বৃহস্পতিবার, ৬ই আগস্ট, ২০২৬ ইং
০৭:০৩ এম
ইসলামের পাঁচটি স্তম্ভের মধ্যে অন্যতম একটি হলো নামাজ। এটি পঞ্চস্তম্ভের মধ্য থেকে দ্বিতীয়। এই কারণে নামাজ যে নির্দিষ্ট সময়ে আদায় করা জরুরি।
বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) ঢাকা এবং তার পার্শ্ববর্তী এলাকার নামাজের সময়সূচি নিম্নরূপ উল্লেখ করা হলো-
জোহর: ১২:০৮ মিনিট
আসর: ০৪:৪১ মিনিট
মাগরিব: ০৬:৪২ মিনিট
এশা: ০৮:০২ মিনিট
উল্লিখিত সময়ের সঙ্গে যেসব বিভাগের সময় যোগ ও বিয়োগ করতে হবে, সেগুলো নিম্নরূপ বিষয়ক:
যোগ করতে হবে:
খুলনা: ০৩ মিনিট
রাজশাহী: ০৭ মিনিট
রংপুর: ০৮ মিনিট
বরিশাল: ০১ মিনিট
বিয়োগ করতে হবে:
চট্টগ্রাম: ০৫ মিনিট
সিলেট: ০৬ মিনিট
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) তালিকা থেকে উত্তরণের পর বৈশ্বিক বাণিজ্য চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করার জন্য, গতি হারানো রপ্তানি সচল করার এবং বাণিজ্য ঝুড়ি বহুমুখীকরণে বাংলাদেশ বড় কৌশলগত সাফল্য অর্জন করেছে।
মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) সচিবালয়ে আয়োজিত সিইপিএ নেগোসিয়েশন কনক্লুশন সিরিমনিতে বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির এবং দক্ষিণ কোরিয়ার বাণিজ্যমন্ত্রী হান-কু ইয়েও যৌথ ঘোষণা দেন।
চুক্তিটি এক বছরের নিবিড় দরকষাকষির পর দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে প্রস্তাবিত সমন্বিত অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব চুক্তির (সিইপিএ) নেগোসিয়েশন আনুষ্ঠানিকভাবে সম্পন্ন করেছে সরকার। এই চুক্তিটি কার্যকর হওয়ার পর থেকে কোরিয়ার বাজারে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক, ওষুধ, চামড়া, জুতা ও পাটজাত পণ্যসহ ৮ হাজার ৪২৮টি পণ্য তাৎক্ষণিক শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার পাবে। বিপরীতে, দক্ষিণ কোরিয়া বাংলাদেশে ১ হাজার ৫৪টি পণ্যে একই ধরনের সুবিধা ভোগ করবে।
চুক্তিটি এমন সময়ে সম্পাদিত হলো, যখন দক্ষিণ কোরিয়ায় বাংলাদেশের রপ্তানি নিম্নমুখী। ইপিবির সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে দক্ষিণ কোরিয়ায় বাংলাদেশের রপ্তানি আগের অর্থবছরের তুলনায় ৯ শতাংশ কমে ৪২ কোটি ১০ লাখ মার্কিন ডলারে নেমে এসেছে। সুতরাং, এই সিইপিএ চুক্তিটি শুধুই চলমান প্রবৃদ্ধির ওপর বাড়তি সুবিধা হিসেবে কাজ করবে না, বরং মন্দা কাটিয়ে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যিক সম্পর্ককে আবার ইতিবাচক ধারায় ফেরানোর একটি সুচিন্তিত পদক্ষেপ হিসেবে কাজ করবে।
সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বক্তব্য অনুযায়ী, চুক্তিটি শুধুই একটি বাণিজ্য চুক্তি নয়, বরং এটি এলডিসি-পরবর্তী বাংলাদেশের রপ্তানি সক্ষমতা ধরে রাখার একটি কৌশলগত নিরাপত্তা। একই সময়ে, এটি বিদেশি বিনিয়োগ, প্রযুক্তি স্থানান্তর, দক্ষ জনশক্তি উন্নয়ন এবং বৈশ্বিক সরবরাহ ব্যবস্থায় (গ্লোবাল সাপ্লাই চেইন) বাংলাদেশের অবস্থান শক্তিশালী করার সুযোগ তৈরি করবে। গতকালের অনুষ্ঠানে দুই দেশের প্রধান নেগোসিয়েটর ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।
২০২৯ সালে এলডিসি থেকে উত্তরণের পর বাংলাদেশ ইউরোপীয় ইউনিয়নসহ বিভিন্ন বাজারে স্বয়ংক্রিয় শুল্কমুক্ত সুবিধার বড় একটি অংশ হারাবে। এই বাস্তবতায় পৃথক অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব চুক্তি বা মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি বাংলাদেশের জন্য অপরিহার্য হয়ে উঠেছে। দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে সিইপিএ সেই কৌশলের প্রথম বড় সাফল্য। বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ ভোক্তা ও প্রযুক্তিনির্ভর অর্থনীতির বাজারে দীর্ঘমেয়াদি শুল্ক সুবিধা নিশ্চিত হওয়ার কারণে বাংলাদেশি রপ্তানিকারকরা ভবিষ্যতের জন্য একটি স্থিতিশীল বাজার পেলেন।
সংবাদ সম্মেলনে বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, মাত্র ৫ মাসের মধ্যে বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ অর্থনীতির একটি দেশের সঙ্গে উচ্চমানের এই নেগোসিয়েশন সম্পন্ন হয়েছে। ২০৩৪ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে এক ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে উন্নীত করতে রপ্তানি বৃদ্ধি ও বিদেশি বিনিয়োগ বাড়ানোর বিকল্প নেই। সিইপিএ সেই লক্ষ্য অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
অন্যদিকে, দক্ষিণ কোরিয়ার বাণিজ্যমন্ত্রী হান-কু ইয়েও বলেন, বাংলাদেশ এবং কোরিয়ার ৫৬ বছরের অর্থনৈতিক সম্পর্ক এখন নতুন পর্যায়ে প্রবেশ করছে। অতীতে টেক্সটাইল ছিল সম্পর্কের মূল ভিত্তি। ভবিষ্যতে প্রযুক্তি, সরবরাহ ব্যবস্থা, শিল্প সহযোগিতা এবং বিনিয়োগ হবে দুই দেশের সম্পর্কের প্রধান চালিকাশক্তি। তিনি বলেন, বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সংস্কার ও নতুন সরকারের উদ্যোগ কোরিয়ান বিনিয়োগকারীদের আস্থা বাড়াবে।
বর্তমানে, দক্ষিণ কোরিয়ায় বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য হচ্ছে তৈরি পোশাক, হোম টেক্সটাইল, চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, জুতা, ওষুধ, পাট ও পাটজাত পণ্য, সিরামিক এবং হিমায়িত খাদ্য। চুক্তি কার্যকর হলে এসব খাত মূল্য প্রতিযোগিতায় বাড়তি সুবিধা পাবে। বিশেষ করে তৈরি পোশাক ও চামড়া পণ্যের উচ্চ চাহিদা রয়েছে দক্ষিণ কোরিয়ার বাজারে। বাংলাদেশি পণ্যের প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী ভিয়েতনাম ইতোমধ্যেই মুক্ত বাণিজ্য চুক্তির সুবিধা ভোগ করছে। ভারত এবং আসিয়ানভুক্ত কয়েকটি দেশও বিভিন্ন বাণিজ্যিক সুবিধা নিয়ে বাজারে রয়েছে। এই অবস্থায় বাংলাদেশের জন্য শুল্ক সুবিধা নিশ্চিত হওয়া মানে মূল্য প্রতিযোগিতায় বড় ধরনের ভারসাম্য ফিরে পাওয়া।
একই সঙ্গে সেবা বাণিজ্যে বাংলাদেশ ৯৫টি উপখাত উন্মুক্ত করবে। আর দক্ষিণ কোরিয়া বাংলাদেশের জন্য ১১১টি উপখাতে বাজার খুলে দেবে। এতে তথ্যপ্রযুক্তি, প্রকৌশল, শিক্ষা ও অন্যান্য পেশাগত খাতে সেবা বৃদ্ধির সুযোগ তৈরি হবে। বর্তমানে, বাংলাদেশে দক্ষিণ কোরিয়ার বিনিয়োগ রয়েছে তৈরি পোশাক, ইলেকট্রনিক্স, বিদ্যুৎ, অবকাঠামো ও উৎপাদন খাতে। সিইপিএ কার্যকর হলে ইলেকট্রনিক্স সংযোজন, অটোমোবাইল যন্ত্রাংশ, বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম, তথ্যপ্রযুক্তি, নবায়নযোগ্য জ্বালানি, আধুনিক লজিস্টিকস এবং স্বাস্থ্য প্রযুক্তি খাতে নতুন বিনিয়োগের সম্ভাবনা তৈরি হবার আশা করছে ব্যবসায়ীরা।
এই চুক্তির সবচেয়ে বড় প্রভাব পড়তে পারে বিদেশি বিনিয়োগে। দক্ষিণ কোরিয়ার বহুজাতিক কোম্পানিগুলো নতুন উৎপাদন কেন্দ্র খুঁজছে। চুক্তিটি কার্যকর হলে বাংলাদেশে কোরিয়ান বিনিয়োগ বাড়ার সম্ভাবনা সৃষ্টি হতে পারে। ইলেকট্রনিক্স ও সেমিকন্ডাক্টর উপাদান, অটোমোবাইল ও অটো-পার্টস, বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতি, নবায়নযোগ্য জ্বালানি, তথ্যপ্রযুক্তি ও সফটওয়্যার, জাহাজ নির্মাণ ও মেরিন শিল্প, আধুনিক কৃষি ও খাদ্য প্রক্রিয়াজাত শিল্প, স্বাস্থ্যসেবা ও চিকিৎসা সরঞ্জাম উৎপাদনে নতুন বিনিয়োগ আসার সম্ভাবনা তৈরি হবে। এতে নতুন কর্মসংস্থান বৃদ্ধি হবে, প্রযুক্তি স্থানান্তর ঘটবে এবং দেশীয় শিল্পের উৎপাদন সক্ষমতা বাড়বে।
বর্তমানে বাংলাদেশ ও দক্ষিণ কোরিয়ার দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যের পরিমাণ প্রায় ১ দশমিক ৩৯ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। এর মধ্যে, বাংলাদেশ প্রায় ৪৯১ দশমিক ৭৩ মিলিয়ন ডলার রপ্তানি করে এবং আমদানি করে প্রায় ৯০২ দশমিক ৯০ মিলিয়ন ডলারের পণ্য। এর ফলে প্রায় ৪১১ মিলিয়ন ডলারের বাণিজ্য ঘাটতি রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে এক্ষণে একই সময়ে এবং একই স্থানে তিনটি সংগঠন তাদের কর্মসূচি ঘোষণা করায় উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। এই অবস্থায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির সম্ভাবনার কারণে বিশ্ববিদ্যালয়ে সব ধরনের সভা, সমাবেশ ও মিছিল নিষিদ্ধ করা হয়েছে। বুধবার (৫ আগস্ট) মধ্যরাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর মোহাম্মদ নাসির উদ্দিনের স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, বৃহস্পতিবার বিশ্ববিদ্যালয়ের একই স্থানে এবং একই সময়ে তিনটি সংগঠন তাদের সমাবেশের ঘোষণা দেওয়ায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির বিষয়টি বিবেচনা করা হয়েছে। এ পরিস্থিতিতে, পরবর্তী নির্দেশ না আসা পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের অভ্যন্তরে সব ধরনের সভা, সমাবেশ ও মিছিল নিষিদ্ধ করা হলো। এতে আরও বলা হয়, বিশ্ববিদ্যালয়ের সব ক্রিয়াশীল ছাত্রসংগঠনকে এই সিদ্ধান্ত সম্পর্কে অবহিত করা হয়েছে। জানা যায়, বৃহস্পতিবার বিশ্ববিদ্যালয়ের শহিদ মিনার চত্বরে শিক্ষার্থীদের জন্য অ্যাম্বুলেন্স উপহার কর্মসূচির ঘোষণা দেয় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদের (জকসু) নেতারা। পরে একই স্থানে বেলা সাড়ে ১২টায় শিবিরের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড, ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের ওপর হামলা এবং মবতন্ত্রের অভিযোগ এনে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিলের কর্মসূচির ঘোষণা দেয় ছাত্রদল। এর আগে গত মঙ্গলবার, বিভিন্ন দাবিতে ইনকিলাব মঞ্চের প্ল্যাকার্ড প্রদর্শনী কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রদল, ছাত্রশিবির, ছাত্রশক্তি ও ছাত্র ফ্রন্টের নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এই ঘটনায় অন্তত ৭০ জন আহত হন বলে জানা যায়। ছাত্রশিবির, ছাত্রশক্তি ও ছাত্র ফ্রন্টের নেতাকর্মীরা অভিযোগ করেছেন, ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা তাদের ওপর হামলা চালায়। এমনকি হাসপাতালে চিকিৎসাধীনদের ওপরও হামলার অভিযোগ ওঠে। অন্যদিকে, শাখা ছাত্রদলের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়, শিক্ষার্থীদের প্রাণের দাবির বিরুদ্ধে মব করার চেষ্টা করে শিবির। শিক্ষার্থীরা ছারপোকার কামড়ে এবং মেসে মানবেতর জীবনযাপন করে মারাত্মকভাবে হতাশ এবং জকসুর একাংশের প্রতি ক্ষুব্ধ। শাখা ছাত্রদলের দাবি, যখন শিবির মব করার চেষ্টা করে, তখন সাধারণ শিক্ষার্থীরা তাদের সরাসরি প্রতিরোধ করে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পটুয়াখালীর কুয়াকাটা-সংলগ্ন বঙ্গোপসাগরের গভীর সাগরে একটি মাছধরা ট্রলারে জলদস্যুরা হামলা চালিয়েছে। এই হামলায় ১২ জন জেলে আহত হয়েছেন।
বুধবার (৫ আগস্ট) ভোররাত ৪টার সময় কুয়াকাটা থেকে প্রায় ২৮ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্বে খাম্বা বয়া বাতি এলাকায় এই ঘটনাটি ঘটে। হামলার সময় দস্যুরা ট্রলার থেকে প্রায় সাড়ে তিন লাখ টাকার মাছ, জাল এবং জ্বালানি তেলসহ অন্যান্য লাখ লাখ টাকার মালামাল লুট করে নিয়ে গেছে।
আহতদের স্থানীয় হাসপাতাল ভর্তি করা হয়েছে। গুরুতর আহত মাঝি ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার দক্ষিণ আইচা এলাকার আবুল কালামের ছেলে। উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে কলাপাড়া ৫০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। অন্য আহতরা প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে পরে বাড়ি ফিরেছেন।
ভুক্তভোগী ট্রলার এফবি মিম-এ থাকা জেলে ইব্রাহীম জানান, মাছ নিয়ে তীরে ফেরার পথে কালো পতাকা টানানো হলুদ রঙের ট্রলারে প্রায় ২৫ জন সশস্ত্র জলদস্যু তাদের ট্রলারটি ঘিরে ফেলে। ট্রলারে থাকা ১৬ জন জেলের মধ্যে ১২ জনকে বেধড়ক মারধর করে গুরুতর আহত করা হয়। পরে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে ট্রলারে থাকা মাছ, জাল, ডিজেল, মোবাইল ফোন ও অন্যান্য মূল্যবান মালামাল লুট করে নিয়ে যায় জলদস্যুরা।
মহিপুর মৎস্যজীবী সমিতির নেতা ফজলু গাজী বলেন, বেশ কিছুদিন ধরে সমুদ্রে জলদস্যুদের তৎপরতা কম ছিল। কিন্তু সম্প্রতি গভীর সমুদ্রে তাদের আনাগোনা আবার বেড়েছে। ফলে জেলেদের মধ্যে চরম আতঙ্ক তৈরি হয়েছে। তিনি দ্রুত দস্যুদের গ্রেপ্তার এবং গভীর সমুদ্রে কোস্টগার্ড ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নৌ টহল বৃদ্ধি করার দাবি জানান।
এ বিষয়ে কোস্টগার্ডের নিজামপুর কন্টিনজেন্ট কমান্ডার শহীদুল্লাহ বলেন, বিষয়টি এখনও আমাদের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে আসেনি। আমি বর্তমানে অভিযানে রয়েছি। বিস্তারিত জানার জন্য গোয়েন্দা শাখার সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারেন।
পায়রা বন্দর নৌ পুলিশ ফাঁড়ির অফিসার ইনচার্জ (ওসি) নয়ন তারকুন বলেন, ঘটনার বিষয়টি আমরা জেনেছি। বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে। গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করে দোষীদের শনাক্ত করে দ্রুত আইনের আওতায় আনা হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা মেজর জেনারেল (অব.) অধ্যাপক ডা. এ. আর. খান মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।
বুধবার (৫ আগস্ট) রাত আনুমানিক সাড়ে ৯টার দিকে ঢাকার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুর সময় তিনি ছিলেন ১০০ বছর বয়সী।
১৯৯৬ সালে গঠিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ এবং ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা হিসেবে তিনি দায়িত্ব পালন করতেন।
দেশের শিক্ষা, চিকিৎসা ও জনসেবায় তার দীর্ঘদিনের অবদানের জন্য তিনি ব্যাপকভাবে পরিচিত এবং শ্রদ্ধেয় ছিলেন। তার মৃত্যুর খবর শুনে দোহারে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
মরহুমের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করে এলাকাবাসী তথা তার শুভানুধ্যায়ীরা শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান। মরহুমের রুহের মাগফিরাত কামনা করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ