইরাও স্টেডিয়ামে জার্মানির মুখোমুখি হয় ব্রাজিল। এই ম্যাচটি ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম আলোচিত অধ্যায়ে পরিণত হয়।

শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলে ভারতীয়রা। মাত্র ২৯ মিনিটের মধ্যে তারা ৫-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায়। পুরো বিশ্ব হতবাক হয়ে যায় ব্রাজিলের রক্ষণভাগের বিপর্যয়ে। শেষ পর্যন্ত ম্যাচটি ৭-১ গোলের বিশাল ব্যবধানে জিতে নেয় জার্মানি।

ব্রাজিলের হয়ে অস্কার একটি গোল শোধ করেছিলেন, তবে সেটি পরাজয়ের বেদনা কমাতে পারেনি। বিশ্বকাপ ইতিহাসে এটি ব্রাজিলের সবচেয়ে বড় হার হিসেবে এখনো স্মরণীয়।

বাংলাদেশও একবার ‘সেভেন আপ’ খাইয়েছে ব্রাজিলকে।

ব্রাজিলকে ৭-০ গোলে হারিয়েছে বাংলাদেশ— এমন দাবি অনেকের কাছে অবিশ্বাস্য মনে হতে পারে। তবে, একটি আন্তর্জাতিক যুব ফুটবল টুর্নামেন্টে এই ঘটনার উল্লেখ আছে।

১৯৯০ সালে ‘বাংলা একাদশ’ নামে বাংলাদেশের একটি অনূর্ধ্ব-১৪ দল ইউরোপে অনুষ্ঠিত ডানা কাপ এবং গথিয়া কাপে অংশগ্রহণ করে। ডেনমার্কের ডানা কাপ এবং সুইডেনের গথিয়া কাপ তরুণ ফুটবলারদের জন্য অন্যতম বড় আসর। ওই প্রতিযোগিতার এক ফাইনালে বাংলাদেশের বাংলা একাদশের প্রতিপক্ষ ছিল ব্রাজিলের অনূর্ধ্ব-১৪ দল।

ইউরোপীয় ইউনিয়নের গণমাধ্যম উপদেষ্টা তৌহিদ ফিরোজের বর্ণনা অনুযায়ী, ব্রাজিলের কিশোর ফুটবলাররা তাদের ঐতিহ্যবাহী হলুদ জার্সি পরে মাঠে নেমেছিল। সেই ম্যাচে বাংলা একাদশ ৭-০ গোলে জয়ী হয়।

তিনি আরও উল্লেখ করেন, ওই সময়ে বাংলাদেশের সংবাদমাধ্যমে এই বিষয়টি ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি করে। শুধু ব্রাজিল নয়, ফাইনালে ওঠার পথে বাংলাদেশের আরও কয়েকটি শক্তিশালী দলের বিপক্ষে বড় ব্যবধানে জয় পেয়েছিল বলেও সে সময় সংবাদ প্রকাশিত হয়েছিল।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইসরায়েলের দিকে ছোড়া ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র ঠেকায়নি যুক্তরাষ্ট্র: রিপোর্ট

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ৮ই জুন, ২০২৬ ইং

০৯:৩৫ পি.এম


ইসরায়েলের দিকে ছোড়া ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র ঠেকায়নি যুক্তরাষ্ট্র: রিপোর্ট

ইরান থেকে ইসরায়েলের দিকে ছোড়া ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করতে যুক্তরাষ্ট্র কোনও ধরনের বাধা প্রদান করেনি, এ কথা জানিয়েছেন এক মার্কিন কর্মকর্তা।

এই বক্তব্য ইসরায়েলের আগের দাবির সঙ্গে সরাসরি সাংঘর্ষিক, যেখানে বলা হয়েছিল যে, যুক্তরাষ্ট্র ইসরায়েলের আকাশ প্রতিরক্ষা কার্যক্রমে সহায়তা করেছে এবং কিছু ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র ভূপাতিত করেছে।

মার্কিন কর্মকর্তার বরাত দিয়ে সিএনএন জানিয়েছে, ইরানের ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্রগুলোর কোনওটি প্রতিহত করতে মার্কিন বাহিনী অংশ নেয়নি। সাম্প্রতিক সংঘাতের প্রেক্ষাপটে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন হিসেবে দেখা হচ্ছে। কারণ অতীতে ইরান-ইসরায়েল উত্তেজনার সময় যুক্তরাষ্ট্র নিজস্ব বিপুল সংখ্যক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ব্যবহার করে ইসরায়েলের দিকে ধেয়ে আসা ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করেছিল।

সোমবার সকালে এক ইসরায়েলি সামরিক কর্মকর্তা দাবি করেন, ইসরায়েলের আকাশ প্রতিরক্ষা কার্যক্রমে যুক্তরাষ্ট্র সহায়তা করেছে এবং ইরানের ছোড়া কিছু ক্ষেপণাস্ত্র ভূপাতিত করেছে। তবে পরবর্তীতে মার্কিন কর্মকর্তার বক্তব্য সেই দাবিকে নাকচ করে দেয়।

এই পরস্পরবিরোধী বক্তব্যের ফলে ইরান-ইসরায়েল সংঘাতের সাম্প্রতিক পর্বে যুক্তরাষ্ট্রের সরাসরি সামরিক সম্পৃক্ততা নিয়ে নতুন প্রশ্ন তৈরি হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, ওয়াশিংটনের এই অবস্থান ইঙ্গিত দিতে পারে যে, যুক্তরাষ্ট্র বর্তমানে সংঘাতের বিস্তার রোধে আরও সতর্ক কৌশল অবলম্বন করছে এবং সরাসরি সামরিক হস্তক্ষেপ থেকে দূরে থাকার চেষ্টা করছে।

তবে যুক্তরাষ্ট্র ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত না করলেও দুই দেশের সামরিক বাহিনীর মধ্যে ঘনিষ্ঠ সমন্বয় অব্যাহত ছিল বলে জানা গেছে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা সিএনএনকে জানান, রাতভর অভিযানের সময় ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম)-এর সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করেছে।

এ সময় ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনীর (আইডিএফ) প্রধান লেফটেন্যান্ট জেনারেল আইয়াল জামির অন্তত দুই দফা সেন্টকম প্রধান অ্যাডমিরাল ব্র্যাড কুপারের সঙ্গে কথা বলেন। ওই আলোচনায় চলমান নিরাপত্তা পরিস্থিতি এবং আঞ্চলিক উত্তেজনা নিয়ে সমন্বয় করা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের এই অবস্থান বিশেষ গুরুত্ব বহন করছে। একদিকে ওয়াশিংটন ইসরায়েলের প্রধান নিরাপত্তা অংশীদার হিসেবে সম্পর্ক বজায় রাখছে, অন্যদিকে সরাসরি সামরিক সম্পৃক্ততা এড়িয়ে সংঘাতকে আরও বিস্তৃত আঞ্চলিক যুদ্ধে রূপ নেওয়া থেকে বিরত রাখার চেষ্টা করছে বলে মনে করছেন পর্যবেক্ষকরা।

বিশ্লেষকদের মতে, ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যে চলমান উত্তেজনা যদি আরও বৃদ্ধি পায়, তাহলে যুক্তরাষ্ট্রের ভবিষ্যৎ ভূমিকা এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তা ব্যবস্থায় তার অবস্থান আন্তর্জাতিক কূটনীতির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ আলোচ্য বিষয়ে পরিণত হতে পারে। সূত্র: সিএনএন

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

৫ শিক্ষা বোর্ড ও এনসিটিবিতে নতুন চেয়ারম্যান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ৮ই জুন, ২০২৬ ইং

০৯:৩৬ পি.এম


৫ শিক্ষা বোর্ড ও এনসিটিবিতে নতুন চেয়ারম্যান

ঢাকাসহ দেশের পাঁচটি শিক্ষা বোর্ডে নতুন চেয়ারম্যান নিয়োগ করেছে সরকার। এছাড়া জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডেও (এনসিটিবি) নতুন চেয়ারম্যান নিয়োগ দেয়া হয়েছে।

সোমবার (৮ জুন) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ এ সংক্রান্ত আলাদা প্রজ্ঞাপন জারি করে।

প্রজ্ঞাপনে খুলনার সরকারি হাজী মুহাম্মদ মুহসিন কলেজের অর্থনীতির অধ্যাপক ফরুখে আযম মু. আব্দুস ছালামকে যশোর শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়েছে। রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডের সচিব ড. শামীম আরা চৌধুরীকে রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান পদে নিয়োগের বিষয়টি জানানো হয়েছে। কুমিল্লার দেবীদ্বার এস এ সরকারি কলেজের দর্শন বিভাগের অধ্যাপক মো. আহসান পারভেজকে কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান পদে নিয়োগ দেয়া হয়।

একই আদেশে চট্টগ্রামের কমার্স কলেজের উপাধ্যক্ষ হিসাববিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক মোহাম্মদ ফরকুল মাওলাকে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের (এনসিটিবি) চেয়ারম্যান করা হয়।

অপর এক প্রজ্ঞাপনে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতরে ওএসডি এবং ময়মনসিংহ শিক্ষা বোর্ডে সংযুক্ত ইসলামের ইতিহাস বিভাগের অধ্যাপক সৈয়দ আক্তারুজ্জামানকে ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান পদে নিয়োগ করা হয়েছে।

এছাড়া কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের সচিব অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক খোন্দকার মোহাম্মদ সাদেকুর রহমানকে বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান পদে নিয়োগ দেয়ার তথ্যও জানানো হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৪ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৪
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৪৮
মাগরিব ০৫:২৪
ইশা ০৬:৩৬
সূর্যোদয় : ০৬:০০ সূর্যাস্ত : ০৫:২৪
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%