মোঃ আল হেলাল, নির্বাহী সম্পাদক:
মঙ্গলবার, ২২শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০২:৫১ এম
মোঃ আল হেলাল, নির্বাহী সম্পাদক:
উপ-সম্পাদকীয়: বাংলাদেশের অর্থনীতি বর্তমানে এক সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে। একদিকে মূল্যস্ফীতি কিছুটা কমেছে, রেমিট্যান্সে শক্তিশালী প্রবাহ এসেছে, বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বেড়েছে এবং রপ্তানিতে পুনরুদ্ধারের কিছু লক্ষণ দেখা যাচ্ছে। অন্যদিকে জ্বালানি ব্যয়ের ঊর্ধ্বগতি, ব্যাংকিং খাতের দুর্বলতা, বিনিয়োগের স্থবিরতা, মানুষের প্রকৃত আয় ও ক্রয়ক্ষমতার চাপ এবং বৈশ্বিক ভূরাজনৈতিক অস্থিরতা অর্থনীতির সামনে নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছে। ফলে বর্তমান পরিস্থিতিকে নিছক ‘সংকট’ কিংবা ‘সাফল্য’ কোনো একক শব্দে ব্যাখ্যা করা যথেষ্ট নয়।
সাম্প্রতিক পরিসংখ্যান বলছে, মূল্যস্ফীতির চাপ কিছুটা কমেছে।
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর হিসাবে, আগস্টে সাধারণ মূল্যস্ফীতি ৮ দশমিক ২৬ শতাংশে নেমে এসেছে, যা জুলাইয়ে ছিল ৮ দশমিক ৩২ শতাংশ। খাদ্য মূল্যস্ফীতিও কমে হয়েছে ৭ দশমিক ০২ শতাংশ। তবে একই সময়ে খাদ্যবহির্ভূত মূল্যস্ফীতি বেড়ে ৯ দশমিক ৩২ শতাংশ হয়েছে।
এখানে একটি বিষয় বিশেষভাবে মনে রাখা জরুরি-মূল্যস্ফীতি কমার অর্থ পণ্যের দাম কমে যাওয়া নয়; বরং দাম বাড়ার গতি কিছুটা কমেছে। গত কয়েক বছরে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম যে উচ্চ স্তরে উঠে গেছে, সেখান থেকে মানুষের প্রকৃত স্বস্তি আসতে হলে মূল্যস্ফীতি আরও দীর্ঘ সময় ধরে কমতে হবে এবং একই সঙ্গে আয় বৃদ্ধির গতি বাড়াতে হবে। আগস্টে জাতীয় মজুরি বৃদ্ধির হার ছিল ৮ দশমিক ০৫ শতাংশ, যা সামগ্রিক মূল্যস্ফীতির তুলনায় সামান্য কম। অর্থাৎ অনেক পরিবারের বাস্তব ক্রয়ক্ষমতার ওপর চাপ এখনো রয়ে গেছে।
অর্থনীতির সবচেয়ে ইতিবাচক দিকগুলোর একটি হলো প্রবাসী আয়। ২০২৬ সালের আগস্টে প্রবাসীরা দেশে প্রায় ২ দশমিক ৯৭ বিলিয়ন ডলার পাঠিয়েছেন, যা আগের বছরের একই মাসের তুলনায় ২২ দশমিক ৫০ শতাংশ বেশি। এর আগে জুলাইয়েও এসেছিল ২ দশমিক ৮৬ বিলিয়ন ডলার।
রেমিট্যান্সের এই শক্তিশালী প্রবাহ বৈদেশিক মুদ্রার বাজারে স্বস্তি তৈরি করেছে এবং রিজার্ভ পুনর্গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের হিসাবে আগস্ট শেষে মোট বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ছিল প্রায় ৩৭ দশমিক ৩৫ বিলিয়ন ডলার; আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের BPM6 পদ্ধতিতে তা ছিল প্রায় ৩২ দশমিক ৪৪ বিলিয়ন ডলার।
তবে এই স্বস্তির মাঝেও বৈদেশিক খাত পুরোপুরি ঝুঁকিমুক্ত নয়। বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারের অস্থিরতা বাংলাদেশের আমদানি ব্যয় বাড়িয়ে দিতে পারে। ইতোমধ্যে ২১ সেপ্টেম্বর সরকার ডিজেলের দাম লিটারপ্রতি ১১৫ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১৩৫ টাকা এবং পেট্রোল ১৪০ টাকা থেকে ১৬০ টাকা করেছে। বিশ্ববাজারে জ্বালানি ও পরিবহন ব্যয় বৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হলেও এর প্রভাব পরিবহন, কৃষি, শিল্প ও ভোক্তা পর্যায়ে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।
বিশেষ করে জ্বালানির দাম বাড়লে তার প্রভাব শুধু পাম্পে সীমাবদ্ধ থাকে না। পণ্য পরিবহন থেকে শুরু করে কৃষি উৎপাদন, কারখানার পরিচালন ব্যয়, বাজারজাতকরণ—সব ক্ষেত্রেই ব্যয় বাড়ে। শেষ পর্যন্ত এর একটি অংশ ভোক্তার ওপর গিয়ে পড়ে। তাই নতুন করে মূল্যস্ফীতির চাপ তৈরি না হয়, সে বিষয়ে নীতিনির্ধারকদের সতর্ক থাকতে হবে।
অর্থনীতির আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ সূচক রপ্তানি। চলতি অর্থবছরের জুলাই-আগস্টে বাংলাদেশের পণ্য রপ্তানি আয় ৫ দশমিক ৪৩ শতাংশ বেড়ে ৯ দশমিক ১৫ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে। তৈরি পোশাকের পাশাপাশি পাট, ওষুধ, চামড়া, প্রকৌশল পণ্য ও জুতাসহ কয়েকটি খাতেও প্রবৃদ্ধি দেখা গেছে।
তবে রপ্তানির এই ইতিবাচক প্রবণতাকে টেকসই করতে হলে শুধু পোশাকনির্ভরতা কমিয়ে পণ্য ও বাজার বহুমুখীকরণে আরও জোর দিতে হবে। বিশ্ববাজারে প্রতিযোগিতা বাড়ছে। জ্বালানি, শ্রম, পরিবহন ও অর্থায়ন ব্যয়ের সঙ্গে তাল মিলিয়ে উৎপাদনশীলতা বাড়াতে না পারলে রপ্তানি খাতের ওপর চাপ বাড়বে।
সবচেয়ে বড় উদ্বেগের জায়গাগুলোর একটি ব্যাংকিং খাত। আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) সাম্প্রতিক মূল্যায়নে বাংলাদেশের আর্থিক খাতের চাপ, রাজস্ব ঘাটতি ও মূল্যস্ফীতির চ্যালেঞ্জের কথা উল্লেখ করেছে। একই সঙ্গে ব্যাংকিং খাত পুনর্গঠন, রাজস্ব আহরণ বাড়ানো এবং আর্থিক ব্যবস্থাপনায় কাঠামোগত সংস্কারের প্রয়োজনীয়তার কথা বলা হয়েছে। আইএমএফের হিসাবে, প্রয়োজনীয় সংস্কার দ্রুত বাস্তবায়িত না হলে প্রবৃদ্ধির ওপরও দীর্ঘমেয়াদি চাপ তৈরি হতে পারে।
এখানেই অর্থনীতির মূল প্রশ্নটি সামনে আসে শুধু বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বাড়ানো বা মূল্যস্ফীতি সামান্য কমানোই কি যথেষ্ট? উত্তর হলো, না। একটি টেকসই অর্থনীতির জন্য প্রয়োজন উৎপাদনশীল বিনিয়োগ, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, দক্ষ মানবসম্পদ, শক্তিশালী ব্যাংকিং ব্যবস্থা, কার্যকর রাজস্ব প্রশাসন এবং ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ।
বাংলাদেশ ব্যাংকের সাম্প্রতিক তথ্যেও অর্থনীতির মিশ্র চিত্র দেখা যায়। FY26-এ রপ্তানি প্রবৃদ্ধি ছিল মাত্র ০ দশমিক ১৭ শতাংশ, যেখানে আমদানি বেড়েছে ৫ দশমিক ৮৯ শতাংশ। একই সময়ে রেমিট্যান্স উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে এবং বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভও শক্তিশালী হয়েছে।
অর্থাৎ অর্থনীতিতে এখন সবচেয়ে প্রয়োজন সামষ্টিক স্থিতিশীলতার সঙ্গে বাস্তব অর্থনীতির পুনরুজ্জীবন। ব্যবসা-বাণিজ্যে বিনিয়োগ না বাড়লে, শিল্পের উৎপাদন না বাড়লে এবং নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি না হলে কেবল মুদ্রা ও রিজার্ভের সূচকে উন্নতি সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রায় কাঙ্ক্ষিত পরিবর্তন আনতে পারবে না।
বর্তমান পরিস্থিতিতে সরকারের সামনে কয়েকটি বিষয়কে অগ্রাধিকার দেওয়া জরুরি। প্রথমত, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজারে সরবরাহব্যবস্থা ও প্রতিযোগিতা নিশ্চিত করতে হবে। দ্বিতীয়ত, জ্বালানি ও আমদানি ব্যয়ের অভিঘাত যাতে অস্বাভাবিকভাবে ভোক্তার ওপর না পড়ে, সে জন্য লক্ষ্যভিত্তিক নীতি গ্রহণ করতে হবে। তৃতীয়ত, ব্যাংকিং খাতে অনিয়ম ও দুর্বল ঋণ ব্যবস্থাপনা মোকাবিলা করে আস্থা ফিরিয়ে আনতে হবে। চতুর্থত, ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের জন্য অর্থায়নের সুযোগ বাড়াতে হবে। পঞ্চমত, রাজস্ব আহরণ বাড়ানোর পাশাপাশি কর ব্যবস্থাকে আরও স্বচ্ছ ও ব্যবসাবান্ধব করতে হবে।
সর্বোপরি, অর্থনীতির সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সূচক হলো মানুষের জীবনযাত্রা। একজন নিম্নআয়ের মানুষ বাজারে গিয়ে যদি আগের তুলনায় কম পণ্য কিনতে পারেন, একজন ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী যদি উচ্চ ব্যয়ের কারণে ব্যবসা সম্প্রসারণ করতে না পারে কিংবা একজন তরুণ যদি উপযুক্ত কর্মসংস্থান না পায়-তাহলে কাগজে-কলমে কিছু সূচকের উন্নতি সাধারণ মানুষের কাছে পূর্ণাঙ্গ অর্থনৈতিক স্বস্তি হিসেবে ধরা দেবে না।
বাংলাদেশের অর্থনীতি এখনো ঘুরে দাঁড়ানোর সক্ষমতা রাখে-রেমিট্যান্স, রিজার্ভ ও রপ্তানির সাম্প্রতিক কিছু ইতিবাচক তথ্য তার প্রমাণ। কিন্তু একই সঙ্গে মূল্যস্ফীতি, জ্বালানি ব্যয়, ব্যাংকিং খাত, বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থানের চ্যালেঞ্জও বাস্তব। তাই এখন প্রয়োজন আতঙ্ক নয়, আবার আত্মতুষ্টিও নয়; প্রয়োজন সঠিক তথ্যভিত্তিক সিদ্ধান্ত, জবাবদিহিমূলক অর্থনৈতিক ব্যবস্থাপনা এবং দীর্ঘমেয়াদি সংস্কারের ধারাবাহিকতা।
অর্থনীতিকে স্থিতিশীল করা শুধু সরকারের দায়িত্ব নয়—ব্যাংক, ব্যবসায়ী, উদ্যোক্তা, ভোক্তা, শ্রমিক এবং সংশ্লিষ্ট সব প্রতিষ্ঠানের সমন্বিত ভূমিকা প্রয়োজন। সামনের দিনগুলোতে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সাফল্য নির্ভর করবে আমরা সাময়িক স্বস্তিকে কতটা টেকসই পুনরুদ্ধারে রূপ দিতে পারি তার ওপর।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজধানীর পুরান ঢাকার নাজিরা বাজারে একটি জুতার কারখানায় আগুন লাগার ঘটনা ঘটেছে। ফায়ার সার্ভিসের তিনটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
সোমবার দিবাগত রাত ১২টা ২০ মিনিটের দিকে নাজিরা বাজারের হক বেকারির গলির একটি চারতলা ভবনের তৃতীয় তলায় এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।
ফায়ার সার্ভিসের ডিউটি অফিসার যুগান্তরকে জানান, রাত ১২টা ৩০ মিনিটে আগুন লাগার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে এসে তিনটি ইউনিট আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, ভবনটির তৃতীয় তলায় একটি জুতার কারখানা ছিল।
তিনি আরও জানান, আগুনে এখন পর্যন্ত কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। আগুন লাগার কারণও তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশে নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। সোমবার, সেনাসদরে ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেনের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল এই সৌজন্য সাক্ষাৎটি সম্পন্ন করে।
সাক্ষাৎকালে, তারা পারস্পরিক শুভেচ্ছা বিনিময়ের পাশাপাশি বাংলাদেশ ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে বিদ্যমান সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক এবং প্রতিরক্ষা ও সামরিক সহযোগিতা বজায় রাখার বিষয়ে আলোচনা করেন।
সোমবার আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) প্রকাশিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, মার্কিন রাষ্ট্রদূত আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তায় বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ অবদানের কথা তুলে ধরেন। তিনি ইউনাইটেড স্টেটস আর্মি প্যাসিফিক (ইউএসএআরপিএসি) এর সঙ্গে ‘এক্সারসাইজ টাইগার লাইটনিং’ এ বাংলাদেশ স্পেশাল ফোর্সের সদস্যদের পেশাদারিত্ব, শৃঙ্খলা ও কর্মদক্ষতার প্রশংসা করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল রাজধানীতে প্রতিবাদী মোটরসাইকেল মিছিল করেছে, যা নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগ, যুবলীগ ও আওয়ামী লীগের ‘পরিকল্পিত সন্ত্রাস ও নৈরাজ্যের’ বিরুদ্ধে অনুষ্ঠিত হয়।
মিছিলটি সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) রাত ৮টায় শাহবাগ জাতীয় জাদুঘরের সামনে থেকে শুরু হয়। ছাত্রদল কেন্দ্রীয় সংসদের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সালেহ মো. আদনান এর নেতৃত্বে এই মিছিল অনুষ্ঠিত হয়।
শাহবাগ জাতীয় জাদুঘরের সামনে থেকে শুরু হয়ে মিছিলটি মৎস্য ভবন মোড়, হাইকোর্ট, শিক্ষা ভবন, দোয়েল চত্বর, টিএসসি, ভিসি চত্বর, পলাশী, নীলক্ষেত, কাটাবন ও এলিফ্যান্ট রোড হয়ে পুনরায় শাহবাগে এসে শেষ হয়।
মিছিল শেষে শাহবাগে একটি সংক্ষিপ্ত প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে সালেহ মো. আদনান বলেন, “সারা দেশে আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসীরা নতুন করে নৈরাজ্য সৃষ্টির পাঁয়তারা করছে। বিভিন্ন স্থানে বাসে অগ্নিসংযোগ ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির মাধ্যমে দেশকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা চালাচ্ছে।”
তিনি আরও বলেন, যেকোনো ধরনের নৈরাজ্যজনক তৎপরতা ছাত্রদলের নেতৃত্বে রাজপথে প্রতিহত করা হবে। একই সঙ্গে জুলাই অভ্যুত্থানে নিরীহ ছাত্র-জনতার ওপর চালানো হামলার সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত বিচার ও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানান তিনি।
ছাত্রদল নেতা সালেহ মো. আদনান আরও উল্লেখ করেন, “দেশের স্থিতিশীলতা নষ্ট করার যেকোনো অপচেষ্টা প্রতিহত করতে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা রাজপথে সক্রিয় থাকবে।”
মিছিলে ছাত্রদল কেন্দ্রীয় সংসদের নেতৃবৃন্দ ছাড়াও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, বিভিন্ন বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা কলেজ, তেজগাঁও কলেজ, তিতুমীর কলেজ, কবি নজরুল সরকারি কলেজ, সরকারি বাঙলা কলেজসহ বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নেতাকর্মীরা অংশগ্রহণ করেন। এছাড়া ঢাকা মহানগর দক্ষিণ, উত্তর, পূর্ব ও পশ্চিম এবং বিভিন্ন কলেজ, থানা ও ওয়ার্ডের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরাও মিছিলে উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নিউইয়র্ক যাত্রা নিয়ে শুভকামনা জানিয়েছেন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে নিযুক্ত রাষ্ট্রদূত মুশফিকুল ফজল আনসারী।
সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে তিনি বলেন, স্ত্রীকে সঙ্গে নিয়ে জাতিসংঘের অধিবেশনে যোগ দিতে নিউইয়র্কের উদ্দেশে রওনা হয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
মুশফিকুল ফজল আনসারী আশা প্রকাশ করেন, জাতিসংঘের মঞ্চে তারেক রহমানের বক্তব্য বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধানদের দৃষ্টি আকর্ষণ করবে। অধিবেশনের সাইডলাইনে বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ নেতাদের সঙ্গে তার বৈঠক বাংলাদেশের স্বার্থ, মর্যাদা ও সম্ভাবনাকে আরও সুদৃঢ় করবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
পোস্টে তিনি আরও বলেন, গত দেড় দশকে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের দাবিতে বিএনপিসহ যুক্তরাষ্ট্রপ্রবাসী বাংলাদেশিরা নিউইয়র্কে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করেছেন। এবার তারা তারেক রহমানকে স্বাগত জানাতে উৎসবমুখর পরিবেশ তৈরি করবেন বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
পোস্টের শেষাংশে মুশফিকুল ফজল আনসারী লেখেন, ব্যক্তিগত আশা-প্রত্যাশার ঊর্ধ্বে ‘সবার আগে বাংলাদেশ’।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ