বৃহস্পতিবার, ১ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৬:০০ পি.এম
বলিভিয়ার বিরুদ্ধে ৪-০ গোলে জয়লাভের পর নতুন আর্জেন্টিনা অধিনায়ক ক্রিস্তিয়ান রোমেরো লিওনেল মেসির অবসরের বিষয়টি নিয়ে মন্তব্য করেছেন। ম্যাচের পর তিনি গণমাধ্যমের সামনে নিজের অনুভূতি ব্যক্ত করেন।
রোমেরো উল্লেখ করেন, “আজকের দিনটা আমার স্মৃতিতে চিরকাল থাকবে। কখনও ভাবিনি বেলগ্রানো থেকে ক্যারিয়ার শুরু করে ১০ বছর পর জাতীয় দলে সবকিছু অর্জন করে ফিরব।”
তিনি আরও বলেন, দলের শক্তি এবং ভবিষ্যৎ নিয়ে তিনি আশাবাদী, “আমাদের ভালো খেলোয়াড় আছে, অসাধারণ কোচিং স্টাফ আছে। আমরা প্রস্তুতি নেব যাতে জাতীয় দলকে সবসময় শীর্ষে রাখা যায়।”
নতুন অধিনায়কত্ব পাওয়ার পর রোমেরো জানান, কোচ স্কালোনি তাকে অনেক আগে তৃতীয় অধিনায়ক হিসেবে মনোনীত করেছিলেন।
“লিও আর অন্যরা আমাকে বেছে নিয়েছে। দায়িত্বটা এখন আমার, আর আমি কৃতজ্ঞ।”
মেসির বিদায় নিয়ে রোমেরো বলেন, “আমরা লিওকে খুব মিস করব। তিনি আমাদের পতাকা বাহক। তার মতো আর কেউ হবে না।”
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মার্কিন প্রতিরক্ষা সচিব পিট হেগসেথ মার্কিন মূলধারার গণমাধ্যমের তীব্র সমালোচনা করেছেন, সংবাদমাধ্যম ও সাংবাদিকদের কর্মকাণ্ডকে ‘জাতীয় বিশ্বাসঘাতকতা’ এবং ‘রাষ্ট্রদ্রোহ’ বলে অভিহিত করেছেন।
ভার্জিনিয়ার একটি মেরিন কোর ঘাঁটিতে সেনা সদস্যদের উদ্দেশ্যে দেওয়া তাঁর বার্ষিক ‘স্টেট অব দ্য ফোর্স’ ভাষণে পেন্টাগন প্রধান গণমাধ্যমের বিরুদ্ধে এক নজিরবিহীন আক্রমণাত্মক অবস্থান গ্রহণ করেন। হেগসেথ অভিযোগ করেন, মার্কিন প্রেসের ভূমিকা ইরানের রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন সংবাদমাধ্যমের তুলনায় অধিক পক্ষপাতদুষ্ট এবং বিভ্রান্তিকর।
হেগসেথ তাঁর বক্তব্যে বলেন, "একটি স্বাধীন ও মুক্ত গণমাধ্যম অবশ্যই যেকোনো দেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু আমাদের সশস্ত্র বাহিনীর ঐতিহাসিক মিশন ও সৈন্যদের উদ্দেশ্যমূলকভাবে হেয় করার এই দলীয় রাজনৈতিক সক্রিয়তা পুরোপুরি আমেরিকা-বিরোধী। এটি একটি অসুস্থ মনোভাব, যা জাতীয় বিশ্বাসঘাতকতা—সহজ কথায় এটি রাষ্ট্রদ্রোহ।"
মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তরের নীতির সমালোচনা এবং চলমান সামরিক অভিযান নিয়ে রিপোর্টিংয়ের কারণে তিনি বেশ কিছু শীর্ষস্থানীয় মার্কিন সংবাদমাধ্যমের প্রতি ক্ষোভ প্রকাশ করেন। সম্প্রতি মধ্যপ্রাচ্য ও ইরান ইস্যুতে প্রতিরক্ষা দপ্তরের তথ্য গোপনের অভিযোগ তুলে প্রতিবেদন প্রকাশ করায় দ্য ওয়াশিংটন পোস্টসহ একাধিক প্রধান গণমাধ্যমের ওপর পেন্টাগনের এই শীর্ষ কর্মকর্তা ক্ষুব্ধ হন। হেগসেথ দাবি করেন, মার্কিন গণমাধ্যম জাতীয় নিরাপত্তার স্বার্থ না দেখে সংবাদ বা স্ক্যান্ডাল তৈরিতে ব্যস্ত রয়েছে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, পেন্টাগন প্রধানের এই ধরনের বক্তব্য স্বাধীন সাংবাদিকতার ওপর সরাসরি আঘাত এবং প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প প্রশাসনের স্বাধীন প্রেসের প্রতি কঠোর মনোভাবেরই একটি স্পষ্ট প্রতিফলন। এর আগে পেন্টাগন থেকে সংবাদ সংগ্রহের জন্য সাংবাদিকদের ওপর বেশ কিছু কড়া শর্ত আরোপের উদ্যোগও নেয়া হয়েছিল, যা নিয়ে দেশটির প্রধান প্রধান সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে পেন্টাগনের চরম দ্বন্দ্ব তৈরি হয়।
সূত্র: অ্যাক্সিওস।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ফোনে জরুরি কাজ করার সময় হঠাৎ স্ক্রিন আটকে যাওয়া, কোনো কমান্ডে সাড়া না দেওয়া বা কিছুক্ষণ পর নিজে থেকেই বন্ধ হয়ে যাওয়া একটি বিরক্তিকর অভিজ্ঞতা। অনেক সময় দেখা যায়, চার্জ পর্যাপ্ত থাকা সত্ত্বেও এমন সমস্যা সৃষ্টি হয়।
তবে, সবসময় ফোনের হার্ডওয়্যার নষ্ট হওয়াকেই এর জন্য দায়ী করা যায় না। ফোন হ্যাং বা বন্ধ হয়ে যাওয়ার জন্য স্টোরেজের ঘাটতি, র্যামের ওপর অতিরিক্ত চাপ, অতিরিক্ত তাপ, দুর্বল ব্যাটারি কিংবা সফটওয়্যার সমস্যাও দায়ী হতে পারে।
স্টোরেজ ভরে গেছে কি না দেখুন
যখন ফোনের স্টোরেজ প্রায় সম্পূর্ণ হয়ে যায়, তখন শুধু নতুন ফাইল সংরক্ষণে সমস্যা হয় না, বরং সিস্টেমের স্বাভাবিক কার্যক্রমও ব্যাহত হতে পারে। এর ফলে ফোন ধীর হয়ে যাওয়া, অ্যাপ হঠাৎ বন্ধ হয়ে যাওয়া বা স্ক্রিন ফ্রিজ করার মতো সমস্যাগুলি দেখা দিতে পারে।
অতএব, নিয়মিত অপ্রয়োজনীয় ছবি, ভিডিও, ডাউনলোড করা ফাইল এবং ব্যবহার না করা অ্যাপ মুছে ফেলা উচিত। এতে ফোনে প্রয়োজনীয় খালি জায়গা তৈরি হবে এবং পারফরম্যান্সও কিছুটা স্বাভাবিক থাকতে পারে।
একসঙ্গে অনেক অ্যাপ চালু রাখছেন?
একসঙ্গে বেশি অ্যাপ চালু থাকলে ফোনের র্যামের ওপর চাপ বৃদ্ধি পায়। বিশেষ করে কম র্যামের পুরোনো ডিভাইসে এই সমস্যা বেশি দেখা যায়। যেসব অ্যাপের প্রয়োজন নেই, সেগুলো বন্ধ করে দেওয়া উচিত এবং অপ্রয়োজনীয় ব্যাকগ্রাউন্ড কার্যক্রম সীমিত রাখা উচিত।
এছাড়া, নিয়মিত ফোন রিস্টার্ট করাও সাময়িক পারফরম্যান্স সমস্যা কমাতে সহায়তা করতে পারে।
অতিরিক্ত গরম হয়ে যাচ্ছে?
দীর্ঘ সময় গেম খেলা, ভারী অ্যাপ ব্যবহার, একটানা ভিডিও দেখা কিংবা চার্জে থাকা অবস্থায় ফোন ব্যবহার করলে ডিভাইস অতিরিক্ত গরম হয়ে যেতে পারে। তাপমাত্রা খুব বেড়ে গেলে ফোনের সুরক্ষা ব্যবস্থা সক্রিয় হয়ে স্বয়ংক্রিয়ভাবে ডিভাইস বন্ধ করে দিতে পারে।
এমন পরিস্থিতিতে ফোন ব্যবহার বন্ধ করে কিছুক্ষণ ঠান্ডা হতে দিতে হবে। অতিরিক্ত গরম অবস্থায় বারবার ফোন চালু করার চেষ্টা না করাই ভালো।
ব্যাটারির সমস্যাও কারণ হতে পারে
পুরোনো বা দুর্বল ব্যাটারি প্রয়োজনীয় সময়ে ফোনকে পর্যাপ্ত বিদ্যুৎ সরবরাহ করতে না পারলে ডিভাইস হঠাৎ বন্ধ হয়ে যেতে পারে। বিশেষ করে চার্জের মাত্রা স্বাভাবিক দেখানোর পরও যদি বারবার ফোন বন্ধ হয়ে যায়, তাহলে ব্যাটারির স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা প্রয়োজন।
চার্জ দ্রুত শেষ হয়ে যাওয়া, অল্প ব্যবহারে ফোন অস্বাভাবিক গরম হওয়া কিংবা হঠাৎ ব্যাটারির শতাংশ অনেক কমে যাওয়ার মতো লক্ষণ থাকলে বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখা উচিত।
সফটওয়্যার আপডেট করে নিন
অপারেটিং সিস্টেমের পুরোনো সংস্করণ কিংবা সফটওয়্যারের কোনো বাগ থেকেও ফোন হ্যাং করার সমস্যা হতে পারে। তাই ফোনের সেটিংসে গিয়ে নতুন কোনো সিস্টেম আপডেট পাওয়া যাচ্ছে কি না, তা পরীক্ষা করা উচিত।
যদি নির্দিষ্ট কোনো অ্যাপ চালু করার পরই ফোনে সমস্যা দেখা দেয়, তাহলে অ্যাপটি আপডেট করে দেখা উচিত। তাতেও সমাধান না হলে অ্যাপটি আনইনস্টল করে পুনরায় ইনস্টল করার চেষ্টা করা যেতে পারে।
সমস্যা হলে প্রথমে যা করবেন
ফোন হ্যাং বা আচমকা বন্ধ হয়ে গেলে প্রথমে ডিভাইসটি রিস্টার্ট করে দেখা উচিত। এরপর স্টোরেজে কিছু জায়গা খালি করা, অপ্রয়োজনীয় অ্যাপ বন্ধ করা এবং সফটওয়্যার আপডেট আছে কি না পরীক্ষা করা দরকার।
এসবের পরও সমস্যা নিয়মিত হতে থাকলে গুরুত্বপূর্ণ ছবি, ভিডিও, নথি ও অন্যান্য তথ্যের ব্যাকআপ নিয়ে ফ্যাক্টরি রিসেটের কথা ভাবা যেতে পারে। তবে ফ্যাক্টরি রিসেট করলে ফোনের সংরক্ষিত তথ্য মুছে যেতে পারে। তাই ব্যাকআপ না নিয়ে কখনোই এই প্রক্রিয়া শুরু করা উচিত নয়।
ফ্যাক্টরি রিসেটের পরও যদি ফোন বারবার হ্যাং বা বন্ধ হয়ে যায়, তাহলে সমস্যাটি সফটওয়্যারের বাইরে হার্ডওয়্যার-সংক্রান্তও হতে পারে। সে ক্ষেত্রে ডিভাইসটি অনুমোদিত সার্ভিস সেন্টারে নিয়ে গিয়ে পরীক্ষা করানোই নিরাপদ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ফেনীর নানাবাড়ির এলাকা পরিদর্শন করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আনন্দ প্রকাশ করেছেন। তিনি উল্লেখ করেন, "শুধু নানাবাড়িতে এলেই হবে না, মানুষের দোয়া ও সমর্থনে যে দায়িত্ব পেয়েছি, তা পালন করতে হবে। দেশের মানুষের পাশাপাশি নানাবাড়ির মানুষের জন্যও কাজ করতে হবে।"
বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) দুপুরে ফেনীর পরশুরামে ১৫শ’ কোটি টাকা ব্যয়ে মুহুরী-কহুয়া সেচ প্রকল্প উদ্বোধনের পর এক সমাবেশে তিনি এসব মন্তব্য করেন।
বক্তব্যের অংশ হিসেবে তারেক রহমান দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়েও আলোচনা করেন। তিনি দাবি করেন, "গত কয়েক বছরে ভোটের অধিকার ও মানুষের অধিকার নিয়ে কথা বলায় বিএনপির অসংখ্য নেতাকর্মী নির্যাতন, গ্রেফতার ও হয়রানির শিকার হয়েছেন। এখন গণতন্ত্র ও মানুষের ভোটের অধিকার প্রতিষ্ঠার সময় এসেছে।"
বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সমালোচনার জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, "অন্যের দিকে আঙুল তোলার আগে নিজেদের কর্মকাণ্ডের দিকে তাকাতে হবে। নিজেদের সময়ে নারীদের জন্য এবং সাধারণ মানুষের উন্নয়নে কী করা হয়েছে, তার হিসাবও জনগণের সামনে তুলে ধরতে হবে।"
তিনি আরও বলেন, "কিছু রাজনৈতিক দল বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে এবং অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনাকে কেন্দ্র করে দেশে অরাজকতা সৃষ্টির চেষ্টা করছে। ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ডসহ উন্নয়নমূলক কর্মসূচি বাধাগ্রস্ত হলে ক্ষতিগ্রস্ত হবে দেশের সাধারণ মানুষ।"
আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার প্রতিশ্রুতি দিয়ে তারেক রহমান বলেন, "অতীতে আইনের শাসন ভূলুণ্ঠিত করা হয়েছিল। বিএনপি দেশে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করতে চায়।" একই সঙ্গে তিনি রাজনৈতিকভাবে সতর্ক থাকার জন্য নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের প্রতি আহ্বান জানান।
সমাবেশে পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদউদ্দিন চৌধুরী এ্যানির সভাপতিত্বে পরিবেশমন্ত্রী আব্দুল আউয়াল চৌধুরী মিন্টু, স্থানীয় সংসদ সদস্য মুন্সী রফিকুল আলম মজনুসহ বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী, সংসদ সদস্য, সরকারি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও বিএনপির নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মিয়ানমার থেকে বাংলাদেশে ইয়াবা পাচারের ঘটনা নতুন নয়, তবে সম্প্রতি সীমান্তবর্তী নাফ নদীতে ভাসমান অবস্থায় ইয়াবার চালান উদ্ধার হওয়া উদ্বেগের সৃষ্টি করছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নজর এড়িয়ে মাদক কারবারিরা নদীতে ইয়াবার চালান পার করার জন্য নতুন কৌশল গ্রহণ করেছে বলে সংশ্লিষ্টদের ধারণা। এই প্রেক্ষিতে, নাফ নদীতে ভেসে আসা একটি ব্যাগ থেকে বিপুল পরিমাণ ইয়াবা উদ্ধার করেছে বাংলাদেশ কোস্টগার্ড। উদ্ধার হওয়া ইয়াবার আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় দেড় কোটি টাকা বলে জানা গেছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, নাফ নদী ও তার আশেপাশের এলাকায় মাদক পাচারকারীদের কার্যক্রম রোধ করতে নিয়মিত টহল ও অভিযান পরিচালনা করছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা, যার মধ্যে কোস্টগার্ডও রয়েছে। নদীতে ভাসমান ইয়াবার চালান পাওয়ার ঘটনায় মাদক পাচারের নতুন কৌশল নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
স্থানীয়দের মতে, মিয়ানমার সীমান্তঘেঁষা নাফ নদীতে ইয়াবা উদ্ধারের ঘটনা প্রায় প্রতিদিনের চিত্র হয়ে দাঁড়িয়েছে। কখনো নৌযানে, কখনো বিভিন্ন পণ্য বা সামগ্রীর আড়ালে এবং কখনো নদীতে ভাসিয়ে ইয়াবা পাচারের চেষ্টা করা হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। ফলে নাফ নদীকে কেন্দ্র করে মাদক পাচার বন্ধে আরও কঠোর নজরদারি ও সমন্বিত অভিযান প্রয়োজন বলে মনে করেন তারা।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা জানাচ্ছেন, সীমান্তপথে ইয়াবা পাচার রোধ করতে নাফ নদী ও তার আশেপাশের এলাকায় নজরদারি জোরদার করা হয়েছে। নদীতে ভাসমান সন্দেহজনক বস্তু বা প্যাকেট দেখলেই তা তল্লাশি করা হচ্ছে।
একদিকে সীমান্তে মাদক পাচারের চেষ্টা, অন্যদিকে নদীতে ভাসমান অবস্থায় ইয়াবার চালান উদ্ধারের ঘটনায় নাফ নদীকে ঘিরে মাদক কারবারিদের নতুন কৌশল নিয়ে উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, শুধু চালান উদ্ধার নয়, এর সঙ্গে জড়িত পাচারকারী ও অর্থের জোগানদাতাদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ