বুধবার, ২৩শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১২:৪৪ এম
বিশ্বম্ভরপুর থানার পুলিশ আটক করেছে আওয়ামী লীগের সভাপতি বেনজির আহমেদ মানিককে, যিনি সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুর উপজেলা থেকে গ্রেফতার হন। মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) ভোর রাতে তার নিজ বাড়ি, যা ধনপুর ইউনিয়নের কাটাখালি গ্রামে অবস্থিত, সেখান থেকে তাকে আটক করা হয়।
স্থানীয় সূত্র এবং পুলিশ জানায়, বেনজির আহমেদ মানিককে নাশকতামূলক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণ, মিছিল এবং অপরাধ সংঘটনের চেষ্টার অভিযোগে আটক করা হয়েছে। উল্লেখ্য, গত ৪ আগস্ট বিশ্বম্ভরপুর উপজেলা সদরে ছাত্র-জনতার আন্দোলনে হামলার ঘটনা ঘটে। এই হামলার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় তিনি এজাহারভুক্ত আসামি।
বিশ্বম্ভরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আহম্মদ উল্লাহ ভূঁইয়া এ তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, বেনজির আহমেদ মানিককে ভোর রাতে আটক করা হয়েছে নাশকতামূলক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণের অভিযোগে এবং পরে তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ মেরিটাইম ইউনিভার্সিটির স্থায়ী ক্যাম্পাসে একাডেমিক কার্যক্রম শুরু করার প্রস্তুতি চট্টগ্রামে এগিয়ে চলছে। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের পরিকল্পনা অনুযায়ী, আগামী এপ্রিল-২০২৭ সেমিস্টারের প্রথম সপ্তাহ থেকে স্থায়ী ক্যাম্পাসে স্নাতক শ্রেণির সকল ক্লাস এবং নতুন ভর্তি হওয়া মাস্টার্স প্রথম সেমিস্টারের শিক্ষার্থীদের ক্লাস শুরু হবে।
এদিকে, এপ্রিল-২০২৭ সেমিস্টারে মাস্টার্স প্রোগ্রামে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীদের ক্লাস ঢাকার মিরপুর-১২-এর অস্থায়ী ক্যাম্পাসে চলতে থাকবে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস স্থানান্তর সমন্বয় ও ব্যবস্থাপনা কমিটির কার্যক্রম সম্পর্কিত একটি নোটিশে এসব তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে।
নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে যে, ঢাকার অস্থায়ী ক্যাম্পাস থেকে চট্টগ্রামের স্থায়ী ক্যাম্পাসে একাডেমিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে স্থানান্তরের জন্য ‘ক্যাম্পাস স্থানান্তর সমন্বয় ও ব্যবস্থাপনা কমিটি’ গঠন করা হয়েছে। বর্তমানে কমিটি স্থানান্তর কার্যক্রমের ‘Pre-Transition Phase’-এর আওতায় সামগ্রিক কর্মপরিকল্পনা প্রণয়নের কাজ করছে।
নোটিশ অনুযায়ী, স্থায়ী ক্যাম্পাসে এপ্রিল-২০২৭ সেমিস্টারের একাডেমিক কার্যক্রম নির্ধারিত সময়ে শুরু করতে শ্রেণিকক্ষ ও অফিসকক্ষে ব্যবহৃত সামগ্রী, জনবল এবং স্থায়ী সম্পদ স্থানান্তরের কাজ ১৫ থেকে ৩০ এপ্রিল ২০২৭-এর মধ্যে সম্পন্ন করতে হবে। তবে ল্যাবরেটরির মতো তুলনামূলক বেশি সময়সাপেক্ষ স্থায়ী সম্পদ স্থানান্তরের কাজ ১ থেকে ৩০ এপ্রিল ২০২৭-এর মধ্যে সম্পন্ন করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।
এদিকে, স্থায়ী ক্যাম্পাসে কার্যক্রম শুরুর পূর্বে অগ্রগামী দল হিসেবে প্রয়োজনীয় ন্যূনতম ও আবশ্যিক জনবল পাঠানোর পরিকল্পনা করা হয়েছে। ঢাকা ক্যাম্পাসে ব্যবহৃত শ্রেণিকক্ষের সামগ্রী, ল্যাবরেটরি ও অফিস সরঞ্জাম এবং সংশ্লিষ্ট জনবল স্থানান্তরের পরিকল্পনা তৈরি করতে বলা হয়েছে।
এ ছাড়া, কোন সরঞ্জাম ও আসবাবপত্র স্থায়ী ক্যাম্পাসে নেওয়া হবে এবং কোনগুলো অপ্রয়োজনীয় বা অচল হিসেবে বিবেচিত হবে, তার একটি তালিকা তৈরির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। অস্থায়ী ক্যাম্পাসে খণ্ডকালীন বা চুক্তিভিত্তিক শিক্ষক এবং বহিরাগত সুবিধা, যেমন ল্যাবরেটরি, ব্যবহারের ক্ষেত্রে স্থায়ী ক্যাম্পাসে প্রয়োজনীয় বিকল্প ব্যবস্থা গ্রহণের প্রস্তাবও চাওয়া হয়েছে।
নোটিশে আরও বলা হয়েছে যে, স্থানান্তর কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে প্রতিটি অনুষদকে তাদের ফোকাল পয়েন্টের নাম ও মোবাইল নম্বর প্রদান করতে হবে। সংশ্লিষ্ট অনুষদ ও দপ্তরগুলোকে আগামী ৪ অক্টোবর ২০২৬ তারিখের মধ্যে তাদের বিস্তারিত পরিকল্পনা ও মতামত ক্যাম্পাস স্থানান্তর সমন্বয় ও ব্যবস্থাপনা কমিটির কাছে পাঠাতে বলা হয়েছে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের ছয়টি অনুষদের ডিনকে এ সংক্রান্ত কার্যক্রম গ্রহণের জন্য নোটিশটি পাঠানো হয়েছে।
নতুন স্থায়ী ক্যাম্পাসে একাডেমিক কার্যক্রম স্থানান্তরের মাধ্যমে বাংলাদেশ মেরিটাইম ইউনিভার্সিটির দীর্ঘদিনের অস্থায়ী ক্যাম্পাসনির্ভর কার্যক্রমে একটি পরিবর্তন আসতে যাচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দেশের বড় বড় উন্নয়ন প্রকল্পের বাস্তবায়ন, এমপিদের প্রতিশ্রুতি বিশেষ কর্মসূচি, পরিবেশ উন্নয়ন এবং লেক দূষণ রোধের বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা হয়েছে। দেশের সামগ্রিক আইন-শৃঙ্খলা এবং জনভোগান্তি দূরীকরণ, সুশাসন ও প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কার নিশ্চিত করার লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের কেন্দ্রীয় সেলের জরুরী সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
গতকাল মঙ্গলবার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের কেন্দ্রীয় সেলের জরুরী সভাটি প্রধানমন্ত্রীর মূখ্য সচিব এবিএম আব্দুস সাত্তার সাহেবের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। সভায় উপস্থিত ছিলেন পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি, স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সচিব, সেনাবাহিনী ও নৌবাহিনীর উর্ধতন কর্মকর্তা, পুলিশের মহা-পরিদর্শক আলি হোসেন ফকির, ঢাকা ও গাজীপুর জেলা প্রশাসক এবং বাংলাদেশের সহকারী এটর্নি জেনারেল যুবদল কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির আইন সম্পাদক নূরে আলম সিদ্দিকী সোহাগসহ বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের গুরুত্বপূর্ণ কর্মকর্তাগণ।
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অধীনে নির্দিষ্ট গুরুত্বপূর্ণ কাজ তদারকি বা সমন্বয়ের জন্য বিভিন্ন সময়ে বিশেষ সেল বা অনুবিভাগ কাজ করে থাকে। এর মধ্যে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সমন্বয় ও ত্রাণ তৎপরতা মনিটরিং সেল রয়েছে, যা প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অধীনে জরুরি দুর্যোগ ও ত্রাণ কার্যক্রমের সার্বক্ষণিক মনিটরিংয়ের জন্য কাজ করে। সভায় দেশের বড় বড় উন্নয়ন প্রকল্প, এমপিদের প্রতিশ্রুতি বিশেষ কর্মসূচি, পরিবেশ উন্নয়ন, লেক দূষণ রোধ, আইন-শৃঙ্খলা ও জনভোগান্তি দূরীকরণ, সুশাসন ও প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কার নিশ্চিত করার বিষয়ে আলোচনা হয়েছে বলে জানা গেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ডিপ্লোমা স্তরের ৮৬টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে দীর্ঘ সময় ধরে শিক্ষার্থী ভর্তি কার্যক্রম পরিচালনা না করার কারণে কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) প্রদান করা হয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠানের পাঠদানের অনুমতি কেন বাতিল হবে না, সে বিষয়ে আগামী ১ অক্টোবরের মধ্যে ব্যাখ্যা চাওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের পক্ষ থেকে এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য প্রকাশিত হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের আওতাধীন ডিপ্লোমা ইন ইঞ্জিনিয়ারিং, ডিপ্লোমা ইন টেক্সটাইল এবং ডিপ্লোমা ইন অ্যাগ্রিকালচার শিক্ষাক্রম পরিচালনাকারী ৮৬টি প্রতিষ্ঠান বিগত তিন বছর ধরে শিক্ষার্থী ভর্তি কার্যক্রম পরিচালনা করেনি। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পাঠদান অনুমোদনের শর্তাবলিতে উল্লেখ রয়েছে যে, যদি প্রতিষ্ঠানে পর পর তিন বছর শিক্ষার্থী ভর্তি না হয়, তবে পাঠদান অনুমোদন বাতিল করা হবে।
এতে আরও জানানো হয়েছে, বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ডিপ্লোমা পর্যায়ের বেসরকারি কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান স্থাপন, পাঠদান ও স্বীকৃতি প্রদানসংক্রান্ত নীতিমালা-২০২০ এর বিধি ৫.৪ অনুযায়ী নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রতিষ্ঠানের ফলাফল, অবকাঠামো, শিক্ষক-কর্মচারী নিয়োগ, ব্যবস্থাপনা কমিটি, আসবাবপত্র, যন্ত্রপাতি, লাইব্রেরি, এবং পাঠদানের অনুমতি প্রদানকালে আরোপিত ও অন্যান্য প্রযোজ্য শর্তাবলি পূরণে ব্যর্থ হলে, সরকারের অনুমোদনক্রমে বোর্ড পাঠদানের অনুমতি বাতিল করতে পারবে।
এছাড়া, বিগত তিন বছর ধরে শিক্ষার্থী ভর্তি কার্যক্রম পরিচালনা না করার কারণে সংযুক্ত তালিকায় উল্লিখিত প্রতিষ্ঠানসমূহের আগামী ২০২৭-২৮ শিক্ষাবর্ষ থেকে ভর্তি কার্যক্রম স্থগিতসহ প্রতিষ্ঠানের পাঠদান অনুমোদন কেন বাতিল বা প্রত্যাহার করা হবে না, এ বিষয়ে আগামী ১ অক্টোবরের মধ্যে ব্যাখ্যা প্রদানের জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হয়েছে।
৮৬ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের তালিকা দেখুন এখানে .
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ নারী দলের প্রধান কোচ সারোয়ার ইমরান এশিয়ান গেমসে পাকিস্তানের কাছে হারের পর ড্রেসিংরুমের পরিবেশ ও নেতিবাচক প্রতিবেদন নিয়ে মন্তব্য করেছেন।
এশিয়ান গেমসে পাকিস্তানের কাছে হারের পর দেশে ফেরার সময় দলের ভেতরের অস্থিরতা নিয়ে কথা বলেছেন প্রধান কোচ সারোয়ার ইমরান। বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দলের টি-টোয়েন্টি অধিনায়কত্ব ছাড়ার সময় নিগার সুলতানা জানিয়েছিলেন, নিজের ব্যাটিংয়ে মনোযোগ দিতেই এই সিদ্ধান্ত। তবে, এশিয়ান গেমসে পাকিস্তানের কাছে হেরে পদকশূন্য হয়ে দেশে ফেরার পর দলের পরিস্থিতি নিয়ে মুখ খুলেছেন তিনি।
নিগার টি-টোয়েন্টি অধিনায়কত্ব চালিয়ে যেতে আগ্রহী ছিলেন না। একই সময়ে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড কোচিং স্টাফে পরিবর্তনের পরিকল্পনা করছে—এমন খবরও সামনে এসেছে। ইমরানের জায়গায় ডেভিড হেম্পকে প্রধান কোচ করার বিষয়টি আলোচনায় রয়েছে। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, ব্যাটিং কোচ নাসিরউদ্দিন ফারুককেও সরিয়ে হেম্পকে ব্যাটিং বিভাগের দায়িত্ব দেওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
এশিয়ান গেমসে পাকিস্তানের কাছে হারের পর দলের পরিস্থিতি নিয়ে ইমরান বলেন, “আমাদের ব্যর্থতার প্রধান দায়িত্ব কার—তা আপনারা আমার চেয়ে ভালো জানেন। যেভাবেই বিষয়টি দেখেন না কেন, প্রশ্নটা আমাকে করা হচ্ছে! আগে আমরা এমন অবস্থায় ছিলাম না। আমরা বিশ্বকাপে খেলেছি সম্পূর্ণ ভিন্ন পরিস্থিতিতে। এখন হঠাৎ সবকিছু বদলে গেছে।”
ইমরান মনে করেন, বাংলাদেশের সমস্যার শুরু এশিয়া কাপ থেকেই। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে কাছাকাছি ব্যবধানে হারের পর থেকেই দলের চারপাশে নানা প্রতিবেদন ও গুঞ্জন ছড়াতে থাকে। তিনি বলেন, “আমাদের সমস্যা আসলে এশিয়া কাপ থেকেই শুরু। সেখানে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে কাছাকাছি একটি ম্যাচ হেরেছিলাম। এরপর থেকেই বিভিন্ন জায়গা থেকে নানা ধরনের প্রতিবেদন ও গুঞ্জন আসতে থাকে। এমন অবস্থায় ইন্দোনেশিয়া ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের মতো দলের বিপক্ষে আমরা ১২০-১৩০ রান করতে পারিনি। সেই একই ধাক্কা আমরা এশিয়ান গেমসেও বয়ে এনেছি।”
নেতিবাচক খবর দলের খেলোয়াড়দের ওপর প্রভাব ফেলতে পারে বলেও মনে করেন ইমরান। তিনি বলেন, “এ ধরনের বিষয় দল ও খেলোয়াড়দের প্রভাবিত করতে পারে। আমি পুরোপুরি নিশ্চিত নই, তবে এটি অন্যতম কারণ হতে পারে। কোনো অজুহাত নয়, কিন্তু এটি একটি কারণ হতে পারে। আমরা নিজেদের ছন্দ খুঁজে পাচ্ছি না, সেই পর্যায়ে পৌঁছাতে পারছি না।”
দলের ব্যর্থতার মধ্যে কোচ ও অধিনায়ককে নিয়ে ভবিষ্যৎ অনিশ্চয়তার খবর প্রকাশ নিয়েও প্রশ্ন তোলেন ইমরান। তিনি বলেন, “ধরুন, বলা হচ্ছে আমাকে রাখা হবে না, তাকেও রাখা হবে না। একটি টুর্নামেন্ট চলাকালে এমন কথা হচ্ছে। আমরা টুর্নামেন্ট খেলছি। এর মাঝখানে আপনি প্রধান কোচ ও অধিনায়ককে এক পাশে সরিয়ে রাখলেন, এরপর কীভাবে ফল আশা করবেন?”
ইমরান জানান, আগামী অক্টোবরে তাঁর দুই বছরের চুক্তি শেষ হচ্ছে। তিনি বলেন, “আমার দুই বছরের চুক্তি অক্টোবরেই শেষ হচ্ছে। তাই আমারও কোনো প্রত্যাশা নেই।”
নিগারের অধিনায়কত্ব ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েও ইমরান বলেন, ব্যক্তিগত পর্যায়ে সমালোচনা খেলোয়াড়দের প্রভাবিত করে। তিনি বলেন, “নেতিবাচক প্রতিবেদনগুলো সামনে আসার পরই অধিনায়ক টি-টোয়েন্টির নেতৃত্ব চালিয়ে না যাওয়ার সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছে।”
বাংলাদেশ নারী ক্রিকেটের পিছিয়ে থাকার বড় কারণ হিসেবে অবকাঠামোগত ঘাটতির কথাও তুলে ধরেছেন ইমরান। তিনি বলেন, “নারী ক্রিকেট এখনো প্রয়োজনীয় কাঠামো তৈরি করতে পারেনি।”
ইমরান বলেন, “তারা (নারী ক্রিকেট) অবশ্যই আটকে আছে। আর এটি অনেক বড় একটি বিষয়। বাইরে থেকে দেখলে—সাংবাদিকসহ অনেকেই হয়তো ভাবেন, একটি দল শুধু নেটে অনুশীলন করে মাঠে গিয়ে খেলে। কিন্তু বিষয়টি এমন নয়। এর পেছনে একটি পুরো প্রক্রিয়া রয়েছে।”
শ্রীলঙ্কার উদাহরণ দিয়ে ইমরান বলেন, সেখানে স্কুল ক্রিকেটে শত শত মেয়েদের স্কুল প্রতিযোগিতায় অংশ নেয়। বাংলাদেশে এমন কাঠামো নেই বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
তিনি বলেন, “নতুন খেলোয়াড় উঠে আসছে না। একটি স্কোয়াড ডাকতে গেলেই আমরা মোটামুটি ৩০ জন খেলোয়াড় খুঁজে পাই। তাই ভিত্তিগত বিষয়গুলোতে নজর দিতে হবে। স্কুল ক্রিকেট, অনূর্ধ্ব-১৮, বয়সভিত্তিক ক্রিকেট এবং নারীদের জন্য আলাদা প্রশিক্ষণ সুবিধা প্রয়োজন। এখন এগুলোর কোনোটিই যথেষ্টভাবে নেই। এগুলো তৈরি হলেই নতুন প্রতিভা উঠে আসতে শুরু করবে।”
নারী ক্রিকেটের অবকাঠামোগত সমস্যা থাকলেও সাম্প্রতিক সময়ে এ নিয়ে কাজ শুরু হয়েছে বলে মনে করেন ইমরান। তিনি জানান, নাসিরউদ্দিন ফারুক দায়িত্ব নেওয়ার পর নারী দলকে পুরুষ দলের মতোই গুরুত্ব দেওয়ার চেষ্টা দেখতে পাচ্ছেন।
ইমরানের আশা, স্কুল ক্রিকেট চালু, অনূর্ধ্ব-১৮ কার্যক্রম, নারী হাই পারফরম্যান্স ক্যাম্প এবং আলাদা প্রশিক্ষণ সুবিধা চালু করা গেলে এক বছরের মধ্যে ভারত, পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কার সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার মতো অবস্থায় যেতে পারে বাংলাদেশ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ