শুক্রবার, ৩০শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০২:৪২ পি.এম
টাঙ্গাইলের দেলদুয়ার উপজেলার দেউলী ইউনিয়নের বাবুপুর গ্রামে গ্রামবাসীর সম্মিলিত উদ্যোগে দীর্ঘদিনের একটি স্বপ্ন পূরণ হয়েছে। ধনী-গরিবের ভেদাভেদ ভুলে সকলের কাছ থেকে চাঁদা তুলে ৬০ শতাংশ জমি কেনা হয়েছে। অবশেষে নিজেদের খেলার মাঠের জমি বুঝে পেয়ে বাদ্যযন্ত্র বাজিয়ে আনন্দ-উৎসবে মেতে ওঠেন গ্রামবাসী।
গ্রামটিতে বসবাস করে সাত শতাধিক পরিবার। জনসংখ্যা সাড়ে তিন হাজারের বেশি হলেও এখানে কোনো নির্দিষ্ট খেলার মাঠ ছিল না। ফলে ধান কাটার পর ফাঁকা জমিতে খেলাধুলা করা হলেও নতুন করে ফসলের আবাদ শুরু হলে শিশু-কিশোরদের খেলা বন্ধ হয়ে যেত।
দীর্ঘদিনের এই সমস্যার সমাধানে উদ্যোগ নেন গ্রামের সন্তান এস এম ইকবাল মাহমুদ ও ক্রীড়াব্যক্তিত্ব খোরশেদ আলম। কয়েক মাস আগে তাদের আলোচনার মাধ্যমে মাঠের জন্য জমি কেনার পরিকল্পনা শুরু হয়। পরে গ্রামের সামর্থ্যবান ব্যক্তিদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তারা সহযোগিতার আশ্বাস দেন।
গত ৮ সেপ্টেম্বর গ্রামবাসীকে নিয়ে একটি মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় উপস্থিত সবাই জমি কেনার পক্ষে মত দেন এবং নিজেদের সামর্থ্য অনুযায়ী অর্থ সহায়তার প্রতিশ্রুতি দেন।
উদ্যোক্তারা জানান, গ্রামের কেউ ২০০ টাকা, কেউ ৫০০ বা এক হাজার টাকা দিয়েছেন। আবার সামর্থ্য অনুযায়ী কেউ দুই হাজার, পাঁচ হাজার কিংবা ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত সহায়তা করেছেন। ইকবাল মাহমুদ, খোরশেদ আলমসহ গ্রামের কয়েকজন ব্যক্তি উল্লেখযোগ্য পরিমাণ অর্থ দিয়ে উদ্যোগটি বাস্তবায়নে ভূমিকা রাখেন।
সবার দেওয়া অর্থে গ্রামের ইকবাল হোসেন সুজনের কাছ থেকে ৬০ শতাংশ জমি কেনা হয়। প্রতি শতাংশ জমির দাম নির্ধারণ করা হয় ৫২ হাজার টাকা। জমির মালিকও এক শতাংশ জমি দান করেন। বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) আনুষ্ঠানিকভাবে জমিটি গ্রামবাসীর কাছে বুঝিয়ে দেওয়া হয়।
এ উপলক্ষে সকাল থেকেই গ্রামে উৎসবের আমেজ তৈরি হয়। বাদ্যযন্ত্র বাজিয়ে জমিতে জড়ো হন বিভিন্ন বয়সী মানুষ। সেখানে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়। উদ্যোগের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের পাশাপাশি গ্রামের প্রবীণদের ফুলের মালা দিয়ে বরণ করে নেন তরুণেরা। দিনভর চলে আনন্দ-উৎসব।
উদ্যোক্তা খোরশেদ আলম বলেন, আপাতত ৬০ শতাংশ জমি কেনা হয়েছে। এর পাশে আরও ৬০ শতাংশ জমি কেনার পরিকল্পনা রয়েছে। মোট ১২০ শতাংশ জমি পাওয়া গেলে সেখানে একটি ভালো মানের খেলার মাঠ গড়ে তোলা সম্ভব হবে। এই মাঠকে কেন্দ্র করে গ্রামের ক্রীড়াচর্চা এগিয়ে নেওয়াই তাদের লক্ষ্য।
নতুন মাঠ পেয়ে উচ্ছ্বসিত গ্রামের শিশু-কিশোরেরাও। কিশোররা জানায়, আগে ধান কাটার পর খেতে খেলাধুলা করা গেলেও ফসলের আবাদ শুরু হলে আর খেলার সুযোগ থাকত না। এখন সারা বছর খেলার সুযোগ তৈরি হওয়ায় তারা আনন্দিত।
গ্রামের প্রবীণ আব্দুল মান্নান ব্যাপারী বলেন, একটি খেলার মাঠের জন্য তারা দীর্ঘদিন ধরে চেষ্টা করেছেন। অবশেষে সেই স্বপ্ন বাস্তবায়িত হওয়ায় গ্রামের সবাই আনন্দিত।
বাবুপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষক ও মোনালিসা উইমেন্স স্পোর্টস একাডেমির পরিচালক মোনালিসা মুন্নি বলেন, গ্রামের মানুষের দীর্ঘদিনের আকাঙ্ক্ষা ছিল একটি খেলার মাঠ। সম্মিলিত উদ্যোগে সেই প্রত্যাশা পূরণ হওয়া বড় অর্জন।
অন্যদিকে সরকারি কিংবা বেসরকারি কোনো প্রতিষ্ঠানের সহায়তা ছাড়াই গ্রামবাসীর নিজেদের অর্থায়নে জমি কেনার উদ্যোগের প্রশংসা করেছেন সরকারি মাওলানা মোহাম্মদ আলী কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ শামসুল হুদা। তার মতে, বাবুপুরের এই উদ্যোগ দেশের অন্যান্য গ্রামের মানুষকেও নিজেদের প্রয়োজনে সম্মিলিতভাবে এগিয়ে আসতে অনুপ্রাণিত করবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
২০২৭ সালের পবিত্র রমজান ও দুই ঈদের সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশিত হয়েছে। জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক হিসাব অনুযায়ী, আগামী বছরের ৮ ফেব্রুয়ারি থেকে পবিত্র রমজান মাস শুরু হবে এবং ১০ মার্চ ঈদুল ফিতর উদযাপিত হতে পারে। তবে চাঁদ দেখার ওপর নির্ভরশীল হওয়ায় তারিখ পরিবর্তন হতে পারে।
কাজাখস্তানের মুসলিমদের ধর্মীয় প্রশাসনের প্রকাশিত সম্ভাব্য ধর্মীয় ক্যালেন্ডার অনুযায়ী, ২০২৭ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি পবিত্র রমজান শুরু হতে পারে। মাসব্যাপী রোজা পালন শেষে ৯ মার্চ ঈদুল ফিতর উদযাপনের কথা রয়েছে। এছাড়া ৫ মার্চ দিবাগত রাতে পবিত্র শবে কদর পালনের সম্ভাব্য তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে।
ক্যালেন্ডার অনুযায়ী, ১৬ থেকে ১৮ মে পর্যন্ত তিন দিনব্যাপী পবিত্র ঈদুল আজহা উদযাপিত হতে পারে। এর পূর্বে ১৫ মে পবিত্র আরাফাতের দিন পালিত হওয়ার কথা রয়েছে।
এছাড়া, ৪-৫ জানুয়ারি দিবাগত রাতে শবে মেরাজ, ২২-২৩ জানুয়ারি দিবাগত রাতে শবে বরাত এবং ১৫ জুন পবিত্র আশুরা পালনের সম্ভাব্য তারিখ উল্লেখ করা হয়েছে। মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর জন্মবার্ষিকী ঈদে মিলাদুন্নবী ১৪-১৫ আগস্ট উদযাপিত হতে পারে।
অন্যদিকে, সংযুক্ত আরব আমিরাতভিত্তিক সংবাদমাধ্যম গালফ নিউজের একটি প্রতিবেদনে ২০২৭ সালের রমজান ও ঈদুল ফিতরের সম্ভাব্য সময়সূচি তুলে ধরা হয়েছে। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, ৮ ফেব্রুয়ারি, সোমবার থেকে রমজান শুরু হতে পারে।
এ ক্ষেত্রে ৭ ফেব্রুয়ারি, রোববার সন্ধ্যায় রমজানের চাঁদ দেখার চেষ্টা করা হবে। চাঁদ দেখা গেলে, সেদিন রাতে মুসল্লিরা প্রথম তারাবিহ নামাজ আদায় করবেন। এরপর সেহরি খেয়ে ৮ ফেব্রুয়ারি থেকে রোজা শুরু হবে।
গালফ নিউজের পূর্বাভাস অনুযায়ী, ১০ মার্চ, বুধবার ঈদুল ফিতর উদযাপিত হতে পারে। তবে কাজাখস্তানের ধর্মীয় প্রশাসনের ক্যালেন্ডারে ঈদুল ফিতরের সম্ভাব্য তারিখ ৯ মার্চ উল্লেখ করা হয়েছে।
অর্থাৎ, রমজান শুরুর তারিখ নিয়ে দুই পূর্বাভাসে মিল থাকলেও ঈদুল ফিতরের তারিখে এক দিনের পার্থক্য বিদ্যমান। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ধর্মীয় দিবসগুলোর চূড়ান্ত তারিখ চাঁদ দেখার ওপর নির্ভরশীল। তাই চাঁদ দেখার পর আনুষ্ঠানিকভাবে তারিখ ঘোষণা করা হবে।
উল্লেখ্য, ২০২৬ সালে ১৯ ফেব্রুয়ারি পবিত্র রমজান শুরু হয়েছিল। মাসব্যাপী সিয়াম সাধনা শেষে ২০ মার্চ পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপিত হয়েছিল।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দ্বিতীয় সেশনের শুরুতেই বাংলাদেশ দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়িয়েছে। বোলারদের সম্মিলিত নৈপুণ্যে স্বাগতিকরা ওয়েস্ট ইন্ডিজের প্রথম ইনিংস ২৪৫ রানে গুটিয়ে দিতে সক্ষম হয়েছে। এর ফলে বাংলাদেশ প্রথম ইনিংসে ২৭ রানের লিড অর্জন করেছে। এখন নাজমুল হোসেন শান্তর দল দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাটিংয়ে নামবে।
বাংলাদেশের প্রথম ইনিংসে সংগ্রহ ছিল ২৭২ রান। জবাবে ব্যাটিংয়ে নেমে ওয়েস্ট ইন্ডিজ শুরুতে কিছুটা চাপে পড়লেও ত্যাগনারাইন চন্দরপলের ব্যাটে ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করে। ব্যক্তিগত ৫৬ রানে তাকে ফিরিয়ে সেই প্রতিরোধ ভাঙেন শরিফুল ইসলাম।
এরপর রস্টন চেজ ও জাস্টিন গ্রিভসের ব্যাটে সফরকারীরা এগোতে থাকে। তবে বাংলাদেশের স্পিনাররা ধীরে ধীরে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে নিতে শুরু করেন। নাঈম হাসান ও মেহেদী হাসান মিরাজের ঘূর্ণিতে ওয়েস্ট ইন্ডিজের ব্যাটিং লাইনআপ চাপে পড়ে।
দ্বিতীয় সেশনের শুরুতে বাংলাদেশের বোলাররা আরও আগ্রাসী হয়ে ওঠেন। সফরকারীরা দ্রুত উইকেট হারিয়ে বড় লিড নেয়ার সুযোগ হাতছাড়া করে। শেষ পর্যন্ত তাদের প্রথম ইনিংস ২৪৫ রানে থামে।
ওয়েস্ট ইন্ডিজকে দ্রুত গুড়িয়ে দেয়ার পেছনে নাঈম হাসানের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল। তিনি ১০.৫ ওভারে ৩৩ রান দিয়ে ৪ উইকেট নেন। এছাড়াও মিরাজ ও তাইজুল ২টি করে উইকেট লাভ করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ই-জোন এইচআরএম লিমিটেড নতুন জনবল নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। মোট ১ হাজার ১৬৯ জন কর্মী নিয়োগ দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে প্রতিষ্ঠানটির। এই নিয়োগ একটি আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থার তত্ত্বাবধানে বাস্তবায়নের জন্য প্রস্তাবিত প্রকল্পের আওতায় হবে।
প্রকল্পের অধীনে দেশের ৫৩টি জেলায় মাঠপর্যায়ে ৫টি পদে এবং ঢাকায় অবস্থিত প্রকল্প ব্যবস্থাপনা ইউনিটে ৩টি ক্যাটাগরিতে কর্মী নিয়োগ করা হবে। পদভেদে নির্বাচিত প্রার্থীদের বেতন ৩২ হাজার টাকা থেকে ১ লাখ টাকা পর্যন্ত নির্ধারণ করা হয়েছে।
আগ্রহী ও যোগ্য প্রার্থীরা অনলাইনে আবেদন করার সুযোগ পাবেন। আবেদনের শেষ সময় আগামী ২ নভেম্বর।
প্রতিষ্ঠানের নাম: ই-জোন এইচ আর এম লিমিটেড
পদের সংখ্যা: ৮ পদে ১১৬৯ জন
কাজের ধরন: চুক্তিভিত্তিক (আউটসোর্সিং), ১৬-১৮ মাস (প্রস্তাবিত)।
১. পদের নাম: ডিস্ট্রিক্ট ফ্যাসিলিটেটর
পদের সংখ্যা: ২৬
বেতন-ভাতা: ৭০,০০০-৮০,০০০ টাকা।
কর্মস্থল: জেলা পর্যায়।
২. পদের নাম: উপজেলা ডাটা ম্যানেজমেন্ট ফ্যাসিলিটেটর
পদের সংখ্যা: ২০০
বেতন-ভাতা: ৪০,০০০-৪৫,০০০ টাকা।
কর্মস্থল: উপজেলা পর্যায়।
৩. পদের নাম: ইউনিয়ন ডাটা ফ্যাসিলিটেটর
পদের সংখ্যা: ৮০০
বেতন-ভাতা: ৩২,০০০-৩৫,০০০ টাকা।
কর্মস্থল: ইউনিয়ন পর্যায়।
৪. পদের নাম: ডাটা কোয়ালিটি মনিটর
পদের সংখ্যা: ২৬
বেতন-ভাতা: ৪৫,০০০-৫০,০০০ টাকা।
কর্মস্থল: জেলা পর্যায়।
৫. পদের নাম: ডাটা কোয়ালিটি ফ্যাসিলিটেটর
পদের সংখ্যা: ৯২
বেতন-ভাতা: ৩৫,০০০-৩৮,০০০ টাকা।
কর্মস্থল: জেলা পর্যায়।
৬. পদের নাম: ডাটা মনিটরিং এক্সিকিউটিভ
পদের সংখ্যা: ২১
বেতন-ভাতা: ৫০,০০০-৬০,০০০ টাকা।
কর্মস্থল: প্রকল্প ব্যবস্থাপনা ইউনিট (PMU), ঢাকা।
৭. পদের নাম: টেকনিক্যাল এক্সপার্ট-সিস্টেম অপারেশনস
পদের সংখ্যা: ২
বেতন-ভাতা: ১,২০,০০০-১,৩০,০০০ টাকা।
কর্মস্থল: প্রকল্প ব্যবস্থাপনা ইউনিট (PMU), ঢাকা।
৮. পদের নাম: প্রজেক্ট অ্যাসিস্ট্যান্ট
পদের সংখ্যা: ২
বেতন-ভাতা: ৫০,০০০-৫৫,০০০ টাকা।
কর্মস্থল: প্রকল্প ব্যবস্থাপনা ইউনিট (PMU), ঢাকা।
আবেদনের প্রক্রিয়া: আগ্রহী প্রার্থীরা বিডি জবসের মাধ্যমে আবেদন করতে পারবেন।
আবেদনের সময়সীমা: আগ্রহী প্রার্থীরা আগামী ২ নভেম্বর, ২০২৬ ইং তারিখ পর্যন্ত আবেদন করতে পারবেন। এছাড়া বিজ্ঞপ্তি সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুন ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কুমিল্লায় মাদক ব্যবসায়ী, কিশোর গ্যাং ও ছিনতাইবিরোধী পুলিশের বিশেষ অভিযানে এক রাতে ৩৫১ জনকে আটক করা হয়েছে। জেলা পুলিশ গত দেড় মাসের চলমান এই অভিযানে মোট ৫ হাজার ২৪৬ জনকে আটক করেছে।
শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) সকালে কুমিল্লার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. লুৎফর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) সন্ধ্যার পর থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত জেলার ১৮টি থানায় একযোগে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়। পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামানের নির্দেশনায় জেলা পুলিশের সব ইউনিট ও গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) অভিযানে অংশগ্রহণ করে। কুমিল্লা মহানগরীসহ জেলার বিভিন্ন থানার এলাকায় মাদক ব্যবসা, কিশোরদের উৎপাত ও ছিনতাই প্রবণ এলাকাগুলোতে অভিযানটি পরিচালিত হয়। অভিযানে পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও সরাসরি অংশ নেন।
সর্বশেষ অভিযানে আটক ৩৫১ জনের মধ্যে ১৩২ জনের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে। অপরদিকে, বাকি ২১৯ জনকে মুচলেকা নিয়ে অভিভাবকের জিম্মায় দেয়া হয়েছে।
জেলা পুলিশের দেয়া তথ্য অনুযায়ী, গেল ২৩ সেপ্টেম্বর থেকে ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত চলমান অভিযানে মোট ৫ হাজার ২৪৬ জনকে আটক করা হয়েছে। আটককৃতদের মধ্যে ৩ হাজার ১৫১ জনকে মুচলেকা নিয়ে অভিভাবকের জিম্মায় দেয়া হয়েছে, এবং বাকি ২ হাজার ৯৫ জনের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
পুলিশ আরও জানায়, উঠতি বয়সী কিশোররা যাতে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে না পড়ে, সেই উদ্দেশ্যে নিয়মিত এ ধরনের অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। পাশাপাশি, কোনো নিরপরাধ ব্যক্তি যাতে হয়রানির শিকার না হন, সে বিষয়েও কঠোর নজরদারি রাখা হচ্ছে। কিশোর অপরাধ প্রতিরোধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ