ঢাকা শুক্রবার, ০৬ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ২১শে কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৫শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শুক্রবার, ০৬ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ২১শে কার্তিক, ১৪৩২বাং

হাসপাতালের অষ্টম তলা থেকে ফেলে অভিনেত্রীকে হত্যা


হাসপাতালের অষ্টম তলা থেকে ফেলে অভিনেত্রীকে হত্যা

বাংলাদেশ চলচ্চিত্রের অভিনয়শিল্পী আসমা ঝিলিককে হত্যার অভিযোগ উঠেছে তার স্বামীর বিরুদ্ধে। রাজধানীর ধানমন্ডিতে বাংলাদেশ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের অষ্টম তলা থেকে তাকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। ঘটনাটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

শুক্রবার (১২ জুন) দুপুরে এই ঘটনা ঘটে। 

নিহত আসমা ঝিলিক নাটক ও সিনেমায় অভিনয় করতেন। চলচ্চিত্রে শাকিব খানের সঙ্গে ‘রংবাজ’ সিনেমাতেও অভিনয় করেছিলেন তিনি।

আরও পড়ুন: মাদকচক্রের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করায় আখতারুজ্জামানের ছেলের ওপর হামলা

এই ঘটনায় নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে বহুতল ভবন থেকে ফেলে পরিকল্পিত খুনের দাবি করা হলেও পুলিশ জানিয়েছে, সুরতহাল প্রতিবেদনে প্রাথমিকভাবে ফেলে হত্যার স্পষ্ট প্রমাণ মেলেনি। তবে নিহতের স্বামীর বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের পর তাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

নিহত আসমার বোন রেশমি আক্তার লোপা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে এক আবেগঘন পোস্টে লিখেছেন, আমার কলিজার টুকরা বোনকে গতকাল শুক্রবার দুপুর দেড়টায় ওর হাজব্যান্ড ধানমন্ডি বাংলাদেশ মেডিকেলের ৮ তলা থেকে ফেলে দেয় এবং সে মারা যায়। তার কিছুক্ষণ আগেই আমার বোনের সঙ্গে ভিডিওকলে স্বাভাবিক কথা হয়েছে, গল্প করেছি। আমি কিছু লিখতে পারছি না। সবাই আমার বোনের জন্য দোয়া করেন।

অভিনেত্রীর ভাই মোজাম্মেল হক শনিবার দুপুরে গণমাধ্যমকে বলেন, আমার বোন আসমা ঝিলিক ও তার স্বামী সাইফুল্লাহ বাংলাদেশ মেডিকেলে চিকিৎসার জন্য গিয়েছিলেন। সেখানে দুজনের মধ্যে কোনো বিষয় নিয়ে রাগারাগি হয়। একপর্যায়ে ক্ষিপ্ত হয়ে ৮ তলা থেকে আসমাকে নিচে ফেলে দেয় সাইফুল্লাহ। নিচে পড়ার সাথে সাথেই সে মারা যায়।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে ধানমন্ডি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সাইফুল বলেন, আমরা বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে তদন্ত করছি। প্রকৃত কারণ জানতে মরদেহের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: বাকৃবির শাহজালাল হলে ‘শাহী ক্রিকেট টুর্নামেন্ট ২.০’-এর উদ্বোধন

তিনি আরও জানান, এই ঘটনায় নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং অভিযুক্ত স্বামী সাইফুল্লাহকে ইতিমধ্যেই গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ময়নাতদন্তের চূড়ান্ত প্রতিবেদন হাতে পেলে মৃত্যুর প্রকৃত রহস্য উদঘাটিত হবে বলে পুলিশ আশাবাদ ব্যক্ত করেছে। আসামী এখন জেলহাজতে রয়েছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণ করেন শিবির নেতা জিসান: পুলিশ সুপার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১৩ই জুন, ২০২৬ ইং

০৬:২২ পি.এম


বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণ করেন শিবির নেতা জিসান: পুলিশ সুপার

কুমিল্লা জেলা পশ্চিম শাখার সাবেক সভাপতি ও ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সহকারী আন্তর্জাতিক সম্পাদক জিসান মিয়া প্রধান ২৫ বছর বয়সি এক নারীকে বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণ করেছেন। পরে ওই নারীর গর্ভবতী হয়ে পড়লে তিনি তার ভ্রূণ নষ্ট করেন। পরবর্তীতে ভুক্তভোগী নারী বিয়ের জন্য চাপ দিলে শিবির নেতা জিসান আত্মগোপনে চলে যান।

আজ শনিবার বিকেল সাড়ে ৩টায় এসব তথ্য জানান কুমিল্লা জেলা পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামান।

সংবাদ সম্মেলনে পুলিশের সুপার বলেন, নিখোঁজ ডায়েরির পর পুলিশ তাকে উদ্ধারের জন্য মাঠে নামে। অনুসন্ধান চলাকালীন প্রথমে জিসানের চাচাতো ভাই সজীবকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। সজীবের মাধ্যমে পুলিশ চাঞ্চল্যকর তথ্য পেতে শুরু করে।

শনিবার (১৩ জুন) ভুক্তভোগী নারী দাউদকান্দি থানায় একটি ধর্ষণের মামলা দায়ের করেন বলেও সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়। মামলায় ওই নারী অভিযোগ করেন, শিবির নেতা জিসান ৫-৬ মাস আগে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পরিচয় হয় ২৫ বছর বয়সি এক নারীর সঙ্গে। পরিচয়ের পর দুজনের মধ্যে কথাবার্তা হতে শুরু করে। পরে তারা প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন। এরপর জিসান তার দাউদকান্দি ভাড়া বাসায় নিয়ে ওই নারীকে ধর্ষণ করেন। সবশেষ গত ২০ মে নারীকে ধর্ষণ করা হয়। এর ফলে ওই নারী গর্ভবতী হয়ে যান। পরে বিভিন্ন সময় জিসান ওই নারীকে ভ্রূণ নষ্ট করার জন্য চাপ দিতে থাকে।

এরপর দাউদকান্দির সেকান্দর আলীর ফার্মেসি থেকে সিজানওষুধ এনে নারীকে খাওয়ান। অন্তত ২-৩ দিন পর নারী সুস্থ না হওয়ায় প্রচণ্ড রক্তক্ষরণের পর আমি ভুক্তভোগী নারী জিসানের চাচাতো ভাই সজীবকে বিষয়টি জানালে সজীবের মাধ্যমে পুনরায় জিসান ওষুধ পাঠান। ইতোমধ্যেই ভিকটিমের রক্তক্ষরণ বন্ধ হলে ভিকটিম জিসানকে বিয়ের জন্য চাপ সৃষ্টি করে। গত শুক্রবার (১২ জুন) দুজনের বিয়ের কথা ছিল। তবে গত বৃহস্পতিবার (১১ জুন) রাত আটটার পর বিয়ের আয়োজন না করার তালবাহনায় জিসান আত্মগোপন করেন এবং চাচাতো ভাই রাসেলের মাধ্যমে দাউদকান্দি থানায় জিডি করেন।

পরবর্তীতে শুক্রবার (১২ জুন) রাতে লাকসাম থেকে স্থানীয় লোকজন ও পুলিশের মাধ্যমে আত্মগোপনে থাকা জিসান মিয়া প্রধানকে উদ্ধার করে পুলিশ।

সংবাদ সম্মেলনে আরও বলা হয়, ভুক্তভোগী নারীর মামলা অনুযায়ী জিসানকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। তবে তিনি কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকায় তাকে আদালতে তুলতে দেরি হচ্ছে। চিকিৎসকের ছাড়পত্র পেলে তাকে আদালতে তোলা হবে।

পুলিশ সুপার দাবি করেন, ছাত্রশিবির নেতা জিসান মিয়া প্রধান পুরোপুরি সুস্থ আছেন। চিকিৎসকের ছাড়পত্র পেলে তাকে আদালতে নেওয়া হবে।

সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে পুলিশ সুপার জানান, মূলত ভুক্তভোগী নারীর অভিযোগ আমলে নিয়ে বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে। তদন্ত শেষ হলে পুরো ঘটনার রহস্য এবং বিস্তারিত আরও জানানো হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জনগণের মতামতেই নির্ধারিত হয় বাংলাদেশের গতিপ্রবাহ : তথ্যমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ১৩ই জুন, ২০২৬ ইং

০৬:২২ পি.এম


জনগণের মতামতেই নির্ধারিত হয় বাংলাদেশের গতিপ্রবাহ : তথ্যমন্ত্রী

তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, বাংলাদেশের ইতিহাস, রাজনীতি ও রাষ্ট্রচিন্তার গতিপ্রবাহ জনগণের মতামতে নির্ধারিত হয়। জনগণের অভিজ্ঞতা, সংগ্রাম, ইতিহাস ও আকাঙ্ক্ষার ভিত্তিতেই বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ নির্মাণ করা হবে।

মন্ত্রী আরও বলেন, জনগণের বক্তব্যই সব কৃত্রিমতার বয়ান ভেঙে ফেলবে এবং গণতন্ত্র, জাতীয় ঐক্য ও রাষ্ট্রের অগ্রযাত্রাকে শক্তিশালী করবে।

শনিবার (১৩ জুন) রাজধানী ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনে ‘আমরা বাংলাদেশি’ আয়োজিত দেশ পুনর্গঠনে স্বাক্ষরিত জুলাই সনদ বাস্তবায়ন শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই বিষয়গুলো উল্লেখ করেন।

তিনি বলেন, বাংলাদেশে মানুষ নিজের ইতিহাস, ভাষা, সংস্কৃতি ও মূল্যবোধের ভিত্তিতে একটি স্বতন্ত্র জাতিসত্তা গড়ে তুলেছে। বাংলাদেশের স্বকীয়তা এবং বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ এই দেশের ইতিহাস ও বাস্তবতায় নিহিত রয়েছে।

মন্ত্রী আরও বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের মাধ্যমে বাংলাদেশের মানুষের স্বতন্ত্র পরিচয়কে রাজনৈতিক দর্শনে পরিণত করেছিলেন। ভাষাগত, সাংস্কৃতিক, নৃতাত্ত্বিক ও ধর্মীয় ঐতিহ্যের সমন্বয়ে গড়ে ওঠা এই জাতীয়তাবাদ এখনও বাংলাদেশের রাষ্ট্রচিন্তার অন্যতম ভিত্তি।

আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক সম্পর্ক প্রসঙ্গে, মন্ত্রী বলেন, সব নীতিনির্ধারণের কেন্দ্রবিন্দু হতে হবে বাংলাদেশের জাতীয় স্বার্থেই। আঞ্চলিক সহযোগিতার জন্য সার্ক এবং বৈশ্বিক পরিসরে জাতিসংঘের কাঠামোর মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ তার মর্যাদাপূর্ণ অবস্থানকে আরো সুদৃঢ় করতে পারে।

তিনি দক্ষিণ এশিয়ার ২২০ কোটিরও বেশি মানুষের সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে সার্ককে আরো কার্যকর করার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন।

সৈয়দ এহসানুল হুদার সভাপতিত্বে আয়োজিত আলোচনাসভায় প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অর্থনীতিবিদ অধ্যাপক মাহবুবুল্লাহ। বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন প্রবাসী কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী নূরুল হক নুর, সংসদ সদস্য শাহাদাত হোসেন সেলিম, বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক ও বিএনপি নেতা রাশেদ খান। উপস্থিত বক্তারা জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে চেতনা, গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ এবং জাতীয় স্বার্থভিত্তিক রাষ্ট্রচিন্তা প্রতিষ্ঠায় সম্মিলিত উদ্যোগ গ্রহণের ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কুমিল্লায় ঐতিহ্যবাহী পলো দিয়ে মাছ ধরার উৎসবে মানুষের ঢল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১৩ই জুন, ২০২৬ ইং

০৬:২২ পি.এম


কুমিল্লায় ঐতিহ্যবাহী পলো দিয়ে মাছ ধরার উৎসবে মানুষের ঢল

কুমিল্লা নগরীর নোয়াপাড়া এলাকায় ঐতিহ্যবাহী পলো দিয়ে মাছ ধরা উৎসব অনুষ্ঠিত হলো। শনিবার (১৩ জুন) স্থানীয়দের উদ্যোগে আয়োজিত এই ব্যতিক্রমধর্মী উৎসবে মোট ২২০ জন মৎস্যশিকারী অংশ নিয়েছিলেন। উৎসবকে কেন্দ্র করে এলাকাজুড়ে উৎসবমুখর পরিবেশ তৈরি হয়েছিল।

দুপুরে শুরু হওয়া এই আয়োজনে অংশগ্রহণকারীরা পলো নিয়ে পুকুরে নেমে মাছ ধরতে যান। মাছ ধরার পাশাপাশি উৎসব দেখতে অনেক দর্শনার্থী ভিড় করেন। বিভিন্ন বয়সী মানুষ, বিশেষ করে শিশুরা, গ্রামীণ বাংলার ঐতিহ্যবাহী এই মাছ ধরার পদ্ধতি কাছে থেকে দেখে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন।

মৎস্যশিকারী নজির আহমেদ জানিয়েছেন, কুমিল্লায় পলো দিয়ে মাছ ধরার পাঁচটি দল সক্রিয় রয়েছে। তারা বিভিন্ন এলাকায় বাণিজ্যিকভাবে মাছ শিকারে জড়িত। তিনি আরো উল্লেখ করেন, আজ এখানে ২২০ জন মাছ শিকারি অংশ নিয়েছেন। জনপ্রতি টিকিটের মূল্য ছিল ১ হাজার ৫০০ টাকা। আমি প্রায় ১০ কেজি মাছ ধরতে সক্ষম হয়েছি।

স্থানীয় বাসিন্দা মো. বাশার বলেন, এখানে আনন্দটাই মাছ ধরার চেয়ে বেশি। আমরা মাছে-ভাতে বাঙালি। নতুন প্রজন্মকে আমাদের গ্রামীণ ঐতিহ্যের সঙ্গে পরিচিত করার জন্য এ ধরনের আয়োজন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

এ একসময় বাংলার গ্রামাঞ্চলে পলো দিয়ে মাছ ধরা ছিল একটি জনপ্রিয় লোকজ ঐতিহ্য। বর্ষা মৌসুমে গ্রামের মানুষ দলবদ্ধভাবে খাল-বিল, জলাভূমি ও ডোবা-নালায় পলো নিয়ে মাছ ধরতে বের হত। এটি শুধুমাত্র জীবিকার অংশই ছিল না, বরং সামাজিক সম্প্রীতি, পারস্পরিক সহযোগিতা ও গ্রামীণ বিনোদনেরও উল্লেখযোগ্য অনুষঙ্গ ছিল। আধুনিক সময়ে এ ঐতিহ্যের অনেকটাই বিলুপ্তির পথে চলে গেছে। এজন্য এমন আয়োজন পুরোনো সংস্কৃতিকে নতুন প্রজন্মের সামনে তুলে ধরতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে, এ বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের মত।

উৎসবটির আয়োজন করেন কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের ২১ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর কাজী মাহবুবুর রহমান। তিনি বলেন, গ্রামীণ ঐতিহ্য ও লোকজ সংস্কৃতিকে বাঁচিয়ে রাখার উদ্দেশ্যেই এ আয়োজন। বর্তমান প্রজন্মকে আমাদের শেকড়ের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দিতে চাই। ভবিষ্যতেও এ ধরনের আয়োজন অব্যাহত থাকবে।

স্থানীয়দের মতে, পলো দিয়ে মাছ ধরা উৎসব কেবল বিনোদনের আয়োজন নয়, বরং হারিয়ে যেতে বসা বাংলার লোকজ সংস্কৃতিকে সংরক্ষণের একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ হিসেবে দাঁড়িয়ে রয়েছে। এ ধরনের আয়োজন নিয়মিত হলে নতুন প্রজন্ম নিজেদের ঐতিহ্য সম্পর্কে আরও সচেতন হবে এবং গ্রামীণ সংস্কৃতির ধারাবাহিকতা বজায় থাকবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য বাংলাদেশের সফট পাওয়ার বৃদ্ধির অন্যতম ভিত্তি: সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ১৩ই জুন, ২০২৬ ইং

০৬:২৫ পি.এম


সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য বাংলাদেশের সফট পাওয়ার বৃদ্ধির অন্যতম ভিত্তি: সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী

বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও অর্থনৈতিক কূটনীতির ক্ষেত্রে বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য, জাতীয় পরিচিতি ও সফট পাওয়ারের কৌশলগত গুরুত্ব তুলে ধরেছেন সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়াম।

আজ শনিবার প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও, ঢাকায় আয়োজিত ‘বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট কনফারেন্স ২০২৬’-এর ‘বিষয়ভিত্তিক তিন: নতুন পর্যায়- সরকারি নীতি, এআই, সৃজনশীল শিল্প এবং খেলাধুলা’ শীর্ষক প্লেনারি সেশনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক এবং প্রধানমন্ত্রীর ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা (প্রতিমন্ত্রী পদমর্যাদা) রেহান আসিফ আসাদ।

এ সময় সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী বলেন, বর্তমান বিশ্বে বাণিজ্য ও বিনিয়োগের সিদ্ধান্ত শুধুমাত্র অর্থনৈতিক হিসাবের ওপর নির্ভর করে না, বরং একটি দেশের সাংস্কৃতিক পরিচয়, মূল্যবোধ ও আন্তর্জাতিক ভাবমূর্তিও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়াম আরও বলেন, বাংলাদেশের সংগীত, সাহিত্য, চলচ্চিত্র, ঐতিহ্য ও সৃজনশীল শিল্প আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দেশের ইতিবাচক ভাবমূর্তি গঠনে এবং দীর্ঘমেয়াদি সাংস্কৃতিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে সক্ষম।

তিনি বলেন, বিশ্বব্যাপী সৃজনশীল শিল্প এখন অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, কর্মসংস্থান ও বৈদেশিক বিনিয়োগ আকর্ষণের অন্যতম প্রধান খাত। বাংলাদেশ তার সাংস্কৃতিক সম্পদকে অর্থনৈতিক শক্তিতে রূপান্তরের লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় নীতিগত সহায়তা ও অবকাঠামো উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছে।

তিনি আন্তর্জাতিক অংশীদার ও বিনিয়োগকারীদের বাংলাদেশে সৃজনশীল শিল্প, সাংস্কৃতিক পর্যটন ও যৌথ উদ্যোগে অংশগ্রহণের আহ্বানও জানান।

অনুষ্ঠানে বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধি, কূটনীতিক, সরকারি কর্মকর্তা, অর্থনীতিবিদ এবং সৃজনশীল ও ক্রীড়া খাতের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৪শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৯
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪১
মাগরিব ০৫:১৭
ইশা ০৬:৩০
সূর্যোদয় : ০৬:০৬ সূর্যাস্ত : ০৫:১৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%