বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৩:৪৪ পি.এম
কৃষকরা পাঁচ থেকে সাত দিন আগে নিজেদের পছন্দ অনুযায়ী ধানের পিতৃ (ফাদার) ও মাতৃ (মাদার) জাত নির্বাচন করে টব বা বালতিতে চারা তুলে প্রস্তুত রাখেন। প্রশিক্ষণের প্রথম দিন, বুধবার, ধানের ব্রিডিং বা সংকরায়ন বিষয়ে একটি তাত্ত্বিক আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। পরে বিকেলে নির্বাচিত ধানের শীষে ইমাসকুলেশন বা পুংকেশর অপসারণ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়। দ্বিতীয় দিন, বৃহস্পতিবার সকালে, পলিনেশন বা পরাগায়ন কার্যক্রম হাতে-কলমে শেখেন ও বাস্তবায়ন করেন। ইমাসকুলেশন ও পরাগায়ন সম্পন্ন করা শীষগুলোকে বাইরের অনাকাঙ্ক্ষিত পরাগায়ন থেকে সুরক্ষিত রাখতে ট্রেসিং পেপারের ক্যাপ দিয়ে ঢেকে রাখা হয়।
খুলনার বটিয়াঘাটা উপজেলার গঙ্গারামপুর গ্রামে কৃষকদের অংশগ্রহণে নতুন ধানের জাত উদ্ভাবনের লক্ষ্যে দুই দিনব্যাপী হাতে-কলমে ব্রিডিং প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই প্রশিক্ষণে কৃষকেরা ওই ধাপ অনুসরণ করে হাতে কলমে শেখেন। বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা লোকজের আয়োজনে অনুষ্ঠিত এ প্রশিক্ষণে এলাকার আগ্রহী কৃষকরা অংশগ্রহণ করেন।
প্রশিক্ষণের মূল উদ্দেশ্য ছিল নতুন ধানের জাত উদ্ভাবনে কৃষকদের দক্ষতা ও সক্ষমতা বৃদ্ধি, এ বিষয়ে সচেতনতা তৈরি এবং কৃষকদের মধ্যে সম্মিলিত উদ্যোগ ও ঐকমত্য গড়ে তোলা।
প্রশিক্ষণটি সম্পূর্ণ হাতে-কলমে পরিচালিত হয়। এতে অংশগ্রহণকারীরা ধানের নতুন লাইন উদ্ভাবনের বিভিন্ন ধাপ সরাসরি অনুশীলন করেন। চলতি আমন মৌসুমে আয়োজিত এ প্রশিক্ষণে সহায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন কৃষিবিদ সিরাজুল হক। এ সময় লোকজের সমন্বয়কারী পলাশ দাশ, কর্মসূচি কর্মকর্তা মিলন কান্তি মণ্ডল ও দিপংকর কবিরাজ সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করেন।
প্রশিক্ষণসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানান, পরাগায়নের পরবর্তী ২৮ থেকে ৩০ দিনের মধ্যে এ প্রক্রিয়ায় সংকর বীজ সংগ্রহের সম্ভাবনা রয়েছে। এ বীজ থেকে উৎপন্ন পরবর্তী প্রজন্মের গাছ চাষ, জাত নির্বাচন ও পর্যবেক্ষণের মধ্য দিয়ে ধাপে ধাপে নতুন ধানের জাত উদ্ভাবনের কাজ এগিয়ে নেওয়া হবে।
তাঁরা আরও জানান, নতুন ধানের জাত উদ্ভাবন একটি দীর্ঘমেয়াদি গবেষণাপ্রক্রিয়া। এ জন্য প্রায় ১০টি মৌসুম ধরে মাঠপর্যায়ে চাষ, পর্যবেক্ষণ ও বাছাই কার্যক্রম পরিচালনার প্রয়োজন হতে পারে। ধারাবাহিক এ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে স্থানীয় পরিবেশ ও কৃষকদের চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ ধানের জাত উদ্ভাবনের সম্ভাবনা তৈরি হবে।
আয়োজকরা আশা প্রকাশ করেন, এ ধরনের প্রশিক্ষণ কৃষকদের মধ্যে উদ্ভাবনী চিন্তা ও গবেষণাধর্মী কৃষিচর্চা বাড়াবে। পাশাপাশি স্থানীয় পর্যায়ে কৃষকদের নিজস্ব উদ্যোগে ধানের নতুন জাত উদ্ভাবনের সক্ষমতা তৈরি এবং কৃষিতে তাঁদের সক্রিয় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
প্রাথমিক স্তরে ভর্তি পরীক্ষা বন্ধ করার পাশাপাশি প্লে, নার্সারি, কেজি-১ ও কেজি-২-এর মতো অননুমোদিত প্রাক-প্রাথমিক কোর্স নিষিদ্ধ করার জন্য সরকারকে আইনি নোটিস প্রদান করা হয়েছে। নোটিসে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের (এনসিটিবি) অনুমোদিত বইয়ের বাইরে অতিরিক্ত বই চাপিয়ে দেওয়ার বিষয়টিও উত্থাপন করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মো. মাহমুদুল হাসান মামুন জনস্বার্থে এই নোটিসটি পাঠিয়েছেন। নোটিসটি মন্ত্রিপরিষদ সচিব, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক এবং এনসিটিবির চেয়ারম্যানকে রেজিস্টার্ড ডাকযোগে পাঠানো হয়েছে।
নোটিসে উল্লেখ করা হয়েছে যে, আগামী পাঁচ দিনের মধ্যে উল্লিখিত বিষয়গুলোতে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানানো হয়েছে। অন্যথায়, শিশুদের স্বার্থ রক্ষায় সংবিধানের ১০২ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী হাইকোর্ট বিভাগে জনস্বার্থে রিট আবেদন করা হবে বলে সতর্ক করা হয়েছে।
নোটিসে বলা হয়েছে, সংবিধানের ১৭ অনুচ্ছেদ এবং প্রাথমিক শিক্ষা (বাধ্যতামূলককরণ) আইন, ১৯৯০ অনুযায়ী প্রাথমিক শিক্ষাকে সর্বজনীন, গণমুখী ও বাধ্যতামূলক করার নীতি রয়েছে। তবে বর্তমানে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে প্রাথমিক শিক্ষাকে কেন্দ্র করে বাণিজ্যিক প্রবণতা বৃদ্ধি পাচ্ছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
এতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, তিন থেকে পাঁচ বছর বয়সি শিশুদের প্লে, নার্সারি, কেজি-১ ও কেজি-২-এর মতো একাধিক স্তরে ভর্তি করিয়ে অতিরিক্ত পড়াশোনা ও বইয়ের চাপ সৃষ্টি করা হচ্ছে। এর ফলে শিশুদের স্বাভাবিক শৈশব, মানসিক বিকাশ এবং সৃজনশীলতা বাধাগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে সরকার অনুমোদিত একক প্রাক-প্রাথমিক শ্রেণি চালু করে অননুমোদিত কোর্সগুলো নিষিদ্ধ করার দাবি জানানো হয়েছে।
নোটিসে প্রাথমিক স্তরে শিশুদের লিখিত পরীক্ষা, স্ক্রিনিং টেস্ট ও মৌখিক পরীক্ষার মাধ্যমে ভর্তির প্রক্রিয়া নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে। আইনজীবীর বক্তব্য অনুযায়ী, অল্প বয়সে প্রতিযোগিতামূলক ভর্তি পরীক্ষার মুখোমুখি হলে শিশুদের মধ্যে ভীতি, মানসিক চাপ ও আত্মবিশ্বাসের ঘাটতি তৈরি হতে পারে। তাই প্রাথমিক স্তরে যেকোনো ধরনের ভর্তি পরীক্ষা সম্পূর্ণভাবে বন্ধ করে উন্মুক্ত, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও আনন্দময় শিক্ষাব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে।
এনসিটিবির নির্ধারিত পাঠ্যবইয়ের বাইরে অতিরিক্ত ব্যাকরণ বই, ওয়ার্কবুক ও সহায়ক বই চাপিয়ে দেওয়ার বিষয়টিও নোটিসে উল্লেখ করা হয়েছে। এতে অভিযোগ করা হয়েছে যে, কিছু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও বাণিজ্যিক প্রকাশনা সংস্থার যোগসাজশে শিশুদের ওপর অতিরিক্ত বই ও পাঠ্যসূচির চাপ দেওয়া হচ্ছে। এর ফলে শিশুদের শারীরিক ক্লান্তি, মানসিক অবসাদ এবং সৃজনশীল বিকাশ ব্যাহত হওয়ার ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে।
নোটিসে আরও বলা হয়েছে, শৈশব থেকেই শিশুদের মুখস্থনির্ভর শিক্ষায় আবদ্ধ না রেখে মুক্তচিন্তা, কল্পনাশক্তি ও উদ্ভাবনী ক্ষমতা বিকাশের সুযোগ দিতে হবে। এ ধরনের অতিরিক্ত চাপ সংবিধানের ১৭, ২৭, ৩১ ও ৩২ অনুচ্ছেদে প্রতিফলিত শিক্ষার সুযোগ, সমতা, আইনের আশ্রয়লাভ এবং জীবন ও ব্যক্তিসত্তার সুরক্ষার নীতির সঙ্গে সাংঘর্ষিক বলে দাবি করা হয়েছে।
নোটিসে পাঁচ দিনের মধ্যে অননুমোদিত প্রাক-প্রাথমিক কোর্স বন্ধ, প্রাথমিক স্তরে ভর্তি পরীক্ষা নিষিদ্ধ এবং এনসিটিবির বোর্ড বইয়ের বাইরে অতিরিক্ত বই চাপিয়ে দেওয়া শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে নিবন্ধন বাতিলসহ শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানানো হয়েছে। পাশাপাশি উপজেলা ও জেলা পর্যায়ে তদারকি দল গঠন করে এসব নির্দেশনা বাস্তবায়নের কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।
নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ না করা হলে শিশুদের স্বার্থে হাইকোর্টে জনস্বার্থে রিট আবেদন করা হবে বলেও নোটিসে উল্লেখ করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সুনামগঞ্জ পৌর শহরে চুরি, ছিনতাই এবং মাদকসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড আশঙ্কাজনক হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে। শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও মোড়ে স্থাপিত দেড় শতাধিক সিসি ক্যামেরা দীর্ঘদিন ধরে অকেজো অবস্থায় পড়ে থাকায় পুলিশ অপরাধী শনাক্ত করতে সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, ২০২১ সালে অপরাধ দমন ও জননিরাপত্তা নিশ্চিত করার উদ্দেশ্যে পৌর শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও পয়েন্টগুলোতে দেড় শতাধিক সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছিল। সদর মডেল থানার ডিউটি অফিসার ও ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি) কক্ষ থেকে এই ক্যামেরাগুলো মনিটরিং করা হতো। সে সময় সার্বক্ষণিক নজরদারির ফলে অপরাধ অনেকাংশেই নিয়ন্ত্রণে ছিল এবং কোনো ঘটনা ঘটলে তাৎক্ষণিকভাবে ফুটেজ দেখে অপরাধী শনাক্ত করা সহজ হয়ে উঠত।
কিন্তু বর্তমানে অধিকাংশ ক্যামেরা যথাযথ রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে অকেজো হয়ে পড়েছে। অনেক স্থানে ক্যামেরার উপস্থিতি থাকলেও সংযোগ বিচ্ছিন্ন রয়েছে, আবার কিছু ক্যামেরার তার ছিঁড়ে ঝুলে আছে। অনেক পয়েন্টে ক্যামেরাগুলো পুরোপুরি উধাও হয়ে গেছে।
স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, কার্যকর ডিজিটাল নজরদারি না থাকার কারণে সম্প্রতি শহরে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড বহুগুণ বেড়ে গেছে। ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজ না পাওয়ায় পুলিশ অনেক সময় অপরাধীদের আইনের আওতায় আনতে পারছে না। বর্তমানে শুধু আবাসিক বা নির্জন এলাকা নয়, থানার ঠিক সামনের দোকান ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানেও চুরির ঘটনা ঘটছে। এতে স্থানীয় ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষ চরম আতঙ্ক ও উদ্বেগের মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে দ্রুত সিসি ক্যামেরাগুলো সংস্কার ও নতুন ক্যামেরা স্থাপনের জোর দাবি জানিয়েছেন তারা।
এ বিষয়ে সুনামগঞ্জ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রতন শেখ বলেন, ‘পুরো শহরকে পুনরায় সিসি ক্যামেরার আওতায় আনতে পারলে অপরাধ প্রবণতা অনেকটাই কমে আসবে।’
সুনামগঞ্জ পৌরসভার প্রশাসক অসীম চন্দ্র বণিক বলেন, ‘শহরে একসময় সিসি ক্যামেরা চালু ছিল, যা বর্তমানে অকেজো হয়ে গেছে। শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং অপরাধ প্রবণতা কমানোর লক্ষ্যে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা অত্যন্ত জরুরি। এ বিষয়ে স্থানীয় ব্যবসায়ী সংগঠনের নেতাদের সঙ্গে আলোচনা করে খুব শিগগির কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হবে।’
—এমএইচ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শেকৃবি) শিক্ষার্থীরা নিজেদের গবেষণা মাঠ (পুরাতন বাণিজ্য মেলা প্রাঙ্গণ) হস্তান্তরের দাবিতে আন্দোলন শুরু করেছেন। পূর্বঘোষিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে তারা টানা তিন দিন ধরে ক্লাস ও পরীক্ষা বর্জন করেছেন, পুরাতন বাণিজ্য মেলা মাঠে গণজমায়েত করেছেন এবং এশিয়া আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলার অবকাঠামো ভাঙচুর করেছেন। বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) তারা সড়ক অবরোধ করেন।
সকাল বেলা, আগারগাঁও থেকে বিজয় সরণি সড়কে অবস্থান নিয়ে শিক্ষার্থীরা অবরোধ কর্মসূচি পালন করেন। শিক্ষার্থীদের বক্তব্য, গবেষণার জন্য নির্ধারিত জমি ফেরত না পাওয়ার কারণে বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবহারিক শিক্ষা ও উচ্চতর কৃষি গবেষণা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।
আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের একজন মন্তব্য করেন, "আমাদের ক্যাম্পাস এবং এর জমি উদ্ধারে আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাব।" তিনি আরও বলেন, "এর জন্য সাময়িক কিছু অসুবিধা হলেও বিশ্ববিদ্যালয়ের বৃহত্তর স্বার্থে আমরা সবাই সম্মিলিতভাবে তা মেনে নিতে সম্মত হয়েছি।"
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার ইনানী সমুদ্রসৈকতে গোসলে নেমে এক পর্যটকের মৃত্যু ঘটেছে। এ ঘটনায় সাগরে ভেসে যাওয়া ১৩ জন পর্যটককে উদ্ধারকারীরা সংকটাপন্ন ও জীবিত অবস্থায় উদ্ধার করতে সক্ষম হন।
বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) এই দুর্ঘটনাটি ঘটে। তবে নিহত কিংবা জীবিত উদ্ধার হওয়া পর্যটকদের নাম ও পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে জানা সম্ভব হয়নি।
স্থানীয় ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, সমুদ্রসৈকতে গোসলে নেমে একপর্যায়ে ১৪ জন পর্যটক স্রোতের টানে সাগরে তলিয়ে যান। বিষয়টি লক্ষ্য করে উদ্ধারকারীরা তাৎক্ষণিকভাবে সাগরে নেমে তাদের উদ্ধারের জন্য অভিযান শুরু করেন। উদ্ধার তৎপরতার মাধ্যমে ১৩ জন পর্যটককে নিরাপদে জীবিত ফিরিয়ে আনা সম্ভব হলেও একজন পর্যটককে বাঁচানো সম্ভব হয়নি।
নিহত পর্যটকের সঠিক পরিচয় এবং দুর্ঘটনার কারণ সম্পর্কে বিস্তারিত জানার চেষ্টা করছে স্থানীয় প্রশাসন ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ