বৃহস্পতিবার, ২ই জুলাই, ২০২৬ ইং
১১:৪৯ এম
দেশের আটটি অঞ্চলে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকায় সংশ্লিষ্ট নদীবন্দরে একটি নম্বর সংকেত দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার, ০২ জুলাই, দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরের জন্য প্রদান করা সতর্কবার্তায় এ ধরনের পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদফতর।
পূর্বাভাসে উল্লেখ করা হয়েছে, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার এবং সিলেট অঞ্চলসমূহের ওপর দিয়ে দক্ষিণ/দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা/ঝড়ো হাওয়া এবং বৃষ্টি/বজ্রবৃষ্টি হতে পারে।
এই এলাকার নদী বন্দরসমূহকে এক নম্বর সতর্কতা সংকেত প্রদর্শনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সরকারের দেশব্যাপী বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি, বিশেষ করে ‘একটি শিশু, এক বৃক্ষ' কর্মসূচির আওতায় রোপণ করা চারার টিকে থাকা, বৃদ্ধি এবং কার্যক্রমের জবাবদিহি নিশ্চিত করার জন্য ‘ট্রি মনিটরিং অ্যাপ’ তৈরি করা হচ্ছে।
জাতীয় সবুজ মিশনের অংশ হিসেবে পরিবেশ সংরক্ষণ ও জলবায়ু সহনশীলতা জোরদারের লক্ষ্যে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের (এফওয়াই২৭) জাতীয় বাজেট বক্তৃতা এবং বাংলাদেশ জলবায়ু বাজেট প্রতিবেদন ২০২৬-২৭-এ এ উদ্যোগের কথা উল্লেখ করা হয়েছে।
বাজেট ও জলবায়ু নীতিসংক্রান্ত দলিল অনুযায়ী, দেশজুড়ে রোপণ করা গাছের ধারাবাহিক ডিজিটাল নজরদারি ও পরিচর্যার মাধ্যমে বৃক্ষরোপণ কার্যক্রমকে আরও আধুনিক, স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক করতে অ্যাপটি তৈরি করা হচ্ছে।
এই ব্যবস্থার মাধ্যমে চারার বর্তমান অবস্থা পর্যবেক্ষণ এবং রোপণের পর যথাযথ পরিচর্যা নিশ্চিত করা হবে। বিশেষ করে ‘একটি শিশু, একটি বৃক্ষ’ কর্মসূচির আওতায় বাড়ি ও বসতভিটায় রোপণ করা বিপুল সংখ্যক গাছের নজরদারির চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সম্পৃক্ত করে তাদের বাড়ি ও বসতভিটায় ১ কোটি গাছ রোপণের লক্ষ্য নিয়ে ‘একটি শিশু, একটি বৃক্ষ’ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। এর মাধ্যমে নতুন প্রজন্মের মধ্যে পরিবেশ সংরক্ষণের দায়িত্ববোধ গড়ে তোলার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।
পর্যবেক্ষণ আরও নির্ভুল করতে ট্রি মনিটরিং অ্যাপকে জিপিএস (গ্লোবাল পজিশনিং সিস্টেম) ও জিআইএস (জিওগ্রাফিক ইনফরমেশন সিস্টেম) ভিত্তিক তথ্য সংগ্রহ ব্যবস্থার সঙ্গে সমন্বিত করা হবে। এর মাধ্যমে বন অধিদফতরের আওতায় বনায়নকৃত এলাকার ডিজিটাল মানচিত্র ও তথ্যভান্ডার সংরক্ষণ করার সম্ভাবনা সৃষ্টি হবে।
বিশেষ করে গ্রাম ও শহরের বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে থাকা বৃক্ষরোপণ এলাকায়, যেখানে সরাসরি তদারকি করা কঠিন, সেখানে চারার টিকে থাকা নিশ্চিত করতে অ্যাপটি কেন্দ্রীয় ভূমিকা পালন করবে বলে আশা করা হচ্ছে।
জাতীয় সবুজ মিশনের আওতায় আগামী পাঁচ বছরে ২৫ কোটি গাছ রোপণের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মাধ্যমে অবক্ষয়িত বন পুনরুদ্ধার, পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষা এবং কার্বন শোষণ সক্ষমতা বৃদ্ধি করা হবে।
বৃহত্তর এ বনায়ন কর্মসূচির মাধ্যমে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে প্রায় ৩ লাখ ৫০ হাজার সবুজ কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যও নির্ধারণ করা হয়েছে।
বাজেট দলিল অনুযায়ী, পরিবেশ সংরক্ষণ ও আয় বৃদ্ধির লক্ষ্যে উপকূলীয় ম্যানগ্রোভ বনের ৫০ শতাংশকে কার্বন বাণিজ্য ব্যবস্থার আওতায় আনার পরিকল্পনাও রয়েছে।
বনায়ন কর্মসূচিতে উপকূলীয় চরাঞ্চলে ম্যানগ্রোভ প্রজাতির গাছ রোপণ, পাহাড়ি ও মধ্যাঞ্চলের শালবন পুনরুদ্ধার এবং বিলুপ্তপ্রায় বনজ প্রজাতি সংরক্ষণের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেয়া হয়েছে, যাতে জীববৈচিত্র্য সুরক্ষিত থাকে।
এছাড়া সড়ক, মহাসড়ক, বাঁধ, নদীতীর ও খালপাড়ের পতিত জমিতে অঞ্চলভিত্তিক উপযোগী বৃক্ষরোপণ, পাশাপাশি নগর বনায়ন ও কৃষিবনায়ন কর্মসূচি সম্প্রসারণের পরিকল্পনাও রয়েছে।
বাজেটে গাছ ও সুগন্ধি গাছের নির্যাস আমদানির ওপর ১৫ শতাংশ মূল্য সংযোজন কর (ভ্যাট) আরোপের প্রস্তাবও রাখা হয়েছে, যা পরিবেশ ও সম্পদ ব্যবস্থাপনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট একটি নিয়ন্ত্রক পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
সব মিলিয়ে, জাতীয় সবুজ মিশনের অন্যতম প্রধান ডিজিটাল অবকাঠামো হিসেবে ‘ট্রি মনিটরিং অ্যাপ’ বৃহৎ পরিসরের বনায়ন কার্যক্রমে স্বচ্ছতা ও কার্যকর বাস্তবায়ন নিশ্চিত করার পাশাপাশি জলবায়ু সহনশীল ও পরিবেশগতভাবে ভারসাম্যপূর্ণ বাংলাদেশ গঠনের দীর্ঘমেয়াদি লক্ষ্য অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আনুষ্ঠানিকভাবে নজরুল বর্ষের উদ্বোধন করলেন। তিনি বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) নজরুল বর্ষের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেন।
প্রধানমন্ত্রী আরও বলেছেন, শুধু মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই নয়, সরকার এটি নিশ্চিত করতে সচেষ্ট রয়েছে যে, কোনো প্রাণীই যেন হিংস্রতার শিকার না হয়।
বিশদ প্রতিবেদন আসছে....
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নারায়ণগঞ্জ শহরের জামতলা এলাকায় মোতালেব হোসেন নামে এক ব্যবসায়ীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ, যিনি তোশকে মোড়ানো অবস্থায় পাওয়া গেছে।
বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) সকালে ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ পুরোনো সড়কের পাশে স্থানীয়রা মরদেহটি দেখতে পেয়ে পুলিশকে খবর দেয়।
মোতালেব লক্ষ্মীপুর জেলার রামগঞ্জ থানার শিবপুর গ্রামের মৃত ছলেমান মিয়ার ছেলে হিসেবে পরিচিত। তিনি মাসদাইর গোরস্থানের সাজেদা মঞ্জিলে শ্বশুর বাড়িতে বসবাস করতেন এবং মাসদাইর বাজারের সুমাইয়া টেলিকম ও বুক নামে ফ্লেক্সিলোডের দোকানের মালিক ছিলেন।
নিহতের শ্যালক কামাল জানান, তার ভাই ১ জুলাই সকাল ৮টায় বাসা থেকে বের হয়ে নিখোঁজ হয়ে যায়। অনেক খোঁজাখুঁজি করার পর রাতে ফতুল্লা মডেল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন তারা। বৃহস্পতিবার সকালে খবর পেয়ে এসে সড়কে তোশকে মোড়ানো অবস্থায় মরদেহ শনাক্ত করেন। তিনি হত্যাকারীকে দ্রুত গ্রেপ্তার ও বিচারের দাবি জানান।
ফতুল্লা মডেল থানার উপ-পরিদর্শক ওয়াসিম খান জানান, ধারণা করা হচ্ছে তাকে নির্যাতন ও শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে। এরপর দুর্বৃত্তরা মরদেহের পরিচয় গোপন করার জন্য তোশকে মুড়িয়ে সড়কে ফেলে দেয়। পুলিশ নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে। হত্যার সঙ্গে জড়িত আসামিদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশের একাধিক টিম কাজ করছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ময়মনসিংহ, ২ জুলাই, ২০২৬ : চলতি বছরের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হয়েছে আজ বৃহস্পতিবার। এই অভিন্ন প্রশ্নপত্রের পরীক্ষা চলবে আগামী ৮ আগস্ট পর্যন্ত।
ময়মনসিংহ মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এবার পরীক্ষায় অংশ নিতে যাচ্ছে ৭৩ হাজার ৩৭ জন পরীক্ষার্থী। এ লক্ষ্যে সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার একটি বিবৃতিতে বাসস’কে এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন বোর্ড সচিব ও অতিরিক্ত দায়িত্বপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান প্রফেসর মো. এনামুল হক।
এ দিকে, তিনি জানান, এ বছর ময়মনসিংহ শিক্ষা বোর্ডের ৪ জেলার ৩১৬টি প্রতিষ্ঠানের ৭৩ হাজার ৩৭ পরীক্ষার্থী ১১২টি পরীক্ষকেন্দ্রে অংশ নিবেন। এর মধ্যে ছাত্রের সংখ্যা ৩৪ হাজার ৩১৪ এবং ছাত্রী ৩৮ হাজার ৭২৩। পরীক্ষার্থীদের মধ্যে বিজ্ঞান বিভাগের ১৫ হাজার ৮৩৮, মানবিক শাখার ৫১ হাজার ৬৬৩ এবং ব্যবসা শিক্ষার ৫ হাজার ৫৩৬ জন রয়েছে। নিয়মিত পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ৫০ হাজার ৮৪২ এবং বাকি পরীক্ষার্থীরা অনিয়মিত।
বিবৃতিতে পরীক্ষা অত্যন্ত সুন্দর ও সুষ্ঠুভাবে অনুষ্ঠিত হবে এই আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন প্রফেসর এনামুল হক। তিনি বলেন, “আগামীর মেধা, বিজ্ঞান ভিত্তিক একটি সুশিক্ষিত জাতি গড়ে তুলতে সুস্থ ও সুন্দর নকলমুক্ত পরীক্ষা ব্যবস্থার বিকল্প নেই। এ ব্যাপারে আমরা শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনায় অক্লান্তভাবে কাজ করেছি। এতে স্থানীয় প্রশাসনের সর্বাত্মক সহযোগিতা রয়েছে। সকলের সহযোগিতায় সুন্দরভাবে পরীক্ষা সম্পন্ন হবে বলে আমি আশা করি।”
জানা যায়, শিক্ষা বোর্ড এবং জেলা প্রশাসন এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা সুষ্ঠু, স্বচ্ছ এবং নকলমুক্ত পরিবেশে আয়োজন করতে ইতোমধ্যেই প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে। শিক্ষা বোর্ডের পক্ষ থেকে কেন্দ্র পরিচালনা, প্রশ্নপত্রের নিরাপত্তা, পরীক্ষার্থী প্রবেশ এবং কক্ষ ব্যবস্থাপনা থেকে শুরু করে ডিজিটাল নজরদারিসহ সব বিষয়ে বিস্তারিত নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
এই নির্দেশনা অনুযায়ী, প্রতিটি পরীক্ষার কক্ষে প্রতি ২০ জন পরীক্ষার্থীর জন্য একজন করে কক্ষ পরিদর্শক থাকবে। এ বছর পরীক্ষার্থীদের জন্য ১০টি গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা শিক্ষা বোর্ড দিয়েছে। নির্দেশনাগুলোর মধ্যে রয়েছে— পরীক্ষা শুরুর ৩০ মিনিট আগে কেন্দ্রে উপস্থিত থাকা, ওএমআর শিটে সঠিকভাবে তথ্য লেখা ও বৃত্ত ভরাট করা, উত্তরপত্র ভাঁজ না করা, শুধুমাত্র সাধারণ সায়েন্টিফিক ক্যালকুলেটর ব্যবহার করা এবং বহুনির্বাচনি ও সৃজনশীল পরীক্ষার মধ্যে কোনো বিরতি না থাকার নিয়মটি মানার জন্য বলা হয়েছে। এছাড়া পরীক্ষার কেন্দ্রে মোবাইল ফোন নিয়ে প্রবেশ করা নিষিদ্ধ।
এছাড়া প্রশ্নফাঁসের গুজব প্রতিরোধ, নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং গুজবে পরীক্ষার্থীদের সুরক্ষা দিতে সারাদেশের ন্যায় স্থানীয় কোচিং সেন্টারগুলো আগামী ১৫ আগস্ট পর্যন্ত বন্ধ রাখতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
ইতোমধ্যেই সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে পরীক্ষা অনুষ্ঠানের অংশ হিসেবে ময়মনসিংহের জেলা প্রশাসক মো. সাইফুর রহমান স্বাক্ষরিত একটি বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে পরীক্ষা কেন্দ্রের নির্দিষ্ট এরিয়ার মধ্যে ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছে। এর ফলে পরীক্ষা কেন্দ্রের ২শ’ গজের মধ্যে পরীক্ষার্থী ছাড়া অন্য কারোর প্রবেশ, ৫ জনের অধিক ব্যক্তির একত্রে সমাবেশ, মাইকিং বা এমপ্লিফায়ার ব্যবহার নিষিধ হয়েছে। এছাড়া পরীক্ষা শুরুর ১ ঘণ্টা পূর্বে থেকে পরীক্ষা শেষ না হওয়া পর্যন্ত মোবাইল ফোন ব্যবহার নিষিদ্ধ। মোটকথা, সুষ্ঠু, সুন্দর এবং নকলমুক্ত পরিবেশে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা সম্পন্ন করার লক্ষ্যে জেলা প্রশাসন বদ্ধপরিকর বলেও জানিয়েছেন জেলা ও বিভাগীয় প্রশাসন।
এদিকে, ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশন এলাকায় নিম্নোক্ত ১৬টি কেন্দ্রে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এইচএসসি পরীক্ষা, বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে আলিম পরীক্ষা, এবং বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এইচএসসি (ব্যবসায় ব্যবস্থাপনা) ও এইচএসসি (ভোকেশনাল) পরীক্ষা-২০২৬ অনুষ্ঠিত হবে।
কেন্দ্রগুলো হচ্ছে- ময়মনসিংহে সরকারি আনন্দমোহন কলেজ, মুমিনুন্নিসা সরকারি মহিলা কলেজ, এ্যাডভান্স রেসিডেন্সিয়াল কলেজ, কাতলাসেন কাদেরিয়া কামিল মাদ্রাসা, ময়মনসিংহ মহাবিদ্যালয়, মোমেনশাহী ডিএস কামিল মাদরাসা, মহাকালী গার্লস স্কুল এন্ড কলেজ, শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম কলেজ, ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজ, ময়মনসিংহ মহিলা কলেজ, ময়মনসিংহ টেকনিক্যাল এন্ড বিজনেস ম্যানেজমেন্ট কলেজ, আলমগীর মনসুর মেমোরিয়াল কলেজ, মুসলিম গার্লস স্কুল এন্ড কলেজ, নাসিরাবাদ কলেজ ময়মনসিংহ, কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ এবং ময়মনসিংহ সরকারি কলেজ, ময়মনসিংহ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ