ঢাকা সোমবার, ২৬শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১০ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৫ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
সোমবার, ২৬শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১০ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

মসজিদের ভেতর থেকে মুয়াজ্জিনের মরদেহ উদ্ধার


মসজিদের ভেতর থেকে মুয়াজ্জিনের মরদেহ উদ্ধার

পটুয়াখালীর দুমকীতে পুলিশ মো. সাইম (২০) নামের এক মুয়াজ্জিনের মরদেহ উদ্ধার করেছে, যা মসজিদের ভেতরের একটি কক্ষ থেকে পাওয়া যায়।

শুক্রবার (২৮ আগস্ট) রাতে পাঙ্গাসিয়া ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের হাওলাদার বাড়ি মসজিদ থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

 

আরও পড়ুন: যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বিএনপি নেতা আলহাজ্ব মোঃ খসরুল আলমের শুভেচ্ছা

নিহত সাইম পটুয়াখালী সদর উপজেলার লাউকাঠি ইউনিয়নের ছোট জামুরা এলাকার মৃত জব্বার মৃধার ছেলে। তিনি দীর্ঘ সময় ধরে ওই মসজিদে মুয়াজ্জিনের দায়িত্ব পালন করছিলেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে এক মুসল্লি মসজিদের দরজা খোলা দেখতে পান। এরপর তিনি ভেতরে প্রবেশ করে ইমাম ও মুয়াজ্জিনদের থাকার জন্য নির্ধারিত কক্ষে যান।

 

সেখানে তিনি খাটের ওপর সাইমকে পড়ে থাকতে দেখেন।

আরও পড়ুন: রাজবাড়ীর কালুখালীতে মোটরসাইকেল-ভ্যানের সংঘর্ষ, ট্রাকের চাপায় মাদ্রাসাছাত্র নিহত

ঘটনাটি জানাজানি হলে স্থানীয়রা সেখানে ছুটে আসেন। খবর পেয়ে পুলিশও ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়। পরে মরদেহ উদ্ধার করে পটুয়াখালী সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।

 

পুলিশ জানিয়েছে, মসজিদের ওই কক্ষের ফ্যানের হুকের সঙ্গে একটি দড়ি লাগানো অবস্থায় পাওয়া গেছে। একই সঙ্গে সাইমের গলায় দাগও দেখা গেছে। এসব বিষয় সামনে রেখে তার মৃত্যুর কারণ খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

দুমকি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জসিম উদ্দিন বলেন, ‘ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানতে বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

আরও পড়ুন: রাজবাড়ীতে টাপেন্টাডলসহ আটক ৩, বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড

 

সাইমের মৃত্যু আত্মহত্যা নাকি অন্য কোনো কারণে হয়েছে, সে বিষয়ে এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন ও পুলিশি তদন্তের পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নিউইয়র্কে নয়, পেন্টাগনে ৯/১১-এর ২৫তম বার্ষিকী পালন করবেন ট্রাম্প

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ২৯শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

১২:৩২ পি.এম


নিউইয়র্কে নয়, পেন্টাগনে ৯/১১-এর ২৫তম বার্ষিকী পালন করবেন ট্রাম্প

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প শুক্রবার জানিয়েছেন, ২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বরের সন্ত্রাসী হামলার ২৫তম বার্ষিকী তিনি পেন্টাগনে উদযাপন করবেন।

তবে নিউইয়র্কে অনুষ্ঠিত স্মরণ অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ না পাওয়ার কারণে তিনি সেখানে যাবেন না—এমন খবর তিনি ক্ষোভের সঙ্গে অস্বীকার করেছেন।

এএফপি সংবাদ সংস্থার খবর অনুযায়ী, নিউইয়র্ক টাইমসের একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ট্রাম্প প্রথমে নিউইয়র্কে ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারের টুইন টাওয়ারের স্থানে গিয়ে বক্তব্য দেওয়ার পরিকল্পনা করেছিলেন, যেখানে ৯/১১-এর ২৫তম বার্ষিকী স্মরণ করা হবে। কিন্তু স্মরণ অনুষ্ঠানের আয়োজকেরা সেখানে বক্তব্য দেওয়ার অনুমতি না দেওয়ায় তিনি তার পরিকল্পনা পরিবর্তন করেন।

শুক্রবার সাংবাদিকরা ট্রাম্পকে প্রশ্ন করেন, কেন তিনি ৯/১১-এর বার্ষিকীতে নিউইয়র্কে যাচ্ছেন না।

ট্রাম্প এর জবাবে বলেন, ‘কারণ, আমি পেন্টাগনে যাচ্ছি।’

সাংবাদিকরা জানতে চান, কেন তিনি একই সময়ে দুই জায়গাতেই যেতে পারবেন না। ট্রাম্প তখনও একই উত্তর দেন।

২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বরের ওই সন্ত্রাসী হামলায় প্রায় ৩ হাজার মানুষ নিহত হয়।

ইসলামপন্থী জঙ্গি সংগঠন আল-কায়েদার ছিনতাইকারীরা দুটি যাত্রীবাহী বিমান নিউইয়র্কের টুইন টাওয়ারে আছড়ে ফেলে। তৃতীয় একটি বিমান ওয়াশিংটনের কাছে পেন্টাগনে আঘাত হানে। যাত্রীদের প্রতিরোধের পর চতুর্থ বিমানটি পেনসিলভানিয়ার একটি মাঠে বিধ্বস্ত হয়।

হোয়াইট হাউস এএফপিকে জানিয়েছে যে, ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স এখনও নিউইয়র্কে সফর করছেন। প্রশাসনের কর্মকর্তারা তিনটি স্মরণস্থলেই উপস্থিত থাকবেন।

হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র আনা কেলি এক বিবৃতিতে বলেন, ‘এই মর্মান্তিক দিনের ২৫তম বার্ষিকীতে প্রেসিডেন্ট সেইসব মানুষকে স্মরণ করবেন, যারা দুষ্ট সন্ত্রাসীদের হাতে নিহত হয়েছেন। তিনি তাদের স্বজনদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাবেন এবং মার্কিন নাগরিকদের উদ্ধারে জীবন বাজি রাখা সাহসী উদ্ধারকর্মীদের প্রতি সম্মান জানাবেন।’

পেন্টাগনের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করা হয়নি।

এর আগে দ্য নিউইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদন নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ট্রাম্প একটি দীর্ঘ পোস্ট দেন। সেখানে তিনি সংবাদপত্রটির প্রতিবেদনকে তীব্রভাবে আক্রমণ করেন এবং এর সাংবাদিক ম্যাগি হ্যাবারম্যানকে কটাক্ষ করে ‘ম্যাগট হ্যাগারম্যান’ নামে অভিহিত করেন।

ট্রাম্প তার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে লিখেছেন, ‘এটি আরও একটি দুর্নীতিগ্রস্ত সংবাদ। আমি বছরের পর বছর বহুবার নিউইয়র্কে গিয়েছি, সেখানে কেউ কখনো বক্তব্য দেয় না। এটি একটি ‘গম্ভীর স্মরণ অনুষ্ঠান’!’

ট্রাম্প আরও বলেন, ‘ম্যাগট যা বানিয়ে লিখেছে, এমন কিছু আমি কখনো ভাবিওনি। আর সত্যি বলতে, আমি বক্তব্য না দিলেও খুশি, কারণ আমি সব সময়ই কথা বলছি। এটি নিহতদের এবং তাদের প্রিয় স্বজনদের স্মরণ করার দিন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স : বিদ্যমান  আইন বাস্তবায়নে সারাদেশে বিশেষ অভিযান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ২৯শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

১২:৩৫ পি.এম


মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স : বিদ্যমান  আইন বাস্তবায়নে সারাদেশে বিশেষ অভিযান

মাদকের বিস্তার রোধে সরকারের ঘোষিত জিরো টলারেন্স নীতি বর্তমানে মাঠ পর্যায়ে কার্যকরভাবে বাস্তবায়িত হচ্ছে। সারাদেশে এই বিশেষ অভিযানটি পুলিশ, র‌্যাব ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (ডিএনসি) এর সমন্বয়ে পরিচালিত হচ্ছে।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণের জন্য বিদ্যমান আইনি কাঠামোর মধ্যে অপরাধীদের জন্য সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রয়েছে। বর্তমানে মাদক সংক্রান্ত সকল অপরাধের বিচার মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ অনুযায়ী হচ্ছে। এই আইনে সর্বোচ্চ শাস্তি হিসেবে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা মৃত্যুদণ্ডের বিধান রয়েছে।

আইনের প্রথম তফসিলে মাদকদ্রব্যকে তিনটি শ্রেণিতে ভাগ করা হয়েছে। 'ক' শ্রেণি: সবচেয়ে ভয়ঙ্কর মাদক, যেমন- হেরোইন, কোকেন, ইয়াবা (অ্যামফিটামিন), পেথিডিন, আফিম, কোকা গাছ, প্রিকারসর কেমিক্যালস। এই শ্রেণির জন্য শাস্তি সবচেয়ে বেশি নির্ধারণ করা হয়েছে।

‘খ’ শ্রেণি: গাঁজা, ভাং, চরস ইত্যাদি। ‘গ’ শ্রেণি: অ্যালকোহল, বিয়ার, দেশি মদ, রেকটিফাইড স্পিরিট ইত্যাদি।

সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড:

আইনের পঞ্চম অধ্যায়ের ধারা ৩৬(১) এর সারণিতে দণ্ডের বিস্তারিত বিবরণ উল্লেখ রয়েছে। প্রথম তফসিলের ‘ক’ শ্রেণিভুক্ত মাদক যেমন- হেরোইন, কোকেন, ইয়াবা (অ্যামফিটামিন) এর ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ডের বিধান রয়েছে। ধারা ৩৬(১) এর ক্রমিক ৭ ও ৮ অনুযায়ী, ‘ক’ শ্রেণির ৪ নং ক্রমিকভুক্ত হেরোইন, কোকেন, মরফিন জাতীয় মাদকের পরিমাণ ২৫ গ্রাম বা মিলিলিটারের ঊর্ধ্বে হলে উৎপাদন, প্রক্রিয়াজাতকরণ, বহন, পরিবহন, আমদানি-রফতানি, ক্রয়-বিক্রয়, সংরক্ষণ ও হস্তান্তর- যে কোনো অপরাধে মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের বিধান রয়েছে। একইভাবে ক্রমিক ১০ অনুযায়ী, 'ক' শ্রেণির ৫ নং ক্রমিকভুক্ত ইয়াবা বা অ্যামফিটামিন জাতীয় মাদকের ক্ষেত্রে ৪০০ গ্রামের ঊর্ধ্বে হলে একই দণ্ড প্রযোজ্য।

‘ক’, ‘খ’, ‘গ’ শ্রেণির শাস্তি :

‘ক’ শ্রেণির ক্ষেত্রে ৫ গ্রাম পর্যন্ত হলে অন্যূন ১ বছর, অনূর্ধ্ব ৫ বছর, ৫-২৫ গ্রাম পর্যন্ত হলে অন্যূন ৫ বছর, অনূর্ধ্ব ১০ বছর কারাদণ্ডের বিধান রয়েছে। ‘খ’ শ্রেণিভুক্ত গাঁজা, ভাং, চরস এর ক্ষেত্রে ধারা ৩৬(১) এর ক্রমিক ১৯ ও ২০ অনুযায়ী, ১ কেজি পর্যন্ত হলে অন্যূন ১ বছর, অনূর্ধ্ব ৩ বছর, ১-৫ কেজি হলে অন্যূন ৩ বছর, অনূর্ধ্ব ৭ বছর এবং ৫ কেজির ঊর্ধ্বে হলে অন্যূন ৭ বছর, অনূর্ধ্ব ১০ বছর কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ডের বিধান রয়েছে।

'গ' শ্রেণিভুক্ত অ্যালকোহল জাতীয় মাদকের ক্ষেত্রে ক্রমিক ৩২ অনুযায়ী, ৫০ কেজি/লিটার পর্যন্ত অনূর্ধ্ব ১ বছর, ৫০-৫০০ কেজি/লিটার পর্যন্ত অন্যূন ৬ মাস, অনূর্ধ্ব ২ বছর এবং ৫০০ কেজি/লিটারের ঊর্ধ্বে হলে অন্যূন ২ বছর, অনূর্ধ্ব ৫ বছর কারাদণ্ডের বিধান রয়েছে।

মাদক সেবনে শাস্তি :

ধারা ৩৬(১) এর ক্রমিক ১৬ ও ২১ অনুযায়ী, 'ক' ও 'খ' শ্রেণির মাদক সেবনের ক্ষেত্রে সর্বনিম্ন শাস্তি অন্যূন ৩ মাস, অনূর্ধ্ব ২ বছর কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ডের বিধান রয়েছে। তবে ধারা ৩৬(৪) অনুযায়ী আদালত সেবনকারীকে কারাদণ্ডের পরিবর্তে মাদকাসক্তি নিরাময় কেন্দ্রে চিকিৎসার জন্য প্রেরণ করতে পারেন। চিকিৎসায় অনিচ্ছুক হলে অন্যূন ৬ মাস, অনূর্ধ্ব ৫ বছর কারাদণ্ডের বিধান রয়েছে।

এছাড়া ধারা ৩৬(৫) অনুযায়ী নেশাগ্রস্ত অবস্থায় জনশান্তি বিনষ্ট বা যানবাহন চালালে অনূর্ধ্ব ১ বছর কারাদণ্ডের বিধান রয়েছে, ধারা ৪৬ অনুযায়ী সকল অপরাধ আমলযোগ্য এবং ধারা ৪৭ অনুযায়ী গুরুতর অপরাধে জামিন প্রায় অসম্ভব।

৯০ কার্যদিবসের মধ্যে বিচার:

আইনের ধারা ৪৬ অনুযায়ী সকল মাদক অপরাধ আমলযোগ্য ও জামিন অযোগ্য। ধারা ৪৭ অনুযায়ী, আদালত সহজে জামিন দিতে পারবে না, যদি না সে নারী, শিশু বা শারীরিকভাবে বিকলাঙ্গ হয়। ধারা ৪৮ ও ৫১ অনুযায়ী গুরুতর অপরাধের বিচার দ্রুত, ৯০ কার্যদিবসের মধ্যে সম্পন্ন করতে হবে।

মোবাইল কোর্ট- সর্বোচ্চ ২ বছর পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদণ্ডের বিধান রয়েছে। ৩৬(১) এর ক্রমিক ১৬: 'ক' শ্রেণির মাদক সেবন (ধারা ৯(১)(গ) লঙ্ঘন)- শাস্তি অন্যূন ৩ মাস, অনূর্ধ্ব ২ বছর। যেমন - ইয়াবা, হেরোইন সেবনরত অবস্থায় ধরা পড়লে। ধারা ৩৬(১) এর ক্রমিক ২১ ও ২৫: 'খ' শ্রেণি (গাঁজা) ও 'খ' শ্রেণির ৩ নং (অ্যালকোহল) সেবন-শাস্তি ৩ মাস থেকে ২ বছর।

ধারা ৩৯: তল্লাশি ও গ্রেফতারের ক্ষমতার অপব্যবহার - কোনো অফিসার যদি বিনা কারণে কাউকে হয়রানিমূলক তল্লাশি বা গ্রেফতার করে, তার বিচারও মোবাইল কোর্টে হবে। শাস্তি অনূর্ধ্ব ১ বছর।

ধারা ৪২(১): যে অপরাধের জন্য স্বতন্ত্র কোনো শাস্তির উল্লেখ নেই, সেই সব লঘু অপরাধের শাস্তি অনূর্ধ্ব ১ বছর।

এসব ধারায় কোকেন, হেরোইন, ইয়াবাসহ মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের ‘ক’ তফসিলের মাদকদ্রব্য সেবন বা ব্যবহারসহ বিভিন্ন অপরাধের জন্য ৩ মাস থেকে সর্বোচ্চ ২ বছরের সাজার বিধান রয়েছে।

এ বিষয়ে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী এডভোকেট খালিদ হোসাইন রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা বাসস’কে জানান, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন সময়োপযোগী আইন। এই আইনে ধারা ৩৬ অনুযায়ী ২৫ গ্রাম হেরোইন বা ২০০ গ্রামের বেশি ইয়াবার জন্য মৃত্যুদণ্ডের মতো কঠোর শাস্তি রাখা হয়েছে যা সরকারের ঘোষিত জিরো টলারেন্স নীতি বাস্তবায়নে কার্যকর ভূমিকা রাখছে। অন্যদিকে ধারা ৩৬(৪) ও ধারা ১৮-তে মাদকসেবীকে অপরাধী না ভেবে রোগী হিসেবে চিকিৎসার সুযোগও রাখা হয়েছে। এটি অত্যন্ত মানবিক।

তিনি আরও বলেন, আইনটির ধারা ৫৭ অনুযায়ী মোবাইল কোর্টকে ২ বছর পর্যন্ত শাস্তি দেওয়ার ক্ষমতা দেওয়ায় মাঠ পর্যায়ে মাদক প্রতিরোধে দ্রুত বিচার সম্ভব হচ্ছে।

ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার মো. আকতার হোসেন রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা বাসসকে জানান, মাদকের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। মাদকের সঙ্গে যারা জড়িত তাদের কোন ভাবেই ছাড় দেওয়া হবে না।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মাদ্রাসাছাত্রকে বলাৎকারের মামলার আসামি গ্রেফতার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ২৯শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

১২:৩৮ পি.এম


মাদ্রাসাছাত্রকে বলাৎকারের মামলার আসামি গ্রেফতার

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে একাধিকবার বলাৎকারের অভিযোগে দায়ের করা মামলার আসামি সানজু বকশিকে (৪৭) গ্রেফতার করেছে র‌্যাব।

গ্রেফতার হওয়া সানজু বকশী সুন্দরগঞ্জ উপজেলার তালুক ফলগাছা এলাকার মৃত জয়নাল আবেদীনের পুত্র।

শনিবার (২৯ আগস্ট) সকালে র‌্যাব-১৩’র অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বিপ্লব কুমার গোস্বামী কর্তৃক স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই তথ্য জানানো হয়। এর আগে বৃহস্পতিবার রাতে টাঙ্গাইল সদর উপজেলার গড়াশিন বাজার এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়েছিল।

বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, মামলার গুরুত্বের কারণে অভিযুক্তকে গ্রেফতারের জন্য গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি করে র‌্যাব। এই প্রেক্ষাপটে, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার রাত পৌনে ১১টার দিকে সিপিসি-৩ র‌্যাব-১৩ গাইবান্ধা ক্যাম্প এবং সিপিসি-৩ র‌্যাব-১৪ টাঙ্গাইল ক্যাম্পের যৌথ অভিযানিক দল টাঙ্গাইল সদর উপজেলার গড়াশিন বাজার এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে সানজু বকশিকে গ্রেফতার করে। পরবর্তীতে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আসামিকে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বুন্দেসলিগায় অনন্য ইতিহাস নয়ারের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

শনিবার, ২৯শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

১২:৩৯ পি.এম


বুন্দেসলিগায় অনন্য ইতিহাস নয়ারের

বায়ার্ন মিউনিখের অধিনায়ক ম্যানুয়েল নয়ার জার্মান বুন্দেসলিগার ইতিহাসে একটি নতুন কীর্তি স্থাপন করেছেন। তিনি প্রথম ফুটবলার হিসেবে টানা ২১ মৌসুমে লিগে মাঠে নামার অনন্য রেকর্ড গড়েছেন।

নয়ার, যিনি ৪০ বছর বয়সী, শুক্রবার রাতে বুন্দেসলিগার নতুন মৌসুমের উদ্বোধনী ম্যাচে স্টুটগার্টের বিরুদ্ধে ৫–১ গোলের বিশাল জয় নিয়ে মাঠে নেমে এই ইতিহাস সৃষ্টি করেন।

এই মাইলফলক ম্যাচটি কেবল টানা ২১ মৌসুমের রেকর্ড নয়, বরং বায়ার্ন মিউনিখের জার্সিতে নয়ারের প্রতিযোগিতামূলক ম্যাচে ৬০০তম উপস্থিতি। ৪০ বছর বয়সী এই গোলকিপার রেকর্ড গড়ার পর জানিয়ে দিয়েছেন, তিনি এখনই থামছেন না। ম্যাচ শেষে তিনি বলেন, "আমি নিশ্চিতভাবেই দারুণ বোধ করছি এবং প্রতিদিন দলের সঙ্গে অনুশীলন করা ও মাঠে ম্যাচ খেলা ভীষণ উপভোগ করছি। এভাবে নতুন মৌসুম শুরু করতে পারাটা একটা স্বপ্নের মতো। আমরা ঠিক এমন একটি ফলই চেয়েছিলাম।"

টানা ২১ মৌসুমের অনন্য নজির

২০০৫ সালের আগস্টে শালকে ০৪-এর হয়ে বুন্দেসলিগায় অভিষেক ঘটে ২০ বছর বয়সী নয়ারের। এরপর ২০১১ সালে বায়ার্ন মিউনিখে যোগ দেওয়ার পর থেকে তিনি টানা খেলে যাচ্ছেন দলটির হয়ে। বুন্দেসলিগার ইতিহাসে সর্বাধিক মৌসুমে (২২টি) খেলার রেকর্ড সাবেক ফুটবলার ক্লাউস ফিখটেলের দখলে রয়েছে, তবে সেখানে বিরতি ছিল (১৯৮০-৮১ মৌসুমে দ্বিতীয় বিভাগে খেলেছিলেন)। ফলে কোনো বিরতি ছাড়া টানা ২১ মৌসুমে খেলার একক রেকর্ডের মালিক এখন শুধুমাত্র নয়ার।

নয়ারের বর্ণাঢ্য ক্যারিয়ারের পরিসংখ্যান:

১৩ শিরোপা: নয়ার ১৩টি বুন্দেসলিগা শিরোপা জিতেছেন। বুন্দেসলিগার ইতিহাসে সতীর্থ টমাস মুলারের সঙ্গে যৌথভাবে সবচেয়ে বেশি (১৩টি) লিগ শিরোপা জয়ের রেকর্ডও রয়েছে নয়ারের।

২৪৬টি ক্লিন শিট: বুন্দেসলিগার সর্বকালের ইতিহাসে সর্বাধিক ২৪৬ ম্যাচে গোল না খাওয়ার (ক্লিন শিট) রেকর্ড নয়ারের। ২০১৫-১৬ মৌসুমে এক আসরে সর্বাধিক ২১টি ক্লিন শিটের রেকর্ডও গড়েন তিনি।

৩৩টি বড় ট্রফি: শালকে, বায়ার্ন মিউনিখ ও জার্মানি জাতীয় দলের হয়ে ক্যারিয়ারে মোট ৩৩টি পেশাদার ট্রফি জিতেছেন এই জার্মান প্রাচীর।

আন্তর্জাতিক ও চ্যাম্পিয়নস লিগ: জার্মানির হয়ে ২০১৪ সালের বিশ্বকাপজয়ী নয়ার দেশের হয়ে ১২৮টি আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলেছেন। এছাড়া বায়ার্নের হয়ে জোড়া ইউয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগ ট্রফি জয়ের পাশাপাশি গোলকিপার হিসেবে বিশ্বকাপ (১৯) ও ইউরোতে (২০) সর্বাধিক ম্যাচ খেলার রেকর্ডও তার নামের পাশে রয়েছে।

ম্যাচ শেষে বায়ার্ন গোলকিপার বলেন, "স্টুটগার্ট যথেষ্ট ভালো দল, ওদের দলে ভালো কিছু ফুটবলার আছে এবং আক্রমণভাগও বেশ শক্তিশালী। তবে শুরু থেকেই নতুন মৌসুমটা নিখুঁতভাবে শুরু করার জন্য আমরা নিজেদের সবটুকু উজাড় করে দিতে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ ছিলাম। আমার মনে হয়, আজ মাঠে আমরা সেটি প্রমাণ করতে পেরেছি।"

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৫ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৫
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৭
মাগরিব ০৫:২৪
ইশা ০৬:৩৫
সূর্যোদয় : ০৬:০১ সূর্যাস্ত : ০৫:২৪
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%