ঢাকা সোমবার, ২৬শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১০ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৫ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
সোমবার, ২৬শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১০ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স : বিদ্যমান  আইন বাস্তবায়নে সারাদেশে বিশেষ অভিযান


মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স : বিদ্যমান  আইন বাস্তবায়নে সারাদেশে বিশেষ অভিযান

মাদকের বিস্তার রোধে সরকারের ঘোষিত জিরো টলারেন্স নীতি বর্তমানে মাঠ পর্যায়ে কার্যকরভাবে বাস্তবায়িত হচ্ছে। সারাদেশে এই বিশেষ অভিযানটি পুলিশ, র‌্যাব ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (ডিএনসি) এর সমন্বয়ে পরিচালিত হচ্ছে।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণের জন্য বিদ্যমান আইনি কাঠামোর মধ্যে অপরাধীদের জন্য সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রয়েছে। বর্তমানে মাদক সংক্রান্ত সকল অপরাধের বিচার মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ অনুযায়ী হচ্ছে। এই আইনে সর্বোচ্চ শাস্তি হিসেবে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা মৃত্যুদণ্ডের বিধান রয়েছে।

আইনের প্রথম তফসিলে মাদকদ্রব্যকে তিনটি শ্রেণিতে ভাগ করা হয়েছে। 'ক' শ্রেণি: সবচেয়ে ভয়ঙ্কর মাদক, যেমন- হেরোইন, কোকেন, ইয়াবা (অ্যামফিটামিন), পেথিডিন, আফিম, কোকা গাছ, প্রিকারসর কেমিক্যালস। এই শ্রেণির জন্য শাস্তি সবচেয়ে বেশি নির্ধারণ করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: জামায়াতের দাবি, আইজিপির বক্তব্য সংবিধান ও আইনের শাসনের পরিপন্থী

‘খ’ শ্রেণি: গাঁজা, ভাং, চরস ইত্যাদি। ‘গ’ শ্রেণি: অ্যালকোহল, বিয়ার, দেশি মদ, রেকটিফাইড স্পিরিট ইত্যাদি।

সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড:

আইনের পঞ্চম অধ্যায়ের ধারা ৩৬(১) এর সারণিতে দণ্ডের বিস্তারিত বিবরণ উল্লেখ রয়েছে। প্রথম তফসিলের ‘ক’ শ্রেণিভুক্ত মাদক যেমন- হেরোইন, কোকেন, ইয়াবা (অ্যামফিটামিন) এর ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ডের বিধান রয়েছে। ধারা ৩৬(১) এর ক্রমিক ৭ ও ৮ অনুযায়ী, ‘ক’ শ্রেণির ৪ নং ক্রমিকভুক্ত হেরোইন, কোকেন, মরফিন জাতীয় মাদকের পরিমাণ ২৫ গ্রাম বা মিলিলিটারের ঊর্ধ্বে হলে উৎপাদন, প্রক্রিয়াজাতকরণ, বহন, পরিবহন, আমদানি-রফতানি, ক্রয়-বিক্রয়, সংরক্ষণ ও হস্তান্তর- যে কোনো অপরাধে মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের বিধান রয়েছে। একইভাবে ক্রমিক ১০ অনুযায়ী, 'ক' শ্রেণির ৫ নং ক্রমিকভুক্ত ইয়াবা বা অ্যামফিটামিন জাতীয় মাদকের ক্ষেত্রে ৪০০ গ্রামের ঊর্ধ্বে হলে একই দণ্ড প্রযোজ্য।

‘ক’, ‘খ’, ‘গ’ শ্রেণির শাস্তি :

আরও পড়ুন: ক্রসফায়ারের চিন্তা পুলিশের ব্যর্থতা ও ফ্যাসিবাদী মানসিকতার প্রকাশ: আমীনের উদ্বেগ

‘ক’ শ্রেণির ক্ষেত্রে ৫ গ্রাম পর্যন্ত হলে অন্যূন ১ বছর, অনূর্ধ্ব ৫ বছর, ৫-২৫ গ্রাম পর্যন্ত হলে অন্যূন ৫ বছর, অনূর্ধ্ব ১০ বছর কারাদণ্ডের বিধান রয়েছে। ‘খ’ শ্রেণিভুক্ত গাঁজা, ভাং, চরস এর ক্ষেত্রে ধারা ৩৬(১) এর ক্রমিক ১৯ ও ২০ অনুযায়ী, ১ কেজি পর্যন্ত হলে অন্যূন ১ বছর, অনূর্ধ্ব ৩ বছর, ১-৫ কেজি হলে অন্যূন ৩ বছর, অনূর্ধ্ব ৭ বছর এবং ৫ কেজির ঊর্ধ্বে হলে অন্যূন ৭ বছর, অনূর্ধ্ব ১০ বছর কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ডের বিধান রয়েছে।

'গ' শ্রেণিভুক্ত অ্যালকোহল জাতীয় মাদকের ক্ষেত্রে ক্রমিক ৩২ অনুযায়ী, ৫০ কেজি/লিটার পর্যন্ত অনূর্ধ্ব ১ বছর, ৫০-৫০০ কেজি/লিটার পর্যন্ত অন্যূন ৬ মাস, অনূর্ধ্ব ২ বছর এবং ৫০০ কেজি/লিটারের ঊর্ধ্বে হলে অন্যূন ২ বছর, অনূর্ধ্ব ৫ বছর কারাদণ্ডের বিধান রয়েছে।

মাদক সেবনে শাস্তি :

ধারা ৩৬(১) এর ক্রমিক ১৬ ও ২১ অনুযায়ী, 'ক' ও 'খ' শ্রেণির মাদক সেবনের ক্ষেত্রে সর্বনিম্ন শাস্তি অন্যূন ৩ মাস, অনূর্ধ্ব ২ বছর কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ডের বিধান রয়েছে। তবে ধারা ৩৬(৪) অনুযায়ী আদালত সেবনকারীকে কারাদণ্ডের পরিবর্তে মাদকাসক্তি নিরাময় কেন্দ্রে চিকিৎসার জন্য প্রেরণ করতে পারেন। চিকিৎসায় অনিচ্ছুক হলে অন্যূন ৬ মাস, অনূর্ধ্ব ৫ বছর কারাদণ্ডের বিধান রয়েছে।

আরও পড়ুন: চাঁদাবাজি ও সিন্ডিকেটের কারণে কৃষকদের সংকট বাড়ছে: আখতার হোসেন

এছাড়া ধারা ৩৬(৫) অনুযায়ী নেশাগ্রস্ত অবস্থায় জনশান্তি বিনষ্ট বা যানবাহন চালালে অনূর্ধ্ব ১ বছর কারাদণ্ডের বিধান রয়েছে, ধারা ৪৬ অনুযায়ী সকল অপরাধ আমলযোগ্য এবং ধারা ৪৭ অনুযায়ী গুরুতর অপরাধে জামিন প্রায় অসম্ভব।

৯০ কার্যদিবসের মধ্যে বিচার:

আইনের ধারা ৪৬ অনুযায়ী সকল মাদক অপরাধ আমলযোগ্য ও জামিন অযোগ্য। ধারা ৪৭ অনুযায়ী, আদালত সহজে জামিন দিতে পারবে না, যদি না সে নারী, শিশু বা শারীরিকভাবে বিকলাঙ্গ হয়। ধারা ৪৮ ও ৫১ অনুযায়ী গুরুতর অপরাধের বিচার দ্রুত, ৯০ কার্যদিবসের মধ্যে সম্পন্ন করতে হবে।

মোবাইল কোর্ট- সর্বোচ্চ ২ বছর পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদণ্ডের বিধান রয়েছে। ৩৬(১) এর ক্রমিক ১৬: 'ক' শ্রেণির মাদক সেবন (ধারা ৯(১)(গ) লঙ্ঘন)- শাস্তি অন্যূন ৩ মাস, অনূর্ধ্ব ২ বছর। যেমন - ইয়াবা, হেরোইন সেবনরত অবস্থায় ধরা পড়লে। ধারা ৩৬(১) এর ক্রমিক ২১ ও ২৫: 'খ' শ্রেণি (গাঁজা) ও 'খ' শ্রেণির ৩ নং (অ্যালকোহল) সেবন-শাস্তি ৩ মাস থেকে ২ বছর।

আরও পড়ুন: ‘জয় বাংলা’ স্লোগান গ্রহণ করে রাজ্যকে বৃহত্তর বাংলাদেশে পরিণত করতে চেয়েছিল তৃণমূল

ধারা ৩৯: তল্লাশি ও গ্রেফতারের ক্ষমতার অপব্যবহার - কোনো অফিসার যদি বিনা কারণে কাউকে হয়রানিমূলক তল্লাশি বা গ্রেফতার করে, তার বিচারও মোবাইল কোর্টে হবে। শাস্তি অনূর্ধ্ব ১ বছর।

ধারা ৪২(১): যে অপরাধের জন্য স্বতন্ত্র কোনো শাস্তির উল্লেখ নেই, সেই সব লঘু অপরাধের শাস্তি অনূর্ধ্ব ১ বছর।

এসব ধারায় কোকেন, হেরোইন, ইয়াবাসহ মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের ‘ক’ তফসিলের মাদকদ্রব্য সেবন বা ব্যবহারসহ বিভিন্ন অপরাধের জন্য ৩ মাস থেকে সর্বোচ্চ ২ বছরের সাজার বিধান রয়েছে।

এ বিষয়ে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী এডভোকেট খালিদ হোসাইন রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা বাসস’কে জানান, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন সময়োপযোগী আইন। এই আইনে ধারা ৩৬ অনুযায়ী ২৫ গ্রাম হেরোইন বা ২০০ গ্রামের বেশি ইয়াবার জন্য মৃত্যুদণ্ডের মতো কঠোর শাস্তি রাখা হয়েছে যা সরকারের ঘোষিত জিরো টলারেন্স নীতি বাস্তবায়নে কার্যকর ভূমিকা রাখছে। অন্যদিকে ধারা ৩৬(৪) ও ধারা ১৮-তে মাদকসেবীকে অপরাধী না ভেবে রোগী হিসেবে চিকিৎসার সুযোগও রাখা হয়েছে। এটি অত্যন্ত মানবিক।

আরও পড়ুন: আহসান হাবিবকে এনবিআরের চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ দিলেন রাষ্ট্রপতি

তিনি আরও বলেন, আইনটির ধারা ৫৭ অনুযায়ী মোবাইল কোর্টকে ২ বছর পর্যন্ত শাস্তি দেওয়ার ক্ষমতা দেওয়ায় মাঠ পর্যায়ে মাদক প্রতিরোধে দ্রুত বিচার সম্ভব হচ্ছে।

ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার মো. আকতার হোসেন রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা বাসসকে জানান, মাদকের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। মাদকের সঙ্গে যারা জড়িত তাদের কোন ভাবেই ছাড় দেওয়া হবে না।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মাদ্রাসাছাত্রকে বলাৎকারের মামলার আসামি গ্রেফতার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ২৯শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

১২:৩৮ পি.এম


মাদ্রাসাছাত্রকে বলাৎকারের মামলার আসামি গ্রেফতার

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে একাধিকবার বলাৎকারের অভিযোগে দায়ের করা মামলার আসামি সানজু বকশিকে (৪৭) গ্রেফতার করেছে র‌্যাব।

গ্রেফতার হওয়া সানজু বকশী সুন্দরগঞ্জ উপজেলার তালুক ফলগাছা এলাকার মৃত জয়নাল আবেদীনের পুত্র।

শনিবার (২৯ আগস্ট) সকালে র‌্যাব-১৩’র অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বিপ্লব কুমার গোস্বামী কর্তৃক স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই তথ্য জানানো হয়। এর আগে বৃহস্পতিবার রাতে টাঙ্গাইল সদর উপজেলার গড়াশিন বাজার এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়েছিল।

বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, মামলার গুরুত্বের কারণে অভিযুক্তকে গ্রেফতারের জন্য গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি করে র‌্যাব। এই প্রেক্ষাপটে, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার রাত পৌনে ১১টার দিকে সিপিসি-৩ র‌্যাব-১৩ গাইবান্ধা ক্যাম্প এবং সিপিসি-৩ র‌্যাব-১৪ টাঙ্গাইল ক্যাম্পের যৌথ অভিযানিক দল টাঙ্গাইল সদর উপজেলার গড়াশিন বাজার এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে সানজু বকশিকে গ্রেফতার করে। পরবর্তীতে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আসামিকে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বুন্দেসলিগায় অনন্য ইতিহাস নয়ারের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

শনিবার, ২৯শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

১২:৩৯ পি.এম


বুন্দেসলিগায় অনন্য ইতিহাস নয়ারের

বায়ার্ন মিউনিখের অধিনায়ক ম্যানুয়েল নয়ার জার্মান বুন্দেসলিগার ইতিহাসে একটি নতুন কীর্তি স্থাপন করেছেন। তিনি প্রথম ফুটবলার হিসেবে টানা ২১ মৌসুমে লিগে মাঠে নামার অনন্য রেকর্ড গড়েছেন।

নয়ার, যিনি ৪০ বছর বয়সী, শুক্রবার রাতে বুন্দেসলিগার নতুন মৌসুমের উদ্বোধনী ম্যাচে স্টুটগার্টের বিরুদ্ধে ৫–১ গোলের বিশাল জয় নিয়ে মাঠে নেমে এই ইতিহাস সৃষ্টি করেন।

এই মাইলফলক ম্যাচটি কেবল টানা ২১ মৌসুমের রেকর্ড নয়, বরং বায়ার্ন মিউনিখের জার্সিতে নয়ারের প্রতিযোগিতামূলক ম্যাচে ৬০০তম উপস্থিতি। ৪০ বছর বয়সী এই গোলকিপার রেকর্ড গড়ার পর জানিয়ে দিয়েছেন, তিনি এখনই থামছেন না। ম্যাচ শেষে তিনি বলেন, "আমি নিশ্চিতভাবেই দারুণ বোধ করছি এবং প্রতিদিন দলের সঙ্গে অনুশীলন করা ও মাঠে ম্যাচ খেলা ভীষণ উপভোগ করছি। এভাবে নতুন মৌসুম শুরু করতে পারাটা একটা স্বপ্নের মতো। আমরা ঠিক এমন একটি ফলই চেয়েছিলাম।"

টানা ২১ মৌসুমের অনন্য নজির

২০০৫ সালের আগস্টে শালকে ০৪-এর হয়ে বুন্দেসলিগায় অভিষেক ঘটে ২০ বছর বয়সী নয়ারের। এরপর ২০১১ সালে বায়ার্ন মিউনিখে যোগ দেওয়ার পর থেকে তিনি টানা খেলে যাচ্ছেন দলটির হয়ে। বুন্দেসলিগার ইতিহাসে সর্বাধিক মৌসুমে (২২টি) খেলার রেকর্ড সাবেক ফুটবলার ক্লাউস ফিখটেলের দখলে রয়েছে, তবে সেখানে বিরতি ছিল (১৯৮০-৮১ মৌসুমে দ্বিতীয় বিভাগে খেলেছিলেন)। ফলে কোনো বিরতি ছাড়া টানা ২১ মৌসুমে খেলার একক রেকর্ডের মালিক এখন শুধুমাত্র নয়ার।

নয়ারের বর্ণাঢ্য ক্যারিয়ারের পরিসংখ্যান:

১৩ শিরোপা: নয়ার ১৩টি বুন্দেসলিগা শিরোপা জিতেছেন। বুন্দেসলিগার ইতিহাসে সতীর্থ টমাস মুলারের সঙ্গে যৌথভাবে সবচেয়ে বেশি (১৩টি) লিগ শিরোপা জয়ের রেকর্ডও রয়েছে নয়ারের।

২৪৬টি ক্লিন শিট: বুন্দেসলিগার সর্বকালের ইতিহাসে সর্বাধিক ২৪৬ ম্যাচে গোল না খাওয়ার (ক্লিন শিট) রেকর্ড নয়ারের। ২০১৫-১৬ মৌসুমে এক আসরে সর্বাধিক ২১টি ক্লিন শিটের রেকর্ডও গড়েন তিনি।

৩৩টি বড় ট্রফি: শালকে, বায়ার্ন মিউনিখ ও জার্মানি জাতীয় দলের হয়ে ক্যারিয়ারে মোট ৩৩টি পেশাদার ট্রফি জিতেছেন এই জার্মান প্রাচীর।

আন্তর্জাতিক ও চ্যাম্পিয়নস লিগ: জার্মানির হয়ে ২০১৪ সালের বিশ্বকাপজয়ী নয়ার দেশের হয়ে ১২৮টি আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলেছেন। এছাড়া বায়ার্নের হয়ে জোড়া ইউয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগ ট্রফি জয়ের পাশাপাশি গোলকিপার হিসেবে বিশ্বকাপ (১৯) ও ইউরোতে (২০) সর্বাধিক ম্যাচ খেলার রেকর্ডও তার নামের পাশে রয়েছে।

ম্যাচ শেষে বায়ার্ন গোলকিপার বলেন, "স্টুটগার্ট যথেষ্ট ভালো দল, ওদের দলে ভালো কিছু ফুটবলার আছে এবং আক্রমণভাগও বেশ শক্তিশালী। তবে শুরু থেকেই নতুন মৌসুমটা নিখুঁতভাবে শুরু করার জন্য আমরা নিজেদের সবটুকু উজাড় করে দিতে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ ছিলাম। আমার মনে হয়, আজ মাঠে আমরা সেটি প্রমাণ করতে পেরেছি।"

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপ, ৪ সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ২৯শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

১২:৪২ পি.এম


বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপ, ৪ সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত

উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরে একটি লঘুচাপের সৃষ্টি ঘটেছে। এর ফলে সমুদ্রবন্দর এবং উপকূলীয় অঞ্চলে ঝোড়ো হাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এই কারণে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা এবং পায়রা সমুদ্রবন্দরগুলোকে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত প্রদর্শনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

শনিবার (২৯ আগস্ট) আবহাওয়া অধিদপ্তরের ঝড় সতর্কীকরণ কেন্দ্র থেকে এই সতর্কবার্তা প্রকাশ করা হয়।

আবহাওয়াবিদ ড. মো. ওমর ফারুকের স্বাক্ষরিত সতর্কবার্তায় জানানো হয়েছে, উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর এবং এর পার্শ্ববর্তী পশ্চিমবঙ্গ ও উত্তর ওড়িশা উপকূলীয় এলাকায় লঘুচাপের সৃষ্টি হয়েছে। এটি পশ্চিম-উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

লঘুচাপের প্রভাবে সমুদ্রবন্দর, উত্তর বঙ্গোপসাগর এবং এর সংলগ্ন বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চলে ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। এই কারণে চারটি সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত জারি করা হয়েছে।

এদিকে, উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারগুলোকে পরবর্তী নির্দেশনা না আসা পর্যন্ত উপকূলের নিকটবর্তী হয়ে সাবধানে চলাচল করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

‘আমরা দেখিয়েছি সেরাদের সঙ্গে প্রতিযোগিতা করতে পারি’

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

শনিবার, ২৯শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

১২:৪৫ পি.এম


‘আমরা দেখিয়েছি সেরাদের সঙ্গে প্রতিযোগিতা করতে পারি’

দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে আবারও বিস্ময়কর প্রদর্শন করল নামিবিয়া। নিয়মিত দলের বেশির ভাগ খেলোয়াড়কে বিশ্রামে রেখে মাঠে নামা প্রোটিয়াদের ১৮ রানে পরাজিত করে ত্রিদেশীয় টি-টোয়েন্টি সিরিজে অসাধারণ সূচনা করেছে স্বাগতিকরা। এই জয়ের মাধ্যমে দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে টি-টোয়েন্টিতে অপরাজেয় থাকার রেকর্ড বজায় রেখেছে গেরহার্ড এরাসমাসের দল। ম্যাচের নায়ক ছিলেন পেসার রুবেন ট্রাম্পেলম্যান, যিনি বিপজ্জনক ডিওয়াল্ড ব্রেভিসসহ ৩ উইকেট দখল করেন।

উইন্ডহোকে শুক্রবার টস জিতে প্রথমে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয় নামিবিয়া। লুরেন স্টিনক্যাম্প ও জ্যান ফ্রাইলিঙ্কের ৮৪ রানের জুটি দশম ওভারে ভেঙে যায়। ২৯ বলে ৪১ রানে প্রোটিয়াদের নতুন অধিনায়ক বিয়র্ন ফোরটুইনের শিকার হন স্টিনক্যাম্প। ৩৮ বলে ৬ চার ও ২ ছয়ে ৬০ রান করেন ফ্রাইলিঙ্ক। এরপর দলের ৬ উইকেট হারিয়ে বিপদের মধ্যে পড়ে নামিবিয়া, যখন তারা ১৩৩ রানের মধ্যে পৌঁছায়। শেষের আগের ওভারে টানা দুটি উইকেট হারায় নামিবিয়া। রুবেন ট্রাম্পেলম্যান ৬ বলে ১২ রানের ক্যামিও ইনিংস খেলে দলীয় স্কোর ১৬৩ রানে নিয়ে যান।

লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে প্রোটিয়ারা পরপর দুই ওভারে ২৪ রানের মধ্যে দুই ওপেনার জর্ডান হারমান ও লুয়ান দ্রে প্রিটোরিয়াসকে হারায়। ডেওয়াল্ড ব্রেভিস একপ্রান্ত ধরে রাখলেও অন্য প্রান্তে কেউ স্থায়ী হতে পারেনি। বাকিদের ব্যর্থতায় ব্রেভিসের ঝড় দক্ষিণ আফ্রিকাকে জয় এনে দিতে পারেনি। শেষ পর্যন্ত প্রোটিয়ারা ১৪৫ রানে থামে।

জয়ের পর নামিবিয়ার অধিনায়ক গতবছর দক্ষিণ আফ্রিকাকে হারানোর স্মৃতি মনে করিয়ে দেন। গেরহার্ড এরাসমাস বলেন, "এটা (দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে জয়) খুবই গুরুত্বপূর্ণ, এটা প্রমাণ করে যে আমরা এই পর্যায়ের এবং আগের জয় বা বড় জয়গুলো কোনো আকস্মিক ঘটনা ছিল না।"

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে আগেই চমক দেখিয়েছে নামিবিয়া। গতবছর দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে ঘরের মাঠেও জয় পেয়েছিল তারা।

এ নিয়ে অধিনায়ক বলেন, "শুধু বিশ্বকাপে না, আমরা দেখিয়েছি যে ঘরের মাঠেও আমরা ধারাবাহিক হতে পারি এবং সেরাদের সঙ্গে প্রতিযোগিতা করতে পারি।"

এরাসমাস মনে করেন, সবাই নিজ নিজ দায়িত্ব পালন করায় দলগত পারফরম্যান্সে জয় এসেছে নামিবিয়ার।

তিনি বলেন, "পাওয়ারপ্লেতে ব্যাটাররা ভালো করেছে, বোলাররাও খেলায় নিজেদের মানিয়ে নিয়েছে। বোলারদের কৃতিত্ব দিতেই হয়, কারণ ব্রেভিস তাদের হয়ে দলকে ধরে রেখেছিল। প্রত্যেকেই নিজ নিজ ভূমিকা পালন করেছে, যা দলটিকে হারানো কঠিন করে তুলেছে।"

তবে নামিবিয়া এক জয় নিয়েই সন্তুষ্ট নয়। তাদের লক্ষ্য এই সিরিজের ট্রফিজয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৫ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৫
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৭
মাগরিব ০৫:২৪
ইশা ০৬:৩৫
সূর্যোদয় : ০৬:০১ সূর্যাস্ত : ০৫:২৪
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%