মঙ্গলবার, ১ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৪:৫৪ পি.এম
ফ্ল্যাট জালিয়াতির মামলায় টিউলিপের শুনানি পেছাল
রাজধানীর গুলশান-২ এলাকায় ফ্ল্যাট জালিয়াতির অভিযোগে শেখ রেহানার মেয়ে টিউলিপ রিজওয়ানা সিদ্দিক এবং রাজউকের সাবেক সহকারী আইন উপদেষ্টা সরদার মোশাররফ হোসেনের বিরুদ্ধে চার্জগঠনের শুনানির তারিখ আদালত পিছিয়ে দিয়েছে। নতুন শুনানির তারিখ আগামী বছরের ১১ জানুয়ারি নির্ধারণ করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) শুনানি শেষে ঢাকার বিশেষ জজ-৫ এর বিচারক মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল মামুন এই তারিখ নির্ধারণ করেন।
দুদকের পক্ষের আইনজীবী মীর আহমেদ আলী সালাম এই তথ্য নিশ্চিত করে জানান, আজ মামলাটির চার্জগঠন বিষয়ে শুনানির জন্য দিন ধার্য ছিল। কিন্তু মামলার আরেক আসামি মোশাররফ হোসেনের পক্ষে ফৌজদারি কার্যবিধি আইনের ৫৬১এর ক ধারায় উচ্চ আদালতে কোয়াশমেন্টের (বাতিল) জন্য আবেদন করা হয়েছিল। উচ্চ আদালত মামলাটির কার্যক্রম এক বছরের জন্য স্থগিত রেখেছে।
উচ্চ আদালতে কোয়াশমেন্ট সংক্রান্ত শুনানি শেষ না হওয়া পর্যন্ত মামলাটির পরবর্তী কার্যক্রম স্থগিত থাকবে।
আদালত সূত্রে জানা গেছে, সম্প্রতি আসামি সরদার মোশাররফ হোসেন মামলাটি কোয়াশমেন্টের জন্য উচ্চ আদালতে আবেদন করেছিলেন। গত ৭ জুলাই উচ্চ আদালত আসামির আবেদনের প্রেক্ষিতে এক বছরের জন্য মামলার সব কার্যক্রম স্থগিতাদেশ প্রদান করে।
এর আগে গত ৮ এপ্রিল তৎকালীন ঢাকা মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালতের বিচারক মো. সাব্বির ফয়েজের আদালত মামলাটি বিচারের জন্য প্রস্তুত হওয়ায় ঢাকার বিশেষ জজ-৫ এ বদলির নির্দেশ দেন।
গত ১৮ ফেব্রুয়ারি টিউলিপ ও রাজউকের সাবেক সহকারী আইন উপদেষ্টা সরদার মোশাররফ হোসেনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র আমলে গ্রহণ করা হয়। ওই দিন তাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়।
অবৈধ সুবিধা নিয়ে ঢাকার গুলশানে ইস্টার্ন হাউজিং লিমিটেডের ফ্ল্যাট নেওয়ার অভিযোগে গত বছরের ১৫ এপ্রিল রিজওয়ানা সিদ্দিক, রাজউকের সাবেক সহকারী আইন উপদেষ্টা শাহ মো. খসরুজ্জামান এবং সাবেক সহকারী আইন উপদেষ্টা-১ সরদার মোশারফ হোসেনের বিরুদ্ধে মামলা করে দুদক।
আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, তারা পরস্পর যোগসাজশে ক্ষমতার অপব্যবহার করে কোনো টাকা পরিশোধ না করেই অবৈধভাবে ইস্টার্ন হাউজিং লিমিটেডের গুলশান-২ এর ফ্ল্যাট (ফ্ল্যাট নং বি/২০১, বাড়ি নং ৫এ ও ৫বি (পুরনো), বর্তমানে- ১১৩, ১১বি (নতুন), রোড নং ৭১) দখল করে এবং পরে রেজিস্ট্রি করেন।
মামলার পর চলতি বছরের জুলাই মাসে মামলার তদন্তে আসামি শাহ খসরুজ্জামান হাইকোর্টে একটি রিট করেন।
তার রিটের পরিপ্রেক্ষিতে হাইকোর্ট খসরুজ্জামানের তদন্ত তিন মাসের জন্য স্থগিত করে। পরে চেম্বার আদালতে গেলেও দুদক ‘নো অর্ডার’ আদেশ পায়। গত ১১ ডিসেম্বর তদন্ত শেষে দণ্ডবিধির ১৬১/১৬৫(ক)/৪৬৭/৪৬৮/৪৭১/১০৯ ধারায় এবং দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন, ১৯৪৭-এর ৫(২) ধারায় টিউলিপ রিজওয়ানা সিদ্দিক ও সরদার মোশাররফ হোসেনের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করে দুদক।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : সারাদেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হাম আক্রান্ত সন্দেহে ছয়টি শিশুর মৃত্যু ঘটেছে। ১৫ মার্চ থেকে ১ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত হাম ও হাম উপসর্গে মৃত রোগীর মোট সংখ্যা ৯৭৯ জনে পৌঁছেছে।
আজ স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কন্ট্রোলরুমের পক্ষ থেকে প্রকাশিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় হাম আক্রান্ত হিসেবে সন্দেহভাজন রোগীর সংখ্যা ১ হাজার ১৫৯ জন এবং ১৫ মার্চ থেকে ১ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত হাম আক্রান্ত হিসেবে সন্দেহভাজন রোগীর মোট সংখ্যা ১ লাখ ৫৯ হাজার ১৫০ জন।
গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হামরোগীর সংখ্যা ৭২ জন এবং ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত নিশ্চিত হামরোগীর মোট সংখ্যা ১৯ হাজার ৩৮৪ জন।
এছাড়া, গত ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত হাম রোগে আক্রান্ত সন্দেহে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১ লাখ ৩৯ হাজার ৫১৯ জন। একই সময়ে হাসপাতাল থেকে সুস্থ হয়ে ছাড়পত্র পেয়েছেন ১ লাখ ৩৪ হাজার ৪৫৮ জন।
গত ২৪ ঘণ্টায় হাম আক্রান্ত সন্দেহে ছয়জনের মৃত্যু হয়েছে এবং ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত হাম আক্রান্ত সন্দেহে মোট ৮৮০ শিশুর মৃত্যু হয়েছে।
অন্যদিকে, গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হামে কারো মৃত্যু হয়নি এবং ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত নিশ্চিত হামে ৯৯ জনের মৃত্যু হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বিদেশ ভ্রমণ ও স্বর্ণ কেনা থেকে বিরত থাকার জন্য দেশবাসীকে আহ্বান জানিয়েছেন।
তিনি ৭ দশমিক ৮ শতাংশ জিডিপি প্রবৃদ্ধির জন্য দেশবাসীকে অভিনন্দন জানিয়েছেন। একইসঙ্গে, তিনি আত্মনির্ভর ভারত গড়ার লক্ষ্যে নাগরিকদের স্বদেশি পণ্য ও সেবা ব্যবহারের প্রতিজ্ঞা নবায়নের জন্য আহ্বান জানিয়েছেন।মোদি বলেন, "৭ দশমিক ৮ শতাংশ প্রবৃদ্ধি দেশের জন্য আনন্দের বিষয়।" তিনি মন্তব্য করেন, এই সাফল্য দেশের মানুষের দৃঢ় সংকল্প, কঠোর পরিশ্রম ও সম্মিলিত শক্তির ফল।
বিশ্বের বর্তমান কঠিন পরিস্থিতির মধ্যে ভারতের এই প্রবৃদ্ধিকে একটি বড় অর্জন হিসেবে উল্লেখ করেন মোদি। তিনি বলেন, "বিশ্বজুড়ে যুদ্ধ ও সংকট চলছে, সরবরাহব্যবস্থা বাধাগ্রস্ত হয়েছে এবং ২০২০ সালের কোভিড মহামারির পর থেকে বিশ্ব অর্থনীতিতে স্থিতিশীলতা পুরোপুরি ফিরে আসেনি।"
তবুও, ভারত দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে।
সরকারি তথ্য অনুযায়ী, এপ্রিল-জুন ত্রৈমাসিকে ভারতের অর্থনীতি ৭ দশমিক ৮ শতাংশ বেড়েছে। ইরানের যুদ্ধ এবং এর কারণে তৈরি বৈশ্বিক অনিশ্চয়তা ভারতের অর্থনীতিতে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে বলে আশঙ্কা থাকলেও প্রবৃদ্ধির এই হার দেশটির অর্থনীতির শক্তিশালী অবস্থান তুলে ধরেছে।
বিদেশ ভ্রমণ ও অপ্রয়োজনীয় সোনা কেনায় নিরুৎসাহ
মোদি নাগরিকদের কেনাকাটা ও ভ্রমণের ক্ষেত্রে দেশীয় পণ্য ও সেবা বেছে নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।
তিনি অপ্রয়োজনীয় বিদেশ ভ্রমণ, বিদেশে বিয়ের অনুষ্ঠান এবং সোনা কেনা থেকে বিরত থাকার পরামর্শও দেন। তিনি বলেন, "পর্যটনের জন্য বিদেশে না গিয়ে দেশে ভ্রমণ করা উচিত।" বিদেশে বিয়ের অনুষ্ঠান না করে ‘ভারতে বিয়ে’ আয়োজনের আহ্বানও জানান তিনি। প্রধানমন্ত্রী প্রয়োজন না হলে সোনা না কেনার পরামর্শও দেন।
মোদি আরও বলেন, "মানুষ যত বেশি স্থানীয় পণ্য ও সেবা ব্যবহার করবে, ভারত তত বেশি এগিয়ে যাবে।"
তিনি উল্লেখ করেন, আত্মনির্ভরতার ওপর জোর অব্যাহত রাখতে পারলে ভারতের স্বাধীনতার ১০০ বছর পূর্তির সময় দেশের তরুণদের হাতে একটি উন্নত ভারত তুলে দেওয়া সম্ভব হবে।
দেশের অগ্রগতি উদযাপনের পাশাপাশি আরো কঠোর পরিশ্রমের আহ্বান জানিয়ে মোদি বলেন, সরকারের নীতি সঠিক এবং লক্ষ্য পরিষ্কার। ১৪০ কোটি ভারতীয়র সম্মিলিত শক্তি দেশকে আরো উচ্চতায় নিয়ে যাচ্ছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
মে মাসেও একই আহ্বান জানিয়েছিলেন মোদি
এর আগে চলতি বছরের মে মাসে আন্তর্জাতিক সংঘাতের কারণে সরবরাহব্যবস্থায় ব্যাঘাত, মূল্যবৃদ্ধি ও বৈশ্বিক অনিশ্চয়তা মোকাবেলায় নাগরিকদের সম্মিলিতভাবে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছিলেন মোদি। তিনি তখন সম্ভব হলে বাড়ি থেকে কাজ করার, পেট্রল-ডিজেলের ব্যবহার কমানোর, গণপরিবহন ব্যবহার এবং বৈদ্যুতিক যানবাহন ব্যবহারের পরামর্শ দেন।
এ ছাড়া এক বছরের জন্য অপ্রয়োজনীয় বিদেশ ভ্রমণ ও বিদেশে বিয়ের অনুষ্ঠান এড়িয়ে চলার আহ্বান জানিয়েছিলেন তিনি। বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের ওপর চাপ কমাতে অপ্রয়োজনীয় সোনা কেনা কমানোর পাশাপাশি ‘মেড ইন ইন্ডিয়া’ পণ্য বেশি কেনার আহ্বানও জানিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মোটরসাইকেলসহ গাড়ির মালিক-চালকদের জন্য একটি বড় সুখবর প্রদান করেছে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ)।
সরকার আগামী ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত মোটরযানের যাবতীয় কাগজপত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্স হালনাগাদ করার সময়সীমা বৃদ্ধি করেছে। মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) বিআরটিএ সামাজিক মাধ্যমে একটি জরুরি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।
বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে জরিমানা ছাড়া মূল কর ও ফি জমা দিয়ে সব ধরনের মোটরযানের কাগজপত্র যেমন ফিটনেস, ট্যাক্স-টোকেন ও রুট পারমিট এবং ড্রাইভিং লাইসেন্স হালনাগাদ করা সম্ভব হবে।
বিআরটিএ কর্তৃপক্ষ গ্রাহকদেরকে শেষবারের মতো সুযোগ দিয়ে আগামী ২৯ অক্টোবরের মধ্যে সব কাগজপত্র হালনাগাদ করার জন্য অনুরোধ জানিয়েছে।
এর আগে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে বিআরটিএ জানিয়েছে, মোটরযান বিক্রয়ের পর মালিকানা পরিবর্তন না করলে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, সড়ক পরিবহন আইন, ২০১৮-এর ২১ ধারা অনুযায়ী, কোনো মোটরযান বিক্রয় করার পর তার মালিকানা পরিবর্তন করা বাধ্যতামূলক।
তবে সম্প্রতি দেখা যাচ্ছে যে, অনেক ক্রেতা মালিকানা পরিবর্তন না করেই গাড়ি সড়ক বা মহাসড়কে ব্যবহার করছেন। এর ফলে বিক্রেতাদের বড় ধরনের আইনি ও আর্থিক জটিলতায় পড়তে হচ্ছে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরো উল্লেখ করা হয়েছে, মালিকানা পরিবর্তন না করার কারণে পুরনো মালিককেই ওই মোটরযানের জন্য নির্ধারিত অগ্রিম আয়কর, প্রযোজ্য ক্ষেত্রে ১৫০% অগ্রিম আয়কর এবং পরিবেশ সারচার্জ পরিশোধ করতে হচ্ছে। যা বিক্রেতার জন্য অনাকাঙ্ক্ষিত আর্থিক ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
সেবা সহজীকরণের লক্ষ্যে বিআরটিএ জানিয়েছে, বর্তমানে মালিকানা পরিবর্তনের প্রক্রিয়া অনেক দ্রুত করা হয়েছে। এখন অনলাইনে আবেদন করার পর বিক্রেতার উপস্থিতিতে হ্যান্ড-হেল্ড ডিভাইসের মাধ্যমে বায়োমেট্রিক (আঙুলের ছাপ) যাচাই করে একই দিনেই মালিকানা পরিবর্তনের কার্যক্রম সম্পন্ন করা হচ্ছে। একই সঙ্গে ক্রেতা বা নতুন মালিকও ডিজিটাল রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেটের জন্য বায়োমেট্রিক প্রদান করতে পারছেন।
এ অবস্থায়, সংশ্লিষ্ট সব মোটরযান মালিক ও ক্রেতাদের দ্রুত মালিকানা পরিবর্তন কার্যক্রম সম্পন্ন করার অনুরোধ জানিয়েছে বিআরটিএ। অন্যথায় নিয়ম অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে।
একই সঙ্গে, সড়ক পরিবহন আইন, ২০১৮ কঠোরভাবে কার্যকর করার লক্ষ্যে মোটরযান চালকদের ড্রাইভিং লাইসেন্সের পয়েন্ট কর্তন শুরু করেছে বিআরটিএ।
বিআরটিএ জানায়, সড়ক পরিবহন আইন, ২০১৮-এর ধারা-১১ (১) অনুযায়ী প্রতিটি ড্রাইভিং লাইসেন্সের বিপরীতে ১২টি পয়েন্ট বরাদ্দ থাকে। আইন অমান্য বা বিভিন্ন ধারা লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে অর্থদণ্ড বা কারাদণ্ডের পাশাপাশি চালকের লাইসেন্স থেকে অতিরিক্ত হিসেবে দোষসূচক পয়েন্ট কর্তন করা হচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) আওতাধীন চানখারপুল থেকে বকশীবাজার পর্যন্ত এলাকায় একটি সমন্বিত অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। আজ মঙ্গলবার দুপুরে, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবদুস সালামের উপস্থিতিতে এই কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়। অভিযানে অবৈধ দখল উচ্ছেদ, মশক নিধন, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এবং ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের ট্রেড লাইসেন্স যাচাইসহ বিভিন্ন কার্যক্রম অন্তর্ভুক্ত ছিল।
অভিযানের অংশ হিসেবে সড়ক ও ফুটপাত দখল করে গড়ে ওঠা অবৈধ স্থাপনা ও দোকানপাট অপসারণ করা হয়। ডিএসসিসি প্রশাসক জানান, জনসাধারণের চলাচলের পথ নির্বিঘ্ন রাখার লক্ষ্যে এবং নগরের সৌন্দর্য ও শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
সংশ্লিষ্ট এলাকায় মশক নিধন কার্যক্রমও পরিচালনা করা হয়। সম্ভাব্য মশার প্রজননস্থল চিহ্নিত করে লার্ভিসাইড প্রয়োগ করা হয় এবং প্রয়োজনীয় স্থানে মশক নিধন কার্যক্রম সম্পন্ন হয়।
এছাড়া, সড়ক, ফুটপাত ও আশপাশের এলাকায় জমে থাকা বর্জ্য অপসারণ এবং পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমও পরিচালিত হয়। নগরবাসীকে নির্ধারিত স্থানে বর্জ্য ফেলা এবং যত্রতত্র বর্জ্য না ফেলার জন্য আহ্বান জানানো হয়।
অভিযান চলাকালে বিভিন্ন দোকান ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের ট্রেড লাইসেন্স যাচাই করা হয়। বৈধ ট্রেড লাইসেন্স ছাড়া ব্যবসা পরিচালনা এবং লাইসেন্সের শর্ত অমান্য করে ব্যবসা পরিচালনার বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের সতর্ক করা হয়।
ডিএসসিসি প্রশাসক এ সময় বলেন, অভিযানে প্রথমে সংশ্লিষ্টদের সতর্ক করে সময় দেওয়া হচ্ছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা না নিলে পরবর্তী পর্যায়ে আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে। তিনি আরো বলেন, পুরো সড়ক পরিষ্কার রাখতে হবে। ফুটপাতে ব্যবসা করা ব্যক্তিদের সরে যেতে হবে এবং যাদের দোকানের ট্রেড লাইসেন্স নেই, তাদের লাইসেন্স নিতে হবে। লাইসেন্স নবায়নের প্রয়োজন হলে তা-ও করতে হবে।
দখলমুক্ত ফুটপাত, পরিচ্ছন্ন পরিবেশ, মশকমুক্ত নগর এবং নিয়মতান্ত্রিক ব্যবসা নিশ্চিত করতে মাঠপর্যায়ে এ ধরনের কার্যক্রম নিয়মিত পরিচালনা করা হবে। নগরবাসীর স্বাভাবিক চলাচল নিশ্চিত করা, জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা, পরিচ্ছন্ন পরিবেশ বজায় রাখা এবং সিটি কর্পোরেশনের বিধিবিধান বাস্তবায়নের লক্ষ্যে উচ্ছেদ, মশক নিধন, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও ট্রেড লাইসেন্স যাচাই- এই সমন্বিত কার্যক্রম পর্যায়ক্রমে দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের বিভিন্ন এলাকায় পরিচালনা করা হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ