০১:০৬ পি.এম
হবিগঞ্জের নবীগঞ্জে বন্ধুর হাতে খুন হয়েছেন এক যুবক, যিনি আইফোনের জন্য নিহত হয়েছেন। স্থানীয়রা অভিযুক্ত বন্ধুকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছে। রাত সাড়ে ৮টার দিকে তারেক আহমেদের (২১) মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়।
মঙ্গলবার, লাখাই উপজেলার ফুলবাড়ি গ্রামের একটি ডোবা থেকে পুলিশ তারেক আহমেদের লাশ উদ্ধার করে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নবীগঞ্জ উপজেলার চৌশতপুর গ্রামের মহব্বত উল্লার ছেলে তারেক আহমেদ এবং একই গ্রামের নুরুজ্জামানের ছেলে সায়েল মিয়া ছিলেন বাল্যবন্ধু। কিছুদিন আগে, দুই বন্ধু লাখাই উপজেলার ফুলবাড়ী গ্রামে একটি ভবনের নির্মাণশ্রমিক হিসেবে কাজ করতে যান। গত ২৫ অক্টোবর, তারেক আহমেদের বাবা মহব্বত উল্লা নবীগঞ্জ থানায় তার ছেলের নিখোঁজ হওয়ার বিষয়ে একটি জিডি করেন।
আরও পড়ুন: গোলাম মোস্তফা: ২০০৬ সালের ২৮ অক্টোবর গণতন্ত্রের বিরুদ্ধে ফ্যাসিবাদের সূচনা
এদিকে, তারেকের বন্ধু সায়েলের কথাবার্তায় স্থানীয়দের মধ্যে সন্দেহ সৃষ্টি হয়। মঙ্গলবার বিকেলে সায়েল মিয়া যখন বাড়িতে আসেন, গ্রামবাসী তাকে আটক করে পুলিশকে খবর দেয়। পুলিশের ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদে সায়েল মিয়া স্বীকার করেন যে, তিনি তারেককে হত্যা করেছেন। হত্যার পর তিনি তারেকের আইফোনটি বিক্রি করে দিয়েছেন বলেও জানান।
পুলিশ জানায়, বৃহস্পতিবার গভীর রাতে আইফোন নেওয়ার জন্য ঘুমন্ত বন্ধু তারেক আহমেদকে দা দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করেন সায়েল। পরে, ৫০ হাজার টাকার আইফোনটি ১৫ হাজার টাকায় বিক্রি করে লাশ গুম করে সেখান থেকে পালিয়ে যান।
এ বিষয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল হোসেন বলেন, আটক সায়েলের স্বীকারোক্তি অনুযায়ী একটি ডোবা থেকে লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। তিনি প্রাথমিকভাবে হত্যার বিষয়টি স্বীকার করেছেন। মামলা দায়েরের পর তদন্ত করে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এমই
আরও পড়ুন: ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়ে শৃঙ্খলা ফেরাতে এআই ক্যামেরার ব্যবস্থা
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন