ঢাকা বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৫ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৫ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

সামান্য বৃষ্টিতেই হাঁটুপানিতে তলিয়ে যায় হালুয়াঘাট পৌর এলাকা


সামান্য বৃষ্টিতেই হাঁটুপানিতে তলিয়ে যায় হালুয়াঘাট পৌর এলাকা

ময়মনসিংহের সীমান্তবর্তী হালুয়াঘাট উপজেলার পৌর এলাকায় বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় রাস্তায় সামান্য বৃষ্টিতে সৃষ্টি হয় তীব্র জলাবদ্ধতা। অল্প বৃষ্টিতেই হাঁটুসমান পানি জমে যাওয়ায় শিক্ষার্থী, সাধারণ মানুষ ও ব্যবসায়ীরা চরম দুর্ভোগে পড়ছে।

আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে সরজমিন গিয়ে ও স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে এ অবস্থা চললেও কোনো আধুনিক পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা না থাকার ফলে রাস্তাটিতে বৃষ্টির পানি দীর্ঘ সময় ধরে জমে থাকে। এর ফলে স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থী, পথচারী এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষকে প্রতিনিয়ত দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। অনেক শিক্ষার্থীকে কাদাপানি মাড়িয়ে বিদ্যালয়ে যেতে হচ্ছে। এতে তাদের পোশাক নষ্ট হওয়ার পাশাপাশি অনেকেই পিচ্ছিল রাস্তায় পড়ে গিয়ে আহত ও অসুস্থ হচ্ছেন।

এদিকে দীর্ঘ সময় পানি জমে থাকার কারণে ব্যবসায়ীরাও মারাত্মক ক্ষতির মুখে পড়েছেন। জলাবদ্ধতার কারণে ক্রেতাদের উপস্থিতি কমে যাওয়ায় বেচাকেনা ব্যাহত হচ্ছে। এর ফলে ক্ষুদ্র ও মাঝারি ব্যবসায়ীরা আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছেন।

আরও পড়ুন: নাসিরনগরে ব্যাংক থেকে টাকা তুলে ফেরার পথে যুবককে ছুরিকাঘাত, ছিনতাইয়ের অভিযোগ ১ লাখ ৭০ হাজার টাকা

এ রাস্তা দিয়ে চলাচল করা স্থানীয় পথচারী আব্দুল খালেক বলেন, ‘আধুনিক ড্রেনেজ ব্যবস্থা নির্মাণ এবং পুরাতন ড্রেনগুলো পরিষ্কার না করার কারণেই আমাদের ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে।

এ সমস্যার সমাধানে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ না করা হলে এ সমস্যার সমাধান সম্ভব নয়।’

স্থানীয় শিক্ষার্থী তাসলিমা আক্তার জানান, সামান্য বৃষ্টিতে পানি জমে থাকার কারণে আমাদের এই নোংরা পানির ওপর দিয়ে যেতে হয়। যা আমাদের জন্য খুবই বিব্রতকর। আশা করি এ বিষয়ে স্থানীয় প্রশাসন জরুরী ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।

স্থানীয় ব্যবসায়ী মালেক মিয়া বলেন, ‘বৃষ্টির পানি জমে থাকার কারণে স্কুল-কলেজের ছাত্রছাত্রী ও হাটে আসা লোকজনদের ব্যাপক সমস্যার সম্মুখীন হতে হচ্ছে।

আরও পড়ুন: রাজাপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ১০০ পদ শূন্য, চিকিৎসাসেবা ব্যাহত

তাই আমাদের দাবি আধুনিক ড্রেনেজ ব্যবস্থা নির্মাণ, বিদ্যমান ড্রেনসমূহ সংস্কার ও পরিষ্কার এবং স্থায়ী জলাবদ্ধতা নিরসনে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করছি।’

এ বিষয়ে পৌরসভার প্রশাসক জাকিয়া সুলতানা রোজি বলেন, ‘এ রাস্তাটির একটি অংশ সড়ক ও জনপদ বিভাগের অধীনে। ফলে আমরা ইচ্ছে থাকলেও এখানে কাজ করতে পারছি না। তবে আমরা একটি পরিকল্পনা নিয়েছি বড় আকারের একটি ড্রেন করার। সড়ক ও জনপথ বিভাগের সঙ্গে সমন্বয় করে যদি আমরা কাজ করতে পারি তাহলে এ সমস্যার সমাধান করা যাবে। এ ছাড়া যে ড্রেন রয়েছে সেটি পরিষ্কার করা হচ্ছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

স্ত্রীর সঙ্গে কারাগারে দেখা করতে গিয়ে গাঁজাসহ ধরা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১১ই জুন, ২০২৬ ইং

০৭:৫৮ পি.এম


স্ত্রীর সঙ্গে কারাগারে দেখা করতে গিয়ে গাঁজাসহ ধরা

মাগুরা জেলা কারাগারের প্রধান গেটের তল্লাশির সময় গাঁজাসহ এক দর্শনার্থীকে আটক করা হয়েছে। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে সেই দর্শনার্থীকে চার মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

বৃহস্পতিবার (১১ জুন) সকাল ১১টার সময় এই ঘটনা ঘটে মাগুরা জেলা কারাগারে।

জানা যায়, বৃহস্পতিবার সকাল বিকাল, কারাগারের আরপি (R.P.) গেটে দায়িত্ব পালনরত কারারক্ষী মো. রফিকুল ইসলাম দর্শনার্থী মো. দবীর মোল্লার দেহ তল্লাশি করেন। এই সময়, তার জিন্স প্যান্টের বাম পকেট থেকে সুকৌশলে লুকিয়ে রাখা প্রায় ৫০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার হয়।

বিষয়টি নিশ্চিত করে মাগুরা জেলা কারাগারের জেল সুপার মো. মহিউদ্দিন বলেন, আটক হওয়া ব্যক্তির নাম মো. দবীর মোল্লা (৩৫) এবং তিনি মাগুরা সদরের জুইতারা গ্রামের মোতাল্লেব মোল্লার ছেলে।

ঘটনার পর জেলা প্রশাসনকে অবহিত করা হলে একজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এবং মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের (ডিএনসি) সদস্যরা কারাগারের ফটকে উপস্থিত হয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালত চালান। আদালত অভিযুক্ত দবীর মোল্লাকে দোষী সাব্যস্ত করে চার মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেন।

এদিকে, জানা গেছে যে, কারাদণ্ডপ্রাপ্ত দবীর মোল্লার স্ত্রী মোছা. তন্বী খাতুনও বর্তমানে কারাগারে দণ্ড ভোগ করছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

‘অভিনয়ে ফিরতে চাই’, অনেক দিন বড়পর্দা থেকে দূরে এনা, কখনও কি সমস্যায় পড়তে হয়েছে তাঁকে?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১১ই জুন, ২০২৬ ইং

০৭:৫৯ পি.এম


‘অভিনয়ে ফিরতে চাই’, অনেক দিন বড়পর্দা থেকে দূরে এনা, কখনও কি সমস্যায় পড়তে হয়েছে তাঁকে?

ছোট থেকেই অভিনয় জগতের সঙ্গে যুক্ত অভিনেত্রী এনা সাহা। তাঁর কি কখনও কোন সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়েছে? তিনি কীভাবে এই প্রশ্নের উত্তর দিলেন?

 

অভিনেত্রী এনা সাহা বর্তমানে প্রযোজকও বটে। অনেক দিন হলো তাঁকে বড়পর্দায় দেখা যাচ্ছে না। আসলে, প্রযোজক এনা নিজের জন্য কিছু সময় দিচ্ছেন। এনা বার বার এই কথাটি জানিয়েছেন। এই অবস্থার মধ্যেই টলিপাড়ায় পালাবদল ঘটছে। সম্প্রতি ‘ইমপা’-য় পিয়া সেনগুপ্তকে কেন্দ্র করে কিছু ঝামেলা প্রকাশ্যে এসেছে। তবে সেই পরিস্থিতির মাঝেই ইমপা-য় দেখা যায় এনাকে।

 

ছোটবেলা থেকেই অভিনয় জগতের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন তিনি। তাহলে, তাঁকে কি কোনও সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়েছিল? এনার স্পষ্ট উত্তর হলো, তাঁকে কখনও এরকম কোনও পরিস্থিতির সম্মুখীন হতে হয়নি। তিনি বলেন, “আমি সে দিন ইমপা-র অফিসে গিয়েছিলাম ‘পাশে আছি’— এমন বার্তা দিতে। সত্যি বলছি, আমাকে সবাই আগলে রেখেছে। কখনও কোনও অসুবিধার সম্মুখীন হতে হয়নি।”

 

তাহলে, কেন এতদিন পর্দা থেকে দূরে? এনা বলেন, “অন্দরের রাজনৈতিক সমস্যার কারণে আমি পর্দা থেকে দূরে আছি, একেবারে নয়। আমি আমার কাজের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছি। এখন প্রোডাকশন করছি। অনেকগুলো দিক দেখতে হচ্ছে। সেই ক্ষেত্রেও ইন্ডাস্ট্রির গুরুজনেরা আমাকে সাহায্য করেছেন। যেমন, ছবির সেন্সর সার্টিফিকেট আগে থেকে বের করতে হয়, সেটা জানতাম না। সে ক্ষেত্রেও বড়দের পাশে পেয়েছি। তাই আমি ব্যক্তিগতভাবে কোনো সমস্যায় পড়িনি।”

 

এখন তিনি অভিনয়ের দিকেও মন দিতে চান। এনা বলেন, “আমি সবাইকে ফোন করে বলেছি অভিনয় করতে চাই। দক্ষিণে তো অনেক কাজ করেছি। সেখানে গিয়ে কথাও বলেছি। অনেক চিত্রনাট্য আমার কাছে আসছে। তাই সেই দিকেও মন দিতে চাই।”

 

অতীতে কি তিনি কোনও রাজনৈতিক দলের ঘনিষ্ঠ ছিলেন? এনা বলেন, “আমরা অনেক জায়গায় অনুষ্ঠান করতে যাই। কোন রাজনৈতিক দল আয়োজন করে, সেই সব অনুষ্ঠানের ব্যাপারে আমার জানা নেই। তাই সেভাবে কী করে উত্তর দিতে পারি।”

 

এনা রাজনৈতিক দ্বন্দ্বে নিজেকে জড়াতে নারাজ, এটা কিছুটা আন্দাজ করা যায়। আপাতত, তিনি নিজের প্রযোজনা সংস্থার কাজে মন দিতে ইচ্ছুক। পাশাপাশি অভিনেত্রী নিজের প্রযোজনা সংস্থার কাজও এগিয়ে নিয়ে যেতে চান।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ব্যাবসায়িক অ্যাকাউন্ট খুলতে বিআইএন বাধ্যতামূলক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১১ই জুন, ২০২৬ ইং

০৮:০০ পি.এম


ব্যাবসায়িক অ্যাকাউন্ট খুলতে বিআইএন বাধ্যতামূলক

ব্যবসা শনাক্তকরণ নম্বর (বিআইএন) বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে ব্যাবসায়িক ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খুলতে।

২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট ঘোষণা করার সময় বৃহস্পতিবার (১১ জুন) অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী এ বিষয়টি জানান।

অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘ভ্যাটের আওতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ব্যাবসায়িক কোনো ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খোলার ক্ষেত্রে মূসক নিবন্ধন গ্রহণ বাধ্যতামূলক করার জন্য আইনে প্রয়োজনীয় সংশোধনী আনয়নের প্রস্তাব করছি।’

অর্থাৎ, এখন থেকে ব্যাংক এবং ব্যাংকবহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠান বা অন্য কোনো আর্থিক প্রতিষ্ঠানে চলতি হিসাব খুলতে বা ঋণ নিতে হলে বিআইএন গ্রহণ করা আবশ্যক হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

অসহায় মুসলিমদের পাশে দাঁড়ানোয় বাংলাদেশের সেবা সংস্থার খবর আন্তর্জাতিক মিডিয়ায়

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১১ই জুন, ২০২৬ ইং

০৮:০১ পি.এম


অসহায় মুসলিমদের পাশে দাঁড়ানোয় বাংলাদেশের সেবা সংস্থার খবর আন্তর্জাতিক মিডিয়ায়

বিশ্বের বিভিন্ন দেশে অসহায় মুসলিমদের পাশে দাঁড়াতে হাফেজ্জী চ্যারিটেবল সোসাইটি অব বাংলাদেশের উদ্যোগ আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে বিশেষভাবে উঠে এসেছে। সুদান টিভি, আল জাজিরা, বিবিসি সহ একাধিক আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম এই সংস্থার কার্যক্রম প্রকাশ করেছে।

বাংলাদেশভিত্তিক মানবিক সংস্থা হাফেজ্জী চ্যারিটেবল সোসাইটি অব বাংলাদেশের কার্যক্রম আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ক্রমেই আলোচিত হচ্ছে। সুদান, গাজা ও মিশরে এই সংস্থার বিভিন্ন মানবিক কর্মসূচি রাষ্ট্রীয়, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক স্তরে একাধিক সংবাদমাধ্যমে প্রচার হয়ে এসেছে।

প্রকাশিত সংবাদ, ভিডিও প্রতিবেদন ও তথ্যচিত্র থেকে জানা যায়, সুদের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম ‘সুদান টিভি’ তাদের টিমের মানবিক কার্যক্রম নিয়ে একটি বিশেষ প্রতিবেদন সম্পন্ন করেছে। ওই প্রতিবেদনে যুদ্ধ ও বাস্তুচ্যুতির শিকার মানুষের জন্য খাদ্য বিতরণ, শিশুদের পুষ্টিসহায়তা এবং জরুরি মানবিক সেবা প্রদানের নানা দিক তুলে ধরা হয়েছে।

সুদান টিভির পাশাপাশি দেশটির পরিচিত আলজারকা টিভি ও তায়িবা টিভিতেও হাফেজ্জী চ্যারিটেবল সোসাইটির কার্যক্রম প্রচারিত হয়েছে। এ ছাড়া আসল রচণা সুদানের জাতীয় পর্যায়ের গণমাধ্যম ফাউরি ও শিকান পত্রিকায় সংস্থাটির মানবিক উদ্যোগ নিয়ে সংবাদ এবং বিস্তারিত প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে।

প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, আল ফাশেরের মানবিক বিপর্যয়ের পর গত এক বছরেরও বেশি সময় ধরে সুদানের বিভিন্ন অঞ্চলে নিয়মিত সহায়তা কার্যক্রম পালন করছে হাফেজ্জী চ্যারিটেবল সোসাইটি অব বাংলাদেশ। স্থানীয় সহযোগী প্রতিষ্ঠান ও মাঠপর্যায়ের প্রতিনিধিদের মাধ্যমে যুদ্ধাহত পরিবার, বাস্তুচ্যুত মানুষ, অপুষ্টিতে ভোগা শিশু, অসহায় নারী এবং সংকটাপন্ন পরিবারগুলোর কাছে সহায়তা পৌঁছানো হচ্ছে।

সুদানে সংস্থাটির কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে খাদ্য ও পুষ্টিসামগ্রী বিতরণ, জরুরি আর্থিক সহায়তা, অসহায় পরিবারকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা এবং কুরবানির গোশত বিতরণ। সংঘাতপূর্ণ ও ঝুঁকিপূর্ণ পরিবেশেও এসব কার্যক্রমের ধারাবাহিকতা বজায় রাখায় স্থানীয় পর্যায়ে সংস্থাটির উদ্যোগের প্রশংসা হচ্ছে।

গাজার পাশাপাশি মিশরে পরিচালিত টিম হাফেজ্জীর মানবিক কার্যক্রমও আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে গুরুত্ব পেয়েছে। আল জাজিরা, বিবিসি, ফিলিস্তিন টিভি ও মিশর টাইমসে গাজাবাসী ও মিশরে আশ্রয় নেওয়া শরণার্থীদের জন্য পরিচালিত সংস্থার খাদ্যসহায়তা, জরুরি ত্রাণ এবং অন্যান্য মানবিক উদ্যোগ নিয়ে সংবাদ, ভিডিও প্রতিবেদন ও তথ্যচিত্র প্রকাশিত হয়েছে।

বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, সুদান টিভি, আলজারকা টিভি, তায়িবা টিভি, ফাউরি, শিকান পত্রিকা, আল জাজিরা, বিবিসি, ফিলিস্তিন টিভি এবং মিশর টাইমসে হাফেজ্জী চ্যারিটেবল সোসাইটি অব বাংলাদেশের মানবিক কার্যক্রম স্থান পেয়েছে।

দেশের বেসরকারি মানবিক উদ্যোগের জন্য রাষ্ট্রীয়, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ের একাধিক সংবাদমাধ্যমে বাংলাদেশের একটি মানবিক সংস্থার কার্যক্রম প্রচারিত হওয়াকে উল্লেখযোগ্য অর্জন হিসেবে দেখা হচ্ছে। এর ফলে আন্তর্জাতিক পরিসরে বাংলাদেশের মানবিক ভূমিকা ও ইতিবাচক ভাবমূর্তি আরও দৃশ্যমান হয়েছে।

হাফেজ্জী চ্যারিটেবল সোসাইটির কাজের একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য হল প্রতিটি প্রকল্পের দিন, তারিখ, স্থান, ছবি, ভিডিও এবং মাঠপর্যায়ের তথ্য প্রকাশের প্রচেষ্টা। চলমান কার্যক্রমের নামে পুরোনো ছবি বা ভিডিও ব্যবহার না করে হালনাগাদ ও প্রমাণভিত্তিক তথ্য তুলে ধরাকে সংস্থাটি বিশেষ গুরুত্ব দেয়।

সংস্থার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে তাদের কার্যক্রম স্থান পাওয়া শুধুমাত্র একটি প্রতিষ্ঠানের অর্জন নয়; এটি দাতা, শুভাকাঙ্ক্ষী, স্বেচ্ছাসেবী এবং বাংলাদেশের মানুষের সম্মিলিত সাফল্য। এই স্বীকৃতি তাদের দায়িত্ব, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা আরও বৃদ্ধি করেছে।

সংস্থার পক্ষ থেকে আরও জানানো হয়েছে, প্রতিটি মানবিক কার্যক্রমের প্রয়োজনীয় নথি, ছবি, ভিডিও এবং মাঠপর্যায়ের তথ্য সংরক্ষণ ও প্রকাশ করার চেষ্টা করা হয়। দাতাদের অর্থ যথাযথভাবে প্রকৃত উপকারভোগীদের কাছে পৌঁছানো এবং সর্বাধিক স্বচ্ছতা বজায় রাখাই তাদের কাজের অন্যতম মূলনীতি।

দেশের শীর্ষস্থানীয় আলেম, শিক্ষাবিদ, আইনজীবী ও বিশিষ্ট ব্যক্তিদের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হাফেজ্জী চ্যারিটেবল সোসাইটি অব বাংলাদেশ একটি নিবন্ধিত মানবিক সংস্থা। আন্তর্জাতিক সংকটপূর্ণ অঞ্চলে কার্যক্রম পরিচালনার পাশাপাশি বাংলাদেশেও ব্যাপক পরিসরে মানবিক, চিকিৎসা, শিক্ষা, পুনর্বাসন, দক্ষতা উন্নয়ন ও স্বাবলম্বীকরণমূলক কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে।

বাংলাদেশে সংস্থাটির নিয়মিত কার্যক্রমের মধ্যে রয়েছে বেকার ও অসচ্ছল মানুষকে স্বাবলম্বী করতে রিকশা, ভ্যান, সেলাই মেশিন ও জীবিকাভিত্তিক উপকরণ প্রদান, স্কিল ডেভেলপমেন্ট প্রশিক্ষণ, ক্ষুদ্র কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি এবং দীর্ঘমেয়াদি পুনর্বাসন সহায়তা।

প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের চিকিৎসা ও পুনর্বাসন, নওমুসলিমদের প্রয়োজনীয় সহযোগিতা, অসচ্ছল রোগীদের চিকিৎসাসেবা, জরুরি আর্থিক সহায়তা এবং বিনা মূল্যে চিকিৎসা ক্যাম্প পরিচালনাও সংস্থাটির চলমান কার্যক্রমের অংশ।

শিক্ষাক্ষেত্রে দেশের বিভিন্ন এলাকায় মক্তব ও মাদরাসাভিত্তিক কার্যক্রম, দরিদ্র ও দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের সহায়তা, শিক্ষক সম্মানী প্রদান, কোরআন শিক্ষা এবং প্রত্যন্ত অঞ্চলে মৌলিক শিক্ষার সুযোগ সম্প্রসারণে বিভিন্ন প্রকল্প পরিচালনা করছে হাফেজ্জী চ্যারিটেবল সোসাইটি অব বাংলাদেশ।

এ ছাড়া খাদ্য, শীতবস্ত্র ও জরুরি ত্রাণ বিতরণ, দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানো এবং প্রত্যন্ত অঞ্চলের অসহায় পরিবারগুলোর কাছে সরাসরি সহায়তা পৌঁছানোর কাজও ব্যাপকভাবে পরিচালিত হচ্ছে।

তাৎক্ষণিক সহায়তার পাশাপাশি মানুষের দীর্ঘমেয়াদি জীবনমান উন্নয়নকে সংস্থাটি বিশেষ গুরুত্ব দেয়। কর্মসংস্থান সৃষ্টি, দক্ষতা বৃদ্ধি এবং জীবিকার স্থায়ী ব্যবস্থা গড়ে তোলার মাধ্যমে উপকারভোগীদের আত্মনির্ভরশীল করে তোলাই এসব কর্মসূচির অন্যতম লক্ষ্য।

দেশ ও বিদেশে ধারাবাহিক মানবিক কার্যক্রম, মাঠপর্যায়ের প্রমাণ প্রকাশ এবং দাতাদের কাছে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার প্রচেষ্টার মাধ্যমে হাফেজ্জী চ্যারিটেবল সোসাইটি অব বাংলাদেশ একটি সক্রিয়, বহুমুখী ও আস্থাশীল মানবিক প্রতিষ্ঠান হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছে।

সংঘাতপূর্ণ অঞ্চলে মানবিক সহায়তা অব্যাহত রাখার পাশাপাশি বাংলাদেশে চলমান শিক্ষা, চিকিৎসা, প্রতিবন্ধী সহায়তা, নওমুসলিম পুনর্বাসন, দক্ষতা উন্নয়ন ও স্বাবলম্বীকরণ কর্মসূচি আরও ব্যাপকভাবে বাস্তবায়নের লক্ষ্যে কাজ করছে প্রতিষ্ঠানটি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫০
মাগরিব ০৫:২৭
ইশা ০৬:৩৯
সূর্যোদয় : ০৫:৫৮ সূর্যাস্ত : ০৫:২৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%