শুক্রবার, ৩০শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
১২:৪৬ পি.এম
নর্থবেঙ্গল সুগার মিলস লিমিটেডের ২০২৬-২০২৭ আখ মাড়াই মৌসুম আজ শুক্রবার শুরু হতে যাচ্ছে। মিল কর্তৃপক্ষের পরিকল্পনা অনুযায়ী, এ মৌসুমে ১ লাখ ৮০ হাজার টন আখ মাড়াই করা হবে।
বৃহস্পতিবার একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে মিলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ ফরিদ হোসেন ভূঁইয়া এই তথ্য প্রকাশ করেন।
আজ বিকেল সাড়ে ৩টায় মিলের কেইন ক্যারিয়ার প্রাঙ্গণে মাড়াই মৌসুমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমিন পুতুল। বিশেষ অতিথি হিসেবে শিল্প মন্ত্রণালয়ের সচিব আব্দুন নাসের খান উপস্থিত থাকবেন। অনুষ্ঠানটির সভাপতিত্ব করবেন বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প করপোরেশনের চেয়ারম্যান মো. শামছুজ্জামান (সুরুজ)।
মিল কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুসারে, চলতি মৌসুমে ১ লাখ ৮০ হাজার টন আখ মাড়াইয়ের মাধ্যমে ১১ হাজার ৭০০ টন চিনি উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এ লক্ষ্যে আখ থেকে চিনি আহরণের হার বা রিকভারি ৬ দশমিক ৫০ শতাংশ নির্ধারণ করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ফুটবল মাঠে কোচ হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন ২২ বছর বয়সী এক তরুণী। পুরুষ ফুটবলারদের নিয়ে তার অধীনে চলছে অনুশীলন।
বয়স কিংবা নারী পরিচয়—কোনোটিই তার দায়িত্ব পালনের পথে বাধা হয়ে দাঁড়ায়নি। বরং, খেলোয়াড়দের কাছ থেকে তিনি একজন পুরুষ কোচের মতোই সম্মান ও সহযোগিতা পাচ্ছেন।
এই তরুণীর নাম জেইনেপ মেস্তান। এত অল্প বয়সে ছেলেদের একটি ফুটবল দলের প্রধান কোচ হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করে তিনি আলোচনায় এসেছেন। তার এই পদক্ষেপ শুধু একটি ব্যতিক্রমী ঘটনা নয়, বরং ফুটবলে নারীদের অংশগ্রহণ ও নেতৃত্বের নতুন সম্ভাবনা সামনে নিয়ে এসেছে।
জেইনেপ মেস্তান সম্প্রতি তুরস্কের মানিসা প্রদেশের সুপার অ্যামেচার লিগে খেলা তুরগুতলুসপোরের প্রধান কোচ হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন। ২০২৬-২৭ মৌসুমের জন্য তাকে নিয়োগ দিয়েছে ক্লাবটি। তিনিই তুরগুতলুসপোরের ইতিহাসে প্রথম নারী প্রধান কোচ।
কে এই জেইনেপ মেস্তান?
জেইনেপ মেস্তানের জন্ম ২০০৪ সালের ৩০ জুলাই, তুরস্কের ইজমির প্রদেশের বর্নোভা জেলায়। ছোটবেলা থেকেই ফুটবলের প্রতি তার আগ্রহ ছিল। খেলোয়াড় হিসেবে ক্যারিয়ার শুরু করলেও পরবর্তী সময়ে কোচিংকেই নিজের মূল লক্ষ্য হিসেবে বেছে নেন।
মেস্তান এজে বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্রীড়া বিজ্ঞান অনুষদ থেকে পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন। খেলোয়াড়ি জীবনের পাশাপাশি খেলাধুলাবিষয়ক শিক্ষা ও কোচিংয়ের প্রতি আগ্রহ তাকে এই পেশায় এগিয়ে যেতে অনুপ্রাণিত করেছে।
এক সাক্ষাৎকারে মেস্তান জানিয়েছেন, বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনার কারণে তুলনামূলক কম বয়সে খেলোয়াড়ি জীবন থেকে সরে এসে কোচিংয়ের দিকে মনোযোগ দেন।
যেভাবে শুরু ফুটবল ক্যারিয়ার
২০১৯ সালে কারশিয়াকা স্পোরের হয়ে খেলোয়াড়ি ক্যারিয়ার শুরু করেন মেস্তান। এরপর তিনি কোনাক বেলেদিয়েসপোর, বর্নোভা হিতাব স্পোর, সোমা জাফের স্পোর ও জেনচলিক এবং বর্নোভা জেনচ ইলদিজলার স্পোরের হয়ে খেলেছেন।
দলকে কোচিং করানোর কাজে ব্যস্ত রয়েছেন জেইনেপ মেস্তান। ছবি: সংগৃহীত
নারীদের ফুটবলে বিভিন্ন দলে খেলার অভিজ্ঞতা অর্জনের পর কোচিংয়ের দিকে ঝুঁকতে শুরু করেন মেস্তান। নারী ও পুরুষ—উভয় দলের সহকারী কোচ হিসেবেও কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে তার।
এরপর এল ক্যারিয়ারের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। গত সেপ্টেম্বরে তুরগুতলুসপোরের প্রধান কোচ হিসেবে নিয়োগ পান মেস্তান। মাত্র ২২ বছর বয়সে ছেলেদের সিনিয়র দল পরিচালনার দায়িত্ব পেয়ে তুরস্কের ফুটবলে আলোচনার জন্ম দিয়েছেন এই তরুণী।
খেলোয়াড়দের কাছ থেকে পাচ্ছেন সম্মান
একজন নারী কোচ হিসেবে পুরুষ ফুটবলারদের নিয়ে কাজ করার অভিজ্ঞতা কেমন? এ প্রশ্নের উত্তরে মেস্তান বলেন, ‘খেলোয়াড়েরা আমার সঙ্গে স্বাভাবিক আচরণ করে। একজন পুরুষ কোচের সঙ্গে তারা যেভাবে কাজ করে, আমার সঙ্গেও ঠিক সেভাবেই কাজ করে। তাদের কারও আচরণে আমাকে ছোট করে দেখার কিংবা আমার প্রতি ভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গি পোষণের কোনো ইঙ্গিত আমি পাইনি। সবার চোখেই আমি সেই আগ্রহের ঝলক দেখেছি।’
লক্ষ্য তুরগুতলুসপোরকে এগিয়ে নেওয়া
একসময় তুরস্কের দ্বিতীয় ও তৃতীয় বিভাগে খেলা তুরগুতলুসপোর সাম্প্রতিক সময়ে অবনমনের মুখে পড়ে। বর্তমানে দলটি মানিসা সুপার অ্যামেচার লিগে খেলছে। ক্লাবটির লক্ষ্য আবারও উচ্চতর পর্যায়ে ফিরে আসা।
দায়িত্ব নিয়েই দলকে এগিয়ে নেওয়ার পরিকল্পনা করেছেন মেস্তান। তার তাৎক্ষণিক লক্ষ্য নিজেদের গ্রুপে শীর্ষস্থান অর্জন করা এবং প্লে-অফে ভালো ফল করে পরবর্তী উচ্চতর লিগে জায়গা করে নেওয়া।
কিংবদন্তি কোচদের মধ্যে পেপ গার্দিওলা এবং তুরস্কের কোচদের মধ্যে সেরজেন ইয়ালচিনকে নিজের আদর্শ হিসেবে উল্লেখ করেছেন মেস্তান।
ফুটবলে নারীদের অংশগ্রহণ বাড়ার আশা
শুধু নিজের ক্যারিয়ার গড়াই নয়, তুরস্কের ফুটবলে নারীদের অংশগ্রহণ বাড়ানোর বিষয়েও আগ্রহী মেস্তান। তার বিশ্বাস, নারীরাও ফুটবলের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে নিজেদের যোগ্যতা প্রমাণ করতে পারেন।
খেলোয়াড়দের প্রতি সম্মান দেখানোকে নিজের কোচিং দর্শনের গুরুত্বপূর্ণ অংশ মনে করেন মেস্তান। তার মতে, ‘একজন কোচ খেলোয়াড়কে সম্মান না করলে খেলোয়াড়ের কাছ থেকেও সম্মান আশা করতে পারেন না।'
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাশিয়া এবং ইউরোপের মধ্যে যুদ্ধ শুরু হলে কোনো পক্ষই বিজয়ী হবে না বলে সতর্কতা প্রকাশ করেছেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। তিনি উল্লেখ করেছেন যে, পশ্চিমা দেশগুলো রাশিয়াকে কৌশলগতভাবে পরাজিত করার যে লক্ষ্য নির্ধারণ করেছিল, সেটি অর্জনে তারা সফল হয়নি। তিনি মনে করেন, ২০৩০ সালের মধ্যে এই লক্ষ্য অর্জন সম্ভব হবে না।
বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) মস্কোয় রাশিয়া-আফ্রিকা শীর্ষ সম্মেলন শেষে এক সংবাদ সম্মেলনে পুতিন এসব মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, "যদি পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়, তাহলে কোনো পক্ষেরই বিজয়ী হওয়ার সুযোগ থাকবে না।"
পুতিন আরও বলেন, "আর পরিস্থিতি যদি অনেক দূর গড়ায়, তাহলে কেউই বিজয়ী হবে না। কেউ যেন বিষয়টি ভুলে না যায়।"
রুশ প্রেসিডেন্টের এই বক্তব্যে স্পষ্ট যে, পশ্চিমারা রাশিয়াকে কৌশলগতভাবে পরাজিত করার যে উদ্দেশ্য নিয়েছিল, তা বাস্তবে রূপায়িত হয়নি। তথ্যসূত্র: তাস
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
যুক্তরাষ্ট্রের ওরেগন অঙ্গরাজ্যের বিমানবন্দরের নিকটবর্তী এলাকায় মাঝ আকাশে দুটি হেলিকপ্টারের সংঘর্ষের ফলে তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার দুপুর ২টা ১৫ মিনিটের দিকে ম্যাকমিনভিল মিউনিসিপ্যাল বিমানবন্দরের কাছেই এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনাটি ঘটে।
নিহতদের মধ্যে রয়েছেন টেক্সাসের ২২ বছর বয়সী ফ্লাইট প্রশিক্ষক ম্যাডি আসবো, ওরেগনের ৩৮ বছর বয়সী পাইলট টাইলার স্টারডিভ্যান্ট এবং যুক্তরাজ্যের এক শিক্ষানবিশ পাইলট। ইয়ামহিল কাউন্টির শেরিফ স্যাম এলিয়ট এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
কর্তৃপক্ষের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, একটি হেলিকপ্টারে প্রশিক্ষক ও শিক্ষানবিশ পাইলট ছিলেন, অন্যটিতে ছিলেন একমাত্র পাইলট স্টারডিভ্যান্ট। সংঘর্ষের পর উভয় হেলিকপ্টার একটি ব্যক্তিমালিকানাধীন কৃষিজমিতে বিধ্বস্ত হয়।
দুর্ঘটনার ফলে লাল ও সবুজ রঙের দুটি হেলিকপ্টারই ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এ ঘটনায় কাছের হাইওয়ে ২৩৩-এর প্রায় এক মাইল অংশ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল ট্রান্সপোর্টেশন সেফটি বোর্ড (এনটিএসবি) দুর্ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। ফেডারেল এভিয়েশন অ্যাডমিনিস্ট্রেশনও (এফএএ) এই তদন্তে যুক্ত হয়েছে।
এদিকে, দুর্ঘটনায় জড়িত একটি হেলিকপ্টার পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান জেরি ট্রিম্বল হেলিকপ্টারস জানিয়েছে, তারা তদন্তকারী কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সহযোগিতা করছে। প্রতিষ্ঠানটি নিহতদের পরিবার ও স্বজনদের প্রতি গভীর সমবেদনা প্রকাশ করেছে।
সূত্র: সিএনএন
আরএ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
তুরস্কের আরারাত পর্বতের নিকটবর্তী দুরুপিনার গঠনে নুহ নবীর নৌকার ধ্বংসাবশেষ পাওয়ার বিষয়ে নতুন দাবি করেছেন একদল গবেষক। তাদের বক্তব্য, সেখানে কাঠকয়লার মতো পোড়া কাঠের পাশাপাশি ভূগর্ভে প্রায় ৩০ ফুট গভীরে অক্ষত কাঠের সন্ধানও পাওয়া গেছে। তবে, এই নমুনাগুলি সত্যিই নুহ নবীর নৌকার অংশ কিনা, তা বৈজ্ঞানিকভাবে এখনও প্রমাণিত হয়নি।
‘নোয়াস আর্ক স্ক্যানস’ নামে পরিচিত গবেষক দলের সদস্যরা কয়েক সপ্তাহ ধরে দুরুপিনার গঠনে বিভিন্ন ধরনের স্ক্যান পরিচালনা করছেন। প্রায় ৫১৫ ফুট দীর্ঘ কাঠামোর ভেতরে অনুসন্ধানের জন্য তারা ড্রোনও ব্যবহার করেছেন।
দলটির প্রতিষ্ঠাতা অ্যান্ড্রু জোনস সম্প্রতি দাবি করেছেন যে, অনুসন্ধানে তারা নুহ নবীর নৌকার পোড়া অবশিষ্টাংশের সন্ধান পেয়েছেন। তার বক্তব্য অনুযায়ী, কাঠ পুড়ে যাওয়ার পাশাপাশি মাটির প্রায় ৩০ ফুট নিচে অক্ষত কাঠের নমুনাও পাওয়া গেছে।
জোনসের ধারণা, কয়েক শতাব্দী আগে কোনো রাখাল কাঠামোটিকে আশ্রয় হিসেবে ব্যবহার করার সময় সেখানে আগুন জ্বালিয়ে থাকতে পারেন। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, বজ্রপাত কিংবা আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাতের কারণে কাঠ পুড়ে যেতে পারে।
ডেইলি মেইলের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জোনস বিশ্বাস করেন যে, উদ্ধার হওয়া কাঠ নুহ নবীর নৌকার অংশ। তার যুক্তি হলো, নৌকাটিকে পানিরোধী করতে আলকাতরার মতো দাহ্য পদার্থ ব্যবহারের নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল, তাই কোনো একসময় এতে আগুন ধরে থাকতে পারে।
এখন পর্যন্ত দুরুপিনার গঠন নিয়ে গবেষক দলের পক্ষ থেকে একাধিক দাবি করা হয়েছে। গত সেপ্টেম্বর মাসে তারা কাঠামোটিকে মানুষের তৈরি বলে দাবি করে এবং সেখানে ড্রিল করে পচে যাওয়া কাঠের সম্ভাব্য প্রমাণ পাওয়ার কথাও জানায়।
গবেষকরা আরও দাবি করেছেন যে, খননকাজের সময় একটি ড্রিল মেশিন কাঠামোর ভেতরে শক্ত কোনো বস্তুর সঙ্গে ধাক্কা লেগে ভেঙে যায়। তাদের ধারণা, বস্তুটি পাথরে পরিণত হওয়া কাঠ হতে পারে।
জোনসের বক্তব্য অনুযায়ী, তাদের সংগৃহীত তথ্য দুরুপিনার গঠনকে প্রাকৃতিক শিলাস্তর হিসেবে বিবেচনার ধারণাকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে। প্রাথমিক রাডার স্ক্যানেও কাঠামোটির ভেতরে একটানা ও সমজাতীয় কঠিন শিলার বৈশিষ্ট্য পাওয়া যায়নি বলে তিনি জানান।
তবে, গবেষকদের এসব দাবি এখনও স্বাধীনভাবে যাচাই করা হয়নি। দুরুপিনার গঠনকে নুহ নবীর নৌকার ধ্বংসাবশেষ হিসেবে শনাক্ত করার পক্ষে আন্তর্জাতিক বৈজ্ঞানিক মহলে এখন পর্যন্ত স্বীকৃত কোনো চূড়ান্ত প্রমাণ পাওয়া যায়নি।
সূত্র: উইয়ন নিউজ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ