ঢাকা সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

সিলেটে আরও একজনের মৃত্যু, হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ২৯৪ জন


সিলেটে আরও একজনের মৃত্যু, হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ২৯৪ জন

সিলেট বিভাগে হাম পরিস্থিতি বর্তমানে উদ্বেগজনক অবস্থায় রয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় সন্দেহজনক হাম দ্বারা আক্রান্ত হয়ে আরও একজনের মৃত্যু ঘটেছে। একই সময়ে নতুনভাবে ২৪ জনের শরীরে হাম শনাক্ত হয়েছে। এই পরিস্থিতির মাধ্যমে চলতি বছরে বিভাগের নিশ্চিত হামে আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৮৭৬ জনে। আর সন্দেহজনক ও নিশ্চিত হাম মিলিয়ে এই পর্যন্ত মৃত্যু হয়েছে ১২৮ জনের।

সিলেট বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালকের কার্যালয়ের ১১ আগস্টের প্রতিবেদনে এসব উদ্বেগজনক তথ্য জানা গেছে। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় বিভাগের বিভিন্ন হাসপাতালে নতুনভাবে ৯২ জন সন্দেহভাজন হাম রোগী ভর্তি হয়েছেন। বর্তমানে হাসপাতালগুলোতে চিকিৎসাধীন রয়েছেন ২৯৪ জন সন্দেহভাজন রোগী।

স্বাস্থ্য বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, নতুন শনাক্ত ২৪ জনসহ ১ জানুয়ারি থেকে ১১ আগস্ট পর্যন্ত সিলেট বিভাগে নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ৮৭৬ জন। এর মধ্যে সিলেট জেলায় আক্রান্ত হয়েছেন ২৮৭ জন, হবিগঞ্জে ১১৬ জন, মৌলভীবাজারে ১২০ জন এবং সুনামগঞ্জে সর্বাধিক ৩৫৩ জন। হবিগঞ্জের আক্রান্তদের মধ্য থেকে দুজনকে রুবেলা রোগী হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: রাবিতে ডেঙ্গু সচেতনতায় হাল্ট প্রাইজের নতুন কর্মসূচি

এদিকে, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন ৯২ জন সন্দেহভাজন হাম রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এই ভর্তি রোগীদের মধ্যে শহীদ শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতালে ৩১ জন, ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৩৫ জন, রাগীব-রাবেয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ২ জন, মৌলভীবাজার জেলা সদর হাসপাতালে ৯ জন এবং সুনামগঞ্জ জেলা সদর হাসপাতালে ১৫ জন রোগী ভর্তি হয়েছেন।

বর্তমানে সিলেট বিভাগের বিভিন্ন হাসপাতালে মোট ২৯৪ জন সন্দেহভাজন হাম রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এর মধ্যে শহীদ শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতালে ১৩৭ জন এবং ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৭৯ জন রোগী ভর্তি আছেন। এছাড়া রাগীব-রাবেয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ১৪ জন, নর্থ ইস্ট হাসপাতালে ৬ জন, গোলাপগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ৪ জন, বিয়ানীবাজার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ২ জন, সুনামগঞ্জ জেলা সদর হাসপাতালে ৩৪ জন, হবিগঞ্জ জেলা সদর হাসপাতালে ২ জন এবং মৌলভীবাজার জেলা সদর হাসপাতালে ১৬ জন চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

এছাড়া, গত ২৪ ঘণ্টায় সন্দেহজনক হাম রোগে সহিত আরও একজনের মৃত্যু হয়েছে। স্বাস্থ্য বিভাগের প্রতিবেদনে দেখা যায় যে মৃত শিশুর বয়স ৭ মাস এবং বাড়ি সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ বলে উল্লেখ করা হয়েছে। শিশুটি চিকিৎসাধীন ছিল ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে।

জেলাভিত্তিক হিসেবে, এখন পর্যন্ত সন্দেহজনক হাম রোগে সিলেটে ৪২ জন, হবিগঞ্জে ১৬ জন, মৌলভীবাজারে ১২ জন এবং সুনামগঞ্জে ৫২ জনের মৃত্যু হয়েছে। অর্থাৎ, সন্দেহজনক হাম রোগে এই চার জেলায় মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১২২ জন।

আরও পড়ুন: বাকেরগঞ্জে সাজসজ্জায় দেবালয়ের পরেই কৈলাশ পূজামণ্ডপ

অন্যদিকে, নিশ্চিত হাম রোগে এ পর্যন্ত সিলেটে ৪ জন, মৌলভীবাজারে ১ জন ও সুনামগঞ্জে ১ জনের মৃত্যু হয়েছে। হবিগঞ্জে নিশ্চিত হাম রোগের মৃত্যুর বিষয়ক কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। সন্দেহজনক এবং নিশ্চিত হাম দুই হিসাব মিলিয়ে সিলেট বিভাগে মোট মৃত্যুর সংখ্যা এই পর্যন্ত ১২৮ জনে পৌঁছেছে।

চলতি বছরে নিশ্চিত হাম শনাক্তের দিকে লক্ষ্য করলে দেখা যায় যে সুনামগঞ্জ অন্য তিন জেলার তুলনায় অনেক এগিয়ে রয়েছে। জেলাটিতে এখন পর্যন্ত ৩৫৩ জনের শরীরে হাম শনাক্ত হয়েছে। এরপর সিলেটে ২৮৭, মৌলভীবাজারে ১২০ এবং হবিগঞ্জে ১১৬ জন আক্রান্ত হয়েছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মোংলায় কেডিএর সেবা ও মাস্টারপ্ল্যান নিয়ে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১১ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০২:৩৭ পি.এম


মোংলায় কেডিএর সেবা ও মাস্টারপ্ল্যান নিয়ে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

মোংলা পোর্ট পৌরসভা এবং উপজেলার জনসাধারণের সঙ্গে খুলনা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (কেডিএ) সেবা ও মাস্টারপ্ল্যান সম্পর্কে অবহিতকরণের উদ্দেশ্যে একটি মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

এই সভা সোমবার রাত ৯টায় উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শারমিন আক্তার সুমীর সভাপতিত্ব করেন এবং সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খুলনা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (কেডিএ) চেয়ারম্যান, অ্যাডভোকেট এসএম শফিকুল আলম মনা।

সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পৌর বিএনপির সভাপতি, মোংলা বন্দর স্টিভেডর অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক এবং সাবেক পৌর মেয়র আলহাজ মো. জুলফিকার আলী। একই সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুর রহমান মানিক, সাংগঠনিক সম্পাদক নাসির তালুকদার ও গোলাম নুর জনি, বিএনপি নেতা খোরশেদ আলম, রিপন হোসেন ইমান, আবদুল কাদের তালুকদার, আবদুর রাজ্জাক, আব্দুস সালাম ব্যাপারী এবং মো. রফিকসহ স্থানীয় অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

মতবিনিময় সভায় স্থানীয় নাগরিকেরা তাদের এলাকার উন্নয়ন এবং বিভিন্ন নাগরিক সুবিধা নিয়ে নানা প্রস্তাব তুলে ধরেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে কেডিএ চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট এসএম শফিকুল আলম মনা বলেন, মোংলা নদীর পাড়কে পাকা করে বাঁধ দিয়ে সেটিকে বিনোদনের উপযোগী করে তোলা হবে। পাশাপাশি মোংলার সুপেয় পানির সংকট নিরসনে নতুন একটি পানির প্ল্যান্ট স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হবে।

তিনি আরও বলেন, এবার ফয়লা খানজাহান আলী বিমানবন্দর আলোর মুখ দেখতে পাবে বলে তাঁরা আশা করছেন। বর্তমান সরকার এবং প্রধানমন্ত্রী জনগণের উন্নয়নে কাজ করছেন বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভালুকার দারুননাজাত মডেল মাদরাসায় শতভাগ পাস

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১১ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০২:৩৮ পি.এম


ভালুকার দারুননাজাত মডেল মাদরাসায় শতভাগ পাস

ময়মনসিংহের ভালুকা পৌরসভার টি.এন.টি রোডে অবস্থিত দারুননাজাত মডেল মাদরাসা (ভালুকা শাখা) দাখিল পরীক্ষা-২০২৬-এর ফলাফলে ধারাবাহিক সাফল্যের ধারা অব্যাহত রেখেছে। এ বছরে, প্রতিষ্ঠানটির ৬২ দশমিক ৫ শতাংশ শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ (A+) পেয়েছে। এছাড়া, পরীক্ষায় অংশ নেওয়া সব শিক্ষার্থী উত্তীর্ণ হওয়ায়, প্রতিষ্ঠানটিতে শতভাগ পাসের সাফল্য এসেছে।

প্রকাশিত ফলাফলে দেখা যায়, মাদরাসাটির মোট ৮ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৪ জন জিপিএ-৫, ১ জন গোল্ডেন এ+ (A+) এবং ৩ জন শিক্ষার্থী এ (A) গ্রেড অর্জন করেছে।

এ সাফল্যে মাদরাসার শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে আনন্দ-উচ্ছ্বাস বিরাজ করছে। প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে কৃতী শিক্ষার্থীসহ পরীক্ষায় অংশ নেওয়া সকল শিক্ষার্থীকে অভিনন্দন জানানো হয়েছে।

মাদরাসার অধ্যক্ষ আবুল কালাম আজাদ বলেছেন, এ সাফল্যে আমরা অত্যন্ত আনন্দিত ও গর্বিত। শিক্ষার্থীদের নিয়মিত অধ্যয়ন, শিক্ষকদের আন্তরিক প্রচেষ্টা এবং অভিভাবকদের সহযোগিতার কারণেই এ ফলাফল অর্জন সম্ভব হয়েছে। তিনি আরও বলেন, ভবিষ্যতে শিক্ষার্থীদের আরও ভালো ফলাফল অর্জনের জন্য আমাদের প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে।

নিয়মিত পাঠদান, শিক্ষকদের আন্তরিক প্রচেষ্টা, অভিভাবকদের সহযোগিতা এবং শিক্ষার্থীদের কঠোর পরিশ্রমের ফলেই এ সাফল্য অর্জিত হয়েছে। ভবিষ্যতেও শিক্ষার মান আরও উন্নত করে এ ধারাবাহিক সাফল্য ধরে রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছে প্রতিষ্ঠানটি।

মাদরাসার শিক্ষার্থীর অভিভাবক আসাদুজ্জামান সুমন বলেন, ‘দারুননাজাত মডেল মাদরাসার শিক্ষার পরিবেশ, শিক্ষকদের আন্তরিকতা ও নিয়মিত তদারকির কারণে শিক্ষার্থীরা ভালো ফলাফল করতে সক্ষম হয়েছে। এই ফলাফল শুধু শিক্ষার্থীদের নয়, প্রতিষ্ঠানটির শিক্ষক, অভিভাবক ও সংশ্লিষ্ট সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টার ফসল।’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

তিন পার্বত্য এলাকায় খাদ্য গুদাম নির্মাণের উদ্যোগ: তথ্য উপদেষ্টা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১১ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০২:৩৯ পি.এম


তিন পার্বত্য এলাকায় খাদ্য গুদাম নির্মাণের উদ্যোগ: তথ্য উপদেষ্টা

পার্বত্য অঞ্চলে প্রাকৃতিক দুর্যোগ, যোগাযোগ ব্যবস্থার সীমাবদ্ধতা এবং জরুরি পরিস্থিতিতে খাদ্য সরবরাহ নির্বিঘ্ন রাখতে তিন পার্বত্য জেলায় নতুন খাদ্য গুদাম নির্মাণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, এ কথা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান।

তিনি মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত নিয়মিত সংবাদ ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানান। তিনি বলেন, পার্বত্য এলাকার মানুষের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করছে। নতুন গুদাম নির্মাণ সেই উদ্যোগেরই একটি অংশ।

তথ্য উপদেষ্টা বলেন, পার্বত্য অঞ্চলের যোগাযোগ ব্যবস্থা অনেক সময় প্রতিকূল হয়ে যায়। বিশেষ করে বর্ষা মৌসুম, ভূমিধস বা অন্য কোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময় খাদ্য পরিবহনে বিঘ্ন সৃষ্টি হয়।

এ কারণে তিন পার্বত্য জেলায় নতুন খাদ্য গুদাম নির্মাণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এতে জরুরি পরিস্থিতিতে খাদ্য মজুত ও সরবরাহ আরও সহজ হবে এবং দুর্গম এলাকার মানুষ দ্রুত খাদ্য সহায়তা পাবেন।

তিনি জানান, সরকারের খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির আওতায় দেশের ৫৫ লাখ গ্রামীণ দরিদ্র ও অতিদরিদ্র পরিবারের জন্য প্রতি মাসে ৩০ কেজি করে চাল ১৫ টাকা কেজি দরে বিতরণ করা হচ্ছে।

নিম্নআয়ের মানুষের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এই কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে।

এসএসসি, দাখিল ও ভোকেশনাল পরীক্ষার ফল প্রকাশের প্রসঙ্গে ডা. জাহেদ উর রহমান বলেন, এবার পাসের হার ও জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীর সংখ্যা আগের তুলনায় কমেছে। তবে সরকার এটিকে শিক্ষার মানোন্নয়নের একটি অংশ হিসেবেই দেখছে।

তিনি আরো বলেন, অতীতে শুধু পাসের হার বৃদ্ধির প্রবণতা ছিল। কিন্তু বর্তমান সরকার শিক্ষার প্রকৃত মান নিশ্চিত করতে বদ্ধপরিকর। শিক্ষামন্ত্রীও ফল প্রকাশের সময় একই বার্তা দিয়েছেন।

স্বাস্থ্যখাতের বিষয়ে তিনি জানান, সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসকদের উপস্থিতি নিশ্চিত করা সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকারে রয়েছে। সাধারণ মানুষের অভিযোগ রয়েছে চিকিৎসকদের অনুপস্থিতি নিয়ে। এই কারণে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় বিষয়টি কঠোরভাবে পর্যবেক্ষণ করছে।

সম্প্রতি দায়িত্ব পালনে অবহেলার অভিযোগে কর্মঘণ্টার মধ্যে একজন চিকিৎসককে বরখাস্ত করা হয়েছে। তিনি বলেন, এটি সরকারি চিকিৎসকদের জন্য একটি স্পষ্ট বার্তা যে কর্মস্থলে নিয়মিত উপস্থিতি নিশ্চিত করতে হবে।

তথ্য উপদেষ্টা সাম্প্রতিক একটি আন্তর্জাতিক ফ্লাইটে যাত্রীদের ভোগান্তির কথাও উল্লেখ করেন। তিনি জানান, বিমানের একটি গুরুত্বপূর্ণ যন্ত্রাংশ বিদেশে নির্ধারিত রক্ষণাবেক্ষণ কেন্দ্রে পাওয়া না যাওয়ায় বাংলাদেশ থেকে যন্ত্রাংশ পাঠাতে হয়েছে।

ইমিগ্রেশন-সংক্রান্ত কারণে যাত্রীরা বিমানবন্দরের বাইরে যেতে না পারায় অতিরিক্ত ভোগান্তির শিকার হয়েছেন। এ ঘটনাবস্তুতে সরকার ও সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে দুঃখ প্রকাশ করা হয়েছে।

তিনি আরো জানান, সম্প্রতি উদ্বোধন হওয়া গণ-অভ্যুত্থান জাদুঘরে মানুষের ব্যাপক আগ্রহ দেখা গেছে। উদ্বোধনের প্রথম দিকে দর্শনার্থীর অতিরিক্ত চাপের কারণে কিছু ব্যবস্থাপনাগত সমস্যা দেখা দিলেও তা দ্রুত সমাধান করা হয়েছে। বর্তমানে দর্শনার্থীরা নির্বিঘ্নে জাদুঘর পরিদর্শন করতে পারছেন।

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রম তুলে ধরে তথ্য উপদেষ্টা জানান, বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশনের আওতাধীন দেশের ২২টি পরমাণু চিকিৎসা ইনস্টিটিউট ও ইনস্টিটিউট অব নিউক্লিয়ার মেডিসিন অ্যান্ড অ্যালায়েড সায়েন্সেসের মাধ্যমে ৮২ হাজার ৩৭৬ জন রোগীকে পিইটি-সিটি স্ক্যান, থাইরয়েড স্ক্যান, রেডিওথেরাপি, বোন মিনারেল ডেনসিটি (বিএমডি) পরীক্ষা, আল্ট্রাসনোগ্রাফিসহ বিভিন্ন আধুনিক চিকিৎসাসেবা প্রদান করা হয়েছে। একই সঙ্গে আমদানিকৃত খাদ্যপণ্যের তেজস্ক্রিয়তা পরীক্ষার আওতায় ২ হাজার ৪১টি পরীক্ষা সম্পন্ন করা হয়েছে।

যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগ সম্পর্কে তিনি বলেন, ঢাকা মহানগরীসহ দেশের ১৩টি সিটি কর্পোরেশন এলাকায় মাঠ সংরক্ষণ, দখলমুক্ত করা এবং নতুন মাঠ নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট সিটি কর্পোরেশনগুলোর প্রতিনিধি নিয়ে বৈঠক অনুষ্ঠিত এবং প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, শিশু-কিশোরদের সুস্থ শারীরিক ও মানসিক বিকাশে খেলাধুলার বিকল্প নেই। নগরায়ণের কারণে অনেক খেলার মাঠ হারিয়ে গেছে বা দখল হয়ে গেছে। সরকার এসব মাঠ পুনরুদ্ধার এবং যেখানে প্রয়োজন নতুন মাঠ নির্মাণে গুরুত্ব দিচ্ছে। একই সঙ্গে শিশু-কিশোরদের অতিরিক্ত মোবাইল ও ডিজিটাল ডিভাইস নির্ভরতা কমিয়ে খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করার লক্ষ্যেও কাজ করে যাচ্ছে।

তথ্য উপদেষ্টা বলেন, সরকারের লক্ষ্য শুধু অবকাঠামো নির্মাণ নয়, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, খাদ্য নিরাপত্তা, বিজ্ঞানভিত্তিক চিকিৎসা এবং শিশু-কিশোরদের সুস্থ বিকাশ নিশ্চিত করে একটি মানবিক ও টেকসই উন্নয়ন ব্যবস্থা গড়ে তোলা। সেই লক্ষ্য বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট সব মন্ত্রণালয় সমন্বিতভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দুর্গাপুরে লোকালয়ে বিরল লজ্জাবতী বানর, পরে বনে অবমুক্ত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১১ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০২:৪১ পি.এম


দুর্গাপুরে লোকালয়ে বিরল লজ্জাবতী বানর, পরে বনে অবমুক্ত

নেত্রকোনার দুর্গাপুর অঞ্চলে লোকালয়ে চলে আসা একটি বিরল প্রজাতির লজ্জাবতী বানর উদ্ধার হয়েছেন এবং গভীর বনে অবমুক্ত করা হয়েছে স্বেচ্ছাসেবকদের দ্বারা।

সোমবার সন্ধ্যার পরে ফারাংপাড়া এলাকার মাদ্রাসাতুল ইনসাফের চত্বরে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা বানরটি দেখতে পান। অপরিচিত প্রাণীটি সেখানে উপস্থিত লোকজনের মধ্যে কৌতূহলের সৃষ্টি করে। এরপর মাদ্রাসার শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা প্রাণীটিকে আটক করে বন্যপ্রাণী রক্ষায় কাজ করা স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন 'সেভ দ্য অ্যানিমেলস অব সুসং'-এর সদস্যদের খবর দেন।

সংগঠনের স্বেচ্ছাসেবকেরা খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে এসে প্রাণীটির পরিচয় নিশ্চিত করেন এবং পরে সোমবার রাতেই বানরটিকে উদ্ধার করে ফারাঙপাড়ার গভীর বনে অবমুক্ত করেন।

সংগঠনটির সভাপতি রিফাত আহমেদ রাসেল জানান, এই পর্যন্ত তারা ১৬টি বিভিন্ন প্রজাতির লজ্জাবতী বানর উদ্ধার করে সুস্থ অবস্থায় বনে অবমুক্ত করেছেন। অনেক সময় বন বিভাগের সহায়তায় উদ্ধার করা প্রাণীর চিকিৎসা করিয়ে পরে বনে ছেড়ে দেওয়া হয়। এর সঙ্গে সঙ্গে তারা বনরুই, অজগরসহ বিভিন্ন বন্যপ্রাণীও উদ্ধার করেছেন। এর আগে তারা ৬৫টির বেশি উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করেছেন।

রিফাত আহমেদ রাসেল বলেন, দুর্গাপুর ও কলমাকান্দার বিভিন্ন এলাকায় প্রায়ই খাদ্য ও আশ্রয়ের সন্ধানে বানরসহ বিভিন্ন বন্যপ্রাণী লোকালয়ে চলে আসে। স্থানীয়দের মধ্যে অনেকেই প্রাণী আটক করার পর তাদের খবর দেন, আবার অনেকেই বন্যপ্রাণী গোপনে রেখে দেওয়ার চেষ্টা করেন।

তিনি আরও বলেন, বন উজাড়ের ফলে বন্যপ্রাণীরা খাবার ও আশ্রয়ের সংকটে পড়ে যাচ্ছে। এর ফলে তারা লোকালয়ে আসছে। বন ও বন্যপ্রাণী রক্ষায় স্থানীয়দের সচেতন হওয়া আরো জরুরি, এছাড়া বন্যপ্রাণী দেখলে তা না ধরে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বা সংগঠনকে খবর দেওয়ার জন্যেও তিনি আহ্বান জানান।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%