০৬:২২ পি.এম
আমের ভরা মৌসুমে সাতক্ষীরার বাজারগুলোতে এখন রসালো আমের সুবাস দেখা যাচ্ছে। উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে যাওয়ার ফলে বাজারে আমের সরবরাহ বেড়েছে। তবে ফলন ভালো হলেও আকার কিছুটা ছোট হয়ে যাওয়ায় এবং ক্রেতা সংকটের কারণে, আম চাষিরা জানিয়েছেন যে তারা ন্যায্য দাম পাচ্ছেন না।
বৃহস্পতিবার (৪ জুন) সাতক্ষীরার বড়বাজার আমপট্টিতে গিয়ে এই চিত্র দেখা যায়। সকাল ৯টা থেকে জেলার বিভিন্ন বাগান থেকে ভ্যানযোগে আম এনে বাজারজাত শুরু করেছেন চাষি ও ব্যবসায়ীরা। অল্প সময়ের মধ্যেই সম্পূর্ণ বাজার আমে সয়লাব হয়ে যায়।
সাতক্ষীরায় এবার সুমিষ্ট হিমসাগর ও ল্যাংড়া আমের ফলন অত্যন্ত ভালো হয়েছে। জেলায় এবারের আম উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৭০ হাজার মেট্রিক টন, কিন্তু প্রকৃত উৎপাদন তা ছাড়িয়ে গেছে। তবে বাম্পার ফলনে আমের আকার গত বছরের তুলনায় কিছুটা ছোট হয়েছে, যা বাজারে প্রভাব ফেলেছে এবং দাম অর্ধেকের নিচে চলে গেছে।
আরও পড়ুন: রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করলেন মাভাবিপ্রবি উপাচার্য
আড়তদার ও ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, বর্তমানে সাতক্ষীরার পাশাপাশি রাজশাহী ও নওগাঁসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে একযোগে আম বাজারজাত করা হচ্ছে। এর ফলে বাজারে ক্রেতার তুলনায় বিক্রেতার সংখ্যা বেশী হয়ে গেছে। গত বছর যে আম দুই থেকে আড়াই হাজার টাকা মণ দরে বিক্রি হয়েছে, এবার তা এক হাজার থেকে ১ হাজার ২০০ টাকায় বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছেন তারা। চাষিদের আক্ষেপ, বর্তমান যে দাম, তাতে বাগান থেকে আম পেড়ে ভ্যানযোগে বাজারে আনার পরিবহন খরচও উঠে আসছে না।
এদিকে তীব্র দাবদাহের কারণে আম দ্রুত পেকে গাছ থেকে ঝরে পড়ছে। লোকসান এড়াতে আগামীতে আম পাড়ার সরকারি ক্যালেন্ডার এগিয়ে আনার জন্য দাবি জানিয়েছেন চাষিরা।
বড়বাজার আমপট্টি বাজার কমিটির সভাপতি রওশন আলী জানান, 'আম পাড়ার ক্যালেন্ডার এগিয়ে আনা দরকার ছিল। আমের উৎপাদন যদিও ভালো, তবে আকার কিছুটা ছোট হওয়ায় চাষিরা কাঙ্ক্ষিত দাম পাচ্ছেন না।'
আরও পড়ুন: নওগাঁয় ভাড়া বাসায় জাল টাকার কারবার, ডিবির হাতে গ্রেপ্তার জব্বার
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন