ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং
পাবনার আর আতাইকুলা ইউনিয়ন ভূমি অফিস

ঝাড়ুদার করছেন অফিস সহায়কের কাজ, নিচ্ছেন অনৈতিক সুবিধা


ঝাড়ুদার করছেন অফিস সহায়কের কাজ, নিচ্ছেন অনৈতিক সুবিধা

পাবনার সাঁথিয়া উপজেলার আর আতাইকুলা ইউনিয়ন ভূমি অফিসে ঝাড়ুদার পদে অস্থায়ী নিয়োগপ্রাপ্ত হাসান আলী খাঁ অফিস সহায়কের চেয়ারে বসে কম্পিউটারের কাজ করছেন। তিনি সেবা নিতে আসা মানুষের কাছ থেকে নিচ্ছেন অনৈতিক সুবিধা। মাসে মাত্র ৩ হাজার টাকায় ঝাড়ুদারের চাকরি করে তিনি গ্রামে বিলাসবহুল একটি বাড়ি নির্মাণ করেছেন।

হাসানের গ্রামের বাড়ি আতাইকুলা বাজার এলাকার রঘুনাথপুর গ্রামে গেলে তার কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত একতলা বিলাসবহুল বাড়ির সন্ধান পাওয়া যায়।

গত মঙ্গলবার (২৩ জুন) দুপুরে পাবনার সাঁথিয়া উপজেলার আর আতাইকুলা ইউনিয়ন ভূমি অফিসে এক অভিযোগের ভিত্তিতে গেলে দেখা যায়, আর্জেন্টিনার জার্সি গায়ে হাসান আলী খাঁ অফিসে কাজ করছেন। তিনি আতাইকুলা ইউনিয়নের মাধপুর আমেনা খাতুন ডিগ্রি কলেজ থেকে ২০২১ সালে এইচ.এস.সি পাস করেছেন এবং চাকরি করছেন ঝাড়ুদার পদে।

আরও পড়ুন: মদনে শিশু ধর্ষণ ও গর্ভধারণ মামলা, রায় ১১ নভেম্বর

আর আতাইকুলা ইউনিয়ন ভূমি অফিস সূত্রে জানা যায়, ২০১৭ সালে তিনি ঝাড়ুদার পদে অস্থায়ীভাবে নিয়োগপ্রাপ্ত হয়েছেন। কিন্তু জনবল সংকট থাকার কারণে তার চাকরির প্রথম থেকেই তিনি ঝাড়ুদারের পাশাপাশি অফিস সহায়কের কাজও করছেন। কাজের সুবাধে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে নানা অযুহাত দেখিয়ে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ তাঁর বিরুদ্ধে রয়েছে।

ভুক্তভোগী মো. নবী অভিযোগ করেন, 'প্রায় ৯ বছর আগে অস্থায়ী ঝাড়ুদার হিসেবে যোগদানের পর হাসান অফিস সহায়কের কম্পিউটারে বসে বিভিন্ন অনলাইন আবেদনের কাজ করছেন। ওই অঞ্চলের সেবা গ্রহণকারী বেশিরভাগ কৃষক সহজ-সরল। সাধারণ কৃষকের সরলতার সুযোগ নিয়ে তিনি জমির কাগজপত্রে বিভিন্ন ভুল দেখিয়ে তাদেরকে হুমকি দিয়ে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন এবং বিলাসবহুল বাড়ি নির্মাণ করেছেন।'

এছাড়া অন্য একটি ভুক্তভোগী আতাইকুলার শরিফুল ইসলাম জানান, 'আমার বাবা ও মায়ের নামে ক্রয়কৃত সম্পত্তির খাজারা না দেওয়ার কারণে খাস খতিয়ানে চলে যায়। কিছু লোক খাস খসলিয়ান দেখে লিজ নেওয়ার জন্য আবেদন করে। আমি বাধ্য হয়ে ভূমি অফিসে গিয়ে হাসানের সঙ্গে পরিচয় করি। হাসান দাবি করেন যে আমাকে খাস আদায়কারী হিসাবে আদেশ নিয়ে দিবেন, ১ লাখ টাকা দেবেন। দেন-দরবার শেষে ৬৫ হাজার টাকায় সমঝোতা হয়ে হাসানকে টাকা দিই। কিন্তু তিনি কোন রশিদ দেননি। সহকারী কমিশনার ভূমি অফিসে গিয়ে জানতে পারি হাসান কোন টাকা জমা দেয়নি।'

হাসান আলী খাঁ বলেন, 'স্যারদের মৌখিক নির্দেশে আমি চাকরির শুরু থেকেই কম্পিউটারে কাজ করি এবং ঝাড়ুদারের দায়িত্বও পালন করি।' তিনি আরো বলেন, '২০১৭ সালে ঝাড়ুদার পদে চাকরি করি, এখনো স্থায়ী হয়নি। ২০১৬ সাল থেকে আমার কম্পিউটার জানায়, স্যাররা আমাকে কাজ করান।'

আরও পড়ুন: গাইবান্ধায় নানা আয়োজনে যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালন

বিলাসবহুল বাড়ি নির্মাণের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, 'জমি বিক্রি ও পেঁয়াজ ও রসুনের ব্যবসা করে বাড়ি করেছি। দুর্নীতির অভিযোগে বলি, আমি অফিসের কাজ করি। টাকা নিয়ে কাজ করি না।'

আর আতাইকুলা ইউনিয়নের ভূমি সহকারী কর্মকর্তা মো. নজুরুল ইসলাম বলেন, 'হাসান ঝাড়ুদার হিসেবে অস্থায়ী নিয়োগে ৩ হাজার টাকা বেতনে কাজ করেন। জনবল সংকটের কারণে তাকে কম্পিউটারের কাজ করানো হচ্ছে।'

সাঁথিয়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) আসিফ রায়হান বলেন, 'বিষয়টি তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কোনো অনিয়ম ও অব্যবস্থাপনার প্রমাণ পাওয়া গেলে বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।'

আরও পড়ুন: মধুপুরে জালেমন বেগম হত্যা মামলার আসামি নরসিংদী থেকে গ্রেপ্তার

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ছেলে-মেয়ে উভয়ের অধিকার সমান হলে ছেলেদের শিক্ষা কেন অবৈতনিক করা হচ্ছে না

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ২৪শে জুন, ২০২৬ ইং

০৯:১৪ পি.এম


ছেলে-মেয়ে উভয়ের অধিকার সমান হলে ছেলেদের শিক্ষা কেন অবৈতনিক করা হচ্ছে না

বাংলাদেশ জামায়াত ইসলামীর মহিলা বিভাগের সেক্রেটারি এবং জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য নুরুন্নিসা সিদ্দীকা এমন একটি প্রশ্ন তুলেছেন, যে ছেলে-মেয়ে উভয়ের অধিকার যদি সমান হয়, তাহলে ছেলেদের শিক্ষার ক্ষেত্রে কেন অবৈতনিক করা হচ্ছে না।

তিনি বুধবার জাতীয় সংসদে বাজেট অধিবেশনে বক্তৃতা দেওয়ার সময় এ মন্তব্য করেন।

নুরুন্নিসা সিদ্দীকা বলেন, 'গত তিন দশক ধরে নারী শিক্ষার ওপরে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। নারীরা শিক্ষায় বেশ এগিয়েছে। কেবল নারীরাই কি এদেশের নাগরিক, ছেলেরা নয়? ছেলে-মেয়ে উভয়ের অধিকার যদি সমান হয় তাহলে ছেলেদের শিক্ষার ক্ষেত্রে কেন অবৈতনিক করা হচ্ছে না।'

দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন দেশের শিক্ষায় অবৈতনিকের উদাহরণ উল্লেখ করে তিনি বলেন, বাংলাদেশে মাত্র পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত অবৈতনিক করা হয়েছে, যা অন্য দেশের তুলনায় পিছিয়ে। সরকারি প্রাথমিক স্কুলে খাবার এবং পোশাক দেওয়া হবে। কিন্তু দেশে সরকারির তুলনায় বেসরকারি স্কুলে অধিক সংখ্যক শিক্ষার্থী পড়াশোনা করছে। তাহলে তাদের প্রতি কেন বৈষম্য থাকবে?

এ সময় তিনি সরকারি ও বেসরকারি বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের জীবন ও কর্মক্ষেত্রে বৈষম্যের সমাধানের জন্যও আহ্বান জানান।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

তুমি এই দিনে পৃথিবীতে এসেছিলে...

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

বুধবার, ২৪শে জুন, ২০২৬ ইং

০৯:১৪ পি.এম


তুমি এই দিনে পৃথিবীতে এসেছিলে...

 

‘এমন একটা কিছুই আমরা চাইছিলাম, যাতে গ্রুপের শেষ ম্যাচের আগে নির্ভার থাকতে পারি’—ম্যাচ শেষে বলছিলেন লিওনেল মেসি। ২৭ জুন (বাংলাদেশ সময় ২৮ জুন সকাল ৮টা) গ্রুপের সেই শেষ ম্যাচের আগে মেসির জন্মদিনও জমকালো উদযাপনের পথ খুঁজে নিয়েছে।

অস্ট্রিয়া ম্যাচের জয় এবং মেসির রেকর্ড ভাঙা গোল—এ সব কিছুই এখন কতইনা আনন্দময় করে তুলেছে আজ তাঁর জন্মদিনটিকে। তিনি ৩৯-এ পা রাখছেন। এমন সব অর্জনের সঙ্গে এই বয়সটা মেলালেই তা আরো অবিশ্বাস্য, মহিমাময় হয়ে উঠছে। অথচ সব কিছু উল্টে যেতে পারত, সেভাবেই তো শুরু হয়েছিল ম্যাচটি।

মেসি পেনাল্টি মিস করলেন! একটি বাজে দিন যাওয়ার জন্য এর বেশি আর কী লাগে। পরে ম্যাচ শেষে নিজেই বলছিলেন, ‘যেভাবে রেকর্ডটা হলো, অসাধারণ! ওই পেনাল্টিটা মিস না হলে হয়তো পরের দুটি গোল পাওয়া হতো না। আমি ভীষণ খুশি, নিজের পারফরম্যান্স ও দলের জয় নিয়ে।’ মেসিকে এমন খুশি আসলে খুব কমই দেখা যায়।

ম্যাচ শেষে আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়ায় মেসি অনেক কথা বললেন, এরপর এলেন মিক্সড জোনে। আর্জেন্টিনাসহ গোটা বিশ্বের সাংবাদিকরা তাঁকে ঘিরে ধরলেন। মেসি একের পর এক ডাকে সাড়া দিতে থাকলেন, তিনি সময় নিয়ে সবার প্রশ্নের জবাব দিচ্ছিলেন। টিম ম্যানেজমেন্ট থেকে বরং তাড়া দেওয়া হলো বাস ছেড়ে যাচ্ছে বলে। মেসিকে এমন প্রাণবন্ত তাঁর কাছের সাংবাদিকরাও খুব কম দেখেছেন।

নিজের রেকর্ড গড়া গোলটি সম্পর্কে মেসি খোলামেলা জানান, ‘আমি সব সময়ই নেগ্রোকে (থিয়াগো আলমাদা, প্রথম গোলের সময় যিনি বাঁ প্রান্তে ফাকুন্দো মেদিনাকে বল বাড়িয়েছিলেন। এরপর নিজেও ওপরে উঠে এসে জায়গা নেন মেদিনা ও মেসির মাঝামাঝি। মেদিনার কাটব্যাকে ডামি করে বল ছেড়ে দেন মেসির পায়ে) বলি, ফিরতি পাসটা যেন পাই, আমি ঠিক জায়গামতো থাকব। সে আজকে অসাধারণভাবেই সেটা করেছে। আমাকে উঠে আসতে দেখেছে, এনসো তার মার্কারকে টেনে নিয়ে গেছে একদিকে, লাউতারো নিয়ে গেছে তার মার্কারকে; আমার জন্য জায়গা তৈরি হয়েছে। সেই পুরনো দিনের কথা মনে হচ্ছিল, যখন ইহোর্দি (সাবেক বার্সেলোনা লেফট ব্যাক ইহোর্দি আলবা) আমাকে এ ধরনের পাস বাড়াত। আজ পুরো কৃতিত্বটাই তাই মেদিনার।’

মেসি সেই বার্সার দিন ফিরিয়ে আনছেন নিজের ষষ্ঠ বিশ্বকাপে, দুই ম্যাচে পাঁচ গোলের রহস্য তো সেখানেই। সেখানে পেনাল্টি মিসের ঘটনায় নিজের ওপর ভীষণ রাগ হয়েছিল বলেও জানিয়েছেন ‘মিক্সড’ জোনের সেই প্রতিক্রিয়ায়, ‘এর আগেও আমি বলেছিলাম, আমি খুব উপভোগ করছি খেলাটা, মাঠে বেশ ভালো সময় কাটছে। সেখানে ওই পেনাল্টি মিসে আমার নিজের ওপরই খুব রাগ হচ্ছিল, খুব বাজে মেরেছিলাম। সৌভাগ্য যে সেখান থেকে ঘুরে দাঁড়িয়ে ম্যাচটা আমরা জিততে পেরেছি।’

দলের এই জয় নিয়ে সবচেয়ে বেশি উচ্ছ্বাসও প্রকাশ করেছেন তিনিই, ‘সত্যিই খুব খুশি, বিশেষ করে এই জয়টার জন্য। কারণ অনেক কঠিন ম্যাচ ছিল। আর আমরা জানতামও এই ম্যাচে এক মুহূর্তের জন্য আমাদের মনোযোগ হারানো চলবে না। সেটা আমরা পেরেছি এবং আমাদের যে লক্ষ্য ছিল নক আউট পর্ব নিশ্চিত করা, সেটিও হয়েছে। কিন্তু এই বিশ্বকাপটা যেভাবে এগোচ্ছে, জানেন যে কারও জন্য কোনো কিছুই নিশ্চিত নয়। আজও আমাদের সেই কঠিন পরীক্ষাটাই পার হতে হয়েছে। লম্বা সময় আমাদের বলের দখল রাখা সম্ভব হচ্ছিল না, ম্যাচ অনেক গতিময় হয়ে উঠছিল—এ সবকিছুর সঙ্গে তাল মিলিয়েই আমরা পারফর্ম করেছি। পুরো টুর্নামেন্টেও তাই করতে চাই।’

কোচ লিওনেল স্কালোনির চোখে এই পারফরম্যান্স মেসিকেন্দ্রিক, ‘যখন লিও ভালো খেলে, তখন পুরো দলই ভালো খেলে। এটি দলেরও কৃতিত্ব। তবে আবার দল যখন ছন্দ পায় না, তখন লিও বাড়তি পরিশ্রম করে, নিজেই বলের জন্য যায়, গোলের চেষ্টা করে। সে দলের জন্য নিবেদিত। আর সে যা করে তার তুলনা নেই।’ টিওয়াইসি স্পোর্টসের কলামিষ্ট আন্তোনিও সারপা তাই লিখেছেন, ‘সবাই মেসির জন্য আর মেসি সবার জন্য।’ মেসি প্রশংসায় ভাসছেন এই মুহূর্তে আসলে সব দিক থেকেই। ম্যাচ শেষে অস্ট্রিয়ার কোচ রালফ রাংনিকও যেমন বলেছেন, ‘৩৯ বছর বয়সেও কেউ যদি দুই গোল করে আর বিশ্বকাপের শুরুতেই পাঁচ গোল পেয়ে যায়, সেটিই আসলে পার্থক্য গড়ে দেয়। মেসি প্রমাণ করেছে, সে-ই সেরা। ম্যাচ ঘুরিয়ে দিতে খুব বেশি সুযোগেরও দরকার হয় না তার।’ প্রতিপক্ষের জন্য মেসি আসলে নিয়তি, তাঁকে থামানোর জন্য প্রার্থনা ছাড়া কোনো উপায় বোধ হয় জানা নেই কোচদের কাছেও।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কাপ্তাইয়ে বন ও বন্যপ্রাণী আইনবিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মশালা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ২৪শে জুন, ২০২৬ ইং

০৯:১৫ পি.এম


কাপ্তাইয়ে বন ও বন্যপ্রাণী আইনবিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মশালা

জেলার কাপ্তাইয়ে বন ও বন্যপ্রাণী আইন সম্পর্কিত একটি দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

আজ বুধবার সকালে এই কর্মশালাটি বন বিভাগের আয়োজনে কাপ্তাই বন উন্নয়ন ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে ফরেস্ট রেঞ্জার, ডেপুটি রেঞ্জার এবং ফরেস্টাররা অংশগ্রহণ করেন।

কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাঙ্গামাটি বন সংরক্ষক মোহাম্মদ আবদুল আউয়াল সরকার।

কাপ্তাই বন উন্নয়ন ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের পরিচালক মোহাম্মদ হোসেনের সভাপতিত্বে কর্মশালায় আরও উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম বন্যপ্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগের বিভাগীয় কর্মকর্তা আবু নাছের মোহাম্মদ ইয়াছিন নেওয়াজ।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন বন উন্নয়ন ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের সদর রেঞ্জার দীপন চাকমা।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে বন সংরক্ষক মোহাম্মদ আবদুল আউয়াল সরকার উল্লেখ করেন, বন ও বন্যপ্রাণী সংক্রান্ত নীতিমালা ও আইন সম্পর্কে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সুস্পষ্ট ধারণা থাকা অত্যন্ত জরুরি।

তিনি জানালেন, ২০২৬ সালের জন্য বন ও বন্যপ্রাণী ব্যবস্থাপনা সম্পর্কিত কিছু নতুন নীতি ও বিধান প্রণয়ন করা হয়েছে।

তিনি এসব আইন ও নীতিমালা যথাযথভাবে জানা এবং অনুসরণ করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন এবং প্রশিক্ষণের মাধ্যমে জ্ঞান ও দক্ষতা অর্জন করে তা মাঠ পর্যায়ে কাজে লাগানোর আহ্বান জানান।

প্রশিক্ষণের শেষে অংশগ্রহণকারী ২৫ জন ফরেস্ট রেঞ্জার, ডেপুটি রেঞ্জার ও ফরেস্টারের মাঝে সনদপত্র বিতরণ করা হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চীনের হোহাই ইউনিভার্সিটি থেকে রুবাইয়াত শবনম অনিকার কৃতিত্বপূর্ণ মাস্টার্স ডিগ্রি অর্জন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ২৪শে জুন, ২০২৬ ইং

০৯:১৫ পি.এম


চীনের হোহাই ইউনিভার্সিটি থেকে রুবাইয়াত শবনম অনিকার কৃতিত্বপূর্ণ মাস্টার্স ডিগ্রি অর্জন

চীনের ঐতিহ্যবাহী ও বিখ্যাত হোহাই ইউনিভার্সিটি (Hohai University) থেকে সফলতার সঙ্গে 'মাস্টার অব ইন্টারন্যাশনাল ট্রেড' (ইকোনমিকস ফোকাস) ডিগ্রি অর্জন করেছেন বাংলাদেশের কৃতি শিক্ষার্থী রুবাইয়াত শবনম অনিকা।

মঙ্গলবার (২৩ জুন) বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গণে জমকালো এক সমাবর্তন অনুষ্ঠানের মাধ্যমে তার হাতে এই সম্মানসূচক ডিগ্রি তুলে দেওয়া হয়েছে।

রুবাইয়াত শবনম অনিকার এই গৌরবময় অর্জনে তার পরিবার ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের মাঝে আনন্দের জোয়ার বইছে।

শিক্ষাজীবনে মেধার স্বাক্ষর রাখা অনিকার একাডেমিক প্রজেক্ট এবং গবেষণার ক্ষেত্রটি ছিল চমৎকার ও যুগোপযোগী। তার থিসিসের মূল বিষয় ছিল— 'রিসার্চ অন দ্য ইমপ্যাক্ট অব বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভ (BRI) অন বাংলাদেশ ট্রেড' (Research on the Impact of Belt and Road Initiative (BRI) on Bangladesh Trade)।

গবেষণায় তিনি দক্ষতার সঙ্গে ডেটা অ্যানালাইসিস (উপাত্ত বিশ্লেষণ) পদ্ধতি ব্যবহার করে বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে বাণিজ্য বৃদ্ধির মূল নিয়ামক বা চালিকাশক্তি চিহ্নিত করেছেন। একই সঙ্গে দুই দেশের বাণিজ্য ধারা, অর্থনৈতিক সহযোগিতা এবং এর নীতিনির্ধারণী প্রভাব (Policy Implications) নিয়ে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও গভীর বিশ্লেষণ তুলে ধরেছেন তার গবেষণায়। তার এই কাজ একাডেমিক মহলেও বেশ প্রশংসিত হয়েছে।

আন্তর্জাতিক এই বিদ্যাপীঠে পড়তে যাওয়ার আগে রুবাইয়াত শবনম অনিকা রাজধানী ঢাকার স্টামফোর্ড ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ থেকে বিবিএ (BBA) সম্পন্ন করেন। সেখানেও তিনি তার মেধার স্বাক্ষর রেখেছিলেন।

মেয়ের এমন সাফল্যে উচ্ছ্বসিত ও গর্বিত অনিকার পরিবার।

উল্লেখ্য, অনিকার বাবা বাংলাদেশের খ্যাতিমান শিশুসাহিত্যিক ও লেখক হুমায়ূন কবীর ঢালী এবং মা বিশিষ্ট প্রকাশক গুলশান আরা বাবলী।

মেয়ের এই সাফল্যে অনিকার বাবা-মা বলেন, আজ আমাদের জীবনের অন্যতম একটি আনন্দের এবং গর্বের দিন। অনিকার এই কঠোর পরিশ্রম এবং সাফল্যের জন্য আমাদের পরিবার অত্যন্ত গর্বিত। আমরা ওর ভবিষ্যতের নতুন পথচলার জন্য সবার কাছে দোয়া ও শুভকামনা প্রত্যাশা করছি।

আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে উচ্চশিক্ষা ও প্রায়োগিক জ্ঞান অর্জন করে রুবাইয়াত শবনম অনিকা আগামী দিনে বাংলাদেশ তথা বৈশ্বিক অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবেন বলে আশা প্রকাশ করছেন সংশ্লিষ্টরা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%