বৃহস্পতিবার, ১ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং
১০:৫৯ পি.এম
ভূমিমন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনু জানিয়েছেন, রাজশাহী রেলওয়ে স্টেশনে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি উল্লেখ করেন, "সরকারি সম্পদ নষ্ট করার অধিকার কারও নেই।" এই ঘটনায় কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।
বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৭টার দিকে রাজশাহী রেলওয়ে স্টেশন পরিদর্শন শেষে তিনি সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন। তিনি বলেন, "রাজশাহী শান্তির শহর। এখানে সবাই মিলেমিশে থাকে। কিন্তু একটি বিষয়কে কেন্দ্র করে রাজশাহী রেলওয়ে স্টেশনে উসকানিতে ভাঙচুর করা হয়েছে। যারা করেছে, তারা ঠিক করেনি। সরকারি সম্পদ নষ্ট করার অধিকার কারও নেই।"
ভূমিমন্ত্রী আরও জানান, এ ঘটনার তদন্তের জন্য একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন পাওয়ার পর পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তদন্ত সাপেক্ষে যারা অকারণে স্টেশনের সরকারি সম্পদে হামলা ও ভাঙচুর চালিয়েছে, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এর আগে তিনি স্টেশনের সার্বিক কার্যক্রম, যাত্রীসেবার মান ও অবকাঠামোগত ভাঙচুরের পরিস্থিতি পরিদর্শন করেন। তিনি বিভিন্ন প্ল্যাটফর্ম, টিকিট কাউন্টার, ভাঙচুর করা বিভিন্ন জিনিসপত্র, অপেক্ষাকক্ষ ও যাত্রী লাউঞ্জ পরিদর্শন করেন।
এই সময় রাজশাহী-৩ আসনের সংসদ সদস্য শফিকুল হক মিলন, রাজশাহী সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মাহফুজুর রহমান রিটন, জেলা পরিষদের প্রশাসক এরশাদ আলী ঈশা, রাজশাহী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ সুইট, রাজশাহী মহানগর বিএনপির সভাপতি মামুনুর রশীদ মামুন, সহসভাপতি আসলাম সরকার, ওয়ালিউল হক রানা প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
প্রসঙ্গত, গত ২১ সেপ্টেম্বর রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থীকে মারধরের ঘটনায় শিক্ষার্থীরা রাজশাহী রেলওয়ে স্টেশনে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করেন। শিক্ষার্থীকে মারধরের ঘটনায় রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ চারজনকে বরখাস্ত করেছে। আর স্টেশনে হামলার ঘটনায় রেল কর্তৃপক্ষ অজ্ঞাত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে একটি মামলা করেছে।
স্টেশনে হামলার সময় ভূমিমন্ত্রী রাজশাহীতে উপস্থিত ছিলেন না। বৃহস্পতিবার রাতে ঢাকা থেকে রাজশাহী এসে তিনি রেলওয়ে স্টেশন পরিদর্শনে যান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ১ অক্টোবর, ২০২৬ : দেশে ব্যবসা-বাণিজ্য ও বিনিয়োগ কার্যক্রমকে আরও সহজ, দ্রুত এবং কার্যকর করতে প্রশাসনিক জটিলতা কমানোর পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট সেবাগুলোকে সমন্বিত করার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।
আজ সচিবালয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে বিজনেস প্রসেস সহজীকরণ সংক্রান্ত একটি বৈঠকে তিনি এ বিষয়টির ওপর গুরুত্ব দেন।
বাণিজ্যমন্ত্রীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে রেজিস্ট্রার অব জয়েন্ট কোম্পানিস এন্ড ফার্মস (আরজেএস) এবং ইনভেস্টমেন্ট ব্যাংলাদেশ অথরিটির (আইবিএ) কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। এ সময় বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আতাউর রহমান খানও উপস্থিত ছিলেন।
বৈঠকে ব্যবসা নিবন্ধন, প্রয়োজনীয় অনুমোদন এবং সংশ্লিষ্ট সরকারি সেবা গ্রহণের বর্তমান প্রক্রিয়া পর্যালোচনা করা হয়। একই সঙ্গে উদ্যোক্তা ও বিনিয়োগকারীদের জন্য আরও সহজ, দ্রুত এবং কার্যকর সেবা নিশ্চিত করার জন্য অপ্রয়োজনীয় ধাপ ও সময় কমানোর বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করা হয়।
বাণিজ্যমন্ত্রী উল্লেখ করেন, ব্যবসা পরিচালনার ক্ষেত্রে অপ্রয়োজনীয় প্রশাসনিক জটিলতা ও দীর্ঘসূত্রতা কমানো সম্ভব হলে নতুন উদ্যোক্তা সৃষ্টি এবং দেশি-বিদেশি বিনিয়োগকে উৎসাহিত করা যাবে। এজন্য সংশ্লিষ্ট দপ্তর ও সংস্থার মধ্যে সমন্বয় বাড়ানোর পাশাপাশি সেবা প্রদান ব্যবস্থাকে আরও সহজ ও ব্যবহারবান্ধব করতে হবে।
তিনি বলেন, ব্যবসা ও বিনিয়োগসংক্রান্ত সেবাগুলোকে ধাপে ধাপে ডিজিটাল ও সমন্বিত ব্যবস্থার আওতায় আনা এবং সেবা প্রদানে স্বচ্ছতা, গতিশীলতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন।
বৈঠকে ব্যবসাপ্রক্রিয়া সহজীকরণে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর বর্তমান কার্যক্রম, বিদ্যমান প্রতিবন্ধকতা এবং সেবা ব্যবস্থার উন্নয়নে করণীয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।
বাণিজ্য মন্ত্রণালয়, বিজনেস বাংলাদেশ এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভারতের বিরোধী দলগুলোর রাজনৈতিক জোট 'ইন্ডিয়া' একটি জরুরি বৈঠকে মিলিত হয়েছে, যেখানে নির্বাচন কমিশনের ভোটার তালিকা হালনাগাদের 'বিশেষ নিবিড় সংশোধন' (এসআইআর) কার্যক্রম পরিচালনার সময় ঘটে যাওয়া বিভিন্ন অনিয়ম এবং নির্বাচন কমিশনের অভ্যন্তরীণ মতবিরোধ নিয়ে চরম হট্টগোল চলছে। বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে জেলা পর্যায়ে বিক্ষোভ, নির্বাচন কমিশন অভিমুখে পদযাত্রা এবং রাজধানী দিল্লিতে মহাসমাবেশের মতো একটি যৌথ রণকৌশল ঘোষণা করা হয়েছে। বিরোধী নেতারা সিদ্ধান্ত নিয়েছেন যে, নির্বাচন কমিশন ও এসআইআর-এর বিরুদ্ধে “আইনি ও রাজনৈতিক” উভয়ভাবেই লড়াই করতে হবে। এর মধ্যে নির্বাচন কমিশনারদের আমৃত্যু আইনি সুরক্ষাদানকারী ২০২৩ সালের নিয়োগ আইনকে চ্যালেঞ্জ করার বিষয়টিও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
বৈঠক শেষে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গে অভিযোগ করেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ নির্বাচন কমিশনকে "পুতুলের" মতো ব্যবহার করছেন।
বিরোধী দলগুলোর ঘোষিত ছয় দফা কর্মপরিকল্পনার মধ্যে রয়েছে: ২ থেকে ৮ অক্টোবর পর্যন্ত জেলা পর্যায়ে "গণতন্ত্র রক্ষা" পদযাত্রা, ৬ অক্টোবর বিরোধী সংসদ সদস্যদের (এমপি) নির্বাচন কমিশন অভিমুখে পদযাত্রা, অক্টোবরের দ্বিতীয় সপ্তাহে রাষ্ট্রপতির সাথে সাক্ষাৎ, ১ নভেম্বর দিল্লিতে প্রধান সমাবেশসহ মোট পাঁচটি মহাসমাবেশ এবং সুপ্রিম কোর্টে বিচারাধীন এসআইআর ও নির্বাচন সংক্রান্ত মামলাগুলোর দ্রুত নিষ্পত্তির আবেদন।
বুধবারের বৈঠকে ১৯টি দলের ৩৩ জন শীর্ষ নেতা এবং স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য কপিল সিব্বল উপস্থিত ছিলেন। খাড়গে ছাড়াও কংগ্রেসের সোনিয়া গান্ধী, রাহুল গান্ধী, তৃণমূল কংগ্রেসের মমতা ব্যানার্জি, আরজেডির তেজস্বী যাদব, সিপিআইএমের এম এ বেবি, সিপিআইএমএলের দীপঙ্কর ভট্টাচার্য, এনসিপির ওমর আবদুল্লাহ, পিডিপির মেহবুবা মুফতি এতে যোগ দেন। শিবসেনার (ইউবিটি) উদ্ধব ঠাকরে এবং ঝাড়খণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেন ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে যুক্ত হন।
বৈঠক শেষে লোকসভার বিরোধীদলীয় নেতা রাহুল গান্ধী বলেন, মোদী ও শাহ যে ভারতের গণতন্ত্র ধ্বংস করেছেন— তা দেশের মানুষের কাছে পৌছে দিতে বিরোধী দল সফল হয়েছে। বিশেষ করে তরুণ সমাজের মধ্যে এক ধরনের নতুন প্রতিরোধের অনুভূতি তৈরি হয়েছে যে যা ঘটছে তা ভুল এবং তা বন্ধ করা প্রয়োজন।
তিনি বলেন, "ইন্ডিয়া জোটের সব নেতার ব্যক্তিগত অঙ্গীকার হলো— যারা ভারতীয় গণতন্ত্র ধ্বংস করেছে তাদের শাস্তি সুনিশ্চিত করা। তারা যত জ্যেষ্ঠ বা প্রভাবশালীই হোক না কেন, ভারতীয় গণতন্ত্র যেকোনো ব্যক্তির চেয়ে বড়।"
বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয় যে নির্বাচন কমিশনারদের নিয়োগসংক্রান্ত ২০২৩ সালের আইনটির বিরুদ্ধে তারা সুপ্রিম কোর্টে যৌথ আবেদন জানাবেন। এছাড়া ইভিএম-এর বদলে পেপার ব্যালটে ভোটগ্রহণের দাবিতে সব দল একমত পোষণ করে।
বৈঠকে সিপিআইএম নেতা এম এ বেবিসহ বাম নেতারা বলেন, এই লড়াই স্পষ্টভাবেই আরএসএস-এর বিরুদ্ধে হতে হবে এবং দলীয় গণ্ডির বাইরে গিয়ে সুশীল সমাজকেও যুক্ত করা দরকার। অন্যদিকে পশ্চিমবঙ্গের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি অভিযোগ করেন, নতুন সরকার গঠনের পরও বিজেপির গণতন্ত্র ধ্বংসের চেষ্টা থামেনি। তিনি বলেন, প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে অবিলম্বে পদত্যাগ করতে হবে, অন্যথায় তারা ব্যাপক আন্দোলন গড়ে তুলবেন।
কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গে তাঁর সূচনা বক্তব্যে বলেন, আগামী নির্বাচনগুলোতে এসআইআর-পূর্ব ভোটার তালিকা ব্যবহার করতে হবে। কোনো বৈধ ভোটারকে বাদ দেওয়ার আগে উপযুক্ত নোটিশ ও আপিলের সুযোগ দিতে হবে এবং এমন একটি নির্বাচন কমিশন নিশ্চিত করতে হবে যা পুরো রাজনৈতিক ব্যবস্থার আস্থা অর্জন করতে সক্ষম।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চলমান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে, বিশ্ববাজারে তেলের অস্বাভাবিক দাম কমানোর লক্ষ্যে এবং নিজেদের সংকট মোকাবেলার জন্য জরুরি মজুদ থেকে ডিজেল বাজারে ছাড়ার জন্য জার্মানি ও ফ্রান্সের ওপর চাপ সৃষ্টি করেছে যুক্তরাষ্ট্র। ট্রাম্প প্রশাসন হুমকি দিয়েছে যে, যদি এ বিষয়ে পদক্ষেপ না নেওয়া হয়, তবে যুক্তরাষ্ট্রে উৎপাদিত ডিজেল ইউরোপে রপ্তানি সম্পূর্ণভাবে বন্ধ করে দেওয়া হবে।
ওয়াশিংটনের আলোচনার সঙ্গে জড়িত তিনটি নির্ভরযোগ্য সূত্র বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে এই তথ্য জানিয়েছেন।
প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, আগামী নভেম্বরে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনের প্রেক্ষিতে অভ্যন্তরীণ বাজারে রেকর্ড উচ্চতায় পৌঁছানো জ্বালানির দাম কমানোর চেষ্টা করছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। মার্কিন প্রশাসনের একজন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, আগামী ছয় মাসের মধ্যে ইউরোপকে জরুরি মজুদ থেকে অন্তত ১২ কোটি ব্যারেল ডিজেল বাজারে ছাড়ার অনুরোধ জানানো হয়েছে।
ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে রুশ জ্বালানির ওপর নিষেধাজ্ঞা এবং সম্প্রতি মধ্যপ্রাচ্যে ইরান সংঘাতের ফলে মধ্যপ্রাচ্য ও চীনের ডিজেল সরবরাহ বিঘ্নিত হওয়ায় ইউরোপ বর্তমানে জ্বালানির জন্য যুক্তরাষ্ট্রের ওপর অনেকটাই নির্ভরশীল হয়ে পড়েছে। এই পরিস্থিতিতে ওয়াশিংটনের দেওয়া শর্ত ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) দেশগুলোকে নতুন দ্বিধায় ফেলেছে।
এদিকে, উদ্ভূত জ্বালানি সংকট এবং তেলের দাম নিয়ন্ত্রণে জরুরি আলোচনা শুরু করেছে ইউরোপ। ইউরোপীয় কমিশন, জার্মানি, ফ্রান্স, ইতালি, ব্রিটেন ও আয়ারল্যান্ড বৃহস্পতিবার এ বিষয়ে একটি ফোনালাপে অংশগ্রহণ করেছে।
ফরাসি প্রেসিডেন্টের কার্যালয় ইমানুয়েল ম্যাখোঁর বরাতে জানিয়েছে, জ্বালানির বৈশ্বিক প্রাপ্যতা এবং দাম নিয়ন্ত্রণে জি-৭ জোটের নেতাদের নিয়ে একটি জরুরি ভিডিও সম্মেলন আহ্বান করবেন তিনি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সব সেনা সদস্যদের উদ্দেশ্যে বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত হয়েছে সেনাবাহিনী প্রধানের নিয়মিত দরবার।
দরবারে সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান সকলকে তাদের কর্তব্য পালনের সময় পেশাগত দক্ষতা, শৃঙ্খলা এবং দায়িত্বশীলতার সাথে কাজ করার বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা প্রদান করেন। সেনাসদর সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
দরবারে সেনা প্রধান বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর আধুনিকায়ন, সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং সার্বিক অগ্রযাত্রায় সরকার ও প্রধানমন্ত্রীর প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ