রবিবার, ১৩ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৬:১৪ পি.এম
ভূমি প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন মাঠ প্রশাসনের কর্মকর্তাদের জনগণের সেবক হিসেবে কাজ করার জন্য আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি উল্লেখ করেন, বর্তমান গণতান্ত্রিক, রাজনৈতিক ও নির্বাচিত সরকার মাঠ প্রশাসনের মাধ্যমে প্রত্যন্ত অঞ্চলের জনগণের কাছে নাগরিক সেবা পৌঁছানোর জন্য দৃঢ় প্রতিজ্ঞ।
আজ রবিবার ভূমি মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে বিভাগীয় কমিশনারদের সঙ্গে মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের সমন্বয় সভায় ভূমি প্রতিমন্ত্রী এসব বক্তব্য প্রদান করেন।
ভূমি প্রতিমন্ত্রী সব কর্মকর্তাকে আন্তরিকতার সঙ্গে জনগণের সেবায় নিয়োজিত থাকার নির্দেশনা দিয়ে বলেন, এই সরকারের প্রশাসন কখনোই শাসকের ভূমিকায় থাকবে না, বরং জনগণের প্রকৃত সেবক হিসেবে কাজ করবে।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে সরকার জনগণের সেবা করার লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে বলেও জানান তিনি। বিভাগীয় কমিশনারদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, সফলভাবে দায়িত্ব পালনের জন্য সকলকে পারস্পরিক সহযোগিতা, সমন্বয় ও সম্পূরকের মাধ্যমে কাজ করতে হবে।
বাংলাদেশের ১৮ কোটি মানুষ এই দেশের প্রকৃত মালিক—এ কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে সরকারি কর্মচারীদের উদ্দেশ্যে প্রতিমন্ত্রী মীর হেলাল আরো বলেন, আমাদের মনস্তত্ত্বে সবসময় থাকতে হবে যে আমরা জনগণের সেবক।
ভূমি প্রতিমন্ত্রী সেবার মানসিকতা ধারণ করে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে একটি দুর্নীতিমুক্ত ভূমি ব্যবস্থাপনা গড়ে তোলার আহ্বান জানান।
সভায় ভূমি মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব এ এস এম সালেহ আহমেদ এর সভাপতিত্বে সব বিভাগের বিভাগীয় কমিশনার ও মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মির্জাপুর পৌরসভার সম্ভাব্য মেয়র ও কাউন্সিলর প্রার্থীরা দৌড়ঝাঁপ শুরু করেছেন, যদিও পৌরসভা নির্বাচনের তফসিল এখনও ঘোষণা হয়নি। পাড়া মহল্লা ও রাজনৈতিক অঙ্গনে সরগরম অবস্থা বিরাজ করছে।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের পাশাপাশি গণসংযোগ, সামাজিক ও ধর্মীয় অনুষ্ঠান, উঠান বৈঠক, এবং মৃত বাড়িতে উপস্থিত থেকে নিজেদের অবস্থান জানাচ্ছেন তারা। বিএনপি নেতাকর্মীদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি তৎপরতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে; খেলাফত মজলীসের প্রার্থী প্রকৌশলী ইমরান আসাদ ছাড়াও জামায়াতে ইসলামী ও স্বতন্ত্র প্রার্থীরা মাঠে সক্রিয় রয়েছেন।
দলীয় কর্মকাণ্ডে সক্রিয় উপস্থিতির পাশাপাশি সামাজিক কর্মকাণ্ডেও ব্যস্ত সময় পার করছেন প্রার্থীরা। কিছু প্রার্থী ওয়ার্ড পর্যায়ের দলীয় নেতাকর্মী এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার দরিদ্র মানুষের মাঝে নানা উপকরণ বিতরণ করছেন।
২০০০ সালে প্রতিষ্ঠিত মির্জাপুর পৌরসভায় একটি উপনির্বাচনসহ পাঁচটি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রতিবারই আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থীরা বিজয়ী হয়ে মেয়রের দায়িত্ব পালন করেছেন। সাবেক মেয়রদের মধ্যে বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদুর রহমান এবং সাহাদত হোসেন মারা গেছেন। প্রথম মেয়র অ্যাডভোকেট মোশারফ হোসেন মনি নির্বাচনে অংশগ্রহণ থেকে বিরত রয়েছেন। দুইবারের আরেক সাবেক মেয়র সালমা আক্তারও নির্বাচনে অংশ নেবেন না বলে জানা গেছে।
স্থানীয়দের মতে, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকার পতন হলে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার প্রশাসক নিয়োগ দেবেন। এ ছাড়া আওয়ামী লীগের কার্যক্রম স্থগিত করা হবে। আগামী নির্বাচনে আওয়ামী লীগ সমর্থিত নেতারা নির্বাচনে অংশ নিতে পারবে কিনা তা এখনও স্পষ্ট নয়। তবে প্রথমবারের মতো বিএনপি সমর্থিত প্রার্থীরা মেয়র নির্বাচিত হওয়ার জন্য মরিয়া হয়ে প্রচারণা চালাচ্ছেন। বিএনপির মধ্যে থেকে মেয়র নির্বাচিত হওয়ার সম্ভাবনা প্রায় নিশ্চিত।
অন্যদিকে জামায়াতে ইসলামী তাদের নির্ধারিত প্রার্থী ঘোষণা না করলেও দলীয়ভাবে প্রচারণা চালাচ্ছে। খেলাফত মজলিসের প্রার্থী প্রকৌশলী ইমরান আসাদও প্রচারণায় রয়েছেন।
বিএনপির নীতি-নির্ধারকের কয়েকজন মন্তব্য করেছেন, এই পৌরসভায় প্রথমবারের মতো মেয়র নির্বাচিত করার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। সেই অনুযায়ী ওয়ার্ড কমিটিগুলোকে ঢেলে সাজানো হয়েছে।
তবে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক আওয়ামী লীগের কিছু সদস্য জানিয়েছেন, নিরপেক্ষ নির্বাচনের ব্যবস্থা হলে আওয়ামী লীগ সমর্থিতরা নির্বাচনে অংশ নিতে পারবে এমন ঘোষণা আসলে তাদের দল থেকে নির্দেশনা পেলে তারা একক প্রার্থী দিতে পারেন। তাদের দলে জনবান্ধব গ্রহণযোগ্য শক্ত নেতৃত্ব রয়েছে। সেক্ষেত্রে পৌরসভার ভোটাররা বিগত দিনের মতো আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থীকে বিপুল ভোটে বিজয়ী করবেন বলে আশা প্রকাশ করেছেন।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বিএনপির মনোনয়নপ্রত্যাশী নেতারা দিন দিন দল ও এলাকায় যোগাযোগ বাড়াচ্ছেন। কে দলীয় প্রার্থী হতে পারেন, কাকে দিলে বিজয়ী হওয়া সহজ হবে এ নিয়ে নেতাকর্মীদের মধ্যে আলোচনা চলছে।
মেয়র পদে বিএনপির মনোনয়নপ্রত্যাশীরা হলেন মির্জাপুর পৌর বিএনপির সভাপতি বিআরডিবির সাবেক চেয়ারম্যান সাবেক জিএস ও ভিপি হযরত আলী মিঞা, পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সাবেক এজিএস এস এম মহসীন, পৌর বিএনপির সিনিয়র সহসভাপতি সদর ওয়ার্ডের চারবারের কাউন্সিলর আলী আজম সিদ্দিকী, উপজেলা বিএনপির দুই সাংগঠনিক সম্পাদক ডি এম শফিকুল ইসলাম ফরিদ ও মো. আলম মৃধা এবং ডা. মো. আল আমিন উজ্জল।
মির্জাপুর পৌসভার ৯টি ওয়ার্ডে প্রায় ২৫ হাজার ভোটার রয়েছেন। এর মধ্যে প্রায় ৭ হাজার হিন্দু সম্প্রদায় এবং প্রায় ৩ হাজার ভাসমান ভোটার বসবাস করছেন বলে জানা গেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত জানিয়েছেন, আগামী পাঁচ বছরে দেশে এক কোটি মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা হবে। তিনি উল্লেখ করেছেন, প্রশাসনে গতি আনা এবং সরকারি কর্মচারীর সংকট দূর করতে বিশেষ বিসিএসের মাধ্যমে নিয়োগ দেওয়া হবে, যদি প্রয়োজন হয়।
রবিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) দুপুরে শেরপুর জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে জেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।
মন্ত্রী বলেন, "মাদক, চাঁদাবাজি, ধর্ষণ ও নারী নির্যাতনের বিরুদ্ধে সরকার জিরো টলারেন্স ঘোষণা করেছে।" এসব ঘটনায় কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না বলেও তিনি উল্লেখ করেন। প্রশাসন, পুলিশ এবং সরকারি কর্মকর্তাদের নির্ভয়ে দায়িত্ব পালন এবং কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশনা দেন তিনি।
স্থানীয় রাজনীতিক ও জনপ্রতিনিধিদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, "মাদক গ্রহণকারী, কারবারি, সংরক্ষণকারী, চাঁদাবাজ, ধর্ষক ও নারী নির্যাতনকারীদের পক্ষে কেউ কোনো সুপারিশ করবেন না।" যদি কেউ সুপারিশ করে, তাহলে প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী যেন তা না শোনে, সে বিষয়ে তিনি সতর্ক করেন। সমাজ ও দেশ রক্ষায় শক্তভাবে ব্যবস্থা নিতে হবে এবং স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও রাজনৈতিক নেতাদের সহায়ক ভূমিকা পালন করতে হবে।
মন্ত্রী পাহাড় কাটা, বনের গাছ কেটে লুট, অবৈধভাবে বালু উত্তোলন ও পরিবেশ বিনষ্টকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন।
তিনি বলেন, "ফ্যাসিস্ট সরকারের সময় দলীয়করণের মাধ্যমে গত ১৭ বছরে পুলিশ, বিজিবি, র্যাবসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ধ্বংস করা হয়েছে।" সেই সময় সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তাদের নিয়ন্ত্রণ করে নিজেদের ইচ্ছামতো কাজ করানো হয়েছে, যার কারণে দেশে সুষ্ঠু নির্বাচন হয়নি। হাজার হাজার কোটি টাকা পাচারের কারণে দেশ পিছিয়ে পড়েছে বলেও তিনি মন্তব্য করেন।
মন্ত্রী জানান, বর্তমান সরকার ভঙ্গুর প্রশাসন ও বিধ্বস্ত অর্থনীতি নিয়ে দায়িত্ব নিয়েছে। মানুষের কল্যাণ ও নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টির মাধ্যমে দেশ পুনর্গঠনের কাজ চলছে। ইতোমধ্যে ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষক কার্ড চালু করে সাধারণ মানুষের কল্যাণে কাজ করছে সরকার।
শেরপুরের উন্নয়ন প্রসঙ্গে এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত বলেন, ময়মনসিংহ বিভাগের চার জেলার মধ্যে শেরপুর সর্বকনিষ্ঠ জেলা। জেলার সার্বিক উন্নয়নে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নিতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করবেন তিনি। গারো পাহাড়ে হাতি-মানুষের দ্বন্দ্ব নিরসনের পাশাপাশি জেলাকে পর্যটনসমৃদ্ধ করে অর্থনৈতিক উন্নয়ন নিশ্চিত করতে ঝিনাইগাতীতে শিগগির একটি পর্যটন হোটেল নির্মাণের কথাও জানান তিনি।
জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ফরিদা ইয়াসমিনের সভাপতিত্বে সভায় মাহমুদুল হক রুবেল এমপি, প্রকৌশলী মোহাম্মদ ফাহিম চৌধুরী এমপি, ডা. সানসিলা জেবরীন এমপি, পুলিশ সুপার এ কে এম জহিরুল ইসলাম, জেলা পরিষদ প্রশাসক এবিএম মামুনুর রশীদ, বিএনপি নেতা মো. হযরত আলী, জেলা বারের সভাপতি অ্যাডভোকেট মো. সিরাজুল ইসলাম, জেলা জামায়াতের আমির মাওলানা হাফিজুর রহমান, প্রেসক্লাব সভাপতি কাকন রেজাসহ জেলা পর্যায়ের কর্মকর্তারা বক্তব্য দেন।
এর আগে মন্ত্রী শেরপুর সার্কিট হাউসে পৌঁছালে তাকে গার্ড অব অনার দেওয়া হয়। পথে বিভিন্ন স্থানে দলীয় নেতাকর্মীদের পক্ষ থেকে তাকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানানো হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে ডাকাতির চেষ্টাকালে মিজানুর রহমান সোহেল (৪১) নামের একজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ সময় তাঁর কাছ থেকে একটি সামুরাই, একটি চাপাতি ও তিনটি সেলাই রেঞ্জ উদ্ধার করা হয়েছে।
রবিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) রাত আনুমানিক ২টা ৪৫ মিনিটে উপজেলার কাঁচপুর ইউনিয়নে এই ঘটনা ঘটে।
পুলিশ জানায়, মহাসড়কে ৬ থেকে ৭ জনের একটি সশস্ত্র ডাকাত দল একটি প্রাইভেটকার থামিয়ে ডাকাতির চেষ্টা করছিল। এ সময় মোবাইল ডিউটিতে থাকা টহল পুলিশ সদস্যরা বিষয়টি লক্ষ্য করে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছান। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে ডাকাত দলের ৫ থেকে ৬ জন সদস্য দৌড়ে পালিয়ে যায়।
পুলিশ পরে ধাওয়া করে ঘটনাস্থল থেকে মিজানুর রহমান সোহেলকে আটক করে। তিনি কুমিল্লার চান্দিনা থানার জিরাবাইস এলাকার আব্দুর রব মিয়ার ছেলে।
পুলিশের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, সোহেল একটি সংঘবদ্ধ ডাকাত দলের সদস্য। তাঁর দলের অন্য সদস্যদের মধ্যে শ্রাবণ গাড়ির হেলপার রাকিব (৩৫), কাঁচপুর উত্তরপাড়া এলাকার মজিবরের ছেলে নাহিদ (৩৩), একই এলাকার বাসিন্দা আলামিন (২৫), ইউসুফ (৩০) এবং আরো ১ থেকে ২ জন অজ্ঞাতপরিচয় সদস্য রয়েছেন।
নারায়ণগঞ্জ জেলা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ ও অপারেশন) তারেক আল মেহেদী বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে একজনকে অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাঁর দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পলাতক অন্য সদস্যদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।
তিনি আরো জানান, এ ঘটনায় গ্রেপ্তার সোহেলের বিরুদ্ধে ডাকাতির প্রস্তুতির মামলা করা হয়েছে। পরে তাঁকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। পলাতক অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আসন্ন ২০তম এশিয়ান গেমসের প্রস্তুতির জন্য বাংলাদেশ পুরুষ ক্রিকেট দল নিজেদের মধ্যে ভাগ হয়ে দুটি প্রস্তুতি ম্যাচ খেলার পরিকল্পনা করেছে। জাপানের আইচি ও নাগোয়ায় অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া এই টুর্নামেন্টের মূল পর্বে অংশ নেওয়ার আগে নিজেদের প্রস্তুত করার লক্ষ্যে টাইগাররা এই ম্যাচগুলো খেলবে। রবিবার ১৩ সেপ্টেম্বর থেকে মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে আনুষ্ঠানিকভাবে টাইগারের প্রস্তুতি ক্যাম্প শুরু হয়েছে।
প্রথম দিন অনুশীলনে অংশ নিয়েছিলেন বেশ কয়েকজন তারকা ক্রিকেটার। তাদের মধ্যে মুস্তাফিজুর রহমান, লিটন কুমার দাস এবং নাজমুল হোসেন শান্ত উল্লেখযোগ্য।
তবে দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে থাকার কারণে কিছু ক্রিকেটার অনুপস্থিত ছিলেন। তারা দেশে ফেরার পর অনুশীলনে যোগ দেবেন। এছাড়া, কয়েকজন ক্রিকেটার বর্তমানে ছুটিতে রয়েছেন। ছুটিতে থাকা শরীফুল ইসলাম ১৫ সেপ্টেম্বর অনুশীলনে ফিরবেন। অন্যদিকে, কাউন্টিতে খেলার কারণে হাসান মাহমুদ অনুশীলনে নেই।
বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) তথ্য অনুযায়ী, প্রস্তুতি ম্যাচ দুটি আগামী ২১ ও ২২ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত হবে। এই ম্যাচগুলোতে বাংলাদেশ দল নিজেদের মধ্যে দুটি দলে ভাগ হয়ে অংশ নেবে, কোনো বিদেশি দলের বিপক্ষে নয়।
এই টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্টে বাংলাদেশ দলের নেতৃত্ব দেবেন উইকেটরক্ষক-ব্যাটসম্যান লিটন কুমার দাস।
র্যাংকিংয়ে এগিয়ে থাকার কারণে বাংলাদেশ দলকে গ্রুপ পর্বে খেলতে হচ্ছে না। তারা সরাসরি কোয়ার্টার ফাইনালে খেলবে। আগামী ২৯ সেপ্টেম্বর গ্রুপ ‘বি’ থেকে প্রথম রাউন্ড পার করে আসা একটি দলের (হংকং, মালয়েশিয়া বা ওমান) বিরুদ্ধে বাংলাদেশ তাদের এশিয়ান গেমসের অভিযান শুরু করবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ