মঙ্গলবার, ১৩ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৯:৩৫ এম
কিশোরগঞ্জের ভৈরবে নোংরা ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাদ্য তৈরি এবং পরিবেশনের অপরাধে ‘আদিয়ান হোটেল’ নামের একটি রেস্তোরাঁকে ৩০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।
রবিবার (১১ অক্টোবর) বিকেল ৪টার দিকে পৌর শহরের ভৈরব বাজার নদীর পাড় এলাকায় এই অভিযান পরিচালনা করা হয়।
অভিযান সূত্রে জানা গেছে, নদীর পাড় সংলগ্ন আদিয়ান হোটেলে দীর্ঘদিন ধরে অত্যন্ত নোংরা ও অপরিচ্ছন্ন পরিবেশে রান্না এবং খাবার পরিবেশন করা হচ্ছিল। এছাড়াও খাবার ঘরে ছিল মারাত্মক মাছির উপদ্রব, যা সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্য ও জীবনের জন্য বড় ধরনের ঝুঁকি তৈরি করছিল।
জনস্বাস্থ্যের জন্য হুমকিস্বরূপ এমন অপরাধে ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯-এর ৫২ ধারা অনুযায়ী প্রতিষ্ঠানটিকে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা আরোপ করা হয় এবং তা তাৎক্ষণিকভাবে আদায় করা হয়।
অভিযান পরিচালনা শেষে উপজেলা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) এ.এইচ.এম আজিমুল হক জানান, জনস্বাস্থ্য নিশ্চিত করা এবং ভোক্তা-অধিকার রক্ষায় এ ধরনের তদারকি ও অভিযান ভবিষ্যতেও নিয়মিত অব্যাহত থাকবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজনীতি শুধু পদ-পদবি কিংবা সভা-সমাবেশের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; মানুষের সুখে-দুঃখে পাশে থাকা, তৃণমূল নেতাকর্মীদের খোঁজখবর নেওয়া এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ রাখার মধ্য দিয়েই গড়ে ওঠে আন্তরিকতা ও ভালোবাসার সম্পর্ক। সেই ধারাবাহিকতায় নানান প্রতিকূলতা ও বৈরী আবহাওয়া উপেক্ষা করে নৌকায় হাওর পাড়ি দিয়ে বিভিন্ন ইউনিয়নের নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে তাঁদের খোঁজখবর নেন দিরাই উপজেলা বিএনপির ১ম যুগ্ম আহ্বায়ক মঈন উদ্দিন চৌধুরী মাসুক।
সুনামগঞ্জের হাওরবেষ্টিত দিরাই উপজেলার মানুষের জীবনযাত্রা প্রকৃতি ও হাওরের সঙ্গে গভীরভাবে জড়িত। বর্ষা মৌসুমে বিস্তীর্ণ হাওরের জলরাশি পাড়ি দিয়ে এক এলাকা থেকে অন্য এলাকায় যাতায়াত করতে হয় নৌকায়। অনেক সময় বৈরী আবহাওয়া, উত্তাল জলরাশি এবং যোগাযোগের প্রতিকূলতা পেরিয়ে গন্তব্যে পৌঁছাতে হয়। এমন পরিস্থিতিতেও নৌকায় হাওর পাড়ি দিয়ে বিভিন্ন এলাকার মানুষের কাছে পৌঁছানো এবং নেতাকর্মীদের খোঁজখবর নেওয়ার বিষয়টি তাঁর সাংগঠনিক তৎপরতার একটি উল্লেখযোগ্য দিক।
নৌকায় হাওর পাড়ি দিয়ে তৃণমূলের সঙ্গে যোগাযোগ
দিরাই উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের নেতাকর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখা এবং তাঁদের সঙ্গে সরাসরি সাক্ষাৎ করার মাধ্যমে সাংগঠনিক সম্পর্ক বজায় রাখার চেষ্টা করেন মঈন উদ্দিন চৌধুরী মাসুক। শুধু দলীয় নেতাকর্মী নয়, হাওরপারের সাধারণ মানুষের সঙ্গেও সাক্ষাৎ করে তাঁদের খোঁজখবর নেওয়ার বিষয়টি স্থানীয় পর্যায়ে আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে।
হাওরাঞ্চলের মানুষের কাছে পৌঁছাতে নৌকাই অনেক সময় প্রধান ভরসা। তাই নৌকায় হাওর পাড়ি দেওয়া কেবল এক স্থান থেকে অন্য স্থানে যাতায়াত নয়; এটি হাওরপারের মানুষের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ স্থাপনেরও একটি মাধ্যম। প্রতিকূল পরিবেশের মধ্যেও মানুষের কাছে পৌঁছানোর এই প্রচেষ্টা তৃণমূল পর্যায়ে যোগাযোগের গুরুত্ব তুলে ধরে।
তৃণমূল নেতাকর্মীদের সঙ্গে আন্তরিক সম্পর্ক
একটি রাজনৈতিক সংগঠনের মূল ভিত্তি হলো তৃণমূলের নেতাকর্মীরা। তাঁদের খোঁজখবর নেওয়া, তাঁদের কথা শোনা এবং পারস্পরিক সম্পর্ক বজায় রাখা সাংগঠনিক কার্যক্রমের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। রাজনৈতিক ব্যস্ততার পাশাপাশি নেতাকর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ অব্যাহত রাখলে পারস্পরিক বোঝাপড়া ও সাংগঠনিক বন্ধন আরও দৃঢ় হতে পারে।
মঈন উদ্দিন চৌধুরী মাসুকের সমর্থকদের মতে, নেতাকর্মীদের সঙ্গে তাঁর যোগাযোগ, সাক্ষাৎ এবং খোঁজখবর নেওয়ার মানসিকতা তাঁকে তাঁদের কাছে পরিচিত ও আপনজন হিসেবে তুলে ধরেছে। তাঁদের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখার মধ্য দিয়ে তিনি নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের হৃদয়ে নিজের অবস্থান তৈরি করেছেন।
হাওরপারের মানুষের সঙ্গে সম্পর্কই মূল কথা
দিরাইয়ের হাওরাঞ্চলে যোগাযোগব্যবস্থার নানা সীমাবদ্ধতা রয়েছে। বর্ষাকালে নৌকায় চলাচল করতে হয়, আবার বৈরী আবহাওয়ায় যাতায়াত আরও কঠিন হয়ে ওঠে। এসব বাস্তবতার মধ্যে নৌকায় হাওর পাড়ি দিয়ে মানুষের সঙ্গে সাক্ষাৎ করা হাওরপারের জীবনযাত্রার সঙ্গে রাজনৈতিক যোগাযোগের একটি বাস্তব চিত্র তুলে ধরে।
মানুষের সঙ্গে সম্পর্ক বজায় রাখা, তাঁদের কথা শোনা এবং নেতাকর্মীদের খোঁজখবর নেওয়া রাজনীতির গুরুত্বপূর্ণ দিক। মঈন উদ্দিন চৌধুরী মাসুকের এই তৎপরতা তৃণমূল পর্যায়ে যোগাযোগ অব্যাহত রাখার প্রচেষ্টাকে তুলে ধরে। তাঁর সমর্থকেরা আশা করেন, এই যোগাযোগ ও আন্তরিকতার ধারা ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
রাজনীতিতে মানুষের ভালোবাসা ও আস্থা অর্জনের জন্য শুধু বক্তব্য নয়, মানুষের কাছে পৌঁছানো এবং তাঁদের সঙ্গে সম্পর্ক ধরে রাখাও গুরুত্বপূর্ণ। নানান প্রতিকূলতা ও বৈরী আবহাওয়া উপেক্ষা করে নৌকায় হাওর পাড়ি দিয়ে নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের খোঁজখবর নেওয়ার এই উদ্যোগ সেই সম্পর্কের গুরুত্বকেই সামনে নিয়ে আসে।
হামিদুল ইসলাম
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা পাসপোর্ট অফিসে অনিয়মের ভিডিও ধারণ করতে গিয়ে বাধার মুখে পড়েছেন দুই সাংবাদিক। এ সময় হানিফ মেহমুদ নামে এক সাংবাদিকের মোবাইল ফোন কেড়ে নিয়ে প্রায় চার ঘণ্টা আটকে রাখার অভিযোগ উঠেছে ওই কার্যালয়ের এক কর্মচারীর বিরুদ্ধে। একই ঘটনায় জসিমবাউদ্দিন জসিকেও হেনস্তা করা হয় বলে অভিযোগ করেছেন তাঁরা। পরে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে পুলিশ।
সোমবার (১২ অক্টোবর) দুপুরে জেলা পাসপোর্ট অফিসের দ্বিতীয় তলায় এ ঘটনা ঘটে। অভিযুক্ত কর্মচারীর নাম মো. ইমরান হোসেন। তিনি ওই কার্যালয়ের অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক হিসেবে কর্মরত। হানিফ মেহমুদ এশিয়ান টেলিভিশনের চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি এবং জসিম উদ্দিন জসি বাংলা এডিশনের জেলা প্রতিনিধি।
হানিফ মেহমুদ জানান, পাসপোর্ট অফিসে অনিয়মের খবর পেয়ে তিনি ও তাঁর এক সহকর্মী সেখানে যান। এ সময় অনিয়মের ভিডিও ধারণের চেষ্টা করলে কর্মচারী মো. ইমরান হোসেন বাধা দেন এবং তাঁর মোবাইল ফোন কেড়ে নেন। সঙ্গে থাকা সাংবাদিক জসিম উদ্দিন জসিকেও হেনস্তা করা হয়। পরিচয়পত্র দেখানোর পরও তাঁর মোবাইল ফোন ফেরত দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ করেন তিনি। পরে সিনিয়র সাংবাদিকদের হস্তক্ষেপে তাঁদের মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়।
সাংবাদিক জসিম উদ্দিন জসি বলেন, “ভিডিও ধারণে বাধা দেওয়ার পাশাপাশি অফিসের দরজা বন্ধ করে দেওয়া হয়। এমনকি মূল ফটকও বন্ধের নির্দেশ দেন পাসপোর্ট অফিসের কর্মকর্তারা। প্রায় ২০ মিনিট আমাদের আটকে রাখা হয়। এরপর আমাদের ছেড়ে দিলেও প্রায় চার ঘণ্টা পর সহকারী পরিচালক মোবাইল ফোন ফেরত দেন।
অভিযোগের বিষয়ে অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক মো. ইমরান হোসেন বলেন, সাংবাদিকদের মুঠোফোন কেড়ে নেওয়া উচিত হয়নি। পরে তাঁদের মোবাইল ফোন বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে।
চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর মডেল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) পলাশ আলী বলেন, সাংবাদিকদের মোবাইল ফোন কেড়ে নেওয়ার বিষয়টি জানতে পেরে তিনি ঘটনাস্থলে গিয়েছিলেন। তখনও সহকারী পরিচালকের কক্ষে সাংবাদিকদের মোবাইল ফোন রাখা ছিল। তবে এ ঘটনায় কেউ তাঁদের কাছে লিখিত বা মৌখিক অভিযোগ করেননি বলে জানান তিনি।
চাঁপাইনবাবগঞ্জ টেলিভিশন জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের (সিটিজেএ) সাধারণ সম্পাদক মনোয়ার হোসেন জুয়েল বলেন, সাংবাদিকদের তথ্য সংগ্রহ ও অনিয়মের চিত্র ধারণ করা পেশাগত দায়িত্ব। পাসপোর্ট অফিসে ভিডিও ধারণ করতে গিয়ে সাংবাদিকদের বাধা দেওয়ার ঘটনা স্বাধীন সাংবাদিকতা ও তথ্য সংগ্রহের ক্ষেত্রে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে। এ ধরনের ঘটনা আগেও ঘটেছে বলে দাবি করেন তিনি।
তিনি আরও বলেন, ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত, দায়ীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ এবং সাংবাদিকদের পেশাগত দায়িত্ব পালনে নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে।
এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে জেলা পাসপোর্ট অফিসের সহকারী পরিচালক এ কে এম আবু সাঈদের সঙ্গে একাধিকবার মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
অ্যানফিল্ডে রোববার (১১ অক্টোবর) অনুষ্ঠিত ম্যাচে ম্যানচেস্টার সিটির ৩-০ গোলের জয় সত্ত্বেও মাঠের বাইরের উত্তেজনা ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি করেছে। পুলিশ বিভিন্ন ঘটনায় ১০ জনকে গ্রেফতার করেছে। তাদের মধ্যে একজনকে গ্রেফতারের সময় আহত হয়েছেন এক পুলিশ কর্মকর্তা।
লিভারপুলের সমর্থকেরা সিটির বিরুদ্ধে প্রিমিয়ার লিগের আর্থিক নিয়ম লঙ্ঘনের অভিযোগে ক্ষোভ প্রকাশ করেন। ম্যাচ চলাকালীন, ক্লাবটির সমর্থকেরা সিটির ব্যবস্থাপনার বিরুদ্ধে দুয়ো দেন। তারা সিটিকে নিচের বিভাগে নামিয়ে দেয়ার দাবিও তোলেন।
এদিকে, ম্যাচের প্রেক্ষাপটে ১০ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। একজন পুলিশ কর্মকর্তাকে আঘাত করার সন্দেহে একজনকে আটক করা হয়। লিভারপুলের ইতিহাসের ট্র্যাজেডি নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্যের কারণে পাঁচজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এছাড়া, মদ্যপ অবস্থায় উচ্ছৃঙ্খল আচরণ ও অন্যকে আঘাত করার ঘটনায় একজন, মারামারিতে জড়িত থাকার অভিযোগে দু'জন এবং মাঠে বস্তু নিক্ষেপের ঘটনায় একজনকে গ্রেফতার করা হয়।
অ্যানফিল্ড রোডে একজনকে গ্রেফতারের সময় মুখে আঘাত পান ওই পুলিশ কর্মকর্তা। তাকে হাসপাতালে নেয়া হলে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হয়। পরে বাড়িতে তার বাকি চিকিৎসা হওয়ার কথা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চলতি বছরে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ৩ দশমিক ৬ শতাংশ হতে পারে। তবে, আগামী বছর প্রবৃদ্ধি কমে ৩ দশমিক ২ শতাংশে নামার সম্ভাবনা রয়েছে। একই সঙ্গে, ২০২৭ সালে দেশে মূল্যস্ফীতি আবারও বেড়ে ১০ দশমিক ৯ শতাংশে পৌঁছাতে পারে, এমন পূর্বাভাস দিয়েছে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ)।
মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) প্রকাশিত আইএমএফ-এর অক্টোবর ২০২৬-এর ‘ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক আউটলুক’ প্রতিবেদনে এসব পূর্বাভাস তুলে ধরা হয়েছে।
‘রেজিলিয়েন্স আন্ডার স্ট্রেইন, আর্জেন্ট চয়েসেস’ শীর্ষক প্রতিবেদনে আইএমএফ জানায়, ২০২৬ সালে বিশ্ব অর্থনীতির প্রবৃদ্ধি ৩ দশমিক ১ শতাংশ হবে। ২০২৭ সালে তা বেড়ে ৩ দশমিক ৪ শতাংশ হতে পারে। অন্যদিকে, বৈশ্বিক মূল্যস্ফীতি ২০২৬ সালে ৪ দশমিক ৭ শতাংশে দাঁড়াতে পারে এবং ২০২৭ সালে তা কমে ৪ দশমিক ১ শতাংশে নামার সম্ভাবনা রয়েছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৫ সালে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ৩ দশমিক ৫ শতাংশ ছিল। ২০২৬ সালে তা বেড়ে ৩ দশমিক ৬ শতাংশ হতে পারে। তবে ২০২৭ সালে প্রবৃদ্ধি কমে ৩ দশমিক ২ শতাংশে দাঁড়ানোর আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে।
এদিকে, ২০২৫ সালে বাংলাদেশে গড় মূল্যস্ফীতি ১০ শতাংশ ছিল। ২০২৬ সালে তা কমে ৮ দশমিক ৭ শতাংশে নামতে পারে। তবে ২০২৭ সালে মূল্যস্ফীতি আবারও বেড়ে ১০ দশমিক ৯ শতাংশে পৌঁছানোর পূর্বাভাস দিয়েছে আইএমএফ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ