ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

সাবেক ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামানসহ ২৯ জনের বিরুদ্ধে টাকা আত্মসাতের অভিযোগে দুদকের মামলা


সাবেক ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামানসহ ২৯ জনের বিরুদ্ধে টাকা আত্মসাতের অভিযোগে দুদকের মামলা

ঢাকা, ২৫ আগস্ট. ২০২৬ : সাবেক ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী ও তার প্রতিষ্ঠান আরামিট সিমেন্ট পিএলসির বিরুদ্ধে ভুয়া বিল-ভাউচারের মাধ্যমে ইসলামী ব্যাংক থেকে ১৪১ কোটি ২০ লাখ টাকা আত্মসাত ও অর্থ পাচারের অভিযোগে পৃথক তিনটি মামলা দায়ের করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

মামলাগুলোতে মোট ২৯ জনকে আসামি করা হয়েছে।

আজ মঙ্গলবার দুদকের নিয়মিত মিডিয়া ব্রিফিংয়ে সংস্থাটির জনসংযোগ বিভাগের উপ-পরিচালক মো. আকতারুল ইসলাম এ তথ্য জানান।

আরও পড়ুন: ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচনে সকাল ৮টায় ভোটগ্রহণ শুরু, পাল্টাপাল্টি অভিযোগ

দুদকের তথ্য অনুযায়ী, আরামিট সিমেন্ট পিএলসি সিমেন্টের কাঁচামাল কেনার নামে কোনো প্রকৃত ক্রয়-বিক্রয় না করেই ভুয়া বিল-ভাউচার দাখিল করে ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি, জুবলী রোড শাখা থেকে অর্থ গ্রহণ করে। এর মধ্যে ২৭টি ডিলের মাধ্যমে ১৪১ কোটি ২০ লাখ টাকা উত্তোলন করে বিভিন্ন ব্যাংক হিসাবে হস্তান্তর, স্থানান্তর ও রূপান্তরের মাধ্যমে সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই), যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্রসহ বিভিন্ন দেশে পাচার করে অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ রয়েছে।

দুদক জানায়, প্রথম ঘটনায় ২০১৮ সালের ২০ মার্চ আরামিট সিমেন্ট পিএলসির আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক পিএলসি, আগ্রাবাদ শাখার গ্রাহক ইম্পেরিয়াল ট্রেডিংয়ের নামে একটি ডিলের মাধ্যমে ৫৭ কোটি ৬০ লাখ টাকা আত্মসাত করা হয়। এ ঘটনায় ১৬ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

দ্বিতীয় ঘটনায় ২০১৮ সালের ৪ এপ্রিল থেকে ২০১৯ সালের ২৬ ডিসেম্বর পর্যন্ত সময়ে ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক পিএলসি, কামাল বাজার শাখার গ্রাহক ইম্পেরিয়াল ট্রেডিংয়ের নামে ১৭টি ডিলের মাধ্যমে ৪১ কোটি ৬২ লাখ ৫০ হাজার টাকা আত্মসাতের অভিযোগ আনা হয়েছে। এ ঘটনায় ১৬ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

তৃতীয় ঘটনায় ২০২০ সালের ৬ আগস্ট থেকে ২০২১ সালের ২৮ মার্চ পর্যন্ত সময়ে ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক পিএলসি, সদরঘাট শাখার গ্রাহক ইম্পেরিয়াল ট্রেডিংয়ের নামে নয়টি ডিলের মাধ্যমে গ্রাহকের ইকুইটি ৪ কোটি ৬৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা বাদ দিয়ে ৪২ কোটি ৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা আত্মসাতের অভিযোগ রয়েছে। এ ঘটনায় ২০ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: আজ ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে ভোটগ্রহণ, ভোটার ৫ লাখ ১৬ হাজার ১৩৮

দুদকের অভিযোগে বলা হয়েছে, আরামিট গ্রুপের মালিক ও তৎকালীন ভূমিমন্ত্রী হিসেবে সাইফুজ্জামান চৌধুরী ক্ষমতার প্রভাব খাটিয়ে ইসলামী ব্যাংক থেকে ঋণ অনুমোদনে ভূমিকা রাখেন। পরে আরামিট গ্রুপের কর্মচারীকে মালিক সাজিয়ে ভুয়া সরবরাহকারী দেখিয়ে ডিল অনুমোদন করানো হয়। অনুমোদিত ঋণের অর্থ বিভিন্নভাবে হস্তান্তর, স্থানান্তর ও রূপান্তরের পর নগদে উত্তোলন, পূর্বের দায় পরিশোধ এবং ইউএইতে পাচারের অভিযোগও রয়েছে।

দুদকের নথিতে আরও বলা হয়েছে, পাচার করা অর্থ দিয়ে ইউএইতে সম্পদ কেনা হয় এবং পরবর্তীতে যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্রসহ বিভিন্ন দেশে অর্থ স্থানান্তরের মাধ্যমে সম্পদ অর্জন করা হয়েছে। অভিযোগে সাইফুজ্জামান চৌধুরীকে অর্থ আত্মসাতের ‘আলটিমেট বেনিফিশিয়ারি’ ও অন্যতম হোতা হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

রুকমীলা জামানকে আরামিট সিমেন্ট পিএলসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক এবং ইউসিবি পিএলসির সাবেক চেয়ারম্যান হিসেবে এসব কর্মকাণ্ডের সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকার অভিযোগ আনা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে প্রভাব খাটিয়ে ইসলামী ব্যাংক থেকে ঋণ অনুমোদন এবং ভুয়া সরবরাহকারীর মাধ্যমে ডিল অনুমোদন করিয়ে অর্থ আত্মসাত ও পাচারে সহযোগিতার অভিযোগ রয়েছে।

আরামিট সিমেন্টের চিফ ফাইন্যান্সিয়াল অফিসার মোহাম্মদ শাহ আলমের বিরুদ্ধে মালামাল সরবরাহ না হলেও ভুয়া ও মিথ্যা আবেদন করে ডিল অনুমোদন করানো এবং পরবর্তী সময়ে অর্থ হস্তান্তর, স্থানান্তর, রূপান্তর, নগদ উত্তোলন, পূর্বের দায় পরিশোধ ও ইউএইতে পাচারে সহযোগিতার অভিযোগ আনা হয়েছে।

আরও পড়ুন: নেতানিয়াহুর জোটের সংখ্যাগরিষ্ঠতা নেই, তবু ক্ষমতায় থাকার চেষ্টা

আরামিট সিমেন্টের এজিএম মো. আব্দুল আজীজের বিরুদ্ধে ইম্পেরিয়াল ট্রেডিংয়ের মালিক সেজে ভুয়া সরবরাহকারী হিসেবে আবেদন করা এবং ডিল অনুমোদন করানোর অভিযোগ রয়েছে। দুদকের নথিতে বলা হয়েছে, তিনি আরামিট গ্রুপের এজিএম এবং সাইফুজ্জামান চৌধুরীর পিএস হিসেবেও কাজ করতেন। তার বিরুদ্ধে ব্যাংক হিসাব খোলা, ভুয়া পরিদর্শন প্রতিবেদন দাখিল এবং অর্থ পাচারে সহযোগিতার অভিযোগ রয়েছে।

আরামিট সিমেন্টের এজিএম একেএম মারুফের বিরুদ্ধেও মালামাল সরবরাহ না হলেও ভুয়া ও মিথ্যা আবেদন করে ডিল অনুমোদন করানোর অভিযোগ রয়েছে।

মামলাগুলোতে ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসির জুবলী রোড শাখার একাধিক কর্মকর্তাকেও আসামি করা হয়েছে। তাদের মধ্যে রয়েছেন মো. জাকির হোসেন, মোহাম্মদ আব্দুল হক, মুহাম্মদ তানভীর হাসান, মো. আবদুল কাদের, মো. মিজানুর রহমান ভূঁইয়া, মুহাম্মদ আবদুল করিম, মোহাম্মদ আখতার হোসেন, মোহাম্মদ জামাল উদ্দীন, মুহাম্মদ নিজাম উদ্দীন, মো. আশরাফ উদ্দীন, মোহাম্মদ রাশেদ সাদাত, আকতারুল আজীম, মো. মহিউদ্দীন, মোহাম্মদ খোরশেদ আলম, মো. শহিদুল্লাহ, মোহাম্মদ হারুন আল রশিদ, মোহাম্মদ মহসীন আলী, আবুল কালাম আজাদ ও শেখ মনিরুজ্জামান।

এ ছাড়া ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক পিএলসি, কামাল বাজার শাখার মো. রুবেল উদ্দিন, কে এ এ এম ইয়াসির হেলালী ও ওয়াহিদুজ্জামান চৌধুরী এবং ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক পিএলসি, আগ্রাবাদ শাখার মো. এমদাদুল হাসান ও খোরশেদ আলমকে আসামি করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: স্বাস্থ্য পরীক্ষা শেষে কারাগারে ফিরলেন সাবেক মন্ত্রী আনিসুল হক, পলক ও মামুন

দুদকের অভিযোগ অনুযায়ী, সংশ্লিষ্ট ব্যাংক কর্মকর্তারা ডিলের বিপরীতে কোনো মালামাল সরবরাহ না হলেও অফিস নোট, পে-অর্ডার ইস্যু ইন্সট্রাকশনসহ বিভিন্ন নথিতে স্বাক্ষর করে পরস্পর যোগসাজশে অর্থ আত্মসাতে সহযোগিতা করেন।

অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, ইম্পেরিয়াল ট্রেডিংয়ের মালিক মো. আব্দুল আজীজ আরামিট গ্রুপের এজিএম ও সাইফুজ্জামান চৌধুরীর পিএস হওয়া সত্ত্বেও তাকে সরবরাহকারী দেখিয়ে পরিদর্শন প্রতিবেদন দাখিল এবং ব্যাংক হিসাব খোলা হয়। পরে অর্থের প্রকৃত গন্তব্য অনুসন্ধান না করে অর্থ হস্তান্তর, স্থানান্তর ও রূপান্তরের মাধ্যমে নগদে উত্তোলন, পূর্বের দায় পরিশোধ এবং ইউএইতে পাচারে সহযোগিতা করা হয়েছে বলে দুদকের নথিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

টাঙ্গাইল ঢাকা ক্লিনিকে সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে সাংবাদিক হেনেস্তার শিকার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মোঃ একদিল হোসেন স্টাফ রিপোর্টার

মঙ্গলবার, ২৫শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৪:৪৪ পি.এম


টাঙ্গাইল ঢাকা ক্লিনিকে সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে সাংবাদিক হেনেস্তার শিকার

টাঙ্গাইল শহরের ঢাকা ক্লিনিক এন্ড নার্সিং হোম এ পেশাগত দায়িত্ব পালন ও সংবাদ সংগ্রহের সময় সাপ্তাহিক সমাজচিত্র পত্রিকার নিজস্ব প্রতিবেদক এবং বাংলাদেশ সাংবাদিক কল্যান পরিষদ টাঙ্গাইল জেলা শাখার সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক সাংবাদিক সোহেল রানা হেনেস্তারার শিকার হয়েছেন।

এই ঘটনায় গণমাধ্যমকর্মী মো. সোহেল রানা টাঙ্গাইল সদর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে যে, সোমবার (২৪ আগস্ট) সকাল ১১টায় ঢাকা ক্লিনিকে এই ঘটনা ঘটে।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, মাদরাতুল কুরআন অ্যান্ড ব্রাইটফিউচার স্কুলের এক শিক্ষার্থীকে মারধরের পর গুরুতর আহত অবস্থায় তার হাত ভেঙে দেওয়া হয়।

পরে তাকে টাঙ্গাইল সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হলেও উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা ক্লিনিকে স্থানান্তর করা হয়।

সংবাদ সংগ্রহের উদ্দেশ্যে সোমবার সকাল সাড়ে ১১টার দিকে সোহেল রানা, সাংবাদিক মো. শহিদুল ইসলাম টিটু এবং দৈনিক যুগ যুগান্তর পত্রিকার জেলা প্রতিনিধি তানিয়া ইসলাম ঢাকা ক্লিনিকে যান।

সাংবাদিক সোহেল রানা জানিয়েছেন, সংবাদ সংগ্রহের সময় ঢাকা ক্লিনিকের ম্যানেজার মো. সরোয়ার, মার্কেটিং কর্মকর্তা মো. ওমর বাবু, সহকারী ম্যানেজার কৃষ্ণ ঘোষ এবং একজন চিকিৎসকের সহকারী মো. মশিউর রহমান তাদের অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন এবং সংবাদ সংগ্রহে বাধা প্রদান করেন। একপর্যায়ে তাদের মারধর করে ক্লিনিকের ভেতরে আটকে রাখা হয়।

অভিযোগে আরো বলা হয়েছে, কৃষ্ণ ঘোষের নির্দেশে সরোয়ার নারী গণমাধ্যমকর্মী তানিয়া ইসলামের কাছ থেকে মোবাইল ফোন কেড়ে নেন এবং তাকে হেনস্তা করেন।

এ সময় অভিযোগ করা হয়েছে যে, ওমর বাবু ক্লিনিকের গেট বন্ধ করে দেন। পরে পুলিশ খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে গণমাধ্যমকর্মীদের উদ্ধার করে।

অভিযোগকারীরা দাবি করেছেন, ঘটনার সময় তাদের পুনরায় সংবাদ সংগ্রহের চেষ্টা করলে হত্যা করে লাশ গুম করে দেওয়ার হুমকি দেওয়া হয়েছে।

এতে তারা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

এ ঘটনায় অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী গণমাধ্যমকর্মীরা।

টাঙ্গাইল সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) গোলাম মুক্তার আশরাফ উদ্দিন জানিয়েছেন, ঢাকা ক্লিনিকে সাংবাদিক হেনেস্তার ঘটনার লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে এবং প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গণমাধ্যমের প্রাতিষ্ঠানিকীকরণ ও বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতার আহ্বান জহির উদ্দিন স্বপনের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২৫শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৪:৪৬ পি.এম


গণমাধ্যমের প্রাতিষ্ঠানিকীকরণ ও বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতার আহ্বান জহির উদ্দিন স্বপনের

প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা জহির উদ্দিন স্বপন গণমাধ্যমকে একটি শক্তিশালী প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন, যা নতুন বাংলাদেশ ও রাষ্ট্র সংস্কারের কার্যক্রমকে সফল করতে সহায়ক হবে। তিনি উল্লেখ করেছেন, সরকার গণমাধ্যমের প্রাতিষ্ঠানিকীকরণ এবং সংবাদপত্রের সঙ্গে যুক্ত সকল পক্ষের স্বার্থ রক্ষায় নীতিগত সহায়তা দিতে প্রস্তুত।

 

মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) জাতীয় প্রেস ক্লাবে দৈনিক জনতা পত্রিকার ৪৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

সভায় সভাপতিত্ব করেন দৈনিক জনতার সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি সৈয়দ এম আলতাফ হোসাইন। সম্পাদক ওবায়দুর রহমান শাহীন সঞ্চালনার দায়িত্ব পালন করেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রেস কাউন্সিলের চেয়ারম্যান বিচারপতি এ কে এম আব্দুল হাকিম। এছাড়াও বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের (বিএফইউজে) মহাসচিব কাদের গনি চৌধুরী, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের (ডিইউজে) সভাপতি শহিদুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক খুরশীদ আলম, ফটো জার্নালিষ্ট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মহসিন হোসেন, সাবেক সভাপতি বুলবুল আহমেদসহ দৈনিক জনতার সম্পাদক ও প্রকাশক এবং বিভিন্ন গণমাধ্যমের বিশিষ্ট ব্যক্তি ও সাংবাদিকরা।

প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা বলেন, ‘রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভ হিসেবে গণমাধ্যমকে সর্বাগ্রে গুরুত্ব দিয়ে প্রাতিষ্ঠানিকীকরণ করতে হবে।

 

তিনি আরও বলেন, রাষ্ট্র মেরামতের যে লক্ষ্য নিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন নির্বাচিত সরকার কাজ করছে, তা সুনির্দিষ্টভাবে সম্পন্ন করতে গণমাধ্যমের সক্রিয় সহযোগিতা প্রয়োজন।’

তিনি উল্লেখ করেন, ‘সংবাদপত্রের মালিক পক্ষ যাতে নিরাপদে বিনিয়োগ করতে পারে এবং সেই বিনিয়োগ লাভজনক প্রক্রিয়ায় যেতে পারে, সে জন্য সরকার পলিসি সাপোর্ট বা নীতিগত সহায়তা প্রদান করবে।’ তিনি সম্পাদক, সাংবাদিক ও ছাপাখানার কর্মীসহ গণমাধ্যম শিল্পের সঙ্গে যুক্ত সকলের স্বার্থ নিশ্চিত করার কথা পুনর্ব্যক্ত করেন।

সাবেক তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন সাংবাদিকতার মূল নীতি তুলে ধরে বলেন, ‘সাংবাদিকতার প্রধান কাজই হচ্ছে ক্ষমতাকে প্রশ্ন করা।

 

একটি নির্বাচিত ও গণতান্ত্রিক সরকার প্রশ্নকে সম্পদ মনে করে। যত বেশি প্রশ্ন করা হবে, সরকার তত বেশি জবাবদিহিতার মাধ্যমে জনগণের প্রতি নিজের দায়বদ্ধতা ও কাজ পরিষ্কার করতে পারবে।’

বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকট প্রসঙ্গে উপদেষ্টা বলেন, ‘বিগত সরকারের ১৭ বছরের ভুল জ্বালানি নীতি, অপরিকল্পিত প্রকল্প এবং ব্যাপক লুটপাটের কারণে দেশ আজ এক ভঙ্গুর অর্থনীতির মুখোমুখি। সরকার যে ঐতিহ্য ও সংকট উত্তরাধিকার সূত্রে পেয়েছে, তা থেকে বেরিয়ে আসতে আন্তরিকভাবে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘বিগত সরকারের রেখে যাওয়া সংকট সমাধান এবং ধ্বংসাত্মক শাসনব্যবস্থার বিষাক্ত প্রভাব থেকে জনগণকে মুক্ত করার যোগ্যতা ও সততা ধানের শীষ, বিএনপি এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের রয়েছে বলেই জনগণ তাদের ওপর আস্থা রেখেছে।

 

গণমাধ্যমের ভূমিকার প্রতি আলোকপাত করে তিনি বলেন, ‘গঠনমূলক সমালোচনার আড়ালে অতীতের ফ্যাসিবাদের সমর্থকরা যাতে পুনরায় কোনো সুযোগ নিতে না পারে, সে বিষয়ে সচেতন থাকতে হবে। গণমাধ্যমে বহুমতের প্রকাশ ঘটবে এবং সেখান থেকেই বস্তুনিষ্ঠ তথ্য বেরিয়ে আসবে—এটাই স্বাধীন সংবাদমাধ্যমের মূল ভিত্তি।

 

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভারতে আবারও পুলিশের সঙ্গে শিক্ষার্থীদের ব্যাপক সংঘর্ষ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২৫শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৪:৪৬ পি.এম


ভারতে আবারও পুলিশের সঙ্গে শিক্ষার্থীদের ব্যাপক সংঘর্ষ

ভারতের বিহারের রাজধানী পাটনায় শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ সহিংস রূপ ধারণ করেছে, যা প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগের বিরুদ্ধে অনুষ্ঠিত হচ্ছে। জানা গেছে, পুলিশ বিক্ষোভকারী শিক্ষার্থীদের ছত্রভঙ্গ করতে লাঠিচার্জ এবং জলকামান ব্যবহার করেছে।

মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) সকাল ১০টার দিকে পাটনার গান্ধী ময়দান থেকে শত শত শিক্ষার্থী ও বেকার তরুণরা মিছিল শুরু করেন। তাদের উদ্দেশ্য ছিল বিহারের মুখ্যমন্ত্রী সম্রাট চৌধুরীর বাসভবনের দিকে অগ্রসর হওয়া।

মিছিলের শুরুতে পরিস্থিতি ছিল শান্ত। শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন স্লোগান দিতে দিতে এবং হাতে প্ল্যাকার্ড নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছিলেন। তবে মুখ্যমন্ত্রীর বাসভবনের দিকে যাওয়ার সময় পুলিশ ব্যারিকেড বসালে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।

বিক্ষোভকারীরা ব্যারিকেড সরিয়ে সামনে এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে পুলিশ বাধা দেয় এবং এক পর্যায়ে লাঠিচার্জ শুরু করে। পরে বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে জলকামানও ব্যবহার করা হয়।

ভারতীয় সংবাদ সংস্থা এএনআই দ্বারা প্রকাশিত ভিডিওতে দেখা যায়, হলুদ রঙের ধাতব ব্যারিকেডের এক পাশে বিক্ষোভরত শিক্ষার্থীরা এবং অন্য পাশে দাঙ্গা নিয়ন্ত্রণের সরঞ্জাম পরা পুলিশ সদস্যরা অবস্থান করছেন। শিক্ষার্থীরা ব্যারিকেড পেরিয়ে সামনে এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন এবং পুলিশ তাদের আটকে রাখার চেষ্টা করছে।

বিক্ষোভকারীদের অন্যতম প্রধান দাবি হলো ৭০তম বিহার পাবলিক সার্ভিস কমিশন (BPSC) পরীক্ষা বাতিল করা।

শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় পরীক্ষার স্বচ্ছতা ও বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন উঠেছে। এ কারণে তারা পরীক্ষা বাতিল করে নতুন করে পরীক্ষা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগের প্রতিবাদে শুরু হওয়া এই আন্দোলন শেষ পর্যন্ত পুলিশ ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে সংঘর্ষের পরিস্থিতি তৈরি করেছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশকে জলকামান ও লাঠিচার্জের মতো কঠোর পদক্ষেপ নিতে হয়েছে।

সূত্র: দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আগস্ট মাস কেন রাশিয়ার জন্য সুখকর নয়?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২৫শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৪:৪৮ পি.এম


আগস্ট মাস কেন রাশিয়ার জন্য সুখকর নয়?

বিগত কয়েক দশক ধরে রাশিয়ার সাম্প্রতিক ইতিহাসে আগস্ট মাসটি একটি বিশেষ তাৎপর্য বহন করে আসছে। সাংবাদিকতা ও রাজনৈতিক বিশ্লেষণে এই সময়টি ‘ব্ল্যাক আগস্ট’ বা আগস্টের অভিশাপ’ নামে পরিচিতি পেয়েছে। গ্রীষ্মের শেষভাগে যখন বিশ্বের অধিকাংশ দেশের রাজনীতি কিছুটা স্তিমিত থাকে, ঠিক তখনই রাশিয়ায় নেমে আসে একের পর এক অভূতপূর্ব দুর্যোগ ও নাটকীয় সংকট। ব্রিটিশ সাংবাদিকতায় রাজনীতি ও খবরের আকালের সময়কে যেমন ‘সিলি সিজন’ বলা হয়, রাশিয়ার ক্ষেত্রে এই আগস্ট মাসটি তার ঠিক বিপরীত; এখানে এটি দেখা দেয় চরম অমঙ্গল ও ট্র্যাজেডির সংকেত হিসেবে।

রুশ ইতিহাসের পাতার দিকে তাকালে এই ভীতির যথার্থতা খুঁজে পাওয়া যায়। ৩৫ বছর আগে এই  আগস্ট মাসেই সোভিয়েত নেতা মিখাইল গর্বাচেভের বিরুদ্ধে একদল অনুগত কমিউনিস্ট শক্তিমত্তা দেখিয়ে ব্যর্থ অভ্যুত্থানের চেষ্টা করেছিল। সেই ঘটনার ধাক্কাতেই শেষ পর্যন্ত তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়েছিল শক্তিশালী সোভিয়েত ইউনিয়ন। ঠিক তার সাত বছর পর ১৯৯৮ সালের আগস্টে ভয়াবহ অর্থনৈতিক সংকটের মুখোমুখি হয় দেশটিকে। অভ্যন্তরীণ ঋণে দেউলিয়া হয়ে পড়ে রুশ সরকার এবং এক লহমায় ধসে যায় রুশ মুদ্রা রুবেলের মান। এর ঠিক পরের বছর, ১৯৯৯ সালের আগস্টে দাগেস্তান অঞ্চলে সশস্ত্র মিলিশিয়াদের অনুপ্রবেশের মাধ্যমে সূচনা হয় দ্বিতীয় চেচেন যুদ্ধের। এই যুদ্ধই রাজনৈতিকভাবে অখ্যাত, সাবেক কেজিবি কর্মকর্তা ভ্লাদিমির পুতিনকে ক্ষমতার শীর্ষ অলিন্দে পৌঁছে দিয়েছিল।

১৯৯৯ সালের বর্ষশেষের রাতে বরিস ইয়েলৎসিনের আচমকা ক্ষমতা হস্তান্তরের পর দেশ পরিচালনার দায়িত্ব পান ভ্লাদিমির পুতিন। তবে শক্ত হাতের শাসক হয়েও তিনি ‘আগস্টের অভিশাপ’ থেকে মুক্ত থাকতে পারেননি। পুতিনের শাসনের একেবারে শুরুর দিকে, ২০০০ সালের আগস্টে ‘কুর্স্ক’ নামক পারমাণবিক সাবমেরিনটি ১১৮ জন নাবিকসহ সমুদ্রে তলিয়ে যায়, যা ছিল তার প্রশাসনের জন্য প্রথম বড় আঘাত। এর আট বছর পর, ২০০৮ সালের আগস্টে প্রতিবেশী দেশ জর্জিয়ার সাথে যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ে রাশিয়া, যা পুতিনের আগ্রাসী পররাষ্ট্রনীতির নগ্ন রূপ বিশ্বমঞ্চে প্রকাশ করেছিল।

চলতি বছরের গ্রীষ্মেও রাশিয়ার পরিস্থিতি বেশ উদ্বেগজনক আকার ধারণ করেছে। ইউক্রেন সীমান্তে রুশ বাহিনীর অগ্রগতি প্রায় স্থবির হয়ে পড়েছে, অন্যদিকে রাশিয়ার মূল ভূখণ্ডের ভেতরের দৃশ্যচিত্র বেশ বিষাদময়। ইউক্রেনীয় ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় রাশিয়ার তেল শোধনাগার এবং আমাজন-স্টাইলের বড় বড় ই-কমার্স লজিস্টিক সেন্টারগুলো আগুনে ছাই হয়ে ধোঁয়া ছড়াচ্ছে। জ্বালানি কেন্দ্রগুলোতে দীর্ঘ লাইন এবং পুনরায় নতুন করে সেনা তলবের গুজবে সাধারণ রুশ নাগরিকদের মধ্যে তীব্র অসন্তোষ ও গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়েছে।

এমতাবস্থায় আবার প্রশ্ন উঠেছে, রাশিয়া কি তবে আরেকটি ‘ব্ল্যাক আগস্টের’ মুখোমুখি? নির্বাসিত রুশ রাজনৈতিক বিশ্লেষক ইলিয়া ভার্লামোভ সাম্প্রতিক এক পর্যালোচনায় লিখেছেন যে, ইতিহাসজুড়ে  আগস্টের এই বিপর্যয়গুলোকে অনেকে কাকতালীয় মনে করতেই পারেন। কিন্তু সাধারণ রাশিয়ানরা সবসময়ই এই মাসটিকে এক অজানা আতঙ্ক নিয়ে অপেক্ষা করে, বিশেষ করে যখন দেশটি অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক সংকটে জর্জরিত। জ্বালানি সংকট, জিনিসপত্রের লাগামহীন দাম বৃদ্ধি, রুবেলের অব্যাহত অবমূল্যায়ন এবং আসন্ন নির্বাচনের চাপ সব মিলিয়ে পরিস্থিতি ঘোলাটে। এমনকি শীর্ষস্থানীয় এক রুশ অর্থনীতিবিদও সম্প্রতি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন যে, মস্কো এখন এক গভীর ‘সামাজিক সংকটের’ মুখোমুখি এবং বৈশ্বিক প্রযুক্তি ও অর্থনৈতিক প্রতিযোগিতায় ক্রমাগত পিছিয়ে পড়ছে। ফলে দীর্ঘমেয়াদি যুদ্ধে পশ্চিমা সমর্থনপুষ্ট ইউক্রেনকে হারিয়ে জয়ী হওয়া রাশিয়ার জন্য প্রায় অসম্ভব হয়ে দাঁড়িয়েছে।

ক্রেমলিনপন্থী হিসেবে পরিচিত পত্রিকা ‘মোস্কোভস্কি কমসোমোলেৎস’ পর্যন্ত এই আগস্টের আতঙ্ক নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে, যদিও তারা এর ব্যাখ্যায় জ্যোতিষশাস্ত্রের সাহায্য নিয়েছে। পত্রিকায় লেখা হয়েছে, চন্দ্রগ্রহণ এবং প্লাুটো গ্রহের অবস্থানের প্রভাবে সমাজে অস্থিরতা, দুশ্চিন্তা, রাজনৈতিক পরিবর্তন এবং মানসিক ভারসাম্যহীনতার ঝুঁকি বৃদ্ধি পাচ্ছে।

চারপাশের এমন গুঞ্জন ও ডামাডোলের মধ্যেও প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন বরাবরের মতো সব শান্ত ও স্বাভাবিক দেখানোর চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। দেশীয় অবকাঠামো ও উন্নয়ন প্রকল্পের এক বৈঠকে তিনি ই-কমার্স জায়ান্ট ‘ওয়াইল্ডবেরিজ’-এর গুদামে ইউক্রেনীয় হামলার ক্ষয়ক্ষতির কথা স্বীকার করলেও কোম্পানির নাম উচ্চারণ করা থেকে বিরত থাকেন। পরিস্থিতি হাল্কা করে পুতিন দাবি করেন, এসব হামলায় দীর্ঘমেয়াদে দেশের কোনো সংকটজনক ক্ষতি হবে না বা হতে পারে না। ক্ষতিগ্রস্ত লজিস্টিক সেন্টারগুলো সরকারি সহায়তায় দ্রুত পুনর্নির্মাণ করা হবে বলেও তিনি আশ্বাস দেন। তবে সাধারণ রাশিয়ানদের কাছে এটি এখন স্পষ্ট যে, যুদ্ধের আঁচ সরাসরি তাদের পকেটে এসে লাগতে শুরু করেছে।

অন্যদিকে, ইউক্রেনও যুদ্ধের অভ্যন্তরীণ সংকট কাটিয়ে উঠতে লড়াই করছে। সম্প্রতি ইউক্রেনের অপসারিত প্রতিরক্ষামন্ত্রী মাইখাইলো ফেদোরভ যুদ্ধের মধ্যেই নতুন জাতীয় নির্বাচনের দাবি তুলে প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কিকে সরাসরি রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলেছেন। এর মাধ্যমে পুতিনের হাতে নতুন একটি রাজনৈতিক কার্ড তুলে দেওয়া হলো, কারণ তিনি দীর্ঘদিন ধরেই জেলেনস্কির প্রেসিডেন্ট পদের বৈধতা নিয়ে আন্তর্জাতিক মঞ্চে প্রশ্ন তুলে আসছেন।

সূত্র: সিএনএন

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৫
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%