মঙ্গলবার, ১ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৪:৫৬ পি.এম
ঢাকা, ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : সারাদেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হাম আক্রান্ত সন্দেহে ছয়টি শিশুর মৃত্যু ঘটেছে। ১৫ মার্চ থেকে ১ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত হাম ও হাম উপসর্গে মৃত রোগীর মোট সংখ্যা ৯৭৯ জনে পৌঁছেছে।
আজ স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কন্ট্রোলরুমের পক্ষ থেকে প্রকাশিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় হাম আক্রান্ত হিসেবে সন্দেহভাজন রোগীর সংখ্যা ১ হাজার ১৫৯ জন এবং ১৫ মার্চ থেকে ১ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত হাম আক্রান্ত হিসেবে সন্দেহভাজন রোগীর মোট সংখ্যা ১ লাখ ৫৯ হাজার ১৫০ জন।
গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হামরোগীর সংখ্যা ৭২ জন এবং ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত নিশ্চিত হামরোগীর মোট সংখ্যা ১৯ হাজার ৩৮৪ জন।
এছাড়া, গত ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত হাম রোগে আক্রান্ত সন্দেহে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১ লাখ ৩৯ হাজার ৫১৯ জন। একই সময়ে হাসপাতাল থেকে সুস্থ হয়ে ছাড়পত্র পেয়েছেন ১ লাখ ৩৪ হাজার ৪৫৮ জন।
গত ২৪ ঘণ্টায় হাম আক্রান্ত সন্দেহে ছয়জনের মৃত্যু হয়েছে এবং ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত হাম আক্রান্ত সন্দেহে মোট ৮৮০ শিশুর মৃত্যু হয়েছে।
অন্যদিকে, গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হামে কারো মৃত্যু হয়নি এবং ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত নিশ্চিত হামে ৯৯ জনের মৃত্যু হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বিদেশ ভ্রমণ ও স্বর্ণ কেনা থেকে বিরত থাকার জন্য দেশবাসীকে আহ্বান জানিয়েছেন।
তিনি ৭ দশমিক ৮ শতাংশ জিডিপি প্রবৃদ্ধির জন্য দেশবাসীকে অভিনন্দন জানিয়েছেন। একইসঙ্গে, তিনি আত্মনির্ভর ভারত গড়ার লক্ষ্যে নাগরিকদের স্বদেশি পণ্য ও সেবা ব্যবহারের প্রতিজ্ঞা নবায়নের জন্য আহ্বান জানিয়েছেন।মোদি বলেন, "৭ দশমিক ৮ শতাংশ প্রবৃদ্ধি দেশের জন্য আনন্দের বিষয়।" তিনি মন্তব্য করেন, এই সাফল্য দেশের মানুষের দৃঢ় সংকল্প, কঠোর পরিশ্রম ও সম্মিলিত শক্তির ফল।
বিশ্বের বর্তমান কঠিন পরিস্থিতির মধ্যে ভারতের এই প্রবৃদ্ধিকে একটি বড় অর্জন হিসেবে উল্লেখ করেন মোদি। তিনি বলেন, "বিশ্বজুড়ে যুদ্ধ ও সংকট চলছে, সরবরাহব্যবস্থা বাধাগ্রস্ত হয়েছে এবং ২০২০ সালের কোভিড মহামারির পর থেকে বিশ্ব অর্থনীতিতে স্থিতিশীলতা পুরোপুরি ফিরে আসেনি।"
তবুও, ভারত দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে।
সরকারি তথ্য অনুযায়ী, এপ্রিল-জুন ত্রৈমাসিকে ভারতের অর্থনীতি ৭ দশমিক ৮ শতাংশ বেড়েছে। ইরানের যুদ্ধ এবং এর কারণে তৈরি বৈশ্বিক অনিশ্চয়তা ভারতের অর্থনীতিতে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে বলে আশঙ্কা থাকলেও প্রবৃদ্ধির এই হার দেশটির অর্থনীতির শক্তিশালী অবস্থান তুলে ধরেছে।
বিদেশ ভ্রমণ ও অপ্রয়োজনীয় সোনা কেনায় নিরুৎসাহ
মোদি নাগরিকদের কেনাকাটা ও ভ্রমণের ক্ষেত্রে দেশীয় পণ্য ও সেবা বেছে নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।
তিনি অপ্রয়োজনীয় বিদেশ ভ্রমণ, বিদেশে বিয়ের অনুষ্ঠান এবং সোনা কেনা থেকে বিরত থাকার পরামর্শও দেন। তিনি বলেন, "পর্যটনের জন্য বিদেশে না গিয়ে দেশে ভ্রমণ করা উচিত।" বিদেশে বিয়ের অনুষ্ঠান না করে ‘ভারতে বিয়ে’ আয়োজনের আহ্বানও জানান তিনি। প্রধানমন্ত্রী প্রয়োজন না হলে সোনা না কেনার পরামর্শও দেন।
মোদি আরও বলেন, "মানুষ যত বেশি স্থানীয় পণ্য ও সেবা ব্যবহার করবে, ভারত তত বেশি এগিয়ে যাবে।"
তিনি উল্লেখ করেন, আত্মনির্ভরতার ওপর জোর অব্যাহত রাখতে পারলে ভারতের স্বাধীনতার ১০০ বছর পূর্তির সময় দেশের তরুণদের হাতে একটি উন্নত ভারত তুলে দেওয়া সম্ভব হবে।
দেশের অগ্রগতি উদযাপনের পাশাপাশি আরো কঠোর পরিশ্রমের আহ্বান জানিয়ে মোদি বলেন, সরকারের নীতি সঠিক এবং লক্ষ্য পরিষ্কার। ১৪০ কোটি ভারতীয়র সম্মিলিত শক্তি দেশকে আরো উচ্চতায় নিয়ে যাচ্ছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
মে মাসেও একই আহ্বান জানিয়েছিলেন মোদি
এর আগে চলতি বছরের মে মাসে আন্তর্জাতিক সংঘাতের কারণে সরবরাহব্যবস্থায় ব্যাঘাত, মূল্যবৃদ্ধি ও বৈশ্বিক অনিশ্চয়তা মোকাবেলায় নাগরিকদের সম্মিলিতভাবে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছিলেন মোদি। তিনি তখন সম্ভব হলে বাড়ি থেকে কাজ করার, পেট্রল-ডিজেলের ব্যবহার কমানোর, গণপরিবহন ব্যবহার এবং বৈদ্যুতিক যানবাহন ব্যবহারের পরামর্শ দেন।
এ ছাড়া এক বছরের জন্য অপ্রয়োজনীয় বিদেশ ভ্রমণ ও বিদেশে বিয়ের অনুষ্ঠান এড়িয়ে চলার আহ্বান জানিয়েছিলেন তিনি। বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের ওপর চাপ কমাতে অপ্রয়োজনীয় সোনা কেনা কমানোর পাশাপাশি ‘মেড ইন ইন্ডিয়া’ পণ্য বেশি কেনার আহ্বানও জানিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মোটরসাইকেলসহ গাড়ির মালিক-চালকদের জন্য একটি বড় সুখবর প্রদান করেছে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ)।
সরকার আগামী ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত মোটরযানের যাবতীয় কাগজপত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্স হালনাগাদ করার সময়সীমা বৃদ্ধি করেছে। মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) বিআরটিএ সামাজিক মাধ্যমে একটি জরুরি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।
বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে জরিমানা ছাড়া মূল কর ও ফি জমা দিয়ে সব ধরনের মোটরযানের কাগজপত্র যেমন ফিটনেস, ট্যাক্স-টোকেন ও রুট পারমিট এবং ড্রাইভিং লাইসেন্স হালনাগাদ করা সম্ভব হবে।
বিআরটিএ কর্তৃপক্ষ গ্রাহকদেরকে শেষবারের মতো সুযোগ দিয়ে আগামী ২৯ অক্টোবরের মধ্যে সব কাগজপত্র হালনাগাদ করার জন্য অনুরোধ জানিয়েছে।
এর আগে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে বিআরটিএ জানিয়েছে, মোটরযান বিক্রয়ের পর মালিকানা পরিবর্তন না করলে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, সড়ক পরিবহন আইন, ২০১৮-এর ২১ ধারা অনুযায়ী, কোনো মোটরযান বিক্রয় করার পর তার মালিকানা পরিবর্তন করা বাধ্যতামূলক।
তবে সম্প্রতি দেখা যাচ্ছে যে, অনেক ক্রেতা মালিকানা পরিবর্তন না করেই গাড়ি সড়ক বা মহাসড়কে ব্যবহার করছেন। এর ফলে বিক্রেতাদের বড় ধরনের আইনি ও আর্থিক জটিলতায় পড়তে হচ্ছে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরো উল্লেখ করা হয়েছে, মালিকানা পরিবর্তন না করার কারণে পুরনো মালিককেই ওই মোটরযানের জন্য নির্ধারিত অগ্রিম আয়কর, প্রযোজ্য ক্ষেত্রে ১৫০% অগ্রিম আয়কর এবং পরিবেশ সারচার্জ পরিশোধ করতে হচ্ছে। যা বিক্রেতার জন্য অনাকাঙ্ক্ষিত আর্থিক ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
সেবা সহজীকরণের লক্ষ্যে বিআরটিএ জানিয়েছে, বর্তমানে মালিকানা পরিবর্তনের প্রক্রিয়া অনেক দ্রুত করা হয়েছে। এখন অনলাইনে আবেদন করার পর বিক্রেতার উপস্থিতিতে হ্যান্ড-হেল্ড ডিভাইসের মাধ্যমে বায়োমেট্রিক (আঙুলের ছাপ) যাচাই করে একই দিনেই মালিকানা পরিবর্তনের কার্যক্রম সম্পন্ন করা হচ্ছে। একই সঙ্গে ক্রেতা বা নতুন মালিকও ডিজিটাল রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেটের জন্য বায়োমেট্রিক প্রদান করতে পারছেন।
এ অবস্থায়, সংশ্লিষ্ট সব মোটরযান মালিক ও ক্রেতাদের দ্রুত মালিকানা পরিবর্তন কার্যক্রম সম্পন্ন করার অনুরোধ জানিয়েছে বিআরটিএ। অন্যথায় নিয়ম অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে।
একই সঙ্গে, সড়ক পরিবহন আইন, ২০১৮ কঠোরভাবে কার্যকর করার লক্ষ্যে মোটরযান চালকদের ড্রাইভিং লাইসেন্সের পয়েন্ট কর্তন শুরু করেছে বিআরটিএ।
বিআরটিএ জানায়, সড়ক পরিবহন আইন, ২০১৮-এর ধারা-১১ (১) অনুযায়ী প্রতিটি ড্রাইভিং লাইসেন্সের বিপরীতে ১২টি পয়েন্ট বরাদ্দ থাকে। আইন অমান্য বা বিভিন্ন ধারা লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে অর্থদণ্ড বা কারাদণ্ডের পাশাপাশি চালকের লাইসেন্স থেকে অতিরিক্ত হিসেবে দোষসূচক পয়েন্ট কর্তন করা হচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) আওতাধীন চানখারপুল থেকে বকশীবাজার পর্যন্ত এলাকায় একটি সমন্বিত অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। আজ মঙ্গলবার দুপুরে, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবদুস সালামের উপস্থিতিতে এই কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়। অভিযানে অবৈধ দখল উচ্ছেদ, মশক নিধন, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এবং ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের ট্রেড লাইসেন্স যাচাইসহ বিভিন্ন কার্যক্রম অন্তর্ভুক্ত ছিল।
অভিযানের অংশ হিসেবে সড়ক ও ফুটপাত দখল করে গড়ে ওঠা অবৈধ স্থাপনা ও দোকানপাট অপসারণ করা হয়। ডিএসসিসি প্রশাসক জানান, জনসাধারণের চলাচলের পথ নির্বিঘ্ন রাখার লক্ষ্যে এবং নগরের সৌন্দর্য ও শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
সংশ্লিষ্ট এলাকায় মশক নিধন কার্যক্রমও পরিচালনা করা হয়। সম্ভাব্য মশার প্রজননস্থল চিহ্নিত করে লার্ভিসাইড প্রয়োগ করা হয় এবং প্রয়োজনীয় স্থানে মশক নিধন কার্যক্রম সম্পন্ন হয়।
এছাড়া, সড়ক, ফুটপাত ও আশপাশের এলাকায় জমে থাকা বর্জ্য অপসারণ এবং পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমও পরিচালিত হয়। নগরবাসীকে নির্ধারিত স্থানে বর্জ্য ফেলা এবং যত্রতত্র বর্জ্য না ফেলার জন্য আহ্বান জানানো হয়।
অভিযান চলাকালে বিভিন্ন দোকান ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের ট্রেড লাইসেন্স যাচাই করা হয়। বৈধ ট্রেড লাইসেন্স ছাড়া ব্যবসা পরিচালনা এবং লাইসেন্সের শর্ত অমান্য করে ব্যবসা পরিচালনার বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের সতর্ক করা হয়।
ডিএসসিসি প্রশাসক এ সময় বলেন, অভিযানে প্রথমে সংশ্লিষ্টদের সতর্ক করে সময় দেওয়া হচ্ছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা না নিলে পরবর্তী পর্যায়ে আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে। তিনি আরো বলেন, পুরো সড়ক পরিষ্কার রাখতে হবে। ফুটপাতে ব্যবসা করা ব্যক্তিদের সরে যেতে হবে এবং যাদের দোকানের ট্রেড লাইসেন্স নেই, তাদের লাইসেন্স নিতে হবে। লাইসেন্স নবায়নের প্রয়োজন হলে তা-ও করতে হবে।
দখলমুক্ত ফুটপাত, পরিচ্ছন্ন পরিবেশ, মশকমুক্ত নগর এবং নিয়মতান্ত্রিক ব্যবসা নিশ্চিত করতে মাঠপর্যায়ে এ ধরনের কার্যক্রম নিয়মিত পরিচালনা করা হবে। নগরবাসীর স্বাভাবিক চলাচল নিশ্চিত করা, জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা, পরিচ্ছন্ন পরিবেশ বজায় রাখা এবং সিটি কর্পোরেশনের বিধিবিধান বাস্তবায়নের লক্ষ্যে উচ্ছেদ, মশক নিধন, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও ট্রেড লাইসেন্স যাচাই- এই সমন্বিত কার্যক্রম পর্যায়ক্রমে দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের বিভিন্ন এলাকায় পরিচালনা করা হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভারতীয় তারকা অলরাউন্ডার হার্দিক পান্ডিয়ার চোট যেন তাকে কিছুতেই ছাড়ছে না। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ফিরে আসার পথে আবারও এক ধাক্কা খেলেন এই তারকা অলরাউন্ডার।
বেঙ্গালুরুতে বিসিসিআইয়ের সেন্টার অব এক্সেলেন্সে হার্দিকের রিহ্যাব চলছিল। আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে আসন্ন টি-টোয়েন্টি সিরিজে ভারতীয় দলে তার ফিরে আসার সম্ভাবনা ছিল, এমনটাই জানা গিয়েছিল।
কিন্তু শেষ মুহূর্তে পায়ে অস্বস্তি দেখা দেওয়ায়, আফগানদের বিরুদ্ধে তার খেলার সম্ভাবনা কার্যত শূন্য হয়ে গেছে।
এখন আসন্ন এশিয়ান গেমসেও তার ফেরার সম্ভাবনা অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে।
এক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, বেঙ্গালুরে রিহ্যাব চলাকালীন ধাপে ধাপে একের পর এক ফিটনেস টেস্টে পাস করছিলেন হার্দিক। তবে এই শেষ মুহূর্তের সমস্যার কারণে তার কামব্যাক পিছিয়ে গেছে। আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ ১৩ সেপ্টেম্বর দিল্লিতে শুরু হবে
এই সপ্তাহেই নির্বাচকরা স্কোয়াড বেছে নিতে পারেন। তার আগেই হার্দিকের চোট একটি বড় ধাক্কা হয়ে দাঁড়িয়েছে।
বিসিসিআইয়ের এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, হার্দিক পান্ডিয়া পুরোপুরি বোলিং করছিলেন এবং কোনো সমস্যা ছিল না। কিন্তু সম্প্রতি পায়ে অস্বস্তির কারণে তাকে বোলিংয়ে বিরতি নিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
শিগগিরই হার্দিক আবার বোলিং শুরু করবেন। তবে আফগানিস্তান সিরিজ শুরুর আগে সময় কম থাকায়, প্রয়োজনীয় ফিটনেসে পৌঁছানো তার জন্য কঠিন হতে পারে।
ব্যাটিং এবং মাঠে চলাফেরার ক্ষেত্রে বড় কোনো সমস্যা নেই হার্দিকের। কিন্তু আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ফেরার আগে এবং ধকল নেওয়ার জন্য ভারতীয় টিম ম্যানেজমেন্ট তার ফিটনেস নিয়ে পুরোপুরি নিশ্চিত হতে চায়।
৩২ বছর বয়সী হার্দিক শেষবার কোনো প্রতিযোগিতামূলক ম্যাচ খেলেছিলেন ২৪ মে। আইপিএলে মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের হয়ে ওই ম্যাচে অংশ নিয়েছিলেন তিনি। ভারতীয় দলের হয়ে শেষবার খেলেছিলেন ৮ মার্চ, যা ছিল টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ফাইনাল। এই চোটের কারণে এশিয়ান গেমসেও হার্দিকের খেলা নিয়ে সংশয় বেড়ে গেছে।
আফগানিস্তান সিরিজের আগে ভারত কিছুটা স্বস্তি পেয়েছে। আরেক পেসার-অলরাউন্ডার নীতীশ কুমার রেড্ডির ফিট হওয়ায়। অন্যদিকে, স্পিনার-অলরাউন্ডার ওয়াশিংটন সুন্দরও এই সিরিজের আগে ম্যাচের জন্য ফিট হতে পারেন। তবে আফগানদের বিরুদ্ধে তারকা পেসার জশপ্রীত বুমরার খেলার সম্ভাবনা খুবই কম।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ