ঢাকা শুক্রবার, ০৬ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ২১শে কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৫শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শুক্রবার, ০৬ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ২১শে কার্তিক, ১৪৩২বাং

দুই গোলে পিছিয়ে পড়েও রোমার বিরুদ্ধে ইউনাইটেডের নাটকীয় জয়


দুই গোলে পিছিয়ে পড়েও রোমার বিরুদ্ধে ইউনাইটেডের নাটকীয় জয়

চলতি মৌসুমে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড শেষ দশ ম্যাচে জয়হীন ছিল। মঙ্গলবার রাতে ১৭ মিনিটের মধ্যে রোমা ২-০ গোলে লিড নেওয়ার পর রেড ডেভিলসদের জন্য জয় পাওয়ার অপেক্ষা আরও দীর্ঘ মনে হচ্ছিল। তবে দ্বিতীয়ার্ধে অসাধারণ প্রত্যাবর্তন ঘটিয়ে, তিন গোলে জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে মাইকেন ক্যারিকের দল।

চ‍্যাম্পিয়ন্স লিগের ম্যাচে ইউনাইটেড ৩-২ গোলে জয়লাভ করে। ইউরোপ সেরার মঞ্চে চলতি আসরে এটি তাদের দ্বিতীয় জয়। সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে ১০ ম্যাচে এটি তাদের প্রথম জয়। ইউনাইটেডের ঘুরে দাঁড়ানোর নায়ক মাতেউস কুইয়া, যিনি জোড়া গোল করে দলের জয় নিশ্চিত করেন। প্রথম গোলের জন্য পেনাল্টি আদায়ও তিনিই করেন। সেই পেনাল্টি থেকেই দ্বিতীয়বার শট নিয়ে অধিনায়ক ব্রুনো ফের্নান্দেসের জন্য গোলের সুযোগ তৈরি করেন।

ম্যাচের প্রথম ২০ মিনিটে ইউনাইটেডের সাম্প্রতিক দুর্দশার চিত্র ফুটে ওঠে। রেড ডেভিলসদের এলোমেলো রক্ষণে বারবার আক্রমণ করে রোমা। ১১তম মিনিটে তারা লিড নেয়। বাম দিক থেকে চমৎকার ক্রসে ডান দিকে মাতিয়াস সুলেকে খুঁজে পান রদ্রিগো মোরা। অনেক সময় পেয়ে সুলে ঠাণ্ডা মাথায় গোল করেন।

আরও পড়ুন: মোশারফ-তানভীরের ঝড়ে ২৬৮ রান, সোনারগাঁওয়ের ইউআইইউর বিরুদ্ধে বড় জয়

সাত মিনিটের মধ্যেই রোমা আবার গোলের দেখা পায়। সৌলের শট হাত দিয়ে আটকান আইডেন হেভেন। পেনাল্টি থেকে দোনিয়েল মালেন স্কোরলাইন দ্বিগুণ করেন। ১৯তম মিনিটে স্কোরলাইন ৩-০ হয়ে যেতে পারত, কিন্তু সুলে শট নেওয়ার আগেই বল নিজের নিয়ন্ত্রণে নিতে পারেন হেভেন। ফলে দুই গোলে পিছিয়ে বিরতিতে যায় ইউনাইটেড।

দ্বিতীয়ার্ধে ইউনাইটেডের বদলে যাওয়া রূপ দেখা যায়। শুরু থেকেই আক্রমণের ধার বাড়ায় ক্যারিকের দল। দ্রুত ম্যাচের চিত্র পাল্টে যায়। ৫৮ তম মিনিটে মাতেউস কুনহাকে ফাউল করার কারণে ইউনাইটেড পেনাল্টি পায়। ব্রুনো ফার্নান্দেসের প্রথম শট রোমার অভিষিক্ত গোলকিপার ডেভিস ভাস্কেস আটকে দেন। রোমার সমর্থকেরা উল্লাসে ফেটে পড়ে। কিন্তু ভিডিও সহকারী রেফারি খেলা থামান। ব্রায়ান ক্রিস্তান্তের পা পেনাল্টি এলাকায় ঢুকে পড়ায় শট আবার নিতে হয়। ফার্নান্দেস এবার ভুল করেননি।

৬৭তম মিনিটে গোললাইন থেকে শট ঠেকিয়ে ব্যবধান ধরে রাখেন রোমা অধিনায়ক ক্রিস্তান্তে। ৮৩তম মিনিটে লিওনার্দো বালের্দির অবিশ্বাস‍্য ভুলে কুইয়া সুযোগ পেয়ে যান। ফের্নান্দেসের ক্রস ক্লিয়ার করতে গিয়ে বালের্দি বলের কাছে পৌঁছাতে পারেননি। কাছ থেকে বাকিটা সারেন কুইয়া।

তিন মিনিট পর দুরূহ কোণ থেকে গতিময় শটে ফের জাল খুঁজে পান ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ড। ৩-২ ব্যবধানে এগিয়ে যায় ইউনাইটেড। ওল্ড ট্র‍্যাফোর্ড যেন উল্লাসে ফেটে পড়ে। জার্সি খুলে উদযাপনে মাতেন কুইয়া, যার ফলে হলুদ কার্ড দেখেন। যোগ করা সময়ের প্রথম মিনিটে অহেতুক ফাউল করে দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখেন তিনি। বাকি সময় ইউনাইটেড ১০ জন নিয়ে খেলে।

আরও পড়ুন: ইব্রাহিমের গোলে ভুটানকে হারিয়ে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ শুরু করলো বাংলাদেশ

২০০১ সালের পর প্রথমবার ইংল‍্যান্ডে কোনো ইংলিশ ক্লাবের বিপক্ষে জয় পাওয়ার আশা জাগানো রোমার শেষটা হতাশার হয়ে যায়। অন্যদিকে, প্রবল চাপে থাকা ইউনাইটেড তাদের দুঃসময় কাটিয়ে আশা জাগানোর পথে ফিরেছে।

৪ ম্যাচে দুই জয়ে ৬ পয়েন্ট নিয়ে ইউনাইটেড ১৭ নম্বরে রয়েছে। ৪ পয়েন্ট নিয়ে ১৯ নম্বরে রোমা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আগারগাঁওয়ে বাংলাদেশ বেতারের সামনে দুটি ককটেল বিস্ফোরণ, হতাহতের খবর নেই

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ৪ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৮:০২ এম


আগারগাঁওয়ে বাংলাদেশ বেতারের সামনে দুটি ককটেল বিস্ফোরণ, হতাহতের খবর নেই

রাজধানীর শেরেবাংলানগর থানার আগারগাঁও এলাকায় বাংলাদেশ বেতারের সামনে দুটি ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। তবে এই বিস্ফোরণের ফলে কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।

মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) রাত ১১টা ৫০ মিনিটের দিকে এই ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন তেজগাঁও বিভাগের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার(এডিসি) সেকেন্ড ইন কমান্ড(টুআইসি) মো. ফজলুল হক।

জানা গেছে, আগারগাঁওয়ে বাংলাদেশ বেতারের সামনে সড়কের ইউটার্নে দুর্বৃত্তরা পরপর দুটি ককটেল বিস্ফোরণ ঘটায়। তবে এই ঘটনায় কেউ আহত হয়নি।

এর আগে, একই দিন বিকেলে বিটিভি ভবনের সামনে ককটেলের বিস্ফোরণ ঘটায় দুর্বৃত্তরা। সেখানে ও কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। তবে মিরপুরে দুর্বৃত্তদের ছোড়া ককটেলে পাপন নামে এক ব্যক্তি আহত হয়েছেন। ককটেল বিস্ফোরণের পর তার শরীরে আগুন ধরে যায়। এতে তার শরীরের ২০ শতাংশ পুড়ে গেছে। বর্তমানে তিনি জাতীয় বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে কয়েকটি অঙ্গরাজ্যে ভোটগ্রহণ বিঘ্নিত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ৪ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৮:০২ এম


যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে কয়েকটি অঙ্গরাজ্যে ভোটগ্রহণ বিঘ্নিত

যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে ভোট দেওয়ার সময় বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যে ভোটাররা ভোগান্তির শিকার হয়েছেন। নিরাপত্তাব্যবস্থায় ত্রুটি, সফটওয়্যারজনিত জটিলতা, বিদ্যুৎ সরবরাহের অভাব এবং যন্ত্রপাতি স্থাপনে সমস্যা থাকার কারণে একাধিক স্থানে নির্ধারিত সময়ে ভোটগ্রহণ শুরু করা সম্ভব হয়নি। কিছু এলাকায় ভোট দেওয়ার সময়সীমা বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, ফ্লোরিডার ব্রোওয়ার্ড কাউন্টির একাধিক কেন্দ্রে নতুন নিরাপত্তাব্যবস্থায় ত্রুটি দেখা দেয়। এর ফলে নির্ধারিত সময়ের ২০ মিনিট পর ভোটগ্রহণ শুরু হয়।

নর্থ ক্যারোলাইনায় প্রযুক্তিগত সমস্যা মোকাবেলার জন্য রাজ্য নির্বাচন বোর্ড উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। সাতটি কাউন্টিতে ভোট দেওয়ার সুযোগ এক ঘণ্টা বাড়ানোর বিষয়টি পর্যালোচনা করছে সংস্থাটি।

নিউ ইয়র্কের ওয়েস্টচেস্টার কাউন্টিতে ভোট গণনার কাজে জটিলতা দেখা দিয়েছে। নির্বাচনী সরঞ্জাম প্রস্তুত ও পরীক্ষার পর সংশ্লিষ্ট সফটওয়্যারে নতুন সংস্করণ যুক্ত করা হয়েছিল। ধারণা করা হচ্ছে, ওই হালনাগাদের কারণে গণনার কাজে সমস্যা সৃষ্টি হয়েছে।

অন্যদিকে অ্যারি জোনার মারিকোপা কাউন্টির একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে যাওয়ার কারণে সেখানে স্থাপিত ভোটকেন্দ্রের কার্যক্রম সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়। তবে বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হওয়ার কারণ সম্পর্কে কর্তৃপক্ষ কোনো তথ্য জানায়নি।

পেনসিলভানিয়ার কয়েকটি কাউন্টিতে নির্বাচনী সরঞ্জাম স্থাপনের সময়ও জটিলতা সৃষ্টি হয়েছে। এ কারণে সংশ্লিষ্ট এলাকাগুলোতে ভোট দেওয়ার জন্য অতিরিক্ত ৩০ মিনিট সময় বরাদ্দ করা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রোহিঙ্গা গণহত্যা: আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে মামলার রায় ১৯ নভেম্বর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ৪ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৮:০৩ এম


রোহিঙ্গা গণহত্যা: আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে মামলার রায় ১৯ নভেম্বর

আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে (আইসিজে) গাম্বিয়ার করা ঐতিহাসিক মামলার রায় ঘোষণা হবে আগামী ১৯ নভেম্বর, যা মিয়ানমারের বিরুদ্ধে রোহিঙ্গা গণহত্যার অভিযোগে।

মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) আইসিজে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, নেদারল্যান্ডসের হেগ শহরের পিস প্যালেসে ১৯ নভেম্বর স্থানীয় সময় সকাল ১০টায় শুরু হবে প্রকাশ্য অধিবেশন। সেখানে আদালতের প্রেসিডেন্ট বিচারক ইওয়াসাওয়া ইউজি রায়টি পড়ে শোনাবেন।

জাতিসংঘের সর্বোচ্চ আদালতে মিয়ানমারের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলাটি ‘গাম্বিয়া বনাম মিয়ানমার’ নামে পরিচিত। এই মামলায় ১১টি দেশ পক্ষভুক্ত হয়েছে।

রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গাম্বিয়া ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর আইসিজেতে মামলাটি দায়ের করে। দেশটির অভিযোগ, ২০১৭ সালে মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে সেনাবাহিনীর অভিযান ছিল গণহত্যা।

ওই অভিযানের ফলে অন্তত সাত লাখ ৩০ হাজার রোহিঙ্গা বাংলাদেশে আশ্রয় নিতে বাধ্য হয়। বর্তমানে প্রায় ১২ লাখ রোহিঙ্গা বাংলাদেশে শরণার্থী জীবন কাটাচ্ছে।

মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর ওই অভিযানে হত্যাকাণ্ড, ধর্ষণ ও জ্বালাও-পোড়াওয়ের ভয়াবহ বিবরণ রোহিঙ্গা শরণার্থীদের কথায় উঠে এসেছে।

জাতিসংঘের মিয়ানমারবিষয়ক তথ্যানুসন্ধান মিশনও বলেছে, ওই অভিযানে ‘গণহত্যামূলক কর্মকাণ্ড’ সংঘটিত হয়েছিল।

তবে মিয়ানমার গণহত্যার অভিযোগ অস্বীকার করে আসছে এবং দাবি করছে যে, ওই অভিযান ছিল সন্ত্রাসবিরোধী বৈধ কার্যক্রম।

গাম্বিয়া আদালতের কাছে মিয়ানমারকে গণহত্যা সনদের অধীন বাধ্যবাধকতা লঙ্ঘনের জন্য দোষী সাব্যস্ত করে এ ধরনের কর্মকাণ্ড বন্ধের নির্দেশ এবং ক্ষতিগ্রস্ত রোহিঙ্গাদের জন্য ক্ষতিপূরণ দেওয়ার আদেশ চেয়েছে। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে এ ধরনের অপরাধ আর না ঘটার নিশ্চয়তা দেওয়ারও আবেদন করেছে দেশটি।

আদালতের এখতিয়ারের ভিত্তি হিসেবে গাম্বিয়া ১৯৪৮ সালের গণহত্যা সনদের নবম অনুচ্ছেদের উল্লেখ করেছে। এই অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, সনদ বাস্তবায়ন বা ব্যাখ্যা নিয়ে রাষ্ট্রগুলোর বিরোধ আইসিজেতে তোলা যায়।

গাম্বিয়ার আবেদনের সঙ্গে অন্তর্বর্তী ব্যবস্থা নেওয়ার আবেদনও ছিল। ২০২০ সালের ২৩ জানুয়ারি আদালত মিয়ানমারকে রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে গণহত্যা সনদে বর্ণিত কর্মকাণ্ড ঠেকাতে প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেয়।

এছাড়া মামলার সঙ্গে সম্পর্কিত প্রমাণ সংরক্ষণ এবং এ বিষয়ে নেওয়া পদক্ষেপের প্রতিবেদন আদালতে জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়।

গাম্বিয়া সাত বছর আগে মামলার লিখিত অভিযোগ জমা দেওয়ার পর মিয়ানমার আদালতের এখতিয়ার ও মামলার গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে আপত্তি তুলেছিল।

২০২২ সালের ২২ জুলাই রায়ে আদালত জানায়, মামলাটি শুনানির এখতিয়ার তাদের রয়েছে এবং গাম্বিয়ার আবেদন গ্রহণযোগ্য।

এরপর মিয়ানমার তাদের জবাবি লিখিত বক্তব্য জমা দেয়। গাম্বিয়া ও মিয়ানমার পর্যায়ক্রমে নিজেদের বক্তব্যের পক্ষে যুক্তি উপস্থাপন করে।

কানাডা, ডেনমার্ক, ফ্রান্স, জার্মানি, নেদারল্যান্ডস, যুক্তরাজ্য, মালদ্বীপ, স্লোভেনিয়া, গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্র, বেলজিয়াম এবং আয়ারল্যান্ড—এই ১১টি দেশ এ মামলায় পক্ষভুক্ত হয়েছে।

রয়টার্সের প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, আন্তর্জাতিক আদালতে গণহত্যার অভিযোগ প্রমাণ করা কঠিন। কারণ, কোনো জনগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে হত্যা বা নিপীড়নের ঘটনা ঘটেছে—এমনটি প্রমাণ করাই যথেষ্ট নয়।

অভিযোগকারীকে প্রমাণ করতে হবে যে, অপরাধটি সংঘটিত হয়েছে কোনো জাতীয়, নৃতাত্ত্বিক, ধর্ম বা বর্ণের গোষ্ঠীকে সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে ধ্বংস করার সুনির্দিষ্ট অভিপ্রায়ে।

১৯৪৮ সালের গণহত্যা সনদে এই অভিপ্রায়কে গণহত্যার অন্যতম মূল উপাদান হিসেবে নির্ধারণ করা হয়েছে।

আন্তর্জাতিক বিচার আদালত রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে বিরোধ নিষ্পত্তি করে এবং আন্তর্জাতিক চুক্তির অধীন রাষ্ট্রের দায়বদ্ধতা নিয়ে সিদ্ধান্ত দেয়। এটি ব্যক্তির ফৌজদারি বিচার করে না। আদালতের রায় চূড়ান্ত এবং এর বিরুদ্ধে আপিলের সুযোগ নেই।

বাংলাদেশের জন্যও এই মামলা গুরুত্বপূর্ণ। রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসন নিয়ে বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের মধ্যে আলোচনা চললেও তা এখনো বাস্তবায়িত হয়নি।

রয়টার্স বলেছে, এ মামলার রায় রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে সংঘটিত অপরাধের বিষয়ে আন্তর্জাতিক বিচারিক মূল্যায়ন এবং মিয়ানমারের রাষ্ট্রীয় দায় নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মালয়েশিয়া ৯ দেশের ১৮২ অভিবাসীকে ফেরত পাঠালো

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ৪ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৮:০৪ এম


মালয়েশিয়া ৯ দেশের ১৮২ অভিবাসীকে ফেরত পাঠালো

মালয়েশিয়ার অভিবাসন বিভাগ বিদেশি নাগরিকদের আটক করার পর তাদের নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠানোর কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছে। অক্টোবর মাসের শেষ সপ্তাহে জোহর রাজ্যের পেকান নেনাস ইমিগ্রেশন ডিটেনশন ডিপো থেকে ৯টি দেশের মোট ১৮২ জন আটক ব্যক্তিকে ফেরত পাঠানো হয়েছে।

ফেরত পাঠানো ১৮২ জনের মধ্যে রয়েছে ইন্দোনেশিয়ার ৮৫ জন, বাংলাদেশের ৪৫ জন, মিয়ানমারের ২৫ জন, পাকিস্তানের ১৫ জন, ভারতের ৩ জন, থাইল্যান্ডের ৩ জন, কম্বোডিয়ার ৩ জন, শ্রীলঙ্কার ২ জন এবং চীনের ১ জন নাগরিক। মালয়েশিয়ার অভিবাসন বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, আটক ব্যক্তিদের কুয়ালালামপুর আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের টার্মিনাল-১ ও টার্মিনাল-২ ব্যবহার করে নিজ নিজ দেশে পাঠানো হয়েছে।

অধিকাংশ আটক ব্যক্তির বৈধ পাসপোর্ট ছিল। তবে যাদের পাসপোর্ট ছিল না, তাদের মধ্যে কয়েকজনকে নিজ নিজ দেশের দূতাবাসের মাধ্যমে জরুরি ভ্রমণ নথি বা ‘ইমার্জেন্সি ট্রাভেল ডকুমেন্ট’ প্রদান করা হয়েছে। এসব নথির ভিত্তিতে তাদের দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে।

অভিবাসন বিভাগ জানায়, ফেরত পাঠানো প্রত্যেক ব্যক্তির নাম কালো তালিকাভুক্ত করা হয়েছে। নির্ধারিত নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ অনুযায়ী তারা মালয়েশিয়ায় পুনরায় প্রবেশ করতে পারবেন না।

এদিকে, আটক ব্যক্তিদের দেশে ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়া সহজ করার লক্ষ্যে পেকান নেনাস ইমিগ্রেশন ডিটেনশন ডিপোতে বিশেষ সেবাকেন্দ্র চালু রয়েছে। সেখান থেকে দেশে ফেরার বিমান টিকিট কেনাসহ প্রয়োজনীয় আনুষঙ্গিক কার্যক্রম সম্পন্ন করা সম্ভব। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এ জন্য কোনো সেবামূল্য বা অতিরিক্ত চার্জ নেওয়া হয় না।

অভিবাসন বিভাগ বিস্তারিত তথ্য জানার জন্য পেকান নেনাস ইমিগ্রেশন ডিপোর রেকর্ড ও প্রত্যাবাসন ইউনিটের ০৭-৬৯৯৩৫৪০ নম্বরে যোগাযোগ অথবা অনলাইন অনুসন্ধান ব্যবস্থার মাধ্যমে তথ্য নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৫শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৫০
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪১
মাগরিব ০৫:১৭
ইশা ০৬:২৯
সূর্যোদয় : ০৬:০৭ সূর্যাস্ত : ০৫:১৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%