১২:১৯ পি.এম
ফিজিতে পাঠানোর কথা বলে দুইজন ব্যক্তির কাছ থেকে প্রায় ২১ লাখ টাকা নেওয়ার পরও বিদেশে পাঠাতে না পারার পাশাপাশি টাকা ফেরত না দেওয়ার অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগীরা প্রতিকার চেয়ে ঢাকার উত্তরা পশ্চিম থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন।
অভিযোগপত্রের সূত্র অনুযায়ী, অভিযোগকারীরা হলেন—নাজমুল হাসান (৪১), বাবুল (৪১) এবং মো. রাজা মিয়া (৩৬)। তাঁদের অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে, পরিচিত একজন বন্ধুর মাধ্যমে অভিযুক্ত মো. মনিরুল ইসলামের সঙ্গে তাঁদের পরিচয় হয়। পরবর্তী সময়ে বিদেশে, বিশেষ করে ফিজিতে লোক পাঠানোর বিষয়ে তাঁদের সঙ্গে অভিযুক্তের আলোচনা হয়।
অভিযোগকারীদের দাবি, ফিজিতে পাঠানোর কথা বলার জন্য প্রত্যেকের কাছ থেকে ৭ লাখ টাকা করে নেওয়ার জন্য বলা হয়। বিভিন্ন সময়ে নগদে মোট ১৪ লাখ টাকা পরিশোধ করা হয়। এর পাশাপাশি, পাসপোর্টসহ অন্যান্য কাগজপত্রও অভিযুক্তের কাছে জমা দেওয়া হয়। সব মিলিয়ে অভিযুক্তের কাছে তাঁদের প্রায় ২১ লাখ টাকা রয়েছে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
আরও পড়ুন: মধুপুরে আকাশী গ্রন্থাগার ও বিজ্ঞান ক্লাবের বৃত্তি পরীক্ষার পুরস্কার ও চারা বিতরণ
অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, নির্ধারিত সময় পার হলেও অভিযুক্ত তাঁদের ফিজিতে পাঠাতে পারেননি। একই সঙ্গে দেওয়া টাকা ফেরত দেওয়ার জন্য বারবার তাগাদা দেওয়ার পরও তিনি বিভিন্ন সময় নানা অজুহাত দেখাতে থাকেন, বলছেন অভিযোগকারীরা। এমনকি তাঁরা পাসপোর্ট ফেরত পাওয়ার পরও পাওনা টাকা ফেরত পাননি বলে অভিযোগ করেছেন।
পাওনা টাকা ফেরত দেওয়ার নিশ্চয়তার জন্য গত ২৬ মে ২০২৬ তারিখে অভিযুক্ত তাঁদের কাছে একটি জমির দলিল প্রদান করেন। অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে, একটি মাসের মধ্যে টাকা পরিশোধে ব্যর্থ হলে ওই জমি তাঁদের তিনজনের নামে রেজিস্ট্রি করে দেওয়া কিংবা জমি বিক্রি করে পাওনা টাকা পরিশোধের বিষয়ে প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল। তবে নির্ধারিত সময় অতিবাহিত হওয়ার পরও তাঁদের পাওনা টাকা পরিশোধের জন্য কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি বলছেন অভিযোগকারীরা।
বর্তমানে তাঁরা পাওনা টাকা ফেরত চাওয়ার কারণে অভিযুক্ত বিভিন্নভাবে হুমকি-ধমকি দিচ্ছেন বলেও অভিযোগ করা হয়েছে। এর ফলে তাঁরা নিজেদের নিরাপত্তা ও পাওনা টাকা উদ্ধারের বিষয়ে শঙ্কা প্রকাশ করেছেন।
এ বিষয়ে অভিযোগকারীরা সংশ্লিষ্ট আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাছে বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আবেদন জানিয়েছেন এবং তাঁদের পাওনা টাকা উদ্ধারে সহযোগিতা করারও আবেদন করেছেন। তবে অভিযোগগুলোর বিষয়ে অভিযুক্ত ব্যক্তির বক্তব্য এই প্রতিবেদনে পাওয়া যায়নি। তাঁর বক্তব্য যদি পাওয়া যায়, তবে তা পরবর্তী প্রতিবেদনে গুরুত্বসহকারে প্রকাশ করা হবে।
আরও পড়ুন: টঙ্গীর ইজতেমা ময়দানে সাদপন্থীদের কার্যক্রম বন্ধের দাবি, দ্রুত চার্জশিট দেওয়ার আহ্বান
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন