১২:৫২ এম
কুয়াকাটা সমুদ্রসৈকতকে আন্তর্জাতিক মানের পর্যটনকেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের। এ লক্ষ্যে আধুনিক সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিতকরণ, পরিকল্পিত উন্নয়ন এবং প্রাকৃতিক পরিবেশ সংরক্ষণের ওপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করেছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত।
শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) সকালে পটুয়াখালীর কুয়াকাটায় হোটেল খান প্যালেসে পর্যটন মন্ত্রণালয়ের অধীন বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময়সভায় তিনি এই মন্তব্য করেন।
মন্ত্রী বলেন, একই সৈকত থেকে সূর্যোদয় ও সূর্যাস্ত দেখার সুযোগ এবং বিস্তীর্ণ বালুকাময় উপকূল কুয়াকাটাকে বিশেষ বৈশিষ্ট্য প্রদান করেছে। যথাযথ পরিকল্পনা ও উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা গেলে দেশি-বিদেশি পর্যটকদের কাছে এ সৈকত আরো আকর্ষণীয় হয়ে উঠবে।
আরও পড়ুন: ইসরাইল নির্বাচনে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই, সরকার গঠনে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা অধরাই
তিনি আরো বলেন, আন্তর্জাতিক মানের পর্যটনকেন্দ্র গড়ে তুলতে পর্যটকদের নিরাপত্তা, পরিচ্ছন্নতা, উন্নত যোগাযোগব্যবস্থা ও মানসম্মত আবাসন নিশ্চিত করা অপরিহার্য। পাশাপাশি আধুনিক গণশৌচাগার, বিশুদ্ধ পানির ব্যবস্থা, পর্যাপ্ত বসার স্থান, তথ্যকেন্দ্র, পার্কিং সুবিধা ও জরুরি চিকিৎসাসেবা চালু করার প্রয়োজন রয়েছে। পর্যটকদের নিরাপত্তায় প্রশিক্ষিত লাইফগার্ড নিয়োগ, উদ্ধারব্যবস্থা জোরদার এবং কার্যকর বর্জ্য ব্যবস্থাপনাও নিশ্চিত করা আবশ্যক।
এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত বলেন, কুয়াকাটার পর্যটন সম্ভাবনা কাজে লাগাতে সরকারি ও বেসরকারি উদ্যোগের সমন্বয় অপরিহার্য। স্থানীয় জনগণ ও ব্যবসায়ীদের সম্পৃক্ত করে পর্যটনসেবার মান বাড়ানো গেলে নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে এবং স্থানীয় অর্থনীতি গতিশীল হবে। বেসরকারি খাতের অংশগ্রহণ বৃদ্ধি পেলে সরকারের আয়ও বৃদ্ধি পাবে।
তিনি আশা প্রকাশ করেন, সমন্বিত পরিকল্পনা ও কার্যকর উদ্যোগের মাধ্যমে কুয়াকাটাকে আন্তর্জাতিক মানের সমুদ্রসৈকত হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব হবে। এতে দেশের পর্যটনশিল্পের বিকাশের পাশাপাশি দক্ষিণাঞ্চলের অর্থনৈতিক উন্নয়নেও ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।
আরও পড়ুন: ইসরায়েলে পার্লামেন্ট নির্বাচনের ভোট গণনা চলছে, লিকুদ পার্টি এগিয়ে
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন