ঢাকা সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ভালুকার দারুননাজাত মডেল মাদরাসায় শতভাগ পাস


ভালুকার দারুননাজাত মডেল মাদরাসায় শতভাগ পাস

ময়মনসিংহের ভালুকা পৌরসভার টি.এন.টি রোডে অবস্থিত দারুননাজাত মডেল মাদরাসা (ভালুকা শাখা) দাখিল পরীক্ষা-২০২৬-এর ফলাফলে ধারাবাহিক সাফল্যের ধারা অব্যাহত রেখেছে। এ বছরে, প্রতিষ্ঠানটির ৬২ দশমিক ৫ শতাংশ শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ (A+) পেয়েছে। এছাড়া, পরীক্ষায় অংশ নেওয়া সব শিক্ষার্থী উত্তীর্ণ হওয়ায়, প্রতিষ্ঠানটিতে শতভাগ পাসের সাফল্য এসেছে।

প্রকাশিত ফলাফলে দেখা যায়, মাদরাসাটির মোট ৮ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৪ জন জিপিএ-৫, ১ জন গোল্ডেন এ+ (A+) এবং ৩ জন শিক্ষার্থী এ (A) গ্রেড অর্জন করেছে।

এ সাফল্যে মাদরাসার শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে আনন্দ-উচ্ছ্বাস বিরাজ করছে। প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে কৃতী শিক্ষার্থীসহ পরীক্ষায় অংশ নেওয়া সকল শিক্ষার্থীকে অভিনন্দন জানানো হয়েছে।

আরও পড়ুন: রাবিতে ডেঙ্গু সচেতনতায় হাল্ট প্রাইজের নতুন কর্মসূচি

মাদরাসার অধ্যক্ষ আবুল কালাম আজাদ বলেছেন, এ সাফল্যে আমরা অত্যন্ত আনন্দিত ও গর্বিত। শিক্ষার্থীদের নিয়মিত অধ্যয়ন, শিক্ষকদের আন্তরিক প্রচেষ্টা এবং অভিভাবকদের সহযোগিতার কারণেই এ ফলাফল অর্জন সম্ভব হয়েছে। তিনি আরও বলেন, ভবিষ্যতে শিক্ষার্থীদের আরও ভালো ফলাফল অর্জনের জন্য আমাদের প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে।

নিয়মিত পাঠদান, শিক্ষকদের আন্তরিক প্রচেষ্টা, অভিভাবকদের সহযোগিতা এবং শিক্ষার্থীদের কঠোর পরিশ্রমের ফলেই এ সাফল্য অর্জিত হয়েছে। ভবিষ্যতেও শিক্ষার মান আরও উন্নত করে এ ধারাবাহিক সাফল্য ধরে রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছে প্রতিষ্ঠানটি।

মাদরাসার শিক্ষার্থীর অভিভাবক আসাদুজ্জামান সুমন বলেন, ‘দারুননাজাত মডেল মাদরাসার শিক্ষার পরিবেশ, শিক্ষকদের আন্তরিকতা ও নিয়মিত তদারকির কারণে শিক্ষার্থীরা ভালো ফলাফল করতে সক্ষম হয়েছে। এই ফলাফল শুধু শিক্ষার্থীদের নয়, প্রতিষ্ঠানটির শিক্ষক, অভিভাবক ও সংশ্লিষ্ট সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টার ফসল।’

আরও পড়ুন: বাকেরগঞ্জে সাজসজ্জায় দেবালয়ের পরেই কৈলাশ পূজামণ্ডপ

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

তিন পার্বত্য এলাকায় খাদ্য গুদাম নির্মাণের উদ্যোগ: তথ্য উপদেষ্টা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১১ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০২:৩৯ পি.এম


তিন পার্বত্য এলাকায় খাদ্য গুদাম নির্মাণের উদ্যোগ: তথ্য উপদেষ্টা

পার্বত্য অঞ্চলে প্রাকৃতিক দুর্যোগ, যোগাযোগ ব্যবস্থার সীমাবদ্ধতা এবং জরুরি পরিস্থিতিতে খাদ্য সরবরাহ নির্বিঘ্ন রাখতে তিন পার্বত্য জেলায় নতুন খাদ্য গুদাম নির্মাণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, এ কথা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান।

তিনি মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত নিয়মিত সংবাদ ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানান। তিনি বলেন, পার্বত্য এলাকার মানুষের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করছে। নতুন গুদাম নির্মাণ সেই উদ্যোগেরই একটি অংশ।

তথ্য উপদেষ্টা বলেন, পার্বত্য অঞ্চলের যোগাযোগ ব্যবস্থা অনেক সময় প্রতিকূল হয়ে যায়। বিশেষ করে বর্ষা মৌসুম, ভূমিধস বা অন্য কোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময় খাদ্য পরিবহনে বিঘ্ন সৃষ্টি হয়।

এ কারণে তিন পার্বত্য জেলায় নতুন খাদ্য গুদাম নির্মাণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এতে জরুরি পরিস্থিতিতে খাদ্য মজুত ও সরবরাহ আরও সহজ হবে এবং দুর্গম এলাকার মানুষ দ্রুত খাদ্য সহায়তা পাবেন।

তিনি জানান, সরকারের খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির আওতায় দেশের ৫৫ লাখ গ্রামীণ দরিদ্র ও অতিদরিদ্র পরিবারের জন্য প্রতি মাসে ৩০ কেজি করে চাল ১৫ টাকা কেজি দরে বিতরণ করা হচ্ছে।

নিম্নআয়ের মানুষের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এই কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে।

এসএসসি, দাখিল ও ভোকেশনাল পরীক্ষার ফল প্রকাশের প্রসঙ্গে ডা. জাহেদ উর রহমান বলেন, এবার পাসের হার ও জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীর সংখ্যা আগের তুলনায় কমেছে। তবে সরকার এটিকে শিক্ষার মানোন্নয়নের একটি অংশ হিসেবেই দেখছে।

তিনি আরো বলেন, অতীতে শুধু পাসের হার বৃদ্ধির প্রবণতা ছিল। কিন্তু বর্তমান সরকার শিক্ষার প্রকৃত মান নিশ্চিত করতে বদ্ধপরিকর। শিক্ষামন্ত্রীও ফল প্রকাশের সময় একই বার্তা দিয়েছেন।

স্বাস্থ্যখাতের বিষয়ে তিনি জানান, সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসকদের উপস্থিতি নিশ্চিত করা সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকারে রয়েছে। সাধারণ মানুষের অভিযোগ রয়েছে চিকিৎসকদের অনুপস্থিতি নিয়ে। এই কারণে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় বিষয়টি কঠোরভাবে পর্যবেক্ষণ করছে।

সম্প্রতি দায়িত্ব পালনে অবহেলার অভিযোগে কর্মঘণ্টার মধ্যে একজন চিকিৎসককে বরখাস্ত করা হয়েছে। তিনি বলেন, এটি সরকারি চিকিৎসকদের জন্য একটি স্পষ্ট বার্তা যে কর্মস্থলে নিয়মিত উপস্থিতি নিশ্চিত করতে হবে।

তথ্য উপদেষ্টা সাম্প্রতিক একটি আন্তর্জাতিক ফ্লাইটে যাত্রীদের ভোগান্তির কথাও উল্লেখ করেন। তিনি জানান, বিমানের একটি গুরুত্বপূর্ণ যন্ত্রাংশ বিদেশে নির্ধারিত রক্ষণাবেক্ষণ কেন্দ্রে পাওয়া না যাওয়ায় বাংলাদেশ থেকে যন্ত্রাংশ পাঠাতে হয়েছে।

ইমিগ্রেশন-সংক্রান্ত কারণে যাত্রীরা বিমানবন্দরের বাইরে যেতে না পারায় অতিরিক্ত ভোগান্তির শিকার হয়েছেন। এ ঘটনাবস্তুতে সরকার ও সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে দুঃখ প্রকাশ করা হয়েছে।

তিনি আরো জানান, সম্প্রতি উদ্বোধন হওয়া গণ-অভ্যুত্থান জাদুঘরে মানুষের ব্যাপক আগ্রহ দেখা গেছে। উদ্বোধনের প্রথম দিকে দর্শনার্থীর অতিরিক্ত চাপের কারণে কিছু ব্যবস্থাপনাগত সমস্যা দেখা দিলেও তা দ্রুত সমাধান করা হয়েছে। বর্তমানে দর্শনার্থীরা নির্বিঘ্নে জাদুঘর পরিদর্শন করতে পারছেন।

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রম তুলে ধরে তথ্য উপদেষ্টা জানান, বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশনের আওতাধীন দেশের ২২টি পরমাণু চিকিৎসা ইনস্টিটিউট ও ইনস্টিটিউট অব নিউক্লিয়ার মেডিসিন অ্যান্ড অ্যালায়েড সায়েন্সেসের মাধ্যমে ৮২ হাজার ৩৭৬ জন রোগীকে পিইটি-সিটি স্ক্যান, থাইরয়েড স্ক্যান, রেডিওথেরাপি, বোন মিনারেল ডেনসিটি (বিএমডি) পরীক্ষা, আল্ট্রাসনোগ্রাফিসহ বিভিন্ন আধুনিক চিকিৎসাসেবা প্রদান করা হয়েছে। একই সঙ্গে আমদানিকৃত খাদ্যপণ্যের তেজস্ক্রিয়তা পরীক্ষার আওতায় ২ হাজার ৪১টি পরীক্ষা সম্পন্ন করা হয়েছে।

যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগ সম্পর্কে তিনি বলেন, ঢাকা মহানগরীসহ দেশের ১৩টি সিটি কর্পোরেশন এলাকায় মাঠ সংরক্ষণ, দখলমুক্ত করা এবং নতুন মাঠ নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট সিটি কর্পোরেশনগুলোর প্রতিনিধি নিয়ে বৈঠক অনুষ্ঠিত এবং প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, শিশু-কিশোরদের সুস্থ শারীরিক ও মানসিক বিকাশে খেলাধুলার বিকল্প নেই। নগরায়ণের কারণে অনেক খেলার মাঠ হারিয়ে গেছে বা দখল হয়ে গেছে। সরকার এসব মাঠ পুনরুদ্ধার এবং যেখানে প্রয়োজন নতুন মাঠ নির্মাণে গুরুত্ব দিচ্ছে। একই সঙ্গে শিশু-কিশোরদের অতিরিক্ত মোবাইল ও ডিজিটাল ডিভাইস নির্ভরতা কমিয়ে খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করার লক্ষ্যেও কাজ করে যাচ্ছে।

তথ্য উপদেষ্টা বলেন, সরকারের লক্ষ্য শুধু অবকাঠামো নির্মাণ নয়, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, খাদ্য নিরাপত্তা, বিজ্ঞানভিত্তিক চিকিৎসা এবং শিশু-কিশোরদের সুস্থ বিকাশ নিশ্চিত করে একটি মানবিক ও টেকসই উন্নয়ন ব্যবস্থা গড়ে তোলা। সেই লক্ষ্য বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট সব মন্ত্রণালয় সমন্বিতভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দুর্গাপুরে লোকালয়ে বিরল লজ্জাবতী বানর, পরে বনে অবমুক্ত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১১ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০২:৪১ পি.এম


দুর্গাপুরে লোকালয়ে বিরল লজ্জাবতী বানর, পরে বনে অবমুক্ত

নেত্রকোনার দুর্গাপুর অঞ্চলে লোকালয়ে চলে আসা একটি বিরল প্রজাতির লজ্জাবতী বানর উদ্ধার হয়েছেন এবং গভীর বনে অবমুক্ত করা হয়েছে স্বেচ্ছাসেবকদের দ্বারা।

সোমবার সন্ধ্যার পরে ফারাংপাড়া এলাকার মাদ্রাসাতুল ইনসাফের চত্বরে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা বানরটি দেখতে পান। অপরিচিত প্রাণীটি সেখানে উপস্থিত লোকজনের মধ্যে কৌতূহলের সৃষ্টি করে। এরপর মাদ্রাসার শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা প্রাণীটিকে আটক করে বন্যপ্রাণী রক্ষায় কাজ করা স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন 'সেভ দ্য অ্যানিমেলস অব সুসং'-এর সদস্যদের খবর দেন।

সংগঠনের স্বেচ্ছাসেবকেরা খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে এসে প্রাণীটির পরিচয় নিশ্চিত করেন এবং পরে সোমবার রাতেই বানরটিকে উদ্ধার করে ফারাঙপাড়ার গভীর বনে অবমুক্ত করেন।

সংগঠনটির সভাপতি রিফাত আহমেদ রাসেল জানান, এই পর্যন্ত তারা ১৬টি বিভিন্ন প্রজাতির লজ্জাবতী বানর উদ্ধার করে সুস্থ অবস্থায় বনে অবমুক্ত করেছেন। অনেক সময় বন বিভাগের সহায়তায় উদ্ধার করা প্রাণীর চিকিৎসা করিয়ে পরে বনে ছেড়ে দেওয়া হয়। এর সঙ্গে সঙ্গে তারা বনরুই, অজগরসহ বিভিন্ন বন্যপ্রাণীও উদ্ধার করেছেন। এর আগে তারা ৬৫টির বেশি উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করেছেন।

রিফাত আহমেদ রাসেল বলেন, দুর্গাপুর ও কলমাকান্দার বিভিন্ন এলাকায় প্রায়ই খাদ্য ও আশ্রয়ের সন্ধানে বানরসহ বিভিন্ন বন্যপ্রাণী লোকালয়ে চলে আসে। স্থানীয়দের মধ্যে অনেকেই প্রাণী আটক করার পর তাদের খবর দেন, আবার অনেকেই বন্যপ্রাণী গোপনে রেখে দেওয়ার চেষ্টা করেন।

তিনি আরও বলেন, বন উজাড়ের ফলে বন্যপ্রাণীরা খাবার ও আশ্রয়ের সংকটে পড়ে যাচ্ছে। এর ফলে তারা লোকালয়ে আসছে। বন ও বন্যপ্রাণী রক্ষায় স্থানীয়দের সচেতন হওয়া আরো জরুরি, এছাড়া বন্যপ্রাণী দেখলে তা না ধরে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বা সংগঠনকে খবর দেওয়ার জন্যেও তিনি আহ্বান জানান।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নিরাপদ নৌচলাচল নিশ্চিতে নৌযান শুমারি পরিচালনা করা হবে : প্রতিমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১১ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০২:৪৩ পি.এম


নিরাপদ নৌচলাচল নিশ্চিতে নৌযান শুমারি পরিচালনা করা হবে : প্রতিমন্ত্রী

নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী মো. রাজিব আহসান বলেছেন, দেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো নিরাপদ-সুশৃঙ্খল ও কার্যকর নৌপরিবহন ব্যবস্থা গড়ে তুলতে নৌযান শুমারি ২০২৬ পরিচালনা করা হবে। তিনি আরও বলেন, নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) সহযোগিতায় আগামী ২০ থেকে ২৯ আগস্ট পর্যন্ত দেশব্যাপী এ শুমারি অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে।

মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) রাজধানীর বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ভবনে নৌযান শুমারি ২০২৬-এর তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রমে দায়িত্বপ্রাপ্ত সমন্বয়কারীদের তিন দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব তথ্য তুলে ধরেন।

নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, “বাংলাদেশ নদীমাতৃক দেশ। এ দেশের অর্থনীতি, ব্যবসা-বাণিজ্য ও মানুষের জীবনযাত্রার সঙ্গে নদী ও নৌপথের সম্পর্ক অত্যন্ত গভীর। কিন্তু নৌপথের সম্ভাবনাকে আমরা এখনো পুরোপুরি কাজে লাগাতে পারিনি।”

তিনি জানান, সড়কপথে যাত্রী ও পণ্য পরিবহনের চাপ ক্রমাগত বাড়ছে। এই চাপ কমাতে নৌপথের সর্বোচ্চ ও কার্যকর ব্যবহার নিশ্চিত করতে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। নৌপথকে ব্যবসা-বাণিজ্য, পণ্য ও যাত্রী পরিবহন এবং পর্যটনের জন্য আরও কার্যকরভাবে ব্যবহার করলেই দেশের অর্থনীতিকে আরও গতিশীল করা সম্ভব।

তিনি আরও বলেন, নৌযান শুমারির মাধ্যমে দেশের নৌযানের প্রকৃত সংখ্যা, ধরন, ব্যবহার, মালিকানা ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় তথ্যের একটি নির্ভরযোগ্য ও পূর্ণাঙ্গ চিত্র পাওয়া যাবে। এসব তথ্যের ভিত্তিতে নৌপরিবহন খাতের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা, নীতিনির্ধারণ ও নিরাপদ ও সুশৃঙ্খল নৌচলাচল নিশ্চিত করার জন্য কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা সম্ভব হবে।

নৌযান শুমারি কার্যক্রম বাস্তবায়নে সহযোগিতার জন্য বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোকে ধন্যবাদ জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, সরকার নৌপথের হারানো ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনার পাশাপাশি আধুনিক, নিরাপদ ও জনবান্ধব নৌপরিবহন ব্যবস্থা গড়ে তুলতে কাজ করছে।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নৌযোগাযোগ বৃদ্ধির বিষয়ে গুরুত্বারোপের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, সরকারের অগ্রাধিকার অনুযায়ী নৌপথের উন্নয়ন ও এর সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করা হবে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ সাকি, এমপি। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের সচিব জাকারিয়া, পরিসংখ্যান ও তথ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের সচিব মো. ফিরোজ সরকার, নৌপরিবহন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক কমোডর মো. শফিউল বারী এবং বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর মহাপরিচালক মো. শামীমুল হক।

এছাড়াও নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়, নৌপরিবহন অধিদপ্তর এবং বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাসহ নৌযান শুমারি কার্যক্রমের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ফেল করা শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে শিক্ষামন্ত্রীর বিশেষ বার্তা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১১ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০২:৪৩ পি.এম


ফেল করা শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে শিক্ষামন্ত্রীর বিশেষ বার্তা

২০২৬ সালের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় অকৃতকার্য হওয়া শিক্ষার্থীদের ভেঙে পড়ার পরিবর্তে ধৈর্য ধরার আহ্বান জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি বলেছেন, পরীক্ষা জীবনের চূড়ান্ত পরিমাপক নয়। অকৃতকার্যদের পাশে থাকার আশ্বাসও দিয়েছেন তিনি।

মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) নিজের ফেসবুক পেজে দেওয়া একটি বিশেষ বার্তায় শিক্ষামন্ত্রী এই প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন। শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে শিক্ষামন্ত্রী লেখেন, ফলাফল আশানুরূপ না হওয়া খুবই বেদনার ও হতাশার বিষয়। কিন্তু অকৃতকার্য হওয়া মানে জীবনের গল্প শেষ হয়ে যাওয়া নয়। আজকের ফল কারও মূল পরিচয় হতে পারে না, এটি পরীক্ষার নির্দিষ্ট কিছু ঘণ্টার একটি হিসাব মাত্র। কোনো মানুষের পরিশ্রম ও স্বপ্নের নির্দিষ্ট নম্বর হয় না।

শিক্ষামন্ত্রী আরো বলেন, অকৃতকার্য হওয়ার পর সামাজিক নানা চাপ এবং সহপাঠীদের উপেক্ষা সামলানো খুব কঠিন। তবে এই স্থবিরতা সাময়িক। ভবিষ্যতে কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে সফল হলে, আজকের কষ্টের দিনগুলো মনে করে শিক্ষার্থীরা হয়তো হাসবে। তরুণদের হতাশা কাটিয়ে উঠে দেশ গঠনের কাজে মনোযোগী হওয়ার প্রতি তিনি তাগিদ দেন।

অভিভাবকদের উদ্দেশ্য শিক্ষামন্ত্রী বলেছেন, অকৃতকার্য শিক্ষার্থী বর্তমানে নিজের পরিবারে মুখোমুখি হতে খুবই ভয় পায়। এই কঠিন সময়ে সন্তানকে বকাঝকা বা ভর্ৎসনা না করে, স্নেহের ছায়ায় আগলে রাখা উচিত। তিনি অভিভাবকদের অনুরোধ জানান, ঘরকে কোনো বিচারালয় না বানিয়ে সন্তানের আশ্রয়ে পরিণত করার জন্য।

শিক্ষকদের দায়িত্ব উল্লেখ করে শিক্ষামন্ত্রী ড. এহছানুল হক মিলন বলেন, অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের দিকে বিশেষ নজর দেওয়ার দায়িত্ব শিক্ষকদের। কোনো শিক্ষার্থী কেন পিছিয়ে পড়ছে, তার প্রকৃত কারণ খুঁজে বের করতে হবে। এই ব্যর্থতার দায় শুধুমাত্র কোনো এক শিশুর ওপর চাপিয়ে দেওয়া উচিত নয়, বরং শিক্ষক ও শিক্ষা ব্যবস্থারও দায় থাকে।

শিক্ষার্থীদের সব ধরনের একাডেমিক সহায়তার জন্য শিক্ষা মন্ত্রণালয় সব সময় পাশে থাকবে বলেও বার্তায় পুনর্ব্যক্ত করা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%