বৃহস্পতিবার, ১৬ই জুলাই, ২০২৬ ইং
০৪:০৯ পি.এম
আলজেরিয়ার রাজধানী আলজিয়ার্সের উপকণ্ঠে একটি এতিমখানায় অগ্নিকাণ্ডের ফলে ১১ জন নিহত হয়েছে এবং ১৯ জন আহত হয়েছে। স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার ভোরে পূর্বাঞ্চলীয় শহরতলি মোহাম্মাদিয়া এলাকার এ এতিমখানায় ঘটে এই দুর্ঘটনা।
দেশটির বেসামরিক সুরক্ষা সংস্থা জানিয়েছে, আহতদের মধ্যে ১০ জন দগ্ধ হয়েছে। উদ্ধারকারী দল সক্ষম হয়েছে পাঁচজন প্রতিবন্ধী ব্যক্তিকে নিরাপদে সরিয়ে নিতে।
কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার কাজ এখনো অব্যাহত রয়েছে। তবে নিহত ও আহতদের পরিচয়, বয়স এবং আগুন লাগার কারণ তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।
রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা এপিএস জানিয়েছে, সাম্প্রতিক দিনগুলোতে আলজেরিয়া তীব্র তাপপ্রবাহের মধ্যে রয়েছে। বেসামরিক সুরক্ষা অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ৮ জুলাই থেকে দেশজুড়ে ৯১৩টি অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়েছে উদ্ধারকারী বাহিনী।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আর্জেন্টিনার ক্রীড়া সাংবাদিক, ইনফ্লুয়েন্সার ও কনটেন্ট ক্রিয়েটর মেলিনা মোরিয়াতিস যুক্তরাষ্ট্রের আটলান্টায় যৌন নিপীড়নের চেষ্টার শিকার হওয়ার অভিযোগ করেছেন। বিশ্বকাপে লিওনেল মেসিদের ম্যাচ কাভার করতে গিয়ে এই ভয়াবহ অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হন তিনি।
৬ লাখ ৮০ হাজারেরও বেশি ইনস্টাগ্রাম অনুসারী থাকা মোরিয়াতিস জানান, সোমবার ভোরে আটলান্টার একটি কমফোর্ট ইন হোটেলে চেক-ইন করতে গেলে এক অজ্ঞাত ব্যক্তি তাকে অনুসরণ করতে শুরু করেন।
তার দাবি, বিমানবন্দর থেকে হোটেলে পৌঁছে লবিতে প্রবেশ করার পর ওই ব্যক্তি তার পিছু নেন এবং পরে একই লিফটে ওঠেন। পরিস্থিতি অস্বাভাবিক মনে হওয়ায় লিফটের দরজা পুরোপুরি বন্ধ হওয়ার আগেই তিনি দ্রুত বেরিয়ে এসে হোটেলের রিসেপশনে আশ্রয় নেন এবং সাহায্য চান।
ঘটনার পর ইনস্টাগ্রামে প্রকাশিত এক ভিডিওতে আবেগাপ্লুত মোরিয়াতিস বলেন, গত রাতে এখানে আটলান্টায় আমি যৌন নিপীড়নের চেষ্টার শিকার হয়েছি। হয়তো আরও ভয়াবহ কিছু ঘটতে পারত। কয়েকজন আর্জেন্টাইন আমার জীবন বাঁচিয়েছেন।
তার অভিযোগ প্রকাশ্যে আসার পর বিষয়টি আর্জেন্টিনার বিভিন্ন গণমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, আর্জেন্টিনার সান হুয়ান থেকে বিশ্বকাপ দেখতে যুক্তরাষ্ট্রে আসা চার সমর্থক গনসালো পেরেজ, হুয়ান ইগনাসিও তুরকাতো, নিকোলাস তোমাসিনি এবং ফ্রান হিদালগো মোরিয়াতিসের পাশে দাঁড়ান।
মোরিয়াতিস জানান, পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছানো পর্যন্ত ওই চার সমর্থক তাকে ঘিরে নিরাপত্তা বলয় তৈরি করে দাঁড়িয়ে ছিলেন, যাতে অভিযুক্ত ব্যক্তি তার কাছে যেতে না পারে। স্থানীয় গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, প্রায় ৩০ মিনিট পর পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
চার সমর্থকের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে মোরিয়াতিস বলেন, আমি এই মানুষগুলোর প্রতি আন্তরিকভাবে কৃতজ্ঞ। তারা আমাকে চিনতেন না, তবুও নিজের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে একজন অপরিচিত মানুষকে রক্ষা করেছেন।
এদিকে, চার সমর্থকের একজন হুয়ান ইগনাসিও তুরকাতো স্থানীয় সংবাদমাধ্যমকে বলেন, সন্দেহভাজন ব্যক্তির আচরণ ছিল অত্যন্ত অস্বাভাবিক।
তার ভাষায়, লোকটি সম্ভবত মাদকের প্রভাবে ছিল এবং নিজের সঙ্গেই কথা বলছিল। পরিস্থিতি যেন সহিংস হয়ে না ওঠে, সেদিকে খেয়াল রেখেই আমরা মেলিনাকে নিরাপদ রাখার চেষ্টা করেছি। এমন অবস্থায় থাকা একজন মানুষ কতটা বিপজ্জনক হতে পারে, তা আগে থেকে বোঝা যায় না।
তবে এ ঘটনায় পুলিশ কোনো ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে কি না বা আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দায়ের হয়েছে কি না, সে বিষয়ে এখন পর্যন্ত নিশ্চিত কোনো তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দুর্নীতির মামলা সংক্রান্ত সাক্ষ্যগ্রহণের প্রক্রিয়ায় পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজীর আহমেদের বিরুদ্ধে আরো এক সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে। আদালত এই মুহূর্তে মামলায় ২৮ জন সাক্ষীর মধ্যে ১৫ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ করেছে।
গত ১ জুলাই আদালত ১৪ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ করে।
ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৫-এর বিচারক আব্দুল্লাহ আল মামুনের আদালতে বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) বিটিএমসি বস্ত্র অধিদপ্তরের (কারিগরি) সহকারী পরিচালক মো. ফয়সাল কবির সাক্ষ্য প্রদান করেন। কিন্তু আসামি পলাতক থাকায় তার পক্ষে সাক্ষীর জেরা করা সম্ভব হয়নি। সাক্ষ্যগ্রহণের পর আদালত আগামী ১৭ আগস্ট পরবর্তী শুনানির জন্য দিন ধার্য করেছেন।
দুদকের পক্ষে আইনজীবী মীর আহমেদ আলী সালাম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
আলাদা একটি ঘটনায় গত ৮ মার্চ আদালত মামলার অভিযোগপত্র আমলে নিয়ে বেনজীর আহমেদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে। এরপর ৩ মে আদালত তার বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার প্রক্রিয়া শুরু করার আদেশ দেন।
২০২৪ সালের ১৫ ডিসেম্বর দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) উপপরিচালক হাফিজুল ইসলাম বেনজীর আহমেদের বিরুদ্ধে মামলাটি দায়ের করেন। তদন্তের পর গত বছরের ৩০ নভেম্বর তিনি জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন, সম্পদের তথ্য গোপন ও মানি লন্ডারিংয়ের অভিযোগে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।
অভিযোগপত্র অনুযায়ী, বেনজীর আহমেদ তার দাখিল করা সম্পদ বিবরণীতে ৬ কোটি ৪৫ লাখ ৩৭ হাজার ৩৬৫ টাকার স্থাবর এবং ৫ কোটি ৭৪ লাখ ৮৯ হাজার ৯৬৬ টাকার অস্থাবর সম্পদের ঘোষণা করেছেন। কিন্তু তদন্তে তার নামে ৭ কোটি ৫২ লাখ ৬৮ হাজার ৯৮৭ টাকার স্থাবর এবং ৮ কোটি ১৫ লাখ ৩১ হাজার ২৬৪ টাকার অস্থাবর সম্পদের প্রমাণ উদ্ধার করা হয়েছে। ফলে তার মোট সম্পদের তথ্য ১৫ কোটি ৬৮ লাখ টাকায় উঠে এসেছে।
অভিযোগপত্রে আরও বলা হয়েছে, বেনজীর আহমেদের বৈধ আয়ের উৎস হিসেবে ৬ কোটি ৫৯ লাখ ৪২ হাজার ৬৬৮ টাকার তথ্য পাওয়া গেছে। ব্যয় বাদে, তার নিট সঞ্চয় দাঁড়াচ্ছে ৪ কোটি ৬৩ লাখ ৫৬ হাজার ৬৭৫ টাকা। ফলে তিনি জ্ঞাত আয়বহির্ভূত ১১ কোটি ৪ লাখ ৪৩ হাজার ৫৭৬ টাকার সম্পদ অর্জন করেছেন বলেও তদন্তে উল্লেখ রয়েছে। এছাড়া অভিযোগে বলা হয়েছে, এসব অর্থের অবৈধ উৎস, প্রকৃতি ও মালিকানা গোপন করে তিনি বিভিন্ন ব্যাংক হিসাব, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও যৌথ মূলধনী প্রতিষ্ঠানে বিনিয়োগ, স্থানান্তর এবং রূপান্তর করেছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আজ বাংলাদেশ সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সমসাময়িক বিষয় নিয়ে সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, সাবেক পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজির আহমেদ এবং শরীফ ওসমান হাদী হত্যা মামলায় গ্রেফতার হওয়া তিন সন্দেহভাজনকে প্রত্যর্পণের বিষয়ে বাংলাদেশ সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই) ও ভারতের কাছ থেকে দ্রুত সাড়া আশা করছে।
তিনি বলেন, 'সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে সাবেক আইজিপি বেনজির আহমেদ এবং ভারত থেকে হাদী হত্যা মামলার তিন সন্দেহভাজনকে প্রত্যর্পণের জন্য আমরা আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় সবকিছু করেছি। আমরা আশা করি, উভয় সরকারের কাছ থেকে শিগগিরই একটি ইতিবাচক সাড়া পাব।'
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন, ‘ইন্টারপোলের রেড নোটিশের পর সংযুক্ত আরব আমিরাতে বেনজির আহমেদকে গ্রেপ্তার করা হয়।’
তিনি বলেন, ৩০ দিনের সময়সীমা দেওয়া সত্ত্বেও সংযুক্ত আরব আমিরাত কর্তৃপক্ষের অনুরোধে বাংলাদেশ তিন দিনের মধ্যে প্রত্যর্পণের সব প্রয়োজনীয় নথি জমা দিয়েছে।
প্রধান অভিযুক্ত ফয়সাল করিম মাসুদসহ তিন সন্দেহভাজনের বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, তাদের প্রত্যর্পণের জন্য বাংলাদেশ ভারতীয় কর্তৃপক্ষের কাছে সব প্রয়োজনীয় নথি পাঠিয়েছে।
তিনি আরো বলেন, ওই তিন সন্দেহভাজন বর্তমানে ভারতে বিচারের সম্মুখীন।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এক্ষেত্রে জানান, বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে প্রত্যর্পণ চুক্তি অনুযায়ী, ভারতে আইনি কার্যক্রম চলমান থাকা অবস্থাতেও তাদের বাংলাদেশের কাছে হস্তান্তর করা যেতে পারে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সাম্প্রতিক সময়ে, ইরান প্রতিবেশী উপসাগরীয় দেশগুলোতে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলোতে নতুন করে হামলা চালিয়েছে। এই ঘটনার পর, একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রও রাতভর ইরানের বিভিন্ন স্থানে হামলা অব্যাহত রেখেছে।
ফলে, টানা ষষ্ঠ দিনের মতো চলমান সংঘাত আরো তীব্র হয়ে উঠেছে এবং যুদ্ধবিরতি ও শান্তি প্রচেষ্টা নতুন চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হয়েছে।
ইরান জানিয়েছে, তারা কুয়েত, বাহরাইন এবং অঞ্চলের আরো কয়েকটি লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালিয়েছে। অন্যদিকে, মার্কিন সামরিক বাহিনী বলছে, হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং ইরানের সামরিক সক্ষমতা দুর্বল করতে তারা বিভিন্ন স্থানে টানা ছয় ঘণ্টা অভিযান পরিচালনা করেছে।
এদিকে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানকে আলোচনায় ফিরে আসার আহ্বান জানিয়ে সতর্ক করেছেন। তিনি বলেন, দেশটিকে ভালো আচরণ করতে হবে, অন্যথায় আরো সামরিক পদক্ষেপ নেওয়া হতে পারে।
ট্রাম্প জানান, তেহরান আলোচনায় না ফিরলে ইরানের জ্বালানি অবকাঠামোর ওপর হামলা চালানো হতে পারে।
এদিকে, ইরানের শীর্ষ আলোচক মোহাম্মদ বাঘের গালিবফ বলেছেন, দেশের স্বার্থ রক্ষা না হলে কোনো চুক্তি মেনে চলার কারণ নেই। তিনি জোর দিয়ে বলেন, হরমুজ প্রণালিতে ইরানের নিয়ন্ত্রণ ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা বজায় রাখা দেশটির জাতীয় নিরাপত্তার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানিয়েছে, সর্বশেষ অভিযানে ইরানের বিভিন্ন কমান্ড সেন্টার, বিমান প্রতিরক্ষা কেন্দ্র এবং উপকূলীয় নজরদারি স্থাপনাকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে। এর মধ্যে বন্দরনগরী বান্দার আব্বাস এবং বৃহত্তর তুনব দ্বীপও রয়েছে।
ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, দেশটির বিভিন্ন এলাকায় বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে এবং তেহরানে বিমান প্রতিরক্ষাব্যবস্থা সক্রিয় করা হয়েছে। কিছুক্ষণ পর, কুয়েত এবং বাহরাইন হামলা সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ করেছে।
কুয়েতের সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, তারা একটি ড্রোন হামলা প্রতিহত করেছে। বাহরাইনের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় নাগরিকদের সতর্ক থাকার এবং প্রয়োজনে নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে।
ইরানের সামরিক বাহিনী দাবি করেছে, তাদের সর্বশেষ হামলায় জর্দানে অবস্থিত মার্কিন যোগাযোগব্যবস্থা এবং জ্বালানি মজুদ কেন্দ্রগুলোও লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে। উত্তেজনার মধ্যে, হরমুজ প্রণালি কার্যত অচল হয়ে পড়েছে, কেননা বিশ্বের উল্লেখযোগ্য অংশের তেল ও গ্যাস এই জলপথ দিয়ে পরিবহন হয়। মার্কিন-ইসরায়েলি হামলার প্রতিক্রিয়ায়, ইরান সেখানে কঠোর নিয়ন্ত্রণ আরোপ করেছে। একই সময়ে, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বন্দরগুলোর ওপর অবরোধ পুনর্বহাল করেছে, যা আগে একটি দ্বিপক্ষীয় সমঝোতার আওতায় সাময়িকভাবে শিথিল করা হয়েছিল।
এখন পরিস্থিতি আরো জটিল হয়ে উঠেছে যখন যুক্তরাষ্ট্র কুরাকাওয়ের পতাকাবাহী একটি খালি তেলবাহী ট্যাংকারে গুলি চালিয়ে সেটিকে অচল করে দেয়। যুক্তরাষ্ট্রের সেন্টকমের দাবি, ওই জাহাজটি ইরানের একটি অবরুদ্ধ বন্দরের দিকে যাচ্ছিল। ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) সতর্ক করে বলেছে, যুক্তরাষ্ট্রের পদক্ষেপ অব্যাহত থাকলে তেল ও গ্যাস রপ্তানির অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ পথও প্রভাবিত হতে পারে।
হরমুজ প্রণালি নিয়ে চলমান বিরোধের কারণে এই গুরুত্বপূর্ণ নৌপথে ট্যাংকার চলাচল প্রায় বন্ধ হয়ে গেছে। এর ফলে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে গেছে। তবে সংঘাতের মধ্যেও কূটনৈতিক যোগাযোগের কিছু ইঙ্গিত দেখা গেছে। ট্রাম্প তেহরানের পক্ষ থেকে আসা একটি সম্ভাব্য শান্তি উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন।
এর অংশ হিসেবে একজন মার্কিন নাগরিককে মুক্তি দেওয়া হয়েছে, যাকে ট্রাম্পের ভাষ্য অনুযায়ী ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে অন্যায়ভাবে আটক করা হয়েছিল। বুধবার ট্রুথ সোশ্যালে ট্রাম্প লিখেছেন, ‘মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ইরানের এই সদিচ্ছার নিদর্শনের প্রশংসা করে।’ তার আইনজীবী জ্যারেড জেনসার জানান, মুক্তিপ্রাপ্ত নারী ডেনা কারারি যুক্তরাষ্ট্রে ফেরার পথে রয়েছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ